Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শক্তি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    বার্ট্রান্ড রাসেল এক পাতা গল্প292 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০. ক্ষমতার উৎস : ধর্মমত

    ক্ষমতার উৎস : ধর্মমত

    লোকসংখ্যা, অর্থনৈতিক উৎসগুলো এবং কৌশলগত যোগ্যতার উপরই শুধু নির্ভর করে না একটি সম্প্রদায়ের ক্ষমতা, নির্ভর করে সম্প্রদায়ের অভ্যন্তরে বিরাজমান বিশ্বাসের উপরও। কখনও জনগণের অন্ধ বিশ্বাস সম্প্রদায়ের ক্ষমতা প্রভূত বৃদ্ধি করে আবার কখনও তা হ্রাস করে দেয়। ঊনবিংশ শতাব্দীর চেয়ে বর্তমান সমাজে ধর্মোন্মাদনা ব্যাপকতা লাভ করেছে, তাই ক্ষমতার যুক্তি হচ্ছে, ঐক্যবদ্ধ উন্মাদ জাতির চেয়ে যুদ্ধ জয়ের সম্ভাবনা বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠ সুস্থ। জনগোষ্ঠী নিয়ে গঠিত জাতির। এ যুক্তির বিচার করা যাক ইতিহাসের আলোকে।

    শুরুতে এটা লক্ষণীয়, ব্যর্থতার ক্ষেত্রগুলো উন্মাদনার সফল ক্ষেত্রগুলোর চেয়ে অপেক্ষাকৃত কম জ্ঞাত। কারণ ব্যর্থতার ক্ষেত্রগুলো অপেক্ষাকৃত অস্পষ্ট রয়েছে। সুতরাং ভুল হতে বাধ্য ত্বরিত পরীক্ষণ। কিন্তু তা এড়ানো কঠিন নয় যদি আমরা সম্ভাব্য ভুলের উৎস সম্বন্ধে অবহিত হই।

    ইসলামের অভ্যুদয় হচ্ছে ধর্মোন্মাদনার মাধ্যমে ক্ষমতালাভের শ্রেষ্ঠ দৃষ্টান্ত। আরবদের সম্পদ ও জ্ঞানে নতুন কিছুই যোগ করেননি মোহাম্মদ (সঃ)। তারপরও তার মৃত্যুর কিছুদিনের ভেতর তার অনুসারীরা শক্তিশালী প্রতিবেশিদের পরাজিত করে প্রতিষ্ঠা করে বিশাল সাম্রাজ্য। নিঃসন্দেহে নবী (সাঃ) কর্তৃক প্রবর্তিত ধর্মই তার জাতির বিজয়ের অপরিহার্য উপাদান। জীবনের শেষদিকে তিনি যুদ্ধ ঘোষণা করেন বাইজেনটাইন সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে। মুসলমানরা নিরুৎসাহিত ছিল : তারা ইঙ্গিত করল অর্থ, ঘোড়া ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর অভাবের দিকে। তারা আরও বলল যে, এটা ফসল কাটার সময় এবং গ্রীষ্মের অসহনীয় গরম। নবী ঘৃণাভরে উচ্চারণ করলেন, নরকের আগুন এর চেয়েও গরম। তিনি ঘৃণার চোখে দেখতেন বাধ্যতামূলক সেবা গ্রহণ। কিন্তু ফিরে এসে পঞ্চাশ দিনের জন্য সম্প্রদায় থেকে বহিষ্কার করে চরম অপরাধীদের শাস্তি দেন। মোহাম্মদ (সঃ)-এর জীবিতাবস্থায় এবং তার মৃত্যুর পর কয়েক বছর পর্যন্ত ধর্মোন্মদনার মাধ্যমে আরব জাতির ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয় এবং যুদ্ধে আত্মবিশ্বাস জন্মে। অবিশ্বাসীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হলে বেহেস্ত পাওয়া যাবে-সাহস সঞ্চার করা হয় এ ধরনের বিশ্বাস জন্মানোর মাধ্যমে।

    কিন্তু উন্মাদনা যদিও প্রাথমিক পদক্ষেপগুলোতে আরবদের প্রেরণা দান করে, তারপরও অন্যান্য বিষয়ের ভূমিকা রয়েছে তাদের দীর্ঘ বিজয়ের ইতিহাসে। বাইজেনটাইন ও পারস্য দুটোই দুর্বল হয়ে পড়েছিল সিদ্ধান্তহীন দীর্ঘ যুদ্ধের কারণে। রোমান সৈন্যরা সব সময়ই দুর্বল ছিল এবং অশ্বারোহণে তাদের অনীহা ছিল। আরব অশ্বারোহীরা অবিশ্বাস্যরকম দ্রুতগতিসম্পন্ন ছিল এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কষ্টসহিষ্ণু হয়ে উঠত, যা অসহনীয় ছিল তাদের বিলাস প্রিয় প্রতিবেশিদের কাছে। এসব অবস্থা অপরিহার্য ছিল মুসলমানদের প্রাথমিক সাফল্যের জন্য।

    খুব শিগগিরই উন্মাদনামুক্ত করা হলো সরকার। নবী (সঃ)-এর জামাতা হযরত আলী (রাঃ) বিশ্বাসীদের একটি সম্প্রদায়ের ভেতর মূল উন্মাদনা জিইয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু তিনি গৃহযুদ্ধে পরাজিত হন এবং শেষ পর্যন্ত শহীদ হন। তারপর খেলাফতে অধিষ্ঠিত হলো নবী (সঃ)-এর ঘোর বিরোধী উমাইয়া পরিবার। কিন্তু ধর্মে তাদের রাজনৈতিক সম্মতি ছাড়া বেশি কিছু ছিল না। মোহাম্মদ (সঃ)-এর নির্যাতনকারীরা জোরপূর্বক দখল করল তার সন্তানদের উত্তরাধিকার এবং তার ধর্ম ও রাষ্ট্রের সর্বময় কর্তা হয়ে বসল প্রতিমা পূজারিরা। বিরোধিতায় আবু সুফিয়ান দুর্দান্ত ও অনড় ছিলেন। তার ধর্ম গ্রহণ ধীরগতিসম্পন্ন ও অনিচ্ছাকৃত ছিল। প্রয়োজন ও স্বার্থ দ্বারা সমর্থিত ছিল তার নতুন বিশ্বাস। তিনি যুদ্ধ করেন এবং সেবা দান করেন এবং সম্ভবত তিনি বিশ্বাসও করতেন। উমাইয়া পরিবারের যোগ্যতার দ্বারা অন্ধকার যুগের পাপের প্রায়শ্চিত্ত হলো। এ মুহূর্ত থেকে অনেক দিন পর্যন্ত খেলাফত মুক্ত চিন্তার জন্য চিহ্নিত হয়ে রইল। কিন্তু খ্রিস্টানরা উন্মাদ রয়ে গেল। প্রথম থেকেই মোহাম্মদ (সঃ)-এর অনুসারীরা বিজিত খ্রিস্টানদের সঙ্গে তাদের আচরণে সংযমের পরিচয় দেন। এই সংযম খ্রিস্টানদের নির্যাতনস্পৃহার প্রবল বিরোধী। তাদের বিজয় ও সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার প্রধান কারণ ছিল এই সংযম।

    ক্রমওয়েলের নেতৃত্বে স্বাধীনতাবাদীদের বিজয় হচ্ছে উন্মাদনার এই আপাত সাফল্যের অন্য একটি উদাহরণ। কিন্তু প্রশ্ন জাগে যে, উন্মাদনার কতটুকু ভূমিকা ছিল ক্রমওয়েলের সাফল্যে? বাজার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় পার্লামেন্ট এজন্য বিজয়ী হয় যে লন্ডন ও পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশগুলো এর পক্ষে ছিল; জনশক্তি ও অর্থ সম্পদের দিক দিয়ে তা রাজাকে অনেক দূর অতিক্রম করে গিয়েছিল। মধ্যপন্থিদের মতো প্রেসবাইটেরিওয়অরা বিপ্লবের ফলে ক্রমাগতভাবে একদিকে চলে যায়, কারণ, তারা সর্বান্তকরণে বিজয়ের প্রত্যাশা করছিল না। ক্রমওয়েল একজন বাস্তব রাজনীতিবিদ হয়ে পড়েন ক্ষমতা অর্জনের পর এবং উদ্বিগ্ন ছিলেন সংকটাবস্থাকে সর্বোত্তম পন্থায় কাজে লাগানোর ব্যাপারে। কিন্তু তিনি তার অনুসারীদের উন্মাদনা উপেক্ষা করতে পারেননি, যা এতই অপ্রিয় ছিল যে পরিণামে এর জন্যেই তার দলের পতন হয়। এ কথা বলা যাবে না যে, উন্মাদনা ইংলিশ স্বাধীনতাবাদীদের চেয়ে তাদের পূর্বসূরিদের সাফল্যে বেশি কিছু করেছে।

    ব্যাপক ভিত্তিতে ফরাসি বিপ্লবের ইতিহাস ইংল্যান্ডের অনুরূপ : উন্মাদনা, বিজয়, পতন ও প্রতিক্রিয়া। এমনকি অনুকূল এই দুই দৃষ্টান্তে ক্ষণস্থায়ী ছিল উন্মাদনার দৃষ্টান্ত।

    সাফল্যের চেয়ে ব্যর্থতা অনেক বেশি উন্মাদদের। এটি টিটাসের সময় জেরুজালেম ধ্বংস করে এবং ১৪৫৩ সালে ধ্বংস করে কনস্টান্টিনোপল। প্রাচ্য ও প্রতিচ্যের চার্চগুলোর ভেতর তুচ্ছ পার্থক্য থাকায় প্রতিচ্যকে প্রত্যাখ্যান করা হয়। প্রথমত স্পেনের পতন ঘটায় ইহুদি ও মুরদেরকে বিতাড়নের মাধ্যমে এবং পরে নেদারল্যান্ডে বিদ্রোহ ও দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের মাধ্যমে। অপরদিকে বর্তমান যুগব্যাপী ওইসব জাতিই সফল হচ্ছে যারা ভিন্ন মতাবলম্বীদের নির্যাতনে সবচেয়ে কম আসক্ত।

    তা সত্ত্বেও আজকাল ব্যাপকতা লাভ করেছে একটি কথা, সুষম মতবাদ অপরিহার্য জাতীয় সংহতির জন্য। এই দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করা হয় জার্মানি ও রাশিয়ায় কঠোরতার সঙ্গে এবং ইতালি ও জাপানের কিছুটা শৈথিল্যের সঙ্গে। গ্রেট ব্রিটেন ও ফ্রান্সে অনেক ফ্যাসিবাদ বিরোধীরাই এই মতবাদ পোষণ করেন যে মুক্তিচিন্তাই হচ্ছে সামরিক দুর্বলতার উৎস। আরও একবার এই প্রশ্নের পর্যালোচনা করা যাক অধিক তত্ত্বগতভাবে এবং বিশ্লেষণাত্মক ঢঙে।

    আমি যে প্রশ্ন সম্পর্কে বলছি তা ব্যাপক কিছু নয়। মুক্তচিন্তাকে উৎসাহিত। করা উচিত কি-না অথবা কমপক্ষে তা কি সহ্য করতে হবে? আমি একটি ছোট প্রশ্ন করছি : ক্ষমতার উৎস হিসেবে (স্বতঃস্ফূর্ত বা আরোপিত) সুষম ধর্মমতের ব্যাপ্তি কতটুকু? অপরপক্ষে এর ব্যাপ্তি কতটুকু ক্ষমতার উৎস হিসেবে?

    ১৯০৫ সালে যখন ব্রিটিশরা তিব্বতে সামরিক অভিযান চালায় তখন প্রথমে সাহসের সঙ্গে অগ্রসর হয় তিব্বতীয়রা, কারণ লাগামবাদীরা বুলেটের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ দান করে। কিন্তু তা সত্ত্বেও তারা হতাহত হলে লাগামবাদীরা দেখল যে বুলেটের অগ্রভাগ নিকেলের তৈরি। তখন ব্যাখ্যা দেয়া হলো যে শুধু সিসার ক্ষেত্রে রক্ষাকবচ প্রযোজ্য। এরপর খুব কম সাহস প্রদর্শন করে তিব্বতীয়রা। বেলাকুন এবং পিজনার যখন কমিউনিস্ট বিপ্লব করেন তখন তারা আশ্বস্ত ছিলেন যে, তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে দ্বান্দ্বিক মতবাদ। আমি ভুলে গিয়েছি যে লাগামবাদীরা কমিনটার্নের ব্যর্থতার কি ব্যাখ্যা দিয়েছিল? এ দুটো দৃষ্টান্ত থেকে বোঝা যায় যে বিজয় লাভে ব্যর্থ সুষম বিশ্বাস।

    এ ব্যাপারে সত্যে পৌঁছাতে হলে দুই বিপরীত উক্তির ভেতর আপস মীমাংসা করা প্রয়োজন। এর প্রথমটি হচ্ছে, বিশ্বাসের অনুবর্তী মানুষ ভিন্ন মতাবলম্বীদের চেয়ে অধিক আগ্রহের সঙ্গে সহযোগিতা করবে। দ্বিতীয়টি হচ্ছে, ভ্রান্ত বিশ্বাসের চেয়ে সত্য বিশ্বাসের অনুসারীদের সাফল্যলাভের সম্ভাবনা বেশি। এই দুই উক্তি পরীক্ষা করব আমরা।

    এটা স্পষ্ট যে, সহযোগিতার সহায়ক হলো ঐকমত্য। স্পেনের গৃহযুদ্ধে এনার্কিস্ট, কমিউনিস্ট ও বাস্ক জাতীয়তাবাদীদের ভেতর সহযোগিতা কঠিন ছিল, যদিও তারা সবাই কামনা করে ফ্রাঙ্কোর পরাজয়। একটু কম হলেও অনুরূপভাবে কার্লিস্ট ও আধুনিক ফ্যাসিবাদীদের ভেতর সহযোগিতা কঠিন হয়ে পড়ে। অব্যবহিত লক্ষ্য সম্পর্কে ঐকমত্য ও মেজাজগত সাদৃশ্য থাকলে অন্যান্য বিষয়ে মতপার্থক্য ক্ষতিকর নয়। পেনিনসুলার যুদ্ধের ঐতিহাসিক স্যার উইলিয়াম নেফিয়ার নেপোলিয়নের প্রশংসা করেছেন এবং ওয়েলিংটনের নিন্দা করেছেন। তার লিখিত বই থেকে প্রতীয়মান হয় যে, তিনি দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন নেপোলিয়নের পরাজয়কে। কিন্তু তার সাম্প্রদায়িক চেতনা ও সামরিক কর্তব্যানুভূতি বাতিল করে দেয় এ ধরনের বুদ্ধিবৃত্তি। তিনি উচ্চ রক্ষণশীল রাজনীতিকদের মতো দক্ষতার সঙ্গে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন। সুযোগ এলে আজকাল হিটলারের বিরুদ্ধে তেজোবীর্যের সাথে যুদ্ধ করবে ব্রিটিশ টরিরা।

    একটি জাতি, ধর্ম বা দলের ক্ষমতালাভের জন্য জরুরি মেজাজ ও অভ্যাসের উপর নির্ভরশীল সমতা। যেখানে এর অস্তিত্ব রয়েছে সেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক বিশ্বাসের প্রয়োজন নেই। গ্রেট ব্রিটেনে এর অস্তিত্ব বিদ্যমান কিন্তু সেখানে তা ছিল না ১৭৪৫ সাল পর্যন্ত। ১৯৭২ সালে ফ্রান্সে অথবা বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে এবং পরবর্তী গৃহযুদ্ধের সময় রাশিয়ায় এর অস্তিত্ব ছিল না। এ মুহূর্তে এর অস্তিত্ব নেই স্পেনে। কার্যক্ষেত্রে আনুগত্যের উপর নির্ভর করতে পারলে একটি সরকারের পক্ষে মুক্ত চিন্তার অনুকূলে সম্মতি প্রদান করা কঠিন নয়। কিন্তু বিষয়টি জটিল হয়ে যেতে পারে সম্মতি প্রদানে অনিচ্ছার দরুন। এটা স্পষ্ট যে, গৃহযুদ্ধের সময় স্বাধীন প্রচারণা অসম্ভব, কিন্তু আসন্ন গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে প্রচারণা নিষিদ্ধকরণের যুক্তিগুলো কম আকর্ষণীয়। জোরালো যুক্তি বিদ্যমান মারাত্মক পরিবেশে আরোপিত সমস্যার পক্ষে।

    এখন ধরা যাক দ্বিতীয় উক্তিটি। সত্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বিশ্বাসগুলো নেয়াই সুবিধাজনক। সরাসরি সুবিধা সম্ভব শুধু সীমিত শ্রেণির বিশ্বাসের বেলায়। প্রথমত উচ্চ বিস্ফোরক দ্রব্য ও বিষাক্ত গ্যাসের মতো বিষয়গুলো এবং পরে ধরা যেতে পারে বিরোধী শক্তিগুলোর আপেক্ষিক ক্ষমতা-সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো। এসব বিষয় সম্পর্কেও বলা যেতে পারে যে, শুধু নীতি ও সামরিক ক্রিয়াকলাপ নির্ধারণে নিয়োজিত ব্যক্তিদের সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি থাকা প্রয়োজন : আশা করা যায় যে জনগণ বিজয়ের নিশ্চয়তা অনুভব করবে এবং বিমান ও আক্রমণপ্রসূত বিপদের গুরুত্ব কমই দেবে। সত্য সম্পর্কে অবহিত হবেন শুধু সরকার, সামরিক কর্তাব্যক্তি ও তাদের কুশলীরাই। অন্যান্য মানুষের ভেতর সর্বাধিক কাম্যআত্মবিশ্বাস ও অন্ধভাবে বাধ্য থাকা।

    যদি দাবার মতো হিসাব করা যেত মানবীয় কার্যকলাপ এবং যদি রাজনীতিবিদ ও যুদ্ধবিশারদরা দাবা খেলোয়াড়দের মতো চতুর হতেন তাহলে এই দৃষ্টিভঙ্গিতে কিছুটা সত্য থাকত। সফল যুদ্ধের সুবিধাগুলো সন্দেহজনক, কিন্তু ব্যর্থ যুদ্ধের অসুবিধাগুলো নিশ্চিত। সুতরাং যদি অসাধারণ ক্ষমতাশালী ব্যক্তি আগেভাগেই বুঝতে পারতেন যে অমুক যুদ্ধে জয়লাভ করতে যাচ্ছেন তাহলে কোনো যুদ্ধই হতো না। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে যুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং প্রতিটি যুদ্ধেই সম্ভাব্যতার ভুল হিসাবটি করে থাকেন উভয় পক্ষের সরকার না হলেও এক পক্ষের সরকার। এর অনেক কারণ রয়েছে–গর্ব, অহংকার ও ছোঁয়াচে উত্তেজনা। যখন জনমনে অন্ধ বিশ্বাস জিইয়ে রাখা হয় তখন জনগণের এই বিশ্বাস ও মারমুখো ভাব সম্বন্ধে শাসকদের সহজেই অবহিত করা যেতে পারে। খুব কমই এইসব অপ্রিয় সত্যের মূল্যদিয়ে থাকেন শাসক শ্রেণি, তা তারা জানেন অথচ গোপন রাখেন। তবে সংবাদপ্রিয় অথবা কতোপকথনে ঘোষিত প্রিয় সত্য বিষয়ের যথার্থ মূল্যায়ন করে থাকেন। সৃষ্টি হচ্ছে বায়ুরোগ ও অহংভাবের বাতিক; রেহাই নেই সরকারের।

    গোপনীয়তার জন্য সৃষ্ট ফলাফল আকাঙ্ক্ষিত ফলাফলের ঠিক বিপরীত হয় যুদ্ধ সংঘঠিত হলে। মানুষের কাছ থেকে গোপন করে রাখা অপ্রীতিকর সত্যের কিছু কিছু সর্বসাধারণের কাছে স্পষ্ট হয়ে যেতে পারে এবং মানুষকে যতই সুখের স্বর্গে বসবাসের প্রতিশ্রুতি দেয়া হোক না কেন, তারা ততই আতঙ্কিত ও নিরুৎসাহিত হয় বাস্তব সত্যের দ্বারা। এইভাবে বেড়ে যায় বিপ্লব এবং আকস্মিক পদচ্যুতির সম্ভাবনা।

    বুদ্ধিবৃত্তির জন্য ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায় অধীনস্তদের জোরপূর্বক বিশেষভাবে আচরণ দেখাতে বাধ্য করা হলে। বাহ্যিকভাবে হলেও অযৌক্তিক মতবাদ গ্রহণ যে সমাজে স্বাভাবিক সে সমাজে সর্বোৎকৃষ্ট ব্যক্তিকে বিরাগভাজন হতে হয়। ফলে ওই সমাজে বুদ্ধিবৃত্তিক মান কমে এবং তা অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় কৌশলগত অগ্রগতির পথে। এর সত্যতা বিশেষভাবে প্রমাণিত হয় যখন অফিসিয়াল ধর্মমত এমন হয় যে, তা গ্রহণ করতে পারে খুব কম সংখ্যক মানুষই। নাজিরা অনেক যোগ্য জার্মান নাগরিককে নির্বাসিত করেছে। আজ হোক কাল হোক এর প্রভাব পড়বেই সামরিক কৌশলের উপর। বিজ্ঞান ছাড়া অসম্ভব দীর্ঘ অগ্রগতি। আবার চিন্তার ক্ষেত্রে স্বাধীনতার অভাব হলে অগ্রগতি অসম্ভব। ফলে এই বিজ্ঞানের যুগে যুদ্ধ ভিন্ন অন্য সব ক্ষেত্রে মতামত সংক্রান্ত সমতার প্রচেষ্টা পরিশেষে সামরিক দক্ষতার সর্বনাশ সাধন করে।

    আমরা এখন আসতে পারি এ দুটো গতানুগতিক উক্তির বাস্তব সংশ্লেষণে। সামাজিক বন্ধনের জন্য প্রয়োজন একটি ধর্মমত অথবা আচার-আচরণের একটি প্রচলিত রীতি অথবা প্রভাবশালী ভাবপ্রবণতা অথবা এ তিনের সংমিশ্রণ। একটি সম্প্রদায় ভেঙে পড়তে পারে এর কোনো একটি না থাকলে। ফলে কোনো অত্যাচারী বা বিদেশি শক্তির অধীন হয়ে যেতে পারে। কিন্তু এ ধরনের বন্ধন কার্যকরি হলে একে গভীরভাবে অনুভব করে নেয়া প্রয়োজন, তা বলপূর্বক আরোপিত হতে পারে সংখ্যালঘুর উপর, যদি সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ব্যতিক্রমী বুদ্ধিবৃত্তি বা নৈতিকতার দিক দিয়ে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ না হয়। তবে তা অবশ্যই সংখ্যাগরিষ্ঠের ভেতর খুঁটি ও স্বতঃস্ফূর্ত হবে। ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত সামাজিক সংহতির উপায় হচ্ছে নেতার প্রতি আনুগত্য, জাতীয় গৌরব এবং ধর্মীয় উৎসাহ। কিন্তু নেতার প্রতি আনুগত্য আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে এখন অপেক্ষাকৃত কম স্থায়ীভাবে কার্যকর। তার কারণ বর্তমানে সার্বভৌমত্বের উত্তরাধিকার হ্রাস পেয়েছে এবং মুক্তচিন্তার প্রসারের ফলে ধর্মীয় উৎসাহে ভাটা পড়েছে। সুতরাং একমাত্র জাতীয় গৌরব রয়ে গেল এবং তা আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে অধিক গুরুত্বপূর্ণ। খ্রিস্টবাদের মতো এত অধিক না হলেও এই অনুভূতির পক্ষে ক্ষতিকর অফিসিয়াল ধর্মমত থাকা সত্ত্বেও সোভিয়েত রাশিয়ায় লক্ষণীয়ভাবে আগ্রহের সৃষ্টি করেছে এর পুনরাবির্ভাব।

    স্বাধীনতার উপর কতটুকু হস্তক্ষেপ প্রয়োজন জাতীয় গৌরব রক্ষার জন্য? মুলত হস্তক্ষেপের উদ্দেশ্য তা-ই। রাশিয়ায় মনে করা হয় যে, যারা অফিসিয়াল মতামতের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন রাষ্ট্রদ্রোহিতার আচরণ দেখানোই স্বাভাবিক তাদের পক্ষে। ইতালি ও জার্মানিতে সরকারের শক্তি নির্ভর করে সরকারের জাতীয়তাবাদী আচরণের উপর এবং যে কোনো বিরোধিতাই মস্কোর স্বার্থে হয়েছে বলে ধরে নেয়া হয়। ফ্রান্সে স্বাধীনতাহানি ঘটলে বুঝতে হবে যে তা সম্ভবত জার্মানপন্থিদের বিশ্বাসঘাতকতা রোধের লক্ষ্যে করা হয়েছে। এসব দেশে শ্রেণি সংঘাতগুলোকে অতিক্রম করে যায়। ফলে গণতান্ত্রিক দেশে পুঁজিপতি এবং ফ্যাসিবাদী দেশে সমাজতান্ত্রিক ও সাম্যবাদী দল জাতীয় স্বার্থ ভিন্ন অন্য স্বার্থের চেতনায় পরিচালিত হয়। এই সমস্যা কঠিন সরকারের জন্য। কারণ, জাতীয়তাবাদ একটি মূর্খতাপূর্ণ আদর্শ ও বুদ্ধিজীবীরা অনুধাবন করেন যে তা ধ্বংস এনেছে ইউরোপে। সবচেয়ে ভালো সমাধান হচ্ছে যে গণতন্ত্র কমিউনিজম বা সমষ্টিগত নিরাপত্তার মতো আন্তর্জাতিক স্লোগানের ছদ্মাবরণে নিয়ে আসে। জার্মানি ও ইতালির মতো যেসব দেশে তা করা যায় না, বাহ্যিক সমতা সেখানে অত্যাচারের জন্ম দেয়, কিন্তু জন্ম দেয় না বৈধ অন্তর্মুখী চেতনার। সংক্ষিপ্ত সার হচ্ছে সামাজিক সংহতির জন্য অপরিহার্য কোনো একটি ধর্মমত। কিন্তু শক্তির উৎস হতে হলে অধিকাংশ জনগোষ্ঠী এবং কিছু সংখ্যক কুশলীদের দ্বারা তা অনুভূত হতে হবে একান্ত গভীরভাবে। যেখানে এ ধরনের অবস্থা নেই সরকার সেখানে বিপচন ও নির্যাতনের মাধ্যমে তা সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারেন। কিন্তু বিপচন ও নির্যাতন কঠোর হলে তা বাস্তবতার বাইরে চলে যেতে পারে এবং বাধ্য করে গুরুত্বপূর্ণ সত্য সম্পর্কে অজ্ঞ থাকতে অথবা তা ভুলে যেতে। যেহেতু ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ব্যক্তিরা ক্ষমতার তাড়না দ্বারা প্রভাবিত সেহেতু স্বাধীনতার উপর যে পরিমাণ হস্তক্ষেপ জাতীয় শক্তির জন্য সবচেয়ে সহায়ক-তা সবসময়ই সরকারগুলোর বিশ্বাসের তুলনায় কম। তাই অরাজকতায় পর্যবসিত না হলে জাতীয় সংহতি বৃদ্ধি করতে পারে হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে বিকীর্ণ অনুভূতি। কিন্তু বিশেষ ক্ষেত্র ছাড়া এসব চলে যেতে পারে সার্বজনীনতার বাইরে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশিক্ষা প্রসঙ্গ – বার্ট্রান্ড রাসেল
    Next Article মানুষের কি কোনো ভবিষ্যত আছে? – বার্ট্রান্ড রাসেল

    Related Articles

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    অপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }