Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প731 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৯. দাউ দাউ করে জ্বলছে মেজরের গাড়ি

    দাউ দাউ করে জ্বলছে মেজরের গাড়ি থানার বাইরে দাড়িয়ে সমানে মেজর চিৎকার করে গেলেন, ওরে ছুঁচো, ইঁদুর, পেঁচা, হিপো, তোকে যদি হাতের কাছে পেতাম তা হলে, ওঃ, মনের সুখে কিমা বানাতাম।

    রাত দশটা নাগাদ পুলিশ ওদের সুধামাসিদের বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে গেল। যাওয়ার আগে মেজর যে কথা পুলিশের লোককে বলেছিলেন তা জীবনে ভুলবে না অর্জুন। মেজর বলেছিলেন, এই অবধি পৌঁছে দেওয়ার জন্যে অনেক ধন্যবাদ অফিসার। এর পর আপনাকে থাকতে বলছি না, কারণ সরষে ইলিশ অথবা চিংড়ি পোস্ত শেয়ার করা আর আমার পক্ষে সম্ভব নয়। গুড নাইট।

    অফিসার কিছুই বুঝতে না পেরে বলেছিলেন, পার্ভন?

    সেটা তো করেই দিয়েছি। গুড নাইট।

    অর্জুন এগিয়ে গিয়ে বোতাম টিপল।

    ভেতর থেকে দেখে নিয়ে অঞ্জনাদি দরজা খুললেন। অর্জুনকে কিছু বলতে গিয়ে সামলে নিয়ে অত্যন্ত শিক্ষিত গলায় মেজর এবং মিস্টার আলাম্বাকে স্বাগত জানালেন। ওঁদের বসার ঘরে নিয়ে এসে সোফায় বসিয়ে বললেন, আমি অঞ্জনা, সুধামাসি আমার মা।

    প্রাথমিক পরিচয় হয়ে যাওয়ার পর অঞ্জনাদি জিজ্ঞেস করলেন, আমাদের বাড়িতে পুলিশের গাড়িতে চেপে কেউ প্রথমবার এল। কোনও অসুবিধে হচ্ছিল?

    মেজর তাঁর কঁচা প্রায় নেই, পাকা দাড়িতে আঙুল ঢোকালেন, হ্যাঁ। একটু।

    কী হয়েছিল? অবশ্য জানাতে যদি আপত্তি না থাকে।

    বিন্দুমাত্র নেই। না জানানো ছাড়া কোনও উপায় নেই। কী বলো, অর্জুন? আমার গাড়িটা উড়ে গেছে। মানে টাইমবোম বা ওই জাতীয় কিছু নিয়ে উড়িয়ে দিয়েছে কেউ।

    সে কী? কোথায়? কখন?

    একটু আগে। খোদ পুলিশের ডেরায় পার্ক করে রাখা গাড়ি উড়ে গেল। নিজের গাড়ি বলে বলছি না, ঠিক ফিল্মের গাড়ির মতো সিন তৈরি হয়েছিল। কিন্তু দেখুন, রাত অনেক হয়েছে। আমরাও ক্ষুধার্ত। মিস্টার আলাম্বাও স্বাভাবিক নন। যদি ডিনার পরিবেশন করেন তা হলে এখনই তোড়জোড় করুন। তবে তার আগে ড্রিঙ্ক সার্ভ করতে পারেন।

    আমাদের ডিনার তৈরি।

    ও হো। তা হলে একটা স্কচের বোতল চটপট এনে দিন। আপনি যদিও বাঙালি মহিলা, তবে আমেরিকায় বেশ কিছুদিন আছেন বলে কথাটা বলা গেল। গ্লাস নিয়ে আসার দরকার নেই। অর্জুন খায় না, অন্তত আগে খেত না বলেই জানি। মিস্টার আলাম্বার ইচ্ছে হলে বোতল থেকেই চুমুক মারবেন। মেজর দাড়ি চুলকে যাচ্ছিলেন।

    অঞ্জনাদি কিন্তু যেভাবে পরিবেশন করতে হয় সেইভাবেই করলেন। মিস্টার আলাদা এক পেগ হুইস্কি নিয়ে গম্ভীর মুখে চুমুক দিলেন। মেজর পুরো গ্লাস ভর্তি করে চুমুক দিতেই সুধামাসি বেরিয়ে এলেন হাত জোড় করে।

    অর্জুন আলাপ করিয়ে দিল। গ্লাস টেবিলে রেখে মেজর বললেন, আপনার রান্নার নাম শুনে ছুটে এসেছি। কিন্তু এই একটা অভ্যেস, অভ্যেসটা বল, জানি, মানে কিছু খাওয়ার আগে একটু এটা খেয়ে নেওয়া।

    শুনলাম কে নাকি বোমা মেরে গাড়ি উড়িয়ে দিয়েছে।

    হ্যাঁ। তবে ক্ষতি তেমন হয়নি। ইনস্যুরেন্স করা ছিল। তবে সরষে ইলিশ–।

    এক মিনিট, ওসব জিনিসের স্বাদ পেতে গেলে জিভ পরিষ্কার রাখতে হয় যে! মেজর গ্লাস তুলে চুমুক দিতে গিয়ে কথাগুলো শুনে থমকে গেলেন, অ্যাঁ?

    হ্যাঁ। প্রত্যেকটি জিনিসের আলাদা স্বাদ আছে। চিংড়ির স্বাদ আলাদা, আবার ইলিশের স্বাদ তার নিজের। যে মশলা পড়ছে তার নিজের স্বাদ আছে। আমার শ্বশুরমশাই রায়বাহাদুর সাহেব ওই জিনিস খেতেন। শুনলাম উনি নাকি খাবারে কোনও স্বাদ পাচ্ছেন না।

    সুধামাসি বলামাত্রই গ্লাস টেবিলে নামিয়ে মেজর উঠে দাঁড়ালেন, চলুন সবাই, ডিনারে যাই। মিস্টার আলাম্বা, এক পেগ মদ তাও শেষ করতে পারছেন না!

    এই রাত্রের খাওয়ার টেবিলের স্মৃতি অর্জুনের অনেককাল মনে থাকবে। একেবারে শিশুর মতো খেয়েছিলেন মেজর। ফুলকপির প্রিপারেশন এত ভাল হয়? ভাতের সঙ্গে আলু সেদ্ধ সরষের তেলে মেখে দিয়েছিলেন সুধামাসি। কাঁচালঙ্কা পাশে। তাতেই তিনি প্রথমে উদ্বুদ্ধ হন। প্রতিটি খাবার খাচ্ছেন আর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হচ্ছেন। এমনকী মিস্টার আলাম্বার হাঁড়িমুখে হাসি ফুটল যখন চিংড়িপোস্ত খেতে লাগলেন। মিষ্টিতে পৌঁছে মেজরকে রোখা গেল না। চিৎকার করে বললেন এরকম খাবার পেলে আমি মদ্যপান ছেড়ে দিতে পারি। আহা।

    সুধামাসি বললেন, আজ আমার জামাই-এর জন্মদিন।

    আচ্ছা! তিনি কোথায়? ওহে, অর্জুন, গলা নামিয়ে বললেন, কী যেন হয়েছে?

    অ্যাক্সিডেন্ট। তবে এখন অবস্থা ভাল। হাসপাতালে আছেন। অঞ্জনাদি বললেন।

    ওঁর স্বাস্থ্য চটজলদি ফিরে আসুক। জলের গ্লাস ওপরে তুলে বললেন মেজর, গলা পর্যন্ত খেয়ে ফেললাম। এখন একটা বালিশ না পেলেই নয়।

    অঞ্জনাদি বললেন, বালিশ কেন? বিছানাই তৈরি।

    ওঃ, এর চেয়ে সুখবর আর কী হতে পারে! এই যে আফ্রিকা বিশেষজ্ঞ, বাঙালি মেয়ের গুণ দেখতে পাচ্ছ? বাংলায় প্রশ্নটি করা বলে কিছু না বুঝে পায়েস খেতে-খেতে হাসলেন মিস্টার আলাম্বা।

    কিন্তু ডিনার টেবিল থেকে উঠে মিস্টার আলাম্বা রাত্রে এবাড়িতে থাকতে চাইলেন না। তাকে ওই রাত্রে নিউ ইয়র্কে ফিরে যেতে হবেই। মেজর অনেক বোঝালেন। তাঁর তখন শুয়ে পড়তে ইচ্ছে করছে। সঙ্গে গাড়ি নেই। যদি থাকত, এত খাওয়ার পর অতদূরে চালিয়ে যেতে ইচ্ছে করত না বলে তাঁর মুখ দেখে মনে হচ্ছিল, উড়ে গিয়ে তাঁর ভালই হয়েছে। শেষপর্যন্ত মিস্টার আলাম্বার ইচ্ছাই মান্য করা হল। টেলিফোন করলেন অঞ্জনাদি। মিনিট তিনেকের মধ্যে ট্যাক্সি এসে গেল দরজায়। মিস্টার আলাম্বা ঘড়ি দেখলেন। প্রায় মধ্যরাত। তিনি অর্জুনকে বললেন, আপনি আমাদের সঙ্গে যাচ্ছেন তো?

    ও কেন যাবে? মেজর আপত্তি করলেন, ও বাড়ি থেকে আমাদের পৌঁছতে চলল, আমরা একবার ওকে পৌঁছতে আসলাম, সারারাত এই চলুক আর কী।

    কিন্তু মিস্টার আলাম্বার অবস্থা দেখে মায়া হচ্ছিল অর্জুনের। একেবারে নার্ভাস হয়ে গিয়েছেন। সুধামাসির সঙ্গে কথা বলে গাড়িতে উঠল অর্জুন। মিস্টার আলাম্বাকে মাঝখানে রেখে সে এবং মেজর দুদিকে বসল। ট্যাক্সিওয়ালা ঠিকানা জানতে চাইলে মেজর সেটা বলতে যাচ্ছিলেন কিন্তু মিস্টার আলাম্বা দ্রুত বলে উঠলেন, জ্যাকসন হাইট।

    মেজর অবাক হয়ে ঘুরে তাকাতে ইশারায় জানালেন চুপ করে থাকতে।

    দিনের বেলায় যে-পথ নির্জন, রাতের বেলায় সেখানে শব্দ খুঁজেও পাওয়া যাবে না। শুধু হুস-হাস গাড়ি ছুটে যাচ্ছে মাঝে মাঝে। মেজরের চোখ বন্ধ, নাক ডাকছে। মানুষটি কত অল্পে সন্তুষ্ট থাকেন।

    হাডসন পেরিয়ে জ্যাকসন হাইটে ট্যাক্সি পৌঁছে গেলে মিস্টার আলাদা ভাড়া মিটিয়ে নেমে পড়লেন। মেজর তখনও ঘুমোচ্ছেন। মিস্টার আলাম্বা বললেন, ঝটপট ওকে ডাকুন? এরকম জায়গায় বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে পারব না।

    মেজরকে ঘুম থেকে তুলে রাস্তায় নামাতে প্রচুর পরিশ্রম করতে হল। সোজা হয়ে দাড়িয়ে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, আমি কোথায়?

    জ্যাকসন হাইটে! অর্জুন বলল।

    কী? এই ভিতু লোকটাকে নিয়ে মুশকিলে পড়া গেল। ট্যাক্সিটা চলে গিয়েছিল, দ্বিতীয় একটা ট্যাক্সি সামনে এসে পঁাড়াতেই মেজর চেঁচিয়ে উঠলেন, আরে শুটকি মাছ, তুমি?

    আসেন দাদা, কী সৌভাগ্য। পেছনের দরজা খুলে দিল ড্রাইভার।

    কোথায় ছিলা ভাই? তোমারে ছাড়াই সরষে ইলিশ খাইলাম আজ। ট্যাক্সির ভেতর শরীর চালান করে দিয়ে ইশারায় বললেন আলাম্বাকে ডেকে আনতে।

    মিস্টার আলাদা একটু দূরে ঠিক লাইটপোস্টের মতো দাড়িয়ে ছিলেন। অর্জুন গিয়ে তাঁকে বলতেই এদিকে তাকালেন। অর্জুন বলল, মেজরের চেনা ট্যাক্সিওয়ালা।

    শোনামাত্র দৌড়ে ফিরে এসে ট্যাক্সিতে উঠলেন তিনি। অর্জুন আশেপাশে তাকিয়ে দেখল, দৃশ্যটি দেখার মতো কেউ এখানে নেই।

    ট্যাক্সি চলছিল। ড্রাইভারের সামনে রেডিয়োতে সমানে খবরাখবর এবং নির্দেশ ঘোষিত হয়ে চলেছে। ট্যাক্সিওয়ালা জিজ্ঞেস করল, এই রাইতে

    জ্যাকসন হাইটে কী করতে ছিলেন? দাওয়াত ছিল নাকি?

    মেজর বললেন, হ। মরণের বাসায়।

    আপনি কী যে কন! ট্যাক্সিওয়ালা একটু জোরেই বলল।

    হঠাৎ মিস্টার আলাদা চেঁচিয়ে উঠলেন, সাইলেন্স, সাইলেন্স প্লিজ।

    কয়েক সেকেন্ড সব চুপচাপ। শুধু রেডিয়ো বেজে যাচ্ছে। ট্যাক্সিওয়ালা বলল, অ। ওই সাপের কথা। বিকাল থিকা প্রায়শই বলতেছে। পাগল।

    মিস্টার আলাম্বা মেজরকে বললেন, বাড়ির সামনে ট্যাক্সি ছাড়বেন না। দূরে রেখে হেঁটে যাব আমরা। বুঝতে পারছেন?

    কোনও চান্স নেই। এই ছোকরা আমার ফ্ল্যাট পর্যন্ত জানে। তবে বিশ্বস্ত। মেজর হাত নাড়লেন, অর্জুন জিজ্ঞেস করল, আপনি বাংলাদেশের?

    হ। দাদার লগে অনেকবার পরিচয় হইছে। আমার নাম রতন রহমান।

    এখানে ট্যাক্সি চালাতে অসুবিধে হচ্ছে না?

    প্রথম-প্রথম হইত। তবে পুলিশ তো খুব ভাল, তাদের সাহায্য পাওয়া যায়। দাদারে কইছিলাম শুটকি খাওয়ামু, লইট্যা শুটকি, উনি সেটা ভোলেন নাই।

    রাস্তাটা চিনতে পারছে অর্জুন। এই পথেই মেজর তাকে নিয়ে গিয়েছিলেন। মেজরের ফ্ল্যাট যে অট্টালিকায়, তার সামনে পৌঁছেই সে দুটো গাড়ি দেখতে পেল। গাড়িদুটো অদ্ভুতভাবে রাস্তার দুপাশে দাড়িয়ে আছে। ট্যাক্সি থামতেই দুটো গাড়ির দরজা প্রায় একসঙ্গে খুলে গেল। অর্জুনের মনে হল বিপদ সামনে। সে রতন রহমানকে বলল, বিপদ। তাড়াতাড়ি গাড়ি চালিয়ে ওদের মাঝখান দিয়ে বেরিয়ে যান।

    রতন যে এত দ্রুত সেটা করবে, অনুমান করেনি অর্জুন। যারা গাড়ি থেকে নেমেছিল তারাও ভাবতে পারেনি। ছিটকে রাস্তার দুপাশে সরে গেল ওরা। ট্যাক্সিটা সোজা চলে এল আর-একটি বড় রাস্তায়। রতন বলল, বলেন?

    অর্জুন মেজরের দিকে তাকাল। তিনি তখন ঘুমোচ্ছেন। মিস্টার আলাদা সিঁটিয়ে বসে আছেন। অর্জুন বলল, ভাই রতন, ওরা আমাদের শত্রু, ওদের হাত থেকে আমাদের বাঁচান।

    তাই কন। অরা বাঙ্গালিরে চেনে না। জয় বাংলা। কী দুরন্ত গতিতে গাড়ি ঘুরিয়ে আবার ছুটে গেল রতন রহমান, তা বিশ্বাস হত না চোখে না দেখলে। দুটো গাড়ি তখন সবে চলা শুরু করেছিল, ওই গতিতে ট্যাক্সিকে ছুটে আসতে দেখে সরে যাওয়ার চেষ্টা করল। কিন্তু তার আগে নিজেরাই রেলিং-এ ধাক্কা খেল। বেরিয়ে এল ট্যাক্সিটা। মেজর চোখ মেলে বললেন, কতদূর?

    একটুও চিন্তা করবেন না দাদা, আমি আছি। এইসব ফাইটিং সিন আমি হিন্দি সিনেমা দেইখ্যা শিখছি।

    আরে, আরে! তুমি ছুটছ কেন? মেজর উঠে বসলেন। অর্জুন দ্রুত তাকে ঘটনাটা জানিয়ে দিল। মেজর বললেন, যাঃ বাবা! এর মধ্যে টের পেয়ে গেল?

    অর্জুন ঘাড় ঘুরিয়ে দেখল দুটো গাড়ি প্রবল গতিতে ছুটে আসছে তাদের পেছনে। রতন তখন তার ওয়্যারলেসে বলছিল, ক্যাব নাম্বার এক্স ওয়াই জেড থ্রি নট থ্রি, হেল্প হেল্প প্লিজ। বলেই সেটা বন্ধ করে বলল, আমি লেফটে টার্ন নিয়া থামাব। আপনারা জলদি গাড়ি থিকা নামতে পারবেন?

    শিওর। কিন্তু আমি ওদের ফেস করতে চাই।

    ওনারা আর আসতেছেন না। পুলিশের বাঁশি শুইন্যাই ভাগছেন। পুলিশে ইলে কী সব হয় না, তাই নামতে কইলাম।

    বাঁ দিকে ঘুরে গাড়ি দাঁড়াতেই ওরা দ্রুত নেমে পড়তেই রতন ট্যাক্সি নিয়ে বেরিয়ে গেল। ওরা দৌড়ে একটা কাফের মধ্যে ঢুকে পড়তেই শুনল, গুড মর্নিং সার। আপনাদের বসতে অনুরোধ করছি।

    মেজর বললেন, আই অ্যাম সরি সার। কিন্তু আপনাদের টয়লেটের জন্যে এখানে ঢুকতে হল, অবশ্য যদি আপত্তি থাকে।

    ওঃ, নো, নো। প্লিজ। ভদ্রলোক ডান দিকে হাত প্রসারিত করলেন। অর্জুন দেখল রাত প্রচুর হলেও কাফে একেবারে খালি নয়। ওরা তিনজনেই টয়লেটে পৌঁছলেন। একসঙ্গে দুজনের বেশি যাওয়া যাবে না। বয়স্কদের যেতে দিয়ে অর্জুনের মনে হল, তার প্রয়োজন নেই, খামোকা যাচ্ছিল। সে কাফের বাইরে যাওয়ার জন্যে পা বাড়াতে সেই মালিক অথবা ম্যানেজারের খপ্পরে পড়ল, ইটস আ নাইস মর্নিং সার। হাউ অ্যাবাউট এ কাপ অব কফি উইদ লিকার?

    সরি। আই ডোন্ট ওয়ান্ট দ্যাট।

    লুক সার, ইফ ইউ স্টার্ট দ্য ডে উইথ কফি–

    ইটস নট ডে, ইটস মিডনাইট।

    ইটস ওয়ান থার্টি এ এম। সো উই ক্যান কল ইট মর্নিং।

    ঠিক তখনই দরজা ঠেলে একৰ্টি লোক এবং একজন মহিলা ঢুকলেন। দুজনেরই বেশ নেশা হয়ে গেছে বোঝা যাচ্ছিল। লোকটি মহিলার হাত ধরে একটা খালি টেবিলের দিকে যেতে-যেতে বলল, আমি জানি আমি মারা যাব। আর আমি যে এটা জানি তা কেউ জানে না।

    ম্যানেজার বা মালিক হাত নাড়ল, হাই জিম, আফটার আ লং গ্যাপ।

    লোকটা তার বান্ধবী বা স্ত্রীকে ছেড়ে এগিয়ে এল ম্যানেজারের কাছে, মেড মানি, লট অব মানি, ড়ু ইউ নো? চলতে চলতে লোকটা অর্জুনের দিকে তাকাতেই অর্জুন চমকে উঠল। লোকটা বলল, হেই ম্যান, আই হ্যাভ সিন ইউ সামহোয়ার। হু আর ইউ?

    আই অ্যাম ইওর ফ্রেন্ড। অর্জুন হাসার চেষ্টা করল।

    ওঃ। দেন জয়েন আস। কাম, কাম প্লিজ। হাত ধরে টানতে টানতে জিম অর্জুনকে নিয়ে গেল সেই টেবিলে, যেখানে মহিলা একা বসে ছিলেন। এই সময় মেজর এবং মিস্টার আলাদা টয়লেট থেকে বেরিয়ে আবার ম্যানেজার বা মানিকের খপ্পরে পড়লেন। মেজর হাত তুলে চালিয়ে যেতে বলে মিস্টার আলাম্বাকে নিয়ে অন্য একটি টেবিলে গিয়ে বসলেন।

    মহিলা বললেন, ইউ আর অলরাইট, জিম?

    অ্যাবসোলিউটলি। লুক, ডার্লিং, হি ইজ মাই ফ্রেন্ড।

    মহিলা মাথা নাড়লেন, গ্ল্যাড টু মিট ইউ? তোমরা অনেকদিনের পরিচিত?

    না, না। তিনদিন আগে আলাপ হয়েছে।

    তিনদিন? মহিলা অবাক হয়ে জিমের দিকে তাকালেন, সে চোখ বন্ধ করে আছে। মহিলা বললেন, তিনদিন আগে জিম বিদেশে ছিল, তাই না জিম?

    ইয়েস ডার্লিং।

    আমার সঙ্গে এয়ারপোর্টে আলাপ হয়। প্রথমে হিথরোতে, পরে জে এফ কে-তে। উনি আমাকে চিনতে পারছেন না। দাড়ান, মিস্টার জিম? আমি যদি কাস্টমস অফিসারকে বলে দিতাম যে আপনি দাতের নীচে লুকিয়ে কিছু নিয়ে আসছেন তা হলে কী হত? জেলে থাকতেন এই সময়, তাই না? তা হলে না বলে বন্ধুর কাজ করেছি আমি, তাই না?।

    জিম ছোট চোখে তাকে কিছুক্ষণ দেখল। হঠাৎ শরীরের সব রক্ত তার মুখে উঠে এল। এয়ারপোর্টর স্মৃতি মনে পড়ে যাওয়ায় সে বোধ হয় চিৎকার করে উঠতে যাচ্ছিল কিন্তু অর্জুন বলল, একটা শব্দ করলে তুমি খুন হয়ে যাবে। আমার সাপ তোমাকে মারবে।

    সঙ্গে-সঙ্গে ভেঙে পড়ল জিম, নো, নো। প্লিজ। আমাকে বাঁচাও। প্লিজ।

    তুমি খুব খারাপ লোক। তাই না?

    আমি মানছি। আমি খুব খারাপ।

    এয়ারপোর্টে তোমাকে ধরিয়ে দিইনি কেন জানো? আমি বলার পর যদি ওরা তোমার মুখে ব্যাগ না পেত তা হলে আমি বেইজ্জত হয়ে যেতাম। অর্জুন বলল।

    আমি ভেবেছিলাম, তুমি বলবে। তাই পেটে চালান করে দেব ভেবেছিলাম। কিন্তু ভাগ্যিস করিনি। ওরা আমার পেটের ভিতরটা পরীক্ষা করেছে, দাতের নীচটায় কেউ দ্যাখেনি। এক লাখ ডলারের মাল। আমি পেয়েছি দশ হাজার।

    আমার কথা কজনকে বলেছ?

    কাঁধ নাচাল জিম, উত্তর দিল না।

    তুমি কি আফ্রিকান? অর্জুন জিজ্ঞেস করল।

    ইয়েস। আমি মুল্যাটো। বাবার সাদা চামড়া নাকমুখ পেয়েছি।

    কজনকে বলেছ আমার কথা?

    শুধু বসকে। আর কাউকে বলিনি।

    কে তোমার বস্? অর্জুন গলা নামাল।

    প্লিজ, ডোন্ট আস্ক মি। লোকটা সরে গেল কিছুটা।

    অর্জুন পকেট থেকে লকেটটা বের করে জিজ্ঞেস করল, এটার দিকে তাকিয়ে বলল, কে আমাদের খুন করতে আজ এত ব্যস্ত হয়েছে? বলো?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৬ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Our Picks

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }