Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প731 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০১. ভানুদা বলেছিলেন

    ভানুদা বলেছিলেন, আজকের রাতটা থেকে যাও অর্জুন। রাস্তাটা ভাল নয়, দু ঘণ্টার রাস্তা তিন ঘণ্টাতে যেতে হয়। তা ছাড়া মেঘ জমেছে খুব।

    তখন সবে সন্ধে নেমেছে। কথা হচ্ছিল সুভাষিণী চা-বাগানের ম্যানেজারের বাংলোর সামনে দাঁড়িয়ে। রাতে চাবাগানের কারখানা, অফিস, রাস্তা বিদ্যুতের কল্যাণে দিনের আলোর মতো আলোকিত। কিন্তু পেছনের চাবাগান অন্ধকারে ঝিম মেরে পড়ে আছে। অর্জুন আমাদের দিকে তাকাতেই চটপটি আলো ছড়িয়ে ছুটে গেল এপাশ থেকে ওপাশে।

    অর্জুন বলল, আপনি যখন জিপ দিচ্ছেন তখন যেতে তো সমস্যা হবে। ওরা যদি পরশু সকালে যাত্রা শুরু করে তা হলে আজই আমার ওখানে পৌঁছনো দরকার। তা হলে কাল গোটা দিনটায় ওদের সঙ্গে থেকে তৈরি হওয়া যাবে।

    ভানুদা আর আপত্তি করেননি। ড্রাইভারকে ডেকে উপদেশ দিয়েছিলেন, যেন ঠিকভাবে জিপ চালায়। সাহেবের যেন কোনও অসুবিধে না হয়।

    ছুটন্ত জিপে বসে কথাটা ভাবতেই ইসি পেল অর্জুনের, ভানুদা তাকেও সাহেব বানিয়ে ছাড়লেন। অবশ্য চা-বাগানের ম্যানেজারদের অধস্তন সাহেব বলে থাকেন। অতএব সাহেবের বন্ধু বা ঘনিষ্ঠরা সাহেব হয়ে যাচ্ছেন। তা ছাড়া ভানুদা মনেপ্রাণে বাঙালি হলেও আদব-কায়দায় পুরোদস্তুর সাহেব। কখনও বিদেশে যাননি, কিন্তু একজন ব্রিটিশের জীবন যাপন করেন। আজ সকালে ফোন করে ঘুম থেকে তুলেছিলেন ভানুদা। সুভাষিণী চা বাগান থেকে জলপাইগুড়ির দূরত্ব আড়াই ঘণ্টার পথ। ঘুমজড়ানো চোখে রিসিভার তুলতেই ভানুদার গলা শুনতে পেয়েছিল, গুড মর্নিং, অর্জুনভাই। ঘুম ভাঙালাম মনে হচ্ছে।

    না, না। কেমন আছেন ভানুদা? অর্জুন চেঁচিয়েছিল।

    তুমি কি এখন খুব ব্যস্ত? হাতে কোনও কেস আছে?

    না। একদম বেকার। কেন?

    তা হলে চটপট সুভাষিণীতে চলে এসো। ইন্টারেস্টিং ব্যাপার, তোমার খুব ভাল লাগবে। লাঞ্চের মধ্যেই আসতে পারবে?

    চেষ্টা করছি।

    কিন্তু কিছু কাজ সেরে সুভাষিণীতে পৌঁছতে দুপুর গড়িয়ে গেল। এতটা পথ সে তার লাল বাইক চালিয়ে এসেছে। তনুদা তখন অফিসে বসে কাজ করছেন। তিনি যতক্ষণে কাজ সেরে এলেন ততক্ষণে সুভাষিণী চা বাগানটা একপাক ঘুরে দেখে নিয়েছে অর্জুন। চা-বাগানের মধ্যে একটা ফাঁদ পেতে রাখা হয় যাতে হিংস্র জানোয়াররা সেখানে ধরা পড়ে। অর্জুন দেখে এল ফাঁদটা রয়েছে কিন্তু কেউ সেখানে পা রাখেনি।

    চায়ের সঙ্গে উপাদেয় জলখাবার খেতে-খেতে কথা হচ্ছিল। ভানুদা বললেন, তুমি তো জানো, আমি এডমন্ড হিলারির টিমে জায়গা পেয়েছিলাম যখন তিনি হিমালয়ে ইয়েতি খুঁজতে গিয়েছিলেন।

    জানি। ওই অভিযানের স্লাইডগুলোর কথা এখনও মনে আছে।

    এডমন্ড হিলারিসাহেব মারা গিয়েছেন। কিন্তু নিউজিল্যান্ড থেকে একটা টিম এখন কলকাতায় এসেছে। হিলারিসাহেবের টিমের একজন ইয়ং মেম্বার জন বেইলি এই দলের নেতা। জনের বয়স আমার মতনই। কাল রাত্রে কলকাতা থেকে জন আমাকে টেলিফোন করেছিল। ও আমার সাহায্য চাইছিল। কিন্তু ভাই, আমার বয়স হয়েছে। তা ছাড়া চা বাগানের এত সমস্যা যে, ম্যানেজার হয়ে এসব ছেড়ে আমি কোনও অভিযানে যেতে পারি না। আমার কোম্পানি খুশি হবে না; আমারও খারাপ লাগবে। তোমাকে ফোন করার পর আমি জনকে তোমার কথা ফোনে বললাম। আমি বলছি বলে ওর কোনও আপত্তি নেই তোমাকে দলে নিতে। ভানুদা বললেন।

    এটা কীসের অভিযান হচ্ছে?

    হিলারিসাহেব প্রমাণ করেছিলেন ইয়েতি বলে কিছু নেই। একধরনের তুষার-ভালুক মাঝে-মাঝে মানুষের মতো দুপায়ে হাঁটাচলা করে। পাহাড়ের লোকজন তাদেরই ইয়েতি বলে থাকে। আমরা একটা গুফায় ইয়েতির মাথা আছে শুনে দেখতে যাই। সেই মাথাটা আর ইয়েতির গায়ের চামড়া বলে ওরা যা দেখিয়েছিল তা লন্ডনে নিয়ে যাওয়া হয়। পরীক্ষা করে দেখা গেছে ওগুলো ভালুকের মাথা এবং চামড়া। কিন্তু এই ভালুকগুলোর চরিত্র অদ্ভুত। মানুষ যা করে তাই ওরা অনুকরণ করার চেষ্টা করে। মানুষের মতো হাঁটতে, ওপরের দুটো পা-কে মাঝে-মাঝে হাতের মতো ব্যবহার করতে ওরা খুব ওস্তাদ। জন এই ভালুকগুলোর ওপর ডকুফিল্ম তৈরি করতে এসেছে। ভানুদা ঠাট্টা করে বলেছিলেন, কে বলতে পারে, তুষার-ভালুক খুঁজতে গিয়ে তোমরা হয়তো তুষারমানবকে খুঁজে বের করতে পারো।

    অর্জুনের মনে হয়েছিল ব্যাপারটা বেশ ইন্টারেস্টিং। কিন্তু একটা কথা ভেবে সে হতাশ হয়ে জিজ্ঞেস করেছিল, কিন্তু ভানুদা, আমি তো কোনওদিন পাহাড়ে চড়ার ট্রেনিং নিইনি। ছবিতে যা দেখেছি সেটা খুব কঠিন কাজ। দীর্ঘদিন ট্রেনিং না নিলে একদমই সম্ভব নয়। জনসাহেব আমাকে নেবেন কেন?

    ভানুদা বলেছিলেন, ঠিকই। যদি অভিযানটা আমাদের মতো পায়ে হেঁটে পাহাড় ভেঙে করা হত তা হলে আমি তোমার কথা জনকে বলতাম না। ওরা ঠিক করেছে কাঠমণ্ড থেকে হেলিকপটারে চড়ে চোদ্দো হাজার থেকে যোলো হাজার ফুট উঁচু পাহাড়ে গিয়ে বেসক্যাম্প করবে। সময় বাঁচানোর জন্যেই এটা

    করবে ওরা। তোমাকে কাঠম যেতে হবে কালকেই।

    কলকাতা হয়ে গেলে কাল কী করে কাঠমণ্ডুতে পৌঁছব?

    তুমি কলকাতায় যাচ্ছ না। আগামীকাল সকাল এগারোটায় ভদ্রপুর থেকে প্লেনে উঠবে। শিলিগুড়ি থেকে জিপে ভদ্রপুর পৌঁছতে ঘণ্টাদুয়েক লাগবে। ভদ্রপুরে পৌঁছে মানিকলাল আগরওয়ালার ডিপার্টমেন্টাল শপে গিয়ে আমার নাম বলবে। আমি ফোন করে দিচ্ছি, টিকিট কাটা থাকবে।

    ঠিক আছে। কিন্তু অত উচুতে যে ঠাণ্ডা হবে তার মোকাবিলা করার মতো পোশাক তো আমার নেই। যা আছে তাতে দার্জিলিং-এর শীতকে ম্যানেজ করা যায়। ওখানে কী করব?

    এ নিয়ে তোমাকে ভাবতে হবে না। জন সব ব্যবস্থা করবে।

    জিপ অন্ধকার চিরে এগিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু যতটা জোরে যাওয়ার কথা ততটা গতি উঠছিল না। রাস্তা এবুড়ো-খেবড়ো। বড় বড় গর্ত বাঁচিয়ে যেতে হচ্ছিল ড্রাইভারকে। এখন ঘন ঘন বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। অথচ মেঘের গর্জন শোনা যাচ্ছে না তেমন। আর একটু পরেই জলদাপাড়ার জঙ্গল। অর্জুন ভাবছিল কোথা থেকে কী হয়ে গেল। আগামীকাল সে প্লেনে চেপে কাঠমণ্ড যাবে তা আজ বিকেলেও ভাবেনি। কিন্তু কাঠমণ্ডুতে গিয়ে জনসাহেবকে কোথায় খুঁজে পাবে সেটা তো ভানুদাকে জিজ্ঞেস করা হয়নি। কাঠমণ্ডুতে সে আগে কখনও যায়নি। তারপরেই সে নিজেকে বোঝাল, একটী অভিযান যখন হবে তখন নিশ্চয়ই নেপাল গভর্নমেন্ট সেটা জানবে? খোঁজ পেতে অসুবিধে হবে না।

    এখন সত্যি বেকার বসে ছিল সে। সত্যসন্ধানকে জীবিকা হিসেবে নেওয়ার পর তার খাওয়া-পরার অভাব হয়নি। যদিও কলকাতা-দিল্লির অনেক গোয়েন্দা সংস্থা তাকে ভাল টাকা মাইনে দিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে। সে যায়নি। মূলত মা এবং জলপাইগুড়ির ওপর টান এর কারণ। এই যে সে কাঠমণ্ড যাচ্ছে, এর জন্যে কোনও অর্থপ্রাপ্তির সম্ভাবনা নেই। কোনও কেস নিয়ে সে যাচ্ছে না। কিন্তু জীবনে অর্থ রোজগার করাই তো সব নয়! এমন সুযোগ তো সহজে পাওয়া যাবে না।

    জলদাপাড়ার জঙ্গলে না ঢুকে ডানদিকের রাস্তা ধরে মাদারিহাটের মধ্যে জিপ ঢুকে পড়ল। এবং তখনই বৃষ্টি নামল। এত বড় বড় ফোঁটা বৃষ্টি অনেকদিন দ্যাখেনি অর্জুন। রাস্তা ফাঁকা। দুপাশের বাড়িঘর, দোকানপাট সন্ধে পার না হতেই ঘুমন্ত। কোনওমতে জিপ যখন হাইওয়েতে গিয়ে উঠল, তখন ড্রাইভার বলল, সাব, কুছ দেখাই না যাতা হ্যায়।

    হেডলাইট ফগলাইট জ্বালিয়েও কিছু দেখা যাচ্ছে না। এই অবস্থায় গাড়ি চালালে দুর্ঘটনা ঘটবেই। অর্জুন বলল, রাস্তা ছেড়ে একপাশে সাইড করে রাখো।

    বৃষ্টি পড়ছে, সঙ্গে শিল। জিপের টিনের ছাদে যেন দুরমুশ চলছে। ড়ুয়ার্সে বৃষ্টি একবার শুরু হলে সহজে থামতে চায় না। অথচ কাল ভোরে বেরোতে গেলে আজ রাত্রেই তাকে জলপাইগুড়িতে পৌঁছতে হবে। প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, জামাপ্যান্ট, শীতবস্ত্র নেওয়া ছাড়া মাকে রাজি করাতে হবে। সে অবশ্য টেলিফোনে মাকে বলেছে ওগুলো একটা সুটকেসে গুছিয়ে রাখতে। কিন্তু কোথায় যাচ্ছে তা বলেনি। পাহাড়ে ওঠার কায়দা না জানা ছেলেকে মা সহজে যেতে দেবেন বলে মনে হয় না।

    ঘণ্টাদুয়েক কেটে গেল কিন্তু বৃষ্টি একই তেজে পড়ে চলেছে। শিলা বৃষ্টি আর হচ্ছে না, এই রক্ষে। প্লাবন না হলে এইসব রাস্তায় জল জমে না। হাওয়া শুরু হতে অর্জুন স্বস্তি পেল। ওই ঝোড়ো হাওয়া নিশ্চয়ই মেঘ উড়িয়ে নিয়ে যাবে। সঙ্গে শব্দ হল প্রচণ্ড জোরে। ড্রাইভার হেডলাইট জ্বালাতেই দেখা গেল একটু দূরে একটা বড় গাছ রাস্তার ওপর পড়ে আছে। তার ডালপালায় রাস্তা ঢাকা। এই গাছের নীচে যদি এই জিপটাকে পার্ক করা হত তা হলে…। কল্পনা করতেই শিউরে উঠল অর্জন। ড্রাইভার বলল, সাব, এই রাস্তা দিয়ে যাওয়া যাবে না। গাড়ি ব্যাক করে গয়েরকাটা দিয়ে চলে যাই।

    লোকটা হিন্দিতে কথা বলছিল। যদিও ওটা ঘুরপথ হবে তবু তা ছাড়া তো কোনও উপায় নেই। বৃষ্টির জোর কমে এসেছিল। ড্রাইভার জিপ ঘুরিয়ে নিয়ে দ্বিতীয় রাস্তা ধরল।

    বৃষ্টি পড়েই চলেছে, তবে তার জোর কমে এসেছে। চারধার নিঝুম। অন্ধকার। কিন্তু অর্জুন জানে দুপাশে চা বাগান ছাড়া কোনও মানুষজন নেই। ঘুরপথে যেতে হচ্ছে বলে সময় বেশি লাগবেই। তার ওপর জিপের গতি বাড়ানো যাচ্ছে না, এত গর্ত। মিনিট চল্লিশ যাওয়ার পর হঠাৎ নজরে পড়ল, হেডলাইটের আলোয় স্পষ্ট দেখা গেল মোটর সাইকেলটাকে। রাস্তার পাশে গাছের গায়ে ধাক্কা খেয়ে মুচড়ে পড়ে আছে। আর তার ঠিক তিন হাত দূরে একটি মানুষ উপুড় হয়ে শুয়ে আছে। বোঝাই যাচ্ছে, মোটরবাইকটা জব্বর অ্যাকসিডেন্ট করেছে। বৃষ্টির জল লোকটির শরীর ঘেঁষে চলে যাচ্ছে। অর্জুন অবাক হয়ে দেখল ড্রাইভার স্পিড বাড়িয়ে দিল। শরীরটাকে কাটিয়ে গর্ত উপেক্ষা করে এমনভাবে বেরিয়ে এল যেন ভূতে তাড়া করেছে। অর্জুন চিৎকার করল, আরে! গাড়ি থামাও। লোকটা তো বেঁচে থাকতে পারে। ওকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া উচিত। গাড়ি থামাও।

    অনেকটা দূরে চলে এসে ড্রাইভার বলল, নেহি সাব। ওরা ডাকাত হতে পারে। আমাদের ম্যানেজারসাহেব হুকুম দিয়েছেন, রাত্রে কেউ হাত দেখালে অথবা অ্যাকসিডেন্ট হয়েছে বলে পড়ে থাকলে কখনও যেন গাড়ি না থামাই।

    কিন্তু এমন ঝড়বৃষ্টির রাত্রে অ্যাকসিডেন্ট হওয়াই তো সম্ভব। অর্জুন রেগে গেল।

    ড্রাইভার জিপ থামাল না। মাথা নেড়ে বলল, সাব, লোকটা যদি সত্যি মরে গিয়ে থাকে তা হলে আমরা কিছুই করতে পারতাম না। চোট পেলে নিশ্চয়ই রক্ত বের হত। আমি কোনও রক্তের চিহ্ন দেখতে পাইনি। আর যদি অ্যাক্টিং হয় তা হলে আমরা এতক্ষণে শেষ হয়ে যেতাম। এসব রাস্তায় এইরকম ডাকাতি প্রায়ই হয়।

    অর্জুন কিছু বলল না আর। ভানুদা তাকে তার লাল বাইকটা ওঁর ওখানে রেখে জিপে করে পাঠিয়েছেন। অর্জুন চেয়েছিল নিজের বাইকে জলপাইগুড়িতে ফিরে যেতে। ভাগ্যিস যায়নি, নইলে এই ঝড়বৃষ্টির অন্ধকার রাস্তায় তার অবস্থা যে ওরকম হত না তা কে বলতে পারে? কিন্তু লোকটার যদি সত্যি দুর্ঘটনা ঘটে থাকে, যদি এখনও ওর শরীরে প্রাণ থেকে থাকে, তা হলে প্রচণ্ড স্বার্থপরের মতো সে চলে এসেছে পাশ কাটিয়ে। বিবেকের দংশন ক্রমশ অসহ্য হয়ে উঠল অর্জুনের কাছে। কিন্তু কিছু করার নেই।

     

    ভারতবর্ষ থেকে নেপালে যেতে পাশপোর্ট এবং ভিসার প্রয়োজন হয় না। সীমান্ত আছে, সন্দেহজনক ব্যাপার ঘটলে দুদেশের পুলিশ এবং কাস্টমস সক্রিয় হয়ে ওঠে। কিন্তু অর্জুনের ক্ষেত্রে কিছুই ঘটল না। শিলিগুড়ি থেকে জিপ তাকে ঠিক নটায় পৌঁছে দিল ভদ্রপুরে। ভদ্রপুর একটি সাধারণ শহর। মানিকলাল আগরওয়ালার দোকান খুঁজে পেতে অসুবিধে হল না। বেশ বড় দোকান। প্রচুর বিদেশি জিনিস সাজানো। অর্জুন শুনেছিল নেপালে বিদেশি জিনিস প্রচুর পরিমাণ পাওয়া যায়, এখন চোখে দেখল ক্যামে সাবান, জামান। নিভিয়া, ফরাসি পারফিউম, কী নেই! কিন্তু এখানে এসব জিনিস কেনে কারা?

    মানিলাল আগরওয়ালা দোকানেই ছিলেন। মধ্যবয়সী স্মার্ট মানুষ। পরনে সাফারি সুট। ভানুদার নাম বলার আগেই বললেন, গুডমর্নিং অর্জুনবাবু। মিস্টার ভানু ব্যানার্জির ফোন পেয়ে আপনার জন্যে টিকিট বুক করে রেখেছি। আজ কোনও সিট ছিল না। একজনকে ক্যানসেল করাতে হল।

    সে কী!

    আরে, এ-নিয়ে ভাববেন না। এখানে এরকম হয়। আসুন, ভেতরে

    আসুন। আপনার নিশ্চয়ই সকালে নাস্তা করা হয়নি। মানিকলাল সাদরে আমন্ত্রণ জানালেন।

    অস্বস্তি হচ্ছিল কিন্তু খিদেও পেয়েছিল। ভদ্রলোকের অমায়িক ব্যবহারে সংকোচ কমে গেল। খাওয়াদাওয়া শেষ হলে মানিকলাল ওকে একটা খাম দিলেন, আপনার টিকিট। ফেরারটা ওপেন আছে। এখানে এসে আমি থাকি বা না থাকি, দোকানে বললেই আপনাকে শিলিগুড়িতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। আচ্ছা, আপনি কাঠমপুতে কদিন থাকবেন?

    আমি জানি না। ওখানে যাওয়ার পর জানতে পারব।

    আপনি ডোমেস্টিক ফ্লাইটে যাচ্ছেন। কোনও অসুবিধে হবে না। একটা ছোট প্যাকেট দিলে নিয়ে যেতে পারবেন?

    কাউকে দিতে হবে?

    হ্যাঁ। আসলে যাকে প্যাকেটটা পৌঁছে দিতে পাঠাচ্ছিলাম তার টিকিট ক্যানসেল করতে হল তো! কোন হোটেলে উঠছেন?

    সেটাও ওখানে গেলে জানতে পারব।

    জানা থাকলে আমার লোকই আপনার হোটেল থেকে নিয়ে যেতে পারত। ঠিকানা লিখে দিলে পৌঁছে দেওয়ার সময় হবে আপনার? দেখুন।

    লোকটা এত উপকার করছে দেখে না বলতে পারল না অর্জুন। ভানুদার জিপ ছেড়ে দেওয়া হল। মানিকলাল, তাঁর গাড়িতে এয়ারপোর্টে পৌঁছে দিলেন। বেরোবার আগে একটা চৌকো সাদা পিসবোর্ডের বাক্স এগিয়ে দিয়েছিলেন, না, আপনাকে কষ্ট করে পৌঁছে দিতে হবে না। এয়ারপোর্টে আমার লোক এসে আপনার সঙ্গে দেখা করবে। আমি ফোন করে দিচ্ছি।

    কিন্তু তিনি আমাকে চিনবেন কী করে?

    এই ফ্লাইটে আপনিই একমাত্র বাঙালি প্যাসেঞ্জার। তবু আপনার নাম-লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে ও বাইরে বেরোনোর গেটের সামনে দাঁড়িয়ে থাকবে।

    লোকটার নাম কী?

    এস. কে. গুপ্তা। সাদা প্যাকেটটা সুটকেসে ঢুকিয়ে নিয়েছিল অর্জুন।

    এয়ারপোর্টে পৌঁছে প্লেন দেখে সে অবাক। কয়েকবার বিদেশ ভ্রমণের কারণে প্লেন সম্পর্কে যে ধারণা তৈরি হয়েছিল, তার সঙ্গে কোনও মিলই নেই। এমনকী, বাগডোগরা থেকে দমদমে যেসব প্লেন উড়ে যায় তার আভিজাত্য অনেক বেশি। ছোট্ট প্লেন। সাকুল্যে জনাআটেক প্যাসেঞ্জার বসতে পারে। প্রায় খেলনা-খেলনা মনে হয়। একজন বিমানসেবিকা আছেন। তাঁর স্থান পেছন দিকে। প্লেনটা যখন আকাশে উড়ল তখন বুক কাঁপছিল অর্জুনের।

    কিন্তু ঠিকমতো পৌঁছে গেল ওরা। কাঠমণ্ডু শহরটা ভ্যালির মধ্যে বলে পাহাড়ি শহর থেকে একটু আলাদা। অথচ পাহাড় চারপাশে। এয়ারপোর্ট থেকে বের হওয়ার আগে মানিকলের কথা মনে পড়ল। কিন্তু তার নাম প্ল্যাকার্ডে লিখে কেউ দাঁড়িয়ে নেই। মিনিটদশেক দাঁড়িয়ে রইল অর্জুন। কেউ তার দিকে এগিয়ে আসছে না। এস, কে, গুপ্তার তো এখানেই আসার কথা। হতাশ হয়ে বাইরে বের হতেই ট্যাক্সিওয়ালারা ঘিরে ধরল অর্জুনকে। সবাই তাকে পৌঁছে দিতে চায়। ওদের মধ্যে একজন বাংলায় কথা বলল, সার, কোথায় যাবেন বলুন, আমি আপনাকে পৌঁছে দিচ্ছি।

    অর্জুন বলল, আমাকে ভাই আর-একটু অপেক্ষা করতে হবে। একজন এয়ারপোর্টে আসবে।

    আপনার কোনও বন্ধু?

    না। লোকটার কৌতূহল অর্জুনের পছন্দ হল না! কিন্তু ভিড়টা সরে গেল। তাকে ছেড়ে ট্যাক্সিওয়ালারা অন্য যাত্রী নিয়ে পড়েছে। এখানে কি ট্যাক্সিওয়ালারা বেশি প্যাসেঞ্জার পায় না? অর্জুন দেখল বাঙালি ড্রাইভারটি খানিকটা দূরে দাঁড়িয়ে তাকে লক্ষ করে যাচ্ছে। অর্জুন ঠিক করল আর অপেক্ষা করবে না। ফেরার সময় ভদ্রপুরে পৌঁছে মানিকলালকে তার প্যাকেট ফিরিয়ে দেবে। কিন্তু এখন জন বেইলিকে খুঁজে বের করা তার প্রথম কাজ। নিউজিল্যান্ডের লোকজন নিয়ে এসেছেন অভিযান করতে, খবরটা এখানকার পর্বত অভিযান বিষয়ক দফতর নিশ্চয়ই জানবে। অর্জুন লোকটিকে ডাকল। বাঙালি হওয়ায় ওর কাছে সমস্যাটা বলা সহজ হবে।

    লোকটি হাসল, যাবেন সার? দাঁড়ান। গাড়ি নিয়ে আসছি।

    পার্কিং লট থেকে গাড়ি চালিয়ে এনে দরজা খুলে দিল ড্রাইভার, কোথায় যাব বলুন?

    এখানকার মাউন্টেনিয়ারিং ইনস্টিটিউট কোথায়?

    কেন সার?

    নিউজিল্যান্ড থেকে কয়েকজন অভিযাত্রীর আসার কথা। তাঁরা কোথায় উঠেছেন সেটা আগে জানতে হবে।

    ও, তাই বলুন। লোকটা একগাল হাসল, এই গোপালকে জিজ্ঞেস করলেই সেটা জেনে যাবেন সার, কোথাও যেতে হবে না। কাল সন্ধের প্লেনে ওরা এসেছে সার। উঠেছে ইন্টারন্যাশনাল গেস্ট হাউসে। আমি তখন এয়ারপোর্টে ছিলাম সার। ওই সাহেবদের সঙ্গে যদি দরকার থাকে তা হলে আপনাকে সেখানেই নিয়ে যাচ্ছি সার।

    বাঃ। আপনি দেখছি বেশ চৌকস লোক। ওখানেই চলুন।

    তা সার, কাঠমণ্ডর কোথায় কী হচ্ছে তার সব খবর আপনি এই গোপালের কাছে পাবেন। এই তো, কলকাতার একটা ছেলে পালিয়ে এসেছিল এখানে। তার বাবা আমার ট্যাক্সিতে ওঠায় আমি তাঁকে খবরটা দিয়ে দিলাম। এখানে তো আমার কম দিন হল না। ওই যে গাড়িটা দেখছেন, উলটে আছে, এক ঘণ্টা আগে অ্যাকসিডেন্টে ওর ড্রাইভার মারা যায়। যে জিপটা ওকে ধাক্কা দিয়েছিল তার পাত্তা পুলিশ কখনও পাবে কিনা জানি না। কিন্তু আমি জানি

    ওটা একটা ভাড়া করা জিপ।

    এত কথা জানলেন কী করে?

    আরে আমি তো তখন প্যাসেঞ্জার নিয়ে এয়ারপোর্টে আসছি। পুলিশ ভাববে অ্যাকসিডেন্টে গুপ্তসাহেব মারা গেছেন। কিন্তু অদ্ভুত দিব্যি করে বলতে পারি সার, জিপটা গুপ্তসাহেবের গাড়িটাকে পাশ থেকে এমনভাবে ধাক্কা মেরেছে যে, উনি কন্ট্রোল রাখতে পারেননি।

    অর্জুন সোজা হয়ে বসল, এই গুপ্তসাহেবের নাম কী?

    সেটা এখনই বলতে পারব না সার। খোঁজ নিলেই, তা কেন, কালকের পেপারে পেয়ে যাবেন।  ড্রাইভার মাথা নাড়ল।

    লোকটার টাইটেল যে গুপ্তা তা আপনি জানলেন কী করে?

    আরে বাপ। অতবড় ব্যবসায়ী। নেপাল, বুঝলেন, দুনম্বরি ব্যবসায়ীর কাছে স্বর্গের মতো। কিন্তু এই গোপালের ট্যাক্সিতে দুনম্বরি জিনিস সাপ্লাই করতে পারে না কেউ। গুপ্তসাহেবের লোককেও আমি ফিরিয়ে দিয়েছি।

    এ হতে পারে না। অর্জুন আবার সিটে হেলান দিল। এস. কে. গুপ্তা একঘন্টা আগে এয়ারপোর্টে আসতে যাবেন কেন? আর এই গোপালের কথা যদি ঠিক হয় তা হলে অন্য লোক তাঁকে দুর্ঘটনায় জড়িয়ে মেরে ফেলবে কেন? তার তো জানার কথা নয় উনি এখনই এয়ারপোর্টে আসছেন। কারণ সে ভদ্রপুর থেকে রওনা হওয়ার পর গুপ্তসাহেব ফোনে জানতে পেরেছেন তাকে এয়ারপোর্টে যেতে হবে। এ নিশ্চয়ই অন্য লোক।

    ইন্টারন্যাশনাল গেস্ট হাউসের সামনে গাড়ি থামিয়ে গোপাল জিজ্ঞেস করল, কদিন থাকবেন সার? দরকার হলেই বলবেন!

    আমি তো বললাম এখনও কিছুই জানি না। কত দিতে হবে?

    দুশো দিয়ে দিন সার।

    দুশো? রাস্তা তো বেশি নয়।

    অন্য কেউ হলে আরও বেশি চাইত। তা ছাড়া আপনার ঘোরাঘুরির ঝামেলা বাঁচিয়ে দিয়ে ঠিক জায়গায় যে পৌঁছে দিল সেই গোপালকে একটু দেখবেন না সার। হাসল গোপাল।

    রিসেপশনে পৌঁছে অর্জুন জন বেইলির খোঁজ করল। আপনি কি ইন্ডিয়া থেকে আসছেন?

    হ্যাঁ।

    অর্জুন?

    হ্যাঁ।

    এনি আইডেন্টিটি কার্ড, প্লিজ?

    অর্জুন পাশপোর্ট সঙ্গে নিয়ে এসেছিল কিছু না ভেবেই। সেটা বের করে দেখাল। রিসেপশনিস্ট সেটা ফিরিয়ে দিয়ে বলল, রুম নাম্বার টু হান্ড্রেড সেভেন। মিস্টার বেইলি কাজে বেরিয়েছেন।

    আপনি আমার নাম জানলেন কী করে?

    মিস্টার বেইলি আপনার নামে ঘর বুক করেছেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৬ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }