Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    সায়ন্তনী পূততুণ্ড এক পাতা গল্প419 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ডঃ ডেথ – ৩

    ৩

    “ডঃ বসু নিজেই কনফেশন দিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু লোকটাকে দেখে খুনী বলে মনে হয় না রাজা।”

    পবিত্র আচার্য একটু দ্বিধাগ্রস্ত স্বরে জানায়, “ভদ্রলোক অদ্ভুত শান্ত আর সৌম্য। রেকর্ডও দুর্দান্ত। ওঁর মধ্যে আমি অন্তত কোনো অ্যাগ্রেসিভনেস বা ভায়োলেন্সের ছিটেফোঁটাও দেখিনি। বরং যতটুকু বুঝেছি বেশ ইমোশনাল। তোমার মনে হয় উনি একজন সিরিয়াল কিলার হতে পারেন?”

    ‘ডঃ ডেথের’ কেস-ফাইলটা খুব মনোযোগ দিয়ে পড়ছিল অধিরাজ। তার চোখ দুটো আত্মমগ্ন। হাতে ধরা ধূমায়িত ইন্ডিয়া কিংস। ঠোঁটের দৃঢ় গ্রিপে জ্বলন্ত স্টিকটাকে চেপে ধরে সেটাতে সুখটান মেরে অন্যমনস্ক উষ্ণ স্বরে বলল, “বাইরের রূপে ভুলো না খুড়ো। ইনি একে ডাক্তার। তার ওপর স্বাভাবিকভাবেই ঠান্ডা মাথার লোক। ভায়োলেন্ট কিলারের চেয়ে কোল্ড ব্লাডেড মার্ডারারকে বোঝা অনেক বেশি টাফ। তাই অসম্ভব কিছুই নয়।”

    “কিন্তু ওঁর পেশেন্টরা অলমোস্ট ওঁকে পুজো করে স্যার।” অর্ণব বলে, “ইউটিউবে, টিভিতে ওঁর প্রাক্তন ও বর্তমান পেশেন্টদের বয়ান শুনছিলাম। তাদের বক্তব্য ডঃ বসু ওদের কাছে দেবতুল্য। তিনি খুন করতেই পারেন না। পেশেন্টরা ডঃ বসুর গ্রেফতারিতে খাপ্পা হয়ে আছে। এমন কী কিছু পেশেন্ট তো ডঃ সুজাতা রায়ের ওপরও খার খেয়ে বসে আছে। বলছে, ওই মহিলা ইন্টেনশনালি খামোখা বদনাম করছেন ডঃ বসুকে। এরকম একজন দেবতার বিরুদ্ধে বলার জন্য ডঃ রায়কেই ফাঁসি দেওয়া উচিত।”

    অর্ণব ভুল কিছু বলেনি। পরিস্থিতি কিছুটা এমনই। এককথার অগ্নিগর্ভ। জনতা এখন দু-ভাগে বিভক্ত। একদিকে মৃতদের শোকার্ত পরিবার আর একদল মানুষ ডঃ বসুর ফাঁসির জন্য উঠে পড়ে লেগেছে, প্রতিবাদ মিছিল করছে। অন্যদিকে ডঃ বসুর লম্বা কেরিয়ারের এতদিনের সব পেশেন্টরাও পথে নেমেছে। তাদের মতে পুলিস ও প্রশাসন ভুল করছে এবং ডঃ সঞ্জয় বসুর মতো একজন শ্রদ্ধেয় মানুষকে অন্যার অপবাদে হ্যারাস করছে। সি আই ডি হোমিসাইডের অফিসের সামনে দুই পক্ষই ভিড় জমাচ্ছে। একদল চেঁচাচ্ছে, “ডঃ ডেথ—শুড বি হ্যাঙ্গড টিল ডেথ।” অন্যদল স্লোগান দিচ্ছে “জাস্টিস ফর দ্য ইনোসেন্ট—সেভ ডঃ সঞ্জয় বসু।” ব্যুরোর সামনেই দুই দলের প্রায় মারপিট লাগার উপক্রম। বেচারা অধিরাজ বাইরে বেরোনোর সুযোগই পাচ্ছে না। তাকে একঝলক দেখতে পেলেই ‘স্যার… স্যার’ করতে করতে ধেয়ে আসছে সবাই। কেউ বলছে, “ডঃ বসুর যেন ফাঁসি ছাড়া অন্য কোনো শাস্তি না হয়! একদম ছাড়বেন না স্যার।” অন্য দলের অনুনয়, “স্যার, ডঃ বসু আমাদের ভগবান। উনি এমন করতেই পারেন না। ওঁকে কেউ চক্রান্ত করে ফাঁসিয়েছে। প্লিজ ডাক্তারবাবুকে বাঁচান!”

    এর ওপর আবার গোদের ওপর বিষফোঁড়া মিডিয়া! তারাও কনফিউজিং সব প্রশ্ন করে চলেছে—

    “স্যার, আপনার কী মনে হয় যে ডঃ সঞ্জয় বসুই খুনী? …তাঁকে শুধুমাত্র কয়েকজনের বয়ানের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হল কেন? … তাঁর বিরুদ্ধে কী প্রমাণ পাওয়া গেছে? …তিনি কী কারওর ষড়যন্ত্রের শিকার? … না পুলিস ও প্রশাসনই তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে?… পুলিসই টাকার বিনিময়ে প্রমাণ লোপাট করবে না তো! …ডঃ বসুকে কোর্টে তুলতে এত দেরি হচ্ছে কেন?…” ইত্যাদি।

    এই তিনদিকের ত্রিশুলের খোঁচায় অতিষ্ঠ হয়ে আপাতত সি আই ডি হোমিসাইড গোটা চত্বরে পুলিসবাহিনী নামাতে বাধ্য হয়েছে। তারা কাউকে ত্রিসীমানায় ঘেঁষতেই দিচ্ছে না। তাতে অধিরাজ ও অন্যান্য অফিসাররা হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছে ঠিকই, তবে শহর উত্তাল।

    “ডঃ হ্যারল্ড ফ্রেডরিক শিপম্যানের নাম শুনেছ পবিত্র?”

    পবিত্র একশো আশি ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে মাথা নেড়ে বলল, “নাঃ। আমি ডাক্তারদের থেকে দূরে থাকতেই ভালোবাসি। আমার বউ অবশ্য ডাক্তারদের বেজায় ভালোবাসে। তাই ও জানলেও জানতে পারে।”

    “দুঃখের বিষয় রাজশ্রী বউদি হোমিসাইডের অফিসার নন।” সে আপনমনেই বিড়বিড় করে বলতে থাকে, “ডঃ হ্যারল্ড শিপম্যান অসম্ভব জনপ্রিয় একজন ডাক্তার ছিলেন। সবাই তাঁকে ধন্বন্তরি হিসেবেই মানত। রীতিমতো চ্যারিটিও করতেন। গরীবের দেবতা, অনেকটা ডঃ বসুর মতোই। অনেক পেশেন্টকে অবধারিত মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে এনেছিলেন। অক্লান্তভাবে রোগীদের শুশ্রূষা করতেন। যন্ত্রণাকাতর মানুষগুলোর রোগ তাঁর অ্যাপিয়ারেন্সে, সহানুভূতিশীল কথাবার্তাতেই অর্ধেক সেরে যেত। এককথায় সবাই তাঁকে ভগবানই বলত। এতটাই জনপ্রিয় ছিলেন যে তাঁর বিরুদ্ধে কেউ কিছু বললেই গণধোলাই খেয়ে মরার চান্স প্রবল!”

    “ওঃ হোরেশিও।” পবিত্র কনফিউজড, “তিনি ধন্বন্তরি ছিলেন, জনপ্রিয় ছিলেন তাতে আমার কী! রাজশ্রীর ইন্টারেস্ট থাকলেও থাকতে পারে। ওর আবার রোগের বাতিক আছে। তা এই মহানুভব ডাক্তারবাবু কী আছেন না টপকেছেন? দেখা করা যায়?”

    “না। দু-হাজার চার সালেই তিনি টপকেছেন।”

    “তাহলে তাঁর ওপর বাতেল্লা দেওয়ার মানে কী খুড়ো?”

    অধিরাজ একটা ধোঁয়ার রিং বানিয়ে হাসল, “আজকে যে এই ‘ডঃ ডেথ’ উপাধিটি বারবার শুনতে পাচ্ছ, এটা তাঁরই কৃপার ফল! এই তথাকথিত দেবদূতটি ত্রিশ বছর ধরে প্রায় আড়াইশো পেশেন্টকে যমালয়ে পাঠিয়ে পরবর্তীকালে শ্রেষ্ঠ যমদূতের উপাধিও অর্জন করেছিলেন। সংখ্যাটা আড়াইশোর বেশি হলেও আশ্চর্য হব না। গোটা তিন দশক ধরে কেউ বুঝতেই পারেনি যে একজন স্নেহময় ডাক্তারের মুখোশের পেছনে এক ঠান্ডা মাথার সিরিয়াল কিলার বসে আছে। তাও যা তা সিরিয়াল কিলার নয়। বিশ্বাস না হয়, গুগলকাকুকে জিজ্ঞেস করে দ্যাখো। কাকু বলে দেবেন যে তিনি শুধু ডাক্তার নন ‘মোস্ট প্রলিফিক সিরিয়াল কিলার ইন মডার্ন হিস্ট্রি’-ও বটে। হ্যারল্ড শিপম্যানই সারা বিশ্বে ‘ডঃ ডেথ’ নামে বিখ্যাত। অনেকে আবার তাঁকে ‘অ্যাঞ্জেল অফ ডেথ’-ও বলত। তাঁর বেশির ভাগ টার্গেটই ছিলেন অসুস্থ সিনিয়র সিটিজেনরা, বা টার্মিনাল রোগে ভোগা কোনো বয়স্ক পেশেন্ট। ডায়ামর্ফিন বা ওই জাতীয় ওষুধের ওভারডোজ দিয়ে তিনি আড়াইশোর ওপর বৃদ্ধ বৃদ্ধাকে স্বর্গে ট্রান্সপোর্ট করেছিলেন। এমন নয় যে কেউ তাঁকে সন্দেহ করেনি। ডঃ সুজাতা রায়ের মতোই আর একজন লেডি ডক্টর লিভা রেনল্ডস এই হাই ডেথ রেটের ব্যাপারটা নোটিস করেছিলেন। তিনি কারোনারের কাছে অবিকল ডঃ রায়ের মতোই রিপোর্ট করেন। ইভেন জন শ নামের একজন ট্যাক্সি ড্রাইভার পর্যন্ত পুলিসকে বলেছিল যে আজ পর্যন্ত যত বয়স্ক পেশেন্টকে সে শিপম্যানের হসপিটালে নিয়ে গিয়েছিল তারা কেউ জ্যান্ত ফেরেনি। কিন্তু পুলিস কিছু করতে পারেনি। কারণ ডঃ শিপম্যানের ‘ভগবান’ মার্কা ইমেজ আর জনপ্রিয়তা। বোকার মতো একজন মৃত পেশেন্টের উইল ফর্জারি না করলে তিনি চিরদিনই ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থেকে যেতেন। ত্রিশ বছর যেমন একদম ক্লিন ছিলেন তেমনই ‘ভগবান-জোনড’ হয়েই থাকতেন। তাঁর ভেতরের শয়তানকে কেউ ধরতেই পারত না।”

    বিস্ময়ে অর্ণবের মুখ হাঁ হয়ে যায়। সে কোনোমতে বলে, “মা-ই গ-ড!”

    “শুধু ইনিই নন।” অধিরাজ মৃদু হাসল, “এনার আগেও একজন ছিলেন। ডঃ জন বড়কিন অ্যাডামস। নিপাট ভদ্রলোক, যদিও অত্যন্ত অর্থলোভী। কানাঘুষোয় শোনা যেত যে তিনি অবৈধ ড্রাগের সাপ্লাই দিতেন। প্রেসক্রিপশন ফর্জারিতেও সিদ্ধহস্ত। নার্কোটিক ড্রাগ, মর্ফিন, পেথিডিন, হেরোইন আর বার্বিচারেট তাঁর মেইন অস্ত্র ছিল। ১৯৪৬ থেকে ১৯৫৬ অবধি নির্বিবাদে তিনি আনুমানিক ১৬৩ জন এল্ডারলি পেশেন্টকে ‘স্পেশাল ইঞ্জেকশন’ দিয়ে পটলক্ষেতে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন! সংখ্যাটা ৩১০ হলেও অবাক হব না। দুঃখের বিষয় সেই সিক্রেট ইঞ্জেকশনের কম্পোজিশন তিনি কাউকেই জানিয়ে যাননি। কিন্তু ভেবে দ্যাখো, দশ বছর ধরে একটা লোক একাধিক বে-আইনি কাজ চালিয়ে গেলেন, অথচ কেউ তাঁকে ধরতেই পারল না! ট্রায়ালের সময় তাঁর ডায়লগ কী ছিল জানো? মিসেস মোরেল মার্ডার কেসের ব্যাপারে তিনি বলেছিলেন, ‘মার্ডার… মার্ডার… ক্যান ইউ প্রুভ ইট ওয়াজ মার্ডার?…আই ডিডন্ট থিঙ্ক ইউ কুড প্রুভ ইট ওয়াজ মার্ডার। শি ওয়াজ ডাইং ইন এনি ইভেন্ট।’ লে হালুয়া। আমি ওঁর ডায়লগগুলো পড়ে ভাবছিলাম যে লোকটা পাগল না অরবিন্দ কেজরিওয়াল! লোকটা হয়তো হ্যারল্ড শিপম্যানের মতো আরও কয়েক দশক বিজনেস চালাতে পারত। কিন্তু ওই ১৬৩ জনের কাছ থেকে সম্পত্তি লিখিয়ে নিয়েই কেসটা খেল। এবার বলো কী বলবে? ইনি সম্ভবত ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাক্তন ‘ডঃ ডেথ’! আমি অবাক হব না যদি শিপম্যান এনার কাছ থেকেই সিরিয়াল কিলার হওয়ার কনসেপ্টটি কপি করে থাকেন।”

    অর্ণব একের পর এক বিস্ময়ের আঘাতে যেন মুক হয়ে যায়। ডঃ ডেথের কিংবদন্তী নিতান্ত সাধারণ নয়। কালে কালে এই ‘ডঃ ডেথ’ নামক যমদূত দেখা দিয়েছে। অন্য রূপে, অন্যভাবে। কিন্তু সিরিয়াল কিলিঙের ধারা অব্যাহত।” সে একটু ভেবে নিয়ে বলে, “ভারতেও একজন ডঃ ডেথ ছিলেন না?”

    “হ্যাঁ।” অধিরাজ ছোট্ট নড করে, “ডঃ দেবেন্দ্র শর্মা। তবে তিনি আবার সবাইকে টেক্কা দিয়েছেন। ছিলেন বেসিক্যালি আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞ। কিন্তু শেষমেশ হয়ে গেলেন ট্যাক্সি চোর ও সিরিয়াল কিলার। হোয়াট আ ট্রান্সফর্মেশন। ২০০২ থেকে ২০০৪ অবধি ইনি নিজের মেইন কর্মকাণ্ড চালিয়েছিলেন। তবে ওই দু-বছরেই যা করেছেন তাতে বাকি দু-জন লজ্জায় ধুতু ফেলে ডুবে মরবেন। ইনি ওই দু-বছরেই প্রায় একশো বা তারও বেশি মার্ডার করে ফেলেছেন। কী করেননি ভদ্রলোক। ১৯৯৪ থেকে ২০০৪ অবধি তিনি প্রায় ১২৫টি কিডনি বিক্রি করে বসে আছেন! একেকটা কিডনির দাম পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা। তারপর প্রায় একশোর কাছাকাছি ট্যাক্সিচালককে খুন করে ওই লজঝড়ে ট্যাক্সিগুলোকে কুড়ি-পঁচিশ হাজার টাকায় উত্তরপ্রদেশের ব্ল্যাকমার্কেটে বিক্রি করতেন। ভগা জানে ট্যাক্সির সঙ্গে সঙ্গে কিডনিও হাওয়া হত কী না। বলিহারি! লোকে এত কষ্ট করে কৌন বনেগা ক্রোড়পতি খেলতে যায় কেন?”

    অর্ণবের দমবন্ধ হয়ে আসছিল। কোনোমতে বলল, “১৯৯৪ থেকে ২০০৪ অবধি কিডনির র‍্যাকেট চালিয়ে গেল লোকটা, দু-বছর ধরে এতগুলো ট্যাক্সি ড্রাইভারকে খুনও করে গেল—তবু এত দেরিতে ধরা পড়ল!”

    “এইখানেই তো অবতারটি জিনিয়াস অর্ণব। তিনি কোনো প্রমাণই রাখতেন না যে! হতভাগ্য লোকগুলোকে মার্ডার করে কুমীরদের পার্টি দিতেন। লাশই যদি কুমীরের ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ বা ডিনার হয়ে যায় তবে তো কোনো এভিডেন্সই থাকে না। কী মাথাই না খেলিয়েছে।” সে দীর্ঘশ্বাস ফেলে, “আপাতত তিনি শ্রীঘরে। সেখানেই যদি মরে যান তবে নরকের পাঁচিলে বসে ঠ্যাং দোলাতে দোলাতে বাকি দু-জনের সঙ্গে না হয় ‘ব্রিজ’ বা অনলাইনে ‘ওঃ হেল’ খেলবেন। নরকের ভেতরেও তো কারওর ঠাঁই হবে না। তাই পাঁচিলই বুকড।”

    পবিত্র মুখ গম্ভীর করেছে, “তিনজনে হবে না মামা। মিনিমাম চারজন লাগবে। ব্রিজে তো চারজন মাস্ট।”

    “আর একজন আছেন না?” অধিরাজের মুখে দুষ্ট হাসি, “র্যাকে ফাঁসি দেওয়ার জন্য জনতা উঠে পড়ে লেগেছে। আমরা যাকে ডিপোর্ট করব।”

    “ডঃ সঞ্জয় বসু?”

    “হতেও পারে, নাও পারে। আপাতত ওঁর দিকেই পান্না ভারী।”

    অর্ণব আপনমনেই কী যেন ভাবছিল, “কিন্তু স্যার, আপনি যতজন ডঃ ডেথের কথা শোনালেন তাদের সবার মোটিভ আছে। কেউ টাকার জন্য মেরেছে, কেউ অর্গান ট্র্যাফিকিং বা ট্যাক্সি চুরি করার জন্য। অন্তত মেটিরিয়াল কিছু মোটিভ আছে। অথচ এই কেসে কোনো মেটিরিয়াল মোটিভ তো দেখছি না। যে পেশেন্টরা মারা গিয়েছেন তাঁরা কেউ ডঃ বসুর নামে উইল করেননি, টাকা দেননি। ডঃ বসু যে লেভেলের ডাক্তার তাতে ট্যাক্সি চুরি করার মতো পাতি কাজ করবেন না। অলরেডি নিজেই কয়েক কোটি টাকার মালিক। ওপরন্তু ওঁর স্ত্রীও নামকরা গাইনোকোলজিস্ট। ছেলে বিলেত ফেরত মেডিসিনের ডাক্তার। টাকার তো সব জ্যান্ত গাছ! মৃতদের অর্গানও মিসিং নয়। সব ঠিকঠাক। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অপারেশনই হয়নি। তাঁদের লাশের গায়ে কোনো সন্দেহজনক কাট বা স্টিচও ছিল না। তবে ওঁর মোটিভ কী?”

    “মোটিভ এক্ষেত্রে মেটিরিয়াল নাও হতে পারে।” সে সিগারেটের অবশেষ অ্যাশট্রেতে গুঁজে দিয়ে বলল, “সাইকোলজিক্যাল মোটিভ আমরা প্রচুর দেখেছি। এক্ষেত্রেও সে সম্ভাবনা আছে। আবার মোটিভ না থাকাও আর একটা মোটিভ হতে পারে। সবচেয়ে বড়ো কথা, আজকাল মানুষ মারার জন্য আদৌ কোনো মোটিভ লাগে?”

    “মানে?”

    পবিত্র আর অর্ণব পরস্পরের দিকে তাকায়। শেষ কথাটার অর্থ তারা কেউ বোঝেনি। অধিরাজ ফাইল ঘাঁটতে ঘাঁটতেই বলে, “মানেটা আমি নিজেও বুঝিনি। বুঝলে বুঝিয়ে দেব। তবে এইটুকু বুঝেছি যে সেনোরিটা ঠিক বলছিলেন। অস্বাভাবিক মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় তিরানব্বই। একবছরেই সেঞ্চুরি হয়ে যাচ্ছিল আর একটু হলেই।”

    “হত, যদি সুজাতা রায়ের সঙ্গে অ্যাক্সিডেন্টালি তোমার দেখা না হত। আর তোমার পরামর্শে উনি পুলিসে না যেতেন।” পবিত্র একটু চিন্তিত স্বরে বলে, “তবে ডঃ রায়কে কারা যেন ফোনে হুমকি দিচ্ছে! কড়া হুমকি পাচ্ছেন, ‘মেরে ঝুলিয়ে দেব।’ উনি আজ সকালেই কমপ্লেন করেছেন যে ডঃ সঞ্জয় বসুর দলবলই নাকি এসব করছে। ভদ্রলোকের প্রচুর নেতা মন্ত্রী পেশেন্ট আছে। ওঁর হাত অনেক ওপরে। পলিটিক্যালি ইনফ্লুয়েনশিয়ালও বটে।”

    “হুঁ। টিভিতেও তো দেখলাম ডক্টর বসুর সমর্থকরাই খোলাখুলি সেনোরিটাকে ফাঁসি দিতে চাইছে।” সে চিন্তিত দৃষ্টিতে অর্ণবের দিকে তাকায়, “ইন দ্যাট কেস আমরা একটু পরেই ওঁর সঙ্গে দেখা করে পুলিস প্রোটেকশনের ব্যবস্থা করে আসব। মিস অরোরা আর মিস বোসকে দরকার পড়লে ফিট করতে হবে। আমার মন বলছে, শি ইজ ইন ডেঞ্জার! আফটার অল ওঁর সন্দেহের ভিত্তিতেই এত বড়ো কাণ্ডটা ধরা পড়েছে। কিন্তু…”

    “কিন্তু কী স্যার?”

    “জেনিথই তার প্রথম বেস অব অপারেশন নয়। হওয়া সম্ভবই নয়। একবছরে তিরানব্বইটা প্রাণ এইরকম নিখুঁতভাবে নিয়ে নেওয়ার জন্য আরও লম্বা প্রস্তুতি লাগে। আমরা সবে কেঁচো খুঁড়ছি, কিন্তু আই অ্যাম ড্যাম শিওর কেউটেই বেরোবে।” বলতে বলতেই সে পবিত্রর দিকে তাকায়, “জেনিথের কেস তো দেখলাম। কিন্তু তুমি শিওর যে এই ডেথগুলো শুধু জেনিথেই হয়েছে? এর আগে কোথাও হয়নি? সঞ্জয় বসুর প্রিভিয়াস ট্র্যাক রেকর্ডের খোঁজ নিয়েছ?”

    পবিত্র আচার্য আমতা আমতা করে, “না। আসলে আমি একটা ব্লান্ডার করে ফেলেছিলাম। বেলঘরিয়ার জেনিথ সুপারস্পেশালিষ্ট হসপিটালের সঙ্গে বাইপাসের জেনিথ মাল্টিস্পেশালিটি হসপিটালকে গুলিয়ে ফেলেছিলাম। তাই বেলঘরিয়ার জেনিথেই ঘুরে মরেছি। ওখানেই টাইম ওয়েস্ট বেশি করে ফেলেছি। কী করে জানব ওই একই নামে নতুন আর একটা হসপিটাল হয়েছে? তাছাড়া আগের রেকর্ড থাকবে তুমি এক্সপেক্ট করছ? নাও তো থাকতে পারে!”

    “মানেটা কী?”

    এবার হঠাৎই ধৈর্য হারিয়ে অধিরাজ রেগে গেছে, “চোখের সামনেই দেখতে পাচ্ছ একবছরে তিরানব্বইটা কেস। এর মানে বোঝ? খুনী একদম ফুল কনফিডেন্ট! সে ডাইনে বাঁয়ে দেখছেই না! ফুল থ্রটলে আছে। এতটা কনফিডেন্স, এতটা স্পিড, এতটা নির্ভীক বা বেপরোয়া কেউ একদিন বা একবছরে হয় না। একটু একটু করে হয়। তুমি ডঃ বসু যে সমস্ত হসপিটালের সঙ্গে কানেক্টেড ছিলেন বা আছেন, তাদের ফাইলের খোঁজটাও করনি। উলটে ডঃ বসুকে গ্রেফতার করে জেরা করেই সন্তুষ্ট হয়ে গেলে? উনি যদি সত্যিই মার্ডারার হন, তাহলেও চার্জশিটে একটা লুপহোলও ওঁকে বাঁচাতে পারে। হোয়াট দ্য…!”

    পবিত্রর মাথা নীচু হয়ে গেছে। আসলে এই ‘ডঃ ডেথ’ ব্যাপারটাই তার কাছে এত গোলমেলে আর ভয়াবহ যে এর থেকেও ভয়াবহ আরও কিছু হতে পারে তা ভেবেই দেখেনি। এবার সম্ভাবনাটার কথা ভেবেই তার রক্ত হিম হয়ে যায়। যদি এটা ডঃ বসুর একবছরের কর্মকাণ্ড না হয়ে থাকে। যদি এই অপরাধের সময়কাল অন্যান্য ‘ডঃ ডেথ’ দের মতোই কয়েক দশক বা কমসে কম বছর দশেক হয় তবে ওঁর শিকারের সংখ্যা ঠিক কততে গিয়ে দাঁড়াবে।

    অধিরাজের মুখ শক্ত হয়ে ওঠে, “তুমি এখনই মিস দত্তকে নিয়ে বেরিয়ে যাও। আজ সন্ধের মধ্যেই ডঃ বসুর সমস্ত হিসি আমার চাই। কোন হসপিটালে কোন কোন বছরে তাঁর আস্তার কতজন রোগী মারা গেছেন, সব রেকর্ড আজ সন্ধের মধ্যেই যেন আমার কাছে চলে আসে। আর মিস রায়ের দিকটা আবা দেখছি। অ্যাম আই আন্ডারস্টুড?”

    পবিত্র মাথা ঝাঁকায়, “ইয়েস বস’!

    সে তড়িঘড়ি সেখান থেকে চলে যেতেই অর্ণবের দিকে তাকায় অধিরাজ, “আমার দৃঢ় বিশ্বাস জেনিথ ছাড়াও অন্যান্য হসপিটালে একই কাণ্ডের কু পাব আমরা। যদিও প্রমাণ করার উপায় প্রায় নেই। কিন্তু দ্যাখো, পবিত্র যদি ঠিকঠাক খোঁজ নেয় তবে এমন আরও কেস ধরা পড়বে।”

    “লোকটা এমন কিলোদরে খুন করেছে। কেন?”

    “সেই প্রশ্নের উত্তরই তো খুঁজতে হবে অর্ণব।” অধিরাজের মুখে চিন্তার ছাপ, “আমার মাথায় এখনও জন বড়কিন অ্যাডামসের চ্যালেঞ্জটা ঘুরছে। ক্যান ইউ প্রুভ ইট ওয়াজ মার্ডার? …আই ডিডন্ট থিঙ্ক ইউ কুড…! ক্ষ্যামতা থাকলে প্রমাণ করো যে আমি খুনী।” তার আঙুলগুলো অস্থিরভাবে পেপারওয়েটটাকে ঘোরাচ্ছে, “মজার কথা, ডঃ বসুর কেসগুলো অবিকল হ্যারল্ড শিপম্যানের মতো। সেই এজেড পেসেন্টের মৃত্যু! সেই ভগবানজোনড হাবভাব। স্নেহময় স্বভাব। সেই জনপ্রিয়তা! যিনি নিজেই ডেথ সার্টিফিকেট লিখছেন তাঁর তো ধরা পড়ার ভয়ই নেই। ওই লেডি ডক্টর না থাকলে ওঁকে স্পর্শও করা যেত না। সর্বোপরি কী কনফিডেন্ট মোডাস অপারেন্ডি। এই কাজ যেন বহুবার করেছেন। ডঃ বসু বোকা নন। পবিত্রকে কনফেশন দিলেও জানেন যে কোর্টে পালটি খেলে কারওর কিছু করার থাকবে না। বাধা শুধু একজনই। লেডি ডক্টরটি।”

    বলতে বলতেই উঠে দাঁড়াল সে, “দেরি করা ঠিক হবে না। মিস বোস আর মিস অরোরাকে ডাকো। এখনই আমাদের মেয়েটির কাছে পৌঁছতে হবে….।”

    কথাটা সে শেষও করতে পারেনি। তার আগেই ফোন সশব্দে বেজে উঠেছে। অধিরাজ অবাক হয়ে দেখল যে পবিত্রর নাম ভেসে উঠেছে স্ক্রিনে। এই তো সবে বেরোল সে। এর মধ্যেই ফোন করার কী হল!

    অর্ণবের বুকের ভেতরে ধ্বক করে ওঠে। কোনো দুঃসংবাদ নয়তো?

    “হ্যালো।”

    সে ফোনটা রিসিভ করতেই উলটোদিক থেকে ভেসে এল পবিত্রর উত্তেজিত কণ্ঠস্বর, “রাজা, ব্যাড নিউজ।”

    সে রুদ্ধশ্বাসে বলে, “বলো।”

    “এইমাত্র জেনিথ থেকে ফোন এসেছে। ডঃ বসুর টিমের একজন ওয়ার্ডবয় মিসিং!”

    “হো-য়া-ট।” বিহ্বল স্বরে সে বলল, “কীভাবে মিসিং হল? তুমি ডক্টর বসুকে গ্রেফতার করার সময়ে ওদের সবাইকে বলোনি যে কোথাও যাওয়া চলবে না? পাহারার বন্দোবস্ত করোনি?”

    “করেছিলাম। কিন্তু এই ওয়ার্ডবয়টি ওইদিন ছুটিতে ছিল। সে আর পরের দিন থেকে আসেইনি। এখন তার তলব পড়তে জানা গেল, বাড়িতেও সে নেই! ইনফ্যাক্ট কোথাও নেই। টোট্যালি গায়েব।”

    “গ—ড!”

    ফোনটা কেটে দিয়ে কিছুক্ষণ থ মেরে রইল অধিরাজ। আসল খেলা শুরু হয়ে গিয়েছে। আজ একজন মিসিং হয়েছে। কাল অন্য কেউ হবে। বাদ যাবে না সাক্ষীরাও। কেউ হয়তো বয়ান পালটাবে। আবার কেউ এই ওয়ার্ডবয়টির মতোই হারিয়ে যাবে।

    তার মনে হল ডঃ সঞ্জয় বসুও হয়তো গরাদের ভেতরে অন্ধকারে বসে হাসছেন আর ভাবছেন, “পারবে প্রমাণ করতে যে এটা খুন? মনে হয় না তুমি পারবে…!”

    একে একে নিভিছে দেউটি!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশয়তানের সন্তান – সৈকত মুখোপাধ্যায়
    Next Article শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Our Picks

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }