Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প731 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. ভ্যানের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল মাধব

    ভ্যানের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল মাধব। ঠিক গুরুং-এর দোকানের সামনেই সে ভ্যানটাকে দাঁড় করিয়ে রেখেছে। এতক্ষণ আটকে থাকায় ভ্যানের যাত্রীরা এবার চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেছে। জিপটাকে পাশে আনতেই মাধব এগিয়ে এল, আধ কিলোমিটার নেমে বাঁ দিকের কাঁচা রাস্তা ধরে গেলে সিংলা পড়বে! এবার আমি যাই দাদা?

    ঠিক আছে। খামটা ছেড়া দেখে কিছু বলেনি?

    আমার হাত থেকে নিয়ে টেবিলে রেখে দিল বুড়ো। ভাল করে দেখল না পর্যন্ত। চলিঃ দ্রুত ভ্যানে উঠে নেমে গেল মাধব।

    ঘড়ি দেখল অর্জুন। আড়াইটে বেজে গেছে। এইসব পাহাড়ে দিন শেষ হয় খুব তাড়াতাড়ি। সে ড্রাইভারকে একটু জোরে চালাতে অনুরোধ করল। পুলিশের ড্রাইভারকে এরকম অনুরোধ করলে কী হয় তা হাড়ে হাড়ে টের পেল অর্জুন। ঝড়ের বেগে গাড়ি ছুটছিল, এই গাছটা সামনে চলে আসছে, এই সরে যাচ্ছে। আধ কিলোমিটার পথ ফুড়ুত করে ফুরিয়ে যেতেই অর্জুন চিৎকার করে বলল, এবার বাঁ দিকের রাস্তা ধরে আস্তে চলুন।

    মিস্টার থাপা বললেন, জেরক্সের পেছনে ওই লেখাটা তো অন্য কোনও কারণেও লেখা হতে পারে। তাই না?

    ঠিকই। কিন্তু আমাদের কাছে কোনও তথ্য নেই, ওরা কোথায় গেল তাও জানতে পারছি না। সিংলা বলে যখন একটা জায়গা আছে তখন তার বাংলোটা দেখে আসা যাক।

    এই সময় পেছনে বসা একটি সেপাই জানাল, খানিকটা দূরে আর-একটা গাড়ি আসছে। এই রাস্তা পাকা নয়। বেশ সরু এবং পাহাড়ের গা ঘেঁষে চলেছে। দুটো বড় গাড়ি পাশাপাশি হলে অনেক জায়গায় আটকে যাবে। অর্জুন তেমন একটা জায়গায় পৌঁছে বলল, এখানে দাঁড়িয়ে যান। পেছনের গাড়ির লোকদের একটু দেখুন মিস্টার থাপা।

    মিনিটখানেকের মধ্যে পেছন থেকে হর্নের আওয়াজ ভেসে এল। খুব তাড়া থাকলে লোকে ওইভাবে হর্ন বাজায়।

    অর্জুন বলল, আমি নামব না। আপনারাই দেখুন।

    কিন্তু তার আগেই পেছনের গাড়ির আরোহী নেমে এসে বেশ কর্কশ গলায় গাড়ি সরাতে বলছে। একজন সেপাই জবাব দিল, পুলিশের গাড়ি দেখছেন না?

    পুলিশের গাড়ি বলে কিনে নিয়েছ নাকি? এটা পাহাড়, শিলিগুড়ি নয়। এই জিপ তো শিলিগুড়ির।

    মিস্টার থাপা নেমে দাঁড়ালেন। হ্যাঁ শিলিগুড়ির।

    ও, আপনি! এখানে আপনাকে দেখতে পাব ভাবিনি।

    আপনি এখানে কী করছেন?

    এই একটু পারিবারিক কাজে যাচ্ছিলাম।

    অর্জুন বুঝতে পারল গলাটা মানাভাইয়ের। জিপের সামনের সিটে বসে থাকায় সে লোকটাকে দেখতে পাচ্ছিল না। কিন্তু লোকটা এখানে এসেছে যখন, তখন নিশ্চয়ই দেরি করে এসেছে। জেরক্সের পেছনে লেখা ছিল আড়াইটে।

    সার। গাড়িটা একটু সরালে আমরা বেরিয়ে যেতে পারি।

    আপনি তো সিংলা বাংলোয় যাচ্ছেন?

    না, মানে, আপনি..!

    আপনার কোনও চিন্তা নেই, আমরাও সেখানে যাচ্ছি।

    না, না, আমি এক রিলেটিভের বাড়িতে যাচ্ছি।

    ইতিমধ্যে ড্রাইভার দু-তিনবার ইচ্ছে করে ফস স্টার্ট দিচ্ছিল। শব্দ করে থেমে যাচ্ছিল এঞ্জিন। এবার অর্জুনের ইঙ্গিতে এঞ্জিন চালু করল। মিস্টার থাপা বললেন, ওই যে, গাড়ি ঠিক হয়ে গেছে। এদিকটায় আমি কখনও আসিনি। আপনি আসুন না আমার সঙ্গে! আপনার রিলেটিভের বাড়িতে নামিয়ে দেব। আপনার ড্রাইভারকে বলুন ফলো করতে। আসুন।

    জিপের পাশে পৌঁছে অর্জুনের দিকে অর্থবহ হাসি ছুড়ে মিস্টার থাপা ডাকলেন, জলদি।এবার অর্জুন মানাভাইকে দেখতে পেল। লোকটা যদি ভূত দেখত তা হলেও এত অবাক হত না। কিন্তু দ্রুত নিজেকে সামলে নিল সে, অর্জুনের পাশে উঠে বসল গম্ভীর মুখে। এই জিপে ড্রাইভারের পাশে দুজন স্বাভাবিকভাবে বসতে পারে, তিনজন হওয়ায় মিস্টার থাপাকে একটু বেকায়দায় বসতে হয়েছিল। জিপ চলতে শুরু করলে মিস্টার থাপা বললেন, সিংলা বাংলোটা কোথায় বলে দেবেন।

    অর্জুন শুনল, এই লোকটা যে পুলিশের চর তা যদি আগে বুঝতাম! শালা ভাই একে চেনে।ওর হচ্ছে। এরা সিংলা বাংলার খবর পেল কী করে? ওখানে

    নিশ্চয়ই বস্ আমার জন্যে অপেক্ষা করছে। গাড়িটা যদি রাস্তায় খারাপ না হত তা হলে অনেক আগে পৌঁছে যেতাম।

    অর্জুন হাসল শব্দ করে।

    লোকটা রাগী চোখে তাকাল। অর্জুন শুনল, এ ব্যাটা হাসছে কেন?

    অর্জুন বলল, গাড়ির কথা কেউ বলতে পারে। কিন্তু কখন খারাপ হবে তা কেউ জানে না। আড়াইটের মধ্যে পৌঁছতে হলে আপনার উচিত ছিল অনেক আগে রওনা হওয়া। তাই না মানাভাই।

    আপনি কে বলুন তো?

    থটরিডার। আপনি যা ভাববেন আমি তা বলে দেব।

    আমি এখন থেকে কিছুই ভাবব না। অর্জুন শুনতে পেল।

    সে হাসল, তা কি হয়? আজ সকালে ট্রেনে যে ডাকাতিটা হল তা নিয়ে আপনাকে ভাবতে হবে না? হারাধন যে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে সেটা নিয়ে ভাববেন না?

    হতভম্ব হয়ে গেল মানাভাই। অর্জুন শুনল, এ ব্যাটা সব জেনে গেল কী করে?

    জানতে ইচ্ছে করলে জানা যায়। অর্জুন বলতেই মানাভাই চিৎকার করে উঠল, আমি নেমে যাব। এই লোকটা যা ইচ্ছে আমার নামে বলছে।

    মনে মনে আপনি ঠিক উলটো ভাবছেন।

    মানাভাই মাথা নামাতেই অর্জুন মিস্টার থাপাকে বলল, ও ভাবছে কখনওই আমাদের সিংলা বাংলোতে নিয়ে যাবে না।

    আমি মরে যাব, আমাকে মেরে ফেলবে। আর্তনাদ করে উঠল লোকটা।

    হঠাৎ মিস্টার থাপার গলার স্বর বদলে গেল, না নিয়ে গেলে আমি আপনাকে মেরে ফেলব। অপরাধীদের মারতে আমার খুব ভাল লাগে।

    সার, আমাকে ছেড়ে দিন, আমি শিলিগুড়িতে ফিরে যাচ্ছি।

    অর্জুন মানাভাইয়ের হাঁটুতে হাত রাখল, ওই বেঁটে লোকটার নাম কী?

    কোন বেঁটে লোক?

    যাকে রিপোর্ট করতে আজ আপনি এসেছেন।

    আমি নাম জানি না। সবাই চিফ বলে, আমিও তাই বলি।

    মিস্টার থাপা, এই লোকটা মিথ্যে কথা বলছে।

    ঠিক আছে। ওঁর নাম এস কে গুরুং।

    দোকানদার গুরুংয়ের দাদা?

    না। উনি নেপাল থেকে এসেছেন।

    আপনার সঙ্গে আলাপ হল কী করে?

    আমি কাজ খুঁজছিলাম, উনি কাজ দিয়েছেন।

    এ-পর্যন্ত কটা ট্রেনডাকাতি করেছেন?

    আমি করিনি।

    যারা করেছে তাদের রিক্রুট তো আপনি করেছেন।

    অর্জুন শুনল, আর বলব না। অনেক বলে ফেলেছি।

    এই পথে মানুষ ছিল না এতক্ষণ। এবার এক বৃদ্ধকে দেখা গেল। মিস্টার থাপা জিপ থামিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলেন, সিংলা কতদূরে?

    আপনারা সিংলা পেরিয়ে এসেছেন।

    আচমকা খেপে গেলেন মিস্টার থাপা। জিপ থেকে মানাভাইকে প্রচণ্ড জোরে ঘুসি মারলেন; মানাভাই মাটিতে পড়ে গিয়ে আর্তনাদ করতেই পেছনে আসা ভ্যানটা মুখ ঘোরাতে চেষ্টা করল। মানাভাই চিৎকার করে ড্রাইভারকে নিষেধ করতে সে থেমে গেল। মাটি থেকে উঠে মানাভাই বলল, ঠিক আছে, যা বলবেন তাই করব।

    অর্জুন গাড়ি থেকে নেমে পড়ল। ভ্যানের ড্রাইভারকে জিপে নিয়ে আসা হল। মানাভাইকে নিয়ে ওরা ভ্যানে উঠল। মিস্টার থাপা ড্রাইভিং সিটে বসলেন। দুটো গাড়ি মুখ ঘোরাল। জিপের ড্রাইভারকে বলা হল ইশারা করা মাত্র থেমে যেতে।

    মিনিট দশেক যাওয়ার পর মানাভাই বলল, এই জায়গার নাম সিংলা।

    অর্জুন বলল, এবার আপনি সত্যি কথা বলেছেন।

    কী করে বুঝলেন?

    কারণ উলটোপালটা ভাবেননি। বাংলোটা কোথায়?

    ডান দিকের রাস্তায়। বাঁক নিলেই দেখা যাবে।

    গাড়ি থামল। অর্জুন নেমে জিপের কাছে গেল। ভ্যানের ড্রাইভার গম্ভীর মুখে। বসে ছিল। অর্জুন তাকে বলল, তুমি ওই ভ্যান ভাড়া খাটাও।

    হ্যাঁ। এসব ঝামেলা হবে জানলে কে আসত।

    মাধবকে চেনো?

    মাধব? আমার বন্ধু।

    বাঃ। শোনো, যদি প্রাণে বাঁচতে চাও, তা হলে জিপ থেকে নেমো না। তারপর সেপাইদের দিকে তাকিয়ে অর্জুন বলল, আপনারা এখানেই অপেক্ষা করুন। পনেরো মিনিটের মধ্যে না ফিরলে বাংলোর ভেতর যাবেন। সামনের বাঁক ঘুরলেই বাংলো।

    মিস্টার থাপা ধীরে ধীরে গাড়িটাকে নীচে নামিয়ে আনলেন। তাঁর পাশের সিটে বসে আছে মানাভাই, পেছনের সিটে যতটা সম্ভব নিজেকে আড়াল করে রেখেছিল অর্জুন। বাঁক ঘুরতেই বাংলোটাকে দেখা গেল। কাঠের বাড়ি। দোতলা। সামনে লন। দোতলার বারান্দায় দুজন লোক বসে আছে। তাদের একজন চিৎকার করে উঠে দাঁড়াল, এতক্ষণে আসার সময় হল? চিফ তোমাকে কখন রিপোর্ট করতে বলেছিল?

    মানাভাই জানলা দিয়ে মুখ বাড়িয়ে বলল, গাড়ি খারাপ হয়ে গিয়েছিল। আমার কিছু করার ছিল না।

    অর্জুন বুঝল, দোতলার লোকটা গুরুং। কিন্তু সে যদি ড্রাইভারকে দেখতে পায় তা হলে স্পষ্ট চিনে ফেলবে। ভাগ্যিস ভ্যানের ড্রাইভারের দিকটা বাংলোর উলটো দিকে পড়েছে। অর্জুন চাপা গলায় বলল, আপনি নামবেন না। বলুন পায়ে চোট পেয়েছেন, হাঁটতে পারছেন না।

    কী হল? নামছ না কেন? গুরুং চিৎকার করল ওপর থেকে।

    হাঁটতে পারছি না। পায়ে চোট।

    গুরুং মুখ ঘুরিয়ে কিছু বলল। এবার বারান্দায় রেলিং-এর ঠিক ওপরে দ্বিতীয় লোকটির মুখ দেখা গেল। সেই বেঁটে লোকটা। কোনও মানুষের মুখ যে এত কদর্য হতে পারে, তা ভাবা যায় না।

    কী করে চোট পেলে? গুরুং জিজ্ঞেস করল।

    বললাম না গাড়ি খারাপ হয়ে গিয়েছিল অ্যাকসিডেন্টে, তখনই চোট পাই। ডাক্তার পর্যন্ত দেখাতে পারিনি। মানাভাই জবাব দিল।

    চোট পেলে না নামাই ভাল। সেটা আরও খারাপ হবে। গমগম করল কণ্ঠস্বর। ওই বেঁটে মানুষের শরীর থেকে এত জোরে শব্দ বেরুতে পারে না শুনলে বিশ্বাস করা যাবে না। তারপর ধীরে ধীরে সিঁড়ির ওপর এসে দাঁড়াল লোকটা। বেঁটে, গালি দেওয়া প্যান্ট, মাথায় টুপি এবং মুখে চুরুট। চোখে সরু ফ্রেমের চশমা। লোকটা বলল, রিপোর্ট?

    আজ আমাদের কেউ ধরা পড়েনি। তবে পাঁচজন প্যাসেঞ্জার উল্ডেড হয়েছে। ছেলেরা বাধ্য হয়েছে ওটা করতে।

    ভুল। উড়ে নয়। চারজন মারা গেছে।

    আমি খবর পাইনি সার।

    তুমি আজকাল গাফিলতি করছ মানাভাই। আমি এখানে বসে যে খবর পাই, তুমি শিলিগুড়িতে থেকে তা পাও না। কত টাকার জিনিস?

    এখনও কাউন্ট করিনি। আনুয়াবাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছি।

    এটাও ঠিক নয়। হিসেব তোমার রাখা দরকার। আজ মাত্র পঁচিশ হাজার এনেছে ছেলেরা। এত কম টাকার জন্যে চার্জ করা বোকামি। মালদা থেকে যে তোমাকে খবরটা দিয়েছে তাকে আর দরকার নেই।

    ঠিক আছে।

    গাড়িটা কার?

    ভাড়া গাড়ি।

    ড্রাইভার?

    বিশ্বাসী।

    এখন থেকে নিজে গাড়ি চালাবে। সাক্ষী সঙ্গে রেখে ঘোরা আমি পছন্দ করি না। আরও দুপা নেমে এল বেঁটে লোকটা, গুরুং, ওদের আনো।

     

    একটু পরেই নীচের ঘরের দরজা খুলে ছজন ছেলেকে বাইরে বের করে আনা হল। ওদের সঙ্গে ছজন লবান মানুষ ছিল। দুজনের হাত পেছন দিক করে বাঁধা।

    ওদের আলাদা করে দাও।

    গুরুং নেমে এসেছিল নীচে। হারাধন আর বিশ্বনাথকে দল থেকে সরিয়ে একটা বিশাল গর্তের কাছে নিয়ে যাওয়া হল। যে মাটি খুঁড়ে গর্ত করা হয়েছে সেই মাটি পাশেই স্থূপ করা। পেছনে হাত থাকায় ওদের অসহায় দেখাচ্ছিল।

    এই দুটো ছেলেকে পুলিশ অ্যারেস্ট করেছিল। কেন করেছিল? না, একজন যে ডাকাতি করেছে সেই প্রমাণ ট্রেনে রেখে এসেছিল। তার সূত্র ধরে ওর বাড়িতে সেই রাত্রে দুজন হানা দিয়েছিল, যারা পুলিশ নয়। খবরটা যদিও সে আমাদের কাছে ঠিক পৌঁছে দিয়েছিল কিন্তু লোক দুজনকে ওদের ঠিকানায় পাওয়া যায়নি। অতএব সাক্ষী থেকেই গেল। পুলিশ ওকে পরদিন ধরল। ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় দ্বিতীয়জনকেও তুলে নিল। কিন্তু পুলিশ কী করল? এই দ্বিতীয়জনকে মারল। বরং দুজনকেই আদর করে সেদিনই জামিন দিয়ে দিল। কেন দিল? যেখানে পুলিশ ডাকাতের সন্ধানে মরিয়া সেখানে তাদের দুজনকে হাতে পেয়েও কোন কারণে ছেড়ে দিতে পারে? আমি এই প্রশ্নের জবাব ওই ছজনের কাছে জানতে চাইছি।

    বিশ্বনাথ মাথা নাড়ল, আমি কিছু বলিনি। জলপাইগুড়িতে নিয়ে যাওয়ার পর ওকেই পুলিশ বারংবার জেরা করেছে।

    তাই। কিন্তু তোমাকে নিয়ে যাওয়ার সময় ওকে ধরল কী করে?

    ওদের সঙ্গে একটা লোক ছিল, যে মনের কথা বুঝতে পারে।

    অ্যাঁ? হা হা করে হাসল বেটে লোকটা। হাসি যেন তার থামতেই চায় না।

    গুরুং শুনেছ? কী হে, তুমিও একই কথা বলবে নাকি?

    হারাধন মাথা নাড়ল, হ্যাঁ। বুঝতে পারে।

    অসম্ভব! চিৎকার করে উঠল লোকটা, একমাত্র মূর্খরাই এমন কথা বলতে পারে। এই বিজ্ঞানের যুগে একথা শোনাও অন্যায়। নিজেদের দোষ ঢাকতে তোমরা গল্প শোনাচ্ছ। বলতে বলতে লোকটা নেমে এল গাড়ির পাশে।

    হারাধন চিৎকার করল, আমি মিথ্যে কথা বলছি না।

    হঠাৎ অর্জুনের কানে এল, এই দুটোকে এবার মাটির তলায় পাঠানো যাক। বাক চারজন দৃশ্যটা দেখে সবাইকে বলবে বেইমানির শাস্তি কী!

    বিশ্বনাথ চেঁচাল, মানাভাই, ওঁকে একটু বলুন, চুপ করে থাকবেন না।

    অর্জুন শুনল মানাভাইয়ের গলা, পাগল।

    বেঁটে লোকটি দুবার গালিস ধরে টানল। ফত ফত করে শব্দ বাজল। অর্জুন স্পষ্ট শুনতে পেল, মানাভাই বাঁচাবে? ওরও তো সময় হয়ে এসেছে। তারপরেই চিৎকার শুনতে পেল, গুরুং, রেডি ফর অ্যাকশন।

    সঙ্গে সঙ্গে পায়ের আওয়াজ শুনতে পেল অর্জুন! সে বসে ছিল দুটো সিটের মাঝখানে পা রাখার জায়গায়। একেবারে গাড়ির মধ্যে ঝুঁকে না দেখলে তাকে কেউ দেখতে পাবে না। তার শরীরের পাশেই ভ্যানের দরজা, দরজার ওপাশে বেঁটে লোকটা দাঁড়িয়ে রয়েছে। অর্জুন শুনতে পেল বেঁটে লোকটা ভাবছে, ওদের জ্যান্ত কবর দেওয়াই ভাল।

    সে সঙ্গে সঙ্গে গম্ভীর গলায় জিজ্ঞেস করল, জ্যান্ত কবর দেওয়া ভাল কেন?

    বেঁটে লোকটা আপনমনে জবাব দিল, ভাল, কারণ এতে কোনও খরচ নেই।

    গুরুংয়ের গলা কানে এল, আপনি কার সঙ্গে কথা বলছেন?

    বেঁটে সজাগ হল, মানে?

    আপনি বললেন এতে কোনও খরচ নেই। কীসের খরচ বুঝলাম না?

    তুমি আমাকে জিজ্ঞেস করছ জ্যান্ত কবর দেওয়া ভাল কেন?

    না তো? আমি এইমাত্র এখানে এলাম।

    তা হলে নিশ্চয়ই মানা জিজ্ঞেস করেছে।

    সঙ্গে সঙ্গে মানা প্রতিবাদ করল, আমি? আমি জ্যান্ত কবরের কথা জানব কী করে যে জিজ্ঞেস করব?

    তাই তো! এটা কীরকম ব্যাপার হল?

    আপনি কি জ্যান্ত কবর দেওয়ার কথা ভেবেছেন?

    অ্যাঁ? হ্যাঁ। বোধ হয়।

    তা হলে সেই থটরিডার এখানেও এসে গিয়েছে। মানাভাই বলল।

    থটরিডার? বেঁটে লোকটার গলা ফাঁসফেসে শোনাল।

    ওই যে যার কথা ওই ছেলেগুলো এতক্ষণ বলছিল।

    বাজে কথা। মনের ভুল। ওদের গর্তে ফেলে দাও। তোমরা যারা দৃশ্যটা দেখছ, তারা মনে রেখো, তোমাদের দেখানোর জন্যে এইখানে নিয়ে আসা হয়েছে। বেইমানির শাস্তি কী তা তোমরা নিজের চোখে দ্যাখো। এর পরে ফিরে গিয়ে তোমাদের অন্য সহকর্মীদের এই গল্প শোনাবে। তোমরা যতদিন বিশ্বস্ত থাকবে ততদিন তোমাদের সমস্ত দায়িত্ব আমার। কিন্তু বেইমানি করলেই আমার চেয়ে নির্দয় পৃথিবীতে আর কাউকে পাবে না। তবে আমি এদের সুযোগ দিতে চাই। গুলি করে মেরে ফেলে না দিয়ে জ্যান্ত গর্তে ফেলব ওদের। ফেলে মাটি চাপা দিয়ে দেব। ওরা সুযোগ পাবে ওপরে উঠে আসার। যে নরম মাটি মাথার ওপর থাকবে তা সরিয়ে উঠে আসতে পারলেই বেঁচে যাবে। গালিস টানল লোকটা, শুরুং।

    গুরুং ইশারা করতেই বলবান লোকদুটো হারাধন এবং বিশ্বনাথকে গর্তে ফেলার জন্যে এগিয়ে গেল।

    ইতিমধ্যে পনেরো মিনিট সময় চলে গেছে। জিপের শব্দে অর্জুন বুঝল সেপাইরা চলে এসেছে। সে ঝট করে ভ্যানের দরজা খুলতেই বেঁটে লোকটা খুব অবাক হয়ে তাকাল। অর্জুন তাকে দুহাতে জড়িয়ে ধরে ভ্যানের ভেতর টেনে আনার চেষ্টা করল। সঙ্গে সঙ্গে সে মিস্টার থাপার চিৎকার শুনতে পেল। ড্রাইভারের সিট থেকে নেমে তিনি সতর্ক করছেন, যে যেখানে দাঁড়িয়ে আছ, সেখানেই থাকো, নড়বার চেষ্টা করলেই গুলি করব।

    ওই বেঁটে মানুষটার শরীরে এত শক্তি যে, অর্জুন ওকে কিছুতেই কাবু করতে পারছিল না। লোকটা তাকে খামচাচ্ছিল। পা ছুড়ছিল শূন্যে, আবার মাথা দিয়ে ওর পেটে আঘাত করছিল। সেপাইরা ছুটে এল জিপ থেকে। ওরা বেঁটে লোকটাকে টেনে সরাতে যেতেই ওর হাত এসে পড়ল অর্জুনের বুকে। সঙ্গে সঙ্গে গলায় এত জোরে টান লাগল যে, শ্বাস বন্ধ হওয়ার জোগাড়। অর্জুন মুখ ফেরাতেই শব্দ হল এবং ঝুরঝুর করে রুদ্রাক্ষের ফলগুলো ছড়িয়ে পড়তে লাগল মাটিতে।

    ততক্ষণে লোকটাকে কজা করে ফেলেছে সেপাইরা। অর্জুন নিচু হয়ে রুদ্রাক্ষ কুড়নোর চেষ্টা করল। ওদিকে মিস্টার থাপা তখন গুরুংকে আটক করেছেন। কিন্তু বাকি চারটে ছেলে প্রাণপণে দৌড়তে শুরু করেছে। সেপাইরা তাদের ধরার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হল।

    পরিস্থিতি আয়ত্তে আসার পর মিস্টার থাপা অর্জুনের দিকে এগিয়ে আসছিলেন। অর্জুন তখনও উবু হয়ে রুদ্রাক্ষ খুঁজে চলেছে। গোটা দশেক পাওয়া গিয়েছে এতক্ষণে। সে চিৎকার করল, এগোবেন না। পায়ের তলায় পড়লে নষ্ট হয়ে যাবে ওগুলো।

    কী খুঁজছেন?

    রুদ্রাক্ষ। এক মুঠোর প্রচুর দাম।

    মিস্টার থাপার সামনে একটা পড়ে ছিল। সেটা তুলে তিনি অর্জুনের দিকে ছুড়ে দিলেন। ওরা বাড়ির ভেতরটা সার্চ করতে গেল, এক এক করে প্রায় আঠারোটা রুদ্রাক্ষ পেল অর্জুন। এগুলো কী দিয়ে গাঁথা ছিল সেটা বোঝা যাচ্ছে না। কোনও সুতো নেই বা চেন দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না। হারাধন আর বিশ্বনাথ কাছে এসে দাঁড়াতে সে চিৎকার করল,খোঁজো, ভাল করে খুঁজে দ্যাখো তো এরকম রুদ্রাক্ষ পাও কি না।

    হারাধন কান্নাজড়ানো গলায় বলল, দাদা, আমাদের কী হবে?

    অর্জুন মুখ ফিরিয়ে দেখল। হাত বাঁধা অবস্থাতেও বেঁটে লোকটা শরীর মুচড়ে যাচ্ছে সমানে। তার চোখ জ্বলছে।

    অর্জুন বলল, কী আর হবে? আবার ডাকাতি করবে।

    না দাদা। জীবনে আর ওসব কাজ করব না।

    সেটা পুলিশ বুঝবে। এখন পারো যদি খুঁজে বের করো।

     

    ইতিমধ্যে লোকাল থানায় খবর পাঠিয়েছেন মিস্টার থাপা। সেখান থেকে বিরাট পুলিশবাহিনী এসে গেছে। একই সঙ্গে তল্লাশি চালানো হচ্ছে গুরুংয়ের বিশাল বাড়িতে। গুরুংয়ের মানাভাই পুলিশকে জানিয়েছে এই লোকটি নেপাল থেকে এসেছিল তিন বছর আগে। একটু একটু করে লোকটা টাকা ছড়িয়ে ওদের দলে টেনে নিয়েছে। নিউ জলপাইগুড়ি থেকে আলিপুরদুয়ারের রেলপথ ডাকাতির পক্ষে সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা বলে দল অর্গানাইজ করিয়েছে। স্থানীয় ছেলে নেওয়ার কারণ ওরা ওই রেলপথ থেকে চট করে যে যার বাড়িতে গিয়ে লুকোতে পারবে। এদিকে শিলিগুড়ি থেকে আলুয়াবাড়ি পর্যন্ত বাসরাস্তায় ডাকাতির পরিকল্পনা এই লোকেরই! ওরা এর নাম জানে না। ওকে চিফ বলে ডাকতে হয়।

    তল্লাশি তখনও শেষ হয়নি, অর্জুন মিস্টার থাপাকে বলল, এদের নিয়ে কী করবেন? এদের তো কোর্ট জামিন দিয়েছে।

    তা হলে আমাদের কিছু করার নেই। কিন্তু যে চারজন পালিয়েছে তাদের ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে। ডাকাতির কিছু জিনিস এখানে পেয়েছি। গুরুংয়ের বাড়িতে কী পাওয়া যাবে জানি না। মিস্টার থাপা বললেন।

    আমি এবার ফিরে যেতে চাই।

    বেশ তো। যদি সম্ভব হয় কাল একবার আমার থানায় আসবেন।

    চেষ্টা করব।

    মানাভাই পুলিশ হেফাজতে বলে ওর ভ্যানটাকে পাওয়া গেল। পুলিশ তাকে ছেড়ে দিয়েছে বলে ড্রাইভার খুব কৃতজ্ঞ। অর্জুনের সঙ্গে হারাধন এবং বিশ্বনাথ ভ্যানে উঠে বসল।

    কিছুক্ষণ যাওয়ার পর হঠাৎ বিশ্বনাথ জিজ্ঞেস করল, দাদা, কিছু বলছেন না যে।

    কী ব্যাপারে!

    এখনই আমি একটা উলটোপালটা ভেবে ফেলেছিলাম।

    কী ভেবেছ?

    বাঃ, আপনি তো সব বুঝতে পারেন। আমি ভাবছিলাম আপনি না থাকলে এতক্ষণে মাটির তলায় শুয়ে থাকতাম।

    অর্জুন চোখ বন্ধ করল সে কিছুই শুনতে পাচ্ছে না। রুদ্রাক্ষগুলো এখন তার পকেটে। বাড়ি গিয়ে মালা গেঁথে গলায় পরলে তবে হয়তো এটা সক্রিয় হবে। এই শয়তানটা যে মালা আঁকড়ে ধরবে তা সে বুঝতে পারেনি।

    ভ্যানের ড্রাইভার জলপাইগুড়িতে যখন পৌঁছে দিল তখন রাত নটা। পথে মণ্ডলপাড়ায় বিশ্বনাথ এবং রেলগেটে হারাধন নেমে গিয়েছিল।

    বাড়িতে না গিয়ে সোজা ঘোষপাড়া কালীবাড়ির কাছে দেবাশিসের সোনার দোকানে চলে এল অর্জুন। দেবাশিস তখন দোকান বন্ধ করছে। ওকে দেখে অবাক হল, কী ব্যাপার? অর্জুন, তুই?

    যাঃ, দোকান বন্ধ হয়ে গেছে?

    বল না, কী করতে হবে?

    একটা মালা, রুদ্রাক্ষের, গেঁথে দিতে হবে।

    দেবাশিস মজা পেল। আলোর সামনে রুদ্রাক্ষগুলো ধরে বলল, এগুলো কোথায় পেলে? একমুখী রুদ্রাক্ষ। বেশ দামি। কী দিয়ে গাঁথব?

    কী দিয়ে গাঁথলে ভাল হয়?

    এগুলো তো সুতোয় গাঁথা হয়। লাল সুতো দাঁড়া। অনেকক্ষণ ধরে একটা একটা করে রুদ্রাক্ষ বসিয়ে মালা গেঁথে ফেলল দেবাশিস। ওটা হাতে নিয়ে অর্জুন জিজ্ঞেস করল, কত দিতে হবে?

    ধুস। এর জন্যে কেউ পয়সা নেয়! দামি জিনিস, যদি বিক্রি করার ইচ্ছে হয় তো বলবি। দেবাশিস বলল।

    মালাটা গলায় পরতেই অর্জুন বুঝল একটু ছোট হয়ে গেছে। তার মানে কয়েকটা ফল সে খুঁজে পায়নি। সে চোখ বন্ধ করল কিন্তু কোনও শব্দ শুনতে পেল না। অথচ দেবাশিসের মনে কোনও ভাবনা আসছে না এমন তো হতে পারে না!

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল; তুমি কিছু ভাবছ?

    দেবাশিস মাথা নাড়ল, ভাবছি এই জিনিস কোথায় পেলে?

    অর্জুন বেরিয়ে এল। রাত সাড়ে নটায় জলপাইগুড়ির রাস্তা ফাঁকা। ওর বুকের মধ্যে তখন প্রচণ্ড চাপ। এ কী হল? মালাটা অকেজো হয়ে গেল? অমল সোমকে সে কী জবাব দেবে? আর অমল সোমকে না পেলে এই রহস্যের সমাধানও হবে না। কিন্তু তিনি কবে ফিরবেন তা তিনিই জানেন।

    ততদিন এই মৃত রুদ্রাক্ষ আগলে বসে থাকতে হবে তাকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৬ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }