Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শক্তি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    বার্ট্রান্ড রাসেল এক পাতা গল্প292 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৯. জনমত সংগঠনের ক্ষমতার প্রভাব

    জনমত সংগঠনের ক্ষমতার প্রভাব

    এমন দৃষ্টিভঙ্গির সহায়ক যুক্তি খুঁজে বের করা সহজ যে, মতামতই সর্বোচ্চ ক্ষমতা এবং অন্যসব ক্ষমতা এ থেকেই উদ্ভুত। সৈন্যরা অকেজো হয়ে পড়ে যুদ্ধের যৌক্তিকতা সম্পর্কে যুদ্ধরত সৈন্যদের আস্থার অভাব হলে অথবা ভাড়াটে সৈন্যদের বেলা বিজয়লাভে সেনাপতির যোগ্যতায় আস্থা না থাকলে। আইন অর্থহীন হয়ে পড়ে সমাজে সাধারণ স্বীকৃতির অভাব হলে। অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ভরশীল আইনের প্রতি শ্রদ্ধার উপর। দৃষ্টান্ত স্বরূপ বলা যায় যে, জালিয়াতির বিরুদ্ধে নাগরিকদের আপত্তি না থাকলে ব্যাংকিংয়ের ব্যাপারে কি ঘটত? প্রায়ই রাষ্ট্রের চেয়ে ধর্মীয় মতামত বেশি শক্তিশালী বলে প্রমাণিত। কোনো দেশের অধিকাংশ জনগণ সমাজতন্ত্রের পক্ষ অবলম্বন করলে সে দেশে ধনতন্ত্র অচল হয়ে পড়ে। এমন ক্ষেত্রে বলা যেতে পারে যে, মতামতই হচ্ছে সামাজিক কার্যকলাপে সর্বোচ্চ ক্ষমতা।

    কিন্তু মতামত গঠনকারী কারণগুলো অবহেলিত হলে অর্ধেকে এসে দাঁড়ায় এর সত্যতা। জনমত সামরিক শক্তির জন্য অপরিহার্য–এ কথা যেমন সত্য তেমনি সমভাবে সত্য যে সামরিক শক্তি জনমত গঠন করতে পারে। এ মুহূর্তে ইউরোপের প্রত্যেকটি দেশে একটি করে ধর্ম রয়েছে যা ষোড়শ শতাব্দীর শেষদিকে ওই দেশগুলো রাষ্ট্রধর্ম ছিল সেনাশক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে নির্যাতন ও প্রচারণা নিয়ন্ত্রণ করত কোনো কোনো দেশ। এ কথা মনে করা হয় যে মনোগত কারণেই মতামত গঠিত হয়। কিন্তু তা শুধু সত্য অব্যবহিত কারণের বেলা। পটভূমিতে ধর্মমতের সেবায় স্বভাবতই শক্তির ভূমিকা বিদ্যমান।

    বিপরীত দিক থেকে বলা যায় যে, সূচনালগ্নে ধর্মমতের অধীন কোনো শক্তি থাকে না এবং প্রাথমিক পদক্ষেপগুলোতে ব্যাপক জনমত সৃষ্টি করতে হয় শুধু যুক্তি-পরামর্শের মাধ্যমে।

    সুতরাং আমি সন্ধান পাই এক প্রকার ঊর্ধ্ব-নিম্নমুখী গতির : প্রথমত অল্প মানুষের দীক্ষা অর্জনের লক্ষ্যে বিশুদ্ধ যুক্তি-পরামর্শের ব্যবহার, তারপর অবশিষ্ট মানুষের সঠিক প্রচারণার প্রভাবাধীন করার লক্ষ্যে শক্তি প্রয়োগ এবং পরিশেষে বৃহৎ অংশের অকৃত্রিম বিশ্বাস, যা আবারও শক্তির ব্যবহার অপ্রয়োজনীয় করে দেয়। কিছু মানুষ মতামতের ক্ষেত্রে প্রথম পর্যায় ছাড়িয়ে যায় না, কিছু দ্বিতীয় পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছে তারপর ব্যর্থ হয় এবং অন্যান্য মানুষ তিনটির সব কটিতে সফল হয়। বন্ধু সমাজ কখনও যুক্তি-পরামর্শের বাইরে যায়নি। অন্যান্য গির্জা অমান্যকারীরা ক্রমওয়েলের সময় অর্জন করে রাষ্ট্রশক্তি। কিন্তু ব্যর্থ হয় ক্ষমতা দখলের পর প্রচারণায়। তিন শতাব্দী ধরে যুক্তি-পরামর্শ ব্যবহারের মাধ্যমে ক্যাথলিক চার্চ অর্জন করে কনস্টান্টাইনে সময় রাষ্ট্রশক্তি। তারপর শক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে একটি প্রচারণা পদ্ধতি প্রতিষ্ঠা করে, যার ফলশ্রুতিস্বরূপ প্রায় সব পৌত্তলিক খ্রিস্ট ধর্মে দীক্ষিত হয়। বর্বরদের আক্রমণের পরও খ্রিস্ট ধর্ম বেঁচে থাকে। রাশিয়ার মার্কসীয় ধর্মমত দ্বিতীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে, কিন্তু অন্যত্র তা সীমাবদ্ধ প্রথম পর্যায়েই।

    যা হোক, কিছু গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত রয়েছে যে কোনো স্তরে বল প্রয়োগ ছাড়া জনমত গঠনকারী প্রভাবের। বিজ্ঞানের অভ্যুদয় হচ্ছে এগুলোর ভেতর উল্লেখযোগ্য। অধুনা সভ্য দেশগুলোতে বিজ্ঞান রাষ্ট্র কর্তৃক উৎসাহিত হচ্ছে। কিন্তু এর সূচনালগ্নে অবস্থা এ রকম ছিল না। গ্যালিলিওকে তার বিশ্বাস পরিত্যাগে বাধ্য করা হয়। নিউটনকে মিন্টোর প্রভু বানানোর মাধ্যমে থামিয়ে দেয়া হয়। ক্রিস্ট ও এরিস্টটলসহ ইতিহাসে জ্ঞাত অন্যান্য ব্যক্তিত্বের চেয়ে তাদের প্রভাব অনেক বেশি। অন্য একমাত্র ব্যক্তিত্ব যার প্রভাব তুলনামূলকভাবে গুরুত্বের অধিকারী তিনি হচ্ছেন পিথাগোরাস। সন্দেহজনক তার অস্তিত্ব।

    আজ প্রথাগত হয়ে পড়েছে মানবীয় কার্যাবলির সহায়ক শক্তি হিসেবে যুক্তি পরামর্শ রহিতকরণ। তারপরও বিজ্ঞানের অভ্যুদয় হচ্ছে অন্য দিকে এক অদম্য শক্তি। বিজ্ঞানজগতের ব্যক্তিরা অপেশাদার বুদ্ধিমান মানুষের কাছে এ কথা প্রমাণ করেন যে, একটি বিশেষ ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি সামরিক শৌর্য-বীর্যের সহায়ক। ক্যাথলিক ধর্মতত্ত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনুরাগ ও চার্চের রাজত্ব এবং প্রথাজনিত শক্তি সত্ত্বেও এসব লক্ষ্য এত আগ্রহের সঙ্গে প্রতীক্ষিত হচ্ছিল যে নতুন বুদ্ধিবৃত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি অতিক্রম করে যাবে। সূর্যকে স্থির থাকতে বাধ্য করেছিল যশোয়া-এ জাতীয় বিশ্বাস বিশ্ববাণী পরিত্যাগ করেছে। নৌ চলাচলের জন্য উপকারী কোপারনিকাসের জোতির্বিদ্যা। এরিস্টটলের পদার্থবিদ্যা পরিত্যক্ত হলো। কারণ, পড়ন্ত বস্তু সম্পৰ্কীয় গ্যালিলিওর তত্ত্বের দ্বারা ক্যানন বলের গতিপথ বের করা সম্ভব হলো। বন্যার কাহিনী প্রত্যাখ্যান করা হলো, কারণ ভূতত্ত্ববিদ্যা খনিজ সম্পদ উত্তোলনের জন্য উপযোগী। এখন সাধারণভাবে স্বীকৃত হচ্ছে যে, যুদ্ধ এবং শান্তিকালীন শিল্পের জন্য বিজ্ঞান অপরিহার্য এবং বিজ্ঞান ছাড়া কোনো জাতি সম্পদশালী বা ক্ষমতাশালী হতে পারে না।

    এসব প্রভাব শুধু মতামতের উপর বিজ্ঞানের বদৌলতে বাস্তবধর্মী আবেদনের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে সাধারণ তত্ত্বের মাধ্যমে বিজ্ঞান যা বলতে চায় তা প্রশ্নাতীত নয়। কিন্তু কৌশলের মাধ্যমে প্রাপ্ত ফলাফল সবার জন্য উন্মুক্ত। বিজ্ঞান শ্বেতকায় মানুষের এ পৃথিবীর প্রভুত্ব দান করেছিল, কিন্তু তা হারাতে বসে জাপানিরা তাদের কৌশল শিখে ফেললে।

    যুক্তি-পরামর্শের ক্ষমতা সম্পর্কে এই দৃষ্টান্ত থেকে কিছু জানা যেতে পারে। বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে যুক্তি-পরামর্শ কুসংস্কারের উপর জয়যুক্ত হয়, কারণ তা চলমান উদ্দেশ্য উপলব্ধি পথ প্রদর্শন করে। অধিকন্তু এ ধরনের কাজের পক্ষে অকাট্য প্রমাণ রয়েছে। যারা বলতে চান যে মানবীয় কার্যাবলিতে যুক্তির কোনো ক্ষমতা নেই, তারা এ দুটো যুক্তি অবহেলার চোখে দেখেন। যদি শুধু যুক্তি-পরামর্শের নামে আপনি কোনো লোককে তার মৌলিক উদ্দেশ্য পরিবর্তন করার আহ্বান জানান তাহলে আপনি ব্যর্থ হবেন এবং আপনি ব্যর্থ হতে বাধ্য, কারণ, শুধু যুক্তি পরার্মশই জীবনের লক্ষ্য নিরূপণ করতে পারে না। প্রোথিতমূল কুসংস্কারের বিরুদ্ধে আপনার আক্রমণ একইভাবে ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে যদি আপনারা যুক্তিগুলো প্রশ্নাতীত না হয় অথবা এত কঠিন না হয় যে শুধু বিজ্ঞানের ছাত্ররাই এর গুরুত্ব উপলব্ধি করতে পারে। প্রত্যেক সুস্থ ব্যক্তির কাছে বিশ্বাসযোগ্য দৃষ্টান্ত দ্বারা আপনি প্রমাণ করতে পারেন যে, আপনি বিদ্যমান আশা-আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ করতে সক্ষম, তবে আপনি আশা করতে পারেন যে আপনি যা বলবেন মানুষ তা বিশ্বাস করবে। অবশ্য এতে সীমাবদ্ধতা রয়েছে যে, আপনি যেসব আশা পূর্ণ করতে সক্ষম তা যারা ক্ষমতালাভে সক্ষম তাদের।

    মানবীয় কার্যাবলির ক্ষেত্রে এগুলো হচ্ছে বিচার-বুদ্ধিজাত ক্ষমতা। আমি এখন আলোচনা করব অন্য এক প্রকার বলহীন যুক্তি-পরামর্শ সম্পর্কে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় ধর্ম প্রচারকদের যুক্তি-পরামর্শ সম্বন্ধে। মামুলি ফর্মুলায় পর্যবসিত পদ্ধতি হচ্ছে : যদি বিশেষ উপপাদ্য সত্য হয় তবে আমি আমার আকাঙ্ক্ষা পূরণে সমর্থ হব। আমি আশা করি যে, এই উপপাদ্যটি সত্য হবে; সুতরাং আমার ব্যতিক্রমধর্মী বুদ্ধিবৃত্তিক আত্মনিয়ন্ত্রণ না থাকলে আমি একে সত্য বলে বিশ্বাস করব। আমাকে বলা হয়েছে যে, গোঁড়ামি ও ধর্মীয় জীবনযাপন মৃত্যুর পর আমাকে স্বর্গে যাওয়ার সামর্থ্য যোগাবে। এ রকম বিশ্বাসের পেছনে আনন্দ রয়েছে এবং সম্ভবত আমি তা বিশ্বাস করব যদি জোরেশোরে তা আমার কাছে উপস্থাপন করা হয়। এই বিশ্বাসের কারণ বিজ্ঞানের সত্য তথ্যের মতো নয়, বরং বিশ্বাস থেকে প্রাপ্ত আনন্দানুভূতি ও তৎসমেত বিশ্বাস জন্মানোর নিমিত্ত প্রাণশক্তি, যা অবিশ্বাসযোগ্য করে তোলে না ওই পরিবেশে।

    প্রচারাভিযানের ক্ষমতা এই শিরোনামে ধরা পড়ে। এমন দিলে বিশ্বাস করা আনন্দদায়ক, কারণ তা আপনাকে আশা প্রদান করে ভালো স্বাস্থ্যের। এগুলো বিশ্বাস করা সম্ভব যদি আপনি দেখতে পান যে এগুলোর শ্রেষ্ঠত্ব সম্পর্কে জোরেশোরে ঘন ঘন ঘোষণা করা হচ্ছে। সঙ্গত প্রচারণার মতো অসঙ্গত প্রচারণা ও অবশ্য মানুষের অনুভূতিকে নাড়া দেয়। কিন্তু সত্যের প্রতি আবেদনের পুনর্ব্যক্ততার প্রতিকল্প স্বরূপ এগুলো।

    বাস্তব ক্ষেত্রে এত পরিষ্কার নয় উপরোল্লিখিত বিশ্লেষণের মতো যৌক্তিক ও অযৌক্তিক আবেদনের ভেতর পার্থক্য। চূড়ান্ত হওয়ার জন্য যথেষ্ট না হলেও স্বাভাবিকভাবে বিদ্যমান কিছু যুক্তিসঙ্গত প্রমাণ। অযৌক্তিক অবস্থা বিরাজ করে কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত গুরুত্ব আরোপের ভেতর। প্রথাগত না হলে বিশ্বাস আকাঙ্ক্ষা, প্রমাণ ও পুনর্ব্যক্ততার সমন্বয়ে সৃষ্টি হয়ে থাকে। আকাক্ষা ও প্রমাণের অভাব হলে বিশ্বাস অস্তিত্বহীন হয়ে পড়ে। বাইরে থেকে গুরুত্ব আরোপিত না হলে বিশ্বাস ব্যতিক্রমধর্মী বৈশিষ্ট্য নিয়ে আবির্ভূত হয়। ধর্মের প্রবর্তক, বিজ্ঞান আবিষ্কর্তা ও পাগলের বৈশিষ্ট্যের অনুরূপ এইগুলো।

    ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ব্যক্তিরা অর্জন করেন পুনর্ব্যক্ততার শক্তি বলে বিশ্বাস প্রভাবিত করার সামর্থ্য। অফিসিয়াল প্রচারণার রয়েছে নতুন ও পুরনো রূপ। চার্চের কৌশল অনেক দিক দিয়েই প্রশংসার যোগ্য; কিন্তু তা ছাপাখানা আবিষ্কারের আগ পর্যন্ত উন্নতি লাভ করে। এ কারণে আগের মতো ফলপ্রদ নয়। বহু শতাব্দী ধরে রাষ্ট্র বিশেষ বিশেষ পদ্ধতি ব্যবহার করে : মুদ্রার উপর রাজার মাথা, রাজ্যাভিষেক এবং জুবিলি, পদাতিক ও নৌবাহিনীর প্রদর্শনমূলক ক্রিয়াকলাপ ইত্যাদি। কিন্তু এগুলো শিক্ষা, সংবাদ মাধ্যম, সিনেমা, রেডিও ইত্যাদির মতো আধুনিক পদ্ধতিগুলোর চেয়ে অনেক কম শক্তিসম্পন্ন। সর্বগ্রাসী রাষ্ট্রগুলোতে এগুলো চরমভাবে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এত শিগগির এগুলো .মূল্যায়ন সম্ভব নয়।

    আমি বলেছিলাম, আশা-আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ না হলে হৃদয়বৃত্তিতে নাড়া দিতে পারে না প্রচারণা। তা প্রমাণ করা যেতে পারে জাতীয়তাবোধের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রচারণা ব্যর্থতার দ্বারা। দৃষ্টান্ত স্বরূপ যুদ্ধপূর্ব অস্টিয়া, হাঙ্গেরির বৃহদংশ, ১৯৯২ সাল পর্যন্ত আয়ারল্যান্ড এবং বর্তমান যুগ পর্যন্ত ভারতে সংঘটিত ঘটনাবলি উল্লেখ করা যায়। প্রচারণা সফল হয় রোগীর হৃদয়ানুভূতির সঙ্গে ঐকতান সৃষ্টি করলেই। মৌন সম্মতির এ ধরনের কোনো মৌল কারণ না থাকলে কর্তৃপক্ষের দাবি নিন্দার চোখে দেখা হয়। সরকারি দৃষ্টিকোণ থেকে গণতন্ত্রের সুবিধা হচ্ছে, এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে প্রতারণা করা সহজ; কারণ, তারা গণতান্ত্রিক সরকারকে নিজের সরকার মনে করে। দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের বিরুদ্ধাচরণ অন্যান্য শাসন পদ্ধতির চেয়ে গণতন্ত্রে কম। গণতন্ত্রে অধিকাংশ মানুষ সরকারের বিরুদ্ধে যেতে পারে কঠিন ও নীরস নেতা নির্বাচনের জন্য নিজেদের ভুল স্বীকারের মাধ্যমে।

    গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে পদ্ধতিগত ব্যাপকভিত্তিক প্রচারণা বর্তমানকালে চার্চ, ব্যবসা, রাজনৈতিক দল, প্রটোক্র্যাসি এবং রাষ্ট্রের ভেতর হয়ে পড়েছে বিভক্ত। বিরোধী রাজনৈতিক দল ছাড়া এসব শক্তি একই পক্ষে থাকে। বিরোধী দলগুলোও ক্ষমতায় যাওয়ার সম্ভাবনা দেখতে পেলে রাষ্ট্রীয় প্রচারণা মৌল বিষয়গুলোর বিরোধিতা করে না। সর্বগ্রাসী দেশগুলোতে রাষ্ট্রই একমাত্র প্রচারক। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি না আধুনিক প্রচারণার সর্বপ্রকার সুবিধা থাকা সত্ত্বেও যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার পর অফিসিয়াল দৃষ্টিভঙ্গি ব্যাপকভাবে গৃহীত হবে। জাতীয় অনুভূতি বিরোধী সরকারের মতোই এ ধরনের অবস্থার ফলে জন্ম নেয় সরকারের ব্যর্থতাবোধ। যুদ্ধোন্মদনা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে যত বেশি জয়ের ভরসা দেয়া হয় জয়ের সম্ভাবনা শূন্যের কোঠায় হলে প্রতিক্রিয়া তত বেশি হয়। সুতরাং আশঙ্কা করা হয় যে, বিগত যুদ্ধের মতো পরবর্তী যুদ্ধ বিপ্লবের বীজ ছাড়ানোর মাধ্যমে সমাপ্ত হবে। যুদ্ধ আরও বেশি ধ্বংসাত্মক হবে বিধায় ১৯১৭ ও ১৯১৮ সালে বিপ্লবের চেয়েও বেশি ভয়ানক হবে। শাসকরা উচ্ছঙ্খল জনতার হাতে মৃত্যুর ঝুঁকি সম্পর্কে বুঝতে পারেন, যা শত্রুর হাতে সৈন্যদের মৃত্যুর ঝুঁকির সমান।

    ক্ষমতার উচ্চ মূল্যায়ন সহজ অফিসিয়াল প্রচারণায়, বিশেষত যখন কোনো প্রতিযোগিতামূলক প্রচারণা থাকে না। সময়মতো যেসব উপপাদ্য মিথ্যা প্রমাণিত হয়ে যায় ওইসব মিথ্যা উপপাদ্যে বিশ্বাস জন্মানোর লক্ষ্যে অফিসিয়াল প্রচারণা নিবেদিত হলে এর অবস্থান গ্যালিলিওর বিরুদ্ধবাদী এরিস্টটলের অনুসারীদের মতোই খারাপ হয়। বিরোধী দুটো রাষ্ট্রশক্তির প্রত্যেক পক্ষই যদি মানুষের মনে নিশ্চিত যুদ্ধ জয়ের প্রচারণা চালায় তবে উভয় পক্ষ না হলেও একপক্ষ অবশ্যই নাটকীয়ভাবে অফিসিয়াল বিবৃতি খন্ডনের অভিজ্ঞতা লাভ করবে। যখন সব বিরোধী প্রচারণা নিষিদ্ধ থাকে তখন শাসকদের মনে করা স্বাভাবিক যে, তা সৃষ্টি করতে পারে যে কোনো ধরনের বিশ্বাস। সুতরাং অসতর্ক হয়ে পড়ে অতিমাত্রায় ধারণা পোষণ করে। শক্তি বজায় রাখতে হলে প্রয়োজন মিথ্যাগুলোর ভেতর প্রতিযোগিতা।

    ক্ষমতা রাষ্ট্রের একচেটিয়া অধিকারভুক্ত হয় মতামতের উপর একীভূত ও ঘনীভূত হয়ে। কিন্তু এটা মনে করা যুক্তিসঙ্গত হবে না যে, যুদ্ধ ছাড়া অন্য সময়েও রাষ্ট্রের একচেটিয়া প্রচারের ফলে সরকার অজেয় হবে। লুথারীয় যুগের পোপদের মতো পরিণামে ক্ষমতাশালী ব্যক্তিরা সাধারণ লোকের স্বার্থের প্রতি অতিশয় উদাসীন হয়ে পড়তে পারেন। শিগগির অথবা বিলম্বে কোনো নতুন লুথার রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব সম্পর্কে প্রশ্ন তুলবেন এবং তার পূর্বসূরিদের মতো এত দ্রুত সফল হবেন যে তাকে দমিয়ে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়বে। এ রকম হবে কারণ, শাসকরা মনে করেন যে এ রকম কিছু ঘটতে পারে না। কিন্তু এ রকম পূর্বাভাস পাওয়া অসম্ভব যে মঙ্গলের জন্য পরিবর্তনটি।

    অন্য কিছুর মতো বিপ্লব বিলম্বিত হয়ে প্রচারণার ব্যাপারে সংগঠন ও একত্রীকরণের প্রভাবে, কিন্তু যখন তা ঘটে তখন তা অধিকতর প্রচন্ড হয়ে থাকে। শুধু একটি মতবাদ অফিসিয়াল অনুমোদন পেলে বিকল্প মতবাদের চিন্তা ও তার তুলনামূলক গুরুত্ব নিরূপণের সুযোগ পায় না। শুধু আবেগপ্রসূত বিদ্রোহের মহাজোয়ার গোঁড়ামি দূর করতে পারে। মনে হয় সফলতা অর্জনের উদ্দেশ্যে সরকারি মতবাদের মধ্যেও সত্য জিনিসটি অগ্রাহ্য করা প্রয়োজন বিরোধিতাকে যথেষ্ট একাগ্র ও প্রচন্ড করে তোলার জন্যে। শুধু যে জিনিসটি অগ্রাহ্য করা যাবে

    তা হচ্ছে কোনো অব্যাহত গোঁড়ামি প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব, কারণ বিজয়ের জন্য তা মনে করা হয় প্রয়োজনীয়। যুক্তিবাদী দৃষ্টিকোণ থেকে তাই সর্বগ্রাসী রাষ্ট্রে বিপ্লবের সম্ভাব্যতা আনন্দের অপরিহার্য ভিত্তি নয়। এর অধিক যা আশা করতে হয় তা হচ্ছে নিরাপত্তা অপরিহার্য ভিত্তি নয়। এর অধিক যা আশা করতে হয় তা হচ্ছে নিরাপত্তা বোধের ক্রমবৃদ্ধি। এটি উৎসাহ কমিয়ে দেবে এবং উন্মুক্ত করবে অলসতার দ্বার। সর্বগ্রাসী রাষ্ট্রের এটিই হচ্ছে সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশিক্ষা প্রসঙ্গ – বার্ট্রান্ড রাসেল
    Next Article মানুষের কি কোনো ভবিষ্যত আছে? – বার্ট্রান্ড রাসেল

    Related Articles

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    অপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }