Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প731 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. এগারোটা বাচ্চা

    এগারোটা বাচ্চা কিছুতেই ঘুমোতে চাইছে না। তাদের মায়েরা খুবই বিব্রত। বড় হলঘরে এগারোটি সুন্দর বিছানা করা হয়েছে। এরই মধ্যে নীচের ঘরে বাচ্চাদের বাবারা পাহারা দিতে চলে এসেছেন পালা করে। বাড়িতে ঢোকার সময় তর অর্জুনকে যাচাই করে দরজা খুলেছেন। নিজের ঘরে ঢোকার সময় অর্জুন শুনতে পেল, হলঘর থেকে গান ভেসে আসছে। কোনও এক মা ইংরেজিতে ঘুমপাড়ানি গান গাইছেন। পৃথিবীর সমস্ত শিশুদের জন্যে তাদের মায়েরা মোটামুটি একই সুরে গান গেয়ে থাকেন।

    ডিনার নিয়ে এল পল। ভাবগতিক দেখে মনে হল, সে খুবই ব্যস্ত। বলল, আজকালকার বাবা বাচ্চারা ঘুমোতে চা-চা-চায় না কেন বলো তো?

    অর্জুন খাওয়া শুরু করল, আমি জানি না।

    পল চলে যাচ্ছিল, অর্জুন তাকে ডাকল, তোমার কি খুব জরুরি কাজ আছে?

    তা নেই, তবে, মিসেস বেনসনের মেয়ে এ-এ-এলি তো এসব কাজ কখনও করেনি।

    ওহো, এলি বুঝি তোমাকে সাহায্য করছে?

    হ্যাঁ। কি-কি-কিন্তু তুমি কি ওকে চেনো?

    একটুও না। তবে তুমি যে ওর সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চাও এবং মিসেস বেনসন সেটা পছন্দ করেন না, তা জানি। কী, ঠিক তো?

    পল অবাক হয়ে মাথা নাড়ল, হ্যাঁ।

    আচ্ছা পল, কেউ যদি তোমাকে প্রস্তাব দেয় ওই বন্ধুত্বটা করিয়ে দেবে কিন্তু তার বদলে ও যা বলবে তাই করতে হবে, তা হলে তুমি কি রাজি হবে?

    কী করতে হবে?

    এই ধরো, মাঝরাত্রে ভিলেজ সেন্টারে ঢোকার ব্যবস্থা করে দিতে হবে, অথবা এগারোটা বাচ্চার একটাকে গোপনে বের করে তার হাতে তুলে দিতে হবে।

    নো। নেভার। প্রায় চিৎকার করে উঠল পল, যে এই কথা বলতে আসবে তা-তা-তাকে মেরে ফেলব আমি।

    অর্জুন বলল, শুনে খুব খুশি হলাম পল। ভোমার খুব ভাল হবে।

    পল দাঁড়াল না। ঝড়ের মতো চলে গেল ঘর ছেড়ে।

     

    আজকের রাতের আকাশ পরিষ্কার। ফলে ঠাণ্ডা পড়েছে জাঁকিয়ে। রাতের খাওয়া শেষ করে নীচে নেমে এল অর্জুন। চারটে চেয়ারে চারজন পুরুষ বসে গল্প করছিল। বাচ্চাদের বাবারা পালা করে পাহারা দিচ্ছেন, এঁরা প্রথম দল। অৰ্জুনকে দেখামাত্র চারজন উঠে দাঁড়ালেন।

    অর্জুন বলল, আমি আপনাদের কয়েকদিন কষ্ট দিচ্ছি বলে দুঃখিত।

    ওঁরা মাথা নেড়ে না বলে হাসলেন। অর্জুন ওঁদের অনুমতি নিয়ে বাইরে বেরিয়ে এল।

    আজ সত্যি ছবির মতো দেখাচ্ছে গ্রামটাকে। রাস্তায় অবশ্য লোকজন নেই। হয়তো আগন্তুকদের কারণে যে ভীতি ছড়িয়েছে তা বড়দেরও আক্রমণ করেছে। বেশ ঠাণ্ডা লাগছে আজ। পকেটে হাত ঢুকিয়ে দিল অর্জুন। হাঁটতে-হাঁটতে অনেকটা আসার পর সে বাড়িটাকে চিনতে পারল। ডেরেকের কাকার বাড়ি। বাড়িটা এখন অন্ধকার। বৃদ্ধ নিশ্চয়ই ঘুমিয়ে পড়েছেন। কিন্তু ওঁর তোলা ছবির বাক্স থেকে নেগেটিভ এবং বিশেষ একটা ছবি চুরি গেল কী করে?

    অর্জুন দাঁড়াল না। হাঁটতে-হাঁটতে সে পাহাড়ে উঠতে লাগল। চাঁদের আলো থাকায় পথ চলতে কষ্ট হচ্ছিল না। শেষ পর্যন্ত সে পোড়া জায়গাটায় পৌঁছে গেল। একটু খুঁজতেই সেই পাথরটা পেয়ে গেল, যার গায়ে ঘষটানো দাগ আর কাদার চিহ্ন রয়েছে৷ দাগটা গিয়েছে ওপর থেকে নিচু পর্যন্ত। অর্থাৎ কোনও ভারী বস্তু ওই পাথরে ধাক্কা খেয়ে নীচে পড়েছে অথবা নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু নীচে গভীর খাদ এবং জঙ্গল। অর্জুন খানিকটা নেমে দেখল গাছ থেকে উঠে আসা একটা বড় গাছের ডাল ভেঙে ঝুলছে। অর্থাৎ ভারী বস্তুটি ওখান দিয়েই নীচে পড়েছে।

    এখন এই রাত্রে নীচে নামা অসম্ভব! এই জঙ্গলে হিংস্র প্রাণী নিশ্চয়ই রয়েছে। তা ছাড়া নামার রাস্তা করে নেওয়া ছাড়া কোনও উপায় নেই। কিন্তু ছবিতে যেটাকে বিশাল ডিমের মতো মনে হচ্ছিল এবং যেটি অদৃশ্য হয়েছে সেটি যদি ওই ভারী বস্তু হয় তা হলে কে সেটাকে সরাল? তার কী স্বার্থ! ঘষটানোর দাগটা দেখে বোঝা যায় প্রচুর শক্তি না থাকলে ওই বস্তুটিকে গাছ থেকে তুলে নিয়ে এসে ওখান দিয়ে ফেলা যেত না।

    হঠাৎ অর্জুনের মনে পড়ল ঘড়িটার কথা। আসার আগে অমলদা এটার ক্রিয়াকর্ম বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। সে ঘড়ির ঢাকনাটাকে খুলে বোতাম টিপতেই সরু টর্চের আলোর মতো একটা উজ্জ্বল রেখা বেরিয়ে এল। খাদের দিকে সেটা ধরতে রেখাটা নীচে নেমে যেতে লাগল। যত নামছে তত স্পষ্ট হচ্ছে জায়গাটা। যেসব গাছের ডালপাতা ওর যাওয়ার পথে পড়ছিল সেগুলো মুহুর্তেই শুকনো হয়ে সরে যাচ্ছিল দুপাশে। ওই আলোর রেখা পাথর অথবা মাটি ছাড়া যে-কোনও শক্ত বস্তুকে ভেদ করতে সক্ষম। ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে অর্জুন রেখাটাকে নিয়ে যেতে পারল সেই ডিমের আকারের বস্তুটির গায়ে। স্পর্শ লাগতেই মনে হল শক্ত বস্তুটির একাংশে চিড় ধরল। আর তখনই মাথার ওপরে গুম-গুম শব্দ বাজল। অর্জুন দ্রুত চাবি ঘুরিয়ে আলোর রেখা নিভিয়ে দিয়ে পাহাড়ের খাঁজে সরে এল। আর এই তাড়াহুড়োতে ঘড়ির ঢাকনাটা বন্ধ করতে ভুলে গেল সে।

    আওয়াজটা যে কোনও যন্ত্রের, তা বোঝা যাচ্ছে। একসময় আওয়াজটা থেমে গেল। এই গভীর জঙ্গলে ডেরেকদের গ্রাম থেকে কেউ এত রাত্রে নিশ্চয়ই কোনও স্ত্র নিয়ে বেড়াতে আসবে না। আর তখনই চারপাশ আলোকিত হয়ে গেল। কাছাকাছি কোথাও আগুন জ্বলছে। পুড়ে যাচ্ছে গাছপালা। শব্দ হচ্ছে পোড়ার। হঠাৎই অর্জুন ওদের দেখতে পেল। তরতর করে নেমে আসছে চারটে মূর্তি। আকৃতি বেশ ছোট। এখন আগুনের কল্যাণে চারপাশ দিনের মতো স্পষ্ট কিন্তু তা সত্ত্বেও ওদের মুখ-চোখ ভাল করে দেখতে পেল না সে। অতি দ্রুত ওরা নেমে গেল খাদের মধ্যে। যেন ওই পথ ওদের খুব চেনা।

    অর্জুন একবার ভাবল ওদের অনুসরণ করবে। কিন্তু সেটা একটু দুঃসাহসিক হয়ে যাবে। বরং অপেক্ষা করাই ভাল। ওদের উঠে আসতে হবে এই পথ দিয়ে। তারপরই মনে হল ওপরে গিয়ে দেখলে কেমন হয়? এই লোকগুলোর আসার সঙ্গে শব্দটার যোগাযোগ আছে। অর্জুন সন্তর্পণে বেরিয়ে এল। সঙ্গে সঙ্গে সে আগুনের শিখা দেখতে পেল। হু-হু করে জ্বলছে জঙ্গল। ডেরেকরা ওদের গ্রাম থেকে এই আগুন দেখতে পায়। আর একটু এগোলে নিজেকে আড়াল করার কোনও সুযোগ থাকবে না। চারজন নীচে গিয়েছে, ওপরে কতজন রয়েছে কে জানে। এবং ওরা নিছক চড়ুইভাতি করতে রাতদুপুরে এখানে আসেনি।

    হঠাৎ নীচে একটা চিৎকার শোনা গেল। অর্জুন দ্রুত সরতে যেতেই তার পা পিছলে গেল। সরসর করে অনেকটা নীচে ঝোপের মধ্যে ঢুকে গেল তার শরীরটা। পড়ার সময় কাঁটাজাতীয় কিছু ফুটে গেল হাতে, কাঁধে। প্রচণ্ড যন্ত্রণা সত্ত্বেও সে কিছুক্ষণ স্থির হয়ে পড়ে রইল। তার পড়ার সময় শব্দ হয়েছে। অবশ্য আগুনে গাছ পোড়ার আওয়াজ ছাপিয়ে সেই শব্দ কারও কানে গিয়েছে কিনা বোঝা যাচ্ছে না।

    হঠাৎ সেই শব্দটা বাজল। তারপর ধীরে ধীরে মিলিয়ে গেল সেটা। অর্জুন মাথা তুলল। শরীরটাকে সোজা করা যাবে না। পায়ের সামান্য চাপেই নুড়ি গড়িয়ে পড়ছে। সে একটু বাঁ দিক ঘেঁষে ওপরে উঠতে যেতেই পায়ের তলার পাঁথর সরে গেল। সরসরিয়ে নেমে যাচ্ছিল সে। প্রচণ্ড আঘাত লাগছে পাথরে। শেষপর্যন্ত দু হাতে একটা পাথর আঁকড়ে ধরে নিজেকে সামলাতে পারল সে।

    সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে ওপরদিকে তাকিয়ে মনে হল আগুন অনেক কম এখন। অথবা যেখানে আগুন জ্বলছিল সেখান থেকে অনেক নীচে নেমে এসেছে সে। সমস্ত শরীর জ্বলছে। রক্ত বেরিয়ে গেছে কোথাও কোথাও। সে ঘড়িটার দিকে তাকাল। ঢাকনাটা নেই। এটা কী করে হল? ঢাকনাটা বন্ধ থাকলে সেটা না ভাঙার কথা। তা হলে কি কোনও কারণে ওটা খুলে গিয়েছিল? ও বোতামটা টিপল। সঙ্গে সঙ্গে আলোর রেখা বেরিয়ে এল। না, এখনও এটা ঠিক রয়েছে। হাত থেকে খুলে ঘড়িটাকে পকেটে রাখল অর্জুন।

    এখন মনে হচ্ছে, তখন ওই আড়াল থেকে না বেরিয়ে এলেই ভাল হত। এই দুর্ঘটনায় সে না পারল লোকগুলোকে দেখতে, না ওই আওয়াজটা কীসের তা বুঝতে। এখন ওপরে উঠতে হবে। হঠাৎ খেয়াল হল লোকগুলো খাদে নেমেছিল। সে যেখানে দাঁড়িয়ে আছে সেখান থেকে খাদের নীচটা বেশি দূরে নয়।

    ধীরে ধীরে নীচে নামতে লাগল অর্জুন। গাছের ঘন ছায়ায় ঝোপঝাড় ক্রমশ অন্ধকার টেনে আনছিল। অর্জুন পকেট থেকে ঘড়িটা বের করল। মাটির দিকে সেটার মুখ করে সুইচ টিপতেই আলোর রেখা বের হল। কিন্তু যেখানেই আলো পড়ছে সেই জায়গাটা ঝুরঝুর করে ঝরে পড়ছে টুকরো-টুকরো হয়ে। এতে অবশ্য যথেষ্ট আলো পাওয়া যাচ্ছে নীচের দিকে যাওয়ার জন্যে। হঠাৎ কিছু একটু শব্দ করতেই অর্জুনের হাত সেদিকে ঘুরল। একটা মোটা কালো সাপ ফণা তুলতেই আলোর রেখা ওর শরীরে পড়ল। অর্জুন অবাক হয়ে দেখল সাপটা গলে মাটিতে পড়ে গেল নিঃসাড়ে।

    অনেকটা নামার পর মাটি যখন প্রায় সমতল তখন অর্জুন চারপাশে খুঁজল। সেই ডিম্বাকৃতি বস্তুটি কোথায় পড়েছে তা হাজার খুঁজেও বের করতে পারত না সে এই ঘন জঙ্গলের অন্ধকারে। যদি অমল সোম এই ঘড়িটা না দিতেন? এগোতে এগোতে একসময় সে দাঁড়িয়ে গেল। বস্তুটাকে দেখতে পাচ্ছে সে। আলোর রেখা সচেতনভাবে বস্তুটির ওপর না ফেলে সে কাছে পৌঁছে গেল কোনওমতে। গিয়েই দাঁড়িয়ে পড়ল।

    ডিম্বাকৃতি বলে যাকে মনে হয়েছিল ছবি দেখে, সামনাসামনি অর্জুন বুঝতে পারল অমল সোমের ভুল হয়নি। কিন্তু এ কেমন ডিম? এত বড় এবং এত শক্ত খোলস? বস্তুটির একপাশে চিড় ধরছে। সম্ভবত তার ভেতর দিয়ে ভেতরে হাওয়া ঢুকছে। সেই হাওয়ার স্পর্শ পেয়ে ভেতরে ঘুমন্ত কিছু এখন নড়তে শুরু করেছে। এটা বোঝা যাচ্ছে বস্তুটি এক জায়গায় স্থির হয়ে নেই বলে। ওর ভেতরে একটা কিছু মোচড় না দিলে এভাবে নড়তে পারে না। অর্জুন অনেক চেষ্টা করেও ভেতরটা দেখতে পেল না।

    লোকগুলো কি এখানে এসে এই নড়াচড়া দেখে ভয়ে চিৎকার করেছিল? ওর খুব লোভ হচ্ছিল বস্তুটির ওপর আলোর ব্রেখটাকে রাখতে। একটু বেশি সময় রাখলে হয়তো ওর শক্ত খোলস ফেটে যাবে এবং ভেতরে কী আছে তা দেখা যাবে। কিন্তু উলটোটা যদি হয়? যদি বস্তুটি টুকরো টুকরো হয়ে যায়? তা হলে ভেতরে যা আছে তা রক্ষা পাবে না।

    অর্জুন ঠিক করল, কোনও ঝুঁকি নেবে না। হয়তো কোনও বিস্ময়কর প্রাণী জ্বণ অবস্থায় রয়েছে এই বিশাল ডিম্বাকৃতি বস্তুতে। বরং কাল সকালে গ্রাম থেকে ডেরেকদের নিয়ে এখানে চলে আসবে। চেষ্টাচরিত্র করে এটাকে এমন জায়গায় নিয়ে যেতে হবে যে, চব্বিশ ঘণ্টা নজরে রাখা যায়।

    চারপাশে মোটামুটি নজর বুলিয়ে জায়গাটাকে বুঝে নিয়ে সে আবার ওপরে উঠতে লাগল। সমস্ত শরীরে ব্যথা; কেটে যাওয়া শরীরে তীব্র জ্বলুনি। ওপরে উঠতে কাহিল হয়ে পড়ছিল সে। তারপর একসময় আগুনের আঁচ দেখতে পেয়ে বুকে উৎসাহ এল। সে পৌঁছে গিয়েছে।

    অর্জুন যখন ওপরে এসে গেল, আগুন অনেক কমে এসেছে। হঠাৎ তার কানে একটা আলতো শব্দ বাজতেই সে মুখ ফিরিয়ে উৎসটা খুঁজতে চেষ্টা করল। এবং তখনই ডেরেকের কাকাকে দেখতে পেল।

    ভদ্রলোক ছবি তুলছেন। ওঁর মুখ-চোখে উত্তেজনা, পরপর ছবি তুলতে-তুলতে হঠাৎ থেমে গেলেন। বিস্মিত হয়ে ক্যামেরাটা দেখলেন। রাগ এবং পরে আফসোস ছড়িয়ে পড়ল মুখে। অর্জুন বুঝতে পারল ভদ্রলোকের ক্যামেরার ফিল্ম শেষ হয়ে গিয়েছে।

    কিন্তু আগুন জ্বলার সময় ডেরেকদের গ্রামের লোক এখানে আসে না। অবশ্যই একটা না-জানা-আতঙ্ক ওদের দূরে সরিয়ে রাখে। পরদিন, আলো নিভে গেলে কেউ-কেউ এসে উঁকিঝুঁকি মেরে যায়। এই বৃদ্ধ যেমন ছবি তুলেছিলেন। তা হলে ইনি এই সময় কী করে চলে এলেন? অর্জুন ধীরে ধীরে এগিয়ে গেল।

    বৃদ্ধ অনামনস্ক ছিলেন, হঠাৎ অর্জুনকে দেখে ভূত দেখার মতো আঁতকে উঠলেন। অর্জুন জিজ্ঞেস করল, আগুনের ছবি তুললেন?

    অ্যাঁ। ও, হ্যাঁ। কিন্তু আর ফিল্ম নেই। উঃ, কী দারুণ দৃশ্য, ওই ছবিটা তোলা হল না। বৃদ্ধ হাত বাড়িয়ে দেখালেন। একটা গাছের ডাল আগুনসমেত নীচে ঝরে পড়ল।

    আপনি একা-একাই চলে এলেন?

    অ্যাঁ। না তো। বৃদ্ধ চারপাশে তাকালেন। সঙ্গে-সঙ্গে তাঁর কপালে ভাঁজ পড়ল। তিনি বললেন, হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলে মনে হল কেউ যেন আমার ডার্করুমে ঢুকে কিছু করছে। ওখানে আমি কাউকে যেতে দিই না। বিছানা থেকে উঠে ক্যামেরাটা নিয়ে এগোতেই একজনকে বেরিয়ে যেতে দেখলাম। বাড়ির পেছনের দরজা খুলে। লোকটাকে দেখব বলে ওর পেছন পেছন হাঁটতে লাগলাম। হঠাৎই এই আগুন চোখে পড়ল। মনে হচ্ছিল লোকটাও এইদিকে আসছে। কিন্তু কোথায় হারিয়ে গেল সে। বৃদ্ধ চারপাশে আবার খুঁজতে লাগলেন।

    আপনি কি এখন গ্রামে ফিরে যাবেন?

    অ্যাঁ, হ্যাঁ। নিশ্চয়ই। এখানে থেকে আর কী হবে? ছবি না তুলতে পারার হতাশা ওঁর গলায় স্পষ্ট। ওরা ধীরে ধীরে নেমে আসতে-আসতে দেখল আগুন নিভে আসছে।

    গ্রামের কাছে এসে ওরা দৃশ্যটা দেখতে পেল। প্রচুর লোক জড়ো হয়ে গেছে রাস্তায়। কিন্তু কেউ কথা বলছে না। সবাই তাকিয়ে আছে পাহাড়ের দিকে, যেখানে একটু আগে আগুন জ্বলছিল। হঠাৎ কেউ ওদের দেখতে পেয়ে চেঁচিয়ে উঠল। সঙ্গে-সঙ্গে জনতা সরে এল তাদের দিকে। মূলত বৃদ্ধকেই প্রশ্ন করতে লাগল তারা। কোন সাহসে বৃদ্ধ ওই আগুনের কাছে গিয়েছিল? ছবি তোলার নেশায় নির্ঘাত একদিন মারা পড়বেন তিনি। কেউ-কেউ প্রশ্ন করতে লাগল, সেখানে গিয়ে কী দেখেছেন? ভৌতিক কিছু নজরে পড়েছে কিনা।

    বৃদ্ধ উত্তেজিত হয়ে ওদের বোঝাবার চেষ্টা করছিলেন ফিল্ম শেষ হয়ে যাওয়ায় কী মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। ওরা শুনতে চাইছে ভৌতিক দৃশ্যের বর্ণনা, ফিল্ম সম্পর্কে কোনও আগ্রহ নেই। অর্জুন চুপচাপ পাশ কাটিয়ে চলে এল ভিলেজ সেন্টারে। দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। বিস্তর শব্দ এবং ডাকাডাকি করার পর পাহারাদাররা দরজা খুলল। একজন আতঙ্কিত গলায় বলল, ওঃ, আপনি! পাহাড়ে আবার আগুন জ্বলেছে। আপনার জন্যে খুব চিন্তা হচ্ছিল। ভুল করে ওদিকে যাননি তো?

    কেন?

    হয়তো, হয়তো। লোকটার কথা বন্ধ হয়ে গেল।

    আমি তো বেঁচেই আছি। অর্জুন হাসল।

    না। মানে, শুনেছি, ঘোস্ট মানুষের শরীরে ঢুকে চুপচাপ চলে আসে।

    অর্জুন কথা না বাড়িয়ে দোতলার ঘরের দিকে এগোল। কুসংস্কার বড় মারাত্মক জিনিস। বাইরের পৃথিবীতেও সেটা যেমন প্রবল, এখানে, এই বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকা মানুষেরাও তা থেকে মুক্ত নয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৬ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }