Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প731 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪. দুটো মোটরবাইককে তীব্র গতিতে

    দুটো মোটরবাইককে তীব্র গতিতে ছুটে যেতে দেখল অর্জন। হেডলাইটের আলোর পেছনে থাকায় চালকের মুখ দেখা যাওয়ার কথা নয়। কিন্তু প্রতিটি মোটরবাইকে দুজন বসে ছিল। অর্জুন অবনীবাবুর দিকে তাকাল।

    অবনীবাবু মিলিয়ে যাওয়া মোটরবাইকের আলোর দিকে তাকিয়ে বললেন, এত জোরে চালালে তো অ্যাক্সিডেন্ট হবেই।

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল, আপনি তখন বললেন, যারা ছিনতাই করছে তারা মুখে মুখোশ পরে থাকে। তাই তো?

    অবনীবাবু বললেন, হ্যাঁ। কেন বলুন তো?

    আপনার ঠিক মনে আছে?

    তাই তো বলেছিল। মুখ দেখতে পায়নি, ঢাকা ছিল।

    মুখ তো কাপড় দিয়ে ঢাকা যেতে পারে, হেলমেটেও ঢাকা পড়ে।

    হেলমেটে? অবনীবাবু যেন নিজেকেই প্রশ্ন করলেন।

    জায়গাটা সুনসান। ওপাশে কিছু জোনাকি এলোমেলো উড়ছে। মানুষজনের চিহ্ন নেই এদিকে। কিন্তু মশা আছে। তারা সক্রিয় হয়ে উঠতেই সেপাইরা চড় মারতে লাগল নিজেদের শরীরে। অবনীবাবু বললেন, হ্যাঁ, হতে পারে। আমার ঠিক পরিষ্কার মনে পড়ছে না। তা হেলমেট পরা থাকলে ওরা এসেছিল মোটরবাইকে চেপে। একটু আগে দুটো মোটরবাইককে চলে যেতে দেখলে? আমরা কি ওদের চেজ করব?

    প্রথমত, এত পরে ধরতে পারা যাবে না। দ্বিতীয়ত, ওরাই যে ছিনতাই করছে। তা প্রমাণ করবেন কী করে? চলুন, এখানে আর কতক্ষণ থাকা যায়?

    অবনীবাবু একমত হলেন। গাড়িটা রাস্তার ওপর উঠে আসার পর বললেন, কয়েকবার এই তিনমাইল রাস্তাটা টহল দিয়ে যাই। অন্তত ওপরওয়ালাকে বলা যাবে।

    আধমাইলটাক যাওয়ার পর ওরা একটা মারুতি কারকে রাস্তার একপাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখল। এর আগে যখন এই পথে এসেছে তখন মারুতিটা ছিল না। অবনীবাবু গাড়ি দাঁড় করাতে বললেন। হেডলাইট ঘোরাতেই দেখা গেল একটা লোক স্টিয়ারিং-এর ওপর হুমড়ি খেয়ে পড়ে আছে। পেছনেও একজন রয়েছে।

    তাড়াতাড়ি গাড়ি থেকে নেমে ওরা ছুটে গেল। যে গাড়ি চালাচ্ছিল তার জ্ঞান নেই। টর্চের আলোয় দেখা গেল কপালের একপাশ দিয়ে রক্ত গড়াচ্ছে। পেছনের সিটে যিনি বসে আছেন তাঁর মুখে টেপ লাগানো। হাত দুটো পেছনে বাঁধা। টর্চের আলোয় তাঁর বিস্ফারিত চোখ দেখা গেল। তাড়াতাড়ি দরজা খুলে ভদ্রলোককে বন্ধনমুক্ত করতেই তিনি হাউমাউ করে চেঁচিয়ে উঠলেন।

    অবনীবাবু বললেন, আরে আপনি? কী হয়েছে?

    কী আর হবে? সর্বস্বান্ত হয়ে গেলাম মশাই। ডাকাতি। ডাকাতি হয়ে গেছে।

    ভদ্রলোকের নাম নবগোপাল ঘোষ। শহরের নামকরা কন্ট্রাক্টর। তাঁকে শান্ত হতে বলে অবনীবাবু ড্রাইভারকে নিজের গাড়িতে তুলে তখনই হাসপাতালে পাঠিয়ে দিলেন। পুলিশরাও ওই গাড়িতে ফিরে গেল।

    নবগোপালবাবু হঠাৎই ঝিমিয়ে গেলেন। দু হাতে মুখ ঢেকে গাড়িতে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন এবং সেই অবস্থায় জিজ্ঞেস করলেন, ও মরে গেছে?

    না। মাথায় আঘাত লেগেছে। কী হয়েছিল বলুন তো?

    আমার সব নিয়ে গিয়েছে ওরা। দু-দুলক্ষ টাকা ব্রিফকেসে ছিল।

    কী করে নিল?

    এই হতচ্ছাড়া কেশব, আমার ড্রাইভার, এত জোরে গাড়ি চালায় যে নাড়িভুড়ি পেট ছেড়ে বেরিয়ে আসে। বার্নিশের মোড়ে ওকে ধমকাতে এমন আস্তে চালাতে লাগল যে, গোরুর গাড়িকেও হার মানায়। ও যদি আর একটু জোরে চালাতো তা হলে এই জায়গা আমরা অনেক আগেই পেরিয়ে যেতাম।

    তারপর? অবনীবাবু একটু অধৈর্য গলায় প্রশ্ন করলেন।

    ঠিক ওখানে আসামাত্র দেখলাম একটা কালো বেড়াল রাস্তা কেটে দিয়ে ওপাশে চলে গেল। চোখে আলো পড়ায় ওর চোখ ভয়ঙ্কর দেখাচ্ছিল। কেশব সঙ্গেসঙ্গে গাড়ি থামিয়ে দিল। বেড়াল রাস্তা কাটলে গাড়ি না থামালে নাকি অ্যাক্সিডেন্ট হয়। তার ওপর কালো বেড়াল! আরে, তুই যদি আর একটু জোরে চালাতিস তা হলে জায়গাটা পেরিয়ে যাওয়ার পর তো বেড়ালটা রাস্তা পার হত। গাড়ি থামাতেই ওরা ছুটে এল দুপাশ থেকে। কেশব বাধা দিতেই ওরা ওকে মারল।নবগোপালবাবু বড় শ্বাস নিলেন।

    কী দিয়ে মারল?

    দেখিনি। অন্ধকারে আমি তখন ব্রিফকেস আঁকড়ে বসে আছি। নবগোপালবাবুর নাক দিয়ে অদ্ভুত শব্দ বের হল, তারপর আমাকে টেনে হিচড়ে নামিয়ে ওই অবস্থা করে ব্রিফকেস নিয়ে ওরা চলে গেল। এ কী ভয়ঙ্কর অরাজকতা। উঃ।

    অবনীবাবু জিজ্ঞেস করলেন, ঠিক কত টাকা ছিল ওর মধ্যে?

    দু লক্ষ, টু লাখস! গোপালবাবু মাথা নাড়লেন। ওদের কারও মুখ দেখেছেন? অর্জুন জিজ্ঞেস করল। মুখ? ইয়েস। না, না। দেখিনি। ঢাকা ছিল।

    বাঙালি?

    কী জানি? ইংরেজিতে কথা বলছিল। আমার কী হবে এখন?

    আমি জলপাইগুড়ি থানার ওসি। চলুন, আপনার গাড়িতে আপনাকে এখন একটু থানায় নিয়ে যাচ্ছি। একটা ডায়েরি করতে হবে আপনাকে।

    পুলিশ? আমার পুলিশের ওপর কোনও আস্থা নেই।

    ঠিক আছে, কিন্তু যা নিয়ম তা তো পালন করতে হবে। আর ইনি হচ্ছেন অর্জুন। পুলিশ নন। প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটার। অবনীবাবু অর্জুনকে দেখালেন।

    হঠাৎ অর্জুনের হাত চেপে ধরলেন নবগোপালবাবু, আমি ভাই তোমার কথা শুনেছি। তুমি টাকাটা উদ্ধার করে দাও, আমি তোমাকে টেন পার্সেন্ট কমিশন দেব। আমি এককথার মানুষ। হ্যাঁ।

    আপনি বলছেন ডাকাতদের মুখ দেখতে পাননি। ওরা কারা তাই তো খুঁজে বের করা মুশকিল হবে। কীরকম বয়স বলে মনে হয়েছে? অর্জুন জিজ্ঞেস করল। নবগোপালবাবু তখনও ওর হাত ধরে রেখেছিলেন। প্রশ্ন শুনে মাথা নাড়লেন প্রবলভাবে, তখন ওসব মাথায় ছিল না ভাই।

    ওদের মাথায় হেলমেট ছিল? মনে করে দেখুন?

    হেলমেট? ইয়েস। ছিল। হেলমেটে মুখ ঢাকা ছিল বলে চিনতে পারিনি। একজন টর্চ জ্বেলেছিল, তার আলো হেলমেটে পড়ায় চকচক করছিল সেটা। তিনি বেশ জোরেই বললেন, তাই মাথাগুলো গোল-গোল দেখাচ্ছিল।

    নবগোপালবাবুর গাড়ি চালিয়ে নিয়ে এলেন অবনীবাবু। ভদ্রলোক পেছনের আসনে বসে ক্রমাগত নাক দিয়ে শব্দ করে চলেছেন। থানায় পৌঁছে ওঁর বিবৃতি লিপিবদ্ধ করার পর ওঁকে যখন বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হল তখন রাত প্রায় বারোটা।

    দুজনে একা হওয়ার পর অবনীবাবু বললেন, কী দুর্ভাগ্য বলুন। নাকের ডগার ওপর দিয়ে ডাকাতি করে গেল, অথচ কিছুই করতে পারলাম না।

    এখন পর্যন্ত পারেননি, পারবেন না তা তো নয়।

    দুর! একটাও ক্ল পাওয়া যাচ্ছে না।

    না, যাচ্ছে। প্রথমত, একটা কালো বেড়াল, যে খুব ট্রেইন্ড। এই শহরে নিশ্চয়ই বেশি লোকের কাছে ট্রেইন্ড কালো বেড়াল নেই।

    কালো বেড়াল? অবনীবাবু হতভম্ব।

    হ্যাঁ। ওটা ঠিক সময়ে রাস্তা পার হয় বলে গাড়ি থেমে যায়।

    আপনি বলছেন যারা ডাকাতি করছে তারাই বেড়ালটাকে ব্যবহার করছে?

    তাই তো স্বাভাবিক। দ্বিতীয়ত, মুখ হেলমেটে ঢাকা ছিল। তার মানে ওরা এসেছিল বাইকে চেপে। বাইকে চাপতে প্রৌঢ়রা তেমন পছন্দ করে না। তৃতীয়ত, ওরা কথা বলেছে ইংরেজিতে। সে ইংরেজি কতটা ঠিকঠাক তা নবগোপালবাবুর পক্ষে বোঝা সম্ভব ছিল না। কিন্তু ধরে নিতে পারি একেবারে অশিক্ষিত ডাকাত ইংরেজিতে কথা বলবে না। বলতে বলতে অর্জুন হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে উঠল, একটা টেলিফোন করতে পারি?

    নিশ্চয়ই।

    যন্ত্রটাকে টেনে নিয়ে নম্বর ঘোরালো অর্জুন। এত রাত্রে জেগে থাকার কথা নয়, রিঙ হয়েই যাচ্ছে। তারপর ঘুম-ঘুম গলা কানে এল, হ্যালো!

    অর্জুন বলছি।

    ও। এত রাত্রে? কী ব্যাপার?

    বাধ্য হয়েই বিরক্ত করছি। আপনি যদিও বলেছেন কোনও অন্যায় করলে সমর্থন করবেন না, তবু মনে হল আপনাকে জানানো উচিত।

    তুমি কোত্থেকে কথা বলছ?

    থানা থেকে।

    ও বুঝতে পারছি। আইন আইনের পথে চলুক, এ বাপারে আমার কিছু বলার নেই। এ পি সাহেব টেলিফোন রেখে দিতেই অর্জুন একটা বাইকের আওয়াজ শুনতে পেল। বাইরে সেপাইয়ের সঙ্গে কথা কাটাকাটি, তারপর প্রায় জোর করে যে দরজায় এসে দাঁড়াল তাকে এই সময়ে এখানে দেখার কথা চিন্তাই করেনি অর্জুন।

    অবনীবাবু অত্যন্ত বিরক্ত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, কী ব্যাপার? কী চাই আপনার?

    উত্তেজনা মানুষকে অন্ধ করে দেয়। সন্দীপ উত্তেজিত কিন্তু তাই বলে অর্জুনকে চিনতে পারছে না এখন? একবার তার দিকে চোখ বুলিয়ে অবনীবাবুর সামনে এগিয়ে গেল, আপনি তো ও.সি, আপনার সাহায্য চাই।

    কী ব্যাপারে?

    আমার বেড়ালটাকে পাওয়া যাচ্ছে না।

    কী? অবনীবাবু চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন, এত রাত্রে ইয়ার্কি মারতে এসেছেন?

    মোটেই না। আপনার সঙ্গে ইয়ার্কি মারার কী দরকার আমার? আমি থানায় এসেছি অভিযোগ জানাতে। এই বেড়ালটা সাধারণ বেড়াল নয়। অত্যন্ত বুদ্ধিমান, আমার প্রিয়। ওকে কেউ চুরি করেছে আমাদের বাড়ি থেকে। সন্দীপ বলল।

    অবনীবাবু হতাশায় কাঁধ নাচালেন, দেখুন, এত রাত্রে আমি কোনও বেড়াল নিয়ে মাথা ঘামাতে রাজি নই। আপনি প্রয়োজন মনে করলে ডায়েরি করে যেতে পারেন। বেড়ালের খোঁজ পেলে জানিয়ে দেওয়া হবে। কথা শেষ করেই বেল বিপলেন তিনি। একজন সেপাই এগিয়ে আসতে তাকে বললেন, এঁকে এস. আই. সাহেবের কাছে নিয়ে যাও, ডায়েরি করবেন।

    অর্জুন এগিয়ে গেল, নমস্কার সন্দীপবাবু, আমাকে চিনতে পারছেন?

    সন্দীপ চোখ ছোট করল, আপনি? এখানে?

    ও.সি সাহেবের সঙ্গে একটু গল্প করছিলাম। আপনার সমস্যাটা আমি বুঝতে পারছি। বেড়ালটাকে কখন থেকে দেখতে পাচ্ছেন না? অর্জুন জিজ্ঞেস করল।

    অবনীবাবু বাধা দিলেন, আমি তো ওঁকে বললাম ডায়েরি করে যেতে।

    সেটা নিশ্চয়ই উনি করবেন। কিন্তু ওঁর বেড়াল সাধারণ বেড়াল নয়। নিশ্চয়ই বিশেষ কিছু বিশেষত্ব আছে। উনি তো বললেন, বুদ্ধিমান বেড়াল। তাই আপনার উচিত ওঁর কথা একটু মন দিয়ে শোনা। সরি, উচিত শব্দটা ব্যবহার করা ঠিক হল না। কিন্তু ভেবে দেখুন, বাড়ির বেড়ালকে পাওয়া যাচ্ছে না বলে আমরা কি কেউ রাতদুপুরে থানায় ছুটে আসতাম? অর্জুন জিজ্ঞেস করল।

    সন্দীপ মাথা নাড়ল, ঠিক। এটাই আমি ওঁকে বোঝাতে চাইছিলাম।

    অবনীবাবু অর্জুনের দিকে তাকালেন, বেশ।

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল, বেড়ালটাকে শেষবার কখন দেখা গেছে?

    সন্ধেবেলায়। ও নিয়ম করে দিনে দুবার বাগানে যায়। আজ পর্যন্ত ঘর নোংরা করেনি। আমিই নিয়ে যাই। কিন্তু আজ একটু তাড়া থাকায় মাকে বলেছিলাম বাগানে নিয়ে যেতে। বলে বেরিয়ে গিয়েছিলাম বাড়ি থেকে। একটু আগে ওর খোঁজ করতে দেখলাম ও নেই।

    আপনার মা কী বলছেন?

    মা বলছেন বেড়ালটা নাকি বাগান থেকে সোজা সিড়ি দিয়ে উঠে আমার ঘরে চলে গিয়েছিল। ও আমার ঘরেই থাকে।

    তারপর?

    অথচ ও যায়নি। মা ভুল দেখেছে অথবা ভেবে নিয়েছে।

    অবনীবাবু হঠাৎ জিজ্ঞেস করলেন, বেড়ালটা আপনার কাছে দামি?

    হ্যাঁ নিশ্চয়ই। পোষা প্রাণী তো, দামি হবেই। সন্দীপ জবাব দিল।

    আপনি বলেছেন ও খুব বুদ্ধিমান ছিল। কীরকম? অবনীবাবু জিজ্ঞেস করলেন।

    আমি যা বলতাম, ও বুঝতে পারত। এমনকী যদি বলতাম সিগারেটের প্যাকেটটা নিয়ে আয়, ও মুখে করে নিয়ে আসত। কখনও বাগান ছাড়া বাড়ির বাইরে যেত না। আমি ওকে ফেরত চাই অফিসার।

    কীরকম দেখতে ছিল?

    কালো। একটু বেশি কালো। আমি ওকে চারদিন বয়সে একটা ভুটিয়ার কাছ থেকে এনেছিলাম। মনে হয় ও ভুটিয়া বেড়াল। গায়ের লোমগুলো ঘন আর সাধারণ বেড়ালের চেয়ে বড়।

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল, অন্ধকারে ওর চোখ জ্বলে?

    ঝট করে ঘাড় ঘোরালো সন্দীপ, ওই ধরনের যে-কোনও প্রাণীর চোখ অন্ধকারে জ্বলে। কিন্তু তাই বলে আমার বেড়াল মোটেই হিংস্র নয়।

    অবনীবাবুর নির্দেশে খাতা এল। সেখানে সন্দীপ তার নাম-ঠিকানা এবং অভিযোগ লিখল। খাতাটা এস, আইয়ের কাছে পাঠিয়ে দিয়ে ডায়েরির জন্য পাঠিয়ে দিলেন তিনি।

    হঠাৎ অর্জুন জিজ্ঞেস করল, আপনি কি কাউকে সন্দেহ করেন?

    সন্দেহ? বেড়াল চুরি কেউ করবে বলে ভাবিনি। তবে একটা লোক দিনকয়েক আগে এসেছিল। আমার বেড়ালটাকে দেখতে চাইছিল। লোকটার ভাবভঙ্গি ভাল লাগেনি বলে আমি তাকে পাত্তা দিইনি।

    কোথায় থাকে সে?

    আমি জানি না।

    আচ্ছা সন্দীপবাবু, আজ সন্ধেবেলায় বাড়ি থেকে বেরোবার পর আপনি কোথায় গিয়েছিলেন, কাদের সঙ্গে ছিলেন? অর্জুন জিজ্ঞেস করল।

    তার সঙ্গে বেড়াল চুরির কী সম্পর্ক?

    আপনার বলতে আপত্তি আছে?

    হ্যাঁ, এটা আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার।

    অবনীবাবু বোধ হয় আর ধৈর্য রাখতে পারলেন না। বললেন, আরে ভাই জলপাইগুড়ি শহরে তোমার বয়সী ছেলে সন্ধেবেলা এমন কী করতে পারো, যা বলতে অসুবিধে হচ্ছে?

    সন্দীপ এক মুহূর্ত ভাবল, আমরা আড্ডা মারছিলাম।

    কোথায়? অর্জুন জিজ্ঞেস করল।

    এটাও বলতে হবে?

    আমি বুঝতে পারছি না, আপনি যদি কোনও অন্যায় না করে থাকেন তা হলে বলতে অসুবিধে হচ্ছে কেন?

    আমি অন্যায় করেছি বলে মনে হচ্ছে আপনার? সন্দীপ হঠাৎ রেগে গেল, আপনি আমাকে অপমান করছেন।

    অবনীবাবু বললেন, দেখুন ভাই, আমরা খুব ডিস্টার্বড হয়ে আছি। আজ সন্ধের পর তিস্তা ব্রিজের ওপাশে ডাকাতি হয়েছে। ড্রাইভার খুব ইনজিওরড। এর আগেও হচ্ছিল কিন্তু কেউ আহত হয়নি।

    তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক কোথায়?

    আমি একবারও বলিনি সম্পর্ক আছে। যারা ডাকাতি করেছে তারা মোটরবাইকে চেপে গিয়েছিল। এই শহরেরই ছেলে।

    কী করে বুঝলেন এই শহরের ছেলে?

    অনুমান। আপনিও তো মোটরবাইকে এসেছেন।

    সন্দীপ হঠাৎ শব্দ করে হাসল, আমি কোন পরিবারের ছেলে তা আপনি জানেন না। তা ছাড়া যদি ডাকাতি করে থাকি তা হলে ভুলেও থানায় আসতাম না।

    সেটা ঠিক। আবার বেঠিকও হতে পারে। যাক গে, আপনি যেতে পারেন, যদি খবর পাই তা হলে বেড়ালটাকে উদ্ধার করার চেষ্টা করব।

    অবনীবাবুর কথা শেষ হলে সন্দীপ সুবোধ বালকের মতো উঠে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। অর্জুন বলল, আজ রাত্রে ঘুমের বারোটা বেজে গেল।

    কেন?

    ডাকাতরা একটা বেড়াল ব্যবহার করেছে গাড়ি থামাতে। সন্দীপের বেড়াল যদি ওরা চুরি করে নিয়ে যায়, তা হলে সন্দীপ নির্দোষ। আবার ডাকাতির পর যদি বেড়াল চুরি যায়, তা হলে ও এখানে আসবে কেন?

    আপনি কী করে মনে করছেন দুটো বেড়াল একই।

    হয়তো ভুল হচ্ছে। কিন্তু এমনও তো হতে পারে বেড়ালটা আদৌ চুরি যায়নি। সন্দীপ একটা বাহানা করে গেল। অর্জুন বলল।

    উঠুন, বাড়ি যান। কাল সকালে ভাবা যাবে।

    দাঁড়ান। অর্জুন টেলিফোনের কাছে গেল। নাম্বার ঘুরিয়ে সাড়া পেতেই বলল, মাসিমা, বেড়ালটাকে পাওয়া গিয়েছে?

    পাওয়া যাবে কেন? খোকা যে বলল ওটাকে কোন তান্ত্রিকের কাছে রেখে এসেছে। কে বলছ বাবা? সন্দীপের মা জিজ্ঞেস করল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৬ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }