Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তেইশ নম্বর তৈলচিত্র – আলাউদ্দিন আল আজাদ

    লেখক এক পাতা গল্প125 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. আকাশে পাখির মেলা

    আকাশে পাখির মেলা, কিন্তু বর্ষাকাল মাত্র। বর্ষার পরে শরৎ, শরতের পরে হেমন্ত এবং তারও পরে বসন্ত। সে অনেক দিন প্রায় তিন যুগেরই সমান। হাতজোড় করে বললাম, একটু দয়া করুন, বৌদি। এত দেরি কেন। আগে হলে তো কোনো ক্ষতি নেই!

    ক্ষতি নেই! শিল্পীর বিয়ে ফালগুন মাসেই হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি!

    কিন্তু বৌদি, এ যুগের শিল্পী তো সে-যুগের সভাসদ নয়, সে মূলত ট্র্যাজেডিরই কবি। তাই বর্ষাকালটাই তার বিবাহের উপযুক্ত সময় নয় কি?

    যাই বল, বর্ষাকালটা বিরহেরই কাল! বৌদি হেসে বলল, পূর্বরাগটা একটু বেশি সময়ই চলুক না! এর মধ্যে সব গুছিয়ে নাও।

    হাল্কাভাবে বললেও কথাটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। সঙ্গতিহীন পাত্রের হাতে অভিভাবক মেয়ে তুলে দেবেন না, এ স্বাভাবিক এবং এ বিষয়ে আমি সম্পূর্ণ সচেতন। গুছিয়ে নেবার চেষ্টায় আছি বৈ কি। কপাল ভালো, ব্যবস্থা হয়েও গেছে একটা। স্কুলের একজন। টিচার বৃত্তি নিয়ে জাপান যাচ্ছেন দু’বছরের জন্য, তার জায়গায় কাজ করব আমি। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথাবার্তা হয়ে গেছে। কাজটা অবশ্য অস্থায়ী, কিন্তু দু’বৎসর সময় তো নেহাৎ কম নয়? এর মধ্যে সুবিধে একটা হবে। এমনকি, স্কুলেও লেকচারারের পদ পেয়ে যেতে পারি। সিলেবাসের বিস্তৃতির সম্ভাবনা এবং সে-জন্য নতুন লোকের দরকার।

    কিন্তু যার কারণে এত সাধনা, তার থেকে যে ক্রমেই দূরে সরে পড়ছি। দেখা হয়, তবু ব্যবধানটুকু বজায় থাকে। বৌদি কথা দিয়েছেন, দাদা মৌন, এখন ওর অভিমতটা জানতে পারলে মন্দ লাগত না।

    সেদিন সুযোগ মিলল। টিপটিপ বৃষ্টি পড়ছিল, বাসার কাছে যেতেই ঝমঝম্ বর্ষণ শুরু হয়ে গেল। দৌড়ে গিয়ে উঠলাম বারান্দায়। বিকেল বেলা, অথচ ছোটদের সাড়াশব্দ নেই। বড় ঘরটা ফাঁকা। ওরা বাইরে বেরিয়েছেন নিশ্চয়ই! কিন্তু বাসা খালি রেখে তো যেতে পারেন না?

    স্টুডিও ঘরটাও শূন্য। জামিল ভাই একটা কাজে হাত দিয়েছেন, ক্যানভাস ইজেলে সাঁটানো।

    হঠাৎ শিশুর কান্না শুনতে পেয়ে রান্নাঘরের দিকে যাই। একধারে পেছন ফিরে পিড়িতে বসে আছে ছবি। তার কোলে, মনে হলো, একটি ছোট্ট ছেলে। ছোট্ট পা দুটো ছুঁড়ে ঊআঁ আঁ করছে।

    পাশ ফিরে আমাকে দেখতেই ছবি লজ্জায় আরক্তিম হয়ে গেল। বলল, একি! তুমি!

    হ্যাঁ, আমি। বাচ্চাদের দিকে তোমার বড় টান দেখছি।

    পান্নার ছেলে! এতটুকুন, কিন্তু ভারি দুষ্টু! ছবি বলল, আচ্ছা, তুমি এলে কি করে? গেট বন্ধ ছিল না?

    কই না তো?

    কত যে ভুল হচ্ছে আমার! বৌদিরা বাইরে গেছেন! ছবি একটু ইতস্তত করে বলল, তুমি এখন চলে যাও না?

    আমি ওর কাছে গিয়ে বললাম, কেন? কেন একথা বলছ?

    তুমি আর আমি এ-বাড়িতে একলা, লোকে কি ভাববে! তাছাড়া আমার বড় ভয় করে।

    ভয়! ভয় কিসের? কাঁধের ওপর শুইয়ে বাঁহাতে ও ছেলেটাকে ধরে রেখেছে, শরীরে একটু দোলা জাগিয়ে ডানহাতে মাঝে মাঝে ওর পিঠে চাপড় মারছে, আমি সেই হাতটা এনে নিয়ে আলতোভাবে ধরে আদর করতে থাকি। আপনা থেকেই আমার কণ্ঠস্বর গাঢ় হয়ে এলো। বললাম, শুনেছ তো?

    ছবি নিচু মুখটা তুলে আস্তে করে বলল, হ্যাঁ।

    কিছু বললে না তুমি? কিছু শোনবার জন্য আমি উদগ্রীব হয়ে থাকি।

    কি আর বলব! ছবি তেমনি নিচু স্নিগ্ধস্বরে বলল, বিয়ে না হলেই নয়?

    আমি আকুল হয়ে উঠি। বললাম, নতুন করে একথা কেন বলছ তুমি, লক্ষ্মী! কিছুই তো তোমার অজানা নেই!

    তা নেই। কিন্তু আমার বড় ভয় হয়, যদি ভুল বুঝ কোনদিন, আমাকে ভালোবাসতে না পার-তাহলে আমি বাঁচাবো না যে!

    ভবিতব্য সম্পর্কে কিছু বলা যায় না, তোমাকে আঘাত দেওয়া যে হবে আমার নিজেকেই আঘাত করা!

    ওর হাত ধরে কাছে আকর্ষণ করছিলাম, ছবি মধুর শাসনের ভঙ্গিতে চাইল, বলল, হেই! কি কথা হয়েছিল মনে নেই?

    আছে। আমি গভীরভাবে বললাম, তবে আর কাঁহাতক–!

    আওতার দরজার কাছে মেয়েলি স্বর শুনতে পেয়ে ছবি বলল, এই ছাড় পান্না আসছে!

    আচ্ছা বিপদ, সিগারেট ধরাবার জন্য আমি উনুনের কাছে গিয়ে বসলাম। ছবি তাড়াতাড়ি বেরিয়ে গেল।

    যা ছেলে বাবা! বাপটা মনে হয় চাষা! কিছুতেই বাগ মানে না!

    যা বলেছিস অন্যের কোলে থাকতে চায় না! তবু তো তোর কাছে অনেকক্ষণ রইল। ইস্ কি বিশ্রী বৃষ্টি!

    দাঁড়িয়ে রইলে কেন? চলো বসি গে।

    এবারে গিয়ে আত্মপ্রকাশ করা যেতে পারে। সিগারেট ধরিয়ে বেরিয়ে এলাম! ওরা স্টুডিও ঘরে বসেছিল, এমনভাবে গিয়ে উঠলাম যেন এইমাত্র এসেছি।

    এই যে ছবি, দাদা কোথায়?

    ওরা তো বাইরে গেছেন। পান্না ঘোমটা টেনে দাঁড়াতেই ছবি বলল, একি! এত লজ্জা পাচ্ছিস কেন? শিল্পী জাহেদ! আর এ হচ্ছে আমার বন্ধু পান্না।

    ও আচ্ছা আদাব!

    পান্নাও বলল, আদাব।

    তাহলে আর কি করব, চলে যাই? ছবির দিকে চেয়েই বলে উঠলাম, বাঃ! চমৎকার তো!

    ও খানিকটা অপ্রস্তুতের মতো উচ্চারণ করল, কী?

    শিশুকোলে ওর বসার মধ্যে কুমারীমাতা ও ছেলের অপূর্ব ভঙ্গি ফুটে উঠেছিল। আমি ওর কথার সরাসরি জবাব দিলাম না। ব্যস্তভাবে কাগজ, তুলি টেনে নিয়ে বললাম, এভাবেই একটু প্লিজ!

    পান্নার দিকে অর্থপূর্ণ সহাস্য মুখে একবার চেয়ে ছবি স্থির হয়ে বসে। ব্রাশ লাইনে ওয়াটারকালার করছি। যদি ভালো হয়ে যায় পরে তেলরঙে নেওয়া কঠিন হবে না। মডেলের প্রাণের রামধনু আমার মনের আকাশে সপ্তরঙের সমারোহ সৃষ্টি করেছে, কাজেই প্রতিটা রেখা একেবারে আমার আত্মার মধ্যে থেকে বেরিয়ে আসছে সূক্ষ্ম রাগিণীর মতো। ক্রমে আমি আত্মহারা হয়ে পড়েছি।

    কিন্তু সব পণ্ড হয়ে গেল। ছেলেটা হঠাৎ এমন কান্না জুড়ে দিল, ওর মায়ের সক্রিয় হওয়া ছাড়া উপায় রইলো না।

    যাঃ। কাজটা করতে পারলাম না।

    একেবারে দস্যি ছেলে। পান্না ওকে দোলাতে দোলাতে বাইরে নিয়ে গেল।

    ছবি তেমনিভাবে বসেছিল। সে যেন অতলান্ত ভাবনার গভীরে ডুবে গেছে। ওর তন্ময় চোখে কিসের স্বপ্ন?

    আরও একদিন আমার মনে এই প্রশ্ন জাগল। ফালগুনে যেতে হয়নি, বহু পীড়াপীড়ির ফলে শরতেই তাকে পেয়েছি, গভীর নীল আকাশের মতোই কানায় কানায় ভরে আছে আমার মন। বিস্ময়ের পর বিস্ময়ে আচ্ছন্ন হয়ে যাই, একি সত্যি?

    ছবি আমার সহধর্মিণী? জীবন সঙ্গিনী শাদা কথায়, বৌ? ভাবতে অবাক লাগে। ছোটবেলা থেকেই একটা কঠিন সংকল্প ছিল বড় হবো। বিয়েশাদি ব্যাপারটার কথা কখনো চিন্তা করিনি। এমনকি বড় হয়েও ওসব পথের ত্রিসীমানাও মাড়াইনি। অথচ আশ্চর্য আমি প্রেমে পড়লাম এবং যাকে ভালোবেসেছি তাকে বিয়েও করলাম। এযে অবিশ্বাস্য, অলৌকিক।

    বৌদিকে বেশ উদার মনে করেছিলাম, আসলে তা নয়। বিয়েরপর পোয়রা দিন ছবিকে নিজের কাছেই রেখে দিলেন।

    কিন্তু বাসাটা সম্পূর্ণ গুছানো হয়ে গেলে প্রায় জোর করেই ওকে নিয়ে এলাম। বৌদি বললেন, দেখ ভাই এত উৎসাহ ভালো নয়।

    বললাম, বৌদি, আপনিও ভুলে যাবেন না, পাকা লোকেরাই পাকামি করে বেশি।

    বাসাটা ছোটো। তবু আমাদের দুজনের পক্ষে খুব ভালো। দুতালা বাড়ির নিচের দুটো কামরা। লাইট কল আছে। উপরন্তু দেয়ালের বাইরে একটা বড় পুকুর, তার পাড় ঘেঁষে নারকেল গাছের সারি, আকাশের অনেকখানি-এগুলো নিঃসন্দেহে বাড়তি পাওনা। ওপর তলা সস্ত্রীক একজন অধ্যাপক থাকেন।

    একটি কামরায় আমার স্টুডিও ও বৈঠকখানা, অন্য কামরাটি শোবার। বাসাটা ছবি খুব পছন্দ করল, আমি বিশেষ খুশি হলাম সেজন্য।

    অপূর্ব রাত আজ। রূপকথারই মতো। গভীর আকাশের হালকা শাদামেঘে পূর্ণিমার চাঁদ রুপোর কাঠির মায়া বুলিয়ে নিচের বসুন্ধরাকে করেছে সুন্দরী। নারকেল গাছের পাতাগুলো নড়ছে মৃদুমন্দ হাওয়ায়। পুকুরের জলে আলোর ঝিলিমিলি। আমাদের ঘরে ফুলদানিতে মরশুমি ফুল, মিষ্টি গন্ধ নাকে এসে লাগছে। অনেক বিদ্রি আকাক্ষার রাত পেরিয়ে আজকে এলো জীবনের পরম লগ্ন।

    জানালার কাছে দাঁড়িয়ে বাইরে চেয়ে আছে ছবি, কী দেখছে সে? কী দেখছে? কোমল কোরকের মধ্যে পদ্মের মতো ওর নিটোল দেহখানি নিবিড় সৌরভে ঘেরা। সামান্য আভরণ, তাই বেনারসী শাড়ির আড়ালে ঝিমি করছে।

    আমিও বসে আমি বিছানার ধারে, একটা সিগারেট ফুঁকছি। পরিপূর্ণ অনুভূতির নিঃশব্দ গভীরতা এসে আমাকে পরতে পরতে ঘিরে ফেলেছে। এমনো যে হয় ত জানি না। শরীরের আক্ষেপের বদলে স্থৈর্য। চাঞ্চল্যের বদলে স্তব্ধতা।

    সিগারেটের শেষাংশটুকু ছুঁড়ে ফেলে দিই জানালা দিয়ে। আস্তে আস্তে কাছে গেলাম ওর। কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস্ করে ডাকি, ছবি!

    ও খানিকক্ষণ নীরব থাকে এরপর কথা না-বলার মতো করে একটি ধ্বনি উচ্চারণ করে, কি-!

    দুই হাত বুকের কাছে আলগোছে জড়িয়ে ধরে বললাম, তুমি সুখী হয়েছ?

    আমার মুখ ওর মুখের কাছে। সে চোখজোড়া বাইরে থেকে ফিরিয়ে এনে চাইল। আস্তে করে বলল, হ্যাঁ।

    একি! তোমার চোখে পানি! দুইবিন্দু অশ্রু ওর দুই চোখের কোণে চিচিক করছে। আমার মাথার চুলে একটা হাত, ও বলল, তোমাকে পেয়েছি। কাঁদবো না?

    এত সুখ। তবে কান্না কেন?

    প্রকৃত সুখের নামই তো কান্না! ছবি এত সুন্দর করে কথা বলতে শিখেছে! আমি হাতের আঙুল দিয়ে চোখজোড়া মুছে দিই। সে বলল, প্রথম দিন প্রত্যেক মেয়েই একবার কাঁদে সে জানো? এ কান্না কান্না নয়।

    আমি বললাম, সত্যি ছবি আমি আশ্চর্য হচ্ছি তোমাকে পেয়েছি একি সত্যি অথবা স্বপ্ন?

    জনমে জনমে আমি যে তোমারই ছিলাম। আমাকে পাবে সে তো নতুন কিছু নয়।

    তোমার কথাই বোধ হয় ঠিক। নইলে মেয়ে তো কম দেখিনি কিন্তু তোমাকে পাওয়ার জন্য পাগল হলাম কেন।

    আমার চোখের পানি তুমি মুছিয়ে দিয়েছ, সারাজীবন তোমার এই আদর থেকে যেন বঞ্চিত না হই।

    কী যে বলো তুমি!

    অনেকক্ষণের জন্য আমাদের মুখে চাঁদের আলো নিভে গেল, বদলে সেখান থেকে সারাদেহে মধুর উত্তাপ শিশির করে সঞ্চারিত হতে থাকে।

    এরপর বিছানার দিকে নিয়ে আসতে চাইলে ছবি মিনতি করে বলল, থাক না লক্ষ্মীটি। এখানেই ভালো লাগছে।

    বললাম, সারারাত এখানে দাঁড়িয়ে কাটাবে?

    সারারাত কোথায় মাত্র দশটা বাজলো, একটু থেমে ছবি বলল, তা নাই বা হলো, একটি রাত কাটাতে পারব না?

    সারারাত জেগেই তো কাটাবে। কিন্তু তাই বলে এখানে দাঁড়িয়ে নয়।

    কোলপাঁজা করে তুললে ছবি দুহাতে আমার গলা জড়িয়ে ধরলো।

    এতদিন এসব দুষ্টুমিই বুঝি শিখেছ?

    হ্যাঁ শিখেছি এবং তা তোমারই জন্য।

    একি তোমার চোখ লাল হয়ে গেছে দেখি, রাখো লক্ষ্মীটি! একটুখানি! ছবি উঠে দাঁড়িয়ে সুইচটার দিকে এগিয়ে গেল।

    আমি বললাম, আলো থাক না!

    ছবি ওখান থেকেই প্রায় তেড়ে উঠে বলল, না, না!

    সুইচটা অফ করে দিয়ে ওখানেই দাঁড়িয়ে রইল ছবি। ভেবেছিল বোধ হয়, বাতি নিভিয়ে দিলে ঘরটা একেবারে অন্ধকার হয়ে যাবে। কিন্তু তা হলো না। বাইরে জোছনা ও জানালা খোলা থাকার দরুন আলোর আভাসটুকু আছে। ঘরটা সম্পূর্ণ মসীবর্ণ হয়ে গেলে হয়তো সে কোথাও গা ঢাকা দিয়ে লুকোচুরি খেলার চেষ্টা করত। কিন্তু দেয়ালের কাছে ওর আবছা মূর্তিটা আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি।

    দাঁড়িয়ে রইলে কেন। আমি কোমল স্বরে ডাকলাম, এসো।

    ছবি কোনো কথা বললো না। কেবল ওর হাতের চুড়ির অস্পষ্ট রিনিঠিনি বোল শোনা গেল।

    আমার ওঠা ছাড়া উপায় নেই। কিন্তু সেও যে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে। সামনা-সামনি এগুতে থাকলে একদিকে সরে গেল। বুঝলাম ওর মনে দুষ্টুমি বুদ্ধি। আমিই বা কম কিসে? চোখের পলকে ধরে ফেললাম। আর এখন যখন স্পষ্ট আলো নেই তখন সংকোচকে বিদায় দিতেও বাধা নেই।

    প্রথম বাসর, ওর বাধাকে জয় করাই তো আজকে আমার কাজ।

    চাঁদটা আরো একটু সরে গেছে আকাশের কোলে- গাছের পাতাগুলো লুকোচুরি খেলছে জোছনার সঙ্গে। ধীরে ধীরে একখণ্ড বেগুনিমেঘ এসে চাঁদকে গ্রাস করে ফেলে, চাঁদ ডুবে গেলে ঘরের ভেতরটাও আরো একটু অন্ধকার হয়ে এলো!

    কিন্তু আমি তো অন্ধকার চাই না। আমি চাই আলো, আরো আলো। স্পষ্ট দিবালোকের মতো উজ্জ্বল। যে আলোতে আমার এতকালের স্বপ্নের স্বর্গ মোহন-মহিমায়। উন্মোচিত হবে। বিদ্যুতের শিখা অন্তত একবার সেই স্বর্গের শিখর বেদী অলিন্দ ফোয়ারা পুষ্পবন আমার দু’নয়নে মুদ্রিত করে দিয়ে যাক্, এরপরে তাকে ছায়ার স্বপ্ন দিয়েই রচনা করব। পাব তাকে ষড়ঋতুর বিচিত্র লীলায়, আলো আঁধারিতে প্রতিদিন প্রতিরাত।

    আমি উঠে যেতে চাইলে ছবি তীক্ষ্ণস্বরে বলে উঠল, না, না।

    কি?

    তুমি কিছুতেই আলো জ্বালাতে পারবে না।

    ওর কণ্ঠস্বরের তীব্রতা বিস্মিত হওয়ার মতো। কিন্তু এখন কিছু হওয়ারই সময় নয়! ফেনিল ঢেউ আছড়ে পড়া সমুদ্রে দাঁড়িয়ে বাজে ভাবনার অবসর কোথায়?

    ছবি নেতিয়ে পড়েছিল। সে শ্রান্ত, পরিপুত। হঠাৎ গা ঝাড়া দিয়ে উঠে বসল। বলল, শোনো!

    আমিও চুপচাপ শুয়েছিলাম! বললাম, কি?

    শিশুর কান্না না?

    ওপরতলা থেকে সেই শব্দ শোনা গেল বটে, কিন্তু আমি বললাম, কাঁদছে তাতে কি? শিশু তো কাঁদবেই! শুয়ে থাকো।

    কিন্তু ছবি খাট থেকে নেমে নিচে দাঁড়িয়ে গোছগাছ করতে থাকে। মৃদু রিনরিন করে বাজে ওর হাতের চুড়ি। এরপর ডাকল, এই শুনছ? আমি একটু বাইরে যাই?

    বাইরে কেন? শুয়ে থাক না? অনেক রাত হয়েছে।

    কোথায় অনেক রাত? বালিশের কাছে হাতঘড়িটা তুলে নিয়ে রেডিয়াম কাঁটা দেখবার পর বলল, মাত্র সাড়ে এগারটা।

    মেঘের পাহাড় সরে গিয়েছিল হয়তো, জানালাটা আবার আলোকিত হয়েছে। ছবি একটা শিক ধরে দাঁড়াল। পিঠে খোলা চুলের ঝাকড়া।

    শিশুর কান্না থেমে গেল বলেই কিনা জানি না, ছবি আর বারান্দায় যেতে পীড়াপীড়ি করল না। সে দাঁড়িয়ে আছে আকাশের দিকে চেয়ে, প্রবল জোছনা-ধারায় হালকা শাদা মেঘগুলো ভেসে যাচ্ছে। ও চুপচাপ, জীবনের নতুর স্বাদই কি ওকে মূক করে দিয়েছে?

    কিন্তু আমি ভাবছিলাম, শিশুর প্রতি ছবির এত টান কেন। মেয়েরা ছোটদের ভালোবাসে, তবু ওর ব্যবহারের মধ্যে একটুখানি আতিশয্য আছে নাকি? এবং সেটা শুধু নোট-শিউলি নয়, তাদের ছাড়িয়ে বাইরের দিকেও উনুখ। হয় এটা এক ধরনের খ্যাপামি; নয় অস্বাভাবিক। যাই হোক ওর কোলে একটা শিশু আসুক, এই মুহূর্তে এই আমার আন্তরিক কামনা। কিন্তু তা তো রাতারাতি সম্ভব নয়। আট দশটি মাস তো অন্তত দরকার। যেরকম ভাবসাব, এতদিন থাকবে কি করে? বৌদির ছেলেমেয়েদের কথা দু’একদিন পরে নিশ্চয়ই বলবে ও।

    একটা সিগারেট ধরিয়ে উঠে গেলাম। ওর কাছে গিয়ে কানে কানে বলি, ছেলে তোমার চাই একটা, না?

    ছবি কি ভাবছিল, চোখ তুলে চাইল আমার মুখের দিকে, অস্পষ্টভাবে বিড়বিড় করল, তা কি আমি বলেছি!

    সব কথা বলতে হয় না ছবি। আমি বললাম, তাছাড়া প্রথমে দু’একটার দরকার তো বটেই। পরে না-হয় অন্য কিছু ভাবা যাবে।

    জানালার একটি কপাটে ঠেস দিয়ে দাঁড়াল ছবি। আমার বুকে ওর মাথাটা আস্তে করে এলিয়ে দিল। এ যেন নীরব সম্মতি।

    রাত ক্রমে বেড়ে চলে। ঝিমিয়ে আসে গাছপালা, সারা প্রকৃতি। রুপালি চাঁদ নিস্তব্ধ পৃথিবীতে তার মায়া বিছিয়ে হাসে। ছবি এসে শুয়েছিল, এখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। সে ঘুমোতে চায়নি, তাই এ-ঘুম যেন ওর নিজের নয়। আকাঙ্ক্ষার আবেশ বেয়ে যে সফলতা এলো, তারই সোনার কাঠির স্পর্শে যেন সে সুপ্তির অন্তরঙ্গ প্রবাহে নিমজ্জিত হয়ে গেছে।

    ফিনফিনে জালের নতুন মশারিটা নড়ছে একটু-একটু, আমার চোখে ঘুম নেই। বাজে চিন্তার সূত্রটা কিছুতেই ছিন্ন করতে পারছিনে। বরং সে ফেনিয়ে ওঠে। এই রাত তো আর আসবে না কোনদিন ফিরে? ঘুম আসছে না সে ভালোই, আমি শিল্পী এই রাত, আমাকে অনেক দিয়েছে, আরও কিছু দেবে।

    চাঁদ ঢলে পড়ল পশ্চিম আকাশে, নারকেল গাছের পাতার ফাঁকে সে উঁকি মারছে। সে কি দেখতে চায় দুটি প্রাণীর লীলাখেলা? তার আলো কিছুক্ষণ সরাসরিই পড়ে রইল মশারির ওপর এবং পরে আস্তে আস্তে সরে গেল।

    আমার মনে একটা বিদঘুঁটে ভাব জেগেছে। আস্তে আস্তে উঠে ছোট্ট হারিকেনটা খুঁজে নিয়ে জ্বালাই।

    সলতেটা যথাসম্ভব কমিয়ে রেখে শিয়রের দিকে এসে মনোযোগ দিয়ে দেখি ছবি গভীরভাবে শ্বাস ফেলছে। সহজে ওর ঘুম ভাঙবে না এ নিশ্চিত। সাবধানে বিছানায় উঠলাম। বাতিটা একধারে রেখে ওর সমস্ত আবরণ খুলে ফেলতে থাকি। আমি দেখব ওকে। এতদিন যাকে ঘিরে আকাশ-কুসুম রচনা করেছি, এত কাছে পেয়েও তাকে দু’চোখ ভরে একবার দেখতে পারবো না? অনেকদিন পরে এ ঔৎসুক্য থাকবে না হয়তো, থাকলেও এমন করে থাকবে না সুতরাং যতক্ষণ আছে ততক্ষণ উচিত মূল্য দিই।

    একটা চাপা উত্তেজনায় হাতটা কেঁপে কেঁপে উঠছিল, তবু বাতিটা তুলে আনলাম। সলতেটা বাড়িয়ে দিয়ে ধরি। পরিষ্কার আলোকের মধ্যে ছবি পড়ে আছে সত্যি বড় নিটোল ওর দেহখানি। অঙ্গের বাঁকে বাঁকে, ভাঁজে ভাঁজে কি সুন্দর সুষমা! বহু সাধনায় ছেনিয়ে তোলা মর্মরমূর্তির মতো।

    কিন্তু একি! এ সব কিসের চিহ্ন! ভালোমতো দেখতে গিয়ে কপালের দু’পাশের রগ ছটফট করতে থাকে। বই পড়েছি, ভুল হতে পারে না, এযে স্পষ্ট মাতৃত্বের ছাপ! নুয়ে ওর শরীরটা কে শুঁকে দেখি এসেন্সের আড়ালে আরো একটি গন্ধ আছে, যা, কেবল মায়ের গায়েই থাকতে পারে; তা হলে ছবি কি এতদিন প্রাণপণে লুকিয়ে এসেছে কিছু?

    ও একটু নড়ে উঠতেই তাড়াতাড়ি বাতিটা কমিয়ে খাটের নিচে রেখে দিলাম।

    পাশ ফিরতে গিয়েও হঠাৎ ধড়ফড় করে জেগে উঠল। আমাকে স্পর্শ করে বলল, একি! তুমি এখনো ঘুমাওনি?

    কিন্তু পরক্ষণেই নিজেকে একেবারে অনাবৃত দেখে ঝট্‌ করে উঠে বসে। আমি শুয়ে পড়েছিলাম। ঘুমজড়ানো স্বরে বললাম, কি হয়েছে!

    ছিঃ ছিঃ, এ নিশ্চয়ই তোমার কাণ্ড; এতক্ষণ এসব পাগলামিই তুমি করেছ?

    কই কিছু করিনি তো?

    নাহ্ একেবারে সাধুপুরুষ। ছি ছি। লজ্জায় বাঁচিনে।

    নিচে নেমে কাপড় পরবার পর ও জানালার কাছে গেলো চাঁদ হয় অস্ত গিয়েছিল নয় অনেক আড়ালে জানালাটা, তাই অন্ধকার। গাছপালায় ভোর হওয়ার আগেকার ঘোর লাগা ছায়া। শেষ রাতের হাওয়া বইছে। একদল পাখি কিচিরমিচির করতে করতে উড়ে গেল। একটু পড়ে শোনা গেল বহুদূরের মিনারের প্রথম আজান।

    জানালার কাছে দাঁড়িয়ে ছবি মাথায় কাপড় দেয়। পরম রজনী শেষ হয়ে এলো, এখন সে পরিতৃপ্ত।

    এবং আমিও যা পেয়েছি জগতের মাপকাঠি দিয়ে তার পরিমাপ অসম্ভব। সে গোপনচারী তাকে ধরা যায় না। কেবল দেহের প্রতি আনাচে কানাচে অস্থির অভ্যন্তরে শিরায় শিরায় প্লাবনের মতো এসে কিছুক্ষণের জন্য মৌন মূক করে রাখে, তারপর চলে যায় কিন্তু বর্ষার শেষে পলিমাটির মতই রেখে যায় অমৃতের স্বাদ! আমিও তাকে তেমন করেই পেয়েছি।

    কিন্তু তবু কাঁপ ভরে অনেক ফুল তোলার পর আঙুলের একটি কাঁটা ফোঁটার মতো মনের অতলে একটুখানি সন্দেহ খচখচ্‌ করতে থাকে। ছবি আমার কাছে লুকিয়েছে কিছু?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদি আউটসাইডার – আলবেয়ার কাম্যু
    Next Article নবি মুহাম্মদের ২৩ বছর – আলি দস্তি

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }