Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তেইশ নম্বর তৈলচিত্র – আলাউদ্দিন আল আজাদ

    লেখক এক পাতা গল্প125 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৯. শারদীয় ছুটি শেষ

    শারদীয় ছুটি শেষ হওয়ার পরে কিছুদিন কাজ করেছি- কাজেই সাতদিনের ছুটি চাইলে আপত্তি উঠল না। দু’তিনটি ছাত্র সঙ্গে আসতে চেয়েছিল তাদের আনিনি। দলের চেয়ে দলের সমস্যাটিই যদি হয়ে যায় বড় তাহলে যেজন্য বেরুচ্ছি সে উদ্দেশ্যটাই যাবে পণ্ড হয়ে এবং সে আমাদের কারুরই কাম্য নয়।

    আমি আর মুজতবা যেদিন চাটগাঁ গিয়ে পৌঁছলাম সে ছিল শুক্রবার। সারারাত প্রায় দাঁড়িয়ে থাকার মতো কাজেই একফোঁটা ঘুম হয়নি। এই শহরে বন্ধু-বান্ধব আছে, গিয়ে উঠলে অনাদর করবে না হয়তো; কিন্তু নষ্ট করার মতো সময় নেই। ঘর থেকে বেরিয়ে একেবারে মাঠে গিয়ে নামাই আমাদের সংকল্প এবং কষ্টের জন্য তৈরি হয়েই এসেছি। লটবহর অতি সংক্ষিপ্ত । জানদুটো আর আঁকার সরঞ্জাম। এ দুয়ের মাঝখানে একটা বড় চৌকোণো ধরনের ক্যানভাসের ব্যাগ। এতে যাবতীয় খাদ্য সামগ্রী। তিনটে বিস্কুটের প্যাকেট, জেলি, মাখন এবং পাউরুটি। ব্রাশ টুথপেস্ট সাবান তেল আরও যা দরকার এর ভেতরে ছোটো একটা থলির মধ্যে আছে। ফ্লাস্কটা বাইরে আমার কাঁধে ঝুলানো।

    মুজতবা আরো এসেছে দুবার। তাছাড়াও, বাইরে ও যে সত্যিই চৌকস করিৎকর্মা লোক তা অস্বীকার করার উপায় নেই। এসব ব্যাপারে আমাকে ভাবতে হয়নি। জোগাড় যন্ত্র সমস্ত ওর। আমি যেন শুধু অনুগ্রহ করে এসেছি ওর সঙ্গে।

    রেস্টুরেন্টে পেট পুরে পরোটা গোশত খেয়ে পথে বেরিয়ে পড়লাম। কোথায় যাচ্ছে জিজ্ঞেস করতে চাইছিলাম, মুজতবা বুঝতে পেয়ে আগেই বলে ফেলল, কিছু ভাবিসনে কেবল আমার সঙ্গে আয়!

    রিকশা করে ও আমাকে যেখানে নিয়ে এলো সে জাহাজ ঘাট। একটু পরেই লঞ্চ ছাড়বে। লোকজন সব উঠে পড়েছে। যাত্রার আগে সারেং কষে ভেঁপু বাজাচ্ছিল, এটা লোক ছুটিয়ে আনার কায়দা। স্টিমে চললে কি হবে এও কেরায়া নৌকা বৈ তো নয়! খ্যাপ পোষানো চাই।

    আমরা দু’জন পিছিয়ে পড়ার দলে কিন্তু মুজতবা তবু যাচ্ছে গদাই লস্করি চালে, কোনো তাড়া নেই। আমি বললাম, আর একটু তাড়াতাড়ি যাওনা। লঞ্চ ছেড়ে দেবে।

    ছাড়বে না, ও নিরুদ্বিগ্নস্বরে বলল, আরো অন্তত আধঘণ্টা দেরি!

    ও এ বিষয়ে অভিজ্ঞ, কাজেই আর উচ্চবাচ্য করা অনুচিত। আমি চুপ মেরে গেলাম।

    সাম্পান ভাড়া, জাহাজ পর্যন্ত গেলে ও দুটি আনি বাতার ওপরে রেখে দিল। মাঝি পয়সাগুলো দেখেই কাইকাই করতে থাকে বলে আট আনার এক পয়সা কমও নেবে না। কিন্তু ও নির্বিকার। জিনিসপত্রগুলো রেখে আরেকটি দু’আনি ছুঁড়ে মারলো, বলল ওডা! এ তরে বখশিস দিলাম।

    মাঝি রাগ চাপতে চাপতে সাম্পান ঘোরায়। মুজতবা বলল, এরা এমনি। দু’জনের একআনা হলো আসল ভাড়া। কিন্তু বাইরের লোক ভেবেছে ব্যস যত পারো আদায় করো। বড় বাজে!

    লঞ্চ ছাড়ল আরো পঁয়তাল্লিশ মিনিট পর। কড়া রোদ ছিল না। আমরা ছাদের ওপর গিয়ে বসে সিগারেট ধরাই। দূরে পাহাড়গুলো দেখা যাচ্ছে বেগুনি মেঘের মতো। আর নিচে দুই তীরে সবুজের পোচ নিয়ে ঘুরে বেঁকে চলে এসেছে নদীটি নাম যার কর্ণফুলী, পাহাড়ি মেয়েদেরই মতো পায়ে নূপুর।

    প্রকৃতির পটে আঁকা বিধাতা শিল্পীর আশ্চর্য চিত্র, ওর তুলনা কোথায়? বাইরে ছবি, ভেতরে গান এবং এই তো জগৎ। মুজতবা একদৃষ্টে চেয়ে ছিল। সে বরাবর গম্ভীর হয়েই আছে। বলল, চেয়ে দ্যাখ জাহেদ! বেশ লাগছে, আঁকবি নাকি?

    হ্যাঁ আঁকলে হয়, রং তুলি নিয়ে আসি। আমি উঠে নিচে নেমে এলাম। আর একটু দেরি না করে সমস্ত সরঞ্জাম নিয়ে আবার ওপরে উঠি।

    রং গুলে নিয়ে দু জনেই কাজ করছি, ওয়াটারকালার। ও আঁকছে দিগন্তরেখা আর নদী, আমি একজোট নৌকা।

    আঁকছি বটে তবে খুব একটা উৎসাহ নেই। ল্যান্ডস্কেপ আমার ভালোই হতো কয়েকটি কাজ বহুল প্রশংসিত হয়েছে কিন্তু সেগুলোও যেন আনাড়ির চিত্রচর্চা। কাঁচা রং নিয়ে খেলা! কেন জানি এসব আর ভালো লাগে না, ভালো লাগে না মোটেই। মানববিরহিত প্রকৃতি যেন অর্থহীন অনাবশ্যক। শিল্পের বিষয় হিসেবে আমি মানুষকে চাই, কেবল মানুষ। পাহাড়কে আমি পছন্দ করি! কিন্তু শুধু পাহাড়ের দৃশ্যচিত্র আঁকার কি সার্থকতা আছে বুঝিনা সেজন্য গোড়া থেকেই আমার লক্ষ্য পাহাড়ি মানুষ। গর্গার মতো পলায়ন নয় কিন্তু তাহিতি আমার চাই আদিম তাহিতি।

    ব্রাশে তাড়াতাড়ি কাজটা শেষ করে জিনিস গুটিয়ে ফেলি। মুজতবা জিজ্ঞেস করল, কিরে শেষ হয়ে গেল?

    হ্যাঁ। সংক্ষিপ্ত জবাবটুকুর পরে ধীরে সুস্থে একটা সিগারেট ধরালাম। রঙের হিজিবিজি রেখায় ভরে গেছে ওর কাগজটা, খুব একটা ইচ্ছা নিয়ে যেন আঁকছে না ও। আমি জিজ্ঞেস করলাম, চন্দ্রঘোনায় পৌঁছতে একটা বাজবে?

    লঞ্চ এইভাবে চলতে থাকলে দেড়টা দুটোর মধ্যে নিশ্চয়ই।

    আচ্ছা মগদের বাজার বসবে বলছিলে না তুমি? ঠিকই বসবে তো?

    হ্যাঁ আজ শুক্রবার নিশ্চয়ই বসবে। তোর খুব দেখতে ইচ্ছে হচ্ছে বুঝি?

    তা বৈকি। এজন্যই তো এলাম আমি, আবার ওকে জিজ্ঞেস করলাম, আচ্ছা বাইরের লোকদের ওরা কি চোখে দেখে?

    যা স্বাভাবিক ঠিক সেই চোখে। খুব অতিথিপরায়ণ ওরা যদিও মগের মুল্লুক বলে প্রবাদ আছে, কিছুকাল আগেও যে কেউ গেলে খুব খাতির করত। কিন্তু আজকাল এতটা করে না। বেশি মাখামাখি করতে গেলেই সন্দেহের চোখে দেখে। বাইরের লোক গিয়ে ওদের বহু মেয়েছেলে নষ্ট করেছে কিনা?

    কথাটা বলার পর ওকি যেন ভাবে, আমিও চুপ হয়ে থাকি। তাহলে পাহাড়ে বাস করলেও আদিম ওরা নয়। সভ্যতার আলোও পাচ্ছে প্রতিনিয়তই, আর এখন যখন এলাকাটাই কলের হুহুস্ আর ক্যাটারপিলারের চিৎকারে মুখরিত তখন আরো আলো পাবে বৈকি! কিন্তু না, বিচার করলে দেখা যাবে বর্বরযুগের বাস করবার চেয়ে সেও ভালো।

    লঞ্চ চন্দ্রঘোনায় এসে পৌঁছল ঠিক পৌনে দুটোয়। পাড়ের দিকে ভিড়লে কিছু লোক সাম্পানে উঠে নেমে গেল, কিন্তু রইল বেশির ভাগ। তারা কাপ্তাইয়ের যাত্রী। আমি চেয়েছিলাম পেপারমিলের দিকে; পাহাড়ের বুনো এলাকায় সিংহ ব্যাঘের বদলে আজ যন্ত্রের গর্জন। প্রচণ্ড শব্দে বাঁশ কাটা পড়ে চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে যাচ্ছে এদিকে একটা পাইপ দিয়ে ব্যবহৃত ময়লা পানি পড়ছে সরসর ধারায় আর তারই রাসায়নিক অংশ সাদা ফেনা ভাসছে নদীর বুকে।

    রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে আছি, মুজতবা জিজ্ঞেস করল, মিলে নামবি নাকি?

    আমি আর কি বলবো। তুমি যা ভালো মনে করো।

    দেখতে দেখতে কিন্তু সন্ধ্যা হয়ে যাবে। বাজার ভাঙে তার আগেই। এক সপ্তাহের আগে আর দেখতে পাবি না।

    আমি বললাম, তাহলে থাক্ বাজারটাই দেখি। অন্যদিন সুযোগ করে মিলটা দেখে নেব।

    ঠিক আছে তবে তাই হোক। একটি সাম্পান ভিড়েছিল আমরা জিনিসপত্র নিয়ে তাতে উঠে পড়ি।

    ওপারে নদীর ধারেই মগবাজার। সকাল থেকেই লক্ষ্য করছি মুজতবার মুখটাকে দেখাচ্ছে বেশ কালো আর বিমর্ষ, কথা বলছে ঠিকই কাজও করছে কিন্তু ভেতরে যেন অন্য চিন্তা! তিক্ত কিছু গভীর কিছু। সাম্পানের পেছনদিকে বসে এখনো সে মাথাটা নিচু করে আছে।

    কাছাকাছিই বসেছিলাম। জিজ্ঞেস করলাম, কি ব্যাপার হে! রাধারানির সঙ্গে ঝগড়া করে এলে নাকি?

    আরে ছছাঃ রাধারানি! মুজতবা চরম তাচ্ছিল্যব্যঞ্জক একটা মুখভঙ্গি করে চুপ মেরে গেল। মাথা একটু তুলে বলল, জানিস্ জাহেদ জীবনটাকে আমার মনে হয় একেবারে অর্থহীন অ্যাবসার্ড। ইটস এ টেল টোল্ড বাই অ্যান ইডিয়ট ফুল অব সাউন্ড অ্যান্ড ফিউরি অ্যান্ড সিগনিফায়িং নাথিং!

    হঠা–ৎ! আমি জিজ্ঞাসুদৃষ্টিতে ওর মুখের দিকে তাকাই।

    হঠাৎ নয়! এটাই আমার বরাবরের মনোভাব। গোটা জিনিসটাই যখন নিরর্থক তখন একে নিয়ে এতো ভাবনার কি আছে। যা হবার হবে। ভালোভাবেই হোক আর মন্দভাবেই হোক গন্তব্য সেই একই ধ্বংস মৃত্যু বিলুপ্তি!

    এযে দেখছি অন্যরূপ, অথবা এই সর্বাত্মক আস্থাহীনতাই কি ওর উচ্ছল জীবনযাত্রার উৎস?

    কিন্তু মাথায় রোদ, এখন কিছু চিন্তা করবার সময় নয়; সাম্পানটা পাড়ে এসে লাগলে আমরা উঠে পড়ি। আড়াইটে বাজছে, খাওয়া দাওয়া শেষ? এখন ছবি বিছানায় কাত হয়ে নিশ্চয়ই ভাবছে আমার কথা। আরে হ্যাঁ ও বারবার মিনতি করে বলেছিল পৌঁছেই একটা চিঠি দিতে, চট্টগ্রামে সেকথা মনেই হয়নি। এখান থেকে লিখতে হবে। ও আদর করতে করতে আরো বলেছিল ঠিক সময়ে খেয়ো ঠিক সময়ে ঘুমিও যেন। শরীরটা একটু এদিক-সেদিক হলে দেখা যাবে!

    আমার শরীরটা ছবির সম্পত্তি এবং যতটুকু তার জৌলুস তা গত কয় মাসে ওরই হাতে গড়া। কাজেই বললাম তোমার জিনিস আমি নষ্ট করবো পাগল!

    কিন্তু ওটা ছিল কথার কথামাত্র। কারণ শুধু আমি নয় ও নিজেও জানত যে-কাজে বেরুচ্ছি তাতে সমায়ানুবর্তিতা অসম্ভব।

    ওপরে উঠতেই দেখি ছোট্ট বাজার। একধারে দাঁড়ালে অন্য প্রান্তটুকু পর্যন্ত দেখা যায়। বাঁশের চালাঘর আছে কয়েকটা, মাঝখানে একটি বটগাছ। পুরোপুরি বিকেল হয়নি তবু জায়গাটা লোকজনে ঠাসা। পরে জানতে পেরেছি সকাল থেকেই বাজার বসে এবং সন্ধ্যার ঘণ্টাখানেক আগে শেষ হয়ে যায়। এরপরে যারা থাকে তারা একান্ত কাছের বাসিন্দা। আমরা ঘুরে ঘুরে দেখি। রোজকার দরকারি জিনিসপত্র। ধানচাল তরিতরকারি তাঁতেবোনা কাপড়চোপড় এলুমিনিয়ামের তৈরি সস্তা অলঙ্কার। পাইপ তামাক বাঁশের চোঙের দই চুরুট কিন্তু নতুন যা চোখ পড়লে সে হলো পুরুষের চাইতে মেয়ের সংখ্যা কম নয়। পরনে নকশি কাজ করা শাড়ি বুকে বাঁধা একখণ্ড চিত্রিত কাপড় গোলগাল স্বাস্থ্যবান চেহারার তরুণীরাও নিরুদ্বেগে জিনিস নিয়ে বসে আছে। কেউ কেউ কিনছে জিনিস। পাঁচ ছমাইল দূর থেকে যারা আসে তারা বেচাকেনা করার পর বাঁশের ঝাপিটা পিঠে বেঁধে ফিরে চলেছে।

    বটগাছের একটা শিকড়ের কাছে তিনটে মেয়ে বসে ছিল। এদের একটি বেশ সুন্দরী। কাটা চেহারা। ওদের সামনে হাতের তৈরি চুরুট।

    মুজতবা কাছে গিয়ে হাত নেড়ে নেড়ে আধা চাঁটগাই আধা হিন্দি ভাষায় আলাপ শুরু করে। ওরা সব বুঝেছে এমন নয় তবু উত্তরও দিচ্ছে। প্রত্যেকের মুখেই নিরীহ সরল হাসি।

    মুজতবা তুলি কাগজ দেখিয়ে ওর অদ্ভুত ভাষায় জিজ্ঞেস করল, ছবি আঁকলে ওদের আপত্তি আছে কিনা। সেজন্য রুপেয় বখশিস দিতেও সে রাজি।

    তিনজনের মধ্যে সবার বড় গোলগাল মেয়েটি আভাস ইঙ্গিতে জবাব দিল, এখানে সম্ভব নয় বাড়িতে গেলে রাজি হতে পারে।

    ওরা যখন আলাপ করছিল আমি মুখ তুলতেই দেখি লুঙিপরা গায়ে জামা মাঝবয়েসী একটা মগ কিছুদূরে দাঁড়িয়ে বুলডগের মতো তাকিয়ে আছে। সে কে? এমন ভাব কেন? ছোট ছোট চোখ যেন জ্বলছে একেকবার। ভাবি এমনভাবে আলাপ করছে বলেই হয়তো! মুজতবাকে ধাক্কা দিয়ে ডাকলাম, এই! আর কত ওঠ না?

    কেন হয়েছে কি? বলে মুখটা তুলতেই ওর দৃষ্টিও পড়ল গিয়ে লোকটার দিকে। এবারে লোকটার ঠোঁটমুখ কাঁপছে যেন। কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম দেখা দিয়েছে! মুজতবার চেহারা নিমেষে ছাইবর্ণ। সে তাড়াতাড়ি উঠে বলল, চল্।

    সবজিবাহী তিনমাঝির একটি লম্বাটে নৌকো কাপ্তাই যাচ্ছিল, এক কথায় দু’টাকায় রফা করে উঠে পড়া গেল। নৌকো দুইদাঁড়ের টানে এগিয়ে চলেছে। নদীর দুই পাড়ে ঝোঁপঝাড় কিন্তু সেদিকে আমার খেয়াল নেই। আমি ভাবছিলাম অন্য বিষয়। ব্যাপারটা কেমন রহস্যময় ঠেকছে। যতক্ষণ না নৌকাটা ঝাঁপসা হয়ে আসে ততক্ষণ নড়েনি। মুজতবাকে একবার মাত্র জিজ্ঞেস করলাম, কিহে কি ব্যাপার!

    সে অন্যমনস্কভাবে বলল, কিছু না, ছাইলাউংফা মগ!

    আমি আরো কিছু জানতে চাইলাম কিন্তু ওর চেহারা দেখে দমে যাই। কেমন কঠিন আর কালো। সে আমার পরিচিত সঙ্গীটি যেন নয়।

    কাপ্তাই খালের কাছাকাছি বনবিভাগের বাংলোতে যখন এসে পৌঁছি তখন সন্ধ্যে হওয়ার সামান্য বাকি। একটা ঘরে জিনিসপত্রগুলো রাখার পর মুজতবা চৌকিতে শুয়ে পড়ল। আমিও একটা ইজিচেয়ারে কাত হলাম। সকাল থেকে এতটুকু বিশ্রামের সুযোগ পাওয়া যায়নি।

    কাছেই কোথায় ছিল নিম দাড়িওয়ালা বাবুর্চি মাজু মিঞা, এসেই অবাক হয়ে গেল, স্যার যে! কখন আইলেন?

    মুজতবা মাথাটু একটু তুলে জিজ্ঞেস করল, এই তো এক্ষুণি! তোমার সায়েব কোথায়?

    জঙ্গলে গেছেন! মাজু মিঞা বলল, আওনের সময় অইছে।

    ভালো আছ তো সব? এবার সে উঠে বসে পকেট থেকে প্যাকেটা বার করে একটা সিগারেট ধরালো।

    সিগারেটটা পুড়ে অর্ধেক না হতেই শাহাদাঁতের গলা শোনা গেল। তার পায়ে বুট পরনে হাফপ্যান্ট কাঁধে বন্দুক এবং সামনে পিওন পেছনে দারোয়ান। বেঁটে খাটো ছেলেটি কিন্তু নাকি দাপট প্রচণ্ড। সহকারী বন অফিসার হলেও কি হবে এই জবরদস্ত লোকগুলোও বড় অফিসারের চেয়ে তাকে ভয় করে বেশি, প্রায় যমের মতো।

    শাহাদাৎ বাংলোতে ঢুকে মুজতবাকে দেখেই বলল, এলেই শেষ পর্যন্ত। বেশ, ইটস্ ওক্যা। আমার ঝক্কি একটু বাড়লো আর কি। তুমি আবার কিছু মনে করো না জাহেদ, একটা পার্সোনাল ব্যাপার আছে। মাজু! মাজু!

    চিলের ডাকের মতো সাহেবের চিৎকার শুনে মাজু মিঞা হন্তদন্ত হয়ে ছুটে এলো। বলল, জি সাব।

    তোমার বাজার-সওদা ঠিক আছে তো? দুই সাহেব এসেছেন।

    সব আছে, স্যার। তবে কিছু হলদি গরম-মশলা আর পান সুপারি আনতে অইব। আজগা মুর্গিই ধইরা ফালাই।

    মাজু মিঞাকে বিদায় দিয়ে পায়ের ওপর পা তুলে শাহাদাৎ জিজ্ঞেস করল, তারপর? তোমার খবর কি, জাহেদ? শুনলাম বিয়ে করেছ!

    আমার বিয়ের খবর এই জঙ্গলে পর্যন্ত এসে গেছে! আশ্চর্য।

    আশ্চর্য কিছু নয়, তোমরা হলে গিয়ে এখন বিখ্যাত লোক।

    ঢাকায় গিয়েছিলে নাকি?

    আরে না গেলেও সব খবর পাই। এই শ্রীমানই লিখেছিল। বলে মুজতবার দিকে বা হাতের বুড়ো আঙুলটা নির্দেশ করল।

    দু’বছর আগে মুজতবা একবার এসে এখানে মাসখানেক কাটিয়ে গেছে জানি; কিন্তুই তবু এমন বিমর্ষ হয়ে থাকার কোনো মানে বুঝতে পারছি না। সে চুপচাপ ধূমপান করছে।

    গত রাতটা কেটেছে ট্রেনে কাজেই কিছু ঢুলেছি শুধু, ঘুমাতে পারিনি। দিনের বেলাতেও তা পুষিয়ে নেবার সুযোগ ছিলো না। রাত্রে খাওয়া-দাওয়ার আগেই চোখ জড়িয়ে আসছিল; কিন্তু ক্ষিদের মার ভয়ানক। ভালো রান্না, গলা ইস্তক পুরে নেওয়া গেল। বারান্দায় ওদের সঙ্গে বসে একটা সিগারেট শেষ করার পর চলে এলাম। বিছানায়।

    কিন্তু বসেই থাকে ওরা দু’জন। পাহাড়ি রাত, কৃষ্ণপক্ষের খণ্ডচাঁদ শালবনের ওপরে দেখা দেয় শেষরাত্রে; কিন্তু এখন অন্ধকার। বাংলোর আশপাশে পোকা-মাকড়ের রিঝি ঝিঁঝি একটানা সঙ্গীত এবং মগপল্লীতে মাঝে মাঝে কুকুরের ঘেউঘেউ। এছাড়া আর বিশেষ কোনো শব্দ নেই।

    আমার চৌকিটা জানালার সঙ্গেই, কাজেই ওদের দুজনকেই দেখতে পাচ্ছি আবছা মতো। দু’টি সিগারেটের দুই বিন্দু আগুন। দু’জনেই নীরব রইল খানিকক্ষণ। এরপর শাহাদাৎ নিচুস্বরে বলল, এত করে মানা করলাম, তুই না এলেই পারতিস্ মুজতবা । এখানে তো তোর নতুন কিছু করার নেই। যা হবার হয়ে গেছে, আবার ঝামেলা বাড়িয়ে লাভ কি।

    আমি চোখ বুজে আছি কিন্তু কানখাড়া। মুজতবা বেতের চেয়ারে নড়েচড়ে বসল। পরে বলল, লাভ-লোকসান আমি বুঝি না। কেবল না এসে ভালো লাগছিল না একথা ঠিক। বিপদ আর কি হবে, মৃত্যুর ওপরে তো কিছু নেই? জীবন আর মৃত্যু আমার কাছে সমান। আর জীবনকে দেখার জন্য যে মৃত্যু তা’তো অভিনন্দনযোগ্য।

    বড় কথা রাখ্‌। তুই যা করেছি তা কিন্তু কিছুতেই ক্ষমা করা যায় না। আমি হলে তো গুলী করে মারতাম। ছাইলাউংকা তোকে খুঁজছে নানা জায়গায়, এখানেও এসেছে কয়েকদিন। পেয়ে গেলে প্রতিশোধ নিতে ছাড়বে না। জংলি মানুষ, খুব সাংঘাতিক, ক্ষেপলে খতম না করে শান্ত হয় না। বিশেষ এখানে জীবন নিয়ে খেলা। ওর একমাত্র মেয়ে তিনা, তাকে তুই নষ্ট করেছি।

    আমি তো নষ্ট করিনি? সে তো ইচ্ছে করেই ধরা দিয়েছিল।

    হ্যাঁ। কিন্তু ওরা ইচ্ছে করে ধরা দেয় কখন? যখন একজনকে ভালোবাসে। তার মানে হলো, চুংমুংলে’র সুমুখে এক শুকর তিন মুর্গি বলি না দিলেও সে তাকে স্বামী হিসেবেই ভাবে। কিন্তু তুই তো পালিয়ে গেলি? এ নিছক ধাপ্পা। তিনা তোকে মনপ্রাণ দিয়েই ভালোবেসেছিল, তাই না পাগল হয়ে গেল। এ অঞ্চলের কে না জানে। মহা কেলেঙ্কারি। আধ পাগল অবস্থায় ছেলে হলো ওর এবং যে ক’দিন শিশুটি জীবিত ছিল একদম ভালো। ও যেন সব ভুলে গিয়েছিল। কিন্তু একদিনের জ্বরে ছেলেটা মারা যাওয়ার পর থেকে এখন বদ্ধ পাগল। গুনগুন্ করে গান গায় আর পাহাড়ে পাহাড়ে ঘুরে বেড়ায়। কয়দিন রাত্রে এখানে এসেছে। চিলড়ে বড় উৎপাত করে।

    আবার অনেকক্ষণ দুজনেই চুপ। এক সময় বহুদূর থেকে যেন মুজতবার ম্লানস্বর বেরিয়ে এলো, অনেক খারাপ কাজ করেছি; কিন্তু এভাবে কোথাও ধরা পড়িনি!

    ধরা লোকে একবারই পড়ে তাই হয়তো! কি আছে, একটু সাবধানে থাকতে হবে আর কি! চল্, শুয়ে পড়া যাক! শাহাদাৎ উঠতেই শোনে গেটে কিকি করে একটা শব্দ হলো, ছায়ামূর্তির মতো একটা লোক ভেতরে এসে দাঁড়িয়েছে। সে তৎক্ষণাৎ তির্যকস্বরে প্রশ্ন করে উঠল, কে? কে ওখানে?

    মুজতবা বলল, ব্যাপার কি!

    সেদিকে কান না দিয়ে শাহাদাৎ ডাকল, সালামত! সালামত! আমার বন্দুকটা নিয়ে আয় জলদি!

    আমি উঠে কখন বারান্দায় গিয়ে দাঁড়িয়েছি বলতে পারবো না। বন্দুকের কথা শোনামাত্র আবার কিকি শব্দ। এবার দ্রুত। আমরা দেখি একটা লোক সত্যি বাইরে বেরিয়ে গেল। বন্দুক আর টর্চ নিয়ে এসে অনেকক্ষণ খোঁজাখুঁজি করেও আর পাত্তা মিললো না তার।

    আমার হৃৎপিণ্ডটা ঢিবৃঢ়ি করছে! এই নির্জন এলাকায় সবকিছুই ঘটা সম্ভব।

    মুজতবা আস্তে আস্তে বলল, আমার মনে হয় ছাইলাউংফা। আসবার সময় মগবাজারে আমাদের দেখছিল!

    তাই নাকি? শাহাদাৎ বলল, তাহলে সত্যি বিপদ।

    এত ভয় পাবার কি আছে! বেশি বাড়াবাড়ি করলে জানটা হারাবে। মুজতবার কণ্ঠস্বরে একটা অশ্লীল হিংস্র উল্লাসের রেশ। সবদিক ভেবেচিন্তেই সে এখানে এসেছে।

    রাত্রে পাহারার ব্যবস্থা করা হল! খানিকটা নিশ্চিন্ত থাকায় আমরা ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। ঈষৎ কুয়াশার আমেজ, সকালটা সত্যিই মধুর। সালামত বলল ছায়ামূর্তির মতো একটা লোক দুতিনবার প্রাঙ্গণে ঢুকবার চেষ্টা করেছে কিন্তু বন্দুকের নল দেখে সাহস পায়নি। চা খাওয়ার পর মুজতবা বলল, চল বেরিয়ে পড়ি!

    আমি জিজ্ঞেস করলাম, কোথায়?

    মগপল্লীর দিকে। কাজ করতে এসেছি বসে থাকার জন্য নয়। ওর চেহারায় এমন দৃঢ়তা আমি না গেলে একাই যাবে। অগত্যা তৈরি হলাম।

    নদীর পাড়ে ঘেঁষে নতুন শালবন এরপরে জঙ্গল এবং তার কাছাকাছি দিয়ে ছোট পাহাড়মালা। সীতাপাহাড়ের শাখাপ্রশাখা। পাহাড়ের ঢালুতে একটা মগপল্লী। আশপাশে জমিজিরাত কিছু আছে। বাড়িতে লাউ মাচান কলাবাগান। জুমিয়া মগেরা থাকে পাহাড়ের ওপরে মাচানের মতো উঁচু করে বাঁধা বাঁশের ঘরে কিন্তু সমতলে এরা জুমিয়া নয় দেশি লোকদের মতোই তাদের গিরস্তি ও ঘরসংসার। কিন্তু কাছে গিয়ে দেখি এখানে কোনো কোনো ঘর মাচানের মতো বাঁধা।

    প্রকৃতি ও মানুষ সবকিছু ভালো লাগলেও একটা বিষয়ে আমার কৌতূহল বিশেষ জাগ্রত ছিল। তাই জিজ্ঞেস করলাম, তিনাদের বাড়ি কোথায়?

    মুজতবা অর্থপূর্ণ দৃষ্টিতে আমার দিকে চেয়ে সংক্ষিপ্তভাবে জানাল, এখানে নয়।

    আর কিছু বলল না যেন এ ব্যাপারে আর কিছু জানবার অধিকার আমার নেই।

    একটা বাড়ির উঠানে পা দিতেই কুকুর ঘেউঘেউ করে ওঠে। একটা লোক বাইরে এল। তার পেছনে দুটি মেয়ে এবং ন্যাংটা বাচ্চা কয়েকটি। মুজতবা কাছে গিয়ে গেলাস ধরার ভঙ্গিতে হাতটা মুখের কাছে নিয়ে পানি চায়। লোকটা হাসল। এরপর দুটো পিঁড়ি পেতে দিল বারান্দায়। আমরা পরপর পানি খেলাম। কাছে ঠকর ঠকর আওয়াজ হচ্ছিল, গলা বাড়িয়ে দেখি কয়েকটি মেয়ে তাঁতে কাপড় বোনায় ব্যস্ত। উঠতে গেলে কলাবাগানের পথে কলসীকাঁখে এলো আরেকটি ডাগর কিশোরী।

    এক বাড়িতে বসেই পাহাড়ের টিপিকাল জীবনের অনেকগুলো স্কেচ করে ফেললাম। ছবি দেখে ওদের কি স্ফূর্তি। চাইতেই নাপপি এনে দিল। নাকের কাছে নেওয়া যায় না-ওয়াক থো সে কি দুর্গন্ধ, ওদের প্রিয় খাবার!

    কেউ বর্ণনা না করলেও ছবি আঁকতে আঁকতে আমার কল্পনায় ভাসছিল তিনার চেহারা। ঐ যে তাঁত বুনছে তারই মতো মিষ্টি মুখোনি। অষ্টাদশী যুবতী কিন্তু চোখমুখ এখন উদ্ভ্রান্ত, হাহা করে হাসছে শুধু।

    রাত্রে খাওয়া দাওয়া শেষে বারান্দায় বসেছিলাম আমরা। আকাশে তারার ঝলক। নদীর ওপারে তেমনি অন্ধকার, আশপাশে তেমনি আবছায়া। সিগারেট টানছি কিন্তু কারো মুখে কথা নেই। হঠাৎ একটা ঢিল এসে পড়ল পাকার ওপর, ভাঙা ইটের টিল, বেশ বড়। আমরা চমকে উঠে দাঁড়াই। শাহাদৎ তীক্ষ্ণস্বরে জিজ্ঞেস করে উঠল, কে? কে ওখানে? সালামত! বন্দুক লে আও। জলদি!

    সঙ্গে সঙ্গে কাঁচের ঝাড় সশব্দে ভেঙে পড়ার মতো নারীকণ্ঠের একটা অট্টহাস্য হা হা হা হা, হি হি হি হি। শাহাদৎ বলল, এই যে তিনা।

    তিনা! বিকারগ্রস্তের মতো উচ্চারণ করল মুজতবা।

    শাহাদাৎ জোর দিয়ে বলল, হ্যাঁ, তিনা নিশ্চয়ই তিনা!

    এবং তৎক্ষণাৎ বারান্দা থেকে একলাফে নেমে পড়ল মুজতবা । তিনার অট্টহাস্য দূরে সরে যাচ্ছিল, দুপদুপ পায়ে সে ছুটছে। খটাস্ করে গেটটা খুলে বেরিয়ে গেল। কি ঘটে যাচ্ছে একমুহূর্ত আমরা বিভ্রান্ত হতবাক। পর মুহূর্তে ঘোর কাটলে আমি বলে উঠলাম, সর্বনাশ মুজতবা যাচ্ছে! ও বিপদে পড়বে! চলো আমরা যাই পিছু পিছু! দেরি করো না চলো!

    উত্তেজনায় কাঁপছিলাম কিন্তু শাহাদৎ নির্বিকার আমাকে থামিয়ে দিয়ে শান্ত গম্ভীর স্বরে বলল, দরকার নেই। পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে দে! তখন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে শুনি নিঝঝুম আকাশের তলে রাতের অন্ধকারে অরণ্যে নদীতে পাহাড়ে পাহাড়ে একটা ডাক ধ্বনিত-প্রতিধ্বনিত হয়ে যাচ্ছে, তি-না!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদি আউটসাইডার – আলবেয়ার কাম্যু
    Next Article নবি মুহাম্মদের ২৩ বছর – আলি দস্তি

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }