Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তেইশ নম্বর তৈলচিত্র – আলাউদ্দিন আল আজাদ

    লেখক এক পাতা গল্প125 Mins Read0
    ⤶

    ১০. কত রাত হলো

    কত রাত হলো? করাচীর লাল নীল সবুজ আলোকমালা ঝিমিয়ে এসেছে আর আমি জেগে আছি? আমি কি মাতাল হয়ে গেলাম?

    না, মাতাল হইনি, তবে নেশাগ্রস্ত আছি বৈকি। এ নেশা এক অদ্ভুত নেশা, সব ভুলিয়ে রাখে। সত্তাকে ডুবিয়ে দেয়, ঢেকে রাখে তার মায়াবী আচ্ছাদনে। তিনবন্ধু রাতের অভিসার থেকে ফিরেছে কিনা জানিনে, জানবার ইচ্ছেও নেই। ইতিমধ্যে যদি এসেও থাকে সকাল আটটা নটা অবধি ঘুমাবে সে এক ভালোই। সে কোনো রকম ধাক্কাকে এড়িয়ে যাবার সুবিধে।

    কিন্তু বাকি রাতটুকু আমিও যে দুচোখের পাতা এক করতে পারব না। মেঘের আবরণ ছিন্ন হয়েছে কিন্তু কুয়াশা এখনো কাটেনি। ছবি আর তিনা এক ছবিরই দুই রূপ একই শিল্পীর আঁকা, তাই শিল্পী মুজতবার ভারত ভ্রমণ হয়তো বৃথা যাবে না। সেদিন রাতেও আমার তাই মনে হয়েছিল। তাই হয়তো স্বপ্ন দেখেছিলাম, পাহাড়ের ওপর থেকে হাওয়ায় আঁচল উড়িয়ে কে আমাকে ডাকছে, হোঁচট খেয়ে খেয়ে প্রাণপণে উপরে উঠছি কাছাকাছি গিয়ে দেখি ছবি- ও হাত বাড়িয়ে দিল, আমি ধরতে যাচ্ছি এমন সময় পা পিছলে পড়ে গেলাম একেবারে গভীর খাদে। চিৎকার করে জেগে উঠেছিলাম, সর্বাঙ্গ ঘামে ভেজা। একটা গোপন ভয় এসে মনে বাসা বাঁধল। এতে কাছে পেয়ে এমনি করেই তো আমরা হারাই?

    এখানকার কাজ সেরে রাঙামাটি যাওয়ার প্ল্যান ছিল। কিন্তু সব বাতিল করে দুদিন পরে আমি চলে এসেছিলাম।

    ছবি আমাকে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই দেখে অবাক হয়েছিল। কিন্তু আমি দৌড়ে গিয়ে ওকে বুকে চেপে বললাম, তোমাকে স্বপ্নে দেখেছি তাই ছুটে এলাম। তোমার কিছু হয়নি তো?

    না না। ওগো কিচ্ছু হয়নি, তোমার কথাই ভাবি শুধু, কিছু হবে কেন?

    এবারও করাচীতে সাতদিন থাকার কথা কিন্তু চারদিনের দিন ফিরে গেলেও ছবি এবারে বিস্মিত হবে না। বরং বলবে এ-তো দিন! বড় শহরে গিয়ে আমাকে ভুলে গিয়েছিলে বুঝি? এত দেরি হলো!

    দেরি হলো কোথায়? সাতদিন থাকার কথা ছিল, চারদিনে ফিরে এলাম!

    চারদিন না ছাই, চার বচ্ছর বলো! ছবির যুক্তির সঙ্গে সত্যি পেরে ওঠা দায়।

    সকালে এয়ার অফিসে গিয়ে ভাগ্যক্রমে একটা টিকিট পেয়ে গেলাম। সন্ধ্যে সাড়ে সাতটায় ফ্লাইট এরই মধ্যে তৈরি হয়ে নেওয়া প্রয়োজন। ওখান থেকে বাজারে গিয়ে কিছু ফলমূল কিনি। ভালো কিছু নেই। মালক্কাই নিতে হলো বেশি। টুলটুলের জন্য একটা খেলনা উড়োজাহাজ ও কিছু গরম কামাকাপড় কিনলাম। কিন্তু ছবির জন্য নেব। কি? ও কিছু বলেনি। বলেছিল তুমি শুধু ফিরে এসো ব্যস আর কিছু চাই না।

    কিন্তু আমি দোকানে গিয়ে ওর জন্য একটা সুন্দর কাশ্মীরী চাদর একটা হাল্কা নীল নাইলনের শাড়ি ও ব্লাউজের কাপড় কিনে ফেললাম। এসব দেখে জানি প্রথমে ও তিরস্কার করবে কিন্তু সে আর কতক্ষণ! প্রত্যেকটাই মনোমত জিনিস, তাই একটু পরেই ফুটবে ঠোঁটে ভুবন-ভোলানো মধুর হাসি।

    এটাই আমি চেয়েছিলাম, এখনো তাই চাই! টুলটুলের জন্মের আগে ও কেমন কাঠির মতো হয়ে গিয়েছিল, হাসতে পারত না। কিন্তু আনন্দিত দেখলে আমি খুশি হই। বলে জোর করে হাসত। একদিন আমার বুকে মাথা রেখে শুয়ে বলল, জানো মেয়েরা কিসে ভাগ্যবতী?

    না তো? এমনভাবে বললাম যেন কিছুই জানি না।

    ভাগ্যবতী মেয়েরা স্বামীর আগে মরে এবং স্বামীর কোলে মাথা রেখে মরে!

    আজ হঠাৎ এসব কথা কেন তুমি বলছো ছবি!

    ছবি বুকের ওপরেই কাত হয়ে আমার দিকে চেয়ে বলল, আমার বড় ভয় হচ্ছে, এবার বাঁচবো না! কিন্তু মরতে আমার কোনো দুঃখ নেই। কারণ তোমার বুকে এমনিভাবে মাথা রেখেই মরতে পারবো তো!

    আমি ওর মাথার একগোছা চুল নিয়ে বলি, ছিঃ ছবি। এমন কথা বলতে নেই। আমি দুঃখ পাই!

    জানো দুঃখ পাওয়া তোমার দরকার। বড় আঘাতে না পেলে বড় শিল্পী হওয়া যায় না। আমি মরে গেলে তুমি সেই আঘাতে পেতে পারো। তখন কত বড় শিল্পী হবে তুমি, সেই খুশিতে আমার কবরে ফুল ফুটবে! ছবি একটু নীরব থাকার পর বলেছিল, কিন্তু আমি বোধ হয় মরতে পারব না, সে যে ডাকে এখনো! আজ দুপুরে জানো কি হয়েছে শুনি স্টুডিওতে শিশুর কান্না দৌড়ে গিয়ে দেখি কেউ নেই মিনিটা মিউমিউ করছে।

    আমি গভীর আদরের সঙ্গে হাত দিয়ে ওর মুখটা মুছে দিতে দিতে বললাম, সে যখন কোলে আসবে তখন দেখো সব ঠিক হয়ে গেছে! ভাবনার কিছু নেই।

    আমি মিথ্যে বলিনি। টুলটুলকে কোলে পেয়ে ছবি আত্মহারা। ভাবটা হারাই হারাই ভয়ে গো তাই বুকে চেপে রাখতে চাই কেঁদে মরি একটু সরে দাঁড়ালে জানিনে কোন্ মায়ায় কেঁদে বিশ্বের ধন রাখব বেঁধে আমার এ ক্ষীণ বাহুদুটির আড়ালে।

    তাই বসুন্ধরার জন্য বিশেষভাবে সিটিং দেওয়াতে হয়নি। প্রতিদিন প্রতিমুহূর্তে আমার সত্তায় যে সম্পূর্ণ হয়ে উঠেছিল সেই তো প্রতিকৃতি!

    জিনিসপত্রগুলো হোটেল রেখে একজিবিশনে গেলাম। দুপুরে দর্শকের ভিড় নেই কিন্তু বন্ধুদের আড্ডা জমজমাট। হলঘরে ঢুকতেই কয়জন রৈ রৈ করে এগিয়ে এলো। তবে একজন মেয়ে ছিল বলে খুব বাড়াবাড়ি করতে পারল না।

    এসো পরিচয় করিয়ে দিই, রায়হান হাত ধরে টেনে মেয়েটার সামনে নিয়ে বলল, মাদার আর্থের আর্টিস্ট মি. জাহেদ। আর ইনি মিস সারা আহমদ! স্কালপচার কোর্স কমপ্লিট করে লণ্ডন থেকে ফিরেছেন!

    আচ্ছা! বেশ বেশ। কিন্তু আর কি বলবো খুঁজে পেলাম না।

    সো হ্যাপি টু মিট ইউ মি. জাহেদ। সারা লিপস্টিক মাখা মোটা ঠোঁটজোড়া নড়িয়ে বললেন, আই লাইক ইওর পেইন্টিং মাচ। ইটস রিয়্যালি নাইস।

    থ্যাঙ্কইউ ফর ইওর কমপ্লিমেন্টস্। বাট আই থিঙ্ক ইটস অনলি এ পিস অব প্রিলিমিনারি ওয়ার্ক!

    ও শিওর শিওর! এভরি জেনুইন আর্টিস্ট স্যুড হ্যাভ দিস নোশন অ্যাবউট হিজ ওয়ার্ক। আদারওয়াজ হি উইল ডিমিনিশ এভরিডে, আই হ্যাভ দি গুড় অপরচুনিটি অব ওয়ার্কিং উইথ অ্যাপসটাইন। আই হ্যাভ সিন হাউ টেরিফিক হি ওজ! অ্যান্ড পিকাসো! ওহ হি ইজ এ ডেভিল! এ জায়ান্ট! এ গড! অ্যান্ড হোয়াট নট! আই কুড নট বিয়ার হিম!

    সারার চেহারা যাই হোক মেক আপটি অদ্ভুত। চুলগুলো যোগিনীর মতো ঝুটি করে বাঁধা, গলায় বড় কালো গোটার মালা। কাঁধ অবধি কাটা নীলরঙের ব্লাউজ। বেগুনি রঙের সিল্কের শাড়ির আঁচলটা বুকে পেঁচিয়ে রেখেছেন কিন্তু এসব কিছু নয় আমি নেহাৎ কথা বলবার জন্যই জিজ্ঞেস করলাম, আচ্ছা যদি মনে কিছু না করেন আপনাদের বাড়ি কোথায়? দেখে মনে হচ্ছে বাংলাদেশ!

    ইয়েস, ইউ আর রাইট। সারা মুখভঙ্গি করে বললেন, বাট আই হেট দ্যাট কান্ট্রি লাইফলেস এ ল্যান্ড অব মেয়ার মনটোনি। অ্যান আর্টিস্ট কান্ট লিভ দেয়ার, নেভার!

    রায়হান মাঝখানে আমাকে চুপি-চুপি জিজ্ঞেস করল, টাকা পেয়েছিলে নাকি?

    আমি মাথা নেড়ে সায় দিই। আমেদ লক্ষ্য করছিল সে কটু করে বলল, তা হলে হয়ে যাক না এখনই?

    মিস আহমদ আছেন সে ভালোই হয় কি বলিস? রায়হান আমার মুখের দিকে চেয়ে থাকে।

    এরপর সারাও লক্ষ্য করেছে দেখে আমি বললাম, আপত্তি নেই। তবে ও জিনিস হবে না!

    তোকে নিয়ে সত্যি মুশকিল! তাতে দোষটা কিসের?

    ছবির টাকার সঙ্গে একটা পবিত্র স্মৃতি রয়েছে এদের কাছে বলতে যাওয়া অর্থহীন, তবু জানালাম, না ভাই তা হলে আমাকে মাফ করতে হবে।

    ঠিক আছে অন্য জিনিসই খাব চ। প্লিজ কাম অন উইথ আস মিস আহমদ! রায়হান হাত বাড়িয়ে আপ্যায়ন করল।

    হোয়াই? হোয়াটস্ দা ম্যাটার?

    আমেদ হেসে বলল, নাথিং অ্যাট অল! লেট আস হ্যাভ দি প্রিভিলেজ অব অফারিং ইউ এ কাপ অব টি!

    সারা হাততালি দিয়ে বললেন, ও নাইস আই ওজ রিয়ালি ফিলিং লাইক দ্যাট!

    মিরান্দা রেস্তোরাঁর একটি কেবিনে গিয়ে বসি চারজন, মুজিব আসেনি সত্যি ওর দুর্ভাগ্য!

    চা খেতে এসে বড়জোর টা পর্যন্ত গড়ানো উচিত ছিল কিন্তু ওদের কাণ্ডজ্ঞান অতুলনীয়। রায়হান বলল, কিছু খেয়েই ফেলা যাক্ জাহেদ। পাঁচ শ টাকা পেলি কুড়ি টাকাও বন্ধুদের জন্য খরচ করবিনে?

    অচেনা মেয়ের সামনে শুকনো হাসি হেসে নীরব হয়ে থাকা ছাড়া আমার উপায় নেই। এটা নিঃসন্দেহে সম্মতির লক্ষণ। রায়হান বান্ধবীকে শুধাল, ওয়েস্টার্ন অর ওরিয়েন্টাল?

    সাট্টেনলি ওরিয়েন্টাল! ওয়েস্টার্ন পিপল আর গুড বাট নট দেয়ার ফুড। কথায় এমন সুন্দর একটা মিল দিতে পেরে সারা নিজেই উল্লাসধ্বনি করে ওঠেন।

    খাবার এলো জমজমাট ডিস্।

    একটা প্লেট নিতে নিতে রায়হান বলল, যাই বলুন উই আর ভেরি মাচ ইনডেটেড টু দি মোঙ্গলস। দে ওয়্যার দ্য রিয়্যাল আর্কিটেক্টস অব দি কান্ট্রি। দে নিউ হাউ টু এনজয় লাইফ। ওরিয়েন্টাল ডিস রিয়্যালি মিনস মোঙ্গল ডিস। অ্যাম আই রং।

    সাট্টেনলি নট, সারা আঙুলে একটু চাটনি নিয়ে জিভে লাগান এরপর জিভটা ঠোঁটের সঙ্গে চাটতে চাটতে প্রায় চেঁচিয়ে উঠলেন, ডিল্লিশাস ডিল্লিশাস!

    খাওয়া শেষ হয়ে গেলে সংকট অবস্থা। চারজনেই সিগারেট ধরাই। কিন্তু এরপর কি? চা কফি কোক অথবা অন্যকিছু? এক কাপ করে কফি খেতে আপত্তি নেই কিন্তু তবু কি যেন বাকি রয়ে গেল। রায়হান গলাখাকারী দেয়, উসখুস করেন সারা। আমেদ বানায় ধোয়ার রিং!

    ওদের মানসিক অবস্থার মর্ম অনুধাবন করতে পেরে বললাম, আমি এখন উঠি রায়হান। আজ সন্ধ্যায় চলে যাচ্ছি, কিছু কেনাকাটা বাকী।

    চলে যাচ্ছি মানে! ওরা বিস্মিত হলো যেন।

    সত্যি চলে যাচ্ছি। আর তো কোনো কাজ নেই। ভালো লাগছে না মোটেই।

    তুই একটা আস্ত-রায়হান গাধা কথাটা উচ্চারণ করল না।

    যাই বলিস মেনে নিতে রাজি। সিট বুক হয়ে গেছে চলে যেতে হবেই। বেয়ারা পর্দার কাছে এসে দাঁড়িয়েছিল তাকে বললাম, বিল লাও।

    সারা সিগারেটটা এসট্রেতে পিষতে পিষতে বললেন, দেন উই আর ডিপার্টিং টু ডে?

    ইয়েস ম্যাডাম আই কান্ট হেলপ ইট। বিল চুকিয়ে দেবার পর সকলের সঙ্গে করমর্দন করে সারাকে বললাম, আপনার সঙ্গে পরিচিত হয়ে খুব খুশি হলাম। বাংলাদেশে যাচ্ছেন তো আপনি? ঢাকায় নিশ্চয়ই দেখা হবে।

    আই অলসো হোপ সো। ডোন্ট ফরগেট মি প্লিজ।

    নিশ্চয়ই না। নিশ্চয়ই না। আমি একটু হেসে বললাম, একবার দেখলে আপনাকে ভোলা অসম্ভব!

    ইউ আর সো নাইস মি. জাহেদ। আই সুড হ্যাভ মোর টাইম উইথ ইউ! এনিওয়ে লেট আস হোপ ফরদি ফিউচার!

    যাবার সময়টা ঘনিয়ে এলো তাড়াতাড়ি। ভেবেছিলাম একবার দেখা করে যাব কিন্তু খালার ওখানে যাওয়ার মতো একটু ফাঁকও পাওয়া গেল না। সে জন্য অবশ্য আফসোেস নেই। গেলে ভদ্রতাটুকু রক্ষা হতো কিন্তু তার গুরুত্বইবা কত। নিজেদের নিয়মে ওরা চলেছেন যেখানে থেকে এসব চুটকি ব্যাপারের ধার ধারার প্রয়োজন অল্প।

    এয়ারপোর্টে এসে হাঁফ ছেড়ে বাঁচি। যা যা সব পেছনে পড়ে থাক্। বন্ধুরা বলেছিল। সি অফ করতে আসবে, না এলেই বরং ভালো।

    প্যাসেঞ্জারস বাউন্ড টু ঢাকা এটেনশন প্লিজ। মাইকে এয়ার হোস্টেসের কণ্ঠস্বরে চমকে উঠি। তাহলে ওড়বার সময় হলো?

    সুপার কনস্টেলেশন বিমানের ইঞ্জিন চলছে, যেন ঝড়ের শব্দ। আমরা এখান যাচ্ছি সেই দিকে, দেশি বিদেশি বহুযাত্রী কিন্তু কিছুটা অগ্রসর হতেই দৌড়ে এলো চারজন আমার তিন বন্ধু এবং সেই মেয়েটি। ওরা মৌতাত করে ফিরেছে চেহারায় তার স্পষ্ট ছাপ।

    আমি দাঁড়ালাম মাত্র কিন্তু আলাপ করার সময় ছিল না। সারা একটু এগিয়ে এসে পরিষ্কার বাংলায় বললেন, সাতদিন পর আমি যাচ্ছি। আপনার সঙ্গে দেখা হওয়া চাই!

    ওর বাংলাকে ঠেকা দেয়ার জন্যই আমি এবার পুরো ইংরেজিতে হাত নেড়ে বললাম, ও সাট্রেনলি! মোস্ট ওয়েলকাম অ্যাট মাই হোম! টাটা!

    ভেতরে গিয়ে সব যাত্রী ঠিক হয়ে বসলে পূর্ণবেগে প্রপেলার ঘুরতে লাগল এরপর প্লেন রানওয়েতে ছুটে গিয়ে আকাশে উড়লে এক বিমিশ্রিত আশ্চর্য অনুভূতিতে ভেতরটা অনুরণিত হতে থাকে আমার। তারায় ভরা ওপরে গভীর চিত্রিত আকাশ, নিচে মাটির পৃথিবী, মাঝে মাঝে ছোটো লালচে আলো। কিন্তু অনেক চেষ্টায় পেছনে ফিরে চাইলে নিমেষে চক্ষু স্থির হয়ে যায়। আলো আলো, লাল নীল সবুজ আলো। প্রাচ্যের সিংহদরোজা করাচী নগরীর অফুরন্ত আলোর নৈবেদ্য প্রতিমুহূর্তে ঝিকমিক করছে, ঠিকরাচ্ছে। ঐশ্বর্য ও প্রাচুর্যের যুগল সমারোহ।

    কিন্তু এই আলোককেও আমি পেছনে ফেলে যাচ্ছি। হয়তো আসবো, না হয় আর কোনদিন হয়তো আসব না। আসি বা না আসি দুইই এক সমান। কারণ আমার চোখে দূর সবুজের মায়া, মনজুড়ে শ্যামল মাটির স্বপ্ন।

    বাইরে চেয়ে আচ্ছন্ন হয়েছিলাম, কিন্তু বিপদ প্লেন ঘন ঘন বাষ্প দিতে শুরু করল। এবং আধঘণ্টার মধ্যে জেগে উঠল আবার এই আলোকমালা। আমরা সতর্ক হয়ে যাই।

    বিমানটি আবার স্থির হয়ে দাঁড়াবার পর নেমে এসে জানতে পারলাম ইঞ্জিনে গোলমাল দেখা দেওয়ায় ফিরে এসেছে।

    এ আবার কি ঘাবলায় পড়া গেল। কোনো অশুভ লক্ষণ নয় তো?

    ইঞ্জিনের পরীক্ষা ও মেরামত শেষ হলে বিমান আবার ছাড়ল সোয়া বারোটায়। এবার আকাশের আরো ওপর দিয়ে চলেছে। কাছে দূরে দেখা যায় ধোঁয়ার কুণ্ডলীর মতো আবছা মেঘের সম্ভার। মাটির ওপরে দাঁড়িয়ে এই মেঘকেই কত না কল্পনায় মণ্ডিত করেছি, অথচ এরা সত্যিই নিষ্প্রাণ বাষ্পের আয়োজন মাত্র!

    তেমনি বাইরের রঙিন আলোর লেখন দেখে, সোনালি রুপালি চাকচিক্য দেখে, কোনদিন ভুলিনি এমন নয়, এমনকি মোহগ্রস্তও হয়েছি। কিন্তু আজ সে সব যেন মনে হচ্ছে অন্তঃসার শূন্য ফানুসের মতো ফাঁকা!

    এই বিমানটি যদি হঠাৎ দুর্ঘটনায় পড়ে এবং সমস্ত সঙ্গীর মতো আমার দেহটিও টুকরো টুকরো হয়ে ছিটকে যায় তবে আমার কোনো দুঃখ থাকবে কি? থাকবে দুঃখ থাকবে মৃত্যুর মুহূর্তে একান্ত সাধারণ একটি মেয়ের আটপৌরে হাতের কোমল স্পর্শ কপালে লাগল না বলে, তার চোখের দুইফোঁটা তপ্ত অশ্রু গড়িয়ে পড়ল না বলে আমার বুকের ওপর! এই দুঃখ সাধারণ, এই দুঃখ অসাধারণ।

    যশগৌরবের দাম অনেক এবং কৃতীমাত্রেরই তা কাম্য। কিন্তু আমি উপলব্ধি করেছি এসবের চাইতেও যা বড় তা হচ্ছে একটি ছোট্ট মুখে এক টুকরো হাসি ফোঁটানো।

    বন্ধুরা বলবে আমি ভুল করছি, একটি সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের ওপর নিজের হাতেই যবনিকা টেনে দিয়েছি।

    আমি বলব যথার্থ। কারণ তাঁদের মতো মহান শিল্পী আমি হতে চাই না। সব মানবের শিরোমণি যারা তারা আমার নমস্য কিন্তু একজনের ছোট্ট হৃদয়ের সবটুকু অধিকার করে বেঁচে থাকাই আমার লক্ষ্য। কালের অতল গর্ভে তলিয়ে যাব, হারিয়ে যাব। নিশ্চিহ্ন হয়ে যাব। কিন্তু তবু যাওয়ার বেলায় আমার ঠোঁটে থাকবে বিজয়ীর হাসি এবং এটাই আমার বিদ্রোহ, এটাই আমার বিপ্লব। হাওয়ার ওপরে ভেসে বেড়ানো নয়, বসুন্ধরার দৃঢ় ভিত্তির ওপরে দাঁড়িয়ে কাজ করা। পুরাতন দুর্গকে ভেঙে নতুন প্রাসাদ গড়ে তোলার এই একমাত্র পথ। অন্যথায় আত্মধ্বংসই হবে সার।

    ইঞ্জিনের একটানা ঘরঘর শব্দ। না, ইঞ্জিনের নয় আমার মস্তিষ্কের তন্ত্রীতে তন্ত্রীতে অবিচ্ছিন্ন উৎকট সঙ্গীতের ঐকতান। ঘুম আসেনি কিন্তু চোখ মেলবার ক্ষমতাও ছিল না। চোখের পাতা বন্ধ করে মাথাটা এলিয়ে থাকি।

    সে কতক্ষণ তাও বলতে পারব না। এরপর একসময় সত্যি চোখ মেলোম। দেখি অন্য দৃশ্য। সূর্য দেখা দিচ্ছে। বিমানটা একটি সুতীক্ষ্ণ তীরের মতো রাতের অন্ধকার থেকে দিনের আলোতে ছুটে গেল। তৎক্ষণাৎ হয়তো ঝকঝক্ করে উঠল ওর ধাতব শরীর।

    ক্যাপ্টেনের শান্ত কণ্ঠস্বর শোনা গেল, ডিয়ার প্যাসেঞ্জারস্ গুডমর্নিং টু ইউ অল। বাই দি গ্রেস অব অলমাইটি, উই হ্যাভ রিচড্‌ ঢাকা যাস্ট অ্যাট্‌ সিক্স ফিফ্‌টিন এ এম। থ্যাঙ্ক ইউ।

    বিমানবন্দর থেকে বাসে আসবার সময় হাঁসের পালকের মতো মনটা হাল্কা হয়ে গেল। নগরীতে ফেলে এসেছি কুটিলতা, আকাশে উড়িয়ে দিয়েছি দুশ্চিন্তা এবং এখন যা আছে তা হলো নদীতে ডুব দিয়ে গা জুড়িয়ে নেয়ার আকণ্ঠ আকাক্ষা। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এ ভাবারও সময় নেই। এয়ার অফিসের কাছে এসে থাকলে বাস থেকে নেমে রিকশায় উঠে পড়ি।

    পরিচিত পথঘাট, পরিচিত মানুষের মুখের আদল, পরিচিত দোকান রেস্তোরাঁ কিন্তু তার চেয়েও পরিচিত আমার পাজরের ভেতরে যে এখন হৃৎপিণ্ডটা ঢিঢ়ি করছে তা! এমন ব্যাকুল হয়ে উঠেছি কেন? এ চার দিনে অঘটন কিছু ঘটেনি তো? ছবি ভালো আছে? টুলটুল?

    মাথায় টুপি দেওয়া কতকগুলো লোক রাস্তার পাশ দিয়ে মুর্দার খাট বয়ে নিয়ে গেলে ভেতরটা ছাৎ করে ওঠে। না, এদের মধ্যে চেনা কেউ নেই।

    গেটের কাছে গিয়ে রিকশা থামতেই জলদি করে নেমে পড়লাম। বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছে ও কে? চোখ তুলে ভালো করে দেখবার আগেই ছুটে এলো সরুপাড় সালোয়ার কামিজ পরা সেই মূর্তিটি, আমার বুকে ঝাঁপিয়ে পড়ল। সে আমার খুব কাছে এখন, আমি কোনমতে আত্মসম্বরণ করে বলি, ছবি, আমার ছবি!

    আমার বুকের ভেতরেই যেন বলছে, আমি জানতাম তুমি আসবে, তুমি আসবে আজ। সেজন্য প্লেনের শব্দ শুনেই বাইরে এসেছিলাম।

    বুকের মাঝখান থেকে মুখটা দু’হাতে তুলে দেখি ওর চোখজোড়া অশ্রুজলে ভরা। কিন্তু সে অশ্রুজল নয়, আনন্দের মণিমুক্তা। এত সুন্দর হয়েছে ছবি!

    ইস্ কাঁদছ দেখছি? শোনো লক্ষ্মী তোমাকে ছেড়ে আর কখনো কোথায়ও যাব না। বাঁ-হাতে সুটকেসটা তোলবার পর ডানহাতে ওকে ঝাঁপটে ধরে এগুতে এগুতে বললাম, চলো অনেক সুখবর আছে, ঘরে চলো।

    তখন ভোরের সূর্যের রঙিন ধারা আমাদের দুজনের ওপর ঝলকে ঝলকে পড়ছে। এই সূর্য আদিম এবং অকৃত্রিম; কিন্তু আজকে যেন তারই পুনরাবৃত্তি নয়; বরং তার সন্ধানী সঙ্কেতে আমাকে নতুন সৃষ্টির মর্মমূলে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সত্যি, অনুভূতির এক আশ্চর্য মুহূর্ত, একে ব্যর্থ হতে দেব না। ছবি আমার পাশেই ছিল, আর টুলটুলকে কোলের ওপর ধরে আমরা দুজনে সেই আলোর মুখোমুখি দাঁড়ালাম।

    -o-

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদি আউটসাইডার – আলবেয়ার কাম্যু
    Next Article নবি মুহাম্মদের ২৩ বছর – আলি দস্তি

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }