Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শক্তি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    বার্ট্রান্ড রাসেল এক পাতা গল্প292 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৬. ক্ষমতার দর্শন

    ক্ষমতার দর্শন

    এই অধ্যায়ে আমি আলোচনা করতে চাই ক্ষমতাপ্রীতির দ্বারা অনুপ্রাণিত দর্শন সম্বন্ধে। আমি বলছি না যে ক্ষমতাই এর বিষয়বস্তু। তবে অধিবিদ্যা ও নৈতিক বিচার-বিবেচনায় এটিই দার্শনিকদের সচেতন বা অবচেতন ইচ্ছা।

    আমাদের বিশ্বাস জন্ম নেয় বিভিন্ন মাত্রায় ইচ্ছার সঙ্গে দর্শনের মিলনের ফলেই। কোনো ক্ষেত্রে একটি উৎপাদকের কার্যকরী অংশ খুবই কম থাকে এবং অন্য ক্ষেত্রে অন্য উৎপাদকের। অভিজ্ঞতার সাহায্যে সঠিকভাবে প্রতিষ্ঠা পেতে পারে এমন কিছু যৎসামান্যই হয়ে থাকে। যখন আমাদের বিশ্বাস তা অতিক্রম করে যায় তখন ইচ্ছাই এগুলোর সৃষ্টিতে ভূমিকা পালন করে। অপরপক্ষে অল্প বিশ্বাসই চূড়ান্তভাবে মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ার পরও দীর্ঘদিন টিকে থাকে। তাছাড়া পক্ষে বা বিপক্ষে তা যুগ যুগ ধরে টিকে থাকতে পারে প্রমাণের অভাব হলেও।

    দর্শন জীবনের চেয়ে অধিকতর সমন্বিত। অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষা থাকে আমাদের জীবনে। কিন্তু একটি দর্শন সাধারণত কোনো প্রভাবশালী ইচ্ছার দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে থাকে।

    বিভিন্ন রকম আশা-আকাঙ্ক্ষা প্রভাবিত করেছে দার্শনিকের কাজকে। জানার আকাক্ষা রয়েছে। কিন্তু বিশ্বকে যে জানা সম্ভব এটা প্রমাণের আকাক্ষার মতো তা এক হতে পারে না। সুখের আকাক্ষা রয়েছে, সদগুণের আকাঙ্ক্ষা রয়েছে এবং এ দুয়ের মিলনে সৃষ্ট মুক্তির আকাঙ্ক্ষাও রয়েছে। সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে মিলনের আকাক্ষা রয়েছে, সৌন্দর্যের আকাক্ষা রয়েছে এবং সর্বোপরি রয়েছে ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষা।

    সদগুণের লক্ষ্য স্থির করে বড় বড় ধর্মগুলো। খ্রিস্ট ধর্ম ও বৌদ্ধ ধর্ম মুক্তির পথ অন্বেষণ করে। অধিকতর রহস্যরূপে সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে মিলনের পথ অন্বেষণ করে। অভিজ্ঞতাবাদী দর্শন সত্য অন্বেষণ করে। আবার আদর্শবাদী দর্শন (ডেকার্তে থেকে কান্ট পর্যন্ত) নিশ্চয়তার অন্বেষণ করে। বাস্তবে কান্ট পর্যন্ত বড় বড় দার্শনিক মানব স্বভাবের জ্ঞাত অংশের সঙ্গে সম্পর্কিত আকাক্ষার সঙ্গে তাদের চর্চা সীমাবদ্ধ রাখেন। বেনথাম ও মানচেষ্টার স্কুলের দর্শন সম্পদকে প্রধান। উপায় ও আনন্দকে উদ্দেশ্য হিসেবে স্থির করে। আধুনিককালের ক্ষমতা দর্শন প্রধান মানচেস্টরিসমাস-এর বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়াস্বরূপ আবির্ভূত হয়। জীবনের উদ্দেশ্য হচ্ছে ধারাবাহিক আনন্দলাভ–এ ধরনের দৃষ্টিভঙ্গির বিরুদ্ধে তা প্রতিক্রিয়াস্বরূপ।

    ইচ্ছাশক্তি ও অনিয়ন্ত্রিত বাস্তবতার ভেতর দ্বান্দ্বিক সম্পর্ক হচ্ছে মানবজীবন। যে দার্শনিক ক্ষমতা তাড়না দ্বারা পরিচালিত হন তিনি বাস্তবতার ভূমিকাকে সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করেন। আমি এ মুহূর্তে শুধু মেকিয়াভেলি ও রিপাবলিক গ্রন্থে বর্ণিত নগ্ন ক্ষমতার মোহে আচ্ছন্ন ব্যক্তিদের কথাই চিন্তা করছি; আমি ভাবছি ওইসব মানুষের কথা যারা অধিবিদ্যা ও নীতিবিজ্ঞানের আচ্ছাদনের নিচে তাদের ক্ষমতাপ্রীতি লুকিয়ে রাখার তত্ত্ব উঘাটন করেন। ফিকট হলেন আধুনিককালের এমন দার্শনিকের ভেতর প্রথম ব্যক্তি।

    ফিকটের দর্শন শুরু হয় পৃথিবীতে একক অস্তিত্বশীল সত্তার অহংবোধ থেকে। শুধু নিজেকে সত্য বলে মনে নেয় বলেই এই অহংবোধ রয়েছে। যদিও অন্য কিছুই বিরাজ করে না তারপরও এই অহংবোধ একদিন ধাক্কা খায় এবং এর ফলে অহংবোধহীনতা সত্যে পরিণত হয়। তা তখন ধাবিত হয় বিভিন্ন উদ্ভবের দিকে। সংশয়বাদিতা উদ্ভবের কারণ হিসেবে ঈশ্বরের দিকে ইঙ্গিত করে। ফিকট মনে করেন যে, ঈশ্বর ও অহংবোধের ভেতর পার্থক্য অপ্রয়োজনীয়। অহংবোধ ও অধিবিদ্যার ভেতর সমন্বয় হলে এ কথা প্রতীয়মান হয় যে, জার্মানরা ভালো এবং ফরাসিরা খারাপ। তাই নেপোলিয়নের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা জার্মানদের কর্তব্য হয়ে দাঁড়ায়। জার্মান ও ফরাসিরা শুধু ফিকটেরই আবিষ্কার। কিন্তু জার্মানরা উন্নততর এবং তারা চূড়ান্ত বাস্তবতার অধিকতর নিকটবর্তী বা ফিকটের অহং। আলেকজান্ডার ও অগাস্টাস নিজেদের দেবতা বলে দাবি করেছেন এবং অন্যদের চুক্তিবদ্ধ হওয়ার ভান ধরতে বাধ্য করেছেন। ফিকট সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন ছিলেন না। তাই তাকে চাকরি হারাতে হয় নাস্তিকতার দায়ে। কারণ তিনি ঘোষণা দিতে পারেননি কোনো স্বর্গীয় সত্তার।

    সামাজিক কর্তব্যের কোনো স্থান নেই ফিকটের অধিবিদ্যায়। কারণ বহির্বিশ্ব শুধু আমারই স্বপ্ন। এই দর্শনের সঙ্গে মানানসই কাল্পনিক নীতিশাস্ত্র হচ্ছে আপন উন্নয়নের। অযৌক্তিকভাবে একজন মানুষ ভাবতে পারেন যে তার পরিবার বা জাতি তার অহংয়ের অংশবিশেষ। তাই তার অধিকতর মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। এভাবেই স্বাভাবিক সৃষ্টি জাতি ও জাতীয়তাবাদে বিশ্বাস সলিপসিস্টিক দর্শনের। সর্বোপরি যেহেতু ক্ষমতাপ্রীতি তত্ত্বকে অনুপ্রাণিত করে, তাই ক্ষমতা শুধু অর্জন করা যেতে পারে অন্যান্য বিষয়ের সাহায্যে।

    এ সবই আদর্শবাদ হিসেবে পরিচিত এবং বহির্বিশ্বের বাস্তবতা স্বীকৃতিদানকারী দর্শনের চেয়ে তা নৈতিক দিক থেকে বিবেচিত মহত্তর বলে।

    আমার ইচ্ছা থেকে সত্যের ধারণায় মূর্ত হয়ে ওঠে স্বাধীন বিষয়ের বাস্তবতা। আমার বিশ্বাসের সত্য উপাদানটি এমন কিছুর উপর নির্ভর করে না যা আমি করতে পারি। আমি আগামীকাল আমার প্রাতঃভোজন সম্পন্ন করব-এই বিশ্বাস আংশিকভাবে নির্ভর করে আমার ইচ্ছাশক্তির উপর। কিন্তু মার্চের ১৫ তারিখ সিজারকে হত্যা করা হয়–এ ধরনের বিশ্বাস ইচ্ছাশক্তির উপর নির্ভর করে না। ক্ষমতাপ্রীতির দ্বারা অনুপ্রাণিত দর্শনে এ ধরনের অবস্থা নিরানন্দের এবং তাই তা সত্য ও মিথ্যার উৎস হিসেবে সত্য ঘটনার সাধারণ ধারণাকে ধ্বংস করতে শুরু করে। হেগেলের অনুসারীরা বলেন যে, সত্য ঘটনার সঙ্গে সামঞ্জস্যশীল হলেই সত্য বিরাজ করে না। বরং আমাদের বিশ্বাসের পুরো পদ্ধতির পারস্পরিক সমন্বয়ের উপর তা নির্ভর করে। আপনার সব বিশ্বাসই সত্য হবে যদি এগুলোর সবই মানানসই হয়। প্রকৃতপক্ষে কোনো পার্থক্য নেই ঔপন্যাসিকের সত্য ও ঐতিহাসিকের সত্যের ভেতর। এভাবে সৃজনশীলতা মুক্তি লাভ করে বাস্তব বিশ্বের শিকল থেকে।

    বাস্তববাদ হচ্ছে এর বিশেষরূপে ক্ষমতা দর্শন। বাস্তবাদ অনুসারে কোনো বিশ্বাসের ফলাফল আনন্দদায়ক হলে তাই সত্য। এখন মানুষই পারে একটি বিশ্বাসের পরিণতিকে আনন্দ বা নিরানন্দের ব্যাপারে পরিণত করতে। একনায়কের সদগুণে বিশ্বাস-অবিশ্বাসের চেয়ে অধিকতর আনন্দদায়ক পরিণতি বয়ে আনে যদি আপনি এর সরকারের অধীনে বসবাস করেন। যেখানেই কার্যকরি নির্যাতন বিরাজমান সেখানে বাস্তবতাবোধে অফিসিয়াল বিশ্বাসই সত্য। তাই বাস্তববাদী দর্শন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ব্যক্তিদেরকে অধিবিদ্যাগত Omnipotence দান করে, যা একটি অধিকতর পেডিস্ট্রিয়ান দর্শন অগ্রাহ্য করে। আমি বলছি না যে, সবচেয়ে বেশি বাস্তববাদীরা এই পরিণতিগুলোকে তাদের নিজেদের দর্শন বলে গ্রহণ করেন। আমি শুধু বলছি যে, সত্য সম্বন্ধে সাধারণ দৃষ্টিভঙ্গির উপর বাস্তববাদীদের আক্রমণ ক্ষমতাপ্রীতি থেকে উদ্ভূত। অবশ্য প্রাণহীন প্রকৃতির উপর এর ক্ষমতা মানুষের উপর ক্ষমতার চেয়ে বেশি।

    বার্গসঁর সৃষ্টিশীল বিবর্তন হচ্ছে একটি ক্ষমতা দর্শন যা বার্নার্ডশর Back to Methusaleh নাটকের শেষ দৃশ্যে অতি সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। বার্গ বলেছেন যে, বুদ্ধিবৃত্তি নিন্দিত, কারণ তা অবৈধভাবে নিষ্ক্রিয় এবং শুধুই চিন্তার ভেতর সীমাবদ্ধ। তিনি বিশ্বাস করেন যে, প্রাণীগুলো চক্ষু অর্জন করেছে কারণ তারা অনুভব করে যে কোনো কিছু দেখতে সমর্থ হওয়া তাদের জন্য আনন্দদায়ক হবে। তাদের বুদ্ধিবৃত্তি দৃষ্টি সম্পর্কীয় চিন্তাভাবনায় সমর্থ হয়ে ওঠেনি। কারণ তারা ছিল অন্ধ। কিন্তু intuition ই এর অদ্ভুত কাজ সম্পাদনে সমর্থ হয়। তার মতে সর্বপ্রকার বিবর্তনের মূলে রয়েছে আকাঙ্ক্ষা। আকাক্ষা যথেষ্ট আবেগপূর্ণ হলে অর্জন সীমাহীন হয়ে পড়ে। জীবন গঠন (যান্ত্রিক) বোঝার ক্ষেত্রে জীব রসায়নবিদদের প্রচেষ্টা তুচ্ছ বলে মনে হয়, কারণ জীবন গঠন যান্ত্রিক নয়, এর পরিবর্ধন এমনই যে মানুষের পক্ষে বুদ্ধিমত্তার দ্বারা এর সম্বন্ধে অগ্রিম কল্পনা করা অসম্ভব। কাজের দ্বারাই শুধু জীবনকে বোঝা যায়। ফলাফল দাঁড়াচ্ছে যে, মানুষ আবেগপ্রবণ হবে। সৌভাগ্যজনকভাবে বার্গসঁর সুখের জন্য ওইগুলো স্বাভাবিকভাবে তাই।

    কোনো কোনো দার্শনিক তাদের ক্ষমতা-তাড়না অধিবিদ্যাগত সত্তাকে প্রভাবিত করুক এটা চান না। তবে তারা অনুমোদন করেন নীতিবিদ্যার উপর মুক্ত শাসন। তাদের ভেতর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছেন নিয়েজেক। নিয়েজেক খ্রিস্টীয় নৈতিকতাকে দাস নৈতিকতার মতোই অগ্রাহ্য করেন এবং এর পরিবর্তে বীর শাসকদের উপযোগী নৈতিকতার যোগান দিয়ে থাকেন। অবশ্য তা নতুন নয়। এর কিছু কিছু হেরাক্লিয়াস ও প্লেটোর ভেতর এবং অনেকগুলোই রেনেসাঁর ভেতর পাওয়া যায়। নিয়েজেকের ভেতর এর সমাধান করা হয়েছে এবং নিউ টেস্টামেন্টের শিক্ষার বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। তার দৃষ্টিতে সংঘবদ্ধ মানুষের নিজেদের স্বার্থের দিক থেকে কোনো মূল্য নেই; কিন্তু বীরের মহত্ত্ব অর্জনের উপায় হিসেবে এর মূল্য রয়েছে। বীর নিজের উন্নতি বিধানের জন্য তাদের আহত করার অধিকার রাখেন। বাস্তবে অভিজাতরা সর্বদাই তাদের কর্মপন্থা এমনভাবে স্থির করেছে যে এ ধরনের নীতিশাস্ত্র দ্বারা তা প্রমাণিত। কিন্তু খ্রিস্টীয় তত্ত্ব বলছে যে ঈশ্বরের দৃষ্টিতে সব মানুষই সমান। গণতন্ত্র খ্রিস্টীয় শিক্ষার কাছে সমর্থন লাভের জন্য এ আবেদন রাখে। কিন্তু অভিজাতদের কাছে নিয়েজেকের নীতিবিদ্যাই শ্রেষ্ঠ। দেব-দেবি থাকলে আমি কিভাবে দেবতা না হয়ে থাকতে পারতাম? সুতরাং কোনো দেবতা নেই বলেছেন নিয়েজেকের জরাথুস্ত্র। ঈশ্বরকে সিংহাসনচ্যুত করা প্রয়োজন যাতে পৃথিবীতে সন্ত্রাসীদের জায়গা করে দেয়া যায়।

    ক্ষমতাপ্রীতি মানব প্রকৃতির স্বাভাবিক অংশবিশেষ। কিন্তু ক্ষমতা দর্শন একটি বিশেষ অর্থে অস্বাভাবিক। বস্তু ও অন্যান্য মানুষের সমন্বয়ে গঠিত বহির্বিশ্বের অস্তিত্ব তথ্যস্বরূপ এবং তা বিশেষ ধরনের অহংকারকে ধ্বংস করে দেয়। ক্ষমতাপ্রীতির দ্বারা গঠিত বিশ্ব সম্পর্কে বিকৃত দৃষ্টিভঙ্গির অধিকারী মানুষ প্রতি জনপদেই দেখতে পাওয়া যায়। কোনো মানুষ ভাবতেন যে তিনি ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের গভর্নর, অন্য মানুষ ভাববেন যে তিনি রাজা। আবার অন্য কেউ ভাববেন যে তিনি ঈশ্বর। অনুরূপ বিপথগামিতা যদি শিক্ষিত মানুষের দ্বারা অস্পষ্ট ভাষায় প্রকাশিত হয় তবে তা দর্শনের অধ্যাপক হওয়ার পথ সুগম করে দেয়। কিন্তু যদি তা আবেগপ্রবণ মানুষের বাগিতায় প্রকাশিত হয় তবে তা দর্শনের অধ্যাপক হওয়ার পথ সুগম করে দেয়। সার্টিফিকেটপ্রাপ্ত উন্মাদের পথ বন্ধ করে দেয়া হয়, কারণ তার কার্যকলাপ প্রশ্নবিদ্ধ হলে সে সহিংসপ্রবণ হয়ে পড়ে। সার্টিফিকেটধারী নয় এমন বিভিন্ন ধরনের মানুষ ক্ষমতাবান সেনাদলের নিয়ন্ত্রণভার গ্রহণ করে এবং তাদের ক্ষমতাধীন সব সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষের উপর ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। সাহিত্য, দর্শন ও রাজনীতি উন্মাদের সফলতা এ যুগের এক অদ্ভুত বৈশিষ্ট্য। উন্মাদের সফলতার ধরন প্রায় পুরোপুরিভাবে তাড়না থেকে ক্ষমতার দিকে ধাবিত হয়।

    এই অবস্থা বোঝার জন্য সমাজ জীবনের সঙ্গে ক্ষমতা দর্শনের সম্পর্ক আলোচনা করা প্রয়োজন। আমাদের ধারণার চেয়েও জটিল হতে পারে এই সম্পর্কটি।

    আমরা সলিপজিসম দিয়ে শুরু করতে পারি। যখন ফিকট মনে করেন যে, সব কিছুই অহং থেকে শুরু হয়, তখন পাঠকরা মনে করেন না যে সবকিছু জোহান গটলিয়ের ফিকট থেকে শুরু হয়। কেমন অদ্ভূত? কিছুদিন আগে পর্যন্ত কেন আমি তাকে শুনতে পাইনি? তিনি কি প্রকৃতই মনে করেন যে তিনি তাদের আবিষ্কার করেছেন? কি হাস্যকর অহংবোধ? আমি পুনর্বার বলি যে পাঠক তা বলছেন না। তিনি ফিকটের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন এবং যুক্তিগুলোকে অকাট্য দেখছেন না। তিনি চিন্তা করেন, মোটের উপর অতীত সম্বন্ধে আমি কি জানি? আমার কিছু অভিজ্ঞতা রয়েছে যেগুলো আমি বাছাই করেছিলাম আমার জন্মের আগের সময় সম্বন্ধে ব্যাখ্যাস্বরূপ। যেসব জায়গা আমি দেখিনি এগুলো সম্পর্কে আমি কি বলতে শুনেছি। আমি যদি ঈশ্বরের জায়গায় নিজেকে মনে করি এবং বলি যে বিশ্ব আমারই সৃষ্টি তবে কোনো কিছু দিয়েই প্রমাণ করা যাবে না যে আমি ভুল করছি। ফিকট মনে করছেন যে শুধু ফিকটই আছেন এবং জন স্মিথ যুক্তিগুলো পড়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন যে শুধু জন স্মিথই আছেন। কিন্তু জন স্মিথ কখনও খেয়াল করেননি যে ফিকটের কথা তা নয়।

    এভাবে সলিপসিজমের বিশেষ ধরন সমাজজীবনের ভিত্তি হিসেবে পরিগণিত হতে পারে। কিছু সংখ্যক পাগল, যারা প্রত্যেকেই নিজেকে ঈশ্বর মনে করে, একে-অন্যের সঙ্গে বিনয়ের সঙ্গে আচরণের শিক্ষা নিতে পারে। কিন্তু যে পর্যন্ত প্রতিটি ঈশ্বরই নিজেকে Omnipotence হিসেব দেখতে পায় ততক্ষণই তাদের এই বিনয়ভাব বজায় থাকে। যদি মি. A নিজেকে ঈশ্বর ভাবেন তাহলে তিনি অন্যদের কার্যকলাপ ততক্ষণ মেনে নেবেন যতক্ষণ তাদের কার্যকলাপ তার উদ্দেশ্য সাধনে সহায়ক হবে। কিন্তু যদি মি. B তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার চেষ্টা করেন এবং বুঝতে চান যে তিনি Omnipotence নন তাহলে মি. Aর আবেগ জাগ্রত হবে এবং তিনি বুঝে নেবেন যে মি. B হচ্ছে শয়তান অথবা তার সমর্থক। মি. B ও A সম্পর্কে অনুরূপ দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করবেন। প্রত্যেকেই দল গঠন করবেন। ফলে যুদ্ধ বাধবে। এটা হবে ধর্মযুদ্ধ, যা হবে তীব্রতর; নিষ্ঠুরতর এবং অধিকতর উন্মাদনাযুক্ত। ধরা যাক মি. A হচ্ছেন হিটলার এবং মি. B হচ্ছেন স্ট্যালিন। তাদের দুজনের মাধ্যমে বর্তমান বিশ্বের একটি চিত্র পেতে পারেন। হিটলার বলবেন, আমি মুক্তিদাতা। স্ট্যালিন বলবেন, আমি দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ। কিন্তু যেহেতু তাদের দাবি বিশাল সেনাবাহিনী, উড়োজাহাজ, বিষাক্ত গ্যাস ও নির্দোষ ব্যক্তিদের সমর্থপুষ্ট তাই উভয়ের উন্মাদনা থেকে যাবে মানুষের অলক্ষ্যেই।

    পরবর্তী পর্যায়ে ধরা যাক নিয়েজেকের বীরের আচরণ। প্রশংসাকারী পাঠককে অবশ্যই বোঝানো হবে যে তিনি নিজে একজন বীর এবং তিনি দুই প্রকৃতির। অসহৎ ও অপরিণামদর্শী ষড়যন্ত্র দ্বারা তাকে পেছনে ফেলে রাখা হয়েছে। এ থেকে মনে হয় যে নিয়েজেকের দর্শন খুবই চমৎকার। কিন্তু এভাবে পাঠ করা হলে ও প্রশংসা করা হলে কিভাবে স্থির করা যাবে যে তিনিই বীর হবেন? স্পষ্টতই যুদ্ধ দ্বারা। এ দুয়ের কোনো একজন বিজয় অর্জন করলে তিনি শুধু ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থেকেই তার বীর উপাধি বজায় রাখতে সমর্থ হবেন। এর জন্য তাকে ক্ষমতাধর বিশাল গোপন পুলিশ বাহিনী গঠন করতে হবে। তিনি হত্যার ভয়ের মধ্যেই বসবাস করবেন। অন্য সবাই ধ্বংস হয়ে যাওয়ার ভয়ে ভীত থাকবেন এবং এভাবে বীরত্বের সংস্কৃতি নিঃশেষ হবে একটি ভীতিপূর্ণ জাতি গঠনের মধ্য দিয়ে।

    একটি বিশ্বাসের পরিণতি আনন্দদায়ক হলে তা সত্য হয়-এ ধরনের বাস্তববাদী তত্ত্বের সঙ্গে একই ধরনের বেদনাদায়ক পরিস্থিতি জন্ম নেয়। কার জন্য আনন্দদায়ক? স্ট্যালিনের প্রতি বিশ্বাস তার জন্য আনন্দদায়ক; কিন্তু ট্রটস্কির জন্য বেদনাদায়ক। হিটলারের প্রতি বিশ্বাস নাজিদের জন্য আনন্দদায়ক; কিন্তু ক্যাম্পে যাদের জড়ো করে রাখা হয়েছিল তাদের জন্য বেদনাদায়ক। নগ্ন শক্তিই শুধু এই প্রশ্নের সমাধান দিতে পারে। কে এই আনন্দদায়ক পরিণতি উপভোগ করবেন? এর উত্তরই প্রমাণ করে যে একটি বিশ্বাস সত্য।

    ক্ষমতা দর্শন আপনা থেকেই ভুল প্রমাণিত হয় সামাজিক পরিণতির হিসাব নেয়া হলে। আমি ঈশ্বর-এই বিশ্বাসে অন্য কেউ অংশীদার না হলে তা অচল হয়ে পড়ে। অন্য কেউ অংশীদার হলে তা আমাকে বিধ্বংসী যুদ্ধের দিকে ঠেলে দেয়। বীরের সংস্কৃতি একটি কাপুরুষ জাতির জন্ম দেয়। বাস্তববাদের বিশ্বাস ব্যাপকতা পেলে নগ্ন ক্ষমতার শাসনের দিকে ধাবিত করে, যা নিরানন্দের। সুতরাং এর নিজস্ব মাপকাঠি থেকেই বলা যায় যে, বাস্তববাদে বিশ্বাস মিথ্যা। সমাজজীবনে সামাজিক আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য ক্ষমতাপ্রীতি ছাড়া প্রয়োজন অন্য কোনো দর্শনের উপর নির্ভর করা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশিক্ষা প্রসঙ্গ – বার্ট্রান্ড রাসেল
    Next Article মানুষের কি কোনো ভবিষ্যত আছে? – বার্ট্রান্ড রাসেল

    Related Articles

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    অপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }