Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    সায়ন্তনী পূততুণ্ড এক পাতা গল্প419 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ডঃ ডেথ – ১৯

    ১৯

    “দা বেস্ট ডক্টর গিভ দেয়ার ‘হার্টস’ বিফোর দেয়ার প্রেসক্রিপশনস।”

    এতক্ষণ ডঃ চ্যাটার্জির পাঠানো মিসেস উর্মিলা চক্রবর্তীর পোস্টমর্টেম রিপোর্টটা খুব মন দিয়ে পড়ছিল অর্ণব। উর্মিলার গলায় ধারালো ছুরির একটাই স্ট্রোক পাওয়া গিয়েছে। একাধিক আঘাতের চিহ্ন নেই। আর ওই এক টানেই ওঁর গলার ক্যারোটিড আর্টারি ও ইন্টারনাল জুগুলার ভেইন, দুটোই কেটে ফাঁক। এই ফ্যাটাল আঘাতই যথেষ্ট ছিল ভদ্রমহিলার মৃত্যুর জন্য। তার সঙ্গে ইন্টারনাল জুগুলার ভেইন কেটে যাওয়ায় সেখান থেকে এয়ারবাবলসও ক্রমাগত ব্লাডস্ট্রিমে ঢুকে পড়ছিল। ফলস্বরূপ এয়ার এম্বলিজম। বাঁচার কোনো সম্ভাবনাই নেই।

    ‘এয়ার এম্বলিজম’ শব্দটা অর্ণবের মনের মধ্যে একটা আলোড়ন তুলছিল। এই কেসে এয়ার এম্বলিজমের আবির্ভাব এই দ্বিতীয়বার! এটা কী কাকতালীয়? এছাড়াও ডঃ চ্যাটার্জির মতে ভদ্রমহিলা কোনোরকম স্ট্রাগল করেননি। বোধহয় বুঝতেই পারেননি যে ওঁর ওপর কোনো আততায়ী হামলা করতে চলেছে। সবটাই এত আকস্মিকভাবে ঘটেছে যে ফাইটব্যাক বা ধস্তাধস্তি করার কোনো সম্ভাবনাই ছিল না। যিনি ছুরিটি চালিয়েছেন, হয় তিনি একজন মেডিক্যাল প্রফেশনাল, নয়তো অত্যন্ত দক্ষ প্রফেশনাল কিলার যার ছুরির টান কথা বলে। মোদ্দা কথা, খুনীর হিউম্যান অ্যানাটমির জ্ঞান আছে। প্র্যাকটিসড হ্যান্ড ছাড়া আকস্মিক একটানেই অমন নিখুঁত ও ক্লিয়ার ভাবে ক্যারোটিড আর্টারি আর জুগুলার ভেইন একসঙ্গে কেটে দেওয়া একেবারেই সহজ কাজ নয়। ভদ্রমহিলার পেটে হজম না হওয়া মাশরুম, সিচুয়ান পিপারকর্নস, রাইস আর নুডলসের ট্রেস পাওয়া গিয়েছে। অর্থাৎ তিনি ডিনারে চাইনিজ খেয়েছিলেন! তবে তাঁর রক্তে কোনোরকম ড্রাগ বা সেডেটিভের ট্রেস পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ ডিনারে কিছু মেশানো ছিল না। মৃত্যুর আগে তিনি সজ্ঞানেই ছিলেন। ঘরের ভেতরে কোনো অজ্ঞাত ফিঙ্গারপ্রিন্টের স্যাম্পল পাওয়া যায়নি। মা, ছেলে ও বাড়ির কুক কাম বারো-ঘণ্টার কম্বাইন্ড হ্যান্ড ভবেশ ছাড়া আর কারওর ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেই। ভবেশকে ওরা ইন্টারোগেট করেছিল ঠিকই। কিন্তু তার জোরদার অ্যালিবাই থাকার কারণে ক্লিনচিটও পেয়ে গিয়েছে। সত্যি বলতে কী, অ্যালিবাইয়েরও দরকার ছিল না। ভবেশ একজন ছাপোষা গ্রাম্য মানুষ। সে বেচারার পেটে এত বিদ্যাই নেই যে নিজের নামটা ঠিকঠাক সই করবে, হিউম্যান অ্যানাটমির জ্ঞান থাকা তো দূর। ওর মতো একজন মানুষ কারওর গলা নিখুঁতভাবে কাটছে বা কারওর স্পাইনাল কর্ড গুলি মেরে উড়িয়ে দিচ্ছে, এটা ভাবা আর আকাশকুসুম কল্পনা করা একই। তাই অধিরাজ আগেই তাকে বাদ দিয়ে দিয়েছিল।

    কিন্তু ফরেনসিক রিপোর্টটা অর্ণবকে বারবার সচকিত করছে। ‘মেডিক্যাল প্রফেশনাল’, ‘প্র্যাকটিসড হ্যান্ড’, ‘হিউম্যান অ্যানাটমির জ্ঞান’, ‘ফাইট ব্যাক না করা’, ‘এয়ার এম্বলিজম’ এবং সর্বোপরি খাদ্যের তালিকায় ‘মাশরুম।” এর সবকটাই কী স্রেফ কো-ইনসিডেন্স? তার মনে বারবার একটা নামই উঠে আসছিল। শীলা বসাক। কোনোভাবে শীলা বসাক ক্রাইমসিনে উপস্থিত ছিল কী? এমন নয়তো যে ডিনার খাওয়ানোর বাহানায় সে ডঃ কৌশিকের বাড়ি গিয়েছিল? ডিনারও খাইয়েছিল। তারপর যখন কৌশিক ও উর্মিলা চক্রবর্তী তাকে সৌজন্যমূলকভাবে বিদায় জানানোর জন্য গেট অবধি এগিয়ে আসেন তখনই আচমকা ওঁদের ওপর হামলা হয়। সেজন্যই দু-জনের রক্তাক্ত, আহত দেহ গেটের সামনেই পড়েছিল। খুনী এতটাই পরিচিত যে ডঃ চক্রবর্তী বা উর্মিলা, কেউই দুঃস্বপ্নে ভাবেননি যে সে আক্রমণও করতে পারে! তাই ফাইট ব্যাকের প্রশ্নই ওঠে না।

    ভাবতে ভাবতেই অর্ণবের ভুরু অসন্তোষে কুঁচকে গিয়েছে। তাহলে তো কৌশিক চক্রবর্তীর দেওয়া স্টেটমেন্টটাই মিথ্যে! একে তো তিনি অ্যাটাকের টাইমিংটাই বলতে পারেননি। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট বলছে যে মার্ডার ও মার্ডার অ্যাটেম্পটটা হয়েছে আফটার ডিনার। মা নিশ্চয়ই ছেলেকে ফেলে আগেই খপখপ করে চাইনিজ খেয়ে নেননি। ওটা মায়েদের স্বভাবই নয়। সুতরাং উর্মিলা যদি চাইনিজ খেয়ে থাকেন, তবে কৌশিকও খেয়েছিলেন। খাবার যখন হজম হয়নি তখন বুঝতে হবে যে ডিনারের পরেই উর্মিলার মৃত্যু হয় ও কৌশিক আহত হন। তাহলে তিনি বললেন কেন, “বোধহয় ডিনারের আগে… আমরা তখনও ডিনার করিনি।” খেয়েছিলেন কী খাননি তা মনে ছিল না? এতটাই আপনভোলা স্বভাবের? না ওই মারাত্মক ঘটনার ট্রমার ফলে ঠিকমতো ঘটনা পরম্পরা মনে করতে পারছিলেন না? আর ওঁর কথা অনুযায়ী যদি মুখে মাস্ক পরা অজ্ঞাত কিলাররাই এই জোড়া খুনের চেষ্টা করে থাকে, তবে উর্মিলা কী বাধা দিতেন না? দু-জনের একজনও কী স্ট্রাগল করতেন না?

    সে মনের মধ্যে ভিড় করে আসা প্রশ্নগুলো অধিরাজকে করতেই যাচ্ছিল। কিন্তু সে তখন একশো চুয়ান্নটা ফাইল বারবার পড়ে চলেছে। তার সঙ্গে এখন জেনিথের সেই ফাইলগুলোও উলটে পালটে দেখছে যেগুলোর পেশেন্টরা বেঁচে আছে ও একদম সুস্থ অবস্থাতেই জীবনযাপন করছে। এত গভীর মনোসংযোগে প্রতিটি প্রেসক্রিপশন, ডায়েট চার্ট, ডক্টরস নোট বা মেডিক্যাল হিস্ট্রি খুটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছিল যে অর্ণব তাকে বিরক্ত করল না। এখন তার বাঁ-হাতটা পেপারওয়েট নিয়ে খেলা করছে। ডানহাতের আঙুলের ফাঁকে ধিকিধিকি জ্বলছে সিগারেট। তার স্তিমিত আলোয় আংটির জবরদস্ত হীরেটা দ্যুতি ছড়ালেও সিগারেটটা নিষ্প্রভ, কারণ তার মুখে বিরাট একটা ছাইয়ের স্তর। অধিরাজ সিগারেট ধরিয়েছে ঠিকই, কিন্তু এখন যেন সুখটান দিতেও ভুলে গিয়েছে। তাকে দেখলে মনে হয় সে নিজেও জানে না চিন্তার কোন্ অতল গহ্বরে ডুবে আছে। আঙুলগুলোর নড়াচড়া অলস, অনিয়ন্ত্রিত। স্খলিত ওষ্ঠাধর নিজের মনেই বিড়বিড় করে কী যেন বলছে। চোখ-দুটো ফাইলগুলোয় নিবদ্ধ। অথচ দৃষ্টিতে সুগভীর চিন্তার ছাপ। যেন আস্তে আস্তে একটা ঘোর তাকে দখল করে নিচ্ছিল।

    অর্ণব এই সিম্পটম বহুবার দেখেছে। সে ঘর থেকে বেরিয়ে যাবে কী না ভাবছিল। তার আগেই নিজের মৌনতা ভেঙে বলল অধিরাজ, “দ্য বেস্ট ডক্টর গিভ দেয়ার ‘হার্টস’ বিফোর দেয়ার ‘প্রেসক্রিপশনস’—ডঃ সঞ্জয় বসু উবাচ। বেশ লিখেছেন তো!”

    অর্ণব ভেবে পায় না ডঃ বসুর এই লেখার মধ্যে অধিরাজ কী এমন বিশেষত্ব খুঁজে পেয়েছে। সে অবাক হয়ে বলে, “স্যার?”

    “একা কৌশিক নন। ডঃ বসুও দেখছি প্রেসক্রিপশনে মাঝেমধ্যেই দার্শনিক উক্তি বসিয়ে দেন। আর আমি যদি ভুল না করি তবে গুরুকে দেখেই শিষ্য প্রভাবিত হয়ে এই ডায়লগবাজির স্টাইল কপি করেছেন।”

    “তাতে কী হল?”

    “কিছুই নয়,” সে এতক্ষণে সিগারেটটাতে টান মারল, “কিন্তু একেকটা ফাইল একেকটা গল্প। সুহাসিনীর বজ্জাতি সর্বত্র রয়েছে। খিটখিটে বুড়ো বুড়িদের যা পেরেছেন গিলিয়েছেন। যার গ্লুটেনে অ্যালার্জি, তাকে ব্রেকফাস্টে ব্রেড, আর ডিনারে রুটি দিয়ে বসে আছেন। যার ল্যাকটোজ ইনটলারেন্সের হিস্ট্রি তাকে দুধ! দুই পেশেন্টই আর একটু হলেই টপকে যাচ্ছিলেন। শেষ পর্যন্ত ডঃ বসু ও কৌশিকের হস্তক্ষেপে বেঁচে বাড়ি ফিরেছেন দু-জনই। এইরকম ভুতুড়ি করে কী মজা পান কে জানে! নামকাটা যাওয়ার পরও শুধরোননি মহিলা। ওঁর চার্জশিটে এই পয়েন্টটাও অ্যাড করে দিও তো। সুশান্তকে খুন করার চার্জে নাম তো আছেই। তার ওপর এই ‘অ্যাটেম্পট টু মার্ডারের’ গাদা গাদা চার্জ লাগিয়ে দিও। জেলে বসে চাক্কি পিসিং… পিসিং… অ্যান্ড পিসিং করলে যদি বুদ্ধি খোলে।”

    “স্যার” অর্ণব ঘাবড়ে গিয়ে বলল, “এমনিতেই তো শয়তানের আঁটি। এরপরও বুদ্ধি খোলা খুব প্রয়োজন?”

    “শয়তানের আঁটি হতে পারেন। কিন্তু বেসিক্যান্সি উনি ও ডঃ সরকার, দু-জনেই এমন বুদ্ধিমান যে ধরতেই পারেননি যে খুনী ওঁদের ডেকে নিয়ে গিয়েছিল সুশান্তর মুখোমুখি ফেলবে বলেই। সুজাতা ওঁদের কোনো মেসেজই করেননি। করেছিলেন সেই এক ও অদ্বিতীয় ডঃ ডেথ। তিনি দু-জনকেই ক্রাইম সিনে এনে ফেলতে চেয়েছিলেন। এবং এটাও নিশ্চিত করতে চেয়েছিলেন যাতে সুশান্ত ওঁদের দেখতে পায়। বা বলা ভালো ওঁরা যেন দেখেন যে সুশান্ত ওঁদের দেখে ফেলেছে। একদম জিনিয়াস মাইন্ডের ওয়েল ক্যালকুলেটেড টাইমিঙে দুইপক্ষের শুভদৃষ্টির ফুলপ্রুফ প্ল্যানিং বলতে পারো।”

    অর্ণব তখনও ব্যাপারটা বুঝে উঠতে পারেনি, “কিন্তু এই শুভদৃষ্টি করিয়ে লাভটা কী হল? ডঃ ডেথ নিজের হাতে খুন করেননি, বরং সুশান্তকে দিয়েই করিয়েছেন। সেক্ষেত্রে ক্রাইমসিন থেকে তাকে দূরে সরিয়ে রাখাটাই স্বাভাবিক নয় কী? নিজের পার্টনার অব ক্রাইমের কীর্তির সাক্ষী দু দু-জনকে রাখবেন কেন?”

    অধিরাজের চোখে আবার গভীর দৃষ্টি, “দুটো কারণে। প্রথমত, যাতে সুজাতার মার্ডারে ইন্দ্রজিৎ আর সুহাসিনীকে ফাঁসানো যায়। আর দ্বিতীয় কারণ, যাতে সুশান্তর সাফাই এই দুই মক্কেলকে দিয়ে করানো যায়। সুজাতার খুনের সঙ্গে সঙ্গেই সুশান্ত’র মার্ডারেরও মাস্টারপ্ল্যান তৈরি হয়ে গিয়েছিল কিনা।”

    বিস্ময়ে অর্ণব হতবাক, “সে কী!”

    “এই খুনীর প্যাটার্ন দেখে অবাক হয়ে যেও না অর্ণব।”

    সে আস্তে আস্তে বলল, “লোকটার দাবা খেলার অভ্যেস থাকলে সবাইকে টেক্কা দিয়ে বসে থাকত। ইনি নিজে কিং বা কুইনকে অ্যাটাক করেন না। বরং পরিস্থিতি এমন তৈরি করেন যাতে কিং আর ক্যুইন নিজেরাই মারামারি করে মরে।”

    “কী ভাবে?”

    “যেমন ধরো, সুজাতা খুব ভালোভাবেই জানতেন যে সুহাসিনী মিত্র আর ডঃ ইন্দ্রজিৎ সরকার ডঃ বসুর টিমের লোক। তার আগেই রণজয় বসু ওঁকে হুমকি দিয়েছিলেন। সুজাতার বুঝতে নিশ্চয়ই বাকি ছিল না যে হুমকিটা অবধারিতভাবে ডঃ বসুর কাছের মানুষদের কাছ থেকেই আসছে। এমন অবস্থায় তিনি বেছে বেছে সেই দু-জনকেই হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ করে ডঃ বসুর বিরুদ্ধে নিজের ডিসকভারির কথা জানাবেন ও দেখা করতে চাইবেন যাঁরা ডঃ বসুর সবচেয়ে ক্লোজ? সেনোরিটার প্রাণের ভয় যথেষ্টই ছিল, এবং তিনি পাগলও ছিলেন না। তিনি কোনো ক্লু বা লিড পেলে পুলিসের কাছেই যেতেন, কিন্তু ওই দু-জনের কাছে নৈব নৈব চ।”

    “ঠিক। তবে মেসেজটা খুনীই পাঠিয়েছিল?”

    “একদমই তাই। খুনী চাইছিল যে ওই দু-জনের লোকেশন যেন ওখানেই থাকে। সে দু-জনকেই হাড়ে হাড়ে চেনে। এটাও জানে যে সুহাসিনী মিত্র ঠিক কোন লেভেলের ক্লিনিং এক্সপার্ট আর তার এই পরিষ্কারের বাতিক সর্বজনবিদিত। তাই সে নিজে ক্রাইমসিনকে ছোঁয়নি। বরং এই দু-জনকে এনে ফেলেছে। ডেফিনিটলি নিজেদের ক্রাইমসিনে আবিষ্কার করলে দু-জনেই ভয় পাবেন আর নিজেদের উপস্থিতির প্রমাণ লোপাট করার চেষ্টা করবেন। এ বিষয়ে ইন্দ্ৰজিৎ গোদা লোক হলেও ক্লিনিং আর্টিস্ট সুহাসিনীর ওপর তার সম্পূর্ণ ভরসা ছিল। সুহাসিনী যে ওই ফ্ল্যাট থেকে নিজেদের অস্তিত্বের প্রমাণ মুছে দেওয়ার জন্য ক্রাইমসিনের আপাদমস্তক মেক-আপ করবেন তা তার জানা। আর সেই মেক-আপ দেখলে পুলিস সুহাসিনীকেই সন্দেহ করতে বাধ্য এটাও সে জানত। কারণ মহিলার কাজ করার প্যাটার্নই এত ব্যতিক্রমী ধরনের পরিপাটি যে একটা বাচ্চা ছেলেও ধরে ফেলবে।”

    “কিন্তু সুশান্তর এখানে রোল কী স্যার? মার্ডারার মার্ডার করার পর স্পট থেকে পালাবে সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সে আবার ফিরে এল কী করতে?”

    “সে নিজে ফেরেনি।” আত্মমগ্ন ভঙ্গিতে উত্তর এল, “তাকে কোনো ছুতোয় ওখানে ফিরিয়ে আনা হয়েছে যাতে ছয় চক্ষুর মিলন হয়। সুশান্তকে খুনী ভালো করেই চেনে। জানত, তার টাকার নেশা আকাশছোঁয়া। ব্ল্যাকমেইলিঙে জুড়ি নেই। সে ওই দু-জনকে ব্ল্যাকমেইল করবেই। আর ডঃ সরকার যে এবার মরিয়া হয়ে ওকে স্রেফ খুন করতে বাধ্য হবেন–সেটা তার বুঝতে বাকি ছিল না। অ্যাকচুয়ালি ওটাই তার ‘গোল। নিজে উপস্থিত না থেকেও সে শুধু মাইন্ডগেম খেলে একজনকে দিয়ে আর একজনকে সরাচ্ছে। যেমন রতনকে দিয়ে দুটো প্রাণ নিয়ে নিল! তেমনই ডঃ সরকার আর সুশান্তর শুভদৃষ্টির নিট ফল দেখতেই পাচ্ছ। সুহাসিনী আর ইন্দ্রজিৎ ফেঁসে গেছেন। আর সুশান্তও শেষ! যে ডঃ সরকার সুশান্তকে রীতিমতো গার্ড করছিলেন, তিনিই ওকে খুন করতে বাধ্য হলেন। অথচ কেউ বুঝলেন না যে ওঁরা কেউ নিজে থেকে কাজটা করছেন না, ওঁদের দিয়ে করিয়ে নেওয়া হচ্ছে! ইভেন আমরাও কিছুটা হলেও ওর সুতোর টানেই নাচছিলাম। শুধু ডঃ সরকার, সুহাসিনী, সুশান্ত বা রতনকেই নয়, সে আমাদেরও নিজের ইচ্ছেমতো নাচিয়ে ছেড়েছে।” কথাটা বলেই সে হাতের ছবিটা অ্যাশট্রেতে ফেলে বলল, “হোয়াট আ ব্রেন।”

    “এত কিছু হয়ে গেল, সিকিউরিটি গার্ডটা কিছু টের পেল না?”

    “লে। গান্ধীজির চতুর্থ বাদরের ফান্ডা বলেছিলাম না তোমায়? তিনি তো নাকের সামনে স্মার্টফোন নিয়েই বসে থাকেন। ইনফ্যাক্ট আমরা যখন গিয়েছিলাম তখনও ওনার মোবাইলে ‘লে: উর্ফি’ ভাইরাল রিলস চলছিল। উর্কি জাভেদ ক্যান্ডিস পরে নিজেই আবার সেই ক্যান্ডিস ছিঁড়ে ছিঁড়ে খাচ্ছিলেন। তিনি সেই দৃশ্য দেখবেন না অ্যাপার্টমেন্টে কে ঢুকল, কে বেরোল তা নজর করবেন?”

    “কিন্তু স্যার…” অর্ণব এতক্ষণে নিজের সংশয় প্রকাশ করে, “কৌশিক বেমক্কা অমন ভুলভাল স্টেটমেন্ট দিলেন কেন?”

    “কোন স্টেটমেন্টের কথা বলছ?”

    “যেদিন ওঁর আর ওঁর মায়ের ওপর অ্যাটাক হল, সেদিন অ্যাটাকের টাইমিংটাই তো ভুল বলেছেন!”

    অর্ণব এতক্ষণ ধরে যা ভাবছিল তার সবটাই অধিরাজকে খুলে বলল, “উনি ডিনার খেয়েও বেমালুম ভুলে গেলেন কী করে। তাছাড়া মার্ডারাররা অপরিচিত হলে ওঁরা কেউ স্ট্রাগল করলেন না কেন? ভদ্রলোক কাউকে গার্ড করছেন না তো!”

    অধিরাজ মৃদু হাসল, “তোমার প্রথম প্রশ্নের উত্তর এই ফাইলগুলোতেই আছে। কৌশিক চক্রবর্তীর নেচারই এরকম! মাঝে মাঝেই অত্যন্ত অন্যমনস্ক ও অগোছালো প্রকৃতির হয়ে যান। তুমি খাওয়ার কথা বলছ? অ্যাকর্ডিং টু সাম মেডিক্যাল ফাইলস, উনি তো এ-ও ভুলে গিয়েছেন যে কোন পেশেন্টকে অ্যাটেন্ড করেছেন, আর কাকে করেননি। এর মধ্যে অন্তত চারটে কেস আছে যেখানে উনি কোনো পেশেন্টকে একইদিনে পরপর দু-বার ঠিক দশ মিনিটের ডিফারেন্সে ভিজিট করে দু-রকম আলাদা আলাদা মেডিকেশন প্রেসক্রাইব করে বসে আছেন। সম্ভবত অ্যাসোসিয়েটসদের মধ্যে কেউ তাঁকে মনে করিয়ে দিয়েছিল যে অলরেডি তিনি এই পেশেন্টটিকে দেখে গিয়েছেন এবং দশ মিনিট আগেই আলাদা মেডিকেশন দিয়েছেন। তাই দ্বিতীয় প্রেসক্রিপশনটা যতখানি লিখেছিলেন পুরোটা কেটে দিয়ে শুধু নোট লিখে দিয়েছেন, ‘ফলো দ্য প্রিভিয়াস ওয়ান।’ আবার এক জায়গায় স্বয়ং বসু দুপুর বারোটায় ওঁকে ‘রেফারাল লেটার’ দিয়ে নোট লিখেছেন, ‘কনসাল্ট ডঃ কৌশিক চক্রবর্তী অ্যাসাপ।’ মূর্তিমান সেদিন হসপিটালেই উপস্থিত ছিলেন কারণ যে বেড নম্বরের পেশেন্টকে তাঁর কাছে রেফার করা হয়েছিল, তার আগের ও পরের বেড নম্বরের দু-জন পেশেন্টের ফাইলে উনি বারোটা বেজে পাঁচ ও বারোটা বেজে দশে প্রেসক্রিপশন লিখে বসে আছেন যেখানে মেডিসিনের ডাক্তারের হস্তক্ষেপের প্রয়োজনই ছিল না। আবার নিজেই ভুল বুঝে একটা লম্বা দাগ দিয়ে প্রেসক্রিপশন দুটো কেটেও দিয়েছেন। কিন্তু উক্ত বেডনম্বরের পেশেন্টটির কাছে পৌঁছোতে ওঁর আরও পাঁচ ঘণ্টা সময় লেগেছে। কী বলবে একে? যে লোক কোন বেড নম্বরের পেশেন্টের কাছে যেতে হবে সেটাই প্রায় ভুলে যান, কাকে ভিজিট দিয়েছেন, কাকে দেননি, কোন দিকে রাউন্ডে গেছেন, কোন দিকে যাননি তাও গুলিয়ে বসে থাকেন—তিনি স্পাইনাল কর্ডে গুলি খাওয়ার পর ট্রমাটাইজড অবস্থায় মনে রাখবেন যে গুলির আগে অন্য কিছুও খেয়েছিলেন কী না। এটা আদৌ অ্যাবনর্মালই নয়, বরং ওঁর মতো ‘ভোলানাথ’-এর জন্য সম্পূর্ণ নর্মাল। ইভেন হাতের লেখারও কোনো ধারাবাহিকতা নেই। কোনো ফাইলে সুন্দর। কোনো ফাইলে যাচ্ছেতাই। ওঁকে সুহাসিনীর একদম অপোজিট বলা যেতে পারে। চূড়ান্ত অন্যমনস্ক আর আন-অর্গানাইজড হয়ে যান মাঝেমধ্যেই।” সে হাসল, “বললাম না, একেকটা কেসফাইল একেকটা গল্প। ভাগ্যিস যাদের ক্ষেত্রে গুলিয়েছেন তারা বহাল তবিয়তে এই ধরাধামেই আছেন। নয়তো ভদ্রলোকের কপালে দুঃখ ছিল।”

    “আর মাস্ক-পরা লোক দেখেও স্ট্রাগল না করা? উনি কী স্ট্রাগল করতেও ভুলে গিয়েছিলেন?”

    “না। সেটা উনি ভোলেননি। অ্যাকচুয়ালি ওটা করা ওঁদের দু-জনের কারওর পক্ষেই সম্ভব ছিল না।” অধিরাজ বুঝিয়ে বলল, “উর্মিলা বয়স্ক ও ক্যান্সার পেশেন্ট। ক্যান্সার রোগটার ট্রিটমেন্ট ও তার সাইড এফেক্টে মানুষ ‘স্মথ’ হয়ে যায়। রিফ্লেক্স অ্যাকশনও তেমন কাজ করে না। ওঁর যে-কোনো ব্যাপারে রি-অ্যাক্ট করতে বা স্ট্রাগল করতেও সময় লাগত। তার আগেই যদি কেউ ধারালো ছুরির ঘায়ে গলাটাই ওভাবে কেটে দেয় তবে তো স্ট্রাগলের প্রশ্নই ওঠে না। আর ডঃ চক্রবর্তী নিজেই বা কোন ‘মি. ফ্ল্যাশ?” তিনিও তো সবে প্যারালাইজড অবস্থা থেকে রিকভার করছিলেন। তোমার ফেভারিট অনন্ত আম্বানির রিফ্লেক্সও বোধহয় ওঁর থেকে বেটার। তার ওপর স্পাইনাল কর্ডে একটা গুলি এসে হিট করলে কেউ ঘুষোঘুষি করার পর্যায়ে থাকে না। হ্যাঁ, অবশ্য জুনিয়র আম্বানি থাকতে পারেন, কারণ বেচারা বুলেটের ওঁর স্পাইনাল কর্ড অবধি পৌঁছতে কয়েক বছর সময় লাগবে। আদৌ বুলেটটা পৌঁছোবে, না রাস্তাতেই আটকে গিয়ে নিজেই খাবি খাবে, সে বিষয়েও আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে। হোয়াটএভার, সেক্ষেত্রে ফাইট ব্যাক সম্ভব ছিল। কিন্তু ডঃ চক্রবর্তীর গায়ে ওরকম দুর্ভেদ্য বর্ম নেই। তাই বুলেট স্পাইনে লাগার পর তিনি আর কিছু করার অবস্থাতেই ছিলেন না।”

    অধিরাজ একটু চিন্তামাখা স্বরে বলল, “তাছাড়া ওঁদের বাড়ি থেকে একটু দূরে একটা দোকানের সিসিটিভি ফুটেজে তিনজন মাস্কড ম্যানের ছবিও দু-তিন সেকেন্ডের জন্য ধরা পড়েছে। যদিও সে ফুটেজ দেখে মাস্কের ভেতরে সলমন খান বসে আছেন না শাহরুখ খান তা বোঝার উপায় নেই। কিন্তু কৌশিক ভুল বলেননি।”

    অর্ণবের মনে তবু একটা প্রশ্ন খচখচ করছিল, “ওঁরা অত রাতে গেটের সামনেই বা কী করছিলেন?”

    “গেটে তালা লাগাচ্ছিলেন। এই কাজটা অনেকেই করে।” অধিরাজ বলল, “কৌশিক যেখানে পড়েছিলেন তার একটু দূরেই ঝোপের মধ্যে তালা চাবিও পড়েছিল। আগের দিন আমরা পাইনি। তবে পরের দিন পবিত্র ওটাকে উদ্ধার করতে পেরেছিল। কিন্তু গেট বন্ধ করার আগেই কাণ্ড ঘটে গেল।”

    সে ফের আপনমনেই অনির্দিষ্টের উদ্দেশ্যে বলতে থাকে, “ডককে ওই একশো চুয়ান্নটা ফাইলই পাঠিয়েছিলাম। উনি সুহাসিনীর প্রায় চারশো চোদ্দ পুরুষের শ্রাদ্ধ করে ছেড়েছেন। অপারেশনের কেসগুলোয় অ্যানাস্থেশিয়ার কোয়ালিটি আরও বেটার হতে পারত কিংবা কয়েকটা কেসে ডোসেজ আরও অ্যাক্যুরেট হতে পারত বলে জানিয়েছেন। কিন্তু তাতে ক্ষতি কিছু হয়নি। তবে ডঃ বসু আর কৌশিকের প্রেসক্রিপশনকে একদম ফুল মার্কস দিয়ে দিয়েছেন। ওঁর বক্তব্য অনুযায়ী একদম বেস্ট ট্রিটমেন্টই ওই একশো চুয়ান্নজনকে দেওয়া হয়েছিল সে বিষয়ে সন্দেহ নেই। যে মেডিসিনগুলো দুই ডাক্তার প্রেসক্রাইব করেছিলেন, তার থেকে বেটার কোনো অপশন ছিল না। তাও ওঁরা মারা গেলেন। একটা লোক চায়নি মানুষগুলো বাঁচুন…. তাই এতগুলো লোকের পরিশ্রম জলে গেল… সবই বুঝতে পারছি… সবকটা পাজল ঠিক জায়গায় বসে গিয়েছে… ব্যক্তিটিকে স্পটও করে ফেলেছি…কিন্তু যা ভাবছি সত্যিই কী তাই…?…ভুল হচ্ছে না তো!”

    অর্ণব বুঝতে পারল এবার অধিরাজ আপনমনেই শূন্যের উদ্দেশ্যে বিড়বিড় করবে। তারপর একসময় একদম চুপ করে যাবে। ইতিমধ্যেই দীর্ঘ দেহটা এলিয়ে দিয়েছে চেয়ারে। চোখ অর্ধনিমীলিত। দৃষ্টিতে অতলান্তিক নেশাচ্ছন্ন গভীরতা।

    সে ওখান থেকে মানে মানে কেটে পড়ে। অর্ণব জানে যে কখন স্যারকে একা ছাড়তে হবে, আর কখন আগলে রাখতে হবে। বেরিয়ে যাওয়ার আগে তবু একবার মৃদুস্বরে বলল, “চেষ্টা করবেন সিগারেটের আস্ত প্যাকেটটা আজকেই শেষ

    না করার।”

    “উঁ?…হুঁ…হুঁ…।”

    অর্ণব দীর্ঘশ্বাস ফেলে। একটা শব্দও অধিরাজের কানে যায়নি। এখন তার কানের কাছে ঢাক-ঢোল-কাঁসর তো দূর, বোফর্স কামান দাগলেও কিচ্ছু হবে না। তার ধ্যানভঙ্গ করা এখন অসম্ভব।

    সে অধিরাজের কেবিনের বাইরে বেরিয়ে আসতেই অফিসার পবিত্র আচার্যকে দেখতে পেল। কিন্তু ওর চোখে চোখ পড়ামাত্রই বুকের ভেতরটা ছ্যাঁত করে ওঠে। পবিত্রর মুখে সচরাচর দুশ্চিন্তা নামক বস্তুটি দেখা যায় না। অনেক কঠিন পরিস্থিতিতেও সে ফিচেল মার্কা অ্যাটিটিউড নিয়ে ঘোরে। তাতে অবশ্য সহকর্মীদের সুবিধাই হয়। এত টেনশনের মধ্যে অন্তত কোথাও তো একটু রিলিফ পেতে হবে!

    কিন্তু আজ তাকে দেখে চমকে উঠল অর্ণব। এ কী। পবিত্র আচার্যের মুখ অস্বাভাবিক রকমের গম্ভীর। বিবর্ণ ও রক্তশূন্য! সেই চিরপরিচিত গোঁফের ফাঁকে ফাজিল হাসিটা আর নেই। তার জায়গায় থমথম করছে প্রবল দুশ্চিন্তা! যেন তার ওপর দিয়ে প্রবল ঝড় বয়ে গিয়েছে।

    অর্ণব দ্রুত পায়ে ওর দিকেই এগিয়ে যায়, “কী হয়েছে স্যার?”

    পবিত্রর মুখ দেখে মনে হচ্ছিল, এখনই সে হার্টফেল করবে। কোনোমতে ধরা গলায় বলল, “সিস্টার মলয়া চৌধুরী ইজ ডেড অর্ণব! এই জাস্ট খবর পেলাম। রাজা কোথায়?

    বিস্ময়ে অর্ণবের মুখ থেকে কথা সরে না। এটা কী করে সম্ভব! মলয়াকে তো কিছুক্ষণ আগেই টুইঙ্কল আর মিস দত্ত অ্যারেস্ট করেছিল। চাউমিন অবশ্য তার আগেই ওখান থেকে কেটে পড়েছে। সে ‘অল ক্লিয়ার’ সিগনাল দেওয়ার পরেই দুই লেডি অফিসার গিয়ে পৌঁছেছিল তাঁকে অ্যারেস্ট করার জন্য। তিনি তখন চাউমিনের হাত থেকে নিষ্কৃতি পেয়ে সদ্য ইন্দ্রজিতের গ্রেফতারির খবর পেয়েছেন। মিস অরোরা আর আত্রেয়ী যখন বাড়ির কলিংবেল বাজাল তখন ঘরের ভেতরে টিভিতে ওই নিউজটাই চলছিল। ভদ্রমহিলা নিশ্চয়ই শুনেছেন যে রিপোর্টাররা ওঁর নামও জুড়ছে ইন্দ্রজিতের ইললিগ্যাল ড্রাগ টেস্টিং র‍্যাকেটের সঙ্গে। অথচ পালাবার চেষ্টা আদৌ করেননি। বরং যখন দুই লেডি অফিসার ওঁকে অ্যারেস্ট করল তখন খুব সহজেই ব্যাপারটা মেনে নিয়েছিলেন। একদম বিনা প্রতিবাদে, টু শব্দটিও না করে চলে এসেছিলেন দু-জনের সঙ্গে।

    আত্রেয়ী আর টুইঙ্কল অবশ্য এতখানি সহযোগিতা আশাই করেনি। তাদের আরও বিস্মিত করে ভদ্রমহিলা শুধু মৃদু স্বরে জানতে চেয়েছেন, “আমায় কী হ্যান্ডকাফ পরতে হবে?”

    আত্রেয়ী বিস্ময় চেপে সহজসুরেই জানিয়েছিল, “আপনি যদি কো-অপারেট করেন, তবে কিছুই পরার বা পরানোর দরকার নেই। শুধু আমাদের সঙ্গে আসুন।”

    টুইঙ্কলের হাত নিযপিষ করছিল মহিলার ঘেঁটি ধরে হিড়হিড় করে টেনে পুলিসের গাড়িতে তোলার জন্য। কিন্তু আত্রেয়ী চোখের ইশারায় তাকে বারণ করে। মলয়া নিজে যদি কোনো সিনক্রিয়েট না করেন, তবে কোনোরকম জোর খাটানোর প্রয়োজনই নেই। ব্যাপারটা স্মুথ থাকাই ভালো।

    মলয়া সেরকম কোনো চেষ্টাও অবশ্য করেননি। শুধু নিজের ব্যাগ আর প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে নেওয়ার অনুমতি প্রার্থনা করেছিলেন। আত্রেয়ীরা কোনোরকম আপত্তি করার কারণও খুঁজে পায়নি। তিনি অবশ্য মেডিসিন আর হ্যান্ডব্যাগটা নিতে পাঁচ মিনিটের বেশি সময়ও নেননি। ওঁকে অ্যারেস্ট করেই অধিরাজকে ইনফর্ম করে দিয়েছিল দুই অফিসার। মিস দত্তই ডিটেলে জানিয়েছিলেন সব ঘটনা। অধিরাজ মহিলাকে সরাসরি ব্যুরোয় নিয়ে আসতেই নির্দেশ দিয়েছিল। আপাতত সিস্টার মলয়াকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করার পরিকল্পনাই ছিল ওদের। তারপর কাল সুহাসিনী মিত্র আর ডঃ ইন্দ্রজিৎ সরকারের সঙ্গে পাঠিয়ে দেওয়া হত কোর্টে। মলয়া উগ্রস্বভাবের মানুষ না হওয়ার দরুণ তাঁকে নিয়ে যে-কোনো সমস্যা হতে পারে তা কেউ ভাবেইনি। এই বয়েসে তিনি চলন্ত গাড়ি থেকে লাফিয়ে পালাতে যাবেন, সেটা কোনোমতেই সম্ভব নয়। তাছাড়া ওঁর বিরুদ্ধে প্রমাণও সলিড। কোনোমতেই ছাড়া পেতেন না। তাই কোনোভাবেই মুক্তির পথ খোলা ছিল না ওঁর সামনে।

    কিন্তু তারপর পবিত্র যা জানাল তাতে নিজের কানকেই বিশ্বাস হয় না অর্ণবের। আত্রেয়ীর বয়ান অনুযায়ী, ব্যুরোর এক কিলোমিটারের মধ্যে ঢুকতে না ঢুকতেই ঘটল অঘটন। একটা অদ্ভুত পরিচিত গন্ধ তার নাকে এসে ঝাপ্টা মারে। যেন কেউ আমন্ড অয়েলের শিশির মুখ খুলে দিয়েছে। হালকা বাদাম তেলের বাস পেয়ে তার সমস্ত স্নায়ু টান-টান হয়ে যায়। সে একঝটকায় বিদ্যুৎবেগে মলয়ার দিকে ফিরল। উত্তেজিত স্বরে বলে, “কী করছেন আপনি? অ্যাঁ?”

    “টু-উ লেট অফিসার।”

    মলয়ার মুখে তখনও মৃদু হাসি খেলা করছে। যদিও চোখে মুখে কষ্টের ছাপ স্পষ্ট। একটু জড়ানো স্বরে বললেন, “অফিসার ব্যানার্জির সত্যিই তুলনা নেই। ঠিক ধরে ফেলেছেন। শুধু একটাই ভুল হয়েছিল তাঁর।”

    বলতে বলতেই তিনি ঢলে পড়লেন আত্রেয়ীর কোলে। সে টের পেল, মহিলা স্থির হয়ে যাচ্ছেন। সায়ানাইড।…. নি:সন্দেহে সায়ানাইড। কিন্তু অ্যাম্পুলটা কোথায় ছিল? ব্যাগে? মেডিসিন বক্সে নয়তো? এর আগেরবার উনি আদৌ কোনো ওষুধ সঙ্গে নেননি। খানওনি। অথচ এবার ওষুধ নিয়ে যাওয়ার জন্য অদ্ভুত একটা ব্যাকুলতা ছিল ওঁর মধ্যে…।

    প্রচণ্ড আফসোসে ঠোঁট কামড়াল আত্রেয়ী। গোটা ঘটনাটাই ওর কাছে দিনের আলোর মতো স্পষ্ট। মেডিসিন বক্সটা নিতে দেওয়াই ভুল হয়েছে। কখন ব্যাগ খুলে ছোট্ট অ্যাম্পুলটা টুক করে মুখে পুরে চিবিয়েছেন তা ওরা কেউ টের পায়নি। চোখে পড়লেও ভেবেছে কোনোরকম মেডিসিন বুঝি। বাদাম তেলের হাল্কা সুবাসটা নাকে না এলে কিছু টেরও পেত না। নীরবেই সব শেষ হয়ে যেত।

    ততক্ষণে টুইঙ্কলও লাফিয়ে পড়েছে মলয়ার ওপরে। তারও বুঝতে অসুবিধা হয়নি যে বাস্তবে কী ঘটল। দু-হাতে ওঁকে ঝাঁকাতে ঝাঁকাতে জ্ঞানে ফেরানোর চেষ্টা করছিল মেয়েটা। দুটো আঙুল বলপূর্বক তাঁর গলায় ঢুকিয়ে বমি করানোর ব্যর্থ চেষ্টাও চালিয়ে গিয়েছে সে, আর আকুলভাবে বলছে, “সিস্টারজি! ইয়ে ক্যায়া কর লিয়া আপনে?”

    বলতে বলতেই সে ড্রাইভারের দিকে তাকায়, “ড্রাইভারদাদা, আশেপাশের কোনো হসপিটালে চলো!”

    আত্রেয়ী জানত যে হসপিটালে নিয়ে গিয়ে কোনো লাভ নেই। মলয়া একজন বয়স্ক ও অভিজ্ঞ সিস্টার। কতখানি সায়ানাইড খেলে মৃত্যু অবধারিত তা তিনি জানেন। আর সায়ানাইড বিদ্যুতের মতো মৃত্যু আনে। আর কিচ্ছু করার নেই! এখন অসহায়তার চরম সীমায় দাঁড়িয়ে আছে ওরা। মলয়া পালিয়ে যাচ্ছেন।

    টুইঙ্কলের ঝাঁকুনি খেয়ে তিনি অতিকষ্টে শেষবারের মতো চোখ খুললেন। অন্তিমবারের মতো প্রদীপের শিখা বুঝি দপ করে জ্বলে উঠল। ঠোঁটের কষ বেয়ে সাদা ফেনা বেরোতে শুরু করেছে। ঠোঁটদুটো থেকে তখনও বাদামের গন্ধ আসছে। নিস্তেজ স্বরে বললেন, “ডঃ ডেথ নয়… সিস্টার ডেথ….!”

    এই বাক্যটাই বলার জন্য বুঝি প্রাণটাকে ধরে রেখেছিলেন তিনি। বাক্যটার সমাপ্তি হল। তার সঙ্গে এক অভিশপ্ত জীবনেরও। আত্রেয়ী নিরুপায় দৃষ্টিতে দেখছিল, ওদের সবার সামনে দিয়ে আস্তে আস্তে অসীমে মিলিয়ে যাচ্ছেন সিস্টার মলয়া চৌধুরী। পালিয়ে যাচ্ছে আসামী। অথচ কিছু করার নেই! শৈশব, যৌবন জুড়ে শুধু অশান্তিই পেয়েছেন। এবার বুঝি সমস্ত জ্বালা শান্ত হল! শান্ত হয়ে গেলেন স্বঘোষিত ‘সিস্টার ডেথ।’ খুনীকে আর ধরা গেল না!

    আত্রেয়ী ও টুইঙ্কল যখন শূন্য হাতে, ব্যর্থ-পরাজিত সৈনিকের মতো ব্যুরোয় এসে পৌঁছল ততক্ষণে খবরটা অধিরাজের কানে পৌঁছে গিয়েছে। সে বজ্রাহতের মতো শুধু বলল, “ইম্পসিবল।” পরক্ষণেই ঘুচে গিয়েছে তার সমস্ত জড়তা। ধ্যানতন্ময়তার বন্ধন কাটিয়ে সে একটাও কথা না বাড়িয়ে প্রায় দিগ্বিদিকজ্ঞানশূন্য হয়ে ছুটল লিফটের দিকে।

    “স্যা-র!”

    পাগলের মতো দৌড়োতে দৌড়োতেই সে অর্ণব সহ গোটা টিমের দিকে একমুহূর্তের জন্য ঘাড় ঘুরিয়ে তাকিয়ে বলে, “সময় নেই… সময় নেই… ক-ই-ক!”

    সময় নেই। কীসের সময় নেই? অর্ণব আর পবিত্র একবার শুধু দৃষ্টি বিনিময় করে। পরক্ষণেই ওরাও ছুটেছে অধিরাজের পেছন পেছন। প্রত্যেকেই নিঃসন্দেহে বুঝেছে—এই মুহূর্তে উত্তর দেওয়ার মতো সময়ও নেই। তাই কোনোরকম প্রশ্ন না করেই ওরাও দৌড়ল নীচের দিকে।

    ওদিকে এই মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর চলে এসেছে মিডিয়ার কানেও। ব্যুরোর সাদা আলোয় ঢাকা প্রবেশপথ হঠাৎই কালো দুঃস্বপ্নে ডুবে গেল। এই ঘটনা প্রকাশ পাওয়া মাত্রই যেন বিস্ফোরণ ঘটল সংবাদমাধ্যমে। ব্যুরোর সামনে নিউজ চ্যানেলের ভ্যান, ক্যামেরা, রিপোর্টার আর অনলাইনের লাইভ স্ট্রিমিং টিমের উত্তেজিত ভিড়। সাংবাদিকরা প্রত্যেকেই চাইছে ঘটনাটাকে ‘এক্সক্লুসিভ’ আকারে ধরতে।

    টিভি স্ক্রিনে লাল ব্রেকিং ব্যানারে জ্বলজ্বল করছে একটাই বাক্য। ঘুরে ঘুরে স্ক্রল করছে উদ্যত প্রশ্নেরা।

    “সিস্টার মলয়ার সায়ানাইড সেলফ ডেথ!”

    “মৃত্যুর আগে নিজেকে ‘সিস্টার ডেথ’ বলে দাবি সিস্টার মলয়ার—ডেথ সিন্ডিকেট কী সত্যিই আছে?”

    এই কয়েক মিনিটের মধ্যেই নিউজ স্টুডিওতে আগুন লেগেছে। রীতিমতো প্যানেল বসে গিয়েছে সেখানে। এক চ্যানেলে একজন প্রাক্তন পুলিস অধিকারী গলা চড়িয়ে বলছিলেন, “এমন ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি। পুলিসের চোখের সামনেই একজন প্রধান সন্দেহভাজন নার্স আত্মহত্যা করলেন। এটা কী প্রমাণ লোপাট করার চেষ্টা? সর্ষের মধ্যেই ভূত নেই তো? অবিলম্বে ওই দুই লেডি অফিসারকে সাসপেন্ড করা উচিত।” অন্য চ্যানেলে জনস্বাস্থ্য বিশ্লেষক ক্ষোভে ফেটে পড়লেন, “এটা শুধু একজন নার্সের মৃত্যু নয়। এটা গোটা হেলথ সিস্টেমের মৃত্যু। যারা রোগীদের জীবন বাঁচানোর শপথ নিয়েছিল, তারাই এখন মৃত্যুদূত!”

    সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ল ভিডিও ক্লিপ! হ্যাশট্যাগ সিস্টার ডেথ সারা শহর জুড়ে ট্রেন্ডিং। কেউ লিখছে, “ডক্টর ডেথ না সিস্টার ডেথ? তাহলে এরা কী একটি বড়ো চক্র?” আবার কেউ সন্দেহ ছুড়ে দিচ্ছে, “সায়ানাইড কে দিল? পুলিসের সামনে, তাদের হেফাজতে থাকাকালীন একজন সাসপেক্ট বিষ খেলেন কীভাবে?”

    মানবাধিকার কমিশনের কর্মীর বক্তব্য, “যাদের হাতে আমাদের জীবন নিরাপদ থাকার কথা, তাঁরাই যদি মৃত্যুর কারিগর হন, তবে আমরা কাকে বিশ্বাস করব?”

    ওই মুহূর্তে গোটা শহরই কেঁপে উঠেছিল এক নার্সের শেষ ঘোষণা আর এক অ্যাম্পুল বিষে। সিস্টার মলয়া তো সায়ানাইডের তীব্র বিষাক্ত বাহুপাশে ঢলে পড়লেন। কিন্তু গোটা শহরটায় যে অবিশ্বাসের বিষ ছড়িয়ে গেলেন, তাকে আটকাবে কে?

    “স্যার… স্যার… ওয়ান বাইট…..”

    “নো কমেন্টস।”

    অধিরাজ কোনোদিকে না তাকিয়ে প্রায় লাফ মেরেই গাড়িতে উঠে বসেছে। সাংবাদিকদের নাকের সামনে অসভ্যের মতো গাড়ির কাচ তুলে দেয় সে। তার পেছন পেছন বাকিরাও। মিস অরোরার মুখে কোনো কথা নেই। সে ‘থ’ মেরে গিয়েছে। এখনও বুঝি বিশ্বাস করতে পারছে না। বাষ্পরুদ্ধ কণ্ঠে আত্রেয়ী শুধু বলল, “বিশ্বাস করুন স্যার… আমরা বুঝতেই পারিনি যে মেডিসিনের জায়গায় উনি সায়ানাইডের অ্যাম্পুল খেয়ে নেবেন….! আমাদের সাসপেন্ডই করা উচিত… খুনী আমাদের নাকের সামনে দিয়ে পালিয়ে গেল…।”

    “ডোন্ট ওরি মিস দত্ত।”

    অধিরাজ ড্রাইভিং সিটে বসে গাড়ি স্টার্ট করেছে, “কেউ আপনাদের সাসপেন্ড করবে না। সিস্টার ডেথ মারা গিয়েছেন ঠিকই কিন্তু তার ‘মার’ এখনও বাকি আছে। ‘ওস্তাদের মার শেষ রাতে’ কথাটা শুনেছেন?”

    “তার মানে…!”

    আত্রেয়ীর চোখ বিস্ফারিত। অধিরাজ গাড়ির স্পিড চরমের দিকে নিয়ে যেতে যেতে বলল,

    “শেষ খেলাটা এখনও বাকি আছে সেনোরিটা। দ্য গেম ইজ স্টিল গোয়িং অন!”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশয়তানের সন্তান – সৈকত মুখোপাধ্যায়
    Next Article শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Our Picks

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }