Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প731 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. বাইরের ঘরে আলো জ্বলছে

    বাইরের ঘরে আলো জ্বলছে। বাড়ির সামনে জিপ দাঁড়িয়ে। এই জিপ পুলিশের। বেল টিপতেই বৃদ্ধ দরজা খুললেন, আরে এসো, এসো। গঙ্গাপদ বলল হাওয়া খেতে বেরিয়েছ। আগে বেড়াবার পক্ষে আদর্শ জায়গা ছিল সল্ট লেক।

    আগে ছিল মানে?

    লবণহ্রদ সংবাদ বলে একটা পাক্ষিক কাগজ আছে এখানে। খুললেই দেখবে ছিনতাই আর গুণ্ডামি হচ্ছে সন্ধের পর রাস্তায় রাস্তায়। এসো।

    ঘরে ঢুকে অর্জুন দেখল, রোগা ভদ্র চেহারার একটি মানুষ বসে আছেন চেয়ারে। বৃদ্ধ আলাপ করিয়ে দিলেন, ইনি হচ্ছেন অবনীমোহন। খুব ভাল ছেলে। পুলিশে চাকরি না করে অধ্যাপক হলে মানাত।

    অবনীমোহন হাসলেন, কেন? পুলিশের চাকরি করলে বিশাল ভয়ঙ্কর চেহারা করতে হবে?

    ইয়েস। কারেক্ট। ইংরেজ আমলে অফিসারদের চেহারা ছিল বুলডগের মতো। আরে সেই চেহারা দেখেই অপরাধীরা ভয়ে মরত। ওহহ, এই ছেলেটির নাম অর্জুন। জলপাইগুড়িতে থাকে। আজই আমার কাছে বেড়াতে এসেছে।

    অর্জুন নমস্কার করলে অবনীমোহন হাতজোড় করলেন।

    অবনীমোহন বললেন, আপনার নামটি খুব বিখ্যাত।

    ডক্টর পত্ৰনবীশ বললেন, টিভিতে কিন্তু অর্জুনের চেয়ে শ্রীকৃষ্ণ বেশি বিখ্যাত হয়েছে।

    অবনীমোহন বললেন, সে অর্জুনের কথা বলছি না। জলপাইগুড়ি শহরে অর্জুন নামের একজন নাকি দারুণ-দারুণ রহস্যের সমাধান করেছেন। আপনি সেই লোক নন তো?

    অর্জুন হেসে ফেলতেই অবনীমোহন উঠে দাঁড়িয়ে হাত বাড়ালেন, ঠিক ধরেছি, তাই না? আসুন হাত মেলান। কিন্তু সার, এ কী ব্যাপার হল? রাতারাতি ওঁকে জলপাইগুড়ি থেকে টেনে আনলেন অথচ আমাকে কিছু জানালেন না?

    ডক্টর পত্ৰনবীশ বললেন, আহা, আমি তো ওর কথা জানতামই না। আমি টেলিগ্রাম পাঠিয়েছিলাম অমল সোমকে। ওই ভদ্রলোকের সঙ্গে আমার একবার পরিচয় হয়েছিল। অত্যন্ত বুদ্ধিমান মানুষ। তিনিই ওকে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

    অমল সোম! হ্যাঁ, এই নামটিও শোনা। আমার এক বন্ধু জলপাইগুড়ির ওসি ছিলেন। তিনি খুব প্রশংসা করতেন ভদ্রলোকের। তা অর্জুনবাবু, নিশ্চয়ই সারের কাছে সব শুনেছেন। আপনার কী মনে হয়? আমি তো এখনও আশঙ্কার কিছু দেখছি না। যে ভদ্রলোক টেলিফোনে শাসিয়েছিল সে দ্বিতীয়বার ফোন করেনি। সারের বাড়িতে যে ফোন আসবে তা চেক করার ব্যবস্থাও করেছি। অবনীমোহন বললেন।

    অর্জুন বলল, কিন্তু দুটো কুকুরের একটা যে গলার স্বর পেয়েছে সেটা তো সত্যি।

    অবনীমোহন অন্যমনস্কভাবে নিজের চুলে হাত বোলালেন, ওটা নেহাতই দুর্ঘটনা। আমরা শুনেছি দীর্ঘদিন ধরে যে মানুষ বিছানা থেকে নিজে নামতে পারেননি তিনি কোনও আকস্মিক আঘাত পেয়ে সোজা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। সেই একই আঘাত ওই ধরনের কোনও রুগিকে দিয়ে একফোঁটা কাজ হয়নি। তাই এগুলোকে দুর্ঘটনা বলাই ভাল।

    এই সময় গঙ্গাপদ ছুটতে-ছুটতে এসে জানাল ফোন এসেছে এবং সেই সাহেবই কথা বলছে, যা সে একবর্ণও বুঝতে পারেনি। সঙ্গে-সঙ্গে ডক্টর পত্ৰনবীশ উঠে দাঁড়ালেন। অবনীমোহন বললেন, আপনি কথা বলুন। যতটা সম্ভব সময় নেবেন যাতে লোকটার টেলিফোন নাম্বার ভাল করে নোট করা যেতে পারে।

    ডক্টর পত্ৰনবীশ ভেতরে যেতে বাকিরাও তাঁকে অনুসরণ করল।

    রিসিভার তুলে ডক্টর পত্ৰনবীশ জিজ্ঞেস করলেন, কে বলছেন?

    ওদিকের কথা শুনে ইংরেজিতে বললেন, ইয়েস, ডক্টর পত্ৰনবীশ স্পিকিং।, আমার টেলিফোন গোলমাল করছিল। না, এখনও কিছু ভাবিনি আমি। এইটুকু বলার পর ডক্টর অনেকটা সময় ধরে ওপাশের বক্তব্য শুনলেন। তারপর জিজ্ঞেস করলেন, আপনি যে এতটা করতে চাইছেন এতে আপনার স্বার্থ কী? জবাব শুনে বললেন, কোনও প্রাইভেট ডোনেশনের চেয়ে সরকারি অনুদানের ওপর নির্ভর করতে আমার ভাল লাগবে। আপনার টেলিফোন নাম্বার দিন, যদি মত পরিবর্তন করি তা হলে জানিয়ে দেব। কয়েক সেকেন্ড রিসিভার ধরে রেখে ধীরে-ধীরে সেটাকে নামিয়ে ফেললেন ডক্টর।

    অবনীমোহন চটপট রিসিভার তুলে ডায়াল করলেন, কে বক্সী? শোনো, তুমি এখনই টেলিফোন এক্সচেঞ্জে ফোন করো। ডক্টর পত্ৰনবীশের বাড়িতে এইমাত্র ঘোস্ট কল এসেছিল। আমি এখানেই আছি। কুইক। রিসিভার নামিয়ে অবনীমোহন বললেন, এখনই লোকটার নাম্বার পেয়ে যাব। ও নিশ্চয়ই আপনাকে নাম্বার দেয়নি!

    মাথা নেড়ে না বললেন ডক্টর পত্ৰনবীশ। ওঁকে, খুব নার্ভাস দেখাচ্ছিল। অবনীমোহন জিজ্ঞেস করলেন, কী বলল লোকটা তু।

    ডক্টর বললেন, একই কথা। আমার গবেষণার সমস্ত আর্থিক দায়িত্ব সে নিতে চায়। স্বার্থ কী জানতে চাইলে বলল, বিজ্ঞানের সেবা করতে চায়। বুঝুন! আমি নাম্বার চাইতে বলল, ও আবার টেলিফোন করবে। ডিস্টার্নিং, খুব বিরক্তিকর।

    যদি কেউ ফালতু রসিকতা করে থাকে তা হলে তাকে উচিত শিক্ষা পেতে হবে। অবনীমোহন বেশ জোরের সঙ্গে বললেন। আর তখনই টেলিফোনটা শব্দ তুলল। অবনীমোহন খপ করে রিসিভার তুলে জিজ্ঞেস করলেন, হ্যালো? ও বক্সী, পেয়েছ? হ্যাঁ, কী? মাই গড। ঠিক আছে। রাখছি। রিসিভার রেখে রুমালে মুখ মুছলেন অবনীমোহন।

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল, কী ব্যাপার?

    অতি ধড়িবাজ লোক। একটা পাবলিক বুথ থেকে পয়সা ফেলে ফোন করেছে। এসটিডি আইএসডি বুথ হলেও ট্র্যাক করা যেত।

    সন্ট লেকের কোনও টেলিফোন বুথ?

    না। লিন্ডসে স্ট্রিটের। ওখানে কাউকে পাঠিয়ে আর কাজ হবে না।

    লিন্ডসে স্ট্রিটের নাম শুনেছিল অর্জুন। কিন্তু এলাকাটা তার জানা নেই। সেটা জিজ্ঞেস করতে অবনীমোহন বুঝিয়ে দিলেন। সেটা শোনার পর অর্জুন বলল, যদি বিদেশি কেউ হয় তা হলে তার ওই পাড়াতেই থাকা উচিত। কিন্তু আপনার কি মনে হয় যার সঙ্গে কথা বলেছেন সেই লোকটা বিদেশি?

    বিদেশি হতে পারে, তবে ইংরেজ নয়। আবার আমেরিকানও নয়।

    অবনীমোহন আর এ-নিয়ে মাথা ঘামাতে চাইলেন না। তাঁকে এখন অন্য একটি তদন্তে যেতে হবে। তিনি চলে যাওয়ার পর গঙ্গাপদ জানাল, রাতের খাবার দেওয়া হয়েছে। ঘড়িতে এখন মাত্র নটা। এত তাড়াতাড়ি জলপাইগুড়িতে খাওয়ার কথা চিন্তাও করে না অর্জুন। কিন্তু ডক্টর পত্ৰনবীশ তাঁর নিজস্ব রুটিন মেনে চলতেই পছন্দ করেন। অতএব অর্জুনকে তাঁর সঙ্গে বসতে হল। গঙ্গাপদ মন্দ রান্না করে না। খাওয়া শেষ করে ডক্টর চলে গেলেন তাঁর গবেষণাগারে! আজ আকাশ নিমেঘ।

    নিজের ঘরে ফিরে জানলার পাশে চেয়ার টেনে অর্জুন সামনের দেবদারু গাছগুলো দেখছিল। অত ওপরে রাস্তার আলো না পৌঁছনোয় অন্ধকার জাঁকিয়ে রয়েছে গাছগুলোর মাথায়-মাথায়। নাঃ! আজকের দিনটা বৃথাই গেল। ব্যাপারটা এমন সাধারণ যে, কোনও সূত্র পাওয়া যাচ্ছে না এগিয়ে যাওয়ার। ওরাং ওটাংটার এ বাড়িতে ঢোকা, মন্মথ দত্তর উপস্থিতি যে তাকে উদ্ধার করার জন্যে তা প্রমাণ করা যাবে না। ভক্টর পত্ৰনবীশ যদি ঘরের দরজা না খুলতেন তা হলে ওরাং ওটাংটা পালাবার সুযোগই পেত না। সে ক্ষেত্রে মন্মথ দত্ত কী করে তাকে উদ্ধার করত? আর প্রাণীটি মন্মথ দত্তর হলে ঘর থেকে বেরিয়ে ও মন্মথর কাছেই আশ্রয় নিত। ঘটনাটা তো এমন হতে পারে ওরাং ওটাং এবং মন্মথ দত্তর আসা দুটি সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন ঘটনা। হ্যাঁ, টেলিফোন যে করছে সে নিজেকে রহস্যের আড়ালে রেখেছে। কিন্তু রহস্য মানেই অপরাধ নয়। এক্ষেত্রে অবনীমোহন যা বলছেন সেটাই সত্যি মনে হচ্ছে। ডক্টর পত্ৰনবীশ খামোকা ভয় পেয়ে অমল সোমকে টেলিগ্রাম করেছিলেন।

    এই সময় গঙ্গাপদ জানাল জলপাইগুড়ি থেকে টেলিফোন এসেছে। অর্জুন দ্রুত গিয়ে রিসিভার তুলে হ্যালো বলতেই অমল সোমের গলা পেল, কিছু কাজ হল

    নাঃ। আমার মনে হচ্ছে এখানকার ওসি অবনীমোহনবাবুর কথাই ঠিক। ডক্টর পত্ৰনবীশের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। এক টেলিফোন ছাড়া। যে লোকটি নিজের পরিচয় না দিয়ে প্রথমবার ফোন করেছিল সে আমরা থাকতেই আবার ফোন করে। তবে ভয় দেখায়নি বা শাসায়নি। বিনীতভাবে আর্থিক সহায়তা দিতে চেয়েছে।

    কেন?

    এটুকুই রহস্য। এ ছাড়া আর কিছু নেই।

    ঠিক আছে। আরও দুদিন থাকো। বাড়িতে বসে না থাকতে চাইলে আশেপাশের রাস্তায় হাঁটাহাটি করো। শুনেছি সল্ট লেক চমৎকার জায়গা।

    অর্জুনের মনে পড়ল, আজ সন্ধের পর বেরিয়েছিলাম। একটা ঘটনা। বলতেই তার খেয়াল হল লোকটার কথা। বৃদ্ধ যাকে ফোটোগ্রাফার বলছিলেন!

    কী ঘটনা? অমল সোম জানতে চাইছিলেন।

    অর্জুন ঘটনাটা বলল। বলতে বলতে তার মনে হল ব্যাপারটা কীরকম হল? পাড়ার লোক জানে ভদ্রলোকের বাড়িতে পোষা প্রাণী নেই, অথচ তিনি দূর্বাঘাস নিয়ে যাচ্ছেন তাঁর অসুস্থ প্রাণীকে খাওয়াবেন বলে?

    অমল সোম জিজ্ঞেস করলেন, ওঁর বাড়িটা দেখেছ?

    না। আসলে দেখার কারণ তো ছিল না।

    ভদ্রলোক বিদেশে থাকা বাড়ির মালিকের কেয়ারটেকার হয়ে আছেন। তাঁকে রেখে গেছেন যিনি, তিনি পাড়ায় কীরকম পরিচিত? কাল গিয়ে আলাপ করে এসো। আরে ফোটোগ্রাফির ওপর নতুন তথ্য হয়তো জানতে পারবে, তাই বা মন্দ কী? অমল সোম টেলিফোন নামিয়ে রাখলেন।

    সকালে ব্রেকফাস্ট করে হাঁটতে বের হল অর্জুন। ব্রেকফাস্ট টেবিল থেকে বিশ্রাম নিতে চলে গেলেন ডক্টর। কাল সারারাত ভদ্রলোক কাজ করেছেন। বললেন, সাঙ্ঘাতিক একটা ভুল করতে চলেছিলাম হে! বড় বড় অঙ্ক সহজে করেও অনেকে ওয়ান প্লাস ওয়ান যেমন ওয়ান লেখে সেইরকম ব্যাপার। ভুলটা ধরা পড়ায় পুরো ব্যাপারটা নতুন করে করতে হবে। তুমি তো কলকাতা শহর ভাল করে দ্যাখোনি। আজ যাও পাতাল রেল চড়ে এসো। কলকাতার একমাত্র গর্বের বস্তু।

    খানিকটা হাঁটতেই গাড়ির আওয়াজ পেতেই সরে দাঁড়াতেই গাড়িটা পাশে এসে দাঁড়াল। অবনীমোহন ড্রাইভারের পাশে বসে জিজ্ঞেস করলেন, কোথায় যাচ্ছেন?

    কোথাও নয়, এমনি?

    উঠে পড়ন। মনে হচ্ছে একটা ইস্টারেস্টিং ঘটনা দেখাতে পারব। সুইমিং পুলের কাছে সেই ওরাং ওটাংটা আটকে পড়েছে। উঠুন।

    অর্জুন জিপে উঠে জিজ্ঞেস করল, আটকে পড়েছে মানে?

    একটা বড় গাছ একা দাঁড়িয়ে ছিল। পাবলিকের তাড়া খেয়ে ব্যাটা সেই গাছে আশ্রয় নিয়েছে। কিন্তু গাছটাকে ঘিরে এত লোক জমে গিয়েছে, আর পালাতে পারছে না। আমরা জাল ছুড়ে ওকে ধরে ফেলব। অবনীমোহন বেশ জোরের সঙ্গে বললেন।

    দূর থেকেই ভিড় দেখা যাচ্ছিল। শখানেক মানুষ গাছটাকে ঘিরে উত্তেজিত হয়ে চিৎকার করছে। কেউ-কেউ ঢিল ছুড়ছে। গাড়ি থেকে নেমে অবনীমোহন চিৎকার করলেন, কেউ ঢিল ছুড়বেন না। বন্য প্রাণীকে আহত করাও অপরাধ। আপনারা গাছের একদিকে সরে যান। গাড়ির পেছন থেকে নেমে কয়েকজন সেপাই জনতাকে সরিয়ে দিচ্ছিল। অর্জুন চেষ্টা করছিল দেখতে কিন্তু ডালপাতার কোন আড়ালে প্রাণীটি নিজেকে লুকিয়ে রেখেছে তা ধরা যাচ্ছে না। অবনীমোহনও তাকে দেখতে না পেয়ে কাছাকাছি একজনকে জিজ্ঞেস করলেন, ওরাং ওটাংটা গাছে আছে তো?

    দুমিনিট আগে দেখেছি সার। নীচে নেমে তাড়া খাওয়ামাত্র আবার ওপরে উঠে গেল! অবনীমোহন তাঁর লোককে নির্দেশ দিলেন, যেদিকে জনতা দাঁড়িয়ে আছে তার উলটো দিকে জাল পাততে। সেটা পাতা হলে গাড়ি থেকে দুটো ধোঁয়াবোম বের করে গাছের গোড়ায় নিয়ে গিয়ে তাতে আগুন দিলেন। সঙ্গে-সঙ্গে গলগল করে ধোঁয়া ওপরে উঠতে লাগল। অবনীমোহন চিৎকার করে সতর্ক করলেন তাঁর সঙ্গীদের, নাকে ধোঁয়া গেলেই ও লাফিয়ে নীচে নামবে। ও যাতে জালের ওপর পড়ে সেই চেষ্টা করতে হবে। বি অ্যালার্ট।

    সবাই চুপ করে গেল। প্রত্যেকের নজর গাছের ওপর! কৌটো থেকে ধোঁয়া বেরিয়ে ক্রমশ গাছটিকে গ্রাস করে নিচ্ছে। এই সময় একটি লরি বেশ দ্রুতগতিতে পাশ দিয়ে চলে যাচ্ছিল। সামনে লোক পড়ায় ড্রাইভার ব্রেক কষতে বাধ্য হল। লোকটি সরে যাওয়ামাত্র লরি যখন চলতে শুরু করেছে তখনই ওপর থেকে ওরাং ওটাংটা লাফিয়ে নেমে পড়ল লরির চার দেওয়ালের। মধ্যে। হইহই চিৎকারের দাপটে সম্ভবত ঘাবড়ে গিয়েই ট্রাক ড্রাইভার স্পিড বাড়াল। লোকজন পেছনে ধাওয়া করতে না করতেই সেটা উধাও। অবনীমোহন তাঁর গাড়ির দিকে ছুটলেন, ট্রাকটাকে ধরতে হবে। ওর মধ্যেই আছে প্রাণীটি। যত দ্রুত সম্ভব গাড়ি চালু করে পুলিশের ড্রাইভার অনুসরণ শুরু করেই একটু থিতিয়ে গেল। রাস্তা সুনসান। কোথাও লরি বা ট্রাকের টিকিও দেখা যাচ্ছে না। সে দুর্বল গলায় জিজ্ঞেস করল, কোনদিকে যাব সার?

    বাঁ দিকে, বাঁ দিকে বাঁক নিয়েছিল, আমি দেখেছি।

    মিনিটপাঁচেক এগিয়েও যখন ওটাকে পাওয়া গেল না তখন অবনীমোহনের আফসোস শুরু হল, অ্যাঃ। হাতের মুঠোয় পেয়েও ধরতে পারলাম না। ঠিক সময়ে ট্রাকটা এসে গেল গাছটার ওপাশে। ব্যাড লাক।

    ব্যাপারটা এত দ্রুত ঘটে গেল যে, হিন্দি ছবিকেও হার মানায়। হিন্দি ছবির হিরোর মতো কাণ্ড করল ওরাং ওটাংটা। অর্জুন হেসে ফেলল।

    হাসছেন যে?

    প্রাণীটি বেশ বুদ্ধিমান।

    হুঁ। অদ্ভুত শব্দ ছিটকে এল অবনীবাবুর গলা থেকে।

    ছুটন্ত গাড়িতে বসে বাঁ দিকে তাকাতেই আর-একটা রাস্তার পাশে যেন এক ঝলকে কিছু দেখতে পেল অর্জুন। সঙ্গে সঙ্গে গাড়ি থামাতে বলল সে। ড্রাইভার ব্রেক কষতে সে বলল, ব্যাক করে নিয়ে যান তো, ওই গলি পর্যন্ত।

    অবনীবাবু জিজ্ঞেস করলেন, কী ব্যাপার?

    এক ঝলক দেখেছি, আর একবার দেখি।

    গাড়ি পিছিয়ে যেতে গলির মধ্যে লরিটাকে স্পষ্ট দেখা গেল। উত্তেজিত অবনীমোহন ড্রাইভারকে নির্দেশ দিতেই সে গাড়ি নিয়ে পৌঁছে গেল লক্ষ্যে। লরিতে কেউ নেই। ওরাং ওটাংটার থাকার কথা নয়, ড্রাইভার খালাসিও নেই। অথচ লরিতে বালি বোঝাই করা হয়েছে। আশেপাশের ছাড়া-ছাড়া বাড়িগুলোর দরজা-জানলা বন্ধ। কাছাকাছি বাড়িটির দরজার বেল টিপে অবনীমোহন আবিষ্কার করলেন সেখানে একজন বৃদ্ধ থাকেন। পুত্র এবং পুত্রবধূ চাকরি করতে বেরিয়ে গিয়েছে। বৃদ্ধা কিছুই দ্যাখেননি, কারণ তিনি শুয়ে ছিলেন।

    অবনীমোহন ফিরে এসে বললেন, এখানে ট্রাটা পড়ে আছে কেন?

    অর্জুন বলল, যে বালি সাপ্লাই দিতে যাচ্ছিল সে ইচ্ছে করে এখানে ফেলে রেখে যাবে না। যে রেখে গিয়েছে সে লরির চাবিও নিয়ে যায়নি।

    তাই নাকি? স্ট্রেঞ্জ।

    আপনি নিশ্চয়ই থানায় গেলে কমপ্লেন পাবেন কারও লরি ছিনতাই হয়েছে। আর যে ছিনতাই করেছে সে ওরাং ওটাংটাকে বাঁচাবার জন্যেই। করেছে।

    তার মানে, আমাদের চোখের সামনে ওরাং ওটাংটাকে রেসকু করে হাওয়া। হয়ে গিয়েছে ওর মালিক? এ তো সিনেমার মতো ব্যাপার? অবনীমোহন যেন বিশ্বাস করতে পারছিলেন না, তা ছাড়া এখান থেকে যাবে কোথায়? একটা লোক ওরাং ওটাং নিয়ে হেঁটে যাচ্ছে দেখলে সবাই তো কৌতূহলী হবে। ওই মোড়ে একটা সিগারেটের দোকান আছে, দোকানদারকে জিজ্ঞেস করে দেখি ও কিছু বলতে পারে কি না।

    কোনও লাভ হবে না। ওরাং ওটাং নিয়ে যখন এত টেনশন তখন কেউ ওর হাত ধরে রাস্তায় হাঁটবে না। এখানে গাছগুলো রাস্তার ধারে একেবারে গায়ে-গায়ে চলে গিয়েছে। লোকটা রাস্তা দিয়ে হেঁটেছে আর প্রাণীটি গাছ থেকে গাছে। অর্জুন নিশ্চিন্ত হয়ে বলল।

    লরিটাকে থানায় নিয়ে আসা হল। এবং তখনই ওরা কিছু উত্তেজিত লোককে দেখতে পেল। অবনীমোহনকে দেখে তারা একসঙ্গে অভিযোগ করতে লাগল, লরি ছিনতাই হয়েছে। সুইমিং পুলের ওপাশে একটা নতুন বাড়ি তৈরি হচ্ছে। সেখানে লরিটা বালি নিয়ে এসেছিল।

    নিজের চেয়ারে বসে অবনীমোহন বিস্তারিত শুনলেন। লরিওয়ালা স্পটে পৌঁছে লরি থেকে নেমে কন্ট্রাক্টরের লোকের সঙ্গে কথা বলছিল যখন, তখন একটা লোক দ্রুত লরিতে উঠে যায়। চাবি গাড়িতেই ঝুলছিল বলে স্টার্ট নিতে অসুবিধে হয়নি। ওরা হইহই করে তেড়ে যেতেই লোকটা লরি ছুটিয়ে উধাও হয়ে গিয়েছিল। সেই লরি যে এত তাড়াতাড়ি ফেরত পাওয়া যাবে, তা ওরা কল্পনাও করেনি।

    টেবিলের একপাশে চেয়ারে বসে অর্জুন চুপচাপ শুনছিল। প্রশ্ন যা করার অবনীমোহন করছিলেন। বালিসমেত লরি ফিরে পাওয়ায় লোকগুলোর আগের উত্তেজনা দ্রুত কমে যাচ্ছিল। এখন আর ডায়েরি করে ঝামেলা বাড়াতে তারা তেমন উৎসাহী নয়। কিন্তু অবনীমোহন তাদের কথা শুনলেন না। ডায়েরি লিখে লোকগুলোকে দিয়ে সই করালেন। কোনও লোক তাঁর এলাকায় অপরাধ করে পার পেয়ে যাবে এ তিনি হতে দেবেন না। এবার অর্জুন জিজ্ঞেস করল, আচ্ছা, যে লোকটি লরি চালিয়ে নিয়ে উধাও হয়েছিল তাকে আপনারা দেখেছেন?

    তিনজনই একসঙ্গে হ্যাঁ বলে উঠল। কী

    রকম দেখতে লোকটা?

    দুজন দুরকমের বর্ণনা করল। তৃতীয়জন মাঝামাঝি। সে বলল, ঠিক লম্বা নয়, আবার খুব বেঁটেও না। তবে যুবক বলে মনে হচ্ছে না।

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল, মনে করে দেখুন তো, লোকটাকে দেখে খুব দুর্বল বলে মনে হয়?

    না সার। গায়ে যে জোর আছে তা দেখলেই বোঝা যায়।

    চোখদুটো কি ছোট? তিনজনেই বলল তারা চোখ দেখার সুযোগ পায়নি। তবে এখন মনে হচ্ছে লোকটা যাকে বলে কমবয়সী তা নয়। বড়বাবুর বয়সী তো হবেই।

    অবনীমোহনের কপালে ভাঁজ পড়ল, আমার বয়সী? তা হলে তো পঞ্চাশ হয়ে গিয়েছে? বলে হাসলেন তিনি, দুর। পঞ্চাশের ওপর বয়সী কোনও বাঙালি এমন করিমা হতে পারে না। এরা কী দেখতে কী দেখেছে! ঠিক আছে, যাও তোমরা।

    ওরা চলে গেলে অর্জুন উঠে দাঁড়াল, আচ্ছা–!

    আরে! এক কাপ চা খেয়ে যান। এই প্রথম আমার এখানে এলেন।

    অর্জুন মাথা নাড়ল, আজ থাক।

    একটা কথা। আপনি তো লোকটাকে দেখেননি। তা হলে চোখ ছোট কিনা জিজ্ঞেস করলেন কেন? এইটে আপনার মাথায় কেন এল?

    কোনও কারণ নেই। একটা কিছু বৈশিষ্ট্য খুঁজতে চেয়েছিলাম, তাই!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৬ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }