Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প731 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. সারারাত জেগে

    সারারাত জেগে দিনের আলো ফুটলে ঝুলন্ত বিছানায় গিয়েছিল অর্জুন। ঘুম যখন ভাঙল, তখন দুপুর। ক্যাম্প ফাঁকা। অভিযাত্রীরা বেরিয়ে গেছে অনুসন্ধানে। তৈরি হয়ে এক মগ চা নিয়ে চুমুক দিতে দিতে সে গেল জুডির তাঁবুতে। দুবার ডেকেও যখন সাড়া পাওয়া গেল না তখন বুঝল মেয়েটা এখনও গভীর ঘুমে

    এখানে স্নান করার বালাই নেই। প্রাকৃতিক কাজকর্ম সারতে বেশ কষ্ট হয়। আজ ব্রেকফাস্ট খাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। অর্জুন দুপুরের খাওয়া সেরে বেরিয়ে পড়ল। ওই ভারী জুতো, মোজা থেকে টুপি পর্যন্ত সমস্ত শরীর ভারী শীতবস্ত্রে মুড়ে বরফের ওপর দিয়ে হাঁটতে মোটেই স্বচ্ছন্দ নয় সে। তবে গতকালের চেয়ে আজ একটু জোরে পা ফেলতে পারছে। অভিযাত্রীরা এদিকে যায়নি! কিন্তু গতকাল সে আর জুড়ি যে আসা-যাওয়া করেছিল তার কোনও চিহ্ন বরফের ওপর নেই। গত রাত্রে বয়ে যাওয়া তুষারঝড় এবং শেষে পড়া মিহি তুষার সেসবের ওপর যেন সাদা চাদর বিছিয়ে দিয়েছে। ফলে যে জায়গা থেকে সেই অজানা প্রাণীর পায়ের চিহ্ন শুরু হয়েছিল তার হদিস পাওয়ার কোনও উপায় নেই।

    গতকালের মতো আজও গ্রামবাসীরা তাকে দেখে উল্লসিত হল। অর্জুন দেখল, দোভাষী হাসিমুখে এগিয়ে আসছে, আমি তোমার ওখানে যাব বলে ভাবছিলাম।

    কেন? অর্জুন অবাক হল।

    আমাদের পুরোহিত উঠে বসেছে, কথা বলেছে। শুনলাম গতকাল তোমার সঙ্গে একজন মহিলা এসেছিলেন, তিনি ভাল ওষুধ দিয়েছিলেন। আমি ছিলাম না বলে নিশ্চয়ই খুব অসুবিধে হয়েছিল, তাই না?

    না, তেমন কোনও অসুবিধে হয়নি। তবু লোকটাকে হতাশ করল না অর্জুন।

    সে সোজা চলে গেল পুরোহিতের বাড়িতে। পেছনের ভিড়টাকে বাইরে রেখে দোভাষীর সঙ্গে ভেতরে ঢুকল অর্জুন। তাদের দেখে পুরোহিত উঠে বসে একগাল হাসল। কিন্তু সেই মহিলা চেঁচামেচি শুরু করে দিলেন রাগত ভঙ্গিতে। অর্জুন কারণ জানতে চাইলে দোভাষী বলল, সুস্থ হতেই পুরোহিত নাকি আর সুপ খেতে চাইছে না। অথচ ওই খেয়েই তো সুস্থ হয়েছে। তাই ওর বউ রাগারাগি করছে।

    অর্জুন পুরোহিতের শরীর ছুঁয়ে দেখল, একদম স্বাভাবিক উত্তাপ। আপাতচোখে মনে হচ্ছে সুস্থ। কিন্তু জুডি বলেছে অবিলম্বে ওকে হাসপাতালে ভর্তি না করলে ফল খারাপ হবে। এই সুস্থতা খুবই সাময়িক।

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল, তুমি কথা বলতে পারবে?

    দোভাষী তর্জমা করতেই লোকটা চটপট জবাব দিল। কথাবার্তা বলতে লাগল তর্জমার মাধ্যমে, কথা বলা কী, আমি এখন দৌড়তে পারি। কিন্তু আমার বউ কিছুতেই এই ঘরের বাইরে যেতে দিচ্ছে না।

    উনি ভালই করছেন। তুমি তো পুরোহিত?

    হ্যাঁ। আমার বাবাও এই কাজ করত।

    তোমার ছেলেমেয়েরা কোথায়?

    কেউ নেই। আমার ছেলেমেয়ে নেই।

    যে রাত্রে মন্দির থেকে চুরি হল সে রাতে তুমি ওখানে ছিলে? লোকটি চট করে মাথা নামিয়ে নিল।

    অর্জুন বলল, সবাই বলছে তুমি ছিলে। ভোরবেলায় তুমি অসুস্থ হয়ে পড়ে। তারপরই জ্বর আসে ঠিক তো?

    লোকটা মাথা নেড়ে হ্যাঁ বলল।

    তুমি কি রোজ মন্দিরে থাকতে?

    না।

    তা হলে সেদিন ছিলে কেন?

    আমি একটা স্বপ্ন দেখেছিলাম। স্বপ্নটা কী মনে নেই। ঘুম ভেঙে যাওয়ার পর খুব খারাপ লাগছিল। বউকে বললাম মন্দির থেকে ঘুরে আসি। তাতে মন ভাল হয়ে যাবে। তাই মন্দিরে গিয়েছিলাম।

    তখন কটা বাজে?

    এখানে সময় কেউ বলতে পারবে না। তবে রাত শেষ হতে বেশি দেরি ছিল না। চাঁদ আকাশের অনেক নীচে নেমে গিয়েছিল।

    তখন মন্দিরে কেউ ছিল?

    না।

    মন্দিরের দরজা বন্ধ ছিল?

    হ্যাঁ। আমি গিয়ে খুলি।

    তারপর?

    মন্দিরে প্রদীপ জ্বলছিল। আমি চুপচাপ বসে ছিলাম। হঠাৎ মনে হল। বাইরে কিছু নড়ছে। তাকিয়ে দেখি ওই শয়তানের পাথরটার ওপর হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে একটা ভয়ংকর ভূত আমার দিকে তাকিয়ে আছে। দেখে আমার শরীর কাঁপতে লাগল। মাথা ঘুরতে লাগল, পেটে যন্ত্রণা শুরু হল। আমি চিৎকার করতে গেলাম কিন্তু কোনও শব্দ বের হল না। এইসময় ভূতটা আমার দিকে এগিয়ে এল। আমি আর কিছু মনে করতে পারছি না। ওঃ! লোকটার শরীর আবার কেঁপে উঠল।

    তুমি কি জানো মন্দির থেকে পবিত্র মাথা আর চামড়া চুরি গিয়েছে?

    আমাকে বউ বলেছে।

    কে চুরি করেছে জানো?

    আমি জানি না। সত্যি বলছি জানি না।

    ভয়ংকর ভূতটাকে দেখতে কেমন?

    লোকটা চোখ বন্ধ করল, লম্বা, বিশাল চেহারা, মুখটা বীভৎস। গায়ে লম্বা লোম ছিল। হেঁটে আসছিল পাহাড়টাকে আড়াল করে।

    কোনও কথা বলেছে?

    না। বললেও আমি শুনিনি। আমার কোনও হুঁশ ছিল না।

    বাইরে বেরিয়ে এসে অর্জুন দোভাষীকে বলল, ওকে যদি বাঁচাতে চাও তা হলে এখনই হাসপাতালে নিয়ে যাও।

    কেন? ও তো ভাল হয়ে গেছে! দোভাষী অবাক!

    এটা খুব সাময়িক। সেই রাত্রে ও মনে ধাক্কা খেয়েছিল। হয়তো সেই কারণে বুকের রোগ হতে পারে। ওর পেটে যে ব্যথা আছে তা এতদিন চাপা ছিল বলে নিজেই টের পায়নি। এখন এইসব বড় হয়ে উঠবে।

    কিন্তু হাসপাতাল তো অনেকদূরে।

    নিয়ে যাওয়া যাবে না?

    ওখানে নিয়ে যেতে বাহকদের যে টাকা দিতে হবে তা পুরোহিতের নেই। যদি সত্যি হয় তোমার কথা তা হলে ওর এখানেই মরে যাওয়া উচিত, তাতে ও শাস্তি পাবে।

    বুঝতে পারছি। যদি আমাদের হেলিকপটার এর মধ্যে আমাদের ক্যাম্পে আসে তা হলে ওকে কাঠমপুর হাসপাতালে পাঠাতে পারি। এতে নিশ্চয়ই তোমরা আপত্তি করবে না?

    ওখানে একা গেলে ও মরে যাবে। কথা বলার লোকই পাবে না।

    পাবে। তোমাদের গ্রামের একটা ছেলে ওখানকার ডাক্তার। অর্জুন বলল, সে ওর দেখাশোনা করবে।

    দোভাষীর মুখ দেখে বোঝা যাচ্ছিল সে প্রস্তাবটা পছন্দ করছে না। বলল, এই ব্যাপারটা নিয়ে সবার সঙ্গে কথা বলে তোমাকে জানাব।

    মন্দিরের কাছে পৌঁছে অর্জুন জিজ্ঞেস করল, তোমরা তো এখানে জন্মেছ। যে-কোনও কাজে কোথাও যেতে হলে বরফের ওপর দিয়ে যেতে হয়। তুমি কখনও তুষার-ভালুক দেখেছ?

    অনেকবার দেখেছি। কতবার দেখেছি মনে নেই।

    ওরা এখানে আসে?

    একসময় ওরা খুব জ্বালাত। ফসল নষ্ট করে দিত। ওপরের পাহাড়ে ভুট্টা যখন পাকত তখন হামলা করত। আমরা ওদের সঙ্গে পেরে উঠতাম না।

    তারপর?

    আমরা লক্ষ করেছিলাম ওরা মানুষকে খুব নকল করে। দূর থেকে কোনও মানুষকে হাঁটতে দেখলেই ওরা পেছনের দুই পায়ের ওপর ভর রেখে হেঁটে চলে। ওই যে ডানদিকের বরফের পাহাড়ের ওপাশে ওদের ডেরা। ভুলেও কেউ ওদিকে যাই না। একবার আমরা বিকেলের দিকে ওই পাহাড়ের নীচে গেলাম দল বেঁধে। একটা বড় পাত্রে জল রেখে দুটো দলে আলাদা হয়ে নিজেদের মধ্যে মারপিট করতে লাগলাম। পুরোটাই ছিল অভিনয়। মার খেয়ে যে মাটিতে পড়ে যাচ্ছিল সে-ও সেটা অভিনয় করেই করছিল। তারপর সবাই ওই পাত্রে মুখ লাগিয়ে চুমুক দিয়ে জল খেয়ে নিল। আমরা জানতাম ওরা নিশ্চয়ই আড়াল থেকে আমাদের লক্ষ করছে। চলে আসার আগে ওই জলের সঙ্গে খুব কড়া মদ মিশিয়ে দিলাম। ওরকম মদ একপাত্র খেলে মানুষ একদিনরাত ঘুমিয়ে থাকবে। ওখান থেকে সরে এসে আড়ালে দাঁড়িয়ে আমরা লক্ষ করছিলাম। সেদিন ছিল চাঁদের রাত। তাই অন্ধকার নামল না। জ্যোৎস্নায় ওপর থেকে নেমে এল গোটাচারেক ভালুক। আমরা যেখানে যুদ্ধ করেছিলাম সেখানে দাঁড়িয়ে নিজেদের মধ্যে মারপিট শুরু করে দিল ওরা। একেবারে হুবহু নকল করছিল ওরা। তারপর ক্লান্ত হলে আমাদের মতো পাত্রে মুখ ড়ুবিয়ে পান করতে লাগল একের পর এক। কিছুক্ষণ বাদে দেখলাম ওরা টলছে এবং শেষ পর্যন্ত মাটিতে পড়ে গেল। আমরা তখন ছুটে গিয়ে নেশায় অজ্ঞান হওয়া ভালুকদের মেরে ফেললাম। ওদের চামড়া খুব কাজে লেগেছিল। দুদিন ধরে মাংস খেয়েছিল গোটা গ্রাম। তারপর থেকে ওরা আর ঝামেলা করেনি।

    ঘটনাটাকে অবিশ্বাস্য মনে হলেও অর্জুন কিছু বলল না। দোভাষী যে পাহাড়টাকে তুষার-ভালুকের এলাকা বলে দেখিয়েছিল সেদিকটা ভালভাবে দেখে রাখল।

    সন্ধের আগেই ক্যাম্পে ফিরে এল অর্জুন।

    ক্যাম্পের খবর ভাল। অভিযাত্রীদের একটা দল পায়ের চিহ্ন দেখে অন্তত আধ মাইল দূরে তুষার-ভালুকদের একটা দলকে দেখতে পেয়েছে। ডানা টেলিফোটোতে তার ছবি তুলেছে। কিন্তু মুভি ক্যামেরায় সেই ছবি ওঠেনি, ওঠার কথাও নয়। স্টিল ছবি কাঠমণ্ডতে না পাঠালে প্রিন্ট হবে না। দ্বিতীয় দিনেই এই সাফল্যে সকলে খুব খুশি। সকলে এই নিয়ে কথা বলছিল। অর্জুন

    তাঁবুতে ফিরে চেয়ারে বসতেই জুডি এল, লোকটার কাছে গিয়েছিলে?

    হ্যাঁ। এখন কথা বলছে, উঠে বসেছে।

    কিন্তু…।

    আমি বলেছি আজও, ওরা হসপিটালে নিয়ে যেতে চাইছে না। আচ্ছা, এমন হতে পারে না, কোনও কিছু দেখে শক পেয়েছে লোকটা। আর তা থেকে অসুস্থ হয়ে পড়েছে, জ্বর এসেছিল। অর্জুন জানতে চাইল।

    হতে পারে। কিন্তু ওর পেটে যে ব্যথা আছে সেটার পরীক্ষা হওয়া উচিত। জুড়ি বেরিয়ে গেল।

    একটু বাদে জন এলে অর্জুন আজকের ঘটনাটা জানাল। জন বললেন, হেলিকপটারে লোকটাকে কাঠমণ্ডর হাসপাতালে পাঠাতে তাঁর আপত্তি নেই। তারপর জিজ্ঞেস করলেন, পুরোহিত লোকটার কথা কি বিশ্বাস করছ?

    না করার তো কিছু নেই।

    ও যা বর্ণনা দিয়েছে বলছ, সেরকম প্রাণী তো গোরিলা জাতীয় কিছুর সঙ্গে মিলছে। ঠাণ্ডার ধারেকাছে গোরিলা থাকে না বলে শুনেছি। এই অঞ্চলে তো নয়ই। মনে হচ্ছে লোকটা ভুল দেখেছে।

    আমারও তাই মনে হয়েছে। তবে যাই দেখুক, লোকটা খুব ভয় পেয়েছে। আর সেই রাতের আগন্তুকই জিনিসগুলো চুরি করেছে।

    তাই মনে হচ্ছে। কিন্তু ওর পরিচয় কী?

    আমাদের আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। অর্জুন বলল, আচ্ছা, বলুন তো, আপনার এই দুদিন কোনদিকে গিয়েছিলেন?

    জন একটা ম্যাপ দেখালেন। এটা কোনও ছাপা ম্যাপ নয়। এখানে আসার পর জন নিজেই ম্যাপটা তৈরি করেছেন।

    অর্জুন ম্যাপটা দেখল। তারপর উলটোদিকের একটা অংশ দেখাল, আমার মনে হয় এই অঞ্চলে গেলে ওদের দেখা পেয়ে যাবেন।

    কেউ তোমাকে বলেছে?

    হ্যাঁ। গ্রামে যে লোকটা দোভাষীর কাজ করছে সে বলছিল।

    হুম। ঠিক আছে।

    গতরাত্রে পাহারা দেওয়ার সময় আমরা কয়েকটা শেয়ালকে দেখেছি। আর একটা বড় প্রাণীর গর্জন শোনামাত্র তারা পালিয়েছিল। আওয়াজটা এসেছিল ওইদিক থেকে। তাই বলছিলাম, শেরপাদের রাজি করিয়ে রাত্রে ওদিকে যাওয়া যায় না?

    দেখলে তো, শেরপারা রাজি হয়নি। জন গম্ভীর গলায় বললেন।

     

    মাঝরাত্রে ঘুম ভেঙে গেল অর্জুনের। কী কাণ্ড, শেয়াল ডাকছে। এই বরফের রাজ্যে কয়েকটা শেয়াল পরিত্রাহি চিৎকার করে চলেছে। গতরাত্রে ঠাণ্ডা কী তা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছিল। এখন এই স্লিপিং ব্যাগের আরাম থেকে বেরোতে মোটেই ইচ্ছে করছিল না। তাঁবুর ভেতর কোনও আলো নেই। কিন্তু অর্জুনের মনে হল শেয়ালরা মিছিমিছি ডাকবে কেন? ওদের তো গলা সাধার কোনও দায় নেই।

    অন্ধকারে পাশের ঘুমন্ত বিছানা থেকে জনের গলা ভেসে এল, তুমি কি শেয়ালের ভাষা বুঝতে পারো?

    না। অর্জুন হাসল।

    তা হলে চলো, বাইরে বেরিয়ে দেখা যাক।

    কৌতূহল যে হচ্ছিল না তা নয়, কিন্তু শীতের কথা ভেবে উদ্যোগ নেয়নি অর্জুন। এবার স্লিপিং ব্যাগ থেকে বের হয়ে যাবতীয় পোশাক এবং জুতো-মোজা পরে নিল অন্ধকারেই জনের গলা শুনতে পেল, রেডি?

    হ্যাঁ।

    তাঁবুর বাইরে অদ্ভুত দৃশ্য। আজকের জ্যোৎস্না গতরাতের চেয়েও জোরালো। কী চকচকে দেখাচ্ছে পৃথিবীটাকে। বরফের ওপর জ্যোৎস্না পড়ায় একটা হলদে আলো ছিটকে উঠেছে। আজ রাত্রে যারা পাহারায় ছিল তারা এগিয়ে এল।

    জন জিজ্ঞেস করলেন, কিছু দেখেছ?

    ফ্রেমিং বললেন, তেমন কিছু নয়। কয়েকটা শেয়াল অনেকক্ষণ থেকে ঘুরঘুর করছিল আশপাশে। হঠাৎই ওরা দূরে চলে গিয়ে এইভাবে ডাকাডাকি করছে। জন অর্জুনকে বললেন, ডানাকে ঘুম থেকে তোলা যায় কিনা দ্যাখো তো।

    মেয়েটা যে এমন ঘুমকাতুরে, তা জানতে পারল অর্জুন। ক্যাম্পের সবাই যখন জেগে গিয়েছে তখনও ওর সাড়া নেই। শেষপর্যন্ত জুড়ি ওর ঘুম ভাঙাল। পোশাক পরে বাইরে এসে অর্জুনকে দেখে ডানা হাসল, কী ব্যাপার? যুদ্ধ হচ্ছে নাকি?

    জন জিজ্ঞেস করলেন, ডানা, তাকিয়ে দ্যাখো তো, এই আলোয় ছবি তুলতে পারবে?

    ডানা চারপাশে ঘুরে দেখল। তারপর বলল, বেটাতে তুলতে পারব। অবশ্য কতটা ভাল হবে তা বলতে পারছি না।

    ফিল্ম উঠবে না?

    না। ভিডিওতেই তুলতে হবে।

    গো। গেট রেডি। কুইক।

    মিনিট পাঁচেকের মধ্যে ওরা তৈরি হয়ে নিয়ে বেরিয়ে পড়ল। শেরপাদের নিয়ে পুরো দলটা। শুধু জুডি আর অর্জুনকে কেউ কিছু বলল না। অর্জুনের খারাপ লাগছিল। জনসাহেব তাকে সঙ্গে যাওয়ার কথা বলতে পারতেন।

    প্রায় জনশূন্য ক্যাম্পে জুড়ি অর্জুনের পাশে এসে বলল, এইসময় আমার খুব খারাপ লাগে। আমার যেন কোনও প্রয়োজনই নেই।

    তুমি তো অভিযাত্রী নও, তাদের ডাক্তার। কিন্তু আমি ভাবছি ওরা ওইদিকে গেল কেন? অর্জুন হাত তুলল।

    কারণ ওইদিক থেকে শেয়ালের ডাক ভেসে আসছিল।

    অর্জুন মাথা নাড়ল। তারপর বলল, চলো, একটু হেঁটে আসি।

    সানন্দে। জুডি খুশি হল।

    হাঁটতে-হাঁটতে জুড়ি বলল, এখানে খুব ভাল স্কেটিং করা যায়। কীরকম স্বপ্ন-স্বপ্ন মনে হচ্ছে, তাই না?

    অর্জুনের হাতে স্টিক ছিল। প্রতিটি পা বাড়াবার আগে সে সামনের বরফ পরীক্ষা করে নিচ্ছিল। সে কিছু বলল না।

    জুডি জিজ্ঞেস করল, আমরা উলটোদিকে যাচ্ছি, না?

    হ্যাঁ। দোভাষী বলেছিল ওই বরফের পাহাড়ের দিকে তুষার-ভালুকদের দেখতে পাওয়া যাবে। আমি জনকে বলেছি, কিন্তু তিনি…।

    আমার মনে হয়, এবার ফেরা উচিত। জুডি বাধা দিল। কেন?

    আমাদের সঙ্গে কোনও অস্ত্র নেই। আর শেয়ালগুলো হঠাৎ চুপ করে গিয়েছে। গতরাত্রে ওদের একটার দাঁত দেখেছি আমি। ভালুকের বদলে

    শেয়ালও যদি আমাদের আক্রমণ করে তা হলে, বুঝতেই পারছ।

    অর্জুন বলল, আমার মনে হয় তুমি একাই ফিরে যেতে পারবে।

    তুমি?

    আমি আর একটু দেখতে চাই।

    অগত্যা জুড়ি কাঁধ নাচাল, তোমাকে একা ছাড়তে খারাপ লাগছে, বেশ, চলো।

    সূর্যকে মাথায় রেখে দিন চেনা যায়। কিন্তু চাঁদের বেলায় হিসেব গুলিয়ে যাচ্ছিল। অর্জুন দেখল গুঁড়ি গুঁড়ি তুষার গতকালের মতো নীচে নেমে আসছে না। অর্থাৎ আজ রাত্রে যদি প্রকৃতির মেজাজ পালটায় তা হলে পায়ের চিহ্ন থাকবে।

    গ্রামের কাছাকাছি এসে অর্জুন ডানদিকে ঘুরল। এখানে উঁচু-নিচু হয়ে বরফের ঢেউ চলে গিয়েছে পাহাড়ের বুক পর্যন্ত। এই পথেই সেই অজানা জন্তুটা হেঁটে গিয়েছিল। বারংবার পরীক্ষা করতে হচ্ছে বরফ। দু-দুবার ঘুরে যেতে হয়েছে আলগা বরফ সামনে থাকায়। দুই ঢিপির মাঝখানে দাঁড়িয়ে ওরা আকাশ ছাড়া কিছু দেখতে পেল না। কী মসৃণভাবে বরফের ঢিপি তৈরি হয়েছে। একমাত্র পায়ের চিহ্ন ছাড়া পৃথিবীর চেনা পরিবেশে ফিরে যাওয়ার কোনও উপায় নেই।

    অর্জুন বুঝতে পারছিল একটু বেশি ঝুঁকি নেওয়া হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ফিরে যেতেও ইচ্ছে করছিল না। ঠিক তখনই গর্জন কানে এল। ভয়ংকর ক্রুদ্ধ না হলে এরকম গর্জন করা সম্ভব নয়। এবং ওই গর্জন ছোটখাটো জন্তুর পক্ষে করাও সম্ভব নয়। ওরা চারপাশের উঁচু বরফের দিকে তাকিয়ে কিছুই দেখতে পেল না। তা হলে নিশ্চয়ই যে গর্জন করছে সে তাদের দেখে করেনি। এবার গর্জনটার আওয়াজ আরও বেড়ে গেল। একটি নয়, একাধিক জন্তু রাগ দেখাচ্ছে। অর্জুন ধীরে-ধীরে ওপরে উঠছিল। হঠাৎ তার ডান পা বরফের মধ্যে ঢুকে গেল। উত্তেজনায় পরীক্ষা করতে ভুলে গিয়েছিল। অনেক চেষ্টা করে নিজেকে মুক্ত করতে পারল সে। জুড়ি চাপা গলায় বলল, লেটস গো ব্যাক। অর্জুন ওই স্বরে বলল, জাস্ট ওপরে উঠে চারপাশে নজর বুলিয়ে ফিরে যাব।

    ধীরে ধীরে ওরা উঁচু টিলার ওপর যেতেই অর্জুন বসে পড়ল এবং জুড়িকে জোর করে টেনে বসাল। চোখের সামনে অদ্ভুত দৃশ্য। টিলা থেকে নেমে যাওয়া বরফের উপত্যকায় দুটি বিশাল চেহারার ভালুক পরস্পরের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে গর্জন করছে। কিছুটা দূরে একটি ভালুক নিরীহ মনে বসে আছে। একেবারে মানুষের ভঙ্গিতে দুজন এগিয়ে গেল পরস্পরের দিকে। তারপর ফ্রিস্টাইল কুস্তি শুরু হয়ে গেল। যে বসে আছে সে ওসব লক্ষ না করে পাশ থেকে কিছু একটা টেনে নিল। লড়াই থেকে চোখ সরিয়ে অর্জুন দেখল জটির হাতে বলের চেয়ে বড় একটা জিনিস।

    কিছুক্ষণ লড়াই করার পর একটা জন্তু যে আহত হয়েছে বোঝা গেল তার কানফাটানো চিৎকারে। তারপর সে খোঁড়াতে-খোঁড়াতে দৌড়ে গেল ওপাশের পাহাড়ের দিকে। বিজয়ী ভালুক আনন্দে বরফের ওপর একবার গড়াগড়ি দিয়ে নিতেই দর্শক উঠে দাঁড়াল। তারপর হাতের বস্তুটি ছুড়ে দিল বিজয়ীর দিকে। সেটা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পাশে পড়ল। এবার বিজয়ী এসে আলিঙ্গন করল দর্শককে। তারপর দুজনে চারপায়ে হেঁটে চলে গেল ওপাশে।

    মিনিটপাঁচেক চুপচাপ বসে রইল ওরা। চারপাশে কোনও শব্দ নেই। অর্জুন দেখল দর্শক ভালুকের ছুড়ে দেওয়া বস্তুটি পড়ে আছে তখনও। ওটা পাথর বা কাঠ নয়। তা হলে কী? জুডিকে সেখানে বসেই লক্ষ রাখতে বলে সে নামতে লাগল। সে যখন নীচে নেমে এসেছে তখন ওপর থেকে জুভি চেঁচিয়ে সাবধান করল। অর্জুন দেখল সেই আহত ভালুকটা আবার ফিরে এসেছে। তার শরীর থেকে রক্ত ঝরছে। তাকে দেখেও কিছু না বলে ভালুকটা এগিয়ে যাচ্ছিল বস্তুটির দিকে।

    অর্জুন দ্রুত একটা বরফের চাঙড় তুলে ছুড়ে মারল ভালুকটার দিকে। সেটা গিয়ে লাগল ঠিক মাথায়। অন্য সময় হলে নিশ্চয়ই সে ছুটে আসত, ছিঁড়ে ফেলত অর্জুনকে। কিন্তু এখন কাতর চোখে তাকাল। অর্জুন দ্বিতীয়বার আঘাত করতেই সে ঘুরে দাঁড়াল। তারপর ধীরে ধীরে ফিরে গেল যেদিক থেকে এসেছিল সেইদিকে। অর্জুন দৌড়ে গিয়ে বস্তুটি তুলে নিল। তারপর যতটা সম্ভব জোরে উঠে এল ওপরে। এসে বলল, লেটুস গো।

    জুডি জিজ্ঞেস করল, ওটা কী?

    বুঝতে পারছি না। এটা কোনও কিছুর মাথা। তারপরেই খেয়াল হল। হতেই সে হুররে বলে চিৎকার করে উঠল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৬ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }