Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দূরবীন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প1108 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০৫. কাশী আসিবার পর

    ॥ ১০৫ ॥

    “কাশী আসিবার পর চার বৎসরের বেশি অতিক্রান্ত হইল। ইতিমধ্যে কত কী ঘটিয়া গেল। ভরতবর্ষের রাজনীতিতে কত ঘটনার চমক। তবে তাহার ঢেউ আমাকে বড় একটা স্পর্শ করে না। রাজনীতিতে আমি কোনোদিনই জড়িত নহি। শুধু প্রাণাধিক প্রিয় পুত্রের জন্য যেটুকু খবর রাখা আবশ্যক তাহাই রাখি। একদিন কানে আসিল, কৃষ্ণকান্তকে দিল্লি লইয়া যাওয়া হইয়াছে। ভোলানাথ সরকার নামক পাবনার আশ্রমবাসী এক ভদ্রলোক আসিয়া একদিন খবর দিয়া গেলেন, পাবনায় অন্তরীণ থাকিবার শর্তে কৃষ্ণকে মুক্তি দেওয়া হইবে। আমার নানা প্রশ্নের জবাবে তিনি যাহা জানাইলেন তাহা কিন্তু বিস্ময়কর। কৃষ্ণ ঢাকায় আত্মসমর্পণ করিলে তাহাকে গ্রেফতার করিয়া দিল্লিতে চালান দেওয়া হয়। তাহার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ ছিল, যাহাতে ফাঁসি বা দ্বীপান্তর নিশ্চিত। পাঁচ বৎসরের মেয়াদ সেই তুলনায় কিছুই না। সেই মেয়াদ ফুরাইবার আগেই সে মুক্তি পাইল। আশ্রমবাসী কতিপয় ব্যক্তি গিয়া দিল্লিতে দরবার করায় সরকার খুবই আকস্মিক ও অদ্ভুত ভাবে তাঁহাদের আবেদন মানিয়া লন।

    “ইহার কিছুদিন পর পাবনা আশ্রম হইতে কৃষ্ণর চিঠি আসিল। সে লিখিয়াছে, আপনি চিন্তা করিবেন না, আমি ভাল আছি। তারপর অন্যান্য সব কথা। আমার ও মনুর প্রসঙ্গ সে এড়াইয়া গিয়া শুধু লিখিয়াছে, নূতন মাকে প্রণাম দিবেন।

    “চিঠি পড়িয়া মনু রাগিয়া বলিল, আমি আবার ওর নতুন মা হতে গেলাম কবে? আমিই তো আসল মা, শুধু ডাকের পিসি ছিলাম। এখন শুধু মা বলে ডাকবে, নয়তো পিসি, ওকে লিখে দাও।

    “আমি হাসিয়া কহিলাম, তুমি ওর পিসি হলে তোমার সঙ্গে আমার সম্পর্ক হয় ভাইবোন। সেটা কি ভাল দেখাবে?

    “কৃষ্ণ যে আর ঘরের ছেলে হইয়া ঘরে ফিরিবে না তাহা মনে মনে বুঝিতে পারিতেছিলাম। তাই তাহার বিরহের অনভূতিও ধীরে ধীরে তীব্রতা হারাইতেছিল। উপরন্তু আমি এই অগ্র বয়সে আজ কিছু গৃহসুখ উপভোগ করিতেছি। লজ্জার মাথা খাইয়া বলি, নারীপ্রেমেও। ফলে প্রিয়জনদিগের সহিত বিচ্ছেদ সত্ত্বেও তেমন একটা অভাব কিছু বোধ করি না। সম্ভবত ইহাই মানবের ধন, ইহাই সত্য।

    “আজকাল আলস্যে সময় কাটাইব সাধ্য কী? মনু নূতন সংসার পাতিয়াছে, সুতরাং সেই সংসারের জোগানদার, বাজার সরকার, বরকন্দাজ সব ভূমিকাই আমাকে পালন করিতে হয়। আমি কর্মচারী নিয়োগের কথা তুলিয়াছিলাম, মনু আমল দেয় নাই। তার বক্তব্য, এতটুকু সংসারে একজন বাজার সরকার বা হিসাবরক্ষকের দরকার নাই। জমিদাররের ঠাঁটবাট কিছু ছাড়িতে হইবে। বুড়াবয়সে যাতে বাতে না ধরে তাহার ব্যবস্থাও করিতে হইবে। একজন ঝি ও একজন চাকর সম্বল করিয়া আমাদের চলিতেছে।

    “এইসব কাজ করিতে আমার খারাপও লাগে না। তাছাড়া কাশীতে বাজার করিয়া সুখ আছে। আমাদের দেশ বেগুনের জন্য প্রসিদ্ধ। এখানে দেখিলাম তদপেক্ষা বৃহৎ ও সুস্বাদু বেগুন মিলে। অন্যান্য সজীব স্বাদও ভাল। মনুর রান্না তো চমৎকারই। রাবড়ি, প্যাঁড়া ইত্যাদিও এখানে সস্তা ও খাঁটি। গুরুভোজনে আমার কোনোকালেই আসক্তি নাই। কিন্তু সুস্বাদু খাদ্যের প্রতি আকর্ষণ আছে। সুতরাং নূতন সংসারে এবং নূতনরকম জীবনধারায় প্রবেশ করিয়া অতীতের সহিত সম্পর্ক ছিন্ন করিতে যে ক্লেশ বোধ করিতে পারিতাম তাহার অনেকটাই মনু নানাভাবে নিবারণ করিয়াছে। তাহার প্রতি আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নাই।

    “কনক বা জীমূত এবং আমার জ্যেষ্ঠা দুই কন্যা বড় একটা খোঁজখবর করে না। ইহাতে দুঃখ অনুভব করি না। কারণ এইরূপই ঘটিবার কথা। তবে বিশাখা ও শচীন একদিন আকস্মিকভাবে আসিয়া কাশীতে হানা দিল। বিশাখার কোলে একটি ফুটফুটে শিশু। তাহাদের পাইয়া আনন্দে আত্মহারা হইলাম।

    “শচীন জনান্তিকে আমাকে জানাইল, পাবনা হইতে কৃষ্ণকান্ত আবার উধাও হইয়াছে। আমাকে দুশ্চিন্তা করিতে নিষেধ করিয়া শচীন বলিল, সে সম্ভবত আপনার কাছে আসবে।

    “আমি অবাক হইয়া কহিলাম, কি করে জানলে?

    “সে হাসিয়া কহিল, পাবনায় আমি গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করে এসেছি। আর কারো জন্য নয়, আপনার জন্য সে সবসময়েই বেশ উদ্বিগ্ন ও ব্যাকুল।।

    “বুকটা ভরিয়া গেল। স্নেহ স্বভাবত নিম্নগামী। পিতা যেমন পুত্রকে স্নেহ করেন, পুত্র ততটা স্নেহ পিতাকে করিতে পারে না। আমার ক্ষেত্রে স্নেহের প্রকৃতি আরো বিচিত্র। কৃষ্ণ ছাড়া অন্যান্য পুত্রকন্যার সহিত আমার তেমন সম্পর্ক রচিত হয় নাই। আমার দিক হইতে স্নেহ হয়তো কিছু ছিল, কিন্তু তাহাদের দিক হইতে স্নেহের প্রকৃতি কিরূপ তাহা কখনো পরীক্ষা করা হয় নাই। কৃষ্ণ আমাকে কিছু স্নেহ করে জানিতাম। আজ আবার নূতন করিয়া তাহার ব্যাকুলতার কথা শুনিয়া আমার ক্ষুধার্ত পিতৃত্ব জাগিয়া উঠিল।

    “কহিলাম, আমার জন্য সে কি খুব ভাবে?

    “শচীন কহিল, খুব ভাবে। আপনার অসুস্থতার সংবাদ সে শুনেছে। তাই খুব দুশ্চিন্তা।

    “যে কয়দিন বিশাখা ও শচীন আমাদের কাছে ছিল সেই কয়টা দিন বড় আনন্দে কাটিয়া গেল। ভাবিতে লজ্জা করে আমরা উভয়পক্ষই নববিবাহিত দম্পতি। আমি ও মনুর বয়সে কিছু প্রবীণ, উহারা নবীন। প্রায় একই সময়ে আমাদের বিবাহ হয়। আমার ও মনুর মধ্যে প্রগল্‌ভাতা নাই, উচ্ছ্বাস নাই, এক শান্ত তৃপ্তি আছে। উহাদের মধ্যে উচ্ছলতা, প্রগলভতা কিছু বেশি। আমি মনে মনে উভয় দম্পতির তুলনা না করিয়া পারিলাম না। শুধু একটা ব্যাপারে বিশাখা ও শচীনের তুলনায় আমরা পিছাইয়া আছি। আমার ও মনুর সন্তান হয় নাই।

    “কয়েকদিন থাকিয়া বিশাখা ও শচীন ফিরিয়া গেল। বাড়িটা বড়ই শূন্য মনে হইতে লাগিল। কিন্তু শূন্যতা ভরিয়া দিতে মনুর জুড়ি নাই। গানে, গল্পে সেবায় সে আমাকে সর্বদা ঘিরিয়া থাকে। আমার মনের কথাটি মুখে আসিবার আগেই সে কী করিয়া যেন টের পায়। তাই অভাব থাকিতে দেয় না। আমার কাছে তাহার যেন চাহিবার কিছুই নাই, শুধুই দেওয়ার আছে। মনু দিবসরজনী সেই দানযজ্ঞই করিয়া চলিয়াছে। উজাড় করিয়া নিজেকে সে যতই দিতেছে ততই যেন অফুরাণ হইয়া উঠিতেছে। স্ত্রীলোক আমি বেশি দেখি নাই সত্য, তবু মনে হয় এইরূপ স্ত্রীর পৃথিবীতে অল্পই আছে।

    “শীঘ্র মরিব এমন মনে হয় না। তবু একদিন তো ভবের খেলা সাঙ্গ করিতেই হইবে। তখন মনুর কী হইবে? আমা অপেক্ষা সে বয়সে প্রায় বিশ বৎসরের ছোটো। তাহার দেহে মনে কোথাও বয়সের ভাঁটা পড়ে নাই। সে এখনো দীর্ঘদিন বাঁচিবে। সুতরাং তাহার প্রতি আমার কিছু কর্তব্য থাকিয়াই যায়। তাই কাশীর বাড়িটি আমি তাহার নামে রেজিস্টারি করিয়া দিলাম। ডাকঘরে তাহার নামে অ্যাকাউন্ট খুলিয়া কিছু টাকাও রাখিলাম। কিছু গহনা গড়াইয়া দিলাম যাহা ইহজন্মে তাহার অঙ্গস্পর্শে ধন্য হইবে কিনা জানি না। সে গহনা পরে না।

    “আমাকে এইসব আঁটঘাট বাঁধিতে দেখিয়া একদিন সে হাসিয়া কহিল, যদি মরার কথা ভেবে থাকো তাহলে এই বলে দিচ্ছি, যমের সাধ্যি নেই তোমাকে ছোঁয়। ঝাঁটা মেরে তাকে তাড়াব।

    “আমি কহিলাম, তোমার চেয়ে বয়সে আমি বড়। আমার আগে মরাই তো স্বাভাবিক। তোমাকে ভাসিয়ে দিয়ে যেতে পারব না।

    “এ কথায় মনু রাগিল, কাঁদিল এবং ঝগড়াও করিল। তাহাকে কি করিয়া বুঝাইব? বোধ হয় বুঝাইবার কিছুই নাই। ভালবাসার কাছে পরাজয় মানিয়া লওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। আমি তাহাকে শান্ত করিয়া কাছে টানিয়া লইয়া কহিলাম, তোমার ওরকম স্বভাব কেন বলো তো? যত যাই হোক তুমি তো আমার নতুন বউ। একটা ভাল শাড়ি পরো না, গয়না পরো না, সাজো না, কিছু আবদার করে চাও না! এরকম হওয়া কি ভাল? যৌবনে যোগিনী সাজার কী হল তোমার?

    “সে আমার চোখে বিহ্বল চোখ রাখিয়া কহিল, আমি সাজো কেন? কাকে ভোলাতে? তাছাড়া আমি বড় বড় ছেলেমেয়ের মা, আমার নাতিপুতি আছে।

    “করুণভাবে হাসিয়া কহিলাম, তা বটে, তবে একতরফা। তোমাকে তারা এই জন্মে মা বলে স্বীকার করবে না।

    “মনু মাথা নাড়িয়া কহিল, কৃষ্ণ স্বীকার করবে, বিশাখাও করবে। স্বীকার না করলেও দুঃখ নেই। আমি তো জানি, তাহলেই হবে।

    “মনু প্রত্যহ বিশ্বনাথ মন্দিরে যায়। আমাকেও টানাটানি করে। মাঝে মাঝে যাইতে হয়। কিন্তু আমি মন্দিরের বিগ্রহে তেমন আকর্ষণ বোধ করি না। বিগ্রহ মূক, স্থবির। মানুষ ইচ্ছা করিলে বিগ্রহকে সামনে রাখিয়া নানা দুষ্কার্য করিতে পারে। বিগ্রহ আমাদের শাসন করে না, উপদেশ দেয় না, বিগ্রহের কোনো জীবনদর্শন নাই। আমি বিশ্বাস করি, তিনি যেমন শ্রীকৃষ্ণ বা রামচন্দ্ররূপে অবতীর্ণ হইয়াছিলেন তেমনি এখনো অবতীর্ণ হন। মানুষ তাঁহাকেই খোঁজে। পরম প্রেমময় করুণাঘন, সর্বজ্ঞ, মানুষের প্রতি তাঁহার ভালবাসার শেষ নাই। ঈশ্বরকে আমি মানুষের মধ্যেই পাইতে চাই। কিন্তু মনু তত প্রাজ্ঞ নহে। সে ঠাকুরপূজা বোঝে। এই ব্যাপারে তাহার সহিত আমার কিছু মতভেদ আছে। কখনো কখনো তর্কও হয়। মনু শেষে হাল ছাড়িয়া দিয়া কহে, বেশ তো, তোমার কথাই মেনে নিচ্ছি।

    “আমি বলি, মানবে কেন? বুঝতে হবে।

    “সে মাথা নাড়িয়া বলে, অত বুঝে কাজ নেই। আমি এই বেশ বুঝেছি আমার ব্রহ্মা বিষ্ণু মহেশ্বর সব তুমি। আর ঠাকুরে আমার দরকার নেই। বিশ্বনাথ মন্দিরে যাই তোমার কথাই বলে আসতে। বলি, ও দেবতা, আমার দেবতাটিকে ঠিক রেখো।

    “উচ্চৈস্বরে হাসিয়া ফেলি। আমাকে দেবতা বানাইয়াও তাহার ভয় কাটিতেছে না। আর একজন দেবতাকে রক্ষক হিসাবে ধার করিতেছে।

    “মাঝে মাঝে দশাশ্বমেধ ঘাটে গিয়া বসি। একা একা নিজের জীবনের কথা বসিয়া বসিয়া ভাবি। বছরের হিসাবে অনেক দিন পৃথিবীতে আছি বটে, কিন্তু এই জীবনের পরিসর কতটা? গভীরতাই বা কতখানি? আত্মগ্লানিতে মনটা বড় তিক্ত হইয়া ওঠে। আমি আত্মমুগ্ধ অন্ধ নহি। নিজের দোষ ত্রুটি দুর্বলতা কোনো কিছুকেই এড়াইয়া যাই না। জমিদার বংশে জন্মগ্রহণ করায় আমাকে খাটিয়া খাইতে হয় নাই। যদি উপার্জন করিতে হইত তবে আমি কী করিতাম? অর্জনপটু হইতে পারিতাম কি? নাকি উঞ্ছবৃত্তি করিয়া ন্যুব্জপৃষ্ঠে অকালবৃদ্ধ খিটখিটে এক কৃপণে পরিণত হইতাম?

    “নিজেকে লইয়া আমার এই নিরবচ্ছিন্ন ভাবনাও হয়তো একপ্রকার আত্মরতি। কিন্তু আমার সমস্যাও যে নিজেকে লইয়াই। উত্তরবাহিনী গঙ্গা ওই যে অবিরল বহিয়া চলিয়াছে উহার স্রোতোধারার মধ্যে যে অবিরল চরৈবেতি-চরৈবেতি মন্ত্র জপ হইয়া চলিয়াছে জীবনের মূলমন্ত্রও তাহাই। চল, অগ্রসর হও, তীব্রতা ও ক্রমাগতিতেই জীবনের সৌন্দর্য ও সার্থকতা। নদীর বিশ্রাম নাই, ঘুম নাই, আছে শুধু চলা। উৎস হইতে মোহনা পর্যন্ত তাহার গতিতে কোথাও মৃত্যুর ছায়াপাত ঘটে নাই। যতক্ষণ জীবন, যতক্ষণ গতি ততক্ষণ মৃত্যু নাই।

    “আমি আজকাল ফের মৃত্যুর কথা একটু বেশি ভাবিতেছি। গত বৎসর আমার হৃদযন্ত্র বেশ কয়েকবার বেয়াদপি করিয়াছে। রক্তচাপটাও যে বিদায় লয় নাই তাহা অভ্যন্তরে টের পাই। আর এইসব বৈকল্যই বোধ করি আমাকে মৃত্যুর কথা মনে করাইয়া দেয়। সেই যে কয়েক বৎসর আগে এক প্রত্যুষে কৃয়ার দঁড়ি হাত হইতে পড়িয়া গেল সেদিন হইতেই আমার জীবনে মৃত্যুর ছায়া আসিয়া পড়িল। সেই ছায়া প্রলম্বিত হইয়া এতদূর আসিয়াছে। নদীর ধারে আসিয়া দাঁড়াইলে মাঝে মাঝে মনে হয়, এইখানেই বুঝি যাত্ৰাশেষ। আর কোথাও যাওয়া হইবে না। আর কোথাও যাওয়ার নাই।

    “দশাশ্বমেধের বিশাল ঘাটে পুরোহিত, জ্যোতিষী, গণৎকার, হেটোমেঠো পণ্ডিতের অভাব নাই। তীর্থস্থানে সর্বত্রই ইহাদের দেখিতে পাওয়া যায়। ইহাদের মধ্যে একজনের সহিত আমার কিছু সদ্ভাব হইয়াছে। লোকটি বাঙালী। পূর্ববঙ্গেই নিবাস। লোকটি ভূগুজ্যোতিষী। গ্রামে থাকিতে জ্যোতিষচর্চায় বিশেষ আয়পয় হইত না। কাশী পুণ্যার্থীদের জায়গা বলিয়া এখানে আসিয়া থানা গাড়িয়াছেন। মক্কেল যে বিশেষ জুটিয়াছে তাহা মনে হয় না। তবে নিত্যই বিকালের দিকে আসিয়া একটি শতরঞ্চি পাতিয়া চাতকের ন্যায় বসিয়া থাকেন। দু-একজন আসে, দুই চারি আনা দক্ষিণা পান। দুজনেই প্রায় নিষ্কর্মা বলিয়া আলাপ হইয়া গেল। আলাপ হওয়ার পর বুঝিলাম, মানুষটি লোক ঠকাইয়া খাওয়ার মানুষ নহেন। রীতিমত কষ্ট করিয়া অধ্যবসায় সহযোগে ভৃগু পরাশর আয়ত্ত করিয়াছেন। এই কাশীতেই তিনি যৌবনকালে এক পণ্ডিতের চেলাগিরি করিয়াছিলেন। তাঁহার নাম ধনঞ্জয় বন্দ্যোপাধ্যায়।

    “জ্যোতিষে আমার বিশ্বাস পাকা নহে। সব কিছুর মতো এই বিষয়টির প্রতিও আমার ঔদাসীন্য ছিল। ধনঞ্জয়ের সহিত আলাপ হইবার পর একটু কৌতূহল জন্মিল। আমার কোষ্ঠী একটা আছে বটে, কিন্তু কোথায় আছে জানি না। ধনঞ্জয়কে তাই কোষ্ঠী দেখানো হইল না। তবে উনি আমার কররেখা দেখিয়া কিছু আঁক কষিয়া কহিলেন, আপনার দ্বিতীয়বার দার পরিগ্রহ করার যোগ দেখছি। আপনার দ্বিতীয় স্ত্রী সুলক্ষণা।

    “একটু বিস্মিত হইলাম। ধনঞ্জয় নিবিষ্টমনে আরো আঁক কষিয়া কহিলেন, আপনি ভূমি ও সম্পদের অধিপতি। সুপুত্রের পিতা। আপনার কোষ্ঠী বিচার করার আর কী আছে?

    “আমি কহিলাম, মৃত্যুর কথা কি কিছু বলা সম্ভব?

    “উনি বলিলেন, সম্ভব। তবে আরো ভাল করে বিচার করতে হবে। সময় সাপেক্ষ।

    “কয়েকদিনের মধ্যে আলাপ আরো গাঢ়তর হইল। ধনঞ্জয় আমার মৃত্যুর প্রসঙ্গ তুলিলেন না। কিন্তু আমি একটি অন্য প্রসঙ্গ তুলিলাম। আমি তাহাকে ধরিয়া পড়িলাম, এ বিদ্যে আমাকে শিখিয়ে দিন।

    “আশ্চর্য এই যে, ধনঞ্জয় ইহাতে আপত্তি প্রকাশ করিলেন না। সাগ্রহে বলিলেন, শিখবেন? বেশ তো কাছেই আমার বাসা। সকালের দিকে চলে আসবেন।

    “পরদিনই ধনঞ্জয়ের বাসায় গেলাম। নিতান্তই হতদরিদ্র অবস্থা। ব্রাহ্মণী রোগাভোগা মানুষ, নিঃসন্তান। বারান্দায় মাদুর পাতিয়া বসিয়া ধনঞ্জয় আমাকে শাস্ত্র ব্যাখ্যা করিয়া শুনাইতে লাগিলেন।

    প্রথমটায় খটোমটো লাগিল। তারপর বেশ মজিয়া গেলাম।

    “নূতন শেখা বিদ্যা পরখ করিতে মাঝে মাঝে মনুর কোষ্ঠী লইয়া পড়ি। কখনো নিজের হস্তরেখা বিচার করি। মনু হাসিয়া বলে, এ কোন নতুন বাই চাপল মাথায়! অত ভাগ্য বিচার করার আছেই বা কী?

    “না কিছু নাই। জীবনের বারো আনা পার করিয়াছি। স্রোত এখন মোহনার মুখে। আমার আর ভবিষ্যৎ কী? কিন্তু আমি তো ভবিষ্যৎ জানিবার জন্য শিখিতেছি না। শাস্ত্রটা কতটা খাঁটি তাহাই বিচার করিতেছি। এসব বুঝাইয়া বলায় মনু বলিল, তাহলে বলো তো আমি সধবা মরবো কি না!

    “আমি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলিলাম। সধবা মরিবে কিনা তাহা জানি না। অত পাকা জ্যোতিষী আমি হইয়া উঠি নাই। তবে মনুর কোষ্ঠী বেশ জটিল। ধনঞ্জয়বাবুও আজকাল মাঝে মাঝে আমাদের বাড়িতে আসেন। আমাদের জমিদারি ঠাঁটবাট এই কাশীর বাড়িতেও কিছু আছে। ঝাড়লণ্ঠন হইতে বার্মা সেগুনের মহার্ঘ আসবাব, খিলান গম্বুজও কিছু কম নাই। উনি কিছু জড়োসড়ো বোধ করেন। একদিন আমি তাহাকে মনুর কোষ্ঠী দেখাইলাম। বহুক্ষণ দেখিয়া এবং আঁক কষিয়া কহিলেন, ইনি অনেকদিন বাঁচবেন।

    “ইহা শুনিয়া মনু জনান্তিকে কহিল, মরণ!

    “ভাগ্যক্রমে ধনঞ্জয় এবং আমি সমবয়স্ক। বহুকাল আমার তেমন কোনো বন্ধু জোটে নাই। ধনঞ্জয়ের মধ্যে আমি একজন বন্ধুকে পাইলাম। শাস্ত্র শিক্ষার ফাঁকে ফাঁকে নিজেদের সুখ দুঃখের কথা বলি। দিন বেশ কাটিয়া যায়। মানুষের যে বন্ধুকে কত দরকার তাহা ধনঞ্জয়ের সহিত সখ্য হইবার পর বুঝিতে পারিলাম। সকালে বিকালে তাহার সঙ্গ পাইবার জন্য রোজ মন আনচান করে। মনু একদিন কপট রাগের গলায় কহিল, এ যে আমার সতীন হয়ে দাঁড়াল দেখছি গো। তোমার যে আর টিকির নাগাল পাই না।

    “নৌকায় করিয়া একদিন দুই পরিবার বেড়াইতে বাহির হইলাম। মণিকর্ণিকার ঘাট পার হইয়া অনেকদূর যাওয়া গেল। বেশ লাগিল এই জলভ্রমণটি। মনুর সহিত ধনঞ্জয়ের স্ত্রীরও বেশ আলাপ জমিয়া গেল। কথায় কথায় প্রকাশ হইয়া পড়িল যে, আমি এস্রাজ বাজাইতে জানি। মনুই আগ বাড়াইয়া প্রচারটি করিল। ইহাতে ধনঞ্জয় আনন্দে উব্দেল হইয়া কহিল, আমারও কিছু গানবাজনার চর্চা ছিল। তা ভায়া একদিন জলসা বসানো যাক।

    “ধনঞ্জয় যে বাস্তবিকই গুণী লোক তাহাতে আর সন্দেহ কী। জলসার দিন সে একজন তবলায় ঠেকা দিবার লোক ও একজন সারেঙ্গীদারকে কোথা হইতে ধরিয়া আনিল। দুজনেরই পাকানো চেহারায় দুর্দশার ছাপ। আমার বৈঠকখানায় সেদিন বিরল-শ্রোতা জলসা খুবই জমিয়া গেল। ধনঞ্জয় পুরানো বাংলা গান চমৎকার সুরে লয়ে গাহিল। আমি এস্রাজ মন্দ বাজাইলাম না। মালকোষ ধরিয়াছিলাম। বাজাইতে বাজাইতে চক্ষু দুইটি বারবার অশ্রুপূর্ণ হইয়া আসিতেছিল। বারবার কৃষ্ণর কথা মনে হইতেছিল। ইহজন্মে কি আর তাহাকে দেখিব? পিতৃহৃদয় এস্রাজ বাজাইয়া কেবল কাঁদিতেছিল।

    “পরদিন সকালেই রুক্ষ শুষ্ক চেহারার এক যুবক উদভ্রান্তভাবে আমাদের দরজায় আসিয়া দাঁড়াইল। তাহাকে চিনি না। তবু সে খুব উচ্চগ্রামে ডাকিল, বাবা!

    “আমি বৈঠকখানায় বসিয়াই দুগ্ধপান করিতেছিলাম। শ্বেতপাথরের গেলাসটি হাত হইতে পড়িয়া ভাঙিয়া গেল। বুক কাঁপিয়া উঠিয়া শ্বাসকষ্ট হইতে লাগিল। যুবকটি আসিয়া আমার পায়ের উপর উপুড় হইয়া প্রণাম করিয়া কহিল, কেমন আছেন?

    “কী বলিব? এই যুবককে কী বলিব? কে বিশ্বাস করিবে যে একদিন এ কীটাণুকীট হইয়া আমার শরীরের অভ্যন্তরে ছিল। মাতৃজঠর হঁইয়া পৃথিবীর আলো দেখিল এই তো সেদিন! ইহার মধ্যেই লম্বা চওড়া চেহারার বিশাল যুবক হইয়া উঠিল কিরূপে? রূক্ষতা ও শুকতার ভিতর দিয়াও তাহার বিশাল কাঠামো ও অভ্যন্তরীণ তেজ প্রকাশ পাইতেছে। একটি অগ্নিশিখা।

    “বুকটা ব্যথাইয়া উঠিল কি? শ্বাসকষ্ট হইতেছে। কোনোক্রমে দুটি হাত বাড়াইয়া তাহাকে জড়াইয়া ধরিলাম, এলে! অবশেষে এলে!

    “বেশ কয়েকদিন ডায়েরী লিখি নাই। শরীরের অবস্থা ভাল বুঝিতেছি না। বুকের মধ্যে এখনো অসহনীয় কষ্ট আছে। শ্বাসের গতিও অনিয়মিত। ডাক্তার বলিয়া গিয়াছে, রক্তচাপও মারাত্মক। সবই ঠিক, তবু মরি তো নাই। দুই চক্ষু ভরিয়া পুত্রের মুখ দেখিয়াছি। আর এখন মরিলেই বা দুঃখ কী? মনু বিধবা হইবে! সে আর বেশি কথা কী? সে তো জানিয়াই আমার সহিত সংসার পাতিছে।

    “না আজ আর অন্য কথা নহে। শুধু কৃষ্ণর কথা ভাবিব। পুত্রের ভিতর দিয়া পিতাই আবার জন্মগ্রহণ করে বলিয়া শাস্ত্রে একটা কথা আছে না! আজ মনে হইতেছে ওই তো আমি জন্মগ্রহ করিয়াছি। আর কেন মিথ্যা এই দেহটি লইয়া থাকা?

    “কৃষ্ণ আছে। থাকিবার কথা ছিল না। তিনদিনের কড়ারে আসিয়াছে। কিন্তু তাহাকে দেখিয়াই আমার রক্তচাপ বাড়িয়া যাওয়ার এবং দুর্বল হৃদযন্ত্র বিকল হওয়ার লক্ষণ প্রকাশ করায় সে যাইতে পারে নাই। মনে মনে প্রার্থনা করিতেছি, সে যেন একেবারে আমার মুখাগ্নি করিয়া যায়।”

    হেমকান্ত মারা গেলেন ভোর রাতে। কেউ টেরও পেল না। শেষ সময়টায় শুধু তিনি নিজেই টের পেয়েছিলেন। বুকে অসংখ্য ছুরির আঘাতের মতো ব্যথার ফলা ঢুকে যাচ্ছে। টনটনে জ্ঞানে সবটাই তিনি অনুভব করতে পারলেন। শ্বাসকষ্ট প্রবলভাবে নাড়িয়ে দিচ্ছিল বুক। হেমকান্ত উঠে বসবার চেষ্টা করলেন। রঙ্গময়ী পর পর সাতদিন একটানা রাত জেগে আর পারেনি। পায়ের কাছে কুণ্ডলী পাকিয়ে অঘোর ঘুমে ঢলে পড়েছে। হেমকান্ত তাকে আর ডাকলেন না। তিনি গঙ্গার স্রোতের শব্দ শুনতে পাচ্ছিলেন। অন্ধকারে নদী বয়ে চলেছে।

    অস্ফুট একটা শব্দ করলেন হেমকান্ত। বুঝি বললেন, ওরা রইল। দেখো।

    কাকে বললেন তা স্পষ্টভাবে তিনি নিজেও জানেন না। কিন্তু তাঁর মনে হল, কেউ শুনল। মনে রাখল।

    পরদিন মণিকর্ণিকার ঘাটে হেমকান্ত পঞ্চভূতে বিলীন হয়ে গেলেন। তাঁর আর কোনো চিহ্ন রইল না।

    কৃষ্ণকান্ত বসে নিভন্ত চিতার দিকে একদৃষ্টে চেয়ে ছিল। যে বুঝতে পারছিল না, বাবা কেন শুধু তার আগমনটুকুর জন্যই প্রাণটা রেখেছিল কোনোক্রমে। কোনো গৃঢ় কারণে সে পিতৃঘাতী হল না তো!

    চিতায় জল ঢেলে অস্থি নিয়ে কৃষ্ণকান্ত যখন স্নান সেরে ফিরে এল তখনও রঙ্গময়ী অচেতন। তাকে পাখার বাতাস দিচ্ছেন ধনঞ্জয়ের স্ত্রী।

    বিছানাটার পাশে মেঝেয় বসে কৃষ্ণকান্ত খাটের পায়ায় একটু হাত বোলাল। শোক গভীর। শোক গুরুভার। তবু অপেক্ষা করার সময় তো তার নেই। যেতে হবে।

    খাটে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়েছিল কৃষ্ণকান্ত। শেষরাতে রঙ্গময়ী তাকে ডেকে তুলল্‌।

    ওরে ওঠ! আয় দুজনে মিলে একটু কাঁদি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকবিতাসংগ্রহ – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article ছোটদের ২৫টি মজার গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }