Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প731 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. সকালে ঘুম ভাঙামাত্র মনে পড়ল

    সকালে ঘুম ভাঙামাত্র মনে পড়ল মেজরের কথা। কাল অনেক রাত্রে বাড়ি ফিরেছিল অর্জুন। অবনীবাবু তাকে একা ছাড়েননি। সঙ্গে জিপ নিয়ে বাড়ি পর্যন্ত এসেছিলেন। পুলিশের কিছু অফিসার অবনীবাবুর মতো ভদ্র, বিনয়ী এবং শিক্ষিত বলে মানুষ ভরসা পায়। অবনীবাবু চেয়েছিলেন কাল রাত্রেই সন্দীপদের বাড়িতে যেতে। সন্দীপ যে ওই ডাকাতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত এটা ওঁর কাছে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। কিন্তু অর্জুন আপত্তি করেছিল। প্রমাণ হাতে না আসা পর্যন্ত সন্দীপকে গ্রেফতার করলে ভুল করা হবে। লুঠ করা টাকাগুলো নিশ্চয়ই সন্দীপ বাড়িতে রাখেনি। বেড়ালটাকেও সে উধাও করে দিয়েছে। জামিন পেতে তার কোনও অসুবিধে হবে না। কোনও সাক্ষীকে হাজির করানো যাবে না ওকে শনাক্ত করতে।

    ডায়েরির সূত্র ধরে অবনীবাবু নিশ্চয়ই ওর বাড়িতে যেতে পারেন। কিন্তু রাতদুপুরে যাওয়াটা অত্যন্ত অশোভন বলে উনি আজ সকালে যাবেন বলে ঠিক করেছেন।

    বেরোবার আগে মা বললেন, হ্যাঁ রে, ওরা কি আজ দুপুরে এখানে খাবে?

    বলতে পারছি না মা। যদি খেতে চায় তোমায় জানিয়ে দেব।

    বেশি বেলা করিস না। অন্তত ঘণ্টা দুই আগে বলিস।

    অর্জুন হেসে ফেলল। মেজরকে বেঁধে খাওয়াতে ইচ্ছে করছে, অথচ মা সরাসরি বলতে পারছে না।

    সার্কিট হাউসে গিয়ে অর্জুন জানতে পারল মেজর এবং গোরান সুলম্যান বেরিয়ে গেছেন। ওঁরা গিয়েছেন একটা রিকশায়। রিকশাওলার সঙ্গে নাকি সারাদিনের চুক্তি হয়েছে। চৌকিদার জানাল, বলে গেছেন দুপুরে খাবেন না।

    জলপাইগুড়ি শহরে সারাদিন ঘুরে দেখার মতো কিছু নেই। অর্জুন একটু ক্ষুণ্ণ হল এই ভেবে যে, মেজর তার জন্যে কোনও খবর রেখে যাননি। গতকাল ওঁরা সমস্ত জিনিসপত্র অমল সোমের বাড়িতে রেখে এসেছিলেন। কোনও কারণে যদি ওই বাড়িতে একবার ওঁদের যেতে হয় ভেবে অর্জুন বাইক ঘোরাল।

    হাবু বাগান পরিষ্কার করছিল। অর্জুনকে দেখে দাঁত বের করে হেসে উঠে দাঁড়াল। অর্জুন হাত নেড়ে ইশারায় জিজ্ঞেস করল মেজর এসেছিলেন কিনা। এটা করতে গিয়ে তাকে দুহাতে মেজরের ভুড়ি এবং গালে হাত বুলিয়ে দাড়ি দেখাতে হল।

    হাবু সঙ্গে সঙ্গে মাথা দুলিয়ে হ্যাঁ বলল। তারপর আঙুলের মুদ্রায় জানাল ওঁরা চলে গিয়েছেন। কোথায় গিয়েছেন জিজ্ঞেস করার কোনও অর্থ হয় না ভেবে অর্জুন গেটের দিকে ফিরে যাচ্ছিল কিন্তু হাবু আঁ আঁ শব্দ করে পেছনে আসতে লাগল। অর্জুন অবাক হয়ে তাকাতে হাবু ইশারায় যা বোঝাতে চাইল তা প্রথমে বোধগম্য হল না। কেউ ওর ইশারায় না বুঝলে খুব চটে যায় হাবু, মুখের অভিব্যক্তি পালটে যায়। তখন থুতু ছিটোয় মুখ থেকে। একটু সরে ভাল করে বোঝার চেষ্টা করল অর্জুন। শেষ পর্যন্ত ধরতে পারল। কেউ শুয়ে আছে আর তার নীচে দেশলাই জ্বেলে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে, এইরকম বোঝাতে চাইছে হাবু।

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল, কেউ মারা গিয়েছে?

    হাবু মাথা নাড়ল, না। তারপর হাত নেড়ে বোঝাতে চাইল সেখানেই গেছেন ওঁরা। অর্জুন খুব অবাক হল, শ্মশানে গেছেন?

    এবার খুশিতে উজ্জ্বল হল হাবু। ঘন ঘন মাথা নাড়তে লাগল।

    মাথামুণ্ডু বুঝতে পারছিল না অর্জুন। জলপাইগুড়িতে এসে মেজর কেন গোরানসাহেবকে নিয়ে শ্মশানে যাবেন? বোঝাই যাচ্ছে ওঁদের কথাবার্তা হাবু শুনতে পেয়েছে। ও ভুল করতেই পারে তবু শ্মশানটা দেখে এলেই হয়।

    জলপাইগুড়ি থেকে শিলিগুড়ি শহরে যাওয়ার পথে ডান দিকে যে শ্মশানটা রয়েছে সেটা একসময় শহরের বাইরে বুলে নির্জন ছিল। এখন শহর বাড়তে শুরু করার পর তার আশেপাশে বাড়িঘর হয়ে গেছে। পাশের যে সরু নদীটায় আগে জুল থাকত সেটাও শুকিয়ে গেছে। বাইক থেকে নেমে শ্মশানে ঢুকল অর্জুন। এই সকালে শহরের কাউকে দাহ করতে আনা হয়নি বলে কোনও চিতা জ্বলছে না। মেজর বা গোরানসাহেবকে কোথাও দেখল না সে। শুধু কয়েকটা অকেজো মানুষ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বসে আছে।

    বাবু, ডেডবডি আসবে নাকি?

    অর্জুন ঘাড় ঘুরিয়ে দেখল দড়ি পাকানো চেহারার একটি প্রৌঢ় দাঁড়িয়ে আছে পেছনে। সে মাথা নাড়ল। তারপর জিজ্ঞেস করল, আচ্ছা, আজ সকালে রিকশায় দুই ভদ্রলোককে এখানে আসতে দেখেছেন? একজন খুব মোটা, গোঁফওয়ালা, আর দ্বিতীয়জন বিদেশি।

    সাহেব?

    হ্যাঁ। আমরা এককালে সাহেবই বলতাম।

    এসেছিল। এই আমাকেই জিজ্ঞেস করল এই শ্মশানে কোনও সাধু আছে কিনা। এখানে সাধু থাকবে কী করে? ওদের বলে দিলাম অন্য শ্মশানের খোঁজ করতে।

    কোথায় গেল ওরা?

    দেবী চৌধুরানীর কালীমন্দিরের ওপাশে যে শ্মশান আছে, সেখানে চলে গেল। রিকশাওলাটা আজ ভাল কামাবে। লোকটা হাসল।

    রিকশাওলাটাকে তুমি চেনো?

    চিনব না? এখানে টান মারতে আসে। রিকশার হ্যান্ডেলে চাকা লাগিয়েছে, প্যাডল করলেই বনবন করে ঘোরে। লোকটা বলল।

    শ্মশান থেকে বেরিয়ে এল অর্জুন। হঠাৎ মেজর কেন সাধুর খোঁজে শ্মশানে ঘুরছেন? কাল রাত্রে তো এসব কথা বলেননি। আর শ্মশানে তো শুধু সাধুসন্ন্যাসীরাই থাকেন না, বাজে লোকেরও তো এটা আস্তানা। বিপদে পড়ার সম্ভাবনা কম নয়।

    এঞ্জিনিয়ারিং কলেজের রাস্তা ছেড়ে খানিকটা দূরে যাওয়ার পর দ্বিতীয় শোনটা দেখতে পেল অর্জুন। বাইক থামিয়ে বুঝতে পারল এখানে ওরা নেই। রাস্তা থেকেই জায়গাটা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। এটি এককালে শ্মশান ছিল কিন্তু এখন শহরের লোকজন এখানে মৃতদেহ দাহ করাতে আসে না। মিছিমিছি না ঘুরে রাজবাড়ির সামনে দিয়ে বাড়ি ফিরে যাবে বলে অর্জুন এগোতেই দূর থেকে রিকশাটা দেখতে পেল। খালি রিকশা ছুটে আসছে। গলা খুলে হিন্দি সিনেমার গান গাইছে রিকশাওলা। আর একটু কাছাকাছি হতে দেখা গেল রিকশার হ্যান্ডেলে রঙিন গোলাকার কিছু বনবন করে ঘুরছে। মাথায় কথাটা আসামাত্র অর্জুন বাইক থামিয়ে লোকটাকে থামতে বলে। ব্রেক কষলেও খানিকটা এগিয়ে গেল লোকটা। তারপর চিৎকার করে বলল, আজকে আর রিকশা চালাব না বাবু, আপনি অন্য রিকশা দেখুন।

    অর্জুন বাইক ঘুরিয়ে রিকশার পাশে চলে এল, অনেক রোজগার হয়ে গেছে?

    হ্যাঁ বাবু। রিকশাওলা হাসল। ওদের দুজনকে কোথায় ছেড়ে এলে?

    আপনি—।

    আমি ওদের বন্ধু।

    অ। ওঁরা গাড়ি ভাড়া করে চলে গেলেন। আমাকে কন্ট্রাক্টের টাকা দিয়ে দিয়েছেন। আপনি তো এখানেই থাকেন, না?

    হ্যাঁ। অর্জুন জিজ্ঞেস করল, ওঁরা কোথায় গিয়েছেন?

    শ্মশান ঘুরতে। বার্নিশের ওখানে প্রথমে গিয়েছেন।

    অর্জুন দাঁড়াল না৷ তিস্তা ব্রিজ পার হয়ে বার্নিশে পৌঁছে খোঁজ করতে করতে শ্মশানে চলে এল। এসেই বুঝল ওঁরা এখানে নেই, থাকলে একটা গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকত। এখানে শোন মাঠের ওপর। ছন্নছাড়া। কিছু খবর পাওয়ার আশায় সে বাইক থেকে নামতেই গলা শুনতে পেল, বাবু!

    অর্জুন গোরক্ষনাথকে এখানে আশা করেনি। গোরক্ষনাথ ততক্ষণে এগিয়ে এসেছে। আজ ওর পরনে গেরুয়া লুঙ্গি, গেরুয়া পাঞ্জাবি, কাঁধে বিশাল ঝোলা।

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল, এখানে?

    এই শ্মশানে শ্মশানে ঘুরে বেড়ানোটাই তো আমার কাজ। আপনার তো এসবে ঠিক আস্থা নেই, আপনি কীসের সন্ধানে এলেন?

    বিদেশ থেকে দুজন মানুষ এসেছেন। আমার বিশেষ পরিচিত। ওঁরাও শ্মশান ঘুরতে বেরিয়েছেন। ওঁদের খোঁজে এসেছি।

    দুজনের একজন কি সাহেব?

    হ্যাঁ। এখানে এসেছিলেন ওঁরা?

    আমি দেখিনি। একটু আগে শুনলাম, এখানে তান্ত্রিকের খোঁজ করছিলেন। তা বাবু, জলপাইগুড়ির শ্মশানে তো তান্ত্রিকরা নিয়মিত থাকেন না, হঠাৎ হঠাৎ আসেন।

    ওঁরা কোথায় গিয়েছেন?

    ধুকুয়ামারির শ্মশানে একজন সাধু আছেন, তাঁর কাছে গিয়েছেন বলে অনুমান করি। ধুকুয়ামারির কথা এখান থেকেই ওঁরা জেনেছেন।

    সেটা এখান থেকে কতদূরে?

    দূর আছে। আপনি যাবেন?

    হ্যাঁ।

    গোরক্ষনাথ অর্জুনের বাইকের দিকে তাকাল, আমাকে যদি পেছনে বসতে দেন তা হলে সঙ্গে যেতে পারি। সাধুর কথা কদিন থেকে শুনছি, চোখে দেখে আসি৷

    বেশ তো। অর্জুন বাইক থেকে নেমে দাঁড়াল। ওটাকে ঘুরিয়ে রাস্তার দিকে নিয়ে যেতে যেতে সে জিজ্ঞেস করল, কাক, শকুন আর বেড়ালের খবর কী?

    আপনি আমার সঙ্গে রসিকতা করছেন বাবু?

    আমি তো কিছুই করিনি, শুধু জানতে চাইছি ওদের পাওয়া গেল কিনা?

    সহজে কি যায়? দুর্লভ বস্তু। উঠব?

    হ্যাঁ।

    গোরক্ষনাথ উঠে বসতে অর্জুন বলল, কালো বেড়াল, যার চোখ অন্ধকারে জ্বলে, তাকে পেতে তো তেমন অসুবিধে নেই। এই শহরেই আছে।

    থাকলেই তো হল না, কোথাও না কোথাও খুঁত থাকবেই। হয় চেহারায়, নয় ব্যবহারে। এই তো হয় মুশকিল। গোরক্ষনাথ শক্ত করে হাতল ধরে বলল।

    ব্যবহারের খুঁত কীরকম?

    সে অনেক ব্যাপার। আমাদের চারপাশে অদৃশ্য হয়ে যাঁরা ঘুরে বেড়ান, তাঁদের জব্দ করা তো সোজা কথা নয়! একটু খুঁত থাকলেই সব শেষ।

    অর্জুন বাইক চালু করল, তা তো বটেই। কাক বা শকুনের ব্যাপারটা সত্যি কঠিন, কিন্তু ওই ধরনের বেড়াল তো গতকালই পাওয়া গিয়েছে, তাই না?

    মুখ না দেখতে পেলেও অর্জুন বুঝতে পারল গোরক্ষনাথ খুব অবাক হয়ে গিয়েছে। তার গলা বদলে গেল, আপনি কী করে জানতে পারলেন?

    দেখুন, কোনও সাধারণ মানুষ, কালো বেড়াল মার চোখ অন্ধকারে জ্বলে তাকে বাড়িতে নিয়ে এসে পুষতে চাইবে না। কালো বেড়ালকে সবাই অমঙ্গলের প্রতীক হিসেবে ভাবে। তার ওপর যদি ওটা বাচ্চা না হয় তা হলে তো কথাই নেই। অর্জুন বাইক চালাতে চালাতে বলছিল, গত রাত্রে রেসকোর্সের কাছে একটা বাড়ি থেকে কালো বেড়াল চুরি গিয়েছে, যার চোখ অন্ধকারে জ্বলে।

    কী বলছেন বাবু, চুরি গিয়েছে?

    হ্যাঁ। যাঁর বেড়াল তিনি ডায়েরি করেছেন থানায় এসে।

    আপনার কি মনে হয় আমি ওটাকে চুরি করেছি?

    আমি জানি না। তবে প্রয়োজন পড়লে তো মানুষ অনেক কিছু করে। সামনের রাস্তাটা দুদিকে ভাগ হয়েছে, কোনদিকে যাব?

    ডান হাতের রাস্তা। কিন্তু বাবু, আমি চুরি করিনি।

    তা হলে শহরে আর-একজন মানুষ আছে, যার কালো বেড়াল প্রয়োজন। অর্জুন বলল, সন্দীপ মিথ্যে ডায়েরি করবে কেন?

    সন্দীপবাবুই ডায়েরি করেছেন?

    বাঃ, ওর সঙ্গে চেনাশোনা আছে?

    না, ঠিক চিনি না।

    মিথ্যে বলা কি ঠিক হচ্ছে? গোরক্ষনাথ, ভূতপ্রেত হয়তো তেমন কিছু করলে ভয় পেতে পারে, পুলিশ কিন্তু পাবে না।

    পুলিশ আমাকে ধরবে?

    সন্দীপের বেড়াল চুরি করলে নিশ্চয়ই ধরবে।

    কিন্তু আমি চুরি করিনি। খবর পেয়ে ওই বাড়িতে গিয়েছিলাম। চাকরের কাছে বেড়ালটার যা বর্ণনা পেলাম তাতে মনে হল ওইরকম একটাকেই আমি খুঁজছি। একদিন সন্দীপবাবুর সঙ্গে দেখা করলাম। তিনি তো আমাকে প্রায় মারতে বাকি রেখেছিলেন। কোথায় থাকি, কী করি, জেনে নিয়ে তাড়িয়ে দিলেন।

    তারপর?

    দুপাশে তখন জঙ্গল শুরু হয়ে গিয়েছে। কীরকম স্যাঁতসেঁতে গন্ধ বাতাসে। গোরক্ষনাথ বলল, কাল রাত্রে আমি অবাক। উনি, মানে সন্দীপবাবু আমার বাড়িতে আসবেন, আমি ভাবতে পারিনি। বললেন, আমি যেন কয়েকদিন বেড়ালটাকে আমার কাছে রেখে দেখি ও পোষ মানছে কিনা। দশদিন পরে এসে খোঁজ নেবেন। আর বেড়ালটার কোনও ক্ষতি হলে উনি সহ্য করবেন না। বলুন, আমি কি চুরি করেছি?

    সন্দীপ যে গিয়েছিল, আপনার সঙ্গে এসব কথা হয়েছে, তার কোনও সাক্ষী আছে?

    সাক্ষী? গোরনাথ যেন একটু ভাবল, তারপর বলল, ওই বেড়ালটাই তো আমার কাছে আছে। আমার তো সংসার নেই, যে বুড়িটা দুটো বেঁধে দেয়, সে সব শুনেছে।

    বাঁক ঘুরতেই গাড়িটাকে দেখতে পেল। পুরনো অ্যাম্বাসাড়ার গাড়িটা রাস্তার একপাশে দাঁড়িয়ে রয়েছে। ড্রাইভার পেছনের সিটে শুয়ে আছে। জঙ্গলে ঘেরা কিছুটা খোলা জমি যে শ্মশান, তা বুঝতে অসুবিধে হল না। ওপাশে দুটো টিনের বাসাওয়ালা ঘর দেখা যাচ্ছে। কিন্তু মেজরদের দেখতে পেল না অর্জুন।

    এখানে তেনারা আছেন। গোরক্ষনাথ বাইক থেকে নেমে নাক টানল।

    কারা?

    তেনার। আমি ঘ্রাণ পাচ্ছি। হ্যাঁ, আছেন। ধুকুয়ামারির এই শ্মশানের নাম শুনেছিলাম। কিন্তু কখনও আসা হয়নি। দুটো হাত মাথার ওপরে তুলে তিন-চারবার কাউকে নমস্কার জানাল গোরক্ষনাথ। অর্জুনের হাসি পাচ্ছিল। গোরক্ষনাথ এমনভাবে কথা বলল, যেন সত্যি ভূতপ্রেতরা এই শ্মশানে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সে বলল, চলুন, একটু ঘুরে দেখা যাক। আর হ্যাঁ, সামনে যদি তেনাদের কেউ পড়েন তা হলে আমাকে সতর্ক করে দেবেন, যাতে ধাক্কা না লাগে। অর্জুন পা বাড়াল।

    পেছন পেছন আসছিল গোরনাথ, আমি জানি আপনি আমার কথা বিশ্বাস করছেন না, ঠাট্টা করছেন। কিন্তু আপনাকে আমি প্রমাণ দেবই।

    ওদের কথা শুনেই হয়তো একটা ঘর থেকে রোগা লিকলিকে এবং খাটো শরীরের মানুষটি বেরিয়ে এল। ঊর্ধ্বাঙ্গে কিছু নেই, একটা হাফপ্যান্ট জাতীয় বস্তু পরনে। চেঁচিয়ে জিজ্ঞেস করল, কী চাই?

    অর্জুনের আগেই গোরক্ষনাথ জবাব দিল, সাধুদর্শনে এসেছি ভাই।

    কোত্থেকে আসা হচ্ছে?

    জলপাইগুড়ি শহর থেকে।

    এখন তার দর্শন পাবেন না।

    একটু যদি অনুগ্রহ করেন, অনেকদূর থেকে এলাম–।

    ওই যে গাড়ি দেখছেন, এতে করে সেই আমেরিকা থেকে দুজন এসেছেন। বাবা তাঁদের সঙ্গে দেখা করেননি। শ্মশানে মড়া না এলে বাবা কাউকে দর্শন দেন না। মড়া নিয়ে আসুন, বাবাও দর্শন দেকেন। কথা শেষ করে ঘুরে দাঁড়াল লোকটাও।

    অর্জুন জিজ্ঞেস করল, যাঁরা ওই গাড়িতে এসেছেন তাঁরা কোথায়?

    লোকটা উলটোদিকের জঙ্গলটা হাত বাড়িয়ে দেখিয়ে দিয়ে ভেতরে ঢুকে গেল। গোরক্ষনাথ বলল, কী সর্বনাশ। মড়া পাই কোথায়?

    অর্জুন কোনও কথা না বলে সোজা এগিয়ে গেল। সরু পায়েচলা পথটায় পা দিতে মেজরের গলা শুনতে পেল। বেশ রেগে গিয়েছেন, তুমি তো হে চাণক্যের যমজ ভাই, পাজির পাঝাড়া। আমাকে তুমি চেনো না? আফ্রিকার কতবড় শয়তানকে এক ঘুসিতে শুইয়ে দিয়েছি আর তুমি তো তার তুলনায় একটা আস্ত ছারপোকা দাও, আসলি জিনিস চাই।

    অর্জুন কয়েক পা এগোতেই ওদের দেখতে পেল। একটা ডোবার পাশে পাথরের ওপর বসে আছেন মেজর। তাঁর সামনে দুটো বড় মাটির হাঁড়ি নিয়ে বসে আছে একজন বৃদ্ধ আদিবাসী। মেজরের ধমক খেয়ে হাঁড়ি থেকে তরল পদার্থ মাটির গ্লাসে ঢেলে এগিয়ে ধরল সামনে। খপ করে সেটি নিয়ে মেজর একটু গলায় ঢাললেন। তারপর সোল্লাসে বলে উঠলেন, গ্রেট। এই তো, এই জিনিস চাই। সক্রেটিস যদি তোমাকে পেত তা হলে কক্ষনো ছাড়ত না। আঃ! পুরোটা গলায় চালান করে মাথা নাড়লেন মেজর।

    আপনি হাঁড়িয়া খাচ্ছেন? অর্জুনের মুখ থেকে প্রশ্নটা বেরিয়ে এল।

    মেজর মুখ ফেরালেন। চোখ ছোট করে দেখার চেষ্টা করলেন, হু আর ইউ? কে তুমি? কোন সেন্ট?

    আমি অর্জুন।

    ও, তৃতীয় পাণ্ডব। তাই বলো? এসো এসো। বুঝলে, আমি পৃথিবীর কত জায়গায় গিয়েছি, গিয়ে সেখানকার সেরা জিনিস পান করেছি। কিন্তু এর মতো ভাল পানীয় কোথাও পাইনি। শুধু এই বস্তু ভালভাবে বোতলে ভরে রফতানি করলে তুমি টাকার পাহাড়ের ওপর শুয়ে থাকতে পারবে।

    আমি আপনাকে সকাল থেকে খুঁজছি।

    হোয়াই? আমি যে তোমার মাকে বলে এলাম দুপুরে খাব, তুমি খবর পাওনি? মেজর চোখ বড় করলেন।

    আপনি আমাদের বাড়িতে গিয়েছিলেন?

    ইয়েস। তারপর থেকে শ্মশানে শ্মশানে ঘুরে বেড়াচ্ছি গোরানের সঙ্গে। সে ব্যাটা গেল কোথায়? মেজর উঠে দাঁড়াবার চেষ্টা করে সফল হলেন।

    এই সময় পাশের জঙ্গল থেকে গোরানসাহেব বেরিয়ে এলেন। তাঁর শার্ট ছিঁড়ে গেছে। ডান হাতে একটা পাখি ছটফট করছে। গোরক্ষনাথের দিকে গোরানসাহেব তাকাতেই সে শিউরে উঠল। অর্জুন শুনল, বাবু, ইনি কে?

    কেন?

    দেখছেন না শকুন ধরে এনেছেন। বাবু, সাবধান। গোরক্ষনাথ থরথর করে কাঁপছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৬ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }