Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অর্জুন সমগ্র ৩ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প731 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. অদ্ভুত হুটোপুটির আওয়াজ

    অদ্ভুত হুটোপুটির আওয়াজ আমার ঘুম ভাঙাল, সঙ্গে-সঙ্গে কানে এল কুঁই কুঁই শব্দ। একটু অবাক হলাম। সার অথবা মেয় কখনওই ওই শব্দ করতে পারেনি আজ পর্যন্ত। আজ কী হল! আলো জ্বালতেই দেখলাম সার তার বীভৎস দাঁত বের করে আলমারির ওপরদিকে তাকিয়ে আছে। দৃষ্টি অনুসরণ করতেই চমকে উঠলাম। কী ওটা? মুখ দেখা যাচ্ছে না, এদিকে পিঠ ফেরানো এবং সেই পিঠ ব্রাউন রঙের লোমে ঢাকা। আমায় উঠতে দেখে উৎসাহিত হয়ে সার লাফিয়ে খাটের ওপর উঠে আলমারির নাগাল পেতে চাইল। কিন্তু সেটা অনেক দূরত্বে হলেও জানোয়ারটা মুখ ফেরাল। ওরাং ওটাং।

    লম্বা হাত-পা থাকা সত্ত্বেও ওরাং ওটাং যে সারকে প্রচণ্ড ভয় পেয়েছে তা শরীরের থরথরানি দেখেই বোঝা যাচ্ছিল। মুহূর্তেই অবনীমোহনের কথা মনে পড়ল। তা হলে এই সেই ওরাং ওটাং, যে চুরি করে বেড়ায়। বেচারা এখন দুহাতের তালুতে মুখ ঢেকেছে কিন্তু ওর কুতকুতে চোখ আমায় দেখছে। বোধ হয় আমাকে সারের চেয়ে নিরীহ ভাবছে।

    আমি দুপা এগিয়ে যেতে বুঝলাম, ওর গলায় একটা রুপোলি চেন রয়েছে। অর্থাৎ পোষা জীব। কিন্তু এব্যাটা বাড়ির ভেতর ঢুকল কী করে? সব দরজা-জানলা তো বন্ধ। সার তখনও প্রবল রাগ নিয়ে আলমারি আঁচড়ে যাচ্ছে। প্রথমে ওর গলায় চেন পরিয়ে টেবিলের পায়ের সঙ্গে বেঁধে ফেললাম। তারপর দরজা বন্ধ করে ওরাং ওটাংটাকে ডাকলাম। চার-পাঁচবার বাংলায় ডেকেও কোনও সাড়া না পেয়ে গলা চড়িয়ে ইংরেজিতে বললাম নেমে আসতে। এবার হাত সরাল মুখ থেকে, সারকে ভাল করে দেখল ওরাং ওটাং। কিন্তু নামার কোনও চেষ্টাই করল না। সারকে ও ভয় পাচ্ছে, কিন্তু আমি শছে গেলে কামড়ে দিতে পারে। তার চেয়ে অবনীমোহনকে ফোন করে খবর দেওয়াই ভাল।

    ঘড়ির দিকে তাকালাম। এখন রাত দুটো। ঠিক করলাম এখন নয়, ভোর হলেই ফোন করব। কিন্তু ওরাং ওটাংটা ঢুকল কোনখান দিয়ে? শোয়ার ঘরের দরজাটা ভাল করে বন্ধ করে আমার বাড়িটা দেখতে লাগলাম আলো জ্বালিয়ে। কোথাও কোনও ফাঁক নেই। সিঁড়ি ভেঙে আমার গবেষণার ঘরের কাছে যেতেই চোখে পড়ল জানলার শার্সি ভাঙা। যে ফোকশ্রটি হয়েছে তা দিয়ে মানুষের গলে আসা সম্ভব নয়, কিন্তু ওরাং ওটাংয়ের পক্ষে সহজ। গবেষণার ঘরের আলো জ্বালতেই আমার চক্ষু চড়কগাছ! সবকিছু এলোমেলো। এমনকী আমার নতুন মেশিনটা কাত হয়ে আছে। আর তখনই চোখে পড়ল মেশিনের তলায় চাপা পড়ে আছে মেয়। ওর খুব ভাগ্য ভাল যে, মেশিনের একপাশে যে চোঙ রয়েছে সেটি ওর গলার ওপর এসে থেমে গিয়েছে কারণ মেশিনটি কাত হয়ে পড়েছিল। নইলে চোঙটি ওর গলায় বসে যেতে পারত। এই সাঙ্ঘাতিক কাণ্ড করেছে নিশ্চয়ই ওই ওরাং ওটাং। মেয় বোধ হয় ওকে দেখতে গিয়ে এই ঘরে চলে এসেছিল। কুকুরের হাত থেকে বাঁচার জন্যে এই ঘরের যন্ত্রপাতি উলটেপালটে প্রাণীটি নীচে পালায়। আর তখনই মেয় বেচারা চাপা পড়ে গিয়েছে।

    আমি কয়েকবার ডাকা সত্ত্বেও মেয় চোখ মেলল না, সাড়াও দিল না। যন্ত্রটা সরিয়ে সোজা করে রেখে মেয়র গায়ে হাত বোলালাম। না, ও মরে যায়নি, তবে জ্ঞান হারিয়েছে। মেয়র মাথায় অল্প জল ছড়িয়ে দিলাম। যেরকম অলস ও, অজ্ঞান হয়ে থাকার সময় ঘুমের আমেজ উপভোগ করলে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

    মেশিনটাকে দেখলাম, একপাশে চোট লেগেছে। চোঙের যে মুখটা মেশিনের সঙ্গে লাগানো থাকে, সেটি সামান্য সরে গিয়েছে। হয়ে গেল, আমার এতদিনের সব চেষ্টা একটা ওরাং ওটাং বারোটা বাজিয়ে দিয়ে গেল। কয়েকটা বই মাটিতে পড়ে গিয়েছিল। তাদের তুললাম। লন্ডনে একজন বিজ্ঞানী আমাকে প্রশ্ন করেছিলেন, শব্দের জন্ম ঘর্ষণ বা পারস্পরিক আঘাত থেকে। অর্থাৎ মিডিয়াম ছাড়া শব্দ তৈরি হয় না। আমাদের আকাশে মেঘ আছে যা শব্দসৃষ্টিতে মিডিয়ামের কাজ করে। কিন্তু মহাকাশে যেহেতু জলীয় কণা নেই, তাই মেঘের অস্তিত্ব নেই। অতএব আমি মেঘের স্তরের বাইরে কী করে শব্দের অস্তিত্ব কল্পনা করছি।

    আপাতচোখে কথাটা ঠিকই। মহাকাশে যেখানে হাওয়া নেই, মেঘ নেই, যেখানে শুধুই ধুধু শূন্যতা, সেখানে শব্দ বাজবে কী করে? আমি তাদের নৈঃশব্দ্যের শব্দ, সাউন্ড আর সাইলেন্স বোঝাতে চেষ্টা করব না। কিন্তু অবিরত যে সমস্ত নক্ষত্রের অংশ খসে পড়ছে এবং পড়ার সময় অন্য নক্ষত্রকে আঘাত করছে, তার শব্দমালার কথা বিস্মরিত হলে চলবে কী করে? দূর কোনও মহাকাশে সেই মুহূর্তে যে ভয়ঙ্কর শব্দ বাজে, তা পৃথিবীতে এসে পৌঁছয় না। কিন্তু যদি সেটা নিয়ে আসা যেত। আমি অবশ্য এসব কথা বলিনি। বব আমায় বুঝিয়ে দিয়েছে কাজ শেষ না করে সামান্য মুখ খোলাও ঠিক নয়।

    মেঝের ওপর নড়াচড়া শুরু করল মেয়। অর্থাৎ ওর জ্ঞান ফিরে এসেছে। বেশ জব্বর একটা আড়মোড়া দিয়ে সে চোখ খুলল। আমি আদর করে ডাকলাম, মেয়! খুব লেগেছে? মেয় মুখ তুলল। তারপর আমাকে চমকে দিয়ে ডেকে উঠল, ঘেউ!

    আমি যেমন নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না, তেমনই মেয় বোধ হয় খুব ঘাবড়ে গিয়েছিল। সে পিটপিট করে চারপাশে তাকাল। তারপর তড়াক করে লাফিয়ে উঠে প্রচণ্ড জোরে ডেকে উঠল, ঘেউ ঘেউ ঘেউ ঘেউ।

    নিজের গলায় স্বর ফিরে পেয়ে যেন পাগল হয়ে গেল মেয়। ঘরময় লাফিয়ে তীব্রবেগে নেমে গেল নীচের দিকে। আমি পাথরের মতো দাঁড়িয়ে ছিলাম। এ কী ব্যাপার হল? একটা বোবা কুকুর স্বর ফিরে পেল কী করে? হ্যাঁ, একথা ঠিকই, আমি অনেক সময় ভেবেছিলাম ওদের কোনও ভাল ডাক্তারের কাছে নিয়ে গিয়ে পরীক্ষা করিয়ে দেখি ভোকাল কর্ডে গোলমাল আছে কিনা। থাকলে অপারেশন করলে গলা ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু নানা ঝামেলায় এটা আর করা হয়নি। সেই ব্যাপারটা অপারেশন ছাড়াই হয়ে গেল কী করে? আমি ধীরে ধীরে নীচে নেমে এলাম। মেয় তার সদ্য আবিষ্কৃত আওয়াজ মনের আনন্দে ব্যবহার করে চলেছে। আমাকে দেখে ছুটে এসে কুঁইকুঁই করে লেজ নাড়ল।

    নিচু হয়ে মেয়-কে আদর করলাম। বললাম, তুই খুব লাকি। ভগবানের অশেষ করুণায় শব্দ পেয়েছিস গলায়।

    এবার আমার সারের কথা খেয়াল হল। ঘরের দরজা বন্ধ। দরজাটা খুললাম। সার দরজার ওপাশে টানটান হয়ে দাঁড়িয়ে আলমারির ওপর তখনও বসে থাকা ওরাং ওটাংটাকে লক্ষ করে যাচ্ছে। হঠাৎ আমার পেছন থেকে মেয় ছুটে এসে ঘরে ঢুকে ওরাং ওটাংটাকে প্রচণ্ড জোরে বকতে শুরু করল। ওরাং ওটাং আরও গুটিয়ে গেল। কিন্তু এই সময় আমি সারের মুখ দেখে খুব কষ্ট পেলাম। কেমন ফ্যালফ্যাল চোখে তাকিয়ে আছে সে মেয়র দিকে। এতদিন সে মেয়র চেয়ে অনেক বেশি এগিয়ে ছিল কিন্তু আজ গলার আওয়াজ ফিরে পেয়ে মেয় তাকে অনেক পেছনে ফেলে দিয়েছে। মাথা নিচু করে সে মেয়র দিকে ফিরে লেজ নাড়তে লাগল।

    ওই রাতটায় আর ঘুমোতে পারিনি। এর পেছনে মেয়র অবদানও ছিল। মাঝে-মাঝেই সে গলা খুলে ডেকে গিয়েছে। এতদিন যত ডাক সে ডাকতে পারত তা এক রাতে ডেকে নেওয়ার প্রবল ইচ্ছা যেন তাকে পেয়ে বসেছিল। তা ছাড়া দুটো চিন্তা একই সঙ্গে আমাকে কুরে খাচ্ছিল। ওরাং ওটাংটা কীভাবে এ বাড়িতে এল এবং কেন এল? দ্বিতীয়ত, আমার মেশিনটা কী এমন কাণ্ড করল যাতে মেয় গলার আওয়াজ ফিরে পেয়েছে। যদি মেশিন কাজটা করে থাকে তা হলে বুঝতে হবে আমি সঠিক পথে এগিয়েছি। কিন্তু ওপরের ছাদ বন্ধ ছিল। মেশিনটাকেও আমি চালু করতে পারিনি। ইদানীং পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় সামান্য অনুরণন ছাড়া কিছুই টের পাইনি। কিন্তু ওই অনুরণন আমাকে খুব উৎসাহিত করত। মনে হত, মেশিনটার যন্ত্রপাতির যথাযথ ব্যবহার বা সামান্য কোনও পরিবর্তন যা আমি বুঝতে পারছি না, তা করলে সাফল্য আসবে। আচ্ছা, এমন তো হতে পারে, ওই ওরাং ওটাং হুটোপুটি করে যন্ত্রটাকে ফেলে দেওয়ার সময় ওটা সঠিক জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে, যা আমি এতকাল চেষ্টা করেও করতে পারিনি। আর মেশিনের ভেতর হয়তো শব্দের কোনও সামান্য মাত্রা সঞ্চিত ছিল, যা চোঙের মধ্যে দিয়ে মেয়র স্বরনালীতে আঘাত করে বৈপ্লবিক কাজটা করে দিয়েছে।

    উত্তেজিত হয়ে বিছানা থেকে উঠে প্রায় দৌড়ে ওপরের ঘরে গেলাম। যন্ত্রটাকে আঁতিপাঁতি করে পরীক্ষা করেও নতুন কিছু আবিষ্কার করতে পারলাম না। ভোর হয়ে আসছিল। এক কাপ কফি বানিয়ে ছাদে চলে এলাম। বেশ আরামদায়ক বাতাস বইছে। মেয় ঘুরঘুর করছে বেশ গর্বের সঙ্গে। এই সময় গঙ্গাপদ এল। ওর কাছে ভেতরে ঢোকার জন্যে দরজার চাবি দেওয়া আছে। সে দরজা খুলতেই মেয়র ডাক শুনতে পেল। খুব ঘাবড়ে গিয়ে সে অবাক চোখে মেয়কে দেখতে লাগল। আমি ওপর থেকে ওর মাথাটা দেখতে পাচ্ছিলাম। তারপরে দৌড়ে ছাদে উঠে এল গঙ্গাপদ, কী করে হল বাৰু?

    হয়ে গেল।

    সার? সারও ডাকতে পারছে?

    না। এখনও পারেনি।

    ওমা! এটা কেন হল? একজন ডাকবে আর একজন বোবা হয়ে থাকবে?

    এ-প্রশ্নের জবাব আমার কাছে ছিল না। কফিতে চুমুক দিলাম। গঙ্গাপদ ফিরে যাচ্ছিল মেয়র দিকে তাকাতে-তাকাতে, আমি পেছন থেকে ডাকলাম, গঙ্গাপদ।

    বলুন বাবু।

    নীচের ঘরের দরজার সামনে কাল রাত থেকে সারকে বেঁধে রাখতে হয়েছে। কারণ ঘরের ভেতর আলমারির ওপর একটি ওরাং ওটাং আশ্রয় নিয়েছে।

    ওরাং ওটাং।

    একটি বনমানুষ। বানর এবং হনুমানের স্বজাতি। কিন্তু চেহারায় পার্থক্য আছে। হাত-পা বেশি লম্বা। মাথায় অনেক বেশি বুদ্ধি। ওরাং ওটাং ভারতবর্ষের জঙ্গলে নেই। সম্ভবত আফ্রিকা থেকে একে কেউ এ-দেশে নিয়ে এসেছে।

    বনমানুষ। গঙ্গাপদর চোখ বড় হয়ে উঠল।

    হ্যাঁ। আমি মাথা নাড়ামাত্ৰ নীচে বেল টিপল কেউ। এত ভোরে কেউ আমার বাড়িতে সচরাচর আসে না। গঙ্গাপদ নীচে নেমে গেল দেখতে।

    আজ আকাশ পরিষ্কার। ভোরের আলো চমৎকার। এই আলো দেখে রাত জাগার ক্লান্তি দূর হয়ে গেল আমার। আজ বেশ মন দিয়ে কাজ করা যাবে। কিন্তু তার আগে ওই বনমানুষের সমস্যা মিটিয়ে ফেলা দরকার।

    গঙ্গাপদ আবার উঠে এল, বাবু, এক ভদ্রলোক দেখা করতে চান।

    কী নাম?

    বললেন, নাম বললে আপনি চিনতে পারবেন না। কিন্তু খুব জরুরি ব্যাপার।

    সাধারণত সকালে আমি বাইরের লোকের সঙ্গে দেখা করতে চাই না। অনর্থক সময় নষ্ট করা ছাড়া হয়তো এমন কোনও কথা অবোধের মতো বলে যাবে, যা সারাদিন আমার মাথায় পাক খাবে। তাই না বলতে যাচ্ছিলাম। পরে ভাবলাম এত ভোরে এসেছেন যখন, তখন নিশ্চয়ই কোনও জরুরি প্রয়োজন রয়েছে।

    গঙ্গাপদকে সহবত শেখাতে হবে। বাড়িতে কেউ এলে তাকে বসার ঘরে না নিয়ে এসে দরজার বাইরে দাঁড় করিয়ে রেখেছে। দরজাটা সামান্য খোলা, শেকলে আটকানো। শেকল খুলে বললাম, ভেতরে আসুন।

    গাটাগোট্টা চেহারা, চোখ দুটো ছোট, বছর পঞ্চাশেক বয়স, সাত সকালে এসেছেন বলে পরনে ট্র্যাকসুট, অর্থাৎ বেশি দূরে থাকেন না।

    নমস্কার। আপনাকে এই সময় বিরক্ত করলাম বলে দুঃখিত।

    আপনি ভেতরে এসে কথা বলুন।

    ভদ্রলোক ভেতরে এলে তাঁকে সোফা দেখিয়ে দিলাম। বলুন কী করতে পারি?

    আমার নাম মন্মথ দত্ত। ব্যবসা করি। এই পাড়ায় যে গোল চত্বরটি আছে তার পাশে থাকি। ব্যাপারটা বলতে আমার খুব খারাপ লাগছে।

    নিঃসঙ্কোচে বলুন। কাছাকাছি না হলেও একই পাড়ায় যখন থাকি।

    আজ্ঞে, আমি সামান্য ব্যবসা করে থাকি। একটু অদ্ভুত ধরনের ব্যবসা।

    কীরকম?

    আমার বেশ কিছু ক্লায়েন্ট আছেন। তাঁরা অর্থবান এবং বিচিত্র ধরনের। যেসব জিনিস খুবই বিরল তা সংগ্রহ করার নেশী তাঁদের প্রবল। এঁদের সবাই অবশ্য একই জিনিসে আগ্রহী নন।

    কেউ স্ট্যাম্প, কেউ কয়েন–।

    হ্যাঁ, কেউ হয়তো শাল। কতরকমের কাজকরা শাল পৃথিবীতে ছড়িয়ে আছে তা আমি আগে জানতাম না। এই ধরুন কম। পুরনো কলম সংগ্রহ করা দুজনের নেশা। কারও নেশা পাথর বা মাটির তৈরি বিভিন্ন গড়নের পাচা অথবা গণেশ মূর্তি। আমি খোঁজখবর নিয়ে ওঁদের জানালে ওঁরা এসে যাচাই করে কিনে নেন। এই তো গত মাসে উত্তরবঙ্গের এক গ্রাম থেকে কালাপাহাড়ের ব্যবহার করা তরোয়াল উদ্ধার করেছি। বংশপরম্পরায় ওই তরোয়াল অবহেলায় পড়ে ছিল। মন্মথ দত্ত হাত-পা নেড়ে বোঝাচ্ছিলেন।

    আমার কাছে সেরকম কোনও বিরল বস্তু তো নেই। আপনি ভুল জায়গায় এসেছেন।

    না সার। আমার ভুল হয়নি। এব্যাপারে শকুনের ঘ্রাণশক্তি নাকি পেয়েছি। লোকে তো তাই বলে। এখন আপনি যদি সহযোগিতা করেন তা হলে কৃতজ্ঞ হব।

    আমি আপনার কথা বুঝতে পারছি না।

    তা হলে খুলেই বলি সার। আপনার দুটো পোষা প্রাণী আছে। তাই না?

    আমি অবাক হয়ে তাকালাম।

    ওই কুকুরদুটো যদি বিক্রি করেন–!

    আশ্চর্য! আমার বাড়িতে যে কুকুর আছে, তাদের স্বজাতিরা পশ্চিমবাংলার পথেঘাটে জন্ম নিয়ে পথেঘাটেই মারা যায়। আপনার কোনও ক্লায়েন্ট নেড়ি কুকুর কিনবে? আর নেড়ি কুকুর বিক্রি করতে তো আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে না। রাস্তা থেকে ধরে চালান করে দিন। আমি বিরক্ত হচ্ছিলাম এভাবে সময় নষ্ট হচ্ছিল বলে।

    মন্মথ দত্ত মাথা নাড়লেন, না সার। শুনেছি, আপনার কুকুরদুটো নাকি বোবা। সামান্য কুঁইকুই শব্দও করে না। পৃথিবীতে কেউ বোবা কুকুরের কথা শোনেনি। ফিজিতে আমার এক ক্লায়েন্টের চিড়িয়াখানা আছে। উনি এমন জোড়া বোবা কুকুর পেলে লুফে নেবেন।

    এবার আমি হেসে ফেললাম, মানুষের শখ সত্যিই অদ্ভুত!

    যা বলেছেন! আর ওটা অদ্ভুত বলে আপনাদের আশীর্বাদে আমি করে খাচ্ছি।

    এবার উঠে দাঁড়ালাম, কিন্তু মন্মথবাবু, আপনি যা শুনেছেন তা এতকাল ঠিক ছিল। আমার কুকুর এখন এক বাড়াবাড়ি রকমের ডাকাডাকি করছে।

    মন্মথ দত্তের চোখেমুখে অবিশ্বাস ফুটে উঠল। সেটা লক্ষ করে বললাম, আসুন।

    ভেতরের বারান্দায় পা দিতেই চোখে পড়ল গঙ্গাপদ মেয়কে জড়িয়ে ধরে আদর করছে। নতুন লোক দেখে মেয় প্রচণ্ড জোরে গর্জন করে উঠল। গঙ্গাপদ তাকে সামলাচ্ছিল। মন্মথ দত্ত বললেন, তা হলে সবাই মিথ্যে কথা বলে?

    না। বললাম তো। গত রাতে ও স্বর ফিরে পেয়েছে।

    সে কী! আর একটা কুকুর, তার কী অবস্থা?

    সে বেচারার এখনও ভাগ্য প্রসন্ন হয়নি।

    ভাকে একবার দেখাবেন?

    লোকটার কৌতূহল আমাকে বিরক্ত করছিল। কিন্তু সারকে দেখে যদি ও বিদায় নেয় তা হলে দেখিয়ে দেওয়াই ভাল। আমি ওঁকে দাঁড়াতে বলে বন্ধ ঘরটার সামনে গেলাম। ঠেলতেই দরজা খুলে গেল। সঙ্গে-সঙ্গে সার বেরিয়ে আসার চেষ্টা করল। কিন্তু টানটান হয়ে-যাওয়া চেন ছেড়ার ক্ষমতা তার নেই। আমি তাকে বাঁধন-মুক্ত করতেই ছুটে গেল মেয়র কাছে। মেয় বেশ অহঙ্কারীর মতো চাপা গর্জন করে উঠতেই সার তার সামনে বসে লেজ নাড়তে লাগল বোকার মতন। আমি এবার মন্মথ দত্তকে বললাম, আশা করি, আপনার দেখা শেষ হয়েছে।

    মন্মথ মাথা নাড়লেন। উঠোনের পাশ দিয়ে একটি দরজা আছে বাইরে যাওয়ার। হাতজোড় করে নমস্কার জানিয়ে মন্মথসেই দরজা খুলে দিতেই তীরের মতো ঘর থেকে বেরিয়ে এল ওরাং ওটাংটা। আমি সামনে দাঁড়িয়ে থাকায় ও সামান্য ধাক্কা খেল। তারপর মেয়র চিৎকার উপেক্ষা করে মন্মথ দত্তর খোলা দরজা দিয়ে বাইরে উধাও হয়ে গেল।

    আমি চেঁচিয়ে উঠলাম, এ হেপালাল, পালাল।

    মন্মথ খুব অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, আরে? এটা কী?

    ওরাং ওটাং। ও গঙ্গাপদ, দ্যাখো তো ওটা কোথায় গেল?

    গঙ্গাপদর পক্ষে তখনই সার এবং মেয়কে সামলে বাইরে যাওয়া সম্ভব ছিল

    দেখে আমিই ছুটলাম। মন্মথ দত্ত আমার পেছন-পেছন এলেন। চোখের সামনে কোথাও ওরাং ওটাংটি নেই। শুধু বড়বড় গাছগুলোকে ঘিরে কাকেরা চিৎকার করে চলেছে। আমি খুব রেগে গিয়েছিলাম। মন্মথ দত্তকে বললাম, কী দরকার ছিল ওইভাবে দরজা হাট করে খুলে ধরার। অদ্ভুত মানুষ তো আপনি।

    মন্মথ দত্ত বললেন, কী করে বুঝব বলুন আপনি ওরাং ওটাং পুষেছেন।

    আমি পুষিনি। ওব্যাটা একটি ট্রেন্ড চোর। পুলিশ ওকে খুঁজছে। কাল রাত্রে এ বাড়িতে চুরি করতে এসেছিল। এ হে, ভেবেছিলাম আজ সকালে ওকে পুলিশের হাতে তুলে দেব। ঠিক আছে, এখন আপনি আসতে পারেন।

    আমি আর দাঁড়ালাম না। ভেতরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিলাম। কয়েক পা এগোতেই সার এসে আমার পায়ের ওপর চলে এল। তার গলা দিয়ে আমার পা ঘষতে লাগল সে। ওর এই পরিবর্তন আগে কখনও দেখিনি। ওর মাথায় হাত বোলালাম। বললাম, দাঁড়া, একটু সময় দে। যদি আমার মেশিন মেয়র গলায় স্বর এনে দিতে পারে, তা হলে তুইও ডাকতে পারবি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅর্জুন সমগ্র ৬ – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ২ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }