Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প731 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১১. দরজা-জানালা বন্ধ করে ঘুমোচ্ছিল অর্জুন

    দরজা-জানালা বন্ধ করে ঘুমোচ্ছিল অর্জুন, মা ঘুম ভাঙালেন, তখন থেকে লোকটা বাইরে দাঁড়িয়ে আছে, ওর সঙ্গে কথা বলে স্নানখাওয়া করে নিয়ে না হয় আবার ঘুমিয়ে পড়।

    সারারাত জেগে কয়েক ঘণ্টা ঘুমিয়েও অর্জুনের ঘোর কাটছিল না। জিজ্ঞেস করল, কে লোক? নাম কিছু বলেছে?

    হ্যাঁ, গোরক্ষনাথ।

    অর্জুন মায়ের দিকে তাকাল, মা বললেন, লোকটা যেন কীরকম!

    অর্জুন ধড়মড়িয়ে উঠে বাথরুমে চলে গেল। একটু ভদ্রস্থ হয়ে যখন বাইরের ঘরের দিকে এগোল তখন মা জিজ্ঞেস করল, চা দেব?

    হ্যাঁ। অর্জুন দেখল এখন বারোটা বাজে।

    দরজা খুলতেই গোরক্ষনাথকে দেখতে পেল সে। তাকে দেখে ডান হাত মুঠো করে কপালে দুইয়ে নমস্কারের ভঙ্গি করল সে। অর্জুন জিজ্ঞেস করল, কী ব্যাপার?

    একটু কথা ছিল। চারপাশে তাকাল গোরক্ষনাথ।

    আসুন।

    গোরক্ষনাথ ভেতরে এসে সন্তর্পণে বসল। অর্জুন তাকাল।

    গোরক্ষনাথ বলল, সন্দীপবাবুদের পুলিশ ধরেছে, ডাকাতি করত ওরা। মুশকিল হল আমাকেও ওরা জড়িয়ে ফেলবে ওই মামলায়।

    কেন? আপনি ওসব করতেন নাকি?

    না, না। প্রবল আপত্তি জানাল গোরক্ষনাথ, ওসব করার কথা চিন্তাও করতে পারি না। সেকেন্ড অফিসার বললেন, ডাকাতির মাল যার কাছে পাওয়া যায় তাকে যেমন শাস্তি দেওয়া হয়, তেমনি যার সাহায্যে ডাকাতি করা হয় তাকে যে হেফাজতে রাখে তাকেও ধরা হয়। আপনি বলুন, আমি কি জেনেশুনে বেড়ালটাকে আমার কাছে রেখেছি! ওরকম বড়লোকি বেড়ালকে এক মাস রাখলে আমি ফতুর হয়ে যাব।

    অর্জুন বলল, আপনি অবনীবাবুর সঙ্গে দেখা করেছিলেন?

    উনি নাকি সারারাত জেগে ছিলেন তাই এখন ঘুমোচ্ছেন, দেখা পাইনি।

    তা হলে নিশ্চিন্তে থাকুন। আপনার কোনও ভয় নেই।

    আপনি একটু দেখুন বাবু। ওই বেড়ালটাকে আমি থানায় ফেরত দিতে গিয়েছিলাম, ওনারা বললেন, না। বলেছেন, আমার সঙ্গে ওটাকে আদালতে তুলবেন। তবে একটা কথা বাবু, বেড়ালটা দেখতে পায়। হঠাৎ মুখচোখ পালটে গেল গোরক্ষনাথের।

    এই সময় মা চা দিয়ে গেলেন, সঙ্গে বিস্কুট।

    মা চলে গেলে অর্জুন জিজ্ঞেস করল, দেখতে পায় মানে?

    তেনাদের। কাল রাত্রে আমি প্রমাণ পেয়েছি।

    কীরকম?

    খাঁচার মধ্যে যেন লড়াই করছিল বেড়ালটা। একা একা।

    হঠাৎ মাথায় একটা বুদ্ধি খেলে গেল অর্জুনের। সে জিজ্ঞেস করল, এখানে আপনার কাজকর্ম এখন কীরকম? খুব চাপ?

    চাপ কোথায় বাবু? আগের দিন কি আছে? বেঁচে থাকার এত সমস্যা যে, মানুষের সময় কোথায় তেনাদের নিয়ে ভাবার? দিন পনেরো পরে রায়কত পাড়ায় একটা যজ্ঞ করতে হবে। কেন বাবু?

    চা খাব।

    মায়ের আপত্তি ছিল স্নানখাওয়া না সেরে বেরনোতে, কিন্তু তাঁকে বোঝাল, মেজরের সঙ্গে একবার দেখা করে আসা উচিত। ওরা বাড়ি থেকে বেরোতেই হাবুকে দেখতে পেল। হন্তদন্ত হয়ে আসছে। হাবু ইশারায় যা বোঝাল তাতে অর্জুন বুঝল এখন সার্কিট হাউসে যাওয়ার দরকার নেই। মেজর এবং গোরানসাহেব অমল সোমের বাড়িতে চলে এসেছেন এবং তাকে খবর পাঠিয়েছেন।

    ওদের আগে আগে হাবু যাচ্ছিল। গোরক্ষনাথের মুখ দেখে মনে হচ্ছিল তাকে। জোর করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। নেহাত পুলিশের ঝামেলায় সে পড়েছে, নইলে সে কখনওই অর্জুনের সঙ্গে দেখা করতে আসত না।

    অমল সোমের বাড়ির বারান্দায় দাঁড়িয়ে চিৎকার করছিলেন মেজর। তাঁর লক্ষ যার দিকে সেটি যে একটা কাক, তা বুঝে হেসে ফেলল অর্জুন। কাছে গিয়ে বলল, আপনি একটা কাককে ওভাবে ধমকাচ্ছেন?

    আরে বিস্তর কাক দেখেছি কিন্তু এমন পাজির পাঝাড়া কাক কখনও দেখিনি। সেই কখন থেকে এসেছি তখন থেকে সমানে চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে কানের পোকা বের করে ফেলল। ব্যাটা ইঁদুর, ধর্মের গাধা!

    অর্জুন মজা পেল, ধর্মের গাধা কী প্রাণী?

    কেন? কাশীতে যদি ধর্মের ষাঁড় থাকতে পারে তা হলে জলপাইগুড়িতে ধর্মের গাধা থাকবে না কেন? দেখছ, এখনও থামছে না হাঁড়িচাচাটা। মেজর বারান্দা থেকে নেমে একটা ছোট পাথর কুড়িয়ে নিয়ে কার্নিসে বসা কাকটার দিকে তার্ক করতে লাগলেন। হঠাৎ ছুটে এল গোরক্ষনাথ, মারবেন না, মারবেন না। একটু দাঁড়ান, ভাল করে দেখি।

    এ আবার কী? কাকের জন্যে দরদ উথলে উঠল? ওহে, কাক হল এমন চিজ, যে কখনও পোষ মানে না। হ্যাঁ। মেজর বললেন।

    হঠাৎ চিৎকার করে উঠল গোরক্ষনাথ। দুটো হাত মাথার ওপর তুলে নাচতে লাগল পেয়ে গেছি, পেয়ে গেছি বলে। এবং চিঙ্কার কানে যাওয়ামাত্র কাকটা চুপ করে একদিকে ঘাড় ঘুরিয়ে তাকে দেখার চেষ্টা করতে লাগল।

    এ এমন চিংড়ির মতো লাফাচ্ছে কেন হে অর্জুন? মেজর অবাক।

    গোরক্ষনাথ ছুটে এল অর্জুনের সামনে, বাবু, যে করেই হোক ওটাকে ধরতে হবে। ওই দেখুন ওর এক চোখ কানা। ডান দিকটা দিয়ে দেখতে পায় না বলে ঘাড় ঘুরিয়ে বাঁ দিকটা দিয়ে দেখার চেষ্টা করছে।

    কানা কাক? অর্জুনের মনে পড়ে গেল। খোঁড়া শকুন, কালো বেড়াল সংগ্রহে এসে গেছে কিন্তু গোরক্ষনাথ এখনও কানা কাক খুঁজে পায়নি।

    মেজরকে ব্যাপারটা বোঝাতে হল। প্রথমে তিনি বললেন, যতসব গ্যাঁজাখোরের কাণ্ড তারপর বললেন, একে দোষ দিয়ে লাভ নেই, আমেরিকাতেও এখন দিন দিন গেঁজেল বেড়ে যাচ্ছে। যাকগে, কাকটাকে ধরতে চাও?

    গোরক্ষনাথ সবেগে মাথা নাড়ল, হ্যাঁ বাবু।

    তা হলে ভাত নিয়ে এসো। ভাত ছড়ালে যেমন কাকের অভাব হয় না তেমনই কাক ধরতেও সুবিধে হয়। আফ্রিকার গভীর জঙ্গলে ইগমি নামের একটি উপজাতি থাকে। খুব কম লোকই তাদের দেখা পায়। আমি ওদের কাছ থেকে পাখিরা শিখেছিলাম।

    আফ্রিকা একটি বিশাল মহাদেশ। তার কিছুটা নাকি এখনও অনাবিষ্কৃত, সেখানে ইগমি নামের উপজাতি থাকতেই পারে। সন্দেহ প্রকাশ করে কোনও লাভ নেই। হাবুকে বলে কিছুটা শুকনো ভাত জোগাড় করা হল।

    কিন্তু মেজর যে কায়দাটা করল তা পশ্চিমবাংলার শিশুরাও জানে। একটা বড় ঝুড়ি খাড়া করে দড়ি দিয়ে বাঁধা হল। ভাত রাখা হল ঝুড়ির সামনে। দড়িটা লম্বা। সেটার প্রান্ত ধরে মেজর আড়ালে চলে গেলেন। কাকটা অনেকক্ষণ একচোখে যাচাই করল। কোনও কাককে অতক্ষণ এক জায়গায় বসে থাকতে দেখেনি অর্জুন। শেষ পর্যন্ত লোভ প্রবল হওয়াতে কাকটা উঁচু কার্নিস থেকে নেমে এল ঝুড়ির সামনে। এক পা দু পা করে ভাতের কাছে পৌঁছে গিয়ে খপ করে কিছুটা তুলে লাফিয়ে সরে এল ঝুড়ির আওতা থেকে। ঝুড়ি পড়ল না, কোনও বিপদ ঘটল না দেখে বোধহয় কাকটার সাহস বাড়ল। এগিয়ে গিয়ে গপগপ করে ভাত খেতেই মেজরের দড়ির টানে ঝুড়িটা পড়ে যেতেই চিৎকার করে উঠল গোরক্ষনাথ। কাকটা ধরা পড়ে গেছে।

    গোরানসাহেব কখন যে পেছনে এসে দাঁড়িয়েছিলেন কেউ টের পায়নি। এবার তিনি এগিয়ে এসে জানতে চাইলেন ব্যাপারটা কী? অর্জুন তাঁকে গোরক্ষনাথের সাধনার জন্যে যেসব সামগ্রীর প্রয়োজন, সেটা ব্যাখ্যা করল। সঙ্গে সঙ্গে চোখমুখ। উজ্জ্বল হয়ে উঠল গোরানসাহেবের। ঝুড়ির পাশে উবু হয়ে বসে লক্ষ করছিল গোরক্ষনাথ, তিনি তার পাশে গিয়ে দাঁড়ালেন, তুমি সত্যি বলছ?

    গোরক্ষনাথ মুখ তুলে সাহেবকে দেখে দু হাত নাড়ল, নো ইংরেজি।

    মেজর বাংলায় অনুবাদ করলে সে দ্রুত মাথা নাড়ল, ইয়েস ইয়েস।

    দেন হি উইল গো উইদ আস।

    মেজরের কাছে বাংলা শুনে গোরক্ষনাথের মুখ চুপসে গেল, আমাকে ছেড়ে দিন সাহেব। এত কষ্টে কাকটাকে পেয়েছি, এখন এখানে আমার ডিম্যান্ড বেড়ে যাবে।

    কত টাকা রোজগার করো দিনে?

    প্রতিদিন তো হয় না। তেমন খদ্দের পেলে সেটা হয়।

    গোরক্ষনাথ অর্জুনের দিকে তাকাল, ও বাবু, ওঁদের একটু বুঝিয়ে বলুন না!

    অর্জুন বলল, কিন্তু গোরক্ষনাথ, আপনার এখানে থেকে কোনও লাভ হবে না।

    কেন?

    পুলিশ তো বেড়ালটাকে নিয়ে যাবে। আর একটা বেড়াল জোগাড় না করা পর্যন্ত! তার চেয়ে এঁরা যা বলছে শুনুন। পুলিশের চোখের সামনে থেকে চলে গেলে তারাও হয়তো আপনাকে ভুলে যাবে। কদিন বাদে সব ঠাণ্ডা হয়ে গেলে ফিরে আসবেন।

    অর্জুনের কথাটা বোধহয় মনে ধরল গোরক্ষনাথের। তারপর একটু ভেবে বলল, আমার মুশকিল হল ওই বুড়িটাকে নিয়ে। আমি চলে গেলে কে ওকে দেখবে? কে ওর বাজার করে এনে দেবে? আচ্ছা, কদ্দূর যেতে হবে?

    হাসিমারার কাছে।

    অ। ঠিক আছে, পাড়ার একটা ছেলেকে বলে দেখি। কিছু পয়সা ওর হাতে ধরিয়ে দিয়ে যেতে হবে।

    গোরানসাহেব বুঝলেন গোরক্ষনাথ খুশি হয়েছে। উনি সঙ্গে সঙ্গে পকেট থেকে দুটো একশো টাকার নোট বের করে গোরক্ষনাথের হাতে গুঁজে দিলেন। এবার অর্জুন এগিয়ে এল ঝুড়িটার দিকে, কিন্তু গোরক্ষনাথ, মানলাম এই কাকটা কানা। কিন্তু আপনি বলেছিলেন ওকে জন্মাতে হবে কানা হয়ে। এই কাকটা যে সেই শ্রেণীর তা বুঝলেন কী করে?

    দাঁড়ান, দেখাচ্ছি। গোরক্ষনাথ তার জামাটা খুলে ফেলল। ডান হাত জামার ভেতর ঢুকিয়ে ঝুড়িটাকে সামান্য তুলে খানিকটা চেষ্টার পর কাকটাকে ধরে ফেলল। তারপর ঝুড়ি সরিয়ে ওটা বের করতে কাকটা আর্তনাদ শুরু করল। বাঁ হাতে ওর মুখ চেপে ধরে কানা চোখটাকে অর্জুনের সামনে নিয়ে এল সে, দেখুন বাবু, চোখটা একদম সাদা। কোনও খোঁচা খেয়ে কানা হলে আশেপাশের জায়গা ফুলে থাকত। চোখের মণিও অন্যরকম দেখাত। এ একেবারে আমার জন্যই এখানে বসে অপেক্ষা করছিল। তা হলে আমি যাই?

    অর্জুন মেজরকে জিজ্ঞেস করল, আপনারা কী ঠিক করলেন? আজই যাবেন, না কাল ভোরে রওনা হবেন?

    মেজর গোরানসাহেবকে প্রশ্নটা করতে তিনি বললেন, এখানে খামোকা সময় নষ্ট করে কী লাভ?

    অর্জুন জানাল, কিন্তু তৈরি হয়ে হাসিমারায় পৌঁছতে রাত হয়ে যাবে। বরং শহরে থেকে আর একটু প্রস্তুতি নিয়ে গেলে ভাল হয়।

    সেই সিদ্ধান্ত হল। গোরক্ষনাথ তার সাধনার সামগ্রী নিয়ে সকাল সাতটার সময় জলপাইগুড়ির রাজবাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকবে।

    গোরক্ষনাথ চলে গেলে অর্জুন মালপত্রগুলো ভাল করে দেখল। মেজর এখান থেকেই চাল ডাল নুন কিনে নিয়ে যেতে চান। যদি জঙ্গলের গভীরে থাকতে হয় টেন্ট পেতে, তখন দরকার হবে। অর্জুন জানতে চাইল, রাঁধবে কে?

    কেন? আমি কি মরে গেছি? বছর তিনেক আগে উত্তরমেরুর একটা ইলুতে বসে সিল দ্য মাঞ্চুরিয়ান রান্না করেছিলাম। ওঃ, তোমাকে কী বলব অর্জুন, তাই খেতে এত এস্কিমো জড়ো হয়েছিল যে, ইগলুতে বসে ঘামতে হয়েছিল আমাকে। মনে হয়েছিল ফ্যান থাকলে ভাল হত। মেজর স্বর্গীয় হাসি হাসলেন, যেটা তাঁর গোঁফদাড়ির জঙ্গল ছাপিয়েও দেখা গেল।

    ঘামতে হয়েছিল কেন? বেশি ঝাল দিয়ে ফেলেছিলেন?

    দুর। একটা বড় ইগলুতে কুড়িজন কোনওমতে আঁটতে পারে, সেখানে একশোজন ঢুকে পড়লে শরীরের গরমেই ভেতরটা তেতে উঠবে। ঘাম তো হবেই।

    কিন্তু ড়ুয়ার্সের জঙ্গলে সিল মাছ তো পাবেন না?

    উঃ, জঙ্গলে গিয়ে আমি তোমাকে রাইস দ্য হেন খাওয়াব।

    অর্জুন আর কথা বাড়াল না। যত জিনিস যাবে তা একটা গাড়িতে আঁটবে না। বড় সুমো গাড়ির ছাদে চড়ালে একরকম ম্যানেজ হতে পারে। ওঁরা অর্জুনকে দায়িত্ব দিলেন তার ব্যবস্থা করতে। তা ছাড়া জলপাইগুড়ি জেলার মধ্যে হলেও এস. পি. সাহেবের বিশেষ অনুমতি নিতে হবে।

    মেজর এবং গোরান আজ কৌটোর খাবার খাবেন। অতএব অর্জুন বিদায় নিয়ে বাড়ি ফিরে স্নান-খাওয়া শেষ করল। বাইরে যাওয়ার কথা বললে আগে মায়ের মুখ গম্ভীর হয়ে যেত। এখন শুধু বলেন, তাড়াতাড়ি ফিরে এসো।

     

    কদমতলার মোড়ে একটা সুমো গাড়ি পাওয়া গেল। ওখানেই প্রাইভেট ট্যাক্সিগুলো খদ্দেরের আশায় দাঁড়িয়ে থাকে। সুমো গাড়ির ড্রাইভারের নাম বটা। টাকাপয়সার কথা হয়ে যাওয়ার পর বটা বলল, দাদা, আপনাকে আমি চিনি। আপনি তো জলপাইগুড়ির গর্ব। আমাকে একটা ব্যাপারে মাপ করতে হবে। সন্ধের পর যদি গাড়ি না চালাই তখন আমার খোঁজ করবেন না।

    কেন?

    এই এমনি।

    অর্জুন বুঝল লোকটা তখন নেশা করবে। সে বলল, যদি তোমাকে রাতের জন্যে একেবারে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয় তা হলে যা ইচ্ছে করো, নইলে নয়। কথা হল, বটা ভোর ছটায় তার গাড়ি নিয়ে অর্জুনের বাড়িতে চলে আসবে। আর সুমোর ওপরে একটা ক্যারিয়ার লাগিয়ে নেবে আজই।

    বিকেলে থানায় এল অর্জুন। অবনীবাবুর চেয়ারে যে ভদ্রলোক বসে আছেন। তাঁর সঙ্গে এখনও আলাপ হয়নি ওর। এস. পি সাহেব নতুন এসেছেন। অবনীবাবুর উলটোদিকে বসে ছিলেন। অর্জুনকে দেখতে পেয়ে উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, আসুন, আসুন। সার ইনি অর্জুন, এঁর কথা আপনাকে বলছিলাম।

    এস.পি. সাহেবও উঠে দাঁড়িয়ে করমর্দন করে বললেন, অনেক, অনেক ধন্যবাদ। আপনার সাহায্য ছাড়া এত বড় ক্রিমিনালদের ধরা একটু কঠিন হত।

    অর্জুন বলল, আমার মনে হয় এরা বড় ক্রিমিনাল নয়। কিন্তু কাজটা যে ঠিক করেনি এতে সন্দেহ নেই। যা হোক, আমি আপনার কাছে যাচ্ছিলাম, এখানে দেখা পেয়ে ভাল হল।

    বলুন।

    আমরা আগামীকাল হাসিমারার দিকে যাচ্ছি। আমার সঙ্গে একজন বাঙালি এবং একজন ইংরেজভাষী আমেরিকান আছেন। ওঁরা ওদিকের জঙ্গলে কয়েকদিন থাকতে চান। এ ব্যাপারে কোনও অসুবিধে হলে যাতে লোকাল থানা সাহায্য করে তাই অনুরোধ করছি। অর্জুন বলল।

    নিশ্চয়ই। আমি জানিয়ে দেব। কিন্তু ফরেস্টে থাকতে হলে আপনাকে ডিএফওর সঙ্গে কথা বলতে হবে।

    ও। নিশ্চয়ই আমি তাঁর সঙ্গে দেখা করব।

    অবনীবাবু বললেন, আজ ওদের আমরা কোর্টে তুলেছিলাম। ওদের আত্মীয়রা বেলের জন্যে এসেছিল, একমাত্র সন্দীপের জন্যে কেউ আসেনি। কিন্তু আরও তদন্তের জন্যে কোর্ট ওদের কাউকেই বেল দেয়নি।

    অর্জুনের মনে পড়ে গেল, আচ্ছা, গোরক্ষনাথকে কবে লাগবে আপনার?

    ও ওই বেড়ালটার ব্যাপার! ওকে লাগবে কেস ওঠার সময়। দেরি আছে।

    গোরক্ষনাথ আমাদের সঙ্গে যাচ্ছে।

    সে কী? ওখানে ভূতপ্রেতের ব্যাপার আছে নাকি?

    তার চেয়ে একটু ভয়ঙ্কর। ড্রাকুলা। অর্জুন হেসে বেরিয়ে এল।

     

    ঠিক সকাল ছটায় বটা গাড়ি নিয়ে এল। অর্জুন তৈরি ছিল। গতকাল সন্ধেবেলায় সে ডিএফও সাহেবের সঙ্গে দেখা করে লিখিত অনুমতি নিয়ে এসেছে। তিনি তাঁর দফতরকে জানিয়ে দেবেন বলেছেন। মেজর এবং গোরানসাহেবকে তুলে সে চলে এল সুমো নিয়ে অমল সোমের বাড়িতে। কাল বিকেলে মেজর এত বাজার করেছেন যে বটার মুখ গম্ভীর হয়ে গেল। গাড়ির ছাদে মালপত্র তুলে ত্রিপল দিয়ে বেঁধেও যা উদ্বৃত্ত রইল তা পেছনের সিটে রাখতে হল।

    সুমো দেখে গোরানসাহেব খুশি। মেজরও। তিনি বললেন, আফ্রিকার জঙ্গলে আমি যে গাড়ি ব্যবহার করতাম সেগুলো হল ব্রিটিশ জিপ। খুব শক্তপোক্ত। পাম্প থেকে গাড়ির ট্যাঙ্ক ভর্তি করে নিয়ে ওরা শহর ছেড়ে যাওয়ার মুখে রাজবাড়ির সামনে দাঁড়াল। সেই ভোরে তিন-তিনটে খাঁচা আর একটা বড় ব্যাগ নিয়ে গোরক্ষনাথ দাঁড়িয়ে আছে। অর্জুন বলল, উঠে আসুন।

    খাঁচাগুলো তুলে পেছনের সিটে বসে গোরক্ষনাথ বলল, কাল রাত্রে খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম বাবু। এই তিনটে না থাকলে…!

    কেন, কী হয়েছিল? অর্জুন জিজ্ঞেস করল।

    তেনাদের কেউ পথ ভুল করে চলে এসেছিলেন। গোরক্ষনাথ বলল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৬ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }