Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প731 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. শেষ পর্যন্ত সার্কিট হাউসেই

    শেষ পর্যন্ত সার্কিট হাউসেই ঘরের ব্যবস্থা করতে হল অর্জুনকে। গোরানসাহেবের যুক্তি মনঃপূত হয়নি মেজরের।

    পাহাড়ে জঙ্গলে তাঁবু খাটিয়ে থাকতে হয় বিকল্প ব্যবস্থা নেই বলে। এভারেস্টের পাঁচশো ফুট নীচে যদি একটা বিশ্রী ধর্মশালাও থাকত তা হলে অভিযাত্রীরা সেখানেই গিয়ে উঠতেন, তাঁবু খাটাতেন না। গোরানসাহেব অ্যাডভেঞ্চার করতে চেয়েছিলেন কিন্তু মেজর রাজি হলেন না।

    সার্কিট হাউসের ব্যবস্থা করে ওঁদের ওখানে তুলে দিতে-দিতে সন্ধে হয়ে এল। এত লটবহর টানাটানি না করে হাবুর জিম্মায় রেখে দেওয়া হল। গোরানসাহেব জর ঘরের দরজা বন্ধ করলে অর্জুন খাওয়াদাওয়ার প্রসঙ্গ তুলল। মেজর ততক্ষণে পাশাক পালটে ফেলেছেন। আলখাল্লায় বেল্ট বাঁধতে বাঁধতে বললেন, নো প্রবলেম। প্রথমে বলো, তোমার মা কীরকম আছেন?

    ভাল।

    তা হলে তো চুকেই গেল। ওঁর হাতের নিরামিষ রান্না খাব। এই ধরো লাউয়ের ঘন্ট, চালকুমড়ো নারকোল দিয়ে, শুক্তো, বড়ির ঝোল। বলতে বলতে খেয়াল হল তাঁর, ওঁকে খাটানো হয়ে যাবে না তো?

    মোটেই না। মা এসব রান্না করতে পারলে খুশি হবেন। কিন্তু ওই ভদ্রলোক দিশি রান্না খাবেন?

    আলবত খাবে। আমেরিকানরা তো সেদ্ধ ছাড়া কিছুই খেতে জানে না। এবার খেয়ে দেখুক রান্না কাকে বলে! শুধু একটু মিষ্টি দিতে বোলো।

    কিন্তু এগুলো তো দিনের খাবার।

    তাই তো! আমাদের কাছে কিছু টিনফুড আছে। আজ চালিয়ে নেব। মেজর একটা ব্যাগ খুলে হুইস্কির বোতল বের করলেন। সেটাকে আলোর সামনে ধরে খানিকক্ষণ দেখলেন। ওঁর দাড়িগোঁফের জঙ্গলের মধ্যে দিয়েও তৃপ্তির হাসিটা ফুটে উঠছিল, গুড। তুমি তো এখন সাবালক। চলবে তো?

    না। অর্জুন হেসে মাথা নাড়ল।

    ছিপি খুলে বোতল থেকে সরাসরি কয়েক ঢোক গলায় চালান করে দিলেন মেজর। তারপর চোখ বন্ধ করে কয়েক সেকেন্ড দাঁড়িয়ে রইলেন। অর্জুনের মনে পড়ল মেজরের মদ্যপান সে প্রথম দিন থেকে দেখে আসছে। অনেক বছর চলে গেল। ইতিমধ্যে মেজরের দাড়ির বেশিরভাগই সাদাটে হয়ে গিয়েছে। অথচ ওঁর স্বভাব বদলায়নি, মদের প্রতি আসক্তি একই রয়েছে।

    বোতলটাকে যত্ন করে টেবিলের ওপর রেখে মেজর বিছানায় বসলেন, এবার বলো, গোরান স্যুলম্যানকে তোমার কেমন লাগল।

    একটু অন্যরকম।

    ঠিক। মাঝে-মাঝে আমারও মনে হয় ও মানুষ নয়, মানুষের শরীরে বাস করা একটা আত্মা। আসলে আত্মা নিয়ে গবেষণা করতে করতে ওর মধ্যে পরিবর্তন এসে গিয়েছে। এমনিতে লোকটা ভাল।

    আজ অমলদার বাগানে একটা শঙ্খচূড় সাপকে উনি মুঠোয় চেপে মেরেছেন। পরে সেই সাপটার মাথা কেটে পাতায় জড়িয়ে নিয়ে এসেছেন।

    সাপের মাথা? চোখ বড় করলেন মেজর, সাপের মাথার সঙ্গে হয়তো আত্মার কোনও সম্পর্ক আছে। এসব লোকদের বোঝা মুশকিল। আমি আসতে রাজি হলাম, কারণ তোমাদের সঙ্গে দেখা হবে। দ্বিতীয়ত, ভূতপ্রেতে আমি বিশ্বাস করি না। কিন্তু ড্রাকুলার গল্প পেলেই পড়ে ফেলি। এই সুযোগে যদি জ্যান্ত ড্রাকুলা দেখা যায়, মন্দ কী। বোতলের দিকে হাত বাড়ালেন মেজর।

    আপনি চিঠিতে স্পষ্ট কিছু লেখেননি। ব্যাপারটা কী?

    গোরান সুলম্যানকে আত্মা নিয়ে যাঁরা গবেষণা করেন তাঁরা খুব গুরুত্ব দেন। গোরান বিশ্বাস করে আত্মা আছে। তবে ভালমানুষ মারা গেলে তাঁদের আত্মা মহাশূন্যে মিলিয়ে যায়। কিন্তু মন্দ মানুষের আত্মা পৃথিবীতে আটকে থাকে, যন্ত্রণা পায়। সেই যন্ত্রণা নাকি মারাত্মক। মানুষ হয়ে থাকার সময় যাদের কামনা-বাসনা মেটে না, লোভের শেষ যাদের হয়নি, তারাই বদ-আত্মা হয়ে যায়। এই আত্মাদের কেউ প্রতিশোধ নিতে, অত্যাচার করতে একটা শরীর বেছে নেয়। এদের বলা হয়। ড্রাকুলা। দিনের বেলায় এদের কোনও ক্ষমতা নেই, কিন্তু রাত্রে এরা ভয়ানক হয়ে ওঠে। গলায় মদ ঢাললেন মেজর।

    এসব কথা এখন একটা কিশোরও জেনে গিয়েছে। সেইসঙ্গে এও জানে রাক্ষস-খোক্ষস ড্রাকুলা স্রেফ গাঁজাখুরি গপ্পো। আমি একটা কথা ভেবে পাচ্ছি না, গোরাসাহেবের মতো একজন আধুনিক মানুষ কেন এসবে ইন্টারেস্টেড হলেন?

    গাঁজাখুরি! মাই ডিয়ার অর্জুন, পৃথিবীর নানান দুর্গম জায়গায় ঘুরে আমি স্পষ্ট জেনে গেছি আমার জ্ঞানই শেষ কথা নয়। তুমি একটা গোরুকে দেখবে সুন্দর সাঁতার কেটে নদী পার হচ্ছে। ওকে সাঁতার শেখাল কে? কখনও যে-মানুষ জলে নামেনি সে কি সাঁতার কাটতে পারবে? একবার আলাস্কা পেরিয়ে এমন একটা বরফের দেশে গিয়েছিলাম যেখানে আমাদের আগে কেউ যায়নি। তুষারঝড়ে আমরা আটকে পড়ায় খাবার শেষ হয়ে যাচ্ছিল। একদিন আমি আর একজন স্ক্যান্ডিনেভিয়ান শিকার করতে বের হলাম। ওইসব অঞ্চলে সীল পাওয়া যায়। বরফের চুড়োয় একটা বসে ছিল। আমাদের দেখেই সেটা শূন্যে ঝাঁপ দিল। অতবড় চর্বিওয়ালা শরীর নিয়ে ঠিক পাখির মতো অনেকটা উড়ে নীচের বরফের খাঁজে লুকিয়ে পড়ল। সীল উড়তে পারে একথা তুমি বিশ্বাস করবে? অত কথা বলার দরকার কী, এ-দেশে এখনও নিশ্চয়ই তান্ত্রিকদের খুব প্রভাব আছে, আছে তো? মেজর জিজ্ঞেস করলেন।

    তা আছে। অর্জুন স্বীকার করল।

    শুধু সরল অশিক্ষিত মানুষরাই তাদের কাছে যায়, একথা নিশ্চয়ই বলবে না। শিক্ষিত মানুষ যখন তাদের সামনে মাথা নিচু করে বসে তখন গাঁজাখুরি বলে উড়িয়ে দিতে পারবে? রামকৃষ্ণদেব মা কালীর দর্শন পেতেন। তুমি জানো না?

    পড়েছি। কিন্তু–!

    ভগবান থাকলে ভূত থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

    গোরানসাহেব আগে কী করতেন?

    ও ডাক্তারি পাশ করে গবেষণা করে গেছে চিরকাল।

    কী ব্যাপারে?

    ওই একটা প্রশ্ন করলে গোরান খুব রেগে যায়। চলো, অনেকক্ষণ বকবক করে যাচ্ছি। তোমাদের শহরটা একটু ঘুরে দেখি। মেজর আবার বোতলের দিকে হাত বাড়ালেন। অর্জুন বলল, আজকে বিশ্রাম নিলে ভাল হত না? অনেকটা জার্নি করে এসেছেন। তার চেয়ে আপনাদের পরিকল্পনার কথা শুনলে ভাল লাগবে। অর্জুন বলল।

    মেজর উঠে একটা ব্যাগ খুলে বড় প্যাকেট বের করলেন। সেখান থেকে ভাঁজ করে রাখা একটা ম্যাপ টেবিলের ওপর বিছিয়ে বললেন, কাম হিয়ার।

    অর্জুন কাছে গেল। একটা বড় বিন্দুর ওপর আঙুল রেখে মেজর বললেন, দিস ইজ জলপাইগুড়ি। এখানে আমরা এখন রয়েছি। ঠিক আছে। এটা তিস্তা নদী। সাহেবদের তৈরি ম্যাপ, ভুল থাকলে বলে দেবে তুমি। এই তিস্তা পার হলে হিমালয়ের নীচের পুরো জায়গাটার নাম ড়ুয়ার্স। এই যে রাস্তাটা ড়ুয়ার্স পেরিয়ে সোজা আসামে চলে গিয়েছে।

    অর্জুন ম্যাপটাকে লক্ষ করছিল। প্রথমেই চোখে পড়ল তিস্তার ওপর যে দুটো ব্রিজ তৈরি হয়েছে তা ম্যাপে নেই। এখান থেকে ময়নাগুড়ি হয়ে ধুপগুড়ি চলে গিয়েছে রাস্তাটা। এখন যে ময়নাগুড়িতে না গিয়ে বাইপাস হয়ে নতুন তৈরি ন্যাশনাল হাইওয়ে দিয়ে ধুপগুড়ি যাওয়া যায়, সেই রাস্তাটাও ম্যাপে নেই। অর্থাৎ এই ম্যাপ তৈরি হয়েছিল ষাট সালের আগে। ড়ুয়ার্সের ভূগোল মোটামুটি এক থাকলেও পথঘাট বদলে গেছে।

    মেজর বললেন, এই পথ ধরে আমরা সোজা চলে যাব হাসিমারায়। তারপর থেকেই ভুটানের এলাকা। এই হাসিমারার পাশে একসময় ব্রিটিশদের কবরখানা ছিল। গোরান যা তথ্য পেয়েছে এই এলাকায় একশো বছর আগে প্রচুর ব্রিটিশ প্রয়োজনে থাকতেন। চা বাগানের পত্তনের পর এখানে তাঁদের একটা ক্লাবও তৈরি হয়েছিল। সেই ক্লাব ভারতীয় বিপ্লবীরা পুড়িয়ে দিয়েছিল একসময়। তিনজন ব্রিটিশ সেই আগুনে পুড়ে মারা যায়। আমরা ওখানে যেতে চাই।

    কেন?

    ওই তিনজন ব্রিটিশের মৃত আত্মা এখনও ওইসব অঞ্চলে সক্রিয় বলে গোরানের ধারণা। ও নাকি ওর পরিচিত আত্মার কাছ থেকে এমন তথ্য পেয়েছে।

    অর্জুন হেসে ফেলল। মেজর চোখ ছোট করলেন, তুমি হাসছ কেন?

    অর্জুন বলল, ওই আত্মারা এখানে পড়ে আছে কেন? ওরা যখন ব্রিটেন থেকে এসেছিল তখন স্বচ্ছন্দে স্বদেশে চলে যেতে পারে। সেটাই তো স্বাভাবিক। আর চলে যেতে ওদের তো অসুবিধে হওয়ার কথা নয়।

    মেজর মাথা নাড়লেন, ঠিক এই প্রশ্নটাই আমি গোরানকে করেছিলাম।

    উনি কী জবাব দিয়েছেন?

    খুব ভুল বলেননি। এই আত্মারা বদ-আত্মা। এদের কামনা-বাসনা ড়ুয়ার্সের জঙ্গল এবং মানুষকে নিয়েই জীবিত অবস্থায় ছিল। মারা যাওয়ার পর তাই এরা এখানেই থেকে গেছে। তা ছাড়া দীর্ঘকাল দেশছাড়া হওয়ায় দেশের জন্যে কোনও আকর্ষণ এদের মধ্যে নেই। মেজর বললেন।

    অর্জুন উঠে দাঁড়াল, আমি একটা কথা বুঝতে পারছি না। আপনি এর আগে যেসব অভিযানে গিয়েছেন তার প্রত্যেকটাই বিজ্ঞান-নির্ভর ছিল। কিন্তু এই আত্মা খোঁজার ব্যাপারটা যে-কোনও সুস্থ লোকের কাছেই হাস্যকর শোনাবে।

    তুমি ভুল করছ। গোরান যদি শুধু আত্মা খুঁজতে এখানে আসতে চাইত তা হলে আমি ওর সঙ্গী হতাম না। ও এসেছে ড্রাকুলার সন্ধানে। এখানেই আমার ইন্টারেস্ট।

    ড্রাকুলা? ওটা তো একটা কাউন্টকে নিয়ে বানানো গল্প।

    ঠিক। কিন্তু কাগজে পড়েছি এদেশে এখন ডাইনি সন্দেহে মানুষকে পুড়িয়ে মারা হয়। আমি তাই দেখতে চাই আসল ব্যাপারটা কী। আর এই কাজে তোমার সাহায্য চাই। মেজর আবার গলায় তরল পদার্থ ঢাললেন।

    কীরকম?

    এই অভিযানে তুমি আমাদের সঙ্গী হবে।

    আপনার বন্ধু কি সেটা চাইবেন?

    হ্যাঁ। সেইজন্যে আমরা প্রথমে জলপাইগুড়িতে এলাম।

    কিন্তু আপনি বুঝতেই পারছেন আমি ব্যাপারটাকে আজগুবি ভাবছি। তাই প্রতিটি স্তরে আমি প্রমাণ খুঁজব। এটা কি ভাল লাগবে? মানুষ যখন ভক্তিতে নম্র হয় তখন সে অন্ধ হয়ে যায়। সে-সময় কারও সন্দেহ সে সহ্য করতে পারে না।

    তোমার আর গোরানের মাঝখানে তো আমি আছি।

     

    কিছুক্ষণ বাদে অর্জুন বেরিয়ে এল মেজরের ঘর থেকে। এখন সন্ধে শেষ হতে চলেছে। গোরান স্যুলম্যানের ঘরের দরজা বন্ধ। একটা সাপের মাথা কেটে ঘরে নিয়ে এসে ভদ্রলোক তখন থেকে দরজা বন্ধ করে কী করছেন তা তিনিই জানেন। হয়তো ঘনিষ্ঠ আত্মাদের ডেকে কথাবার্তা বলছেন। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেবযান বইটা ইংরেজিতে কেউ অনুবাদ করেছে কিনা অর্জুনের জানা নেই, থাকলে ওঁকে পড়তে দেওয়া যেত।

    সার্কিট হাউসের সামনে বাইকে উঠতেই অর্জুন শুনতে পেল, কী খবর? এখানে?

    সে পেছন ফিরে তাকাতেই অবনীবাবুকে দেখতে পেল। জলপাইগুড়ি থানার ও.সি অবনীবাবু মানুষটি ভাল। অর্জুনের সঙ্গে সুসম্পর্ক রয়েছে। অর্জুন বাইক থেকে নেমে বলল, বাইরে থেকে দুজন অতিথি এসেছেন, দেখা করতে এসেছিলাম। আপনি?

    আরে বলবেন না। ওপরওয়ালা এসেছেন। ডেকে এনে ধমকালেন। কেন এটা হচ্ছে, কেন ওটা হচ্ছে। অবনীবাবুকে একটু বিরক্ত দেখাল।

    অর্জুনের মনে পড়ে গেল, তিস্তার ওপাশে হাইওয়েতে নাকি সন্ধের পরে ছিনতাই হচ্ছে? গাড়ি থামিয়ে করছে?

    আরে! এই খবর আপনি পেয়ে গেছেন? হ্যাঁ। পরপর কয়েকটা হয়েছে। গাড়িগুলো থেমে যাচ্ছে আর মুখোশপরা ছিনতাইবাজরা যা পাচ্ছে কেড়ে নিচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত খুনখারাপি করেনি।

    সেটা কেউ বাধা দেয়নি বলে করেনি। কারা করছে?

    কোনও ক্লু পাইনি। পরিচিত ছিনতাইবাজরা ইংরেজিতে কথা বলতে পারে, এরা নাকি বলে। দুটো গাড়ির ড্রাইভার একই স্টেটমেন্ট দিয়েছে।

    আচ্ছা, ওই সময় হাইওয়ে ফাঁকা থাকার কথা। গাড়িগুলো যাওয়া-আসা করে বেশ দ্রুতগতিতে। এরা ওদের থামায় কী করে?

    এটাই মিস্ট্রি। ঠিক ছিনতাইবাজদের সামনে এসে গাড়িগুলো দাঁড়িয়ে যায়। ভাবছি আজ একটু টহলে বের হব।

    অর্জুন হাসল, আপনার গাড়ি দেখতে পেলে ওরা ভদ্রলোক হয়ে যাবে। ওরা কি কোনও একটা বিশেষ জায়গায় রোজ ছিনতাই করছে?

    না। জায়গা পালটাচ্ছে। তবে তিস্তা ব্রিজের এক মাইলের মধ্যেই ঘটনাগুলো ঘটেছে। ঠিকই বলেছেন, আমার গাড়ি না নিয়ে প্রাইভেট গাড়িতে যাওয়াই ভাল। আসবেন নাকি আমার সঙ্গে?

    কোনও কাজ যখন নেই, তখন যাওয়া যেতে পারে। অর্জুন বলল।

    অবনীবাবু ঘড়ি দেখলেন, তা হলে মিনিট পঁয়তাল্লিশের মধ্যে থানায় চলে আসুন। অবনীবাবু তাঁর জিপের দিকে এগোলেন।

    বাড়ি ফিরে এ পি সাহেবকে ফোন করল অর্জুন। তিনি মাত্র পাঁচ মিনিট আগে ফিরেছেন। অর্জুনের গলা পেয়েই বললেন, সন্তু আমাকে বাগানে ফোন করেছিল। তুমি বলেছ কোনও বড় খারাপ কাজ করার আগে ওকে এখান থেকে সরিয়ে দেওয়া দরকার। কিন্তু আজ অফিসে ও তোমার সঙ্গে যে ব্যবহার করেছে তাতে আমি খুব অপমানিত বোধ করছি। তুমি কি নিশ্চিত ও খারাপ কাজ করছে?

    হ্যাঁ।

    কী কাজ?

    সেটা জানতে হলে ওকে হাতেনাতে ধরতে হয়। আর ধরা পড়লে আইন তার মতো কাজ করবে। আপনি নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন।

    নিশ্চয়ই। ও যদি কোনও অন্যায় করে থাকে তা হলে আমি চাইব শাস্তি হোক। আমার দূরসম্পর্কের আত্মীয় হলেও আমি ওকে বাঁচাবার চেষ্টা করব না। আমি চেয়েছিলাম তেমন কিছু করার আগে ওকে সাবধান করে দিতে। ও যদি ইতিমধ্যেই অপরাধী হয়ে থাকে তা হলে আইন ওর বিচার করুক। থ্যাঙ্কু অর্জুন। এ পি সাহেব টেলিফোন রেখে দিলেন। মানুষটির প্রতি শ্রদ্ধা বেড়ে গেল অর্জুনের।

     

    তিস্তা ব্রিজের ওপর গাড়িটা থামিয়ে অবনীবাবু ড্রাইভারকে পাঠালেন টোল দিতে। এখনও এই ব্রিজ পারাপার করতে টাকা দিতে হয়। সরকারি গাড়ি, বিশেষ করে গাড়ি বদি পুলিশের হয় তা হলে তাদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়। কিন্তু অবনীবাবু যেন ইচ্ছে করেই জানাতে চাইলেন তাঁরা সরকারি মানুষ নন! অন্ধকার গাড়ির ভেতর বসে থাকায় টোল যারা সংগ্রহ করছে তারা তাঁকে চিনতে পারল না।

    মোড় পর্যন্ত চলে এসে অবনীবাবু বললেন, আমি কিন্তু আমার এলাকার বাইরে চলে এসেছি। এবার ফিরতে হয়।

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল, শেষ ছিনতাই কোথায় হয়েছিল?

    গাড়িটা আবার ব্রিজের দিকে ফিরে যাচ্ছিল। রাস্তাটা যেখানে বাঁক নিয়েছে সেখানে পৌঁছে অবনীবাবু বললেন, এখানে।

    গাড়ি থামল না। অর্জুন দেখল জায়গাটা বেশ অন্ধকার। দুপাশে লুকিয়ে থাকার মতো চমৎকার পাথরের আড়াল রয়েছে। অর্থাৎ ছিনতাই যারা করছে তারা প্রথমে লুকিয়ে থাকার আড়াল খুঁজবে। একই জায়গায় পরপর দুদিন তারা নিশ্চয়ই ছিনতাই করবে না। করাটা স্বাভাবিক নয়।

    খানিকটা যাওয়ার পর রাস্তার দুপাশে গাছ চোখে পড়ল। গাড়ির হেডলাইটের আলোয় বোঝা গেল ওখানে লুকিয়ে থাকলে রাস্তা থেকে দেখা সম্ভব নয়। দূরে ব্রিজের আলো দেখা যাওয়ামাত্র অর্জুন গাড়িটাকে থামাতে বলল। ডানদিকে একটা কাঁচা রাস্তা নেমে গেছে। সে অবনীবাবুকে বলল, গাড়িটাকে নীচে নিয়ে গিয়ে একটু অপেক্ষা করা যায় না?

    কেন? ওহো, আপনি ভাবছেন ঠিক এখানেই ছিনতাই করবে ওরা। কী মশাই, জ্যোতিষী হলেন কবে থেকে? অবনীবাবু হাসলেন।

    ছিনতাই করে ওরা চলে যায় কীসে?

    কোনও ড্রাইভার বা গাড়ির প্যাসেঞ্জার সেটা দেখেনি। ওরা অন্ধকারে মিলিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে তারা।

    ওরা নিশ্চয়ই হেঁটে আসবে না। আমরা এই আড়ালে থেকে লক্ষ করতে পারি কোনও সন্দেহজনক গাড়ি যাচ্ছে কি না!

    তা পারি।

    অবনীবাবুর নির্দেশে গাড়ি নীচে নামিয়ে মুখ ঘুরিয়ে রাখা হল। এই গাড়িতে এ দুজন ছাড়া আরও তিনজন পুলিশ রয়েছে। এদের সঙ্গে কী অস্ত্র আছে অর্জুন চান না। ছিনতাই যারা করছে তারা নিশ্চয়ই খালি হাতে আসে না।

    গাড়ি থেকে নেমে ওরা এমন একটা আড়ালে দাঁড়াল, যেখানে রাস্তায় ছুটে যাওয়া গাড়ির হেডলাইটের আলো পড়ছে না। এখন রাত দশটা। হাইওয়েতে গাড়ি চলাচল কমে এসেছে। যারা যাচ্ছে তাদের গতি স্বাভাবিকের থেকে বেশি।  আজ রাত্রে যে ওরা আসবেই তার তো কোনও নিশ্চয়তা নেই। এই সময় দূরে মোটরবাইকের আওয়াজ পাওয়া গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৬ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }