Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দূরবীন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প1108 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৮৫. ফেরার পথে ঘোড়ার গাড়ি

    ॥ ৮৫ ॥

    ফেরার পথে ঘোড়ার গাড়ি যথাসাধ্য দ্রুত বেগেই চলছিল, তবু হেমকান্তর মনে হচ্ছিল, গাড়ি যথেষ্ট দ্রুত চলছে না। বড় ধীর, বড় শ্লথ। দুবার বে-খেয়ালে তিনি হাঁফ মারলেন, জোরে! জোরে!

    গাড়োয়ান সপাসপ চাবুকের শব্দ করল। এবড়ো-খেবড়ো রাস্তায় গাড়িটা বিপজ্জনকভাবে নাচতে থাকে।

    কালীবাড়ির সামনে গাড়ি দাঁড় করালেন হেমকান্ত। তাঁর ঈশ্বরবিশ্বাস খুব জোরদার নয়, কালীবাড়িতে তিনি আসেনও না। আজ উদ্‌ভ্রান্তের মতো নেমে দ্রুত পায়ে গিয়ে ঢুকলেন মন্দিরের চাতালে।

    বেশ রাত হয়েছে, আরতি শেষ হয়ে গেছে অনেকক্ষণ। মন্দিরের দরজা বন্ধ করার তোড়জোড় হচ্ছে। হেমকান্তকে দেখে পুরোহিত শশব্যস্ত এগিয়ে এলেন।

    আজ্ঞে, আপনি! আসুন আসুন।

    হেমকান্ত স্থির দৃষ্টিতে বিগ্রহের দিকে চেয়ে ছিলেন। মন্দিরের বড় বাতি নিবিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুধু প্রদীপ জ্বলছে। সেই স্তিমিত আলোয় কালীর মুখ ভাল দেখা যাচ্ছে না।

    হেমকান্ত বিগ্রহের দিকে নিবিষ্ট চোখে চেয়ে পুরোহিতকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনার এই বিগ্রহ কতটা জাগ্রত?

    এরকম প্রশ্ন বড় একটা কেউ করে না। পুরোহিত শম্ভুচন্দ্র শর্মা একটু অবাক হয়ে বললেন, আজ্ঞে মা বড় জাগ্রত।

    কিছু কামনা করলে পাওয়া যায়?

    মায়ের অদেয় কিছু নেই।

    আমার বিশ্বাস-টিশ্বাস কিছু নেই কিন্তু। নাস্তিকও বলতে পারেন। তবু আজ আমার বড় বিপদ। চাইলে পাবো?

    ভক্তি করে একটু চেয়ে দেখুন না, চৌধুরীমশাই।

    চাইব? বলছেন!

    পুরোহিত একটু হাসলেন।

    হেমকান্তকে চেষ্টা করতে হল না। আপনা থেকেই বুকটা থরথর করে কাঁপিয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এল। চোখ বুজতেই চোখের কোল ভরে গেল জলে। মনটা দীন হয়ে গেল, মাথা নুয়ে এল আবেগে। নিজেকে মনে হল, কত তুচ্ছ, কত নশ্বর, কী অসহায়।

    একেই কি ভক্তি বলে? কে জানে! তবে দীন নম্র হৃদয়ে ভিখিরির মতো নিজের প্রিয় পুত্রের মঙ্গল প্রার্থনা করলেন তিনি। অস্ফুট স্বরে ডাকলেন, মা, মাগো!

    পকেট থেকে কয়েকটা কাঁচা টাকা বের করে পুরোহিতকে দিয়ে হেমকান্ত বললেন, প্রণামী।

    একটা মানসিক করে যান, চৌধুরীমশাই।

    মানসিক! বলে হেমকান্ত ভ্রূ কুঁচকে একটু ভাবলেন। তারপর বললেন, আচ্ছা, করা যাবে। আজ থাক। প্রথম দিনেই এতটা সইবে না।

    পুরোহিত মাথা নেড়ে বললেন, ঠিক আছে।

    হেমকান্ত গাড়িতে এসে উঠলেন। কোঁচা দিয়ে চোখের কোল ভাল করে মুছে নিয়ে মাথাটা পিছনে হেলিয়ে বসে রইলেন।

    বাড়িতে এসে শুনলেন, এখনো কোনো খবর নেই! হেমকান্ত রাত্রে আর জলগ্রহণ করলেন না। বিছানায় শুয়ে চোখ বুজে রইলেন। রিভলভারটা বালিশের পাশে রাখলেন। জানেন এটা কোনো কাজে লাগবে না।

    বাড়িতে বাচ্চারা ছাড়া কেউই শুতে গেল না। কনক আর জীমূত বার বার বেরিয়ে গিয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে খবর আনছিল। অর্থাৎ খবর নেই। মেয়েরা হেমকান্তর পাশের ঘরে বসে নীচু স্বরে কথাবার্তা বলছিল।

    সময় কত দীর্ঘ ও মন্থরগামী! হেমকান্ত অনুভব করছিলেন। রাত যেন কাটতেই চায় না। ছেলেটা কোথায় গেল? কেন গেল? একবারও বলে গেল না কেন?

    এমনও হতে পারে, স্বদেশীরা হেমকান্তর ওপর আক্রোশবশত কৃষ্ণকান্তকে মেরে ফেলেছে। এমনও হতে পারে, কৃষ্ণকে ধরে নিয়ে গিয়েছে পুলিস। খুব সম্ভব ছেলেটা বিপদের মধ্যে আছে। কিরকম বিপদ, কতটা সাঙ্ঘাতিক বিপদ তা হেমকান্ত কিছুতেই আন্দাজ করতে পারছেন না। বারবাড়িতে এক দুই করে কর্মচারী এবং প্রজারা জড়ো হয়েছে, টের পাচ্ছেন হেমকান্ত। অনেক লোকের গলার স্বর শোনা যাচ্ছে।

    হেমকান্ত উঠে জানালায় গিয়ে দাঁড়ালেন।

    হরি!

    হরি জেগে ছিল। হেমকান্তর ডাক শুনে দৌড়ে এল, আজ্ঞে!

    ওরা কোনো খবর এনেছে?

    না। খবর কিছু পাওয়া যায়নি।

    পুলিস বাড়ি সার্চ করবে বলে কথা ছিল। তাদের খবর কী?

    এখনো পুলিস আসেনি।

    আসবে। শেষ রাত্রে। তৈরি থাকিস।

    তৈরি আছি। তবে—

    তবে কি?

    আপনার বিছানার ওটা কি সরিয়ে নেবো?

    না। রিভলভার আমার কাছেই থাকবে।

    যে আজ্ঞে।

    হেমকান্ত দুর্বল বোধ করছিলেন। একটু তেষ্টা পাচ্ছে কিন্তু কেন যেন জলের গেলাস ঠোঁটে ছোঁয়াতেও প্রবৃত্তি হল না। তেষ্টা নিয়েই হেমকান্ত শুয়ে পড়লেন। চোখ বুজতেই কৃষ্ণর নরুণকাটা মুখখানা উজ্জ্বল হয়ে ভেসে উঠল সামনে। হেমকান্ত আত্মবিস্মৃতের মতো দুখানা হাত সামনের দিকে প্রসারিত করে দিয়ে বললেন, এসো কৃষ্ণ, কোলে এসো।

    মিহি স্বরে কে যেন ডাকল, বাবা!

    কে? বলে একটু চমকে চাইলেন হেমকান্ত।

    বিশাখা মুখের ওপর ঝুঁকে পড়ে বলল, কাকে ডাকছিলেন? কৃষ্ণকে?

    হেমকান্ত একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লেন। লজ্জাও পেলেন। স্তিমিত গলায় বললেন, তার কি কোনো খবর এল?

    না, তবে চিন্তার কিছু নেই।

    তার মানে? সারা সন্ধে রাত অবধি ছেলেটার খবর নেই, চিন্তা হবে না? বলো কী?

    বিশাখা শিয়রে বসল। হেমকান্তর মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে মৃদু স্বরে বলল, কৃষ্ণ ধারে কাছেই কোথাও আছে। আমার মনে হয় পুলিস বাড়ি সার্চ করবে বলে ভয়ে কোথাও লুকিয়ে আছে।

    বিশাখা খুব কেঁদেছে নিশ্চয়ই। তার গলার স্বর ভারী। শ্বাসে এখনো কম্পন। হেমকান্ত বললেন, সে তত ভীরু ছেলে নয়। যাওয়ার সময় তোমাকে কিছু বলেনি তো!

    আমাকে! বিশাখা মাথা নেড়ে বলল, তেমন কিছু বলেনি। বিকেলবেলায় একবার ওপরে এসেছিল। লালটুকে একটু আদর করল। তারপর চলে গেল।

    লাল্টু!

    মেজদার ছেলে।

    বুঝেছি। কিছু বলেনি তাহলে?

    না। আমার ধারণা চেনা জানা কারো বাড়িতে গিয়ে লুকিয়ে আছে।

    থাকলে ভাল। কিন্তু ভয়টা আমার যাচ্ছে না।

    মশারিটা টাঙিয়ে দিই, একটু ঘুমোন।

    না। মশারি টাঙালে দমবন্ধ লাগবে আজ। তোমরা বরং গিয়ে ঘুমোও।

    আমাদের কারো আজ ঘুম হবে না বাবা।

    আমারো হওয়ার কথা নয়। কটা বাজল?

    রাত তিনটে।

    ওঃ। তাহলে তো ভোর হয়েই এল। বাইরে ওরা এখনো আছে?

    আছে। বারবাড়িতে সবাই বসে আছে।

    ওদের কিছু খাওয়াও তো হয়নি!

    হয়েছে। চিঁড়ে গুড় কলা দেওয়া হয়েছে সবাইকে।

    শচীন সব খবর জানে?

    বিশাখা হঠাৎ কথা বলতে পারল না। লজ্জায় মাথা নুইয়ে ফেলল। হেমকান্ত প্রথমটায় মেয়ের এই প্রতিক্রিয়ার কারণটা বুঝলেন না। পরে বুঝলেন। বললেন, বড় যোগ্য ছেলে। বিপদে নির্ভর করা যায়। সে কি খবরটা পেয়েছে জানো?

    পেয়েছেন। খুব কুণ্ঠার সঙ্গে বলে বিশাখা, থানায় গিয়ে বসে আছেন।

    হেমকান্ত মেয়ের ব্রীড়াবনত মুখের দিকে চেয়ে ক্ষণেকের জন্য একটা সুখের অনুভূতি বোধ করলেন। তারপর বললেন, ঠিক আছে। এ বাড়িতে আসতে সে বোধহয় এখন লজ্জা বোধ করছে। বিবেচক ছেলে। আমি জানি কৃষ্ণর জন্য তার উদ্বেগ কম নয়।

    আমি যাই বাবা?

    লজ্জা পেও না, মা। বোসো। এমনি করে মাথায় হাত বুলিয়ে দাও। মনু কোথায় বলতে পারো?

    মন্দিরের দালানে বসে আছেন। হরিকাকাও আছেন। কেউ ঘুমোয়নি।

    চেনাজানা সব বাড়িতে খোঁজ নেওয়া শেষ হয়েছে?

    হয়েছে। দূরে যারা গেছে তারা সকলে এখনো ফেরেনি। এই অস্ত্রটা আপনি কাছে রেখেছেন কেন, বাবা?

    কেন রেখেছি! হেমকান্ত এটুকু বলে সামান্য ভাবলেন। তারপর মাথা নেড়ে বললেন, কেন যে রেখেছি তা জানি না। মনে হল একটা অস্ত্র কাছে রাখা ভাল। আজ সব উল্টোপাল্টা ঘটনা ঘটছে।

    এতে কি গুলি ভরা আছে?

    আছে। এক কাজ করো এটা ওই দেরাজে রেখে দাও। সাবধানে নাও, ট্রিগারটায় আঙুল দিও না।

    বিশাখা উঠে রিভলভারটা দেরাজে রেখে আসে।

    হেমকান্ত মেয়ের দিকে চেয়ে বলেন, তুমি এখন যাও, মা। ঘুমোতে না পারো অন্তত একটু বিশ্রাম নাও। আমি বরং শুয়ে শুয়ে একটু কৃষ্ণর কথা ভাবি।

    বিশাখা হেমকান্তর গায়ে একটা ঢাকা দিল। তারপর নিঃশব্দে চলে গেল।

    হেমকান্ত একা ঘরে জেগে থেকে কৃষ্ণর কথা ভাবতে লাগলেন। যত ভাবেন তত বুকটা আনন্দে বিষাদে উথাল-পাথাল করে আর চোখ বার বার ভরে যায় জলে।

    চোখের ওপর দিয়ে একটি অন্তহীন রাত বড় মন্থর গতিতে কেটে গেল। হেমকান্ত ক্লান্তিতে চোখ বুজে শুয়ে থেকে বহুবার টের পেলেন তাঁর বড় দুই ছেলে, মেয়ে এবং বউরা বার বার নিঃশব্দে ঘরে এসে তাঁকে দেখে গেল। বোধহয় ওদের আশঙ্কা হেমকান্ত শোকে না মরে-টরে যান।

    ভোরের সামান্য ফর্সা ভাব দেখা দিতেই হেমকান্ত উঠে পড়লেন।

    হরি!

    একডাকে হরি এসে সামনে দাঁড়ায়, যে আজ্ঞে।

    হরির গলার স্বরও ভারী। অর্থাৎ কৃষ্ণর জন্য সেও সম্ভবত কেঁদেছে। হেমকান্ত জিজ্ঞেস করলেন, পুলিস কি এসেছে?

    আজ্ঞে না।

    আসার কথা ছিল, এল না কেন?

    হরি চুপ করে থাকে।

    হেমকান্ত ফের জিজ্ঞেস করলেন, কোনো খবর পাওয়া গেল ছেলেটার?

    আজ্ঞে না। বলতে গিয়ে হরি সামান্য ফুঁপিয়ে ওঠে।

    হেমকান্ত বিরক্ত হয়ে বলেন, কাঁদছিস কেন? তার তো এখনো কোনো খারাপ খবর আসেনি!

    আজ্ঞে না।

    তবে?

    আপনার বড় কষ্ট হচ্ছে যে!

    কষ্ট! বলে হেমকান্ত খুব ফ্যাকাশে একটু হেসে বলেন, সারাটা জীবন পায়ের ওপর পা দিয়ে অন্যের খেটে-খাওয়া পয়সায় আরামে দিন কাটিয়েছি। এখন ভগবান একটু কষ্ট দেবেন না? ধর্ম বলে যদি কিছু থাকে তবে তার একটা বিচারও তো আছে।

    হরি চুপ করে রইল।

    হেমকান্ত প্রাতঃকৃত্য সারতে আজ বেশী সময় নিলেন না। তাড়াতাড়ি ঘরে ফিরে এসে বেরোনোর পোশাক পরতে পরতে হরিকে ডেকে বললেন, গাড়ি জুততে বল।

    গাড়ি তৈরিই আছে।

    আমি একটু থানায় যাচ্ছি। এদিকটা সব দেখেশুনে রাখিস।

    আপনি চিন্তা করবেন না।

    যদি এর মধ্যে সার্চ করতে চলে আসে তবে সব দেখাবি, যা দেখতে চায়। কিন্ত সব সময়ে সঙ্গে থাকিস।

    আজ্ঞে।

    হেমকান্ত সিঁড়ির মুখেই দাঁড় করানো ঘোড়ার গাড়িতে উঠে বললেন, থানা। তাড়াতাড়ি চালা।

    গাড়ি ছুটল। সকালে ব্রহ্মপুত্রের ধার-ঘেঁষা রাস্তায় চলন্ত গাড়ি থেকে হেমকান্ত এই দুঃখের মধ্যেও মুগ্ধ দৃষ্টিতে প্রকৃতির রূপ দুটো ক্লান্ত, অনিদ্রাজনিত জ্বালাভরা চোখে দেখছিলেন আর স্নিগ্ধ হচ্ছিলেন। মানুষের কত বিপদ, কত উদ্বেগ, কত অশান্তি, কিন্তু প্রকৃতি, কেমন শান্ত, নির্বিকার, বৈরাগী! ওয়ার্ডসওয়ার্থের কাব্যের মধ্যে এরকম প্রকৃতি-বীক্ষণের বড় আবেগময় অভিজ্ঞতার কথা আছে। গাছপালা, নদী, আকাশ, পাহাড়, সমুদ্র, ফুল, পাতা, পাখি, প্রজাপতি, কীটপতঙ্গের যে জীবন সেই জীবনে এই দ্বন্দ্ব নেই, এই উদ্বেগ নেই।

    থানার সামনে এত ভোরেও ভীড় দেখে ভারী অবাক হলেন হেমকান্ত। ভীড়ের জন্য তাঁর গাড়ি একটু দূরেই থামল।

    গাড়োয়ান নেমে এসে বলল, কিছু একটা হয়েছে কর্তাবাবু।

    কি হয়েছে খোঁজ নিয়ে আয়।

    গাড়োয়ান গেল। হেমকান্ত দুরু দুরু বুক হাত দিয়ে চেপে ধরলেন। কৃষ্ণর কোনো কিছু হয়নি তো! ভীড়টা তার জন্যই নয় তো! কৃষ্ণকান্ত পকেটে গুলিভরা রিভলভারটা নিয়ে এসেছেন। কেন তা তিনি বলতে পারবেন না। বুড়ো বয়সে ছেলের জন্য উদ্বেগে মনটা যেন কেমন হয়ে গেছে। নইলে যে জিনিসকে তিনি সর্বদা এড়িয়ে চলেছেন সেই আগ্নেয়াস্ত্র স্পর্শ করে ভরসা পাচ্ছেন কেন আজ? এক হাত বুকে চেপে রেখে অন্য হাত পকেটে ভরে তিনি রিভলভারটা ধরে রইলেন।

    গাড়োয়ান খুব উত্তেজিতভাবে ছুটে এল।

    কর্তা সর্বনাশ!

    কী হয়েছে?

    দারোগাবাবুকে গুলি করেছে আজ্ঞে।

    হেমকান্ত দরজাটা খুলে নামলেন, বলিস কি?

    আজ্ঞে। শচীনবাবুও আছেন ভীড়ের মধ্যে দেখলাম।

    শচীন। ছুটে গিয়ে ডেকে আন তো।

    গাড়োয়ান যায়। কয়েক মিনিট পরেই শচীন শশব্যস্তে এসে বলে, আপনি এসেছেন!

    কী ব্যাপার বলো তো।

    শচীন ইতস্তত করে বলে, সঠিক ঘটনা জানি না, আমি কাল রাত থেকেই থানায় বসে আছি। আপনাদের বাড়ি রেড হবে খবর পেয়েই চলে আসি। তারপর শুনলাম, কৃষ্ণ মিসিং। সেজন্য রামকান্ত রায়ের সঙ্গে কথা বলার দরকার ছিল।

    তারপর কী হল?

    উনি খুব ব্যস্ত ছিলেন। রাত বারোটা নাগাদ একজন ইনফর্মার এসে নাকি খবর দেয় যে, কেওটখালির দিকে স্বদেশীদের একটা ঘাঁটির সন্ধান পাওয়া গেছে। সেই শুনেই উনি ছোটোখাটো ফোর্স নিয়ে রওনা হন। তারপর আর ফেরেননি। একটু আগে খবর এল শট ডেড।

    ডেড? ঠিক জানো?

    তা জানি না। তবে গুজব ছড়িয়ে গেছে। খুব স্ট্রং গুজব। ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব নিজে অ্যাকশনে নামছেন। প্রচুর ধরপাকড় হবে।

    ডেডবডি এসেছে?

    শচীন শুকনো মুখে মাথা নেড়ে বলে, না।

    কৃষ্ণর কোনো হদিশ করতে পেরেছো?

    না। আর সেইটেই চিন্তার বিষয়।

    হেমকান্তর বুকটা কেঁপে উঠল আবার। বললেন, চিন্তার কারণ তো বটেই। একটু কোনো খবরও পাওয়া যায় না?

    শচীন খুব সোজাসুজি হেমকান্তর দিকে চেয়ে থেকে বলল, একটা খবর আমার কাছে আছে।

    হেমকান্ত কাঁপা গলায় বললেন, খারাপ খবর?

    একদিক দিয়ে দেখতে গেলে খারাপই।

    এসো গাড়িতে গিয়ে বসি। প্রকাশ্যে রাস্তায় এসব কথা না হওয়াই ভাল।

    গাড়িতে দুজনে মুখোমুখি বসার পর হেমকান্ত জানালা দরজা বন্ধ করে দিলেন। তারপর খানিকক্ষণ দম নিয়ে নিজেকে প্রস্তুত করে বললেন, এবার বলো।

    শচীন মৃদুস্বরে বলল, কৃষ্ণ বোধহয় স্বদেশীদের খপ্পরে পড়েছে।

    খপ্পরে বলতে কী বোঝাতে চাইছো? গুম করেছে?

    না। আমি বলতে চাইছি, স্বদেশীদের সঙ্গে কোনো সূত্রে ওর যোগাযোগ হয়েছে। ওকে কাজে লাগানো হচ্ছে।

    স্বদেশী বলতে কোন দল? কার দল?

    বীরু সেনের দল।

    হেমকান্ত চুপ করে গেলেন। বীরু সেন কে তা তিনি জানেন না। তবে জানতে চাইলেনও না। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কৃষ্ণকে দিয়ে ওদের কী কাজ হবে বলো তো! ও তো নেহাত বাচ্চা ছেলে।

    বাচ্চাদের দিয়েই কাজ হয়। বিশেষ করে কৃষ্ণর মতো ব্রাইট ছেলে পেলে তো কথাই নেই।

    কিন্তু যদি খুনখারাপি করায়?

    শচীন মুখটা নামিয়ে নিল। কিছু বলল না।

    হেমকান্তর হঠাৎ মনে হল, শচীন কিছু গোপন করতে চাইছে। তিনি একটু ঝুঁকে বললেন, কোথায় রেখেছে ওকে জানো?

    শচীন মুখ তুলল। চোখের দৃষ্টি করুণ। বলল, যতদূর জানি কেওটখালিতে।

    যেখানে রামকান্ত রায়কে মারা হয়েছে?

    তাই তো গুজব।

    হেমকান্ত শচীনের হাতটা চেপে ধরে বললেন, যাবে? চলো একবার গিয়ে ছেলেটাকে দেখে আসি।

    শচীন স্তিমিত গলায় বলল, কি করে যাবেন? পুলিস গোটা এলাকা ঘিরে ফেলেছে। কাউকে ওই অঞ্চলে ঢুকতে দেবে না।

    ঠিক দেবে। আমরা ঠিক পথ করে নেবো।

    পুত্রের জন্য উদ্বেগে পাগল বাপের পাগলামি শচীনের অজানা নয়। সে ম্লান একটু হেসে বলল, আমি সে চেষ্টা আগেই করেছি। ওই অঞ্চলে যাওয়ার কোনো উপায় নেই।

    পুলিস কি অ্যাকশন নিচ্ছে ওখানে?

    নেওয়ারই তো কথা।

    যদি কৃষ্ণর কিছু হয়?

    শচীন জানে, কৃষ্ণ একা নয়, বীরু সেনের গোটা দলটাকেই পুলিস হয় ধরবে, নয়তো পৃথিবীর বুক থেকে মুছে দেবে। ইংরেজ ম্যাজিস্ট্রেট নিজে সেখানে হাজির আছে। তবে শচীন সেকথা বলল না, বরং বলল, না তেমন ভয় পাওয়ার কিছু নেই। স্বদেশীরা কি অত বোকা? নিশ্চয়ই পালিয়ে গেছে।

    কিছু খবর পেয়েছো?

    এটুকু জানি যে, এখনো কেউ ধরা পড়েনি বা মরেওনি।

    হেমকান্তর হাত পা বুক সবই কাঁপছে। তিনি অস্থির বোধ করতে লাগলেন। বললেন, ঠিক আছে। তুমি এখন কী করবে?

    আমি থানায় আর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করি। খবর যা আসার তা থানাতেই আসবে।

    খবর পেলে আমাকে জানাবে সঙ্গে সঙ্গে।

    নিশ্চয়ই। আপনি চিন্তা করবেন না।

    শচীন নেমে গেল। হেমকান্ত গাড়ি ছুটিয়ে ফিরতে লাগলেন।

    কিন্তু ফিরলেন না। নদীর ধারে গাড়ি দাঁড় করিয়ে নামলেন। গাড়োয়ানকে বললেন, গঙ্গা মাঝি ঘরে আছে কিনা দেখ তো! থাকলে ডাক।

    গঙ্গা মাঝি তলব পেয়ে ছুটে আসে।

    কর্তা ডাকছেন?

    নৌকোটা আছে?

    আছে। যাবেন?

    যাবো। চল।

    নিঃশব্দে হেমকান্ত নৌকোয় গিয়ে ওঠেন। মাঝারি নৌকো। গঙ্গা মাঝি বৈঠা ধরতেই হেমকান্ত হাত বাড়িয়ে বলেন, আমাকেও একটা দে।

    দুই সবল হাতের বৈঠার তাড়নায় নৌকো কেওটখালির দিকে ছুটতে থাকে। রোদে ঝকঝক করছে নদী। চমৎকার শান্ত শ্রী ছড়িয়ে আছে চারদিকে।

    হেমকান্ত ডাকলেন, গঙ্গা।

    আজ্ঞে কর্তা।

    কাল রাতে এই রাস্তা দিয়ে পুলিস গেছে দেখেছিস?

    আজ্ঞে হ্যাঁ কর্তা।

    কতজন?

    মেলা পুলিস।

    গুলিগোলার শব্দ শুনেছিস?

    আজ্ঞে না।

    পুলিস কেওটখালিতে কেন গেছে জানিস?

    গঙ্গা মাথা নাড়ল, না কর্তা।

    কৃষ্ণকে কাল থেকে পাওয়া যাচ্ছে না, জানিস?

    গঙ্গা দুঃখিত মুখে বলে, সব ওই স্বদেশীদের কাজ। আমি তো সারা রাত ছোটো কর্তাকে খুঁজতে নৌকো বেয়ে এখানে সেখানে গেছি।

    সারা রাত, তবে তো তোর নৌকো বাইতে কষ্ট হচ্ছে এখন!

    না কর্তা, কষ্ট কি? গতরের কাজে কষ্ট নাই।

    অনেকক্ষণ নৌকো চলল। শহর শেষ হল। নির্জন নদীর ধার। নিরবচ্ছিন্ন গাছপালায় শ্যামলিমা।

    এই কেওটখালি। ওই শ্মশান। গঙ্গা অস্ফুট স্বরে বলে।

    দুইজনে নৌকো ভেড়ায়। পাড়ে কাদা, কাঁটা গাছ, আগাছার জঙ্গল। নিস্তব্ধতা।

    গঙ্গা একটা খুঁটো পুঁতে নৌকো বাঁধে। হেমকান্ত নেমে চারদিকে চেয়ে দেখেন। একটু ইতস্তত করে খাড়াই বেয়ে উঠতে থাকেন ওপরে। গঙ্গা নৌকোর খোল থেকে একটা লম্বা লাঠি টেনে নিয়ে হেমকান্তর পিছু পিছু উঠতে থাকে।

    শ্মশানের ঘাটে মস্ত বটগাছের তলায় দাঁড়িয়ে হেমকান্ত চারদিকে তাকিয়ে কিছু খোঁজেন। এ সব দিকে তাঁর বড় একটা আসা হয় না। সামনে একটা সুড়কির লাল রাস্তা। তার ওপাশে গাছপালার ফাঁকে ফাঁকে কিছু টিনের চাল দেখা যাচ্ছে।

    গঙ্গা নিঃশব্দে পাশে এসে দাঁড়িয়ে বলে, এদিকটায় নয়।

    তবে কোনদিকে?

    আরো দক্ষিণে।

    তুই জায়গাটা চিনিস?

    চিনি। বীরুবাবুরা আমার নৌকোয় অনেকবার এসেছেন।

    তাহলে তুই চিনিস। ওরা লোক কেমন?

    ভদ্রলোক।

    দলে কয়জন আছে?

    বেশী না। দশ বারোজন হবে।

    প্রতুল ওদের দলে আছে?

    আজ্ঞে হ্যাঁ। উনিই চিনিয়ে দিয়েছিলেন আমাকে।

    কৃষ্ণকে কি তুই এখানে এনেছিস কাল?

    আজ্ঞে না। ছোটো কতা আসতে চাইলেও আনতাম না।

    হেমকান্ত একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে পা বাড়িয়ে বললেন, চল।

    চলুন।

    রাস্তাটা ধরে পুবদিকে খানিকটা এগোেনোর পর ডানহাতে একটা সরু পথ পাওয়া গেল। গঙ্গা সেই দিকে দেখিয়ে বলল, এই কাছেই।

    কয়েক রশি পথ। চারদিকে ঘন গাছপালা, আগাছা, বসতিহীন জমি। সে সব ডিঙিয়ে খানিকদূর এগোবার পর একটা খোড়ো ঘর নজরে পড়ল। চারদিকটায় ফাঁকা পোড়ো জমি। নির্জন।

    কেউ তো এখানে নেই বলে মনে হচ্ছে। হেমকান্ত সভয়ে বললেন।

    থাকবার কথাও নয়। এক বজ্রগম্ভীর গলা পিছন থেকে বলে উঠল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকবিতাসংগ্রহ – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article ছোটদের ২৫টি মজার গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }