Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প731 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. অবাক হয়ে গেল অর্জুন

    অবাক হয়ে গেল অর্জুন, তুমি আমেরিকায় যাবে?

    হ্যাঁ রে, এবার না গিয়ে উপায় নেই। জামাইয়ের অ্যাকসিডেন্ট হয়েছে। মেয়ে ফোন করেছিল, অবস্থা ভাল নয়। ওকে সংসার দেখতে হচ্ছে, হাসপাতালে ছুটতে হচ্ছে দু বেলা। বলল, মা, যদি পারো চলে এসো।

    সুধামাসি একদমে কথাগুলো বলে গেলেন।

    সুধামাসির মেয়ে বছর দুয়েক আগে এসেছিলেন তাঁর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে। একদিন দেখাও হয়েছিল। আমেরিকায় যাঁরা থাকে তাঁদের মতো চেহারা। মায়ের কাছে শুনেছে সে, অনেক অনুরোধ করা সত্ত্বেও সুধামাসি দুর্ঘটনার খবরে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন, এটা অস্বাভাবিক নয়।

    কীসের দুর্ঘটনা হয়েছে ওঁর?

    ফোনে তো মেয়ে কিছুই বলল না। তারপর থেকে আমি স্বস্তি পাচ্ছি না।

    এখানে এসেছ কেন

    ওই যে শুনলাম, একজন তান্ত্রিক নাকি ভূত তাড়াবে। এসব তো কখনও বিশ্বাস করিনি তাই ভাবলাম নিজের চোখে দেখে আসি। তা সন্ধেবেলার আগে তো কিছু হবে না। এসব থাক, ততার সঙ্গে আমার কথা আছে। তুই আমার বাড়িতে যাবি?

    মিনিট পাঁচেকের মধ্যে ওরা পৌঁছে গেল। সুধামাসির বাড়ি অনেকটা জমিজমা গাছগাছালি নিয়ে। মেসোমশাইয়ের বাবা রায়বাহাদুর ছিলেন। প্রচুর সম্পত্তি রেখে গিয়েছিলেন তিনি। মেসোমশাই এখানকার কলেজে পড়াতেন। পড়াশোনা নিয়েই ব্যস্ত থাকতেন। হঠাৎই দু দিনের অসুখে মারা গিয়েছিলেন তিনি। এখন এত বড় বাড়িতে সুধামাসি থাকেন বিশ্বস্ত কর্মচারীদের নিয়ে। ব্যাঙ্কের সুদ বাবদ যা পান তা এসব খরচ চালানোর পক্ষে পর্যাপ্ত।

    বাইরের ঘরে পূর্বপুরুষদের ছবি টাঙানো। দেওয়াল জুড়ে স্মৃতি আর স্মৃতি। পুরনো আমলের সোফায় বসে সুধামাসি বললেন, আমাকে যেতেই হবে রে! মুশকিল হল, আমি তো একা কখনও কোথাও যাইনি তাই সঙ্গে তুই গেলে ভাল হয়।

    আমার কথা মনে পড়ল কেন? অর্জুন হাসল।

    তুই তো এর আগে একবার গিয়েছিলি। রাস্তাঘাট চিনিস। তোর মাকে বলেছিলাম, সে বলল তোর সঙ্গে কথা বলবে। এখন তোর হাতে জরুরি কাজ আছে?

    এই মুহূর্তে নেই।

    তা হলে চল বাবা। সেরকম হলে আমাকে পৌঁছে দিয়েই চলে আসবি।

    অর্জুন আবার হাসল, তুমি এমনভাবে বলছ যে, দার্জিলিং মেলে কলকাতায় তোমাকে পৌঁছে দিয়ে সেই সন্ধেবেলায় ট্রেন ধরে ফিরে আসা। কবে যেতে চাও?

    যত তাড়াতাড়ি সম্ভব।

    কিন্তু তোমার পাশপোর্ট আছে?

    হ্যাঁ। দু বছর আগে মেয়ে এসে জোর করে দরখাস্ত করিয়েছিল, মাসতিনেক বাদে ডাকে সেটা এসেছিল। পাশপোর্ট ছাড়া তো যাওয়া যায় না। তুই এখন বল, চেনাজানা কার পাশপোর্ট আছে বুঝব কী করে? তুই গিয়েছিলি বলে জানি তোর আছে।

    অর্জুন বলল, শোনো, যাব বললেই যাওয়া যাবে না কিছু নিয়মকানুন আছে। কলকাতায় গিয়ে ভিসার জন্যে আবেদন করতে হবে আমেরিকান কনস্যুলেটে। তারপর কবে টিকিট পাওয়া যাবে তার ওপর যাওয়া নির্ভর করছে।

    সুধামাসি মাথা নাড়লেন, এসব মেয়ে আমাকে ফোনে বলেছে। ওর চেনা একটা অফিস আছে কলকাতায়, যারা সব ব্যবস্থা করে দেবে। আমি নাম-ঠিকানা লিখে রেখেছি। তুই বললে আজকালের মধ্যে এক লাখ টাকা ব্যাঙ্ক থেকে তুলে ফেলব।

    অত টাকা কেন?

    মেয়ে যে বলল ওইরকম লাগবে।

    তা হলে ট্রাভেলার্স চেকে নিয়ো। আমি মায়ের সঙ্গে কথা বলছি।

    তোর মা বলেছে তার আপত্তি নেই। আমরা আগামীকালই কলকাতায় রওনা দিই। সেখানে কয়েকদিন থেকে যত তাড়াতাড়ি পারি প্লেনে উঠব।

    হাঁ?

    বেশ।

     

    বাড়িতে ফিরে মাকে সে জিজ্ঞেস করল, আমেরিকায় যাওয়ার ব্যাপারটা জেনেও তুমি আমাকে কিছু বলেনি কেন?

    মা হাসলেন, যে যেতে চাইছে তার মুখ থেকে শোনাই তো ভাল। কী বলেছিস?

    কাল যেতে চাইছেন উনি।

    ঠিক আছে।

    তুমি একা থাকতে পারবে?

    আহা কী কথা! যখন তুই এখানে-ওখানে যাস তখন কে থাকে আমার সঙ্গে।

    বেশ। আমি চেষ্টা করব দিন সাতেকের মধ্যে ঘুরে আসতে।

    হ্যাঁ রে, ভূত দেখেছিস?

    না। দিনের বেলায় নাকি হবে না, সন্ধের অন্ধকার নামলে তবে ভূত নামবেন ওবাড়িতে। যতসব বুজরুকি।

    তুই কী কী নিয়ে যাবি বল, সুটকেসে গুছিয়ে রাখব।

    তুমি তো জানো। গতবার যা-যা নিয়ে গিয়েছিলাম, তাই দিয়ো।

     

    গোরক্ষনাথ চিৎকার করে মন্ত্র পড়ছিল।

    এখন সন্ধে পেরিয়ে গেছে। বিরাট উঠোনের মাঝখানে আসনে বসে আছে গোরক্ষনাথ। তার সামনে সেই বৃদ্ধা বাবু হয়ে বসে আছেন মাথায় সাদা কাপড়ের ঘোমটা টেনে। নানারকমের শ্রাদ্ধের উপচার ছাড়াও তিন-তিনটি খাঁচা রাখা হয়েছে সামনে। আর ওদের ঘিরে বৃত্তাকারে জমজমাট ভিড় নিশ্ৰুপ হয়ে রয়েছে। অর্জুন সেই ভিড়ের সামনে দাঁড়িয়ে একদৃষ্টিতে গোরক্ষনাথকে লক্ষ করছিল।

    মন্ত্র পড়া আচমকা থামিয়ে গোরক্ষনাথ বলল, মানুষের চেয়ে আত্মারা অনেক বেশি বুদ্ধিমান হয়। মানুষ নিজেকে লুকোতে পারে না কিন্তু আত্মা পারে, এটাই ওদের সুবিধে। কিন্তু মা, আপনার স্বামী ছিলেন বিষয়ী মানুষ। মারা যাওয়ার পরেও তিনি বিষয়ের মায়া ত্যাগ করতে পারছেন না। আমরা যে তাঁর মুক্তির ব্যবস্থা করেছি এখানে, এটা তাঁর সহ্য হচ্ছে না বলে তিনি দূরে-দূরে আছেন এখন। কিন্তু তাঁকে আসতেই হবে। আর তিনি এলে তাঁকে দেখতে পাবে ওরা। ওই কালো বেড়াল, কানা কাক আর খোঁড়া শকুন। ফাঁকি দিতে পারবে না।

    এবার অর্জুন কথা বলল, কিন্তু কাক শুনেছি কানাই হয়।

    গোরক্ষনাথ মুখ ঘুরিয়ে অর্জুনকে দেখে হাসল, ও, আপনি এসে গিয়েছেন। ভালই হল, ভগবানে যারা বিশ্বাস করেন ভূতে তাদের অবিশ্বাস হবে কেন? হ্যাঁ, আপনি যা শুনেছেন তা অর্ধসত্য। কাক একসঙ্গে দু চোখে দেখতে পায় না বলে মাথা ঘুরিয়ে-ঘুরিয়ে দ্যাখে। এ-চোখ যখন দ্যাখে তখন অন্য চোখ দৃষ্টিরহিত হয়ে যায়। কিন্তু এই কাকটি সত্যিকারের কানা। কানা বলে ওর দৃষ্টিশক্তি বেশি। অত দূরে কেন, আপনি এখানে আসুন না!

    না, ঠিক আছি।

    গোরক্ষনাথ বলল, এবার এখানকার সব আলো নিভিয়ে দেওয়া হোক।

    সঙ্গে সঙ্গে উঠোন, বারান্দা এবং ঘরগুলোর আলো কেউ নিভিয়ে দিল। গোরক্ষনাথ বলল, মা, আপনার সামনে কলাপাতায় পিণ্ড রাখা আছে। তুলে নিন, পেয়েছেন?

    মহিলার নিচু গলা শোনা গেল, হ্যাঁ।

    বেশ! আমি বলামাত্র ওই পিণ্ড সামনে ফেলে দেবেন। তারপরেই তার গলা থেকে সংস্কৃত শব্দ বের হতে লাগল। অর্জুন যার বাংলা করল এভাবে, হে প্রেত, তুমি অশান্ত। তোমার এই অতীত বাড়িতে ফিরে আসছ যে টানে তা অবাস্তব। তোমার আবিভাব এখানে কাম্য নয়।

    অর্জুন দেখল অন্ধকারে বেড়ালের চোখ জ্বলছে। হঠাৎ কাকের ডাক শোনা গেল এবং সেইসঙ্গে পাখা ঝাপটানোর আওয়াজ। সেটা যে শকুন করছে তা অনুমান করা গেল। গোরক্ষনাথ চিৎকার করে উঠল, আমি জানি তুমি এখানে উপস্থিত হয়েছ। ওই কালো বেড়াল, কানা কাক আর খোঁড়া শকুন নিশ্চয়ই তোমাকে দেখতে পাচ্ছে। তুমি ধরা পড়ে গিয়েছ। অতএব হে প্রেত, এই পিণ্ড গ্রহণ করে তুমি বাসনামুক্ত হয়ে যাও। মা, পিণ্ডটা ফেলুন এবারে।

    কয়েক সেকেন্ড চুপচাপ। তারপর গোরক্ষনাথ হাঁকল, কে আছ, আলো জ্বালো।

    দপ্ করে চারপাশ আলোকিত হতে দেখা গেল বৃদ্ধা উপুড় হয়ে রয়েছেন। নিজের আসনে খাড়া হয়ে বসে আছে গোরক্ষনাথ। অর্জুন দেখল, বেড়াল

    অথবা শকুন এখন শান্ত হয়ে খাকলেও কাকটা কাত হয়ে পড়ে রয়েছে।

    গোরক্ষনাথ আসন ছেড়ে এগিয়ে গিয়ে ঝুঁকে দেখল মাটিতে পড়ে থাকা চালকলার পিণ্ডটিকে। তারপর সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে বিড়বিড় করল কিছু।

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল, কী হল?

    অতি শয়তান প্রেত। পিও গ্রহণ করেনি।

    কী করে করবে? আপনি সংস্কৃতে যা বলছিলেন তা ওর পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়? বেঁচে থাকতে সাধারণ বাঙালির মতো সংস্কৃত বুঝতে উনিও নিশ্চয়ই পারতেন না।

    আপনি রসিকতা করছেন বাবু?

    মোটেই না। ভেবে দেখলে বুঝতে পারবেন আমি সত্য বলছি। অর্জুন বলল, আগে লোকে সংস্কৃত পড়ত, তাদের প্রেতরা তাই মন্ত্র বুঝতে পারত।

    গোরক্ষনাথ কাত হয়ে পড়ে থাকা কাকটাকে দেখাল, ওর এই অবস্থা কী করে হল?

    অর্জুন এগিয়ে গিয়ে কাকটাকে দেখল। ঘাড় মটকে গিয়েছে।

    গোরক্ষনাথ বলল, এ প্রেত স্বাভাবিক প্রেত নয়। আজ কাকের ওপর ওর ক্রোধ মিটিয়েছে। কিন্তু এখানেই আছে সে। বলমাত্র একটা ঝাঁটা তুলে নিয়ে গোরক্ষনাথ বারংবার মাটিতে মারতে লাগল, সেইসঙ্গে বিড়বিড় করে মন্ত্রপাঠ চলল। হয়তো সেই ঝটার শব্দেই খাঁচায় বসা শকুনটা নড়েচড়ে উঠল। বারংবার ন্যাড়ামাথা ঘোরাতে লাগল। গোরক্ষনাথ ছুটে গেল। চিৎকার করে বলল, খবরদার। ওর গায়ে হাত দিলে তোর সর্বনাশ হয়ে যাবে। হাতের ঝাঁটা দিয়ে একটা জায়গায় দ্রুত বৃত্ত আঁকল যেন গোরক্ষনাথ। তারপর বলল, থাক এখানে বন্দি হয়ে।

    গোরক্ষনাথকে এখন কিছুটা প্রসন্ন দেখাল। চিৎকার করে বলল, আপনারা এখন চলে যান। আত্মা বন্দি হয়ে আছে। ছাড়া পেয়ে গেলে আপনাদের ক্ষতি করতে পারে। যান আপনারা। সঙ্গে সঙ্গে দুমদাম করে মানুষজন পালাতে আরম্ভ করল। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে বাড়ি ফাঁকা।

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল, আপনি ওঁর আত্মাটাকে বন্দি করেছেন?

    আজ্ঞে হ্যাঁ।

    কিন্তু ওখানে আত্মা আছে তা বুঝব কী করে?

    একটা মাটির পাত্র থেকে কালো তিল মুঠোয় নিয়ে সেই জায়গাটায় ছুড়ে-ছুড়ে মারতে লাগল গোরক্ষনাথ, কী, চলে যাবি? আর আসবি না তো? কথা দিচ্ছিস? বেশ, যাওয়ার আগে ওই পিণ্ডর দুলাটাকে ভেঙে দিয়ে যা। ঝাঁটা নিয়ে উলটোদিক থেকে বৃত্ত আঁকল গোরক্ষনাথ। তারপর একদৃষ্টিতে তাকাল মাটিতে পড়ে থাকা চালকলার পিণ্ডটির দিকে। গোরক্ষনাথের মুখে হাসি ফুটল, দেখুন বাবু, ওটা ভেঙে দিয়ে গেল। বলে আর দাঁড়াল না। গোরক্ষনাথ। উঠোন পেরিয়ে পাশের একটা ঘরে ঢুকে গেল।

    অর্জুন এগিয়ে গিয়ে পিণ্ডটাকে দেখল। সত্যি চিড় ধরেছে মাঝখান থেকে। কিন্তু এই চিড়টা যে আগে থেকে ছিল না তার কোনও প্রমাণ নেই। মাটিতে পড়ে থাকতে-থাকতে অনেকসময় আপনা থেকেই চিড় ধরতে পারে। সে কাকের খাঁচাটার কাছে গেল। ঘাড় ভেঙে রক্ত বেরিয়ে এসেছে।

    বৃদ্ধাকে ভেতরে নিয়ে যাওয়া হল। চোখের সামনে যা ঘটে গেল তার সত্যতা অস্বীকার করে লাভ নেই। প্ৰেত এসে কাকের গলা টিপে মেরেছে এ খবরটা চাউর হবেই। অর্জুন বারান্দায় উঠে যে ঘরে গোরক্ষনাথ ঢুকেছিল সেখানে গেল। মেঝের ওপর পাটি পেতে গোরক্ষনাথ শুয়ে পড়েছে এর মধ্যে। অর্জুন পাশের তক্তপোশে বসল, প্রেত আছে কিনা তা প্রমাণ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু আজ এখানে প্রেত আসেনি।

    আপনি বললে তো হবে না, সবাই দেখেছে। গোরক্ষনাথ হাসল।

    পকেট থেকে সাপের লকেটটা বের করল অর্জুন। সামনে ধরে বলল, এ জিনিস মাটির নীচে পোঁতা থাকলে যদি বাড়িতে কোনও অশুভ ব্যাপার না ঘটে তা হলে মাটির ওপর পকেটে থাকলে কোনও প্রেতের আসা উচিত নয়। তাই না?

    গোরক্ষনাথের চোখ জ্বলে উঠল। তড়বড়িয়ে উঠে বসে বলল, এ কী! এ জিনিস আপনি কোথায় পেলেন?

    আপনি আমার প্রশ্নের জবাব দিন।

    লকেটটার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে গোরক্ষনাথ বলল, হ্যাঁ, সেই জিনিস। পৃথিবীতে মাত্র দুটো আছে। একটা আমার গুরু আমাকে দিয়েছিলেন। বড়বাবুর মঙ্গলের জন্যে আমি তাঁর বাড়ি বেঁধে রেখেছিলাম একে দিয়ে। আপনি মাটি খুঁড়েছেন বাবু?

    আগে আমার প্রশ্নের উত্তর দিন।

    গোরক্ষনাথের মাথা নেমে গেল, হ্যাঁ, আজ আমাকে অভিনয় করতে হয়েছিল। কিন্তু এ বাড়ির কাছেই সেই দুষ্ট আত্মা আছে। অনেক চেষ্টা করেও তাকে না আনতে পেরে মানুষকে বোঝাতে অভিনয় করতে হয়েছিল আমাকে।

    আপনার ভান হাত তুলুন তো?

    গোরক্ষনাথ তার হাত তুলতেই বোঝা গেল রক্ত শুকিয়ে রয়েছে আঙুলে। গোরক্ষনাথ বলল, আপনি ঠিকই ধরেছেন, কাকটাকে আমিই মেরেছি। না মারলে লোকে বিশ্বাস করত না। এখন বুঝতে পারছি ওই লকেটটার জন্যে প্রেত এই বাড়িতে পা দেয়নি। ওটা আমাকে দিন।

    কেন?

    ওটা আমার জিনিস। ভয়ঙ্কর জিনিস। মাটিতে পোঁতা না থাকলে প্রচণ্ড ক্ষতি হয়ে যাবে। অস্তিমুনির ক্রোধ ধ্বংস করে দেবে আপনাকে।

    আবার গল্প শোনাচ্ছেন?

    না বাবু। নীলার কথা শোনেননি? অনেকের সহ্য হয় না, ধ্বংস হয়ে যায়!

    দেখা যাক। আপনি তো মাটির তলায় পুঁতে দিয়েছিলেন, আপনার আর কোনও দাবি থাকতে পারে না। এখন বলুন তো, এটা কে বানিয়েছিল?

    গোরক্ষনাথ বলল, আমার গুরুদেব আমাকে মারা যাওয়ার আগে দিয়েছিলেন। তিনি যৌবনে জাহাজে চাকরি করতেন। আফ্রিকার এক বন্দরে কীভাবে জানি না ওটা ওঁর হাতে আসে। খবরটা জানাজানি হয়ে যাওয়ায় একদল আফ্রিকার মানুষ ওঁর পেছনে ধাওয়া করে জিনিসটা ফেরত নেওয়ার জন্যে। গুরুদেব জাহাজে ফিরে এসে রক্ষা পান। পথে জাহাজ ঝড়ের মুখে পড়ে। জাহাজড়ুবি হয়। একটা কাঠ আঁকড়ে তিনদিন ভেসে থাকার পর অন্য জাহাজের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে। সেই ভেসে থাকার সময় গুরুদেবের শরীর যখন অসাড়, জ্ঞান লোপ পেয়ে যাচ্ছে, তখন তিনি অনুভব করতেন একটা বিশাল সাপ তাঁর আঁকড়ে থাকা কাঠটাকে ভাসিয়ে রাখছে। সেই থেকে উনি প্রতিদিন ওই লকেটটাকে নিয়ম করে দুধকলা ভোগ দিতেন। আমাকে তিনি বলেছিলেন, নিয়মের ব্যতিক্রম যেন না হয়। হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে অনেক ভোগ দিয়ে মাটিতে পুঁতে রাখতে। আমি তাই করেছিলাম। দিন বাবু।

    দিতে পারি। কিন্তু আপনাকে এটা দিলে আমি সবাইকে ডেকে বলব কাকটাকে আপনি মেরেছেন, কোনও প্রেত যে আসেনি তা আপনিই স্বীকার করেছেন।

    না বাবু! দয়া করে অমন কাজ করবেন না। এ বাড়ির চারপাশে প্রেত আছে। আমি আজ সামান্য ছলনার আশ্রয় নিয়েছি ঠিক, কিন্তু–।

    আমি চললাম। অর্জুন দরজার দিকে এগোল।

    গোরক্ষনাথ ককিয়ে উঠল, যাবেন না বাবু। ওটা সঙ্গে রাখলে আপনার সর্বনাশ হয়ে যাবে। ভয়ঙ্কর জাগ্রত সর্পদেবতা।

    অর্জুন বেরিয়ে এসে তার বাইকে চাপল।

     

    দার্জিলিং মেল ঠিক সময়েই শেয়ালদায় পৌঁছেছিল। সূর্য সেন স্ট্রিটের একটা হোটেলে ওরা দুটো ঘর ভাড়া করল। স্নান-খাওয়া শেষ করে সুধামাসির পাশপোর্ট সঙ্গে নিয়ে অর্জুন চলে এল থিয়েটার রোডে। এর আগে কলকাতায় কিছুটা পরিচিত হয়েছিল রাস্তাঘাটের সঙ্গে। কিন্তু ভিড় বাসে উঠতে একদম ইচ্ছে করে না ওর। ফলে ট্যাক্সি নিয়েছিল সে। সুধামাসির মেয়ে যে কোম্পানির নাম ফোনে বলেছিলেন তা তিনি লিখে রেখেছিলেন। নাম্বার মিলিয়ে সে যে অফিসটিতে পোঁছল সেটি একতলায়। লম্বা ঘরের দু পাশে মানুষজন কাজ করছেন। ঘরের একপ্রান্তে বড় টেবিলের ওপাশে সৌম্যদর্শন এক প্রৌঢ় বসে আছেন। অর্জুনকে দেখে হেসে বললেন, বলুন।

    মিস্টার লাহিড়ী একটু বেরিয়েছেন, আমিই শিবাজি সিন্হা। কোত্থেকে আসছেন?

    জলপাইগুড়ি থেকে। অর্জুন বলল, আমরা আমেরিকায় যেতে চাই।

    খুব ভাল কথা। পাশপোর্ট এনেছেন?

    হ্যাঁ। এই সময় লম্বা ছিপছিপে এক ভদ্রলোক ঢুকতেই শিবাজি সিনহা বললেন, এই যে অরূপ এসে গেছে। অরূপ দ্যাখো তো।

    নিজের চেয়ারে বসে অরূপ লাহিড়ী বললেন, বলুন ভাই।

    অর্জুন বলল, আমরা জলপাইগুড়ি থেকে আসছি। আমেরিকায় যেতে চাই।

    আমরা মানে?

    আমি আর একজন বয়স্কা মহিলা।

    অরূপ লাহিড়ী অর্জুনের মুখের দিকে তাকালেন একটু, তারপর হাত বাড়ালেন, দিন, পাশপোর্টটা দেখি। অর্জুন দুটো পাশপোর্ট টেবিলে রাখল।

    সুধামাসিরটা দেখার পর দ্বিতীয়টা হাতে নিয়ে ছবির সঙ্গে মিলিয়ে অরূপ লাহিড়ী বললেন, এবার কী হবে? ম্যানহাটনে হানটান?

    তার মানে?

    আরে ভাই, আপনি তো সেই অর্জুন? লাইটারের অর্জুন? আপনার কথা অনেক শুনেছি আমি। এই চা দাও এখানে। বিখ্যাত লোকদের কেন যে তোমরা বুঝতে পারো না। হাতে হাত মেলালেন অরূপ লাহিড়ী।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৬ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }