Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দূরবীন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প1108 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৬৬. যে সময়টায় রেমির পেটে ছেলেটা এল

    ॥ ৬৬ ॥

    যে সময়টায় রেমির পেটে ছেলেটা এল সেটা এক অদ্ভুত সময়। তার আর ধ্রুবর মধ্যে এক বিশ্বাস-অবিশ্বাস, ত্যাগ ও গ্রহণের টানাপোড়েন। ভারী অনিশ্চিত তাদের দাম্পত্য জীবনের ভবিষ্যৎ। রাজা তখনো হানা দেয় টেলিফোনে, বলে, চলো রেমি, তোমাকে একটা ভদ্র জীবনযাপন করার পথ করে দিই। ও বাড়িতে আর থেকো না। ওরা তোমাকে মেরে ফেলবে।

    এ প্রস্তাবের জবাবে রেমি তখন কিছুই স্থির করে বলতে পারে না। সে কিছুতেই তার পরিচিত ছক, তার চেনা গণ্ডী ছাড়তে সাহস পায় না আর।

    লতু যদিও ভীষণ বাচ্চা মেয়ে এবং বাড়িতেও বেশীক্ষণ থাকে না তবু একদিন সে তার বউদিকে লক্ষ করল। বলল, তোমার কী হয়েছে বলো তো!

    কী আবার হবে! কিছু না।

    ছোড়দার সঙ্গে তোমার হ্যাকনীড সম্পর্কটার কথা জানি। সেটা তো নতুন কিছু নয়। কিন্তু তোমাকে খুব ফ্যাকাসে দেখাচ্ছে আজকাল। কী গো?

    ভারী লজ্জা পায় রেমি। ননদকে লজ্জার কিছু নেই। তবু পায়।

    লতুর মারফৎ কথাটা অতএব প্রচার হয়ে গেল।

    আগেরবার কৃষ্ণকান্ত পক্ষে ছিলেন না। সম্ভবত কূট সন্দেহবশে তাঁরই আভাসে ইঙ্গিতে পেটের বাচ্চাটা নষ্ট করা হয়েছিল। কিন্তু এবার তিনি রেমির পক্ষ নিলেন। একদিন সস্নেহে ডেকে বললেন, কোথাও গিয়ে একটু ঘুরেটুরে আসবে? স্বাস্থ্যকর কোনো জায়গায়?

    রেমি অবাক হয়ে বলে, কেন বাবা? আমি তো এখানেই বেশ আছি।

    রোগা হয়ে গেছ মা, তাই বলছিলাম। মনটাকে সর্বদা উঁচুতে রেখো। ঠাকুর দেবতার কথা ভেবো। পবিত্র চিন্তা কোরো। এ রকমই নিয়ম।

    পবিত্র চিন্তা কী রকম তা জানে না রেমি। তবে সে কোনো অপবিত্র চিন্তাও করে বলে মনে পড়ল না। সে মাথা নেড়ে বলল, আচ্ছা।

    এসব পুরোনো প্রথার কোনো কার্যকারিতা আছে কিনা আমি জানি না। তবে না জেনে কিছু ভেঙে ফেলতেও আমার মন সরে না। আমার এক বুড়ি মাসী আছে। তাকে খবর দিয়েছি। এখানে এসে কিছুদিন থাকবে। এ সময়ে বাড়িতে একজন বয়স্কা অভিভাবিকার দরকার।

    সময়টা এক রকম ভালই কাটছিল রেমির। কৃষ্ণকান্তর মাসী মানুষটি খুবই শুচিবায়ুপরায়ণা। তবে মানুষটা হাসিখুশি। রেমির তাকে খারাপ লাগল না। কৃষ্ণকান্ত একজন মেয়ে গায়েনাকোলজিস্টকে সাপ্তাহিক চুক্তিতে নিয়োগ করলেন, সে এসে প্রতি রবিবার রেমিকে দেখে যায়। পুষ্টিকর খাবার, ওষুধপত্র ইত্যাদির এক বেশ রাজসূয় আয়োজন হল। তাকে নিয়ে ছোটোখাটো একটা হৈ-চৈ!

    ধ্রুব আর সে আজকাল একসঙ্গে থাকে, নীচের ঘরে। ধ্রুব যে তাকে আগের চেয়ে কিছু বেশী ভালবেসেছে তা নয়। তবু পেটে বাচ্চাটা আসার পর থেকে আর দূর দূরও করছে না আগের মতো। মায়া! হবেও বা।

    ধ্রুব নিজেই একদিন রেমিকে বলল, আটকে গেলে রেমি, বাঁধা পড়ে গেলে।

    তার মানে?

    এই যে ছেলের মা হতে চলেছো, খুব জটিল হয়ে গেল সব কিছু।

    তাই নাকি? আমার তো কিছু জটিল মনে হচ্ছে না। এরকমই তো হওয়ার কথা।

    স্বাভাবিক নিয়মে হওয়ারই কথা বটে, কিন্তু আমি তো সাধারণ নিয়মে চলি না।

    তাহলে তুমি তোমার নিয়মেই চলো। আমি চলি আমার নিয়মে।

    খুব চ্যাটাং চ্যাটাং কথা শিখেছো দেখছি।

    সব কিছুর মধ্যে অত জটিলতা দেখ কেন?

    জটিল বলেই জটিল দেখি। তোমার মতো বোকা তো নয়।

    তুমিও এক রকম বোকা। স্বাভাবিক কিছুই তোমার ভাল লাগে না।

    শোনো খুকি, তুমি বাস করো কৃষ্ণকান্তর পুরোনো মূল্যবোধের জগতে। ওই লোকটাও যুগের সঙ্গে নিজেকে তেমন বদলে নিতে পারেনি। পারেনি বলেই মন্ত্রিত্ব গেছে, রাজনীতিতে প্রভাব কমে যাচ্ছে, কেউ তেমন পাত্তা দিচ্ছে না। কিন্তু তোমরা শ্বশুর-পুত্রবধূ যে জগতে বাস করো তা তো আর বাস্তবিকই নেই। সমাজ একটা স্থাণু জিনিস নয়। বার বার নানা চাপে পড়ে, নানা নতুন চিন্তাভাবনার ফলে তার বিবর্তন হয়। ব্যক্তিগত ধ্যান-ধারণাও পাল্টে যায়।

    বাইরের সমাজে কী হচ্ছে তা দিয়ে আমার কী?

    তোমার কিছুই নয়?

    না। আমি বেশ আছি।

    ধ্রুব হেসে মাথা নেড়ে বলে, না, তুমি বেশ নেই। আমি তোমাকে এত নিশ্চিন্ত থাকতে দেবোও না।

    কেন দেবে না?

    তোমাকে আমার মতো করে জগৎটাকে দেখতে হবে, কৃষ্ণকান্তর মতো করে নয়।

    বাবার নাম ধরছো?

    ধরার জন্যই নাম। এতে যে চমকে উঠলে ওটাও সংস্কার। জানো, বিদেশে আজকাল মা-বাপের নাম ধরে ডাকাটাই রেওয়াজ?

    মা গো! ভাবতেও পারি না।

    পারো। অভ্যাসে মানুষ সব পারে। পুরোনো ধ্যান-ধারণা ছেড়ে একটু ঝরঝরে মন নিয়ে ভাবতে শেখো। তোমার বাস্তবিকই ব্রেনওয়াশ হয়ে গেছে।

    মোটেই না। ব্রেন ওয়াশ হয়ে থাকলে তোমারই হয়েছে। এমন সব কিম্ভূত কথা বলো যে পিত্তি জ্বলে যায়।

    ধ্রুব একটু হেসে বলে, তুমি তো খুব ঘর-সংসার সম্পর্ক সতীত্ব ইত্যাদিকে মানো। তুমি কি জানো যে আমাদের পূর্বপুরুষরা যখন জঙ্গলে বাস করতেন তখন বিয়ে-টিয়ে ছিল না, সম্পর্ক মানা হত না, ঠিক পশু সমাজের মতোই যে কোনো নারী-পুরুষ মিলিত হত। আমরা তাঁদেরই বংশাবতংস নানা রকম কৃত্রিম নিয়ম-কানুন বানিয়ে ব্যাপারটাকে ছেলেমানুষী করে তুলেছি। জানো এসব?

    জানি। তোমাকে আর বক্তৃতা দিতে হবে না। আমি তোমার পছন্দমতো নিজেকে বদলাতে পারব না।

    ধ্রুব একটু হতাশার ভাব প্রকাশ করল। তবে হাসলও। বলল, তুমি ইংলিশ মিডিয়ামে পড়তে না?

    আহা, জানো না যেন।

    জানি, কিন্তু তোমার হাবভাব দেখে বিশ্বাস হতে চায় না। তোমার শ্বশুর তোমাকে এ রকম হিপনোটাইজ করল কী করে বলো তো! আমাকে তো পারেনি। ইন ফ্যাকট আমাদের তিন ভাইয়ের কেউই, ওই বুড়োর দলে নই। দাদা একজন ডিভোর্সীকে বিয়ে করেছে, বুড়োর থোঁতা মুখ ভোঁতা করে দিয়েছে।

    তুমি পারোনি বলে দুঃখ হচ্ছে?

    আমি অন্যভাবে চেষ্টা করেছিলাম। এ বংশে যা আজও হয়নি সেই ডিভোর্স করে কৃষ্ণকান্তর মুখটাকে যথার্থ কৃষ্ণকান্ত করে দিতাম যদি তুমি একটু কো-অপারেট করতে। রাজার সঙ্গে যদি বোমবাই পালিয়ে যেতে রেমি, তবে সোনায় সোহাগা হত।

    আর লিভিং টুগেদার! সেটার কথা বললে না! সেই যে মেয়েটা—

    ধ্রুব একটু গম্ভীর হয়ে জিজ্ঞেস করে, ফিলিং জেলাস?

    একটুও না। যাও না তার কাছে, যাও।

    যাবো?

    এক্ষুনি যাও।

    খুব যে তাড়া দেখছি! এত উদার হলে কবে থেকে?

    কেন, আমি কি খুব পজেসিভ? যদি তাই হতাম তাহলে আমার কাছে তুমি অন্য মেয়ের কথা বলতে পারতে?

    তা বলে তুমি উদারও নও।

    সব উদারতাই কি ভাল? কতবার তো তোমাকে বলেছি আমাকে একবার মেয়েটাকে দেখতে দাও। কই, দেখাও নি তো! তুমিও তো উদার নও তাহলে!

    তুমি তো মেয়েটাকে পারলে খুন করবে।

    না, করব না। তোমার পছন্দের মেয়েকে খুন করব কেন? এখন দেখাও। দেখি তুমি আমার চেয়ে কত বেশী উদার!

    ঠিক আছে। দেখাবো।

    কবে?

    দেখাবো একদিন।

    এখানে নিয়ে আসবে?

    ধ্রুব একটুও হাসছিল না এখন। মাথা নেড়ে বলল, না। তবে ভেবো না, কথা যখন দিয়েছি ঠিকই রাখব।

    একটু বিবর্ণ হয়ে যাচ্ছিল রেমি। ধ্রুব দেখাবে! সত্যি? কিন্তু তখন কি সহ্য করতে পারবে সে? একটু ঘন শ্বাস পড়ছিল তার। বুক ধড়ফড় করছিল।

    ধ্রুব আনমনে অন্য দিকে চেয়ে বলল, কিন্তু কোনো সীন করো না। মেয়েটার প্রতি আমার কোনো দুর্বলতা নেই। একটুও না। আমি শুধু এক্সপেরিমেণ্ট করছি একটা।

    কিসের এক্সপেরিমেন্ট?

    একজন নারী ও পুরুষের সম্পর্ক কতটা নির্বিকার হতে পারে। বিশেষ করে যেখানে প্রেম নেই, অধিকারবোধ নেই, আবেগ নেই, অথচ সম্পর্ক আছে।

    রেমি বলল, তুমি একটা পাগল। পাগল। ওরকম কিছু হয় না। আর যদি হয়ই তবে আমার সঙ্গেই কেন ওরকম করো না! যা কিছু এক্সপেরিমেণ্ট তা আমার ওপরেই হোক।

    ধ্রুব মাথা নেড়ে বলল, না রেমি। এর জন্য দুজনেরই মানসিক প্রস্তুতি চাই। ট্রেনিং চাই। তোমার তা নেই।

    নেই আবার! এত উপেক্ষা এত অবহেলা আর নিষ্ঠুরতা সইলাম তবু কি ট্রেনিং হয়নি? আর কত চাও?

    ধ্রুব এ কথার জবাব দিল না। কিন্তু আচমকা রেমিকে আদর করল। খুবই উষ্ণ, খুবই আন্তরিকভাবে। মিষ্টি অবসাদে যখন দুজনেই শরীর এলিয়ে দিল তখন রেমি জিজ্ঞেস করল, তোমার আনন্দ হয় না? থ্রিল হয় না?

    কিসের আনন্দ?

    এই যে বাবা হবে।

    ধ্রুব একটু হাসল, বলল, হয়। কিন্তু সে তোমার আনন্দের মতো নয়।

    তুমি কি মঙ্গলগ্রহের মানুষ? কিছুই আমাদের মতো নয়?

    বোধ হয় তাই। এই পৃথিবীতে বহু গ্রহান্তরের লোক বসবাস করে। তারাই একদিন সংস্কার ও গোঁড়ামীমুক্ত, বুদ্ধি ও যুক্তিগ্রাহ্য একটি সমাজ-ব্যবস্থা চালু করবে। সেদিন তুমি আর তোমার শ্বশুরের মতো লোক যাবে নির্বাসনে।

    আঃ, ফের বড় বড় কথা। ছেলে হবে, আনন্দ হচ্ছে কিনা সেইটে বলো।

    বললাম তো, হচ্ছে।

    তোমার মুখ দেখে কিন্তু বোঝা যায় না। কেমন গোমরা হয়ে থাকো।

    বাচ্চা হওয়া কি একটা সাঙ্ঘাতিক ঘটনা নাকি? ভিখিরিদেরও হচ্ছে তো।

    তোমার তো বলতে গেলে প্রথম। একটাকে তো খুন করেছো।

    ধ্রুব চুপ করে গেল। তারপর রেমিকে বুকের মধ্যে টেনে নিয়ে খুব ভালবাসল কিছুক্ষণ। তারপর বলল, এখনো সেজন্য দুঃখ পাও, না?

    পাবো না! কী নিষ্ঠুর তুমি!

    বাচ্চাটা কি আমারই ছিল রেমি?

    তোমার নয় তো কার? কী করে যে সমীরকে তোমার সন্দেহ হল! ছিঃ!

    ধ্রুব মাথা নাড়ল, আমার নয়। সন্দেহ ছিল তোমার শ্বশুরের। আমি নিমিত্ত মাত্র।

    তখন কেন রুখে দাঁড়াওনি? এত যে তুমি মুক্তমনা মানুষ তখন সাহসটা কোথায় ছিল?

    সাহস আজও নেই। সে কথা থাক। আমি নিজে উদ্যোগী হয়ে বাচ্চাটা নষ্ট না করলে কী হত জানো?

    কী হত?

    তোমার শ্বশুর কিছুতেই তোমাকে বাচ্চা নষ্ট করার প্রস্তাব দিতে পারত না। শ্বশুর হয়ে সেটা তো সম্ভব নয়। অথচ তাঁর সন্দেহ ছিল, বাচ্চাটা তাঁর বংশের নয়। সেক্ষেত্রে উনি আরো ক্রুড কোনো পন্থা নিতেন। সেকথা তোমার না শোনাই ভাল। হয়তো বিশ্বাসও করবে না।

    করব। বলো।

    হয়তো একদিন জগাদা বা তোমার শ্বশুরের বশংবদ আড় কেউ সিঁড়িতে তোমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিত অসাবধানতার ভান করে। কিংবা তোমার বাথরুমে তেল ঢেলে পিছল করে রাখা হত। কিংবা তোমার খাবারে মিশিয়ে দেওয়া হত কোনো ওষুধ। তোমার নিরাপত্তার কথা ভেবে আমিই অগ্রণী হয়ে নিরাপদে ব্যাপারটা করে ফেলি।

    এতটা? খুব অবাক হয়ে রেমি বড় বড় চোখ করে ধ্রুবর দিকে চেয়ে থাকে। চোখে ভয়।

    ধ্রুব খুব নিবিড়ভাবে বুকে আরো চেপে ধরে রেমিকে। বলে, আমাকে বিশ্বাস করবে না তুমি, জানি। শ্বশুরমশাই তোমাকে প্রাণাধিক ভালবাসেন এও সত্য রেমি, কিন্তু বংশমর্যাদা ওঁর কাছে আরো অনেক বড়। আমার মাকে মরতে হয়েছিল শুধু ওই জেদী লোকটার অদ্ভুত কিছু ধারণার জন্য।

    বলো, আমি শুনব।

    না, একদিনে এত নয়। তোমার মাথা দুর্বল। এত নিতে পারবে না। পেটে বাচ্চা রয়েছে, এ সময়ে এসব বিষণ্ণ কাহিনী তোমার পক্ষে ভালও নয়।

    আমাকে যদি জগাদা ধাক্কাই দিত তাহলে নয় পড়ে মরতামই, তুমি কেন আমাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলে? তুমি তো আর আমাকে ভালবাসো না।

    আমি তোমাকে এক রকম ভালবাসি রেমি। রকমটা আলাদা। তোমাকে অনেকবার বলেছি, তুমি বুঝতে পারোনি। আমি তোমাকে একজন পৃথিবীবাসী হিসেবেই ভালবাসি।

    আর কিচ্ছু নয়?

    আর কী চাও রেমি?

    আমি যে কী চাই জানি না। কিন্তু তোমার চোখ দেখে মনে হচ্ছে তুমি মিথ্যে কথা বলছ। তুমি আমাকে তার চেয়ে একটু বেশী ভালবাসো।

    না, রেমি। আমি ভাল না বাসার চেষ্টা করছি। আমি চেষ্টা করছি আমার ভালবাসাকে ব্যক্তিবিশেষে সীমাবদ্ধ না রেখে সকলের প্রতি সমানভাবে ছড়িয়ে দিতে। তোমার প্রতি তাই আমার বিশেষ দুর্বলতা থাকতে নেই।

    সেটা তো থিওরেটিক্যাল কথা। আসল কথাটা?

    আসল কথা! ধ্রুব একটু ভাবল। তারপর রেমিকে ছেড়ে দিয়ে নিরুত্তাপভাবে চিৎ হয়ে শুয়ে মশারির চালের দিকে চেয়ে থেকে বলল, তোমার প্রতি আমার একটু আসক্তি ছিল। কবে কেমন করে সেটা হল তা বলতে পারব না। হয়তো আমার প্রতি তোমার টান দেখেই রেসিপ্রোকাল একটু টান আমারও হয়েছিল। সেটা ভাঙতেই আমি আর একটা মেয়েকে আমদানী করেছি। সে তোমার প্রতিপক্ষ নয়। সে আসলে আমাকে একটা ভারসাম্য রক্ষায় সাহায্য করছে। তাই বলছিলাম তাকে তোমার হিংসে করার কিছু নেই।

    রেমি বড় অবাক হল। ধ্রুবর পাগলামি কোথায় পৌঁছেছে তা ভেবে একটু ভয়ও পেল সে। গাঢ়স্বরে বলল, ওগো, পায়ে পড়ি। আমাকে বরং ভালবেসো না। কিন্তু ভারসাম্য আনতে গিয়ে তুমিই যে ব্যালান্স হারিয়ে ফেলছো! এসব কী হচ্ছে বলো তো!

    খুব অদ্ভুত! না?

    ভীষণ অদ্ভুত। এ যে পাগলামী!

    এর চেয়ে নরম্যাল আর কী হতে পারে রেমি? আজ পাগলামী বলে মনে হলেও ভবিষ্যতের মানুষ যদি কখনো আমার এক্সপেরিমেণ্টের কথা জানতে পারে তাহলে বলবে বিংশ শতাব্দীতে এই একটা সত্যিকারের নরম্যাল লোক ছিল।

    ওই মেয়েটাও কি তোমার মতো পাগল?

    মেয়েটা! ওঃ, মেয়েটার কথা যে তুমি কেন ভুলতে পারছো না!

    ভুলব? কী সর্বনেশে সব কাণ্ড করছো তুমি, এ কি ভোলা যায়?

    তোমাকে অনেকবার বলেছি রেমি, মেয়েটা কোনো ফ্যাকটর নয়। মেয়েটা অ্যাকচুয়ালি নন-এনটিটি।

    কেন নন-এনটিটি হবে? সেও তো একটা মানুষ?

    মানুষ তো বটেই। কিন্তু তোমার প্রতিপক্ষ নয়। আবার বলছি আমি তার প্রেমে পড়িনি। আমি একটা সার্বজনীন ভালবাসা আয়ত্ত করার চেষ্টা করছি।

    তুমি পাগল।

    এই বলে রেমি অনেকক্ষণ কাঁদল। ধ্রুব বাধা দিল না। চুপ করে শুয়ে রইল।

    এই ঘটনার কিছুদিন পরে এক দুপুরে একটি মেয়ে টেলিফোনে রেমিকে চাইল রেমি গিয়ে ফোন ধরতেই ওপাশ থেকে মেয়েটি বলল, আমি ধারা।

    ধারা! কে ধারা?

    আমি আপনার সঙ্গে একটু দেখা করতে চাই।

    কেন বলুন তো!

    দরকার আছে। একটু এক জায়গায় আসতে পারবেন?

    রেমি অস্বস্তিতে পড়ে বলে, না, সেটা সম্ভব নয়।

    কেন, বাড়ির রেস্ট্রিকশন আছে?

    তাও আছে। আমার শরীরও ভাল নয়।

    আপনি যে প্রেগন্যাণ্ট তা আমি জানি। কিন্তু বেশী দূর নয়।

    আপনিই আসতে পারেন তো! আমার শ্বশুরমশাই আমাকে বেরোতে নিষেধ করে গেছেন।

    আমি আসব? মেয়েটা যেন অবাক হয়ে বলে, সেটা কি ভাল দেখাবে?

    আপনি কে বলুন তো! ধারা নামে কাউকে আমার মনে পড়ছে না তো!

    আপনার সঙ্গে আমার পরিচয় নেই। ধ্রুব কি আপনাকে কিছু বলেনি?

    ও কী বলবে?

    আমার পরিচয়!

    না। ও কি চেনে আপনাকে?

    মেয়েটি একটু হাসল, চেনে। তাহলে আমিই কি আসবো?

    আপনার ইচ্ছে।

    ধ্রুব বলছিল আপনি আমাকে দেখতে চান!

    এ কথায় রেমি হঠাৎ চমকে ওঠে। তারপর স্তব্ধ হয়ে যায়।

    মেয়েটি আবার বলে, আমি কি সত্যিই আসব?

    রেমির মাথাটায় গণ্ডগোল লাগতে থাকে। ধ্রুব কথা রেখেছে, কিন্তু সে নিজে কেন মাঝখানে নেই? এখন কী বলবে রেমি? তার পা কাঁপছে। বুক কাঁপছে।

    রেমি অত্যন্ত বিতৃষ্ণার সঙ্গে বলে, আপনার ইচ্ছে।

    আমার তো ইচ্ছে নেই। আপনার ইচ্ছে বলেই যাওয়া।

    ঠিক আছে, আসুন।

    এখন গেলে আপনার কোনো অসুবিধে নেই তো!

    না, অসুবিধে কিসের?

    তাহলে উইদিন ফিফটিন মিনিটস! কেমন?

    ঠিক আছে।

    পনেরোটা মিনিট কী করে যে কাটল রেমির তা আজ আর সে বলতে পারবে না। ওই পনেরো মিনিট তার কাছে পৃথিবীটা একদম শূন্য হয়ে গিয়েছিল। কোনো অনুভূতি, রাগ, হিংসে, জ্বালা কিছুই বোধ করেনি সে। বোধ করেনি শীত বা তাপ। যা সন্দেহের মধ্যে ছিল, অনুমানের রাজ্যে ছিল, যা ছিল চোখের আড়াল এবং যাকে শেষ পর্যন্ত চোখমুখ বুজে ভুলে থাকা যেত সেটা এমন রূঢ় বাস্তব হয়ে আসছে দেখে বড় অসহায় হয়ে গিয়েছিল রেমি। দুচোখ দিয়ে অজস্র ধারায় শুধু জল বেয়ে পড়ল কোলের ওপর। পায়ের তলা থেকে বাস্তবিকই মাটি সরে যাচ্ছে।

    একজন চাকর এসে বলল, আপনার সঙ্গে একজন দেখা করতে এসেছেন। ড্রয়িংরুমে বসিয়েছি।

    রেমি আর চমকাল না। উঠে ড্রেসিং টেবিলের সামনে গেল। চোখ মুছে একটু পাউডার দিল মুখে। চুলটি আঁচড়ে নিল। তারপর কলিং বেল টিপে চাকরকে ডেকে বলল, মেয়েটাকে এঘরে নিয়ে আয়।

    মেয়েটি ঘরে ঢুকতেই ঘরটা যেন ভরে গেল স্নিগ্ধ রূপে। রেমি আশা করেছিল, ধ্রুব যেমন বলেছে তেমনই হবে বোধ হয় মেয়েটা। কালো-টালো, কুচ্ছিৎ, তা মোটেই নয়। আদ্দিকালে যেমন পানপাতার মতো মুখের কথা শোনা যেত এর মুখটাও তেমনি ভরাট, নিটোল চোখের মণি একটু খয়েরী, কিন্তু মস্ত মস্ত দুটো চোখ। ঠোঁট পুরন্ত। ডগমগ করছে শরীর। চোখের দৃষ্টি অতি উজ্জ্বল। মুখে মিষ্টি ভদ্র হাসি। পরনে মণিপুরী কাজ করা তাঁতের দারুণ শাড়ি। রেমি একটু হতভম্ব হয়ে গিয়েছিল দেখে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকবিতাসংগ্রহ – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article ছোটদের ২৫টি মজার গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }