Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শক্তি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    বার্ট্রান্ড রাসেল এক পাতা গল্প292 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৩. ব্যক্তি ও সংগঠন

    ব্যক্তি ও সংগঠন

    সমাজবদ্ধ হয়ে বসবাস করা যে লাভজনক তা মানুষ দেখতে পায়, কিন্তু তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা ব্যক্তিগতই থেকে যায় মৌচাকের মৌমাছির বিপরীতে। সমাজজীবনে এই জন্য অসুবিধা দেখা দেয় এবং জরুরি হয়ে পড়ে সরকার গঠন। কারণ, একদিকে সরকার প্রয়োজনীয় : সরকার ছাড়া সভ্য দেশের কিয়দংশ মানুষ বেঁচে থাকতে পারে। কিন্তু অপরদিকে রয়েছে অসমতা বিজড়িত ক্ষমতা (সরকারের) এবং যাদের হাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষমতা রয়েছে তারা এর ব্যবহার করে থাকে সাধারণ নাগরিকদের তুলনায় অধিক আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করার জন্য। এইভাবে নৈরাজ্য ও স্বেচ্ছাচার একইভাবে হয়ে ওঠে ধ্বংসাত্মক। তাই সুখী হতে হলে প্রয়োজন এক ধরনের আপসের।

    এই অধ্যায়ে আমি আলোচনা করার ইচ্ছা রাখি ব্যক্তি বিশেষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংগঠন সম্বন্ধে-সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আলোচনা নয়। অবশ্যই এই বিষয়টির পার্থক্য গণতান্ত্রিক ও সর্বগ্রাসী দেশে অনেক। কারণ, কিছু ব্যতিক্রম থাকলেও শেষোক্ত দেশে সংশ্লিষ্ট সংগঠনই রাষ্ট্রের বিভিন্ন বিভাগের অন্তর্ভুক্ত। আমি যতটুকু সম্ভব প্রথম জরিপে বিবেচনার বাইরে রাখব এই পাথর্কটি।

    দুটো পন্থায় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যক্তিবিশেষকে প্রভাবিত করে। কিছু নীতি ব্যক্তিবিশেষের আশা-আকাক্ষা চরিতার্থ করার জন্য তার সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিকল্পিত। আবার কিছু অনেকের বৈধ স্বার্থ ব্যাহত করা থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত। পার্থক্যটি পরিস্কার নয় : পুলিশ রয়েছে সৎ লোকের স্বার্থ রক্ষা এবং সিদেল চোরকে প্রতিহত করার লক্ষ্যে। এর প্রভাব অনেক বেশি জোরালো সভ্য মানুষের চেয়ে সিঁদেল চোরের জীবনের উপর। আমি আবার ফিরে আসব এ পার্থক্য। এ মুহূর্তে আলোচনা করব সভ্য সমাজে মানবজীবনের যেসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে সংগঠনগুলো সিদ্ধান্তকারী ভূমিকা পালন করে সেগুলো।

    প্রারম্ভেই জন্ম : একজন ডাক্তার বা একজন যাত্রীর সেবা অপরিহার্য। অতীতে যথেষ্ট ছিল একজন সম্পূর্ণ অশিক্ষিত মিসেস গ্যাম্পের সেবা। কিন্তু আজকাল তা যথেষ্ট নয়–এক্ষেত্রে প্রয়োজন সরকারি কর্তৃপক্ষের দ্বারা ধার্য নির্দিষ্ট স্তরের দক্ষতা। রাষ্ট্রের দায়িত্ব শিশুর স্বার্থ রক্ষা করা। বিভিন্ন সরকারি দায়িত্বের মান শিশু-কিশোরের মৃত্যুহারে প্রতিফলিত হয়। পিতামাতা তাদের কর্তব্যে শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হলে সরকারি কর্তৃপক্ষ শিশুটির পালন পিতামাতা বা কোনো প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে দিতে পারেনি। শিশুটি সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধীনে আসে পাঁচ অথবা ছয় বছর বয়সে এবং তখন থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত বাধ্য হয়। সরকারের পছন্দ অনুযায়ী বিষয়গুলো শিখে নিতে। এই প্রক্রিয়া শেষে অধিকাংশের ক্ষেত্রেই সারা জীবনের জন্য নির্দিষ্ট হয়ে যায় মতামত ও মানসিক অভ্যাস।

    ইতিমধ্যে গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে শিশুরা প্রভাবাধীন হয়ে পড়ে অন্য কিছুর উপর, যা আরোপিত হয় না রাষ্ট্র কর্তৃক। পিতামাতা ধার্মিক বা রাজনীতিবিদ হলে তারা ধর্মীয় বা দলীয় নীতি শিক্ষা দেন। বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে শিশু ক্রমাগতভাবে আগ্রহী হয়ে ওঠে সংঘটিত আমোদ-প্রমোদে। যেমন-সিনেমা, ফুটবল খেলা ইত্যাদি। সে মোটামুটি বুদ্ধিমান হলে সংবাদ মাধ্যম কর্তৃক হতে পারে প্রভাবিত। রাষ্ট্রীয় স্কুল ভিন্ন অন্য কোনো স্কুলে পড়লে সে স্বাভাবিকভাবে এক প্রকার অদ্ভুত দৃষ্টিভঙ্গি অর্জন করে-ইংল্যান্ডে তা হচ্ছে জাতি বা গোষ্ঠীর উপর সামাজিক শ্রেষ্ঠত্ব। ইতিমধ্যে সে একটি নৈতিক আচরণবিধি আত্মস্থ করে যা তার যুগের সম্প্রদায়ের বা জাতির। এই নৈতিক আচরণবিধি গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু এর সংজ্ঞা প্রদান করা সহজ নয়। কারণ তিন প্রকার কর্মবিধি রয়েছে যেগুলোর পার্থক্য স্পষ্ট নয়। প্রথমত সাধারণ অপবাদ সত্ত্বেও এগুলো পালন করতে হয়; দ্বিতীয়ত খোলাখুলিভাবে অমান্য করা যাবে না কতগুলো; তৃতীয়ত যেগুলো পরিপূর্ণ উপদেশ হিসেবে গণ্য করা হয়, শুধু দরবেশ ব্যক্তিই তা পালন করতে পারেন। মানবজাতির জন্য প্রযোজ্য আচরণবিধি সম্পূর্ণত না হলেও প্রধানত ধর্মীয় সংগঠনের মাধ্যমে পরিচালিত ধর্মীয় ঐতিহ্যের ফলাফল। এগুলো টিকে থাকতে সক্ষম দীর্ঘ অথবা স্বল্পকাল। তাছাড়া পেশাগত আচরণবিধিও রয়েছে-কিছু ব্যাপার আছে যেগুলো কোনো অফিসার, ডাক্তার অথবা ব্যারিস্টার অবশ্যই করবে না। কিন্তু আজকাল সাধারণত পেশাগত সমিতি ও এ ধরনের বিধি পরিকল্পনা ও প্রণয়ন করে। এটা উপদেশমূলক যে দ্বন্দ্বযুদ্ধের ব্যাপারে চার্চ ও সেনাবাহিনীর ভেতর সংঘাত দেখা দিলে সেনা-আচরণবিধি অফিসারদের ভেতর বিস্তার লাভ করে। আইনের বিরুদ্ধে প্রসার লাভ করে চিকিৎসা ও দোষ স্বীকার সম্পর্কীয় গোপনীয়তা।

    যুবক বা যুবতী অর্থ উপার্জন শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন সংগঠন তাদের কার্যকলাপ প্রভাবিত করার চেষ্টা করে। চাকরিদাতা সাধারণত একটি সংগঠন; অধিকন্তু নিয়োগদাতাদের একটি ফেডারেশন। ট্রেড ইউনিয়ন এবং তাদের কাজের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করে রাষ্ট্র। ইনস্যুরেন্স এবং ফ্যাক্টরি আইনের মতো বিষয়গুলো ছাড়া রাষ্ট্র ট্যারিফ ও সরকারি আদেশের মাধ্যমে ব্যক্তি মানুষের নির্বাচিত বৃত্তি লাভ করবে না অবদমিত হবে তা স্থির করার ব্যাপারে সাহায্য করতে পারে। শিল্পোন্নয়ন প্রভাবিত করতে পারে মুদ্রা, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি অথবা জাপানের অভিলাসের মতো সবরকম পরিস্থিতি।

    বিবাহ এবং সন্তানের প্রতি কর্তব্য আবার একজন মানুষকে আইন এবং প্রধানত চার্চ থেকে প্রাপ্ত নৈতিক আচরণবিধির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত করে। যদি তিনি দীর্ঘদিন বেঁচে থাকেন এবং খুব গরিব না হন তবে তিনি সর্বশেষ বৃদ্ধকালীন বয়স্ক-ভাতা ভোগ করতে পারেন। সতর্কতার সঙ্গে আইন ও চিকিৎসার দ্বারা তার মৃত্যু তত্ত্বাবধান করা হয় যাতে এটা নিশ্চিত হতে পারে যে তার মৃত্যু ঘটেনি নিজের ইচ্ছায় বা অন্যের দ্বারা।

    কিছু ব্যাপার রয়ে গেল যা ধার্য হয়ে থাকে ব্যক্তিগত উদ্যোগেই। কোনো ব্যক্তি একজন মহিলা রাজি হলে তাকে বিয়ে করতে পারেন। যৌবনে তার সবিশেষে স্বাধীনতা রয়েছে জীবিকা অর্জনের পথ বেছে নেয়ার ব্যাপারে। ইচ্ছানুসারে অবসর সময় কাটাতে পারেন সীমাবদ্ধতার ভেতর। ধর্ম বা রাজনীতিতে আগ্রহী হলে যোগ দিতে পারেন সবচেয়ে আকর্ষণীয় সম্প্রদায় বা দলে। পছন্দ-অপছন্দের স্বাধীনতা থাকা সত্ত্বেও বিবাহ সম্পর্কিত ব্যাপার ছাড়া তিনি নির্ভরশীল সংগঠনের উপর। খুব ব্যতিক্রমধর্মী না হলে তিনি ধর্ম প্রতিষ্ঠা, দল সৃষ্টি, ফুটবল ক্লাব সংগঠন অথবা পারেন না নিজের পানীয় বানাতে। তিনি শুধু সদাপ্রস্তুত বিকল্পের ভেতর চর্চা করতে পারেন নিজের রুচি। কিন্তু এর সব বিকল্পকে অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধার গণ্ডির ভেতর সবচেয়ে আকর্ষণীয় করে তোলে প্রতিযোগিতা।

    এ পর্যন্ত সভ্য সমাজে সংগঠনের উদ্দেশ্যই হচ্ছে তুলনামূলক অনুন্নত সামজের কৃষকদের তুলনায় মানুষের স্বাধীনতা বৃদ্ধি করা। তুলনা করা যাক পাশ্চাত্য দিনমজুরের জীবনের সঙ্গে একজন চীনা কৃষকের জীবন। এটা সত্য যে তাকে শিশু হিসেবে যেতে হয় না স্কুলে। কিন্তু অতি অল্প বয়স থেকেই তাকে কাজ করতে হয়। সম্ভবত শৈশবকালে অর্থাভাব ও চিকিৎসার অভাবে তার মৃত্যুর সম্ভাবনা বেশি। যদি বেঁচে থাকেন এবং সৈনিক বা বান্ডিট না হন অথবা কোনো বড় শহরে স্থানান্তরের ঝুঁকি না নেন তবে জীবিকা অর্জনের জন্য রুচি চর্চা করার সুযোগ পাবেন না তিনি। বািবহের ব্যাপারে সামান্যতম স্বাধীনতা ছাড়া প্রথা তার সর্বস্ব হরণ করে। বাস্তবে তার অবসর বলতে কিছুই নেই এবং যদি থেকেও থাকে তবে এ নিয়ে আনন্দ করার মতো কিছুই নেই এবং যদি থেকেও থাকে তবে এ নিয়ে আনন্দ করার মতো কিছুই নেই। তিনি সবসময় বেঁচে থাকেন ন্যূনতম জীবিকার উপর নির্ভর করে। দুর্ভিক্ষের সময় তার পরিবারের এক বিরাট অংশ ক্ষুধায় মৃত্যুবরণ করে। লোকটির জীবন যতই কঠিন হোক না কেন তার স্ত্রী বা কন্যা সন্তানদের জীবন এর চেয়েও কঠিন। গড়পড়তা চীনা কৃষকদের জীবনের তুলনায় ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বেকার যুবকের জীবনও স্বর্গের মতো।

    এবার আসা যাক অন্য এক শ্রেণির সংগঠনের বেলায়। এগুলো একজন লোককে অন্য মানুষের আহত করা থেকে বিরত রাখার লক্ষ্যে পরিকল্পিত হয়েছে : পুলিশ এবং ফৌজদারি আইন হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। খুন, ডাকাতি ও রাহাজানির উপর এগুলো হস্তক্ষেপ করলে ব্যতিক্রমধর্মী অল্প সংখ্যক হিংস্র ব্যক্তি ছাড়া সবারই স্বাধীনতা এবং সুখ বৃদ্ধি পায়। যেখানে পুলিশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে লুণ্ঠনকারী ছাড়া সবারই বেসামরিক জীবনের আনন্দ অসম্ভব হয়ে পড়ে। অবশ্যই একটা বিপদ রয়েছে : পুলিশের পক্ষে দুবৃত্ত দলের মানুষ সাজা সম্ভব অথবা যে কোনোভাবে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা সম্ভব। এই বিপদ কোনোক্রমেই কাল্পনিক নয়, তবে সুপরিচিত এর রহিত কারণও। এ রকম বিপদও রয়েছে যে, ক্ষমতাসীনরা পুলিশ ব্যবহার করতে পারে সংস্কারের লক্ষ্যে সংঘটিত আন্দোলন ঠেকানোর জন্য। বিশেষ পর্যায় পর্যন্ত এ রকম ঘটে যাওয়া প্রায় অপরিহার্য বলে মনে হয়। নৈরাজ্য রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগুলো এমনই যে তা বর্তমান অবস্থানের পরিবর্তন আরও দুরূহ করে তোলে তা মৌলিক প্রতিবন্ধকতাগুলোর অংশবিশেষ। এই প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও সভ্য সমাজের অনেক মানুষ ভাবতে পারে যে পুলিশ সম্পূর্ণরূপে পরিহার করা সম্ভব।

    এ পর্যন্ত আমরা কোনো চিন্তা করিনি যুদ্ধ, বিপ্লব এবং এগুলোর ভয় সম্বন্ধে। এগুলোর ভেতর রয়েছে আত্মরক্ষামূলক রাষ্ট্রীয় প্রবণতা। এই কারণে রাষ্ট্র ব্যক্তি জীবনের উপর চরম নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কায়েম করে। ইউরোপের প্রায় সব দেশেই বাধ্যতামূলক সার্বজনীন সামরিক চাকরি বিদ্যমান। যুদ্ধ দেখা দিলে সর্বত্রই সামরিক বয়সের প্রত্যেক পুরুষকে যুদ্ধে ডাকা হয় এবং সরকার বিজয় লাভের জন্য যেসব কাজ উপযোগী মনে করে তা করার জন্য আদেশ করে পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তিদের। যাদের কার্যকলাপ শত্রুপক্ষের অনুকূলে মনে হয় তাদের মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। শান্তির সময়ে সব সরকারই সময়মত প্রত্যেকের যুদ্ধ করার ইচ্ছা এবং জাতীয় প্রয়োজনে সার্বক্ষণিক আনুগত্য নিশ্চিত করার জন্য পদক্ষেপ নিয়ে থাকে। সম্ভাব্যতার মাত্রা অনুসারে সরকারের পদক্ষেপ ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে বিপ্লবাত্মক বিষয়ে। বিপ্লবের ঝুঁকি বেড়ে যায় অন্যান্য জিনিস অপরিবর্তিত থাকলে এবং জনকল্যাণমূলক কাজে সরকারের মনোযোগ কমে গেলে। কিন্তু সর্বগ্রাসী রাষ্ট্রের মতো দৈহিক নিয়ন্ত্রণ এবং নৈতিক ও অর্থ সংক্রান্ত ব্যাপারে মানসিক নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা একচেটিয়াভাবে সরকারের হাতে থাকলে এই সরকার অপেক্ষাকৃত কম প্রগাঢ় সরকারের চেয়ে অপ্রিয় হয়ে পড়ে। কারণ বিপ্লবী চেতনায় সংগঠন ও প্রসার সহজ নয়। সুতরাং আশংকা করা যায় যে, রাষ্ট্র ও জনসাধারণের ভেতর স্পষ্ট সীমারেখা থাকলে সরকার ক্ষমতা বৃদ্ধির প্রত্যেক ধাপে জনকল্যাণমূলক কাজে আরও বেশি উদাসীন হবে।

    উপরের সংক্ষিপ্ত অনুসন্ধান থেকে অনুমিত হয় যে, সরকারের আত্মরক্ষামূলক কাজ থেকে উদ্ভূত প্রবাহ ব্যতিরেকে প্রধানত সংগঠনগুলো ব্যক্তি জীবনে বৃদ্ধি করে থাকে মানুষের শখ ও মঙ্গল। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শ্রমের উৎপাদিকা শক্তি, দারিদ্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগুলো এমন যে নীতিগতভাবে এগুলো সম্বন্ধে কোনো বির্তক থাকা উচিত নয়। এর সবই নির্ভর করছে উন্নত সংগঠনের উপর। কিন্তু যখন আমরা যুদ্ধে পরাজয় বা বিপ্লব রোধে পদক্ষেপ নিই তখন ব্যাপারটি হয়ে থাকে ভিন্ন। এসব পদক্ষেপের যতই প্রয়োজন মনে করা হোক না কেন আসলে এগুলো নিরানন্দের এবং এ কারণেই শুধু সংরক্ষিত হয় যে বিপ্লব এবং পরাজয় আরও বেশি নিরানন্দের। সম্ভাবত পার্থক্য শুধু মাত্রার দিক থেকে। বলা যেতে পারে যে, টিকা, শিক্ষা এবং রাস্তা নির্মাণ নিরানন্দের, কিন্তু বসন্ত, অজ্ঞতা ও দুর্গম জলাভূমি এর চেয়েও নিরানন্দের। মাত্রাগত পার্থক্য এত বেশি যে, তা বস্তুগত পার্থক্যের শামিল। অধিকন্তু শান্তিপূর্ণ অগ্রগতিতে জড়িত কাজের নিরানন্দ অস্থায়ী। বসন্ত নিমূর্ল করা যেতে পারে, তখন টিকা নিষ্প্রয়োজন হয়ে পড়বে। উন্নত পদ্ধতির মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য করে তোলা যায় শিক্ষা ও রাস্তা নির্মাণ। কিন্তু কৌশলগত যে কোননা অগ্রগতি যুদ্ধকে অধিক বেদনাদায়ক ও ধ্বংসাত্মক করে তোলে। মানবতা ও বুদ্ধিবৃত্তির ক্ষেত্রে সর্বগ্রাসী পদ্ধতিতে বিপ্লব প্রতিরোধ করা ধ্বংসাত্মক।

    অন্য একটি পন্থা রয়েছে ব্যক্তি ও সংগঠনের সম্পর্কের শ্রেণিকরণের : ব্যক্তি হিসেবে তিনি একজন ক্রেতা, স্বেচ্ছাপ্রণোদিত সদস্য অথবা হতে পারেন শত্রু।

    তিনি ক্রেতা হিসেবে দেখবেন যে সংগঠন তাকে উপভোগে সাহায্য করছে, কিন্তু বৃদ্ধি করছে না তার ক্ষমতা। অবশ্য তিনি ভুল বুঝতে পারেন এগুলোর ব্যাপারে : ক্রীত পিলটি উপকারে না আসতে পারে, বিয়ার খারাপ হতে পারে, ঘোড়দৌড়ে অর্থহানি হতে পারে। তা সত্ত্বেও সংগঠন থেকে তিনি কিছু লাভ করছেন। যেমন– আশা, বিনোদন ও ব্যক্তিগত উদ্যোগ। নতুন গাড়ি কেনার সম্ভাবনা আপনাকে কিছু ভাবনা ও বলার সুযোগ দেয়। অর্থ ব্যয়ের স্বাধীনতা আনন্দদায়ক। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, আসবাবপত্রের প্রতি আকর্ষণ একটি ব্যাপক ও শক্তিশালী আবেগ। কিন্তু তা আর থাকে না রাষ্ট্র সুসজ্জিত বাসস্থানের ব্যবস্থা করে দিলে।

    মানুষ যেসব সংগঠনের স্বেচ্ছাপ্রণোদিত সদস্য সেগুলো হচ্ছে রাজনৈকি দল, চার্চ, ক্লাব, বন্ধু, সমাজ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। প্রতিযোগিতায় এগুলো একই জাতীয় প্রতিষ্ঠানের মুখোমুখি। যেমন প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দল, ভিন্ন মতাবলম্বী চার্চ, প্রতিযোগী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি। এগুলোর মধ্যকার প্রতিযোগিতা আগ্রহী ব্যক্তিদের মনে ক্ষমতা তাড়না নাটকীয় মনোভাবের জন্ম দেয়। রাষ্ট্র দুর্বল না হলে এই প্রতিযোগিতা আইনের অধীন থাকে। রাষ্ট্র শান্তির ব্যবস্থা করে থাকে সহিংসতা ও প্রতারণামূলক কাজ ধরা পড়লে। কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে বিরোধী সংগঠনের দ্বন্দ্ব-সংঘাত রক্তপাতহীন হলে তা উৎসাহ যোগায় মানুষকে উন্মাদনা ও ক্ষমতামোহ হাসে। অন্যথায় এর ফলে জন্ম দেয় এক বিদ্বেষপূর্ণ মানসিকতা।

    রাষ্ট্র উদাসীন হলে এবং নিরপেক্ষ না হলে রাজণৈতিক বিরোধ, দাঙ্গা, হত্যা অথবা গৃহযুদ্ধে পর্যবসিত হয়। ব্যক্তি ও সমাজজীবনে এই বিপদ এড়ানো গেলে স্পষ্ট হয়ে ওঠে উন্নতির লক্ষন।

    মানুষ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে সংগঠনটির অনিচ্ছুক সদস্য-তা হচ্ছে রাষ্ট্র। এ পর্যন্ত নাগরিকত্ব প্রদানে সফল জাতীয়তা নীতি নাগরিকদের ইচ্ছানুসারে প্রণীত হয়-ব্যক্তিবিশেষের ইচ্ছায় নয়।

    হতে পারতেন তিনি একজন রুশ
    ফরাসি, তুর্কি অথবা প্রোসিয়ান
    অথবা হয়তো ইতালির কিন্তু
    এতগুলো সম্ভাবনার পরেও তিনি
    রয়েছেন একজন ইংরেজ।

    তবে অধিকাংশ মানুষ সুযোগ পেলেও নাগরিকত্ব পরিবর্তন করে না যদি রাষ্ট্র নাগরিকদের প্রতি শত্রুতামুলক মনোভাব না দেখায়। সফল জাতীয়তা নীতি ছাড়া অন্য কিছুই রাষ্ট্রকে এত শক্তিশালী করতে পারে না। নাগরিকত্ব ও দেশপ্রেম হাতে হাত ধরে চললে রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য স্বেচ্ছাপ্রণোদিত সংগঠনের প্রতি আনুগত্যের চেয়েও গভীরতর হয়।

    ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রেরণা বিদ্যমান রাষ্ট্রীয় আনুগত্যের। অনুরূপ একটি প্রেরণা রয়েছে স্বদেশপ্রীতি ও পরিবারপ্রীতির। কিন্তু রাষ্ট্রীয় আনুগত্যে অনুরূপ প্রেরণা থাকে না ক্ষমতাপ্রীতি ও বৈদেশিক আক্রমণজনিত ভয়ের দ্বৈত প্রেরণায় উজ্জীবিত না হলে। রাজনৈতিক দলগুলোর অনুরূপ রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা অবাধ হয়ে পড়ে। সভ্য দুনিয়া আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ে একটি লিন্ডবার্গ শিশুর হরণ ও এর হত্যায়। কিন্তু পরবর্তী যে যুদ্ধের জন্য আমরা ব্রিটেনে আমাদের আয়ের এক-চতুর্থাংশ খরচ করছি সে যুদ্ধে তা দাঁড়াবে সাধারণ ব্যাপার হয়ে। কোনো প্রতিষ্ঠানই জন্ম দেয় না জাতীয় রাষ্ট্রের অনুরূপ আনুগত্যের। বিশাল সংখ্যঅর মানুষ হত্যার জন্য প্রস্তুতি নেয়া রাষ্ট্রের কর্তব্য। মৃত্যু ঝুঁকিসহ সংগঠনের প্রতি আনুগত্যই সর্বগ্রাসী রাষ্ট্র মেনে নিতে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করছে। এতে বাসস্থান, ছেলেমেয়ে এবং সভ্যতা ধ্বংসের ঝুঁকি ও বিদেশি শক্তির বশ্যতা স্বীকার করার চেয়ে ভালো। বেদনাদায়ক সমস্যা ঘটছে ব্যক্তি-মনোবিজ্ঞান ও সরকারি সংগঠনের। আমাদের এবং আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের নিস্তার নেই যদি এই ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচার উপযুক্ত পথ খুঁজে বের না করি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশিক্ষা প্রসঙ্গ – বার্ট্রান্ড রাসেল
    Next Article মানুষের কি কোনো ভবিষ্যত আছে? – বার্ট্রান্ড রাসেল

    Related Articles

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    অপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }