Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প731 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০. লকেটটার দিকে তাকিয়ে

    লকেটটার দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকমে জিমের মুখের চেহারা অবিশ্বাস্য রকমের বদলে গেল। সে দ্রুত মাথা নাড়তে লাগল, জানি না। জানি না।

    তুমি মিথ্যে কথা বলছ।

    নো। মিথ্যে বলছি না। তারপর জিম খুব জোরে মাথা নেড়ে বলল, বসকে একটা ফোন করলেই জানতে পারব।

    তুমি তোমার বসকে বলবে না আমি এখানে আছি।

    ঠিক আছে।

    পকেট থেকে ছোট্ট রিসিভার বের করে নাম্বার ডায়াল করল জিম। কয়েক সেকেন্ড বাদে বলল, আমি জিম। বস-এর সঙ্গে কথা বলতে চাই।

    ওপাশ থেকে বোধ হয় নেতিবাচক কিছু বলা হয়েছিল, জিম রেগে গেল, ইউ পিপল ডোন্ট নো হোয়াট ইজ হোয়াট। দিস ইজ মি হু গেভ ইনফরমেশন দ্যাট দ্য লকেট হ্যাজ অ্যারাইভড অ্যাট লাস্ট অ্যাট ইউ এস এ। ড়ু ইউ নো? ও, থ্যাঙ্ক ইউ! হ্যালো, ও বস, দিস ইজ জিয়। ডিড ইউ ফাইন্ড জিম? নো! আই হার্ড সামথিং, অ্যাঁ, আই অ্যাম টকিং ফ্রম এ কাফে! ছোঁ মেরে ওর হাত থেকে যন্ত্রটা কেড়ে নিয়ে অফ করে দিল অর্জুন, এমন কথা ছিল না।

    মহিলা বললেন, হা, জিম, এখানকার ঠিকানা বসকে না বলার কথা ছিল।

    অর্জুন উঠে দাঁড়াল, আমি তোমার সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চেয়েছিলাম, তুমি বিশ্বাসঘাতকতা করার চেষ্টায় ছিলে। এর জন্যে তুমি ঠিক সময়ে শাস্তি পাবে। অর্জুন জামার তলা থেকে লকেট বের করে দেখাল।

    সঙ্গে-সঙ্গে টেবিলের ওপর শুয়ে পড়ল জিম, ওঃ নো। প্লিজ আমাকে ক্ষমা করো। সাপের দেবী আমাকে মেরে ফেলবে। উনি তোমার বুকে আছেন, তোমার কথা শুনবেন।

    তা হলে আমাকে সাহায্য করো। লকেটটাকে আবার জামার তলায় ঢুকিয়ে দিল অর্জুন।

    কী সাহায্য চাও?

    তোমার বুসকে আবার ফোন করে জিজ্ঞেস করো আমার খবর সে পেয়েছে কিনা?

    বস নিশ্চয়ই খেপে গেছে। আগেরবার কথা বলতে দাওনি তুমি!

    একটা কিছু বানিয়ে বলবে। যন্ত্রটা ফেরত দিল অর্জুন।

    আবার জিম নাম্বার টিপল। তার পরের কথাবার্তা এইরকম, হেলো। যা, জিম বলছি। সরি বস। একটা বাজে লোক সামনে এসে গিয়েছিল। হা, সেই লোকটার খবর পেয়েছেন? ওঃ। না তবে শুনলাম আফ্রিকার কোনও একটা ব্যাপার নিয়ে মাডার হবে আজকালের মধ্যে। না, না। আমার কোনও দরকার নেই। আমি কথা বলছি রাস্তা থেকে। এই সময় কাকের ম্যানেজার অথবা মালিক এগিয়ে এসে বললেন, ইয়েস লেডি অ্যান্ড জেন্টলম্যান, আপনাদের কী ড্রিঙ্ক দেব তা যদি অনুগ্রহ করে বলেন?

    জিম চট করে অফ করে দিল যন্ত্রটা। তারপর চিৎকার করে বলল, তুমি আর এখানে আসার সময় পেলে না গাধা? এর কথা শুনে বল বুঝে যাবে আমি মিথ্যে কথা বলছি। আর গলা যদি চিনতে পারে! উঃ। এখনই ঠিক খবর নিয়ে নেবে কোত্থেকে ফোন করেছি। চলো কেটে পড়ি। এখানে থাকলে মারা পড়ব আমি। মহিলাকে নিয়ে উঠে দাঁড়াল জিম। তারপর মালিক অথবা ম্যানেজারকে বলল, এই যে, কেউ যদি এসে তোমাকে প্রশ্ন করে জিম এসেছিল কিনা তা হলে বলবে এক মাস দ্যাখোনি। ড়ু ইউ অ্যান্ডারস্ট্যান্ড? ওকে বয়। নইলে মরার আগে তোমাকে মারব।

    অর্জুন ওদের পেছন পেছন কাকের বাইরে চলে এল। মেজর আর মিস্টার আলাম্বাও বেরিয়ে এলেন। অর্জুনকে দেখে জিম বিরক্ত হল, আঃ, তুমি কোথায় যাচ্ছ?

    তোমার সঙ্গে?

    কেন?

    তোমার বসকে জিজ্ঞেসু করব কেন আমাদের খুন করার চেষ্টা হয়েছে?

    ওঃ। বস এখনও তোমার সন্ধান পায়নি। হয়তো অন্য কাউকে মারতে গিয়ে, বুঝতেই পারছ, অ্যাকসিডেন্টালি—! আমাদের ছেড়ে দাও।

    তুমি কোথায় থাকো? আমি তোমার ক্ষতি করব না, প্রমিস।

    ক্ষতি তুমি ইচ্ছে করলেই করতে পারো।

    এই সময় মেজর একটা ট্যাক্সি ডাকলেন, অর্জুন, এবার বাড়ি যাব।

    অর্জুন জিমকে বলল, তুমি, তোমরা আমাদের সঙ্গে যেতে পারো।

    জিম মহিলার দিকে তাকাতেই মহিলা তাঁর ব্যাগ খুলে একটা কার্ড বের করে এগিয়ে দিল অর্জুনকে, এটা আমার ঠিকানা। আমাকে ফোন করলেই আপনি জিমের খবর পেয়ে যাবেন। ও ওর বসকে ভয় পাচ্ছে। আমাদের আলাদা যাওয়াই উচিত।

    কার্ড নিয়ে অর্জুন ট্যাক্সিতে উঠল। গাড়িটা সামান্য গতি নিয়েছে কি নেয়নি, পেছনে গুলির আওয়াজ হল। অর্জুন দেখল জিম মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে, মহিলা হতভম্ব। রাজপথ শূন্য। দৃশ্যটা চোখের আড়ালে চলে গেল ট্যাক্সি বাঁক নিতেই।

    মেজর বললেন, কী হল?

    মিস্টার আলাম্বা ঘুরে ঘুরে দেখছিলেন কোনও গাড়ি অনুসরণ করছে কিনা! নিঃসন্দেহ হয়ে তিনি বললেন, আমরা প্রধান দরজা দিয়ে বাড়িতে ঢুকব না!

    তা হলে? মেজর অবাক হলেন।

    পেছনের দরজাটা দিয়ে দোতলায় আসা যায়। ওখানে লিটু, ওঃ, ওখানে আবার লিট থামে না। দোতলা থেকে তিনতলায় ওঠার সিঁড়িও নেই। কী হবে?

    আপনি চিন্তা করবেন না। আমি আছি।

    কিছু মনে করবেন না মেজর, এই সময়টুকু যদি দয়া করে না ঘুমোন।

    ঠিক আছে, ঠিক আছে।

    একেবারে বাড়ির দরজায় এসে ট্যাক্সি ছেড়ে দেওয়া হল। এই মুহূর্তে যে-কোনও দিক থেকে গুলি ছুটে আসতে পারে এমন সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে ওরা দ্রুত চলে এল বাড়িটির সিঁড়িতে। অর্জুন দেখল, আগে মিস্টার আলাদা, তাঁর পেছনে মেজর, ভূতে তাড়া করলে মানুষ যেভাবে ছোটে বলে গল্পে পাওয়া যায়, সেইভাবে ছুটছেন। কাচের দরজা ঠেলে লিটের সামনে পৌঁছে মেজর একটু ধাতস্থ হলেন চেনা পরিমণ্ডল পেয়ে, হ্যাঁ, কত রাত হল? উঁঃ অনেক হয়েছে। অ্যাদ্দিন কোনও চার্ম ছিল না লাইফে। বুঝলে অর্জুন? মাংসের ঝোল উইদাউট সল্ট! ওহে, সর্ষে ইলিশটা দারুণ ছিল হে। তা আজ রাত্রে বেশ জমকালো ব্যাপার ঘটল। লোকটা মরে গেল নাকি?

    কোন লোকটা?

    ওই যে কাফের ভেতর যার সঙ্গে কথা বললে। বেরিয়ে এসেও–।

    বুঝতে পারছি না। লিফট এসে গেল। মেজর বললেন, চলো, যতক্ষণ ঘুম না আসছে এ নিয়ে গল্প করা যাক?

    কিন্তু নিজের ফ্লোরে লিফট দাঁড়ানোমাত্র মিস্টার আলাম্বা অর্জুনের হাত চেপে ধরলেন, প্লিজ, আমার সঙ্গে এসো। আমি একা থাকতে সাহস পাচ্ছি না।

    মেজর বললেন, এখানে কে আসতে সাহস পাবে?

    পেতে কতক্ষণ? ওরা কী করে জানল আপনার গাড়িতে আমি বসে আছি?

    তা অবশ্য। কিন্তু এ বাড়ির সিকিউরিটি, লিফটে উঠবে কী করে কার্ড পাঞ্চ না করলে? তবু বলছেন যখন, আচ্ছা, অর্জুন গুড নাইট। মেজর নিষ্প্রভ গলায় বললেন।

    অর্জুন বলল, আপনিও আসতে পারেন মেজর।

    না, না। আমার অত ভয়ডর নেই। সেবার একদল ম্যানইটারের সঙ্গে পাঁচ ঘণ্টা একা ছিলাম। ড়ু ইউ নো? তা ছাড়া যার ফ্ল্যাট তিনি না বললে যাই কী করে?

    তা ঠিক। আচ্ছা, গুড নাইট। অর্জুন লিফট থেকে নেমে দাঁড়াতেই লিফট ওপরে চলে গেল। মিস্টার আলাম্বা জিজ্ঞেস করলেন গলা নামিয়ে, সঙ্গে অস্ত্র আছে?

    না নেই। কেন?

    আমার সঙ্গে আছে। কিন্তু উত্তেজিত হলেই আমি নার্ভাস হয়ে পড়ি, হাত কাঁপে? ডান দিক বাঁ দিক হয়ে যায়। পকেট থেকে একটা ছোট পিস্তল বের করে অর্জুনকে দিলেন তিনি, আমার ভয় হচ্ছে, ওরা আগেভাগে ফ্লাটে ঢুকে আমার জন্যে অপেক্ষা করছে। তুমি কি ভারতবর্ষে জেমস বন্ডের কোনও ছবি দেখেছ?।

    দেখেছি। অর্জুন হাসল।

    ফলো হিম। জেমস যেমন করে সতর্ক ভঙ্গিতে ঘরে ঢুকত ঠিক তেমনিভাবে তুমি ঘরে যাও। পরীক্ষা করো কেউ আছে কি না। মিস্টার আলাম্বা দরজা নিঃশব্দে চাবি ঘুরিয়ে খুলে দিলেন।

    কোথাও কোনও শব্দ নেই। অর্জুনের মনে হচ্ছিল মিস্টার আলাম্বার সন্দেহ করা নিরর্থক নয়। দেওয়াল ঘেঁষে ভেতরে ঢুকে সে যখন আলো জ্বালতে পারল তখন কয়েক মিনিট চলে গিয়েছে। ফ্ল্যাটে নেউ নেই। দরজা ভাল করে বন্ধ করে মিস্টার আলাম্বা বললেন, আর কোনওদিক থেকে খুনি এখানে ঢুকতে পারবে না, শুধু বাথরুমের ওই জানলাটা ছাড়া। বড্ড পলকা, জোরে ধাক্কা দিলেই ভেঙে যাবে।

    অর্জুন সেদিকে উঁকি মেরে দেখল অনেক নীচে রাস্তা। অর্থাৎ এদিক দিয়ে ওপরে উঠে আসার কোনও পথ নেই। মিস্টার আলাম্বাকে আশ্বস্ত করল সে।

    বাইরের ঘরের সোফায় শুয়ে পড়া পছন্দ করল অর্জুন। মিস্টার আলাম্বার এতে আপত্তি ছিল। শেষ পর্যন্ত তর্ক না করে বালিশ চাদর এনে ব্যবস্থা করে দিলেন। তারপর গুডনাইট বলার আগে পিস্তল ফেরত চাইলেন, আসলে ওটা বালিশের নীচে না নিয়ে আমি ঘুমোতে পারছি না।

    আলো নিভিয়ে নিজের ঘরে মিস্টার আলাম্বা ফিরে গেলেন। এই ফ্ল্যাটের সর্বত্র আফ্রিকার শিল্পনিদর্শন ছড়ানো। অন্ধকারেও মনে হচ্ছিল সে আজ আফ্রিকাতেই আছে। অর্জুনের খেয়াল হল মিস্টার আলাম্বা অনেকক্ষণ আর লকেট নিয়ে কোনও কথা বলছেন না। এটা চাইবার সময় ওঁর মধ্যে যে আকৃতি দেখতে পেয়েছিল তা উধাও হয়ে যাবে এত সহজে? হয়তো এই ভয় পাওয়ার কারণে তাকে এখানে শুতে বলা এটার পেছনে ওই লকেট-প্রাপ্তির আকাঙক্ষা কাজ করছে? কোনও বিশেষ কিছু সংগ্রহ করা যাদের নেশা তারা খুব খ্যাপাটে হয়। না-হলে রাজার চারমাথাওয়ালা একটা কয়েন ভুল করে মিন্ট থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল আর সেটির দর উঠেছিল এক কোটি পাউন্ড?

    অর্জুন লকেটটাকে গলা থেকে খুলে বের করল। অন্ধকারে হাতড়ে হাতড়ে টেবিলের একপাশে দাঁড় করানো কাঠখোদাই করা একটি আফ্রিকান কলসির মধ্যে সেটা ঢুকিয়ে রাখল। গলা থেকে সেটাকে খুলতেই কীরকম অস্বস্তি আরম্ভ হল। অর্জুন হেসে ফেলল, তার মধ্যেও ওই আদিম ভাবনাচিন্তা ঢুকে পড়েছে নাকি লকেট পরার পর? সোফায় শুয়ে তার মনে পড়ল জিমের কথা। লোকটা মরে গেল নাকি? এত তাড়াতাড়ি ওকে বিশ্বাসঘাতক চিহ্নিত করে খুঁজে পেয়ে গেল ওরা? কী এফিশিয়েন্ট অর্গানাইজেশন। জিম এই লকেটটাকে প্রবল ভক্তি করেছে। ওর বান্ধবী সাদা মেয়ে, তার মধ্যে ওসব ভক্তিটক্তি দেখা যায়নি। কিন্তু এই আমেরিকার কিছু মানুষ যে লকেটটার ব্যাপারে ক্রমশ উন্মাদ হয়ে উঠছে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। এখন কী করা যায়? সুধামাসিকে পোঁছে দিতে এসেছিল সে। এখনও হাসপাতালে গিয়ে ওঁর জামাইয়ের সঙ্গে দেখা করা হয়নি। খুব অভদ্রতা হয়েছে এটা। সুধামাসিকে সময় না দিয়ে এসব গোলমালে না জড়িয়ে পড়ে লকেটটাকে নিউ ইয়র্কে মিউজিয়ামে জমা দিয়ে দেওয়াই ভাল।

    হঠাৎ নিশ্বাসের কষ্ট হতে আরম্ভ করল। বাতাস ভারী হয়ে গেছে খুব। এ-ঘরের ভেন্টিলেশন কি এত খারাপ? অর্জুন ওঠার চেষ্টা করতে লাগল। তীব্র একটা গন্ধ নাকে ঢুকছে। কীসের গন্ধ। তার মাথা ঘুরতে লাগল। অন্ধকারে চারপাশে তাকিয়ে সে কিছুই দেখতে পেল না। এবং এই দেখার সক্রিয় ভাবনাটাও আচমকা মাথা থেকে বেরিয়ে গেল। অর্জুন শুয়ে পড়ল। সোফায়। তার জ্ঞান ছিল না।

     

    টেলিফোনের আওয়াজে ঘুম ভাঙল। ভাঙল বটে, কিন্তু সমস্ত শরীরে তীব্র আলস্য এবং মাথায় টিপটিপে যন্ত্রণা অর্জুনকে কাহিল করে দিচ্ছিল। সে উঠে গিয়ে রিসিভার তুলতেই অজানা অচেনা ভাষায় একটি নারীকণ্ঠ কিছু বলল। একবর্ণ না বুঝতে পেরে অর্জুন ইংরেজিতে বলল, আপনি কাকে চাইছেন?

    এবার মেয়েটি জানতে চাইল, এটা মিস্টার আলাম্বার ফ্ল্যাট, আশা করি।

    হ্যাঁ।

    ওঁকে বলুন সিম্বা এসেছে।

    অর্জুন টেলিফোন রেখে ভেতরের ঘরে গেল। দুটো ঘর। একটি ঘরে শিল্পসংগ্রহের প্রদর্শনী, অন্যটিতে মিস্টার আলাদা থাকেন। তাঁর দরজায়

    দাঁড়িয়ে সে বলল, মিস্টার আলাম্বা, ফোন আছে আপনার?

    ফোন? অসম্ভব। আমাকে কেউ ফোন করবে না।

    মেয়েটি বলছে ওর নাম সিম্বা।

    ও, সিম্বা। সিম্বা আমার মেয়ে। ও বোধহয় নীচ থেকে ফোন করছে। দেখছি আমি। মিস্টার আলাম্বাকে খুশি-খুশি দেখাল।

    কেউ নীচের গেটে এসে নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটের বোতাম টিপলেই রিসিভার আওয়াজ করে। তখন ফোনে নিজের পরিচয় দিলে যার কাছে এসেছে সে রিমোট টিপলে নীচের দরজা খুলে যায়। লিফট চালু হয়। দ্বিতীয়বার বোতাম টিপলে যে-ফ্লোরে লিফট দাঁড়াবে তার দরজা খোলে। কত সহজে ঝামেলা এড়িয়ে যেতে পারছে ওরা। আমাদের দেশে হলে বলতে হত, দ্যাখ তো কে বেল বাজাচ্ছে। অর্জুন ভাবল, বেশিদিন নেই, এব্যবস্থা চালু হল বলে!

    মিস্টার আলাম্বাই দরজা খুললেন। প্রায় অর্জুনের মাথায় লম্বা ছিপছিপে একটি কালো মেয়ে ঘরে ঢুকল। তার কাঁধে দুটো স্ট্র্যাপ দেওয়া ব্যাগ, পরনে জি। বাবা মেয়েকে জড়িয়ে ধরে আদর করলেন। মেয়ে ঘুরে তাকাল, আপনি আমার সঙ্গে কথা বলছিলেন?

    অর্জুন মাথা নাড়ল, হ্যাঁ।

    মিস্টার আলাম্বা মেয়ের সঙ্গে অর্জুনের পরিচয় করিয়ে দিলেন।

    সিম্বা জিজ্ঞেস করল, কীরকম লাগল বাবার ফ্ল্যাট?

    ভাল। বেশ ভাল।

    রাত্রে ঘুম হয়েছিল?

    হ্যাঁ। কিন্তু–!

    কিন্তু? মনে হয়নি ওইসব আফ্রিকান মূর্তিগুলো জীবন্ত হয়ে আপনাকে ঘিরে ফেলছে। বিশেষ করে ওই সাপটা—? সিম্বা চোখ বড় করল।

    না। তা হয়নি। কারণ শোয়ার কিছুক্ষণ পরেই একটা তীব্র গন্ধে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলাম। অর্জুন হাসল।

    জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলেন? সিম্বা অবাক, গন্ধে?

    হ্যাঁ।

    তা হলে এটা বাবার কীর্তি। আফ্রিকার জঙ্গলের অনেক কিছু বাবার সংগ্রহে আছে, মাঝে-মাঝে বাবা সেগুলো ঠিক আছে কিনা যাচাই করেন। আমি হস্টেলে থাকি। এখানে থাকলে পাগল হয়ে যেতাম। ব্যাগ টেবিলে রেখে ভেতরে চলে গেল সিম্বা।

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল, তা হলে আপনি পরীক্ষা করেছিলেন কাল রাত্রে?

    ঠিক পরীক্ষা নয়। একটা গাঙ্কে কাঠ কিছুক্ষণ ঘষলে গন্ধ বের হয়। অনেকটা চন্দনের মতো গন্ধ, কিন্তু হাতিকেও অজ্ঞান করে ফেলে। কেনিয়াতে পাওয়া যেত আগে। কাল ভাবলাম দেখি, ওগুলো কেমন আছে?

    আপনি নাকে মাস্ক পরে নিয়েছিলেন নিশ্চয়ই?

    হ্যাঁ!

    আর আমার কথা ভুলে গিয়েছিলেন, তাই তো?

    একদম ঠিক।

    আর তারপর যখন দেখলেন আমি অজ্ঞান হয়ে গিয়েছি তখন আমার বুক থেকে লকেটটা খুলে নিতে কোনও অসুবিধে হয়নি, তাই না?

    না। ভুল হল।

    তার মানে?

    তোমার গলায় লকেটটা ছিল না।

    সে কী!

    হ্যাঁ ছিল না। হয় তুমি খুলে রেখেছ, নয় কোথাও পড়ে গেছে।

    খুলে কোথায় রাখতে পারি? আমি তো আপনার সঙ্গেই এসেছি।

    হ্যাঁ। তাই খুব অবাক হয়ে গিয়েছি আমি। কিন্তু বিশ্বাস করো তোমাকে অজ্ঞান করে লকেট নেওয়ার কোনও পরিকল্পনা আমার ছিল না। আর কাঠ আমি ঘষেছিলাম পাশের ঘরে। এখানে ওটা করলে তুমি মারা যেতে।

    অনেক ধন্যবাদ মিস্টার আলাম্বা। আমি একটা ফোন করতে পারি?

    নিশ্চয়ই।

    অর্জুন কার্ড বের করে নাম্বার টিপল। সেকেন্ড চল্লিশেক বাদে একটি নারীকণ্ঠ জানান দিল, ইয়েস।

    মিসেস স্মিথ?

    ইয়েস।

    কাল রাত্রে কাফেতে আলাপ হয়েছিল। জিম কেমন আছে?

    ওঃ। ও মারা গিয়েছে। আপনি কোথায়? আমার খুব দরকার। আপনি একবার আসতে পারবেন?এক্ষুনি? মহিলা কাতর গলায় বললেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৬ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }