Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    সায়ন্তনী পূততুণ্ড এক পাতা গল্প419 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ডঃ ডেথ – ১২

    ১২

    “আপনি মার্সিডেথকে সাপোর্ট করেন?”

    প্রশ্নটা শুনেই অ্যানাস্থেসিওলজিস্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট রঞ্জন নায়েকের মুখে একটু বিরক্তির ছাপ ভেসে ওঠে।

    “কেন? মার্সিডেথ কী অন্যায় কিছু? একটা লোক দীর্ঘদিন ধরে মৃত্যুযন্ত্রণায় ছটফট করছে। সে জানে যে আর জীবনে কিছু নেই। প্রতিমুহূর্তে মৃত্যু চাইছে। সেক্ষেত্রে ‘ডেথ’ কী তার ক্ষেত্রে ‘মার্সি’ নয়?” সে চোখ পিটপিট করে, “শুনেছিলাম এক ভদ্রলোক তাঁর কোমায় থাকা স্ত্রী-র ইউথানেসিয়া বা মার্সিডেথের জন্য কোর্টে গিয়েছিলেন। স্ত্রীয়ের চিকিৎসার খরচ চালাতে গিয়ে ঘর-বাড়ি বিক্রি করে নিঃস্ব হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। ওঁর পক্ষে চিকিৎসা তো দূর পেশেন্টাকে দু-বেলা দু-মুঠো খাওয়ানোই দায় হয়ে দাঁড়াচ্ছিল। এর চেয়ে তো মৃত্যু হওটি ভালো… ।”

    রঞ্জন বেশ কিছুক্ষণ চুপ করে থাকে। তার বিবর্ণ মুখে উদ্বেগ। যেন নিজেকে সামলানোর চেষ্টা করছে। অধিরাজ একদৃষ্টে ওর দিকে তাকিয়ে থাকল। তারপর বলল, “হ্যাঁ। অনেকেই মার্সিডেথ বা ইউথানেসিয়ার দাবিতে স্পোর্ট গিয়েছেন। কিন্তু কোর্ট তাদের কথা শোনেনি।”

    “অরুণা শানবাগের ক্ষেত্রে শুনেছিল। সেটা আপনি জানেন না? মার্সিকিলিং ভারতে এখন বৈধ। এসব খবর রাখেন না বুঝি?”

    তার দৃষ্টিতে প্রচ্ছন্ন অবহেলা। অর্ণবের মনে হল লোকটাকে ধরে এক থাপ্পড় মারে! কীরকম ব্যঙ্গাত্মক ভাবে কথাটা বলল : যেন পৃথিবীতে ও-ই একা সবজান্তা টাওয়েলরাম। বাকিরা সব গামছা বেচতে বসেছে। মার্সিকিলিং নাকি ভারতে বৈধ!

    “আমি অন্তত এই খবরটা জানি যে আমি জানি না, “ অধিরাজ ফিক করে হেসে ফেলেছে, “আপনি তো এটাও জানেন না যে আপনি কিছুই জানেন না।”

    “মানে?”

    রঞ্জন বিস্মিত। অধিরাজের পালটা উত্তরে যে তার ইগোর বেশ জোরদার আঘাত লেগেছে তা স্পষ্ট। সে একটু রাগতস্বরে বলে, “কী বলতে চান? আমি অশিক্ষিত?”

    “না।” অধিরাজ মাথা নাড়ছে, “যারা কোনো কিছুই না পড়ে, না জেনে, না শুনে, গভীরে না গিয়ে বিশেষভাবে জ্ঞানগর্ভ মতামত দেন, তারা বিশেষ-অজ্ঞ। অশিক্ষিত তো আমি! পুরো অরুণা শানবাগ কেস মুখস্থ করে ফেললাম, ইউথানেসিয়ার ওপর যত আইন আছে সব পড়ে বসে থাকলাম। অথচ আজ আপনার মুখে শুনছি, ভারতে মার্সিকিলিং বা মার্সিডেথ বৈধ! স্বাভাবিকভাবেই বোঝা যাচ্ছে যে আইনের বইয়ের একটা অক্ষরও আমি বুঝিনি। সো আমিই এখানে একমাত্র ব্যক্তি যে নিরক্ষর ও অশিক্ষিত!”

    বলতে বলতেই সে রঞ্জনের কাঁধে তার শক্তিশালী হাতের এক চাপড় মেরে বলে, “সেনর, অরুণা শানবাগের সেটাকে এমনি এমনি ল্যান্ডমার্ক কেস বলা হয় না। জার্নালিস্ট পিছি ভিরানি যে সরাসরি বা অ্যাকটিভ ইউথানেসিয়ার পিটিশন আর আর্গুমেন্ট দিয়েছিলেন তা সুপ্রিম কোর্ট খারিজ করেছিল। তার বদলে প্যাসিভ ইউথানেসিয়া অ্যালাউ করেছিল। তাও আবার একগাদা জটিল শর্তাবলী ও গাইডলাইনের সঙ্গে। আপনি দেখলেন একটা লোক কষ্ট পাচ্ছে আর অমনি ধড়াম করে একটা লিথাল ইঞ্জেকশন দিয়ে লোকটাকে যমের দোরে পাঠালেন—ওটা ভারতে মার্সিডেথ নয়, মার্ডার। প্যাসিভ ইউখানেসিয়ার ক্ষেত্রে কোর্ট, মেডিক্যাল বোর্ডের ওপিনিয়ন, আত্মীয়দের লিখিত অনুমতি, হসপিটালের অনুমতি, ‘দ্য রাইট টু ডাই উইথ ডিগনিটি’র সব শর্ত বসছে কী না, ‘স্যাংটিটি জব লাইফ’ হ্যাম্পারড হচ্ছে কী না—এতসব দেখার পরই পুরো প্রসেস কার্যকর হয়। প্রসেসও খুব কষ্টকর নয়। যে লোকটা স্রেফ লাইফসাপোর্ট-রাইলস টিউব-আর মেডিসিনের জোরে ফিজিক্যালি বেঁচে আছে, তার লাইফসাপোর্ট সিস্টেম, রাইলস টিউব বা মেডিকেশন বন্ধ করে দিলেই কাজ হয়ে যায়। অরুণা শানবাগকে প্যাসিভ মার্সিডেথ দেওয়া হয়েছিল কারণ তিনি বেয়াল্লিশ বছর ধরে স্রেফ ভেজিটেবল হয়েই পড়েছিলেন। আসলে ১৯৭৩ সালেই ওঁর ব্রেনডেথ হয়ে গিয়েছিল। বেয়াল্লিশ বছর ধরে স্রেফ দেহটাকে বাঁচিয়ে রাখা হচ্ছিল। এত দীর্ঘ সময় ভেজিটেটিভ স্টেটে থাকার জন্যই অরুণা শানবাগকে জীবন থেকে মুক্তি দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। লাইফ সাপোর্টিং সিস্টেম বন্ধ করে দেওয়া আর লিথাল ইঞ্জেকশন মেরে খুন করা—দুটো আদৌ এক নয় মেরে দোস্ত।”

    এবার রঞ্জনের মুখ রক্তশূন্য হয়ে যায়। সে বিড়বিড় করে বলে, “আমি কাউকে লিথাল ইঞ্জেকশন দিইনি।”

    “বিউপিভিকেইন, লিডোকেইন হাইড্রোক্লোরাইড বা এপিনেফ্রিন কোনোদিন কাউকে দেননি?”

    “দেব না কেন?” রঞ্জন জানায়, “ওটা তো আমার কাজ!”

    “এটাও কী আপনার কাজ?”

    বলতে বলতেই তার নাকের সামনে মলয়ার দেওয়া সেই বিপজ্জনক চিঠিটা তুলে ধরল অধিরাজ। সেই ভয়াবহ মেন্টাল ম্যানিপুলেশনের দলিল! যেন শিকারীর অদৃশ্য ফাঁদ।

    সেটা চুপচাপ বেশ কিছুক্ষণ দেখে রঞ্জন নায়েক জানায়, “এখানে ভুল কী লেখা আছে? ইন ফ্যাক্ট প্রত্যেকটা লাইনকে আমি সমর্থন করি। যে লিখেছে, ঠিকই লিখেছে।”

    “বুঝলাম!”

    অধিরাজ হতাশভাবে মাথা নাড়ে। তারপর তজনী দিয়ে চিবুকের কাটা দাগটা একটু ঘষল। হাতের ঘড়িটা একটু ঠিকঠাকও করে নিয়েছে। রঞ্জন নায়েক তার দিকে ভুরু কুঁচকে : বিরক্তি সহকারে এমনভাবে তাকিয়ে থাকে যেন বলতে চাইছে—ইডিয়টটা করতে কী চায়।

    উত্তর ঠিক এক সেকেন্ড পরেই এল। সে কী করতে চায় তা অবশ্য মুহূর্তের ভগ্নাংশেই বোঝা যায়। অধিরাজের বাঁ-হাতের পাঞ্জা তড়িৎগতিতে নিষ্ঠুরভাবে রঞ্জনের টুঁটি টিপে ধরে তার শক্তিশালী হাতের চাপে মাথাও তুলতে পারছে না। ফণা থেতলে যাওয়া সাপের মতো ছটফট করছে। তবু ওই অবস্থাতেও আড়চোখে দেখল অধিরাজের ডানহাতে ফণা তুলেছে কোল্ট কোবরা, সার্ভিস রিভলবার নয়। সে খুব ঠান্ডাস্বরে বলে, “অর্ণব, যাও তো। ওয়েট টাওয়েল নিয়ে এস।”

    “ওয়েট টাওয়েল স্যার?” অর্ণবের মুখে ছদ্মভয়ের ছাপ। সে একঝলক রঞ্জনের দিকে তাকায়, “ছেড়ে দিন না!”

    “ডিসিশন মেকিং তোমার কাজ নয়।” অধিরাজ অবিকল নানা পাটেকরের ‘অব তক ছপ্পন’ মার্কা চোখে রঞ্জনের দিকে তাকিয়ে আছে, “যা বলছি চুপচাপ করো। দিস ইজ মাই অর্ডার।”

    “ইয়েস স্যার…”

    অর্ণব কয়েক পা এগিয়ে গিয়েও থমকে দাঁড়ায়, “মানে, স্যার কতটা ভেজাব?”

    “এতদিন এ কাজ করছ আর জানো না?” অধিরাজ কোস্ট কোবরার আবেদনময় চকচকে দেহটাকে একঝলক সপ্রেমে দেখে নিল, “গান পাউডারের ট্রেস না এলেই হবে। পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ নিচ্ছি। সো ডেনসিটি বেশি হতেই পারে। সেইভাবেই ভিজিয়ে নিয়ে এস। হাফবালতি জলে ভেজাও, কী ফুলট্যাঙ্কের জল ঢালো—আই ডোন্ট কেয়ার। কুইক।”

    “ওকে স্যার…।”

    অর্ণব ফের যেতে উদ্যত হয়। তার আগেই রঞ্জন ভয়ে, আতঙ্কে চেঁচিয়ে উঠেছে, “দাঁ-ড়া-ন।… এ কী করছেন স্যার!… এ কী…!”

    অধিরাজ নিষ্ঠুর ইস্পাতকঠিন স্বরে বলে, “কেন? তোকে মার্সিডেথ দিচ্ছি। মরার খুব শখ না তোর? বেঁচে থাকার কোনো ইচ্ছে নেই। তাই আমার তোর ওপর ‘মার্সি’ হয়েছে। ডোন্ট ওরি, এটা লিথাল ইঞ্জেকশনের চেয়েও তাড়াতাড়ি কাজ করে। সরাসরি মাথায় পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জে একটা গুলি-খেল খতম! তুই টেরই পাবি না। গুড়ুম অ্যান্ড ফিনিশ! অ-র্ণ-ব।”

    “হ্যাঁ।”

    অর্ণব ফের পা বাড়িয়ে বম্বাস্টিক আই সাইডে রঞ্জনের প্রতিক্রিয়া দেখে নিল।

    “দিস ইজ ইললিগ্যাল… এটা ঠিক নয়… আপনি আমায় মার্ডার করতে পারেন না…।”

    রঞ্জন ককিয়ে ওঠে। অধিরাজ এবার কোল্ট কোবরার নলটা ওর মাথায় চেপে ধরেছে, “কেন? মার্সিডেথ তো ভারতে লিগ্যাল। এইমাত্র উনি তাই বললেন না অর্ণব? নাকি আমিই ভুল শুনলাম?

    অর্ণব ঘটঘট করে মুণ্ডু ওপরে নীচে নাড়ায়, “হ্যাঁ স্যার। এই ইনফরমেশন উনি নিজেই জাস্ট এইমাত্র দিয়েছেন।”

    “সো ইটস নট ইললিগ্যাল দেন। প্রবলেম কোথায় সেনর? আপনি এতগুলো লোককে মার্সিডেথের নামে ওপরমহলে পাঠালেন, আর নিজের বেলায় ভয় পাচ্ছেন?”

    “আমি কাউকে মারিনি… আমি কাউকে কোনো ইঞ্জেকশন দিইনি।”

    “বটে?”

    অধিরাজ এবার ব্যঙ্গাত্মক, “কত দুর্বুদ্ধি তোর ঘটে। শীলা কী জওয়ানি ছাড়া তোর দিন, রাত কিছুই কাটছে না! ওকে ফাঁসানোর জন্য কত কাণ্ড করেছিস তুই। ওকে দিয়ে সুহাসিনী মিত্রকে নিজেই বলিয়েছিলি না যাতে উনি বার্থডে কেকে আমন্ড পেস্ট দ্যান? এমনকি ওঁর তৈরি সাধারণ চিলি মাশরুমে নিজেই বিষাক্ত মাশরুম ঢেলে খেয়েছিলি! নিজেই নিজেকে মারার এত চেষ্টা করার মানে কী? এত কষ্ট করার দরকারই বা কী ছিল?”

    “হ্যাঁ স্যার।” অর্ণব ফের পুতুলের মতো মাথা নাড়ছে, “এত কষ্ট করার বদলে আমরাই বরং ‘মা আমি চুরি করিনি’-র সঙ্গে রক্তজবা না কে একটা হিরোইন-—তার মেগাসিরিয়ালের ক্রিঞ্জ ওয়াচ করিয়ে দিতাম! তার সঙ্গে ডিশ হিসেবে ঝিঙে আর ঢ্যাঁড়স বিরিয়ানিও থাকত। বিষাক্ত মাশরুম আর আমভ পেস্টের দরকারই পড়ত না।”

    অধিরাজ পূর্ণদৃষ্টিতে অর্ণবের দিকে তাকায, “সর্বনাশ করার জন্য তুমি বিরিয়ানিটাই পেয়েছিলে? হাক্কা নুডলস বাদ গেল কেন? আমারই এখন ফ্রাস্ট্রেটেড লাগছে। মার্সির খুব দরকার।”

    বলতে বলতেই সে ট্রিগারে আঙুল রাখে, “ধুত্তোর। দিই শালাকে ঠুকে। গান পাউডারের নিকুচি করেছে…।”

    “স্যার… দাঁড়ান… আমি এমন কিছু করিনি। ওটা শীলা আর সুহাসিনী ম্যাডামের চালাকি।”

    “তাই?”

    সে এবার তাকে ছেড়ে দিয়ে সজোরে ডাকল, “বিশ্ব!…এদিকে এসো তো ভাই। একটু ওকে বিশ্বদর্শন করিয়ে দাও।”

    ডাক পাওয়া মাত্রই বিশ্বজিৎ স্টিল ফ্রেমের চশমা পরে, কান এঁটো করা একমুখ হাসি আর হাতে একটা ল্যাপটপ নিয়ে এসে হাজির হল। যে মুহূর্তে সুহাসিনী শীলা বসাক আর রঞ্জন নায়েকের ভিডিওর পোল খুলে দিয়েছিলেন ঠিক সেই মুহূর্তেই সাইবার এক্সপার্ট বিশ্বজিতের কাছে নিঃশব্দে একটা মেসেজ পৌঁছে গিয়েছিল। মেসেজে একটা ফোন নম্বর দিয়ে বলা হয়েছিল, “হ্যাক দিস ওয়ান! যদি কোনো চ্যাট বা মিডিয়া ডিলিট হয়ে থাকে তবে সেটাও রিভাইভ করার চেষ্টা করো।”

    বিশ্বজিৎ উত্তরে লিখেছিল, “যতই আমি নরকে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করতে চাই, আপনারা ততই আমাকে ‘গো টু হেল’ বলে তার গেটেই পৌঁছে দেন স্যার।”

    অধিরাজের শান্ত উত্তর, “শয়তানকে ধরতে হলে নরকে যাওয়া জরুরি বিশ্ব। স্বর্গে তাকে তুমি পাবে না। কাজ হবে কী না বলো।”

    বিশ্বজিৎ একটা ক্যাজুয়াল ইমোজি দিয়ে বলে, “কোনদিন হয়নি?”

    আপাতত তার হাতের ল্যাপটপে রঞ্জনের প্রচুর ইন্টারেস্টিং জিনিসপত্র আছে। তার মধ্যে অন্যতম অনলাইন মেডিসিন অ্যাপের বেশ কিছু অর্ডার হিস্ট্রি। অধিরাজ সেগুলো দেখতে দেখতে বলল, “গত তিনবছরে আপনি প্রচুর পরিমাণে গ্যাস্ট্রিক ল্যাভেজ, পাইপস, অ্যাক্টিভেটেড চারকোল আনিয়েছেন দেখছি!”

    বলতে বলতেই সে থেমে গিয়েছে। সবিস্ময়ে বলল, “এ কী! এপিনেফ্রিন এই লিস্টে কী করছে? আপনি তো হসপিটালেই এপিনেফ্রিন পেয়ে যেতেন। তবে আলাদা করে আনানোর কারণ? এনি পার্সোনাল রিজন? মার্সিডেথের মতো মহান কাজ নয়তো!”

    বিশ্বজিৎ চোখ গোল গোল করে ফেলেছে, “মার্সিডেধ? কার? নিজের নাকি। আফটার অল ওঁর জীবনে প্রচুর হতাশা, নিরাশা, দুঃখ। তাই রাত হলেই দারুণ দারুণ সব ছবি আর ভিডিও দেখেন। এমনকি ব্যুরোয় বসেও তো দেখছিলেন।”

    “ছি: বিশ্বজিৎ, অমন বলে না!” সে দুষ্টু হাসে, “তুমি বরং ওঁকে ওঁর সুন্দর সুন্দর চ্যাট আর ভিডিওগুলো একটু দেখিয়ে দাও। অফকোর্স উইথ শীলা কী জওয়ানি।”

    রঞ্জন বুঝতে পারছিল যে সে সম্পূর্ণ ফেঁসে গিয়েছে। বিশ্বজিৎ ততক্ষণে তার সামনে তারই ফোনের ভিডিও ল্যাপটপে চালিয়ে দিয়েছে। তার সঙ্গে প্রচুর চ্যাটও উদ্ধার করেছে। সি আই ডি হোমিসাইডের ব্যুরোতে সেদিন স্ট্রং জ্যামার লাগানো ছিল, যাতে কেউ কারওর সঙ্গে কথা না বলতে পারে। কিন্তু রঞ্জন সে রাতেও গ্যালারির একটি বিশেষ ফোল্ডার খুলে অনেকগুলো ভিডিও ও স্টিলছবি দেখছিল। বিশ্ব তার টাইমিংও দিয়ে দেয়। সে মৃদু হেসে বলে, “রাত বারোটা বেজে দশ মিনিট, বারোটা বেজে পঁচিশ মিনিট… এগেইন বারোটা বেজে পঁয়তাল্লিশ থেকে শুরু হয়ে যান এবং দুটো বেজে পঁচিশ মিনিট অবধি প্রচুর ছবি ও ভিডিও ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখেন। আবার ওঁর পুরোনো চ্যাটে কাকে যেন হুমকিও দিয়েছেন, ‘তোকে জেলের ভাত খাইয়েই ছাড়ব।’ আবার তাকেই বলেছেন, ‘আমন্ড ওঁর ফেভারিট। জন্মদিনে সে যেন আমণ্ড কেকের ব্যবস্থা করে। আবার চিলি মাশরুম খাওয়ার ইচ্ছেও প্রকাশ করেছেন। বলেছেন, ‘তোর বরের তো অঢেল মাশরুমের স্টক। কোনোদিন রান্না করেও আন।”

    অধিরাজের ঠোঁটে রহস্যময় হাসি। সে বলল, “ভেবে দ্যাখ, আগের দিনও আমি বলেছি, তোদের কাউকে অ্যারেস্ট করা হয়নি। তার মানে তুই পুলিস কাস্টডিতে নেই। অর্থাৎ তোর দায়িত্ব আদৌ আমাদের নয়। রিপোর্টে রিটনে আছে তুই এখানে এসেছিলি। আরও একটা রিটন রিপোর্টে থাকবে যে তুই এখান থেকে ঠিক দেড়ঘণ্টার মাথায় বেরিয়েও গিয়েছিস। তারপর যদি নিখোঁজ হয়েও যাস, আমরা কিস্যু জানি না!”

    সে তাকে ছেড়ে দিয়ে ঠক করে টেবিলের ওপরে কোল্ট কোবরাটা রেখেছে, “ভেবে নে এবার কী করবি। তোর মতো একটা বজ্জাত লোককে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিতে পারলে আমি খুশিই হব।”

    রঞ্জন কোনোমতে ঘর্মাক্ত কলেবরে হাঁফাতে হাঁফাতে বলল, “আমি বলছি… সব বলছি… প্লিজ, কিছু করবেন না!”

    “ইওর টাইম স্টার্টস নাও…।”

    রঞ্জনের মুখে সেই প্রথম দর্শনের ভীতু ভীতু মার্কা অভিব্যক্তি ভেসে উঠল। সে কাঁপা গলায় জানায়,

    “আমি এপিনেফ্রিন, গ্যাস্ট্রিক ল্যাভেজ বা অ্যাক্টিভেটেড চারকোল কাউকে মারার জন্য আনিনি। বরং নিজের ওপরই ট্রায়াল দিচ্ছিলাম। যাতে ফুড পয়জনিং হলে প্রাণে বাঁচতে পারি!”

    “সে কী!” অধিরাজ বুকের ওপর হাত জড়ো করে বিস্মিত কণ্ঠে বলে, “নিজের ওপর ফুড পয়জনিঙের ট্রায়াল। মানে নিজে নিজেই বিষ খাচ্ছিলি। কেন?”

    “শীলার ওপর রিভেঞ্জ নেওয়ার জন্য” রঞ্জনের চিবুক প্রায় বুকে ঠেকেছে, “আমার অপমানের বদলা নেওয়ার জন্য।” অর্ণব নিশ্চুপে সব শুনছে। অধিরাজ জানতে চায়, “কী রকম অপমান?”

    “ও আমায় প্রায় শেষ করে দিয়েছে স্যার।” এবার তার ভয়ার্ত মুখে ক্রুর প্রতিহিংসা আর রাগের ছায়া ভেসে ওঠে, “আপনি জানেন না, ও কী লেভেলের মিথ্যেবাদী! আমি ওকে ভালোবাসতাম। দু-জনে মিলে লুকিয়ে মন্দিরে বিয়েও করেছিলাম। কিন্তু ও শালি আমাকেই ফাঁসিয়ে দিল। ডঃ বসুর চোখে আমায় পুরো ক্রিমিনাল বানিয়ে দিল।”

    রঞ্জন এরপর জানাল যে তার অতীতে একটা কলঙ্ক আগেই ছিল। অনেকেই জানে যে ইন্দ্রজিৎ সরকারের অ্যানাস্থেসিয়ার ডোসেজ ভুল দেওয়ার জন্য এক পেশেন্টের মৃত্যু হয়। কিন্তু ওটা ইন্দ্রজিতের ভুলই ছিল না। বরং রাগেরই গাফিলতির ফল। ইন্দ্রজিৎ সঠিক ডোসেজই দিয়েছিলেন। কিন্তু রঞ্জন পেশেন্টের আনকনশাস হতে দেরি হচ্ছে দেখে অধৈর্য হয়ে আরও কিছুটা অ্যানাস্থেসিয়া দিয়ে দেয় যার ফলে পেশেন্ট কোলান্স করে। ডঃ সরকার চুপচাপ নিজের পাড়ে দায় চাপিয়ে ওকে কভার করেন ও ব্যাপারটা ধামাচাপাও পড়ে যায়। তবে ওটা রঞ্জনের ভুলই, কোনোভাবেই মার্ডার নয়। হয়তো আর কখনও কেরিয়ার তৈরি করার সুযোগ পেত না। কিন্তু ডঃ বসু সব জেনেশুনেই ওকে নিজের টিমে নিয়ে নেন। যখন শীলার গাফিলতির ফলে আবার একজন পেশেন্ট মারা যায় তখন সমস্ত দোষ সে বেচারা রঞ্জনের ঘাড়েই চাপিয়ে দিয়েছিল। ক্ষণিকের আবেগে ও দুর্বলতায় রঞ্জন একবার শীলাকে বলে ফেলেছিল যে মার্সিডেথের কনসেপ্টটাকে সে সমর্থন করে। শীলা তার অতীতের দুর্ঘটনা আর এই বেসামাল উক্তির সম্পূর্ণ সদ্ব্যবহার করেছে, এবং তাকেই ডঃ বসুর চোখে অপরাধী প্রমাণ করে দিল। আর একটু হলেই তার হাজতবাস নিশ্চিত হয়ে যেত। কিন্তু ডঃ সরকার শেষপর্যন্ত সামাল দেন বলে সে এখনও টিকে আছে।

    “শীলা ডেঞ্জারাস মেয়ে স্যার” রঞ্জন প্রায় চোখের জলে নাকের জলে হচ্ছে, “ও আমার থেকে বড়ো মুর্গি পেয়ে গিয়েছিল। তখন আমার হাত থেকে ওর মুক্তি দরকার। বিয়েটা কোর্টে করিনি, তবু ভয় ছিল যে ওর হবু বরকে বলে দিতে পারি। তাই আমাকেই ফাঁসিয়ে দিচ্ছিল, যাতে রাস্তা সাফ করে ও অন্য একটা তুলনামুলক মালদার পার্টিকে বিয়ে করতে পারে। আমি এ অপমান সহ্য করতে পারিনি…!”

    “বুঝলাম। তাই বলে নিজেই নিজেকে মারার প্ল্যানিং করবি। স্রেফ একটা মেয়ের ওপর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য।” অধিরাজের কণ্ঠে বিস্ময়ের অবধি নেই, “তুই ঠিক কোন পর্যায়ের পাগল?”

    “স্যার, আমি নিজেকে মারার নয়, শীলাকে জেলে ঢোকানোর চেষ্টা করছিলাম।” এবার গোটা ব্যাপারটাই সে বুঝিয়ে বলে, “ওকে ব্ল্যাকমেইল করেও মন ভরেনি। ভেবেছিলাম যেমন ও আমাকে ডিচ করল, জেলে পাঠাতে চাইল–আমিও ওকে জেলে পাঠাব।”

    “প্ল্যান কী ছিল?”

    কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে রঞ্জন জানায় যে সবার অজান্তেই সে একটু একটু করে আমন্ড পেস্ট খেতে শুরু করে। কিন্তু যাতে প্রাণে না মরে সেদিকেও তার খেয়াল ছিল। সে জানত, যে-কোনো টক্সিক বা অ্যালার্জিক খাবার খাওয়ার আধঘন্টা বা একঘণ্টার মধ্যে যদি গ্যাস্ট্রিক ল্যাভেজ আর তারপরে অ্যাক্টিভেটেড চারকোল আর এপিনেফ্রিন নেওয়া যায় তবে সেগুলো প্রাথমিকভাবে স্টমাক ওয়াশ করে দেয়। অ্যাক্টিভেটেড চারকোল টক্সিক পদার্থ অ্যাবজর্ব করে নিতে ওস্তাদ। এই তিনটে জিনিস যদি সে আমন্ড বা টক্সিক কিছু খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নিয়ে নেয়, তবে অসুস্থ হবে, হসপিটালাইজও হবে—কিন্তু মরবে না। শীলার বরের মাশরুমের বিজনেস হওয়ার দরুণ আমন্ড আর মাশরুমকেই টার্গেট করেছিল। শীলা তার আমন্ডে অ্যালার্জির হিস্ট্রিও জানত না। তাই ভেবেছিল যে যদি ব্ল্যাকমেইল করে শীলাকে দিয়ে আমন্ড পেস্ট দেওয়া কেক বা বিষাক্ত মাশরুম খেয়ে প্রাণে মরতে মরতে কোনোমতে বেঁচে যায়, তবে সবার সন্দেহ শীলার দিকেই যাবে। তার মোটিভও স্ট্রং! ইন্টারোগেশন হলে ভিডিওগুলোও সামনে আসত। এই ফাঁকে সবাই ভিডিওতে ওর কীর্তিও দেখতে পেত, আর বুঝতেও পারত যে এই ব্ল্যাকমেইলিং থেকে বাঁচার জন্যই শীলা তাকে খুন করার চেষ্টা করেছে। একদিকে ওই জাতের ভিডিও একবার ফাঁস হলে আগুনের মতো ভাইরাল হয়ে যায়। সমাজ কখনও পুরুষের দিকে আঙুল তোলে না—তোলে নারীর দিকে। তাই একদিকে চূড়ান্ত লোকলজ্জা, অন্যদিকে হয়তো ওর বরও ওকে তাড়িয়ে দিত, উপরন্তু অ্যাটেম্পট টু মার্ডারের জন্য অবধারিত হাজতবাস! এক ঢিলে তিন পাখি। শীলার মাথার ওপর ছাত তো দূব, দাঁড়ানোর জায়গাটুকুও থাকবে না!

    প্ল্যান একদম ফুল প্রুফ ছিল। কিন্তু একটাই সন্দেহ। এই তিনটে ওষুধ ঠিকমতো কাজ করবে তো। সেটাই পরখ করার জন্য সে নিজেই বাদামের পেস্ট আর বিষাক্ত মাশরুম খেয়ে তার সঙ্গে সঙ্গেই ওই তিনটে জিনিস প্রয়োগ করে ট্রায়াল দিচ্ছিল যে প্রাণহানির সম্ভাবনা আছে কী না। যখন নিশ্চিন্ত হল যে বাদামের অ্যালার্জি বা বিষাক্ত মাশরুমের হাত থেকে গ্যাস্ট্রিক ল্যাভেজ, অ্যাক্টিভেটেড চারকোল আর এপিনেফ্রিন তাকে বাঁচিয়ে দেবে তখনই সে শীলাকে জন্মদিনে ওই কেক বানাতে বলে।

    “কিন্তু চাল যে উলটো পড়ে গেল!” অধিরাজ কপাল চাপড়ায, “খামোখাই এত বড়ো রিস্ক নিলি, নিজেই ভুগলি। অন্যদিকে শীলার বদলে সুহাসিনী কেক খাইয়ে দিলেন। এমনকি মাশরুমও!”

    “হ্যাঁ। ওখানেই ভুলটা হয়েছিল।” সে দীর্ঘশ্বাস ফেলল, “শীলাও কম চালু নয়। বোধহয় আঁচ করেছিল যে এই দুটো জিনিস খাওয়ার আবদারের পেছনে কিছু গোলমাল থাকতেও পারে। আর ওর অভ্যাসই চিরকাল অন্যের কাঁধে বন্দুক রেখে চালানো। কিন্তু তাতেও অসুবিধে হত না। সুহাসিনী মিত্র যেরকম পি এন পি সি এক্সপার্ট তাতে বিপদে পড়লে উনিও কম যেতেন না। ঠিক তোতাপাখির মতো গড়গড়িয়ে শীলার নামই বলতেন। তাতে আমার আরও বেশি সুবিধা হত ওকে কোল্ডব্লাডেড মার্ডারার প্রমাণ করতে। প্রমাণ হত যে সুহাসিনীকে জাস্ট বোড়ে বানিয়ে ও নিজেই মার্ডার অ্যাটেম্পট করেছিল। আর আমি সফলও হয়েছিলাম। আপনারা ঠিক জেনে গিয়েছিলেন যে শীলা আমাকে মারতে চায়।”

    “তা জেনেছিলাম।” অধিরাজ তাকে সমর্থন জানায়, “কিন্তু তুই জানতি না যে তোর অনুপস্থিতিতে তোরই ফ্ল্যাট সার্চ করে আমরা ফ্রিজে মাশরুম আর কিছুটা আমন্ডও পেয়েছিলাম। ইভেন মেডিসিন ক্যাবিনেট থেকে গ্যাসট্রিক ল্যাভেজ, অ্যাক্টিভেটেড চারকোল আর এপিনেফ্লিনের ভায়ালও পাওয়া গিয়েছিল। ইউজটা তখনও বুঝিনি। কিন্তু যে মুহূর্তে সুহাসিনী মিত্র ফাঁসলেন ও সবটাই খুলে বললেন, আমিও আমার মতো করে বুঝলাম। সুহাসিনীর ধারণা ছিল যে শীলা তোকে মারতে চেয়েছিল। কিন্তু আমি বুঝেছিলাম যে তুই নিজেই আসলে ভিকটিম কার্ড প্লে করার জন্য রিহার্সাল দিচ্ছিলি। নয়তো একটা লোক ওভাবে দু দু-বার মিরাকিউলাসলি বেঁচে যায় না। শুধু এইটুকু জানা দরকার ছিল যে ভিডিও আর ব্ল্যাকমেইলিং-এর গল্প কতটা সত্যি, আর মেডিসিনগুলো তুই নিজেই কিনেছিলি কী না! সচরাচর যে এইরকম মাস্টার প্ল্যান বানাচ্ছে সে হসপিটাল থেকে বা দোকান থেকে এগুলো কিনবে না। অনলাইনই কিনবে। তাই এই জিনিয়াসকে দিয়ে তোর ফোন হ্যাক করিয়েছিলাম।”

    অধিরাজের দৃষ্টি বিশ্বজিতের দিকে ফেরে, “বিশ্ব, থ্যাংকস ব্রো।”

    “এনিটাইম স্যার।”

    “তবে ভিডিওগুলো দেখ না। ছেলেমানুষদের ওসব না দেখাই ভালো।”

    বিশ্বজিৎ কিছু বলতে গিয়েও হেসে ফেলে। তারপর বলল, “ডোন্ট ওরি স্যার। কীসের ভিডিও? আমি তো শুধু প্রবচনের ভিডিওই দেখি, আর ভজনের।”

    “গ্রেট।”

    বিশ্বজিৎ মাথা ঝাঁকিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। অধিরাজ তখনও সন্দিহান। সে কিছুক্ষণ রঞ্জনের দিকে তাকিয়ে থেকে বলল, “ব্রিলিয়ান্ট প্ল্যান ইনডিড। ওয়েল এক্সিকিউটেড অলসো। কিন্তু নায়েক এত বড়ো লায়েক হতে পারে না। তোর দৌড় ওই ব্ল্যাকমেইল অবধিই। এত বড়ো কন্সপিরেসির পেছনে আরও বড়ো কোনো মাথা আছে। সেটা কে?”

    “ডঃ কৌশিক চক্রবর্তী স্যার।” রঞ্জন আমতা আমতা করে জানায়, “উনিই আমায় পুরো প্ল্যানটা বুঝিয়েছিলেন। বিষাক্ত মাশরুমও এনে দিয়েছিলেন…।”

    সে দু-হাত ছড়িয়ে অর্ণবের দিকে তাকায়, “হোয়াই অ্যাম আই নট সারপ্রাইজড অর্ণব। প্রত্যেকবার তো শক্তিমানের মতো উনিই টপকে পড়ে বাঁচিয়েছিলেন রঞ্জনকে! একজন এক্সপার্টের অবজার্ভেশন আর সার্ভেইল্যান্স ছাড়া রঞ্জন নীলকণ্ঠ হওয়ার প্র্যাকটিসও করতে পারত না। কিন্তু ডঃ চক্রবর্তীর এখানে মোটিভ কী? স্বার্থ?

    এর উত্তর রঞ্জনই দিয়ে দেয়, “স্যার, শীলার ওপর ওর নাকি খারাপ নজর ছিল। অন্তত শীলা তাই বলে। আর উনি বলেছিলেন…।”

    “কী?”

    “ব্যাকস্ট্যাবারদের কখনও ছাড়তে নেই। বেইমানির উত্তর একমাত্র বেইমানিই হতে পারে।”

    “কে বলছে কাকে!” অধিরাজ সোজা হয়ে বসল, “উনি এইভাবেই বলেছিলেন? বেইমানির উত্তর একমাত্র বেইমানিই হতে পারে!”

    “হ্যাঁ!

    রঞ্জন ঘাম মুছছিল। অধিরাজ তাকে টেবিলে রাখা গোটা টিস্যুপেপারবক্সটাই ধরিয়ে দিয়েছে, “নে। এটা রাখ। জেলে কাজে লাগবে!”

    “জেল! কেন স্যার?” রঞ্জন প্রায় কেঁদেই ফেলল, “সব তো বললাম আপনাকে! আর আমার প্ল্যানে আমি নিজেই ভূগেছি, অন্য কারওর ক্ষতি হয়নি।”

    “হ্যাঁ।” অধিরাজ উঠে দাঁড়াল, “কিন্তু ব্ল্যাকমেইল আর অন্যকে ফাঁসানোর ষড়যন্ত্র করাটাও ইললিগ্যাল। আর তার জন্য—ইউ আর গোয়িং টু মামার ভোগ। তবে চাপ নিস না। তোর গুরুকেও ছাড়ব না! যে ঠান্ডা মাথায় এরকম ভয়াবহ প্ল্যানিং করতে পারে, সে সবকিছু পারে। ডঃ চক্রবর্তীও লাঠি ঠুকঠুকিয়ে তোর সঙ্গে সেল শেয়ার করতে চলে আসবেন। ইটস আ প্রমিজ।”

    বলতে বলতেই সে তাকায় অর্ণবের দিকে, “চলো বস, ডঃ চক্রবর্তীকে খাঁচায় পোরা যাক। উনিও বদমায়েশি বুদ্ধিতে কিছু কম যান না। আর যে নিজেই বেইমান, সে অন্য একজনকে বেইমানির বিরুদ্ধে রিভেঞ্জ নিতে উস্কানি দিচ্ছে। এর পেছনে কোনো ইতিহাসও থাকতে পারে।”

    “অবভিয়াসলি আছে স্যার।”

    “আছে, সে তো আমিও জানি।” অধিরাজের চোখে আত্মমগ্নতা, “প্রশ্নটা হল ইতিহাসটা কী!”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশয়তানের সন্তান – সৈকত মুখোপাধ্যায়
    Next Article শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Our Picks

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }