Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    সায়ন্তনী পূততুণ্ড এক পাতা গল্প419 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ডঃ ডেথ – ১১

    ১১

    “স্যার, ভেতরে এভাবে ঢোকা যাবে না।”

    অর্ণব অধিরাজের দিকে অসহায়ভাবে তাকায়, “দরজা একদম চেপে বসে গেছে। সামান্য মেল্ট হলেও হতে পারে। মরচুয়ারির দরজাটা আবার মেটালের। তার ওপর ভেতর থেকে বন্ধ। উডেন ডোর হলে আগুন ধরত। কিন্তু অ্যাট লিস্ট লাথি মেরে খোলা বা ভাঙা যেত। মেটালের ডোর খুলবেন কী করে? আর বাইরে থেকেই অবস্থাটা দেখুন!”

    এই মুহূর্তে ওরা সবাই দাঁড়িয়েছিল জ্বলন্ত মরচুয়ারির সামনে। অর্ণবের কথাই সঠিক! আগুনের তাপে ধাতব দরজা লালচে। সচরাচর এই দরজাগুলো স্টিল মিক্সড অ্যালয়ের হয়। মেন্টিং পয়েন্ট যথেষ্ট হাই। কিন্তু যেহেতু মরচুয়ারির বাইরে ওই মুহূর্তে যারা দাঁড়িয়ে ছিল তাদের বক্তব্য অনুযায়ী এটা শর্ট সার্কিটের আগুন ও তারা একাধিক এসি ব্লাস্ট হতে শুনেছে তাই ভেতরের তাপ মারাত্মক হওয়ার সম্ভাবনাই প্রবল। হয়তো তাতে মেটাল ডোর গলে জল হয়ে যাবে না। কিন্তু সেটা সামান্য মেন্ট হয়ে গিয়ে পরিস্থিতিকে আরও মারাত্মক করে তুলতে পারে। সর্বোপরি যেটা সবচেয়ে বেশি ভয়ের তা হল ইলেক্ট্রোকিউটেড হওয়ার। ধাতব দরজা তড়িৎ পরিবহণ করতে পারে। এই আগুন স্বাভাবিক নয়, শর্ট সার্কিটের। তাই দরজাটাই তড়িৎবাহী হয়ে মৃত্যুফাঁদ হয়ে উঠতে বেশি সময় নেবে না। এই দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকা অসম্ভব। আর ভেতরের লোক যে দরজা খুলে বাইরে আসবে তাও কোনোক্রমেই সম্ভবপর নয়।

    “বাঁ-চা-ও! আমি পুড়ে যাচ্ছি! হে—ল্প।”

    রতন মরিয়া হয়ে ভেতর থেকে আর্তনাদ করছে। তার কণ্ঠে আতঙ্ক আর কান্না! ক্রমাগতই কাশছে। ধোঁয়ায় গলা অবরুদ্ধ হয়ে আসে। তবু আপ্রাণ চেঁচিয়ে যাচ্ছে, “হে-ল্প। বাঁ-চা-ও।” বাইরে থেকে শোনা যাচ্ছে তার কণ্ঠস্বর। কিন্তু সম্ভবত সে-ও জানে যে এই মুহূর্তে দরজায় হাত দেওয়া মানে নিজের মরণকে নিজেই ডেকে আনা। তাছাড়া দরজা ক্রমশই রক্তাভ হচ্ছে। উত্তাপ বাড়ছে। হাত দেওয়া সম্ভবই নয়। তাই করাঘাতও করছে না।

    নীচে তখন রীতিমতো বিশৃঙ্খলা। ডাক্তার-নার্সরা এর মধ্যেই আতঙ্কে ছুটোছুটি শুরু করেছে। মরচুয়ারির আগুন নিশ্চয়ই মরচুয়ারিতেই চুপচাপ বসে থাকবে না। ক্রমাগতই ছড়াবে। তাই রোগীদের দ্রুত নীচে নামিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। হসপিটালের ইলেক্ট্রিশিয়ানরা আপ্রাণ চেষ্টা করছে পাওয়ার সাপ্লাই বন্ধ করার। কিন্তু সেখানেও যথারীতি একই সমস্যা! মেইন ইলেকট্রিক রুমের হেভি মেটাল ডোর এখন সামনে পাহাড়প্রমাণ বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কর্তৃপক্ষ যখন স্টাইল মেরে এই দরজাগুলো বসিয়েছিলেন তখন তাঁরা একবারও ভেবে দেখেননি যে বাই এনিচান্স শর্ট সার্কিট হলে কী হবে! ওই ধাতব দরজা ছুঁলেই এখন যে কেউ রোস্ট হয়ে যেতে পারে। তন্দুর বা ফ্রায়েড হওয়াও অসম্ভব নয়। তবু স্বস্তির কথা, তারা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ফায়ার ব্রিগেডকে ফোনও করা হয়েছে। তারা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এসেও পড়বে। কিন্তু রতন! রতনের কী হবে!

    মরচুয়ারির ভেতরে যে আগুন একদম লেলিহান শিখায় দাউ দাউ করে জ্বলছে তা দরজার তলা আর ফাঁক দিয়ে যে কালোরঙের কটু ধূম্রকুন্ডলী বেরিয়ে আসছে তাতেই স্পষ্ট!

    টুইঙ্কল অরোরা সাহসে ভর করে দরজার একদম কাছে এগিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু কিছু করার আগেই তলা দিয়ে আগুন রাক্ষসীর মতো শত শত লোলজিহ্বা প্রসারিত করে একরাশ হা উগরে দিয়েছে। মুহূর্তের মধ্যেই করিডরেও আগুন জ্বলে উঠল। অধিরাজ প্রায় বাজপাখির ক্ষিপ্রতায় ঝাঁপিয়ে পড়ে সরিয়ে নিয়েছে টুইঙ্কলকে। নয়তো ওই আগুন তার পায়ের নাগাল পেয়ে গিয়েছিল। মৃদু ভর্তসনার সুরে বলল, “কী করছেন মিস অরোরা! এ কী আপনার চুরুটের আগুন পেয়েছেন যে ফুঁ দিলে নিভে যাবে?”

    মিস অরোরা তখন দরদর করে ঘামছে। আগুনের বিধ্বংসী তাণ্ডব সে এইমাত্রই স্বচক্ষে দেখেছে। কোনোমতে বলল, “সরি স্যার।”

    “ফায়ার ব্রিগেড না এসে পৌঁছলে কারওর বাপের সাধ্য নেই এই ইলেকট্রিক চুল্লীর মধ্যে ঢোকে!”

    পবিত্র অস্ফুটে বলল। ‘ইলেকট্রিক চুল্লী’ শব্দটা সে মিথ্যে বলেনি। গলগলিয়ে ভেতরের যে ধোঁয়া বাইরে আসছে তাতে মাংসপোড়ার প্রবন্ধ গন্ধ নাকে এসে ঝাপটা মারছিল। অর্থাৎ ভেতরের লাশগুলোও পুড়ছে।

    “অত সময় নেই পবিত্র।”

    অধিরাজ অধৈর্য, “এটা মরচুয়ারি। একে শুনছ একাধিক এসি ব্লাস্ট হয়েছে। এসি ব্লাস্ট হওয়ার মানে জানো? আমি আগেই মরচুয়ারির এসিগুলোকে লক্ষ করেছি। ওগুলো সব জি ডাব্লিউ পি রেফ্রিজারেন্টসের। গুগুলো বার্স্ট হওয়া মানে লিক করা। আর এগুলোর টাইপ এ-থ্রি। তার মানে লিকেজের ফলে হয় প্রোপেন অথবা আইসোবুটেনের মতো হাইড্রোকার্বন বাইরে আসছে—হুইচ ইজ হাইলি ফ্রেমেবল।” সে উত্তেজিত শ্বাস টানে, “উপরন্তু যেহেতু এটা মরচুয়ারি (মর্গ) তাই প্লাস্টিক নির্ঘাত আছে। এমবামিং কেমিক্যাল থাকা তো অবধারিত! ফরমালডিহাইড নির্ঘাত আছে। ওটা থাকলে যে-কোনো ঘর জতুগৃহ হতে সময় লাগে না। তার সঙ্গে যদি কোনো এমবামড বডি থাকে তাহলে তো কথাই নেই। আমার দৃঢ় বিশ্বাস যে বডিগুলো পোড়ার গন্ধ আমরা পাচ্ছি সেগুলো এমবামড বডিই। তার মানে রতন এই মুহূর্তে চরম বিপদে! যে-কোনো মুহূর্তে মরবে। সময় নেই।”

    “তবে?”

    অসহায়ের মতো প্রশ্ন করল অর্ণব। সে এখন চোখে অন্ধকার দেখছে। রতনের সামনে স্রেফ পুড়ে মরা ছাড়া আর কোনো এস্কেপ রুটই নেই।

    অধিরাজের মুখ শক্ত হয়ে ওঠে, “ওকে মরতে দেওয়া যাবে না। ওকে আমার জ্যান্ত চাই। আর এই আগুন আর হিট ও বেশিক্ষণ নিতে পারবে না। ইলেকট্রিশিয়ানরা চেষ্টা চালাক। ফায়ার ব্রিগেডের এখনও কোনো পাত্তা নেই। আর আমি লেম ডাকের মতো টাইম পাস করতে পারব না।”

    “কিন্তু ওকে বের করবেন কীভাবে?” আত্রেয়ী দত্তর কণ্ঠে অনিশ্চয়তা ও সংশয়, “এখান থেকে তো ঢোকাই যাবে না।”

    “ইন দ্যাট কেস বাইরে থেকে বের করব। দরজা না খুলুক, জানলা তো খুলবে। ভাঙাও যাবে। ওটা কাচের!”

    বলতে বলতেই সে বাইরে থেকেই চেঁচিয়ে ওঠে, “রতন, তুমি আমার গলা শুনতে পাচ্ছ?”

    “আমায় বাঁচান স্যার… প্লিজ” রতনের উন্মত্ত কান্না ও আর্তনাদ ভেসে আসে, “আমি মরতে চাই না!”

    “তুমি এই মুহূর্তে কোথায় আছ? ভেতরের অবস্থা কী?”

    “ভেতরে সব জ্বলছে। এসিগুলো ব্লাস্ট করেছে… লাশগুলো জ্বলছে… পর্দা জ্বলছে… চতুর্দিকে আগুন আর স্পার্ক…! দরজায় হাত দিলেই ইলেকট্রিক শক মারছে…আমি বেরোতে পারব না…। আর একটু হলেই মরে যাচ্ছিলাম!” সে চিৎকার করে ওঠে, “আমায় বাঁচান… হে–ল্প।”

    “তোমার কিচ্ছু হবে না” অধিরাজ নির্দেশ দিল, “তুমি চেষ্টা করো বাইরের দিকের জানলার দিকে যাওয়ার। কাচে হাত দেবে না। জাস্ট জানলার সামনে যাও। পারবে?”

    কিছুক্ষণ নীরবতার পর উত্তর এল, “পারব…। ওদিকের এসি এখনও ব্লাস্ট করেনি…কিন্তু পর্দায় আগুন…!”

    “তুমি জাস্ট কোনোমতে জানলার সামনে এসো। আমি আসছি।”

    ওদিকে তখন জেনিথের সামনে বুম আর ক্যামেরা নিয়ে রিপোর্টাররা ভিড় জমিয়েছে। নার্স, ওয়ার্ডবয় এবং ডাক্তাররাও পেশেন্টদের নিয়ে নিরাপদে দ্রুত বাইরে বেরোতে পেরেছেন। ভিড়ের মধ্যে থেকে কোনো এক সাংবাদিক চিৎকার করছে,

    “জেনিথ হসপিটাল এই মুহূর্তে জ্বলন্ত চিতা। আপনারা দেখতে পাচ্ছেন যে থার্ড ফ্লোর থেকে ক্রমাগতই ধোঁয়া বেরোচ্ছে! ফায়ার ব্রিগেডের গাড়ি এখনও এসে পৌঁছয়নি কারণ রাস্তায় দুই কার্নিভালের টক্করে গোটা রাস্তা জ্যাম! পেশেন্টরা সুরক্ষিত, কিন্তু বিশ্বস্তসূত্রে শোনা গেছে যে থার্ডফ্লোরের মরচুয়ারিতে একজন আটকা পড়েছেন।”

    রিপোর্টাররা যে যার মতো পারছে জেনিথের অবস্থার বিবরণ দিচ্ছে। আর হয়তো লক্ষ লক্ষ দর্শক নিজেদের নিরাপদ আশ্রয়ে বসে ভয়ার্ত দৃষ্টিতে এই দৃশ্য দেখছে আর ভাবছে—ভাগ্যিস আমি স্পটে নেই। সবার মনেই একটা প্রশ্ন। থার্ডফ্লোরের মরচুয়ারিতে আটকা পড়া লোকটার কী হবে। উপস্থিত যারা ছিল তারা মোবাইল বের করে ওই অগ্নিকাণ্ডের ছবির ভিডিও রেকর্ডিং করতে ব্যস্ত!

    “লেটস গো!”

    কথাটা ছুড়ে দিয়ে অধিরাজ প্রাণপণে ছুটল নীচের দিকে। তার মুখ দেখে মনে হচ্ছিল কোনো প্ল্যানিং আছে। কিন্তু সেটা সে এখন বলবে না। তার পেছন পেছন অর্ণব, পবিত্র, আত্রেয়ী, টুইঙ্কল আর কৌশানীও বিনা প্রতিবাদে ছুটেছে।

    চারতলার মরচুয়ারির জানলা দিয়ে তখন ধোঁয়া বেরোচ্ছে। আগুনের শিখার প্রতিফলন আকাশকে লাল করে তোলে। ভেতর থেকে রতনের কান্না স্পষ্ট, “মা গো… বাঁচাও।”

    যত দ্রুত সম্ভব সি আই ডি হোমিসাইডের টিম নেমে এল হসপিটালের বাইরে। অধিরাজের দৃষ্টি সোজা থার্ডফ্লোরের দিকে গেল। এখান থেকেই দেখা যাচ্ছে ভেতরের জ্বলন্ত পর্দা আর আগুনের লকলকে জিহ্বা। তার মধ্যেই অস্পষ্টভাবে চোখে পড়ল একটা ছায়া নিজেকে কুঁকড়ে কোনোমতে দাঁড়িয়ে আছে জানলার কাছাকাছিই। সে স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলে এক সিকিউরিটি গার্ডের দিকে তাকিয়েছে, “একটা লম্বা দড়ি পাওয়া যাবে?”

    “অ্যাঁ।”

    সবার চোখ বিস্ময়ে ছানাবড়া। অফিসার ব্যানার্জি দড়ি দিয়ে কী করবেন।

    “হাতে সময় নেই” সে প্রায় গর্জন করে ওঠে, “ আছে কী নেই?”

    “আছে স্যার।”

    “ওটা এখনই আমার চাই। উইথ অ্যান আইভি পোল উঠশ স্ট্রং হুকস।” তার কণ্ঠে অস্থিরতা, “কু-ই-ক!”

    গার্ডটি মাথামুণ্ডু কিছুই না বুঝে ভেতরের দিকে ছুটল। সম্ভবত স্টোররুমে বা অন্য কোথাও গেল। অর্ণব ব্যাপারটা আন্দাজ করে সশঙ্কিত স্বরে বলল, “আইভি পোল! স্যার, এটা অসম্ভব। আইভি পোন্সের হুক একটা মানুষের ওজন নেওয়ার জন্য আদৌ টেস্টেডই নয়। তার ওপর একবার ওপরের দিকে তাকিয়ে দেখুন। ওদিকের অংশের দেওয়াল পুরো কাচে মোড়া। গরম হয়ে আছে। হাত ফসকালেই …!”

    অধিরাজের ঠোঁট শক্ত, “আই ডোন্ট হ্যাভ এনি আদার অপশন অর্ণব। তাই রিস্ক নিতেই হবে।”

    ভিড়ের মধ্যে মুহূর্তের মধ্যেই ফিসফাস ছড়িয়ে গেল। লম্বা—আর আই ভি স্ট্যান্ডের হুক বা অ্যাঙ্কর যে কোন কাজে লাগতে পারে তা অনেকেরই মাথায় ঢুকেছে। তারা বুঝে উঠতে পারছে না এই অসম্ভব পরিকল্পনাকে বাধা দেওয়া উচিত না ভয় পাওয়া উচিত। কিন্তু সবার চোখেই আতঙ্ক স্পষ্ট।

    অধিরাজের সেদিকে তাকানোর সময় নেই। সে পরনের ব্লেজারটা খুলে ছুড়ে দিয়েছে অর্ণবের দিকে, “টেক ইট!”

    সাংবাদিকদের ক্যামেরা মুহূর্তের মধ্যে ঘুরে গেল তার দিকে। কেউ লাইভ স্ট্রিম করছে। কেউ রেকর্ডিং। কেউ আবার আপনমনেই বকে চলেছে। অধিরাজের চোখ নিজের লক্ষে স্থির। থার্ডফ্লোরের লাস্ট ঘরের জানলা!

    কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই দড়ি এসে গেল। সঙ্গে আই ভি স্ট্যান্ড আর হুকও। সে দ্রুত দড়িটার শেষপ্রান্তে লম্বা আই ভি স্ট্যান্ডটা হুকসমেত বাঁধছে। তার টিমমেটরা সভয়ে, বিহ্বলদৃষ্টিতে একে অপরের দিকে তাকায়। ওরা খুব ভালোভাবেই জানে যে এই লোকটার মাথায় যখন জেদ আর পাগলামি চাপে তখন ঈশ্বরও ওকে থামাতে পারেন না। এই মুহূর্তে সে কারওর কথা শুনবে না।

    “রাজা। দিস ইজ সুইসাইড…” পবিত্র তবু একবার কথাটা বলতে যায়। তার দিকে উম্মত্ত রাগে তাকিয়ে গর্জে উঠল অধিরাজ, “শা-ট আ-প। ডোন্ট ওয়েস্ট মাই টাইম।”

    বলতে বলতেই আর একপ্রাপ্ত সে নিজের কোমরে শক্ত করে বেঁধে নিয়েছে। তারপর আর এক সেকেন্ডও অপেক্ষা না করে অভ্যস্ত দৃষ্টিতে থার্ডফ্লোরের জানলাটার দূরত্ব এবং অন্যান্য খুঁটিনাটি বিষয়গুলো মেপে নিল।

    জাস্ট কয়েক সেকেন্ডের বিরতি। পরিস্থিতি বুঝে নিয়ে ক্যালকুলেট করতে যেটুকু সময় লাগে। তারপরই রক ক্লাইম্বিতে এক্সপার্ট এক মাউন্টেনিয়ারের হাত সবলে ছুড়ে দিল আই ভি স্ট্যান্ড সমেত গোটা দড়িটাকে। আশ্চর্য নিখুঁত তার গণনা। মুহূর্তের মধ্যে ঠং করে একটা ধাতব শব্দ। স্ট্যান্ডের হুক একবারেই অব্যর্থ নিশানায় জড়িয়ে আটকে গিয়েছে জানলার তলার কার্নিশের গ্রিলে। যে-কোনো কারণেই হোক জেনিথের কার্নিশগুলো সুন্দর গ্রিল দিয়ে ঢাকা। হয়তো বা ডেকোরেশন। কিন্তু তখন কে জানত যে এইভাবে কাজে লেগে যাবে!

    চতুর্দিকে তখন পিনপতনের নীরবতা। অসংখ্য চোখ তার দিকে স্থির। কারও ঠোঁটে প্রার্থনা, কারও চোখে অবিশ্বাস। এমনকি সাংবাদিকরাও চেঁচামেচি ছেড়ে ফুটেজ তুলতে ব্যস্ত।

    অধিরাজ একটা গভীর শ্বাস টানল। একবার টেনে দেখে নিল গ্রিপটা। তারপরই দড়ি বেয়ে সাবধানে, অথচ দ্রুতবেগে উঠতে শুরু করেছে ওপরের দিকে। থার্ডফ্লোরের ধোঁয়া বাড়ছে। যদি জানলার দিকের এসি ব্লাস্ট করে তাহলে আর কোনো উপায় নেই। মরে গেলেও তার আগেই পৌঁছতে হবে ওকে। তার চোখের দৃষ্টি পাথরের মতো স্থির। চোয়াল দৃঢ়।

    নীচে দাঁড়িয়ে থাকা সঙ্গীদের ভেতরে ভেতরে বুক কাঁপছে। যেন কেউ একটানা দামামা বাজিয়ে চলেছে। পবিত্র তাকিয়ে দেখল আকাশের রং দৈত্যের চোখের মতো রক্তিম আগুনে। সে মনে মনে প্রার্থনা কবে, “নো…নো…স্কিপি। দিস ইজ সুইসাইড। নেমে এস প্লিজ। জীবনে একবার তো কথা শোনো।”

    নীচে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকশো মানুষ নিঃশ্বাস বন্ধ করে তাকিয়ে আছে। কারও হাতে ফোন, কারও চোখ এক অবিশ্বাস্য ঘটনাকে দেখছে। কেউ প্রায় পাথর হয়ে গিয়েছে আতঙ্কে। কে কী বলবে, কী করবে বুঝতে পারছে না। নিষ্প্রাণ একরাশ পুতুল যেন!

    অধিরাজ কোনোদিকেই তাকায় না। সে ক্লাইম্বিতে মন দিয়েছে। পেলব দেবশিশুর মতো মুখ এখন নির্লিপ্ত ও কঠিন। হাত আর কাঁধের পেশীগুলো ফুলে ফুলে উঠছে। সে জানে, তাকে সময়ের মধ্যে পৌঁছোতেই হবে। যতই বাধা আসুক, থামার উপায় নেই। এ ও জানে, আই ভি স্ট্যান্ডের হুক চাপ না নিতে পেরে যে-কোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। তবু চেষ্টা করতেই হবে ওকে।

    কৌশানী বোস হাঁ করে গোটা দৃশ্যটা দেখছিল। কোনোমতে বলল, “দ্যাট ইজ ম্যাডনেস!”

    “হ্যাঁ।” অর্ণব অনিমেষে ওপরের দিকে তাকিয়েই বলল, “বাট দ্যাট ইজ অধিরাজ ব্যানার্জি অলসো।”

    শুরুর দিকে কিন্তু ক্লাইম্বিং সহজ ছন্দেই এগোচ্ছিল। দুই হাতে শক্ত করে দড়িটা ধরে অধিরাজ নিজের দেহটাকে সন্তর্পণে ওপরের দিকে তুলছে। প্রতিটি পদক্ষেপ নিখুঁত ও আত্মবিশ্বাসী। ওর দেহের স্নায়ুপেশীগুলো বুঝি লোহার! একবারের জন্যও কাঁপছে না, টলছে না। যেন ব্যাপারটা কিছুই নয়। যদিও ঘাম গড়িয়ে পড়ছে কপাল, গ্রীবা আর ঘাড়ের রগ বেয়ে। তার ওপর ধোঁয়া ঢুকে গলা জ্বালা করছে। কিন্তু অধিরাজ শুধু জোরে জোরে শ্বাস টেনে নিয়ে ফুসফুসে অক্সিজেন ভরল। মনে মনে গুনছে—এক, দুই…!”

    ফার্স্ট ফ্লোরটা সে অনায়াসেই ক্রস করে গেল। মাধ্যাকর্ষণ নীচের দিকে টানছে। মজবুত, শালপ্রাংশু চেহারার ভারও কম নয়। অথচ তাকে দেখলে মনে হয়, ওই ছ-ফুট চার ইঞ্চির শরীরটার কোনো ভরই নেই। যেন হাওয়ায় ভাসছে। শুধু অর্ণব বুঝতে পারছিল যে স্যারের ঠিক কতখানি কষ্ট হচ্ছে। দড়িটা ইজি ক্লাইম্বিঙের উপযুক্ত একেবারেই নয়। আর হুকের কথা না বলাই ভালো। সে চোখ বুজে শুধু ঈশ্বরকে স্মরণ করে! একটা খুনীকে বাঁচাতে গিয়ে স্যার নিজেই না…!

    “আঃ!”

    সেকেন্ড ফ্লোরের প্রথমেই ঘটল অঘটন! থার্ডফ্লোরের গরম ধোঁয়া নীচের দিকেও কিছুটা নেমেছে। একমুহূর্তের জন্য অধিরাজের মনে হল ওর মুখ, চোখ বুঝি পুড়ে গিয়েছে। আগুনের ভাগ অসহ্য। কাচের গায়ে জমে থাকা বাষ্পের আস্তরণে আচমকাই তার হাত পিছলে গেল। মুহূর্তের মধ্যে, কিছু বোঝার আগেই অধিরাজের শরীর একটা ঝাঁকুনি খেল। পরমুহূর্তেই দড়িটা সজোরে নড়ে উঠেছে।

    “স্যা–র!”

    নীচ থেকে পাগলের মতো চেঁচিয়ে ওঠে অর্ণব। কাতর গলায় বলল, “সাবধানে। প্লিজ।”

    সেই মুহূর্তেই একঝলক বাতাস ছুঁয়ে গেল অধিরাজের দেহ। অর্ণবের গলা সে শুনতে পেয়েছে। একবার নীচের দিকে ওর দিকে তাকানোর ইচ্ছেও হল। তবু ইস্পাত কঠিন সংযমে সে ইচ্ছেকে দমন করল অধিরাজ। এখন দুর্বল হলে চলবে না। তার কানে এখন শুধুই নিজের হার্টবিট প্রকট—ধুক… পুক… ধুক… পুক…ধুক… পুক। এক সেকেন্ডের জন্যও যদি দড়ি ছিঁড়ে যায়, তবে সোজা মৃত্যু…।

    কিন্তু সে দাঁতে দাঁত চেপে আবার চেষ্টা চালায়। সেকেন্ড ফ্লোরের একটা জানলার ফ্রেম এক হাতে ধরে বডিটাকে ফের লিফট করছে। তার বুকের ভেতরটা কাঁপছে, কিন্তু চোখে কোনো ভয়ের প্রকাশ নেই। সেখানে শুধু আগুনের ভেতর আটকে থাকা মানুষটিকে বাঁচানোর তীব্র সংকল্প।

    “প্লিজ…প্লিজ… স্টে অ্যালাইভ।”

    অর্ণব মনে মনে প্রার্থনা করে চলেছে। যার জন্য প্রার্থনা করে তার কানে তো পৌঁছোয় না। এইটুকুই আশা, যদি পরম করুণাময়ের কাছে পৌঁছে যায়। সেটা বরং সহজ!

    সেকেন্ড আর থার্ডফ্লোরের মাঝামাঝি যেতে না যেতেই হাত যেন পুড়ে গেল অধিরাজের। আগুনের শিখা আর উষ্ণতা এত তীব্র হয়ে উঠেছে যে জানলার কাচের সহ্যক্ষমতাও পার করে ফেলেছে। গরম বাতাস মুখের ওপর হল্কা ছুড়ে দিচ্ছে! প্রতিটি শ্বাস যেন তরল আগুন গেলার মতো। সে দরদর করে ঘামছিল। তবু হাল ছাড়বে না…!

    “ওঃ গ—ড!”

    হঠাই তার জুতোর সোল কাচের ওপরে পিছলেছে। গরম ফ্রেমের ওপর চাপ পড়তেই জুতো পিছলে যাচ্ছে। ভারসাম্য রাখতে গিয়ে সে কেঁপে উঠল। কিন্তু তাকে সামলে ওঠার আর একমুহূর্তও সময় না দিয়ে ওপরের জানলাটা এবার সশব্দে ফেটে গেল! এটাই হওয়ার ছিল। মুহূর্তের মধ্যে টুকরো টুকরো ভাঙা কাচ সজোরে এসে পড়ে অধিরাজের ওপরে। একেবারে ধারালো তীরের মতো গেঁথে গিয়েছে চামড়ায়। তার শরীর ব্যথায় ঝাঁকুনি দিয়ে ওঠে। অথচ মুখে কোনো শব্দ নেই। শুধু আরও শক্ত করে দড়িটাকে আঁকড়ে ধরল সে। পবিত্র নীচে বিড়বিড় করে, “জাস্ট ডোন্ট ডাই রাজা!”

    নীচে অপেক্ষমান জনতা দৃশ্যটা দেখে শিউরে ওঠে। কারওর মুখ থেকে অসাবধানে চিৎকারও বেরিয়ে যায়। তারা কাচের বিস্ফোরণ দেখতে পেয়েছে। আর সেই কাচ যে হুড়মুড় করে জলপ্রপাতের মতো অধিরাজের ঘাড়েই পড়েছে তা বুঝতে কষ্টও হয়নি। তবু বিস্ময় যায় না। মানুষটা আহত, ক্লান্ত–অথচ অনড়!

    থার্ড ফ্লোরে পৌঁছতেই এবার অধিরাজের মনে হল সে এক লাফে কোনো উনুনে গিয়ে পড়েছে। থার্ড ফ্লোরের মরচুয়ারির জানলার এক বিশাল কাচের প্যান ফেটে গিয়েছে। তার ভেতর থেকে আগুন ফুঁসে বেরোচ্ছিল। পর্দাও আগুনে দাউদাউ করে জ্বলছে। সেই আগুন আর একটু হলেই তাকেই সাপ্টে ধরছিল, কিন্তু সে চেষ্টা করল পাশ কাটিয়ে যেতে। ডাকটা ঠিকই করেছিল কিন্তু কপালদোষে হঠাৎই দড়ি গিয়ে আটকে গিয়েছে জানলার লোহার ফ্রেমে। মনে মনে প্রমাদ গুনল অধিরাজ। একবার বেঁচে গিয়েছে কোনোমতে। কিন্তু আবার যদি আগুন উল্কা উগরে দেয় তাহলে আর উপায় নেই…!

    “চল্‌… শুভ।”

    সমস্ত শক্তি দিয়ে দড়িতে টান দেয় অধিরাজ। ওপরের আট ভি স্ট্যান্ড আর হুক যেন কড়কড় করে শব্দ করে ওঠে। কেন একটা ঝাঁকুনি। তার পুরো শরীর এবার একপাশে হেলে যায়। ফের স্কিড করেছে।

    “সামবডি হে-ল্প—হি-ম।”

    নীচ থেকে জনতার চেঁচামেচি ভেসে আসে, “ফায়ার ব্রিগেড কী করছে?… উনি তো…!”

    “আমি এখনও মরিনি।”

    প্রবল জেদে নিজেই নিজেকে বলল অধিরাজ। তার শরীর কাঁপছে, কিন্তু মাথা ঠান্ডা। সে এক ঝটকায় কার্নিশ চেপে ধরে নিজেকে সোজা করেছে। তারপর জোরে টেনে দড়িটাকে ছাড়ায়। হুক প্রতিবাদ করলেও ভাঙেনি।

    কাঁধে প্রচণ্ড ব্যথা। কাচের টুকরো সারা শরীরে গেঁথে আছে। কিন্তু তার মুখে একটা শব্দও নেই। শুধু নিঃশ্বাস ফেলে আবার দেওয়ালের সঙ্গে শরীরকে মিলিয়ে নিয়েছে! আর বেশি দূর নয়! ওই তো থার্ড ফ্লোরের জানালা–মাত্র দু-হাত দূরে! আর একটুখানি…!

    থার্ডে ফ্লোরের ভেতরে ঘন ধোঁয়া! বাইরে থেকে থেকে শুধু পতনের রক্তচক্ষু ঝলসাচ্ছে। ভাগ্যিস কাচটা ভেঙে গিয়েছিল। সেজন্যই বেরোনোর রাস্তাটা উন্মুক্ত। পর্দাগুলো খসে পড়ে স্পেস দিয়ে দিয়েছে।

    “রতন?…র-ত-ন!”

    এবার দড়িটাকে সামলে ওই ভাঙা কাচের ফ্রেমটাকে চেপে ধরেই মরচুয়ারির ভেতরে লাফ মেরে ঢুকল অধিরাজ! হাতে কাচ গেঁথে গেল। ভেতরে উত্তাপ এত প্রবল যে শ্বাস নেওয়া যাচ্ছে না। সে দেখল ট্রে-তে রাখা লাশগুলো হু হু করে পুড়ছে। কিন্তু সময় নেই।

    “স্যার! হে–ল্প ।”

    অর্ধমৃত রতন জানলা থেকে দু-হাত দূরত্বে শুয়ে পড়েছিল। তার দমবন্ধ হয়ে আসছে। প্রায় অচৈতন্য। দেহে জীবনীশক্তি আর অবশিষ্ট নেই। তবু স্খলিত স্বরে বলল, “হে-ল্প!”

    “নিজের বেলায় সেভ মি–অ্যাঁ?”

    তাকে সপাটে পেল্লায় দু-তিনটে থাপ্পড় মেরে বলল সে, “এখন বুঝেছিস শালা মরতে কেমন লাগে। তোকে তো পরে দেখছি। ওঠ! ওঠা”

    ওই থাপ্পড়ের ঠ্যালাতেই রতনের হুঁশ ফিরল। অর্ধদক্ষ শরীর ব্যথায় কাঁপছে। মুখের একদিকটা পুড়ে ঝামা। শরীরও অক্ষত নয়। অধিরাজ দড়িটা এবার তুলে নিয়ে তার কোমরে বেঁধে দিয়েছে।

    “আমার হাত শক্ত করে ধর। ফস্কালে তুই-ই মরবি।”

    রতন প্রাণপণে তার হাত আঁকড়ে ধরল। অধিরাজ তার কোমরে দড়ি বেঁধে একদিকটা শক্ত করে ধরে জানালা দিয়ে ঠেলে ওকে বাইরে বের করে দিয়েছে। দড়িটার বাকি অংশ নীচের দিকে ছুড়ে চেঁচিয়ে নিজের টিমমেটদের বলল, “গাইজ… লিটল হেল্প প্লিজ।”

    ওপরের দিকে দড়িটাকে ধরার কেউ ছিল না। কিন্তু নীচে আছে। এবার ক্লাইম্বিং অনেক সহজ। পবিত্র, অর্ণব আর লেডি অফিসাররা সবাই দৌড়ে গিয়ে ধরেছে দড়িটার আর একপ্রান্ত। টুইঙ্কল তাড়াতাড়ি সেটার শেষ প্রাস্ত একটা পেল্লায় গাড়ির গায়ে বেঁধে দেয়!

    এরপর স্তম্ভিত জনতার চোখের সামনে আস্তে আস্তে ওই দড়িতেই ঝুলতে ঝুলতে প্রথমে নামল বেহুঁশ রতন। আহত, কিন্তু বেঁচে আছে। তারপর নেমে এল স্বয়ং অধিরাজ।

    এতক্ষণ সাংবাদিকরা নিঃশ্বাস নিতেও বুঝি ভুলে গিয়েছিল। এবার সে নেমে আসতেই প্রায় চেঁচিয়ে বলে উঠল,

    “ওঃ।…অ্যান্ড হি মে-ড ই-ট!”

    চতুর্দিকে হাততালির আওয়াজ। অধিরাজ একটু বিরক্তিমাখা দৃষ্টিতে তাদের দিকে তাকায়। তার সারা দেহ রক্তাক্ত, ক্ষতবিক্ষত। জুতোর সোল পুড়ে গিয়েছে। পা দুটো জ্বালা করছে। তবু অর্ণবের হাত থেকে ব্লেজারটা নিয়ে পরতে পরতে বলল, “অ্যারেস্ট দিস ম্যান। হি ইজ আ মার্ডারার। ইমিডিয়েটলি হসপিটালাইজ করো। অনেকটা পুড়েছে। কিন্তু বাঁচবে। আই নিড হিজ স্টেটমেন্ট… ।”

    কথাটা শেষ করার আগেই ফের বিস্ফোরণের ভয়াবহ আওয়াজ। এতক্ষণে জানলার ওপরের এসিটা বার্স্ট করল!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশয়তানের সন্তান – সৈকত মুখোপাধ্যায়
    Next Article শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Our Picks

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }