Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প731 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. এ পি সাহেব অফিসে ছিলেন না

    এ পি সাহেব অফিসে ছিলেন না। জরুরি খবর পেয়ে ড়ুয়ার্সের চাবাগানে চলে গিয়েছেন। ওঁর সঙ্গে দেখা হল না কিন্তু কথাগুলো বলা দরকার ছিল। সন্তুদার টেবিলে বসে কিছুক্ষণ ওঁকে কাজ করতে দেখল অর্জুন। একসময় জলপাইগুড়ির টাউন ক্লাবের নামী ফুটবলার ছিলেন সন্তুদা। এখনও শরীর ঠিক রেখেছেন। কাজ শেষ করে সন্তুদা জিজ্ঞেস করলেন, চা খাবে?

    মাথা নাড়ল অর্জুন, এ পি সাহেবকে বলবেন, উনি যে সমস্যার কথা বলেছেন সেটা নিয়ে বেশি মাথা ঘামানোর প্রয়োজন নেই। আমি সেটাই বলতে এসেছিলাম।

    তাই? ঠিক আছে বলে দেব। সন্তুদা এক মুহূর্ত ভাবলেন, তোমার সঙ্গে সন্দীপের কি দেখা হয়েছে? বোধ হয় হয়নি, তাই না?

    ওকে আমি দেখেছি। আচ্ছা চলি।

    দাঁড়াও। এ পি সাহেব বলে গিয়েছেন তোমার যদি গাড়ির দরকার হয় তা হলে ব্যবস্থা করে দিতে। অথবা অন্য কোনও সাহায্য-।

    না। তার দরকার নেই। ছেলেটা খারাপ সংসর্গে পড়েছে। ওর বন্ধুদের তো সবাই চেনে। খুব বড় কিছু খারাপ করে ফেলার আগে ওকে সরিয়ে ফেলা দরকার, ব্যস, এইটুকু৷ অর্জুন উঠে দাঁড়াল।

    সন্তুদা বললেন, তুমি বলছ, আমরাও জানি। কিন্তু ওর বন্ধুরা এই শহরের মানী এবং বড়লোকের ছেলে। তাদের খারাপ ছেলে বলা খুব সহজ নয়।

    এই সময় অর্জুন সন্দীপকে অফিসে ঢুকতে দেখল। প্রায় ঝড়ের মতো সে এগিয়ে গেল কর্মরত এক ভদ্রলোকের সামনে। চিৎকার করে জিজ্ঞেস করল, আপনাদের মালিক অফিসে নেই?

    লোকটি উঠে দাঁড়াল, না, সাহেব বাগানে গিয়েছেন।

    কবে ফিরবেন?

    আগামীকাল।

    ননসেন্স!

    সন্তুদা গলা তুলে ডাকলেন, সন্দীপ, এদিকে এসো।

    সন্দীপ রাগী চোখে তাকাল, আপনি আমাকে জ্ঞান দিতে আসবেন না।

    সন্তুদা হাসলেন, কী আশ্চর্য? খামোকা জ্ঞান দিতে যাব কেন? তুমি হঠাৎ এত উত্তেজিত হয়ে উঠলে, আফটার অল এটা তো অফিস।

    সন্দীপ কয়েক পা এগিয়ে এল, আপনি ওঁকে বলে দেবেন আমার পেছনে লোক লাগিয়ে কোনও লাভ হবে না।

    তোমার পেছনে উনি লোক লাগাবেন কেন?

    লাগিয়েছেন, সেই লোক মায়ের সঙ্গে কথা বলে এসেছে। আরে, সব জায়গায় আমার অ্যান্টেনা ফিট করা আছে।

    তুমি ভুল করছ। লোক নয়। তুমি কি ওঁকে চেনো না? অর্জুনকে দেখিয়ে দিল সন্তুদা। চোখ ছোট করে অর্জুনকে দেখল সন্দীপ। তারপর হেসে বলল, এঁকে কে না চেনে! ইনি গোয়েন্দা। তা হলে আপনাদের সাহেব আমার পেছনে গোয়েন্দা লাগিয়েছে। চমৎকার। এই যে, শুনে রাখুন, আপনি যত বড় গোয়েন্দা হন, আমার পেছনে ঘুরে কোনও লাভ হবে না। দ্বিতীয়বার যেন আপনার ছায়াও আমার বাড়িতে না পড়ে। আন্ডারস্ট্যান্ড? কথা শেষ করে হনহন করে বেরিয়ে গেল ছেলেটা।

    ওর চলে যাওয়াটা দেখলেন সদ্ভুদা। তারপর বললেন, ভুল হল। তোমার সঙ্গে ওর পরিচয় করিয়ে দেওয়াটা ঠিক হল না।

    সেটা আজ না হলেও কাল তো জানতেই পারত। আচ্ছা, চলি।

     

    চৌধুরী মেডিক্যাল স্টোর্সে অনেকদিন বাদে রামদাকে কাউন্টারে দেখল অর্জুন। ইদানীং অসুস্থতার জন্যে ভদ্রলোক খুব কম বাড়ি থেকে বের হন। এই সময় দোকানে ভিড় নেই। অর্জুনকে দেখে ওঁর পেটেন্ট হাসিটা হাসলেন, কী খবর?

    কেমন আছেন রামদা?

    এই, চলছে। বসুন। চা চলবে?

    বয়সে অনেক বড় তবু ভদ্রলোক তাকে আপনি বলেন। এরকম পরিষ্কার মানুষ খুব কম দেখেছে অর্জুন। কাউন্টারের ভেতরে একটা চেয়ার খালি থাকেই, অর্জুন সেটায় বসল। বিভিন্ন অসুখের জন্যে ওষুধ কিনতে মানুষ আসে উদ্বেগ নিয়ে, দেখতে দেখতে ভাল অভিজ্ঞতা হয়। একজনকে ওষুধ বিক্রি করে রামদা বললেন, আজ সকালে একটা অদ্ভুত ব্যাপার দেখতে পাচ্ছি।

    কীরকম? অর্জুন তাকাল।

    ডিসপোজাল সিরিঞ্জ কিনছে লোকে। একসঙ্গে এক ডজন।

    শুধু সিরিজ? ইনজেকশনের স্মার্শ্বল?

    না। শুধু সিরিঞ্জ। আর যারা বিলছে তাদের এর আগে কখনও দেখিনি। অবশ্য আমি এখন দোকানে বসি না, ছেলেকে জিজ্ঞেস করতে হবে।

    কত সিরিঞ্জ বিক্রি করেছেন আজ?

    আশিটা। স্টকেও বেশি নেই। ভাবছি এর পর শুধু সিরিঞ্জ চাইলে বিক্রি করব না।

    প্রেসক্রিপশন ছাড়া সিরিঞ্জ বিক্রি করতে পারেন?

    হ্যাঁ। এ নিয়ে কোনও বাধ্যবাধকতা নেই।

    এত সিরিঞ্জ নিয়ে ওরা কী করতে পারে?

    জানি না ভাই। একজন তো কেনেনি, তা হলে বুঝতাম স্টক করছে।

    রামদা আবার ব্যস্ত হয়ে পড়লেন খদ্দের আসায়। অর্জুনের অস্বস্তি হচ্ছিল। টেবিলের ওপর রাখা টেলিফোনের চটি বই খুলে শহরের অন্য মেডিক্যাল স্টোর্সের নাম্বার বের করে তার একটীয় ডায়াল করল, আচ্ছা, আপনার কাছে ডিসপোজাল সিরিঞ্জ কত আছে?

    বেশি নেই। আজ হঠাৎ পাবলিক দশ-দশটা করে কিনে নিয়ে গেছে।

    টেলিফোন রেখে দিল অর্জুন। রামদার হাত খালি হলে সে বলল, ব্যাপারটা স্বাভাবিক নয় রামদা। শুধু আপনার দোকান থেকে নয়, শহরের অন্য দোকান থেকেও সিরিঞ্জ কেনা হয়েছে। তার মানে এর পেছনে একটা পরিকল্পনা কাজ করছে। আপনার উচিত পুলিশকে জানানো।

    পুলিশকে?

    হ্যাঁ। ব্যাপারটা অস্বাভাবিক, তাই না?

    তা তো বটেই। কিন্তু পুলিশকে জানানো মানে হাজার ঝামেলায় জড়িয়ে পড়া। ঠিক আছে, তুমি বলছ, আমি থানায় ফোন করছি। নাম্বার বের করে রামদা থানায় ফোন করলেন। বড়বাবুকে চাইলেন। শুনলেন বড়বাবু এখন বিশ্রাম নিচ্ছেন। মেজবাবু ফোন রেখে তাঁকে ঘটনাটা বলবেন। রিসিভার নামিয়ে রেখে রামদা হাসলেন, কী বলল জানেন? সিরিঞ্জ বিক্রি হয়েছে এতে তো আপনার খুশি হওয়া উচিত। এখন মানুষ আর ট্যাবলেটে ভরসা পায় না, ডাইরেক্ট ইনজেকশন নিয়ে অসুখ সারায়। ডিসপজাবেল সিরিঞ্জ ব্যবহার করছে মানে শরীর-সচেতনতা বেড়েছে। এ নিয়ে আপনি নালিশ করতে চাইছেন?

    অর্জুন উঠে দাঁড়াল, আপনি আপনার কর্তব্য করেছেন রামদা। চলি।

    বাইকে উঠে এঞ্জিন চালু করতেই অর্জুন দেখতে পেল উদভ্রান্তের মতো হাবু দুপাশে তাকাতে তাকাতে হাঁটছে। এসময় হাবুর এখানে আসার কথা নয়। অমল নোম ওকে বাড়ির দায়িত্ব দিয়ে গেছেন। বাজার করা ছাড়া ও বাড়ির বাইরে যায় না। তা ছাড়া বোবা এবং কালা বলে পাঁচজনের সঙ্গে মেলামেশাও করতে পারে না। দেখামাত্র হাবু ছুটে এল তার কাছে। তারপর হাত নেড়ে চোখ ঘুরিয়ে অদ্ভুত শব্দ বের করে উত্তেজনা প্রকাশ করল।

    এমনিতে হাবুর ইশারা বুঝতে পারে অর্জুন। কিন্তু ও এত উত্তেজিত যে, কিছুই বোধগম্য হচ্ছিল না। শেষপর্যন্ত সে এই অনুমানে পোঁছল যে, বাড়িতে এমন কোনও গোলমাল হয়েছে যে, হাবু তার সাহায্যের জন্যে ছুটে আসতে বাধ্য হয়েছে। সে ইশারায় হাবুকে বাইকের পেছনে উঠে বসতে বলল।

    হাবুর মুখ শুকিয়ে গেল। ওর শরীর তাগড়া এবং প্রচুর শক্তি ধরে। কিন্তু বাইকের পেছনে যেভাবে উঠে বসে নড়বড় করতে লাগল তাতে অর্জুন বিপাকে পড়ল। কীভাবে বসতে হবে দেখিয়ে দিয়ে সে বাইক চালু করল। অর্জুন অনেকবার অমল সোমকে প্রশ্ন করতে গিয়েও করেনি। এত লোক থাকতে তিনি হাবুর মতো বোবা কালা মানুষকে কেন বাড়ির পাহারাদার হিসেবে রেখেছেন। অমলদা যখন ছিলেন তখন হাবু রান্নাও করত। সে যে খুব রাগী এবং শক্তিশালী, এটা প্রচারিত হওয়ায় কোনও অবাঞ্ছিত আগন্তুক ওই বাড়িতে ঢোকার সাহস পায় না। হাফপ্যান্ট আর গেঞ্জি পরে হাবু যেভাবে তার বাইকের পেছনে বসে আছে তা দেখে রাস্তার লোকজন হাসছে। কোনওমতে ওকে নিয়ে অর্জুন হাকিমপাড়ায় চলে এল।

    বাড়ির সামনে বাইক দাঁড় করানোর পরও হাবুকে নামতে দেখা গেল না। অর্জুন তাকে নামতে বলে নিজে নেমে দাঁড়াল। হাবু বসে আছে চোখ বন্ধ করে। এবং তারপর বোঝা গেল ওর পা অসাড় হয়ে গেছে। ধরে ধরে মাটিতে নামানোর পরও বসে পড়ছিল। গেট খুলে ভেতরে ঢুকে অর্জুন দেখল বাইরের ঘরের দরজা বন্ধ। বাগানটা আগের মতো সুন্দর হয়ে আছে। তা হলে গোলমাল কীসের।

    ততক্ষণে হাবু ধাতস্থ হয়েছে। ওকে ইশারায় ডেকে নিয়ে এল খিড়কি দরজায়। সেটা ঠেলে ভেতরে ঢোকার পর দেখা গেল উঠোন বারান্দা জুড়ে সুটকেস বাক্স প্রায় পাহাড়ের মতো পড়ে আছে। এবং তখনই গর্জন কানে এল। বিকট শব্দে নাক ডাকছে কারও। যেখান থেকে শব্দটা ভেসে আসছে সেটা অমল সোমের শোয়ার ঘর। অর্জুন সেই ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে হতভম্ব হয়ে গেল।

    মেজর অমল সোমের খাটে চিৎ হয়ে শুয়ে ঘুমোচ্ছেন। তাঁর দাড়ি গোঁফের জঙ্গল থেকে আওয়াজটা প্রচণ্ড জোরে বের হলেও তিনি তা শুনতে পাচ্ছেন না। কোনও হুঁশই নেই তাঁর।

    এতক্ষণে পরিষ্কার হল। মেজরকে হাবু চেনে। তিনি মালপত্র নিয়ে এসে পড়ায় দরজা খুলে দিয়ে সে ছুটেছে অর্জুনকে খবর দিতে। আর এই অবসরে মেজর একটু বিশ্রাম করে নিচ্ছেন।

    মেজর যে এত তাড়াতাড়ি এসে পড়বেন, অর্জুন ভাবেনি। আর জলপাইগুড়ি শহরে এলে উনি সোজা অমল সোমের বাড়িতে চলে আসবেন, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এই বাড়িতে ওঁর পক্ষে কি থাকা সম্ভব? নিজের বাড়ি বলে অমল সোম যা মেনে নেন তা মেজরের পক্ষে বেশ কষ্টকর হবে। অসল সমস্যা হবে খাওয়াদাওয়া নিয়ে। হাবুর হাতের রান্না উনি খেতে পারবেন বলে মনে হয় না।

    মেজরকে নাক ডাকতে দিয়ে সে ঘর থেকে বেরিয়ে এল। হাবু দাঁড়িয়ে ছিল মালপত্তরের পাশে হাত তুলে দুটো আঙুল দেখাল। তারপর একটা আঙুল ঘরের দিকে নির্দেশ করে দুহাত ওঠালো। বুঝতে পারল অর্জুন। দুজন এসেছে বলে হাবু জানাচ্ছে। মেজরের চিঠিতেও তো ওই খবর ছিল। ওঁর সঙ্গে এক বৃদ্ধের আসার কথা। তিনি কোথায় গেলেন? উঠোনের আশেপাশে তিনি নেই। অর্জুন মালপত্তরগুলো দেখল। এতসব সঙ্গে কেন এনেছেন তা মেজরের সঙ্গে কথা না বললে জানা যাবে না। একটা ঢাউস সুটকেসের দিকে নজর গেল। দেখেই বোঝা যায় খুব দামি সুটকেস।

    হ্যান্ডেলের সঙ্গে একটা ট্যাগ লাগানো রয়েছে, তাতে লেখা, গোরান সুলম্যান। অর্জুন আবার চারপাশে তাকাল, না, গোরানসাহেবের কোনও চিহ্ন দেখা যাচ্ছে না। সে ইশারায় হাবুকে ওখানে থাকতে বলে বাগানের দিকে এগোল।

    অমল সোমের বাড়ির ভেতরের বাগানটা প্রায় এক বিঘে জমির ওপর। বড় বড় আম কাঁঠাল নারকেল এবং সুপুরি গাছ প্রায় জঙ্গলের চেহারা নিয়ে নিয়েছে। বোঝাই যাচ্ছে অমলদার অবর্তমানে হাবু এদিকটায় বেশি নজর দেয়নি।

    খানিকটা এগোতেই অর্জুনের কানে এল ওদিকের গাছে গাছে পাখিরা প্রবল স্বরে চেঁচিয়ে চলেছে। এরকম কাণ্ড সাধারণত শত্রু দেখলে ওরা করে থাকে। অর্জুন সেদিকেই এগোল। খানিকটা যেতেই সে মানুষটাকে দেখতে পেল। তার দিকে পেছন ফিরে দাঁড়িয়ে কিছু দেখছেন। জিনিসটা লোকটির হাতে ধরা। অর্জুন ডাকল, হ্যালো।

    গোরান সুলম্যান ঘুরে দাঁড়ালেন ওঁর বাঁ হাতের মুঠোয় হাত তিনেক লম্বা সাপের মাথা শক্ত করে ধরা মানুষটির বয়স হলেও শরীরে যে ভাল শক্তি আছে তা বুঝতে অসুবিধে হয় না। চোখের মণি নীল এবং দৃষ্টি অত্যন্ত শীতল। সাপটা লেজ নাড়ছিল। এটি একটি পরিণত বয়সের শঙ্খচূড়, তা একবার দেখেই বুঝতে পারল অর্জুন। এই বিষধর রাগী সাপটাকে ভদ্রলোক খালি হাতে ধরলেন।

    ওয়েলকাম। দিস ইজ অর্জুন।

    গোরান, গোরান সুলম্যান।

    এরকম একটা বিষধর সাপ আপনি খালি হাতে ধরলেন? ইংরেজিতে প্রশ্ন করল অর্জুন। গোরানসাহেব কাঁধ ঝাঁকালেন। তারপর মুঠোর চাপ বাড়ালেন। হঠাৎ সাপটা স্থির হয়ে গেল এবং ওর মুখ থেকে তরল কিছু বেরিয়ে আসতেই গোরানসাহেব কিছুটা দূরে ছুড়ে ফেলে দিলেন। বাঁ হাতের মুঠোর চাপে একটা প্রমাণ সাইজের শঙ্খচূড় সাপকে মেরে ফেলা সহজ ব্যাপার নয়!

    প্রথমে গাছের পাতা ছিঁড়ে আঙুলগুলো মুছলেন গোরানসাহেব। এই সময় গোটা তিনেক কাক উড়ে গিয়ে নামল সাপটার পাশে। ওটা মরে গিয়েছে বুঝতে পেরে শরীরের তিন জায়গায় তিনজন ঠোকর দিচ্ছিল আর ভয়ে ভয়ে দুজন মানুষের দিকে তাকাচ্ছিল। অর্জুন গোরানসাহেবের দিকে তাকাল। ওঁর মুখ হাঁ হয়ে গিয়েছে। জিভ সামান্য বেরিয়ে। চোখ দুটো বিস্ফারিতা দেখলেই অস্বস্তি হয়। কাকেদের সাপ খাওয়া দেখে উনি এরকম উত্তেজিত হলেন কেন?

    অর্জুন বলল, আপনারা অনেকটা জার্নি করে এসেছেন, চলুন, ভেতরে চলুন।

    গোরানসাহেব ওর দিকে তাকালেন। তারপর মাথা নেড়ে বললেন, তুমি যাও, আমি একটু পরেই আসছি।

    এই কথার পর দাঁড়িয়ে থাকা অসভ্য। অর্জুন ধীরে ধীরে উঠোনে ফিরে এল। কিন্তু কাকের সাপ খাওয়া দেখার সময় গোরান সাহেবের মুখের অভিব্যক্তি তাকে স্বস্তি দিচ্ছিল না।

    হাবু দাঁড়িয়ে আছে, যেমন ছিল। ঘরের ভেতর থেকে নাক ডাকার শব্দ ভেসে আসছে। অর্জুন এগিয়ে গিয়ে দরজার কড়া নাড়ল। দ্বিতীয়বারের আওয়াজটা তীব্র হওয়ায় আচমকা নাসিকাগর্জন থেমে গেল। কয়েক সেকেন্ড চুপচাপ শুয়ে থাকার পর মেজরের হাত বিছানার ওপর কিছু খুঁজতে চাইল। চশমাটাকে পাওয়ার পর চোখে এঁটে উঠে বসলেন তিনি, তারপর পরিষ্কার বাংলায় চিৎকার করলেন, কে রে?

    আমি, অর্জুন।

    তড়াক করে বিছানা থেকে নেমে পড়লেন মেজর। তারপর অদ্ভুত শব্দ করে দৌড়ে এসে অর্জুনকে জড়িয়ে ধরলেন, ও তুমি? দ্য গ্রেট মধ্যমকুমার। ওঃ, কতদিন পরে তোমার গায়ের গন্ধ পাচ্ছি। কোনও পারফিউম মাখখানি বলে গন্ধটাকে জেনুইন লাগছে। নিউজিল্যান্ডের সমুদ্রে একধরনের রেয়ার টাইপের সিলমাছের গায়ে এরকম গন্ধ পেয়েছি।

    অর্জুন হতভম্ব। কী বলছেন ভদ্রলোক? তার আর সিলমাছের শরীরের গন্ধ এক? সিলমাছের ঘাম হয় নাকি? একে ঠাণ্ডার দেশের প্রাণী, তার ওপর জলে থাকে, মেজর কী করে গন্ধের খবর পেলেন জিজ্ঞেস করলে অন্য কথা বলা যাবে না।

    আপনি যে তাড়াতাড়ি এসে যাবেন, ভাবিনি! চিঠি পেয়েছি।

    চিঠি লেখার পর এখানে আসার জন্যে উত্তেজনা বেড়ে গেল। তারপর ওই বিষ্টুসাহেব, সকাল দুপুর বিকেলে টেলিফোনে জ্বালিয়ে গেছেন। বুঝলে, জ্বলে গিয়ে তাড়াতাড়ি চলে এলাম। এখানে এসে দেখি মিস্টার সোম নেই। এ ব্যাটা হাবু ততা কোনও কথাই বোঝে না। আচ্ছা, তুমিই বলো, কোনও বুদ্ধিমান লোক ওইরকম কেয়ারটেকারের ওপর বাড়ির দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে বাইরে যায়? মেজর কথা বলছিলেন চেঁচিয়ে।

    বুদ্ধিমান বলেই বোধ হয় উনি যেতে পারেন।

    অ্যাাঁ? ওহো, হো, হো, হো। হাসিতে ফেটে পড়লেন মেজর।

    তিনি শান্ত হলে অর্জুন প্রশ্ন করল, বিষ্টুসাহেব এসেছেন?

    ইয়েস। বাগডোগরায় নেমে আর তর সইল না। ট্যাক্সি নিয়ে সোজা কালিম্পং চলে গেলেন। সমাধিতে শুয়ে ওঁর কুকুরটা নাকি কেঁদেই চলেছে, না গেলে শান্ত হবে না। যাক গে, এখন কী করি বলো!

    এখানে থাকার ব্যাপারে বলছেন?

    ইয়েস। মিস্টার সোম বাড়িতে নেই অথচ আমরা দখল করে বসে রইলাম, এটা তো ভাল দেখায় না। জলপাইগুড়িতে হোটেলের ব্যবস্থা কীরকম?

    এখনও এই একটা ব্যাপারে আমরা পিছিয়ে আছি। আসলে এখানে তো টুরিস্ট খুব কম আসে, তাই ভাল হোটেল তৈরি হল না। তবে আমি সার্কিট হাউসে ব্যবস্থা করে দিতে পারি।

    এখানে দেখলাম ইন্ডিয়ান স্টাইলের ল্যাট্রিন মিস্টার সোম রোগা মানুষ, তাঁর পক্ষে ব্যায়াম করা সহজ। আমার মধ্যপ্রদেশ যেভাবে বাড়ছে, বুঝেছ। ওই যে গোরান আসছে। তোমাকে লিখেছিলাম ওর কথা। আলাপ করিয়ে দিই। মেজর চটপট চোস্ত আমেরিকান ইংরেজিতে বলে গেলেন, ইনি গোরান সুলম্যান। আত্মাদের সঙ্গে ওঠাবসা করেন। আর ইনি হলেন অর্জুন, এঁর কথা বলেছি।

    অর্জুন বলল, আমাদের পরিচয় হয়ে গেছে।

    মেজর চোখ বড় করলেন, ও গোরান, এখন থেকে অর্জুন আমাদের গাইড। ও বলছে এখানকার সার্কিট হাউসে আমাদের থাকার ব্যবস্থা করে দিতে পারে।

    কেন? এই জায়গাটা তো ভালই।

    ভাল, কিন্তু যার বাড়ি সে তো নেই।

    বাড়িতে না থেকে আমরা এই গাছেদের মধ্যে টেন্ট ফেলে থাকতে পারি। যখন পাহাড়ে জঙ্গলে যাব তখন তো এইভাবেই থাকতে হতে পারে।

    মরেছে! মেজর বাংলায় ফিরে এলেন। অর্জুন তাকাল। গোরানের ডান হাতে পাতায় জড়ানো বস্তুটি কি শঙ্খচূড় সাপটার মাথা?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৬ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }