Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শেষ উপহার – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প122 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শেষ উপহার – ২

    ২

    শিহাবের বাড়ি বরগুনা জেলার আমতলী গ্রামে। বরগুনা লঞ্চঘাট থেকে চার মাইল দক্ষিণে আমতলী। শিহাবের বাবার নাম আব্দুল খাঁন। মায়ের নাম লতিফা বানু। তাদের চার ছেলে, চার মেয়ে। এক বছর ডেঙ্গুজ্বরে গ্রামের বহু লোকজন ও ছেলেমেয়ে মারা যায়। সেই সময় শিহাবের তিন ভাই ও তিন বোন এবং বাবা মারা যায়। তার অনেক আগে দাদা দাদি মারা গেছেন। শিহাবের দাদা হাজী জিন্নাত, আলি খাঁন খুব নাম করা লোক ছিলেন। অবস্থাও খুব ভালো ছিল। ওনার দুই বিয়ে। প্রথম পক্ষের শুধু আব্দুল খান। দ্বিতীয় পক্ষের ছয় ছেলে ছয় মেয়ে। জিন্নাত আলি মারা যাবার পর বিষয় সম্পত্তি ভাগ হয়ে যায়। এক এক জনে অংশমতো যা পেয়েছে তাতে কারো আর স্বচ্ছলতা নেই। শিহাবের বাবা আব্দুল খাঁন প্রায় দু’বছর অসুখে ভুগে মারা গেছেন। সে সময় জমি বেঁচে চিকিৎসা করিয়েছিলেন। তখন শিহাব ক্লাস নাইনে পড়ত। সে ভাইয়েদের মধ্যে ছোট। বাবা মারা যাবার পর শিহাব লেখাপড়া বন্ধ করল না। সে ফাইভে ও এইটে বৃত্তি পেয়েছিল। ফলে শিক্ষকরা তাকে খুব ভালোবাসতেন। তারা শিহাবের পড়াশোনার ব্যপারে সাহায্য করতেন। তার এক সৎ চাচা ও ফুপু সাহায্য করতেন। লেখাপড়ার খরচের জন্য তার কোনো চিন্তা ছিল না। কিন্তু ঘরে সব দিন রান্না হত না। তাই ছুটির দিনে চাষ বাসের কাজ করে সংসার চালাবার জন্য মাকে সাহায্য করত।

    লতিফা বানু খুব ধার্মিক মহিলা। ছেলে মেয়েকে ধর্মীয় শিক্ষা দিয়ে মানুষ করছেন। নিজে উপোষ থেকে ছেলে মেয়েকে খাওয়ান। ছোট মেয়ে আতিয়া তখন ক্লাস টুয়ে পড়ে। ভাই বোন দু’জনেরই মাথা খুব ভালো। প্রতি বছর ফার্ষ্ট হয়। শত অভাব অনটনের মধ্যেও লতিফা বানু ছেলেমেয়ের লেখাপড়া বন্ধ করলেন না।

    এত দুঃখ কষ্ট সহ্য করে শিহাব আমতলী হাই স্কুল থেকে এস.এস.সিতে কলা বিভাগে প্রথম হয়ে পাশ করল, তারপর সংসারের কথা ভেবে কিছু একটা করার কথা মাকে বলল। লতিফা বানু বললেন, সংসারের কথা তোকে চিত্র করতে হবে না। আল্লাহ কাউকে না খাইয়ে রাখেন না। তুই কলেজে ভর্তি হয়ে আরো লেখাপড়া কর। অনেক লেখাপড়া করে মানুষের মতো মানুষ হলে আমাদের আর দুঃখ থাকবে না। আল্লাহ চিরকাল কারো দুঃখ রাখেন না। তুই কত ভালো রেজাল্ট করেছিস। তোর আব্বা বেঁচে থাকলে কত খুশি হত। আমি দো’য়া করছি, আল্লাহ তোকে খুব বড় করবেন।

    শিহাবেরও পড়াশোনা করার ইচ্ছা। সংসারের কথা চিন্তা করে ঐ কথা বলেছিল। মায়ের কথায় আশ্বাস পেয়ে বরগুনা কলেজে ভর্তি হল। সেই সঙ্গে নিজের ও আত্মীয় স্বজনদের চাষ বাসের কাজ করে মাকে সাহায্য করতে লাগল।

    দু’বছর অক্লান্ত পরিশ্রম করে এইচ.এস.সি.তেও সম্মিলিত মেধা তালিকায় প্রথম স্থান পেয়ে পাশ করল। এ বছর আতিয়াও ফাইভে বৃত্তি পেয়ে পাশ করল।

    লতিফা বানুর সঙ্গে সৎ ননদ শাফিয়া বেগমের খুব ভাব ছিল। শাফিয়া বেগমের বিয়ের পরও তা কমেনি। শাফিয়া বেগমের বিয়ে হয়েছে লতিফা বানুর বাপের বাড়ি তালতলী গ্রামের জালাল সাহেবের সঙ্গে। জালাল সাহেব লতিফা বানুর দুর সম্পর্কের চাচাতো ভাই। সেই জন্যে শাফিয়া বেগমের সঙ্গে লতিফা বানুর সম্পর্ক কোনো দিন ভাটা পড়েনি। শিহাবদের দুর্দিনে শাফিয়া বেগম বাপের বাড়ি এলেই বেশ কিছু টাকা দিয়ে যেতেন। তারপর জালাল সাহেব ঢাকায় ব্যবসা করে গাড়ি বাড়ি করে গ্রাম ছেড়ে চলে আসেন। ঢাকায় আসার পরও শাফিয়া বেগম প্রত্যেক মাসে কিছু কিছু টাকা লতিফা বানুকে পাঠাতেন। শিহাব যে ভালো ছাত্র শাফিয়া বেগম প্রথম থেকেই জানতেন। শিহাবের এস.এস.সি-র রেজাল্ট খবরের কাগজে ছবিসহ বেরোতে শাফিয়া বেগম কাগজটা স্বামীর হাতে দিয়ে শিহাবের ছবি দেখিয়ে বললেন, দেখতো, ছেলেটাকে চিনতে পার কিনা?

    জালাল সাহেব শ্বশুর বাড়িতে খুব কম গেছেন। যখন গেছেন তখন শিহাব ছোট ছিল। তা ছাড়া তাদের বাড়িটা আলাদা। সে বাড়িতে কখনও যান নাই। একবার লতিফা বানু শাফিয়া বেগম ও জালাল সাহেবকে দাওয়াত করে খাইয়েছিলেন। সে অনেক বছর আগের কথা। তাই ছবি দেখে চিনতে পারলেন না। তবে রেজাল্টের খবর ও ঠিকানা পড়ে আনন্দিত হয়ে বললেন, আরে, এ যে তোমার বড় ভাইয়ের ছেলে। তোমার মুখে শুনেছিলাম, তোমার বড় ভাই মারা গেছেন। সংসারে খুব অভাব অনটন; কিন্তু ছেলেটা দারুন রেজাল্ট করেছে।

    শাফিয়া বেগম বললেন, হ্যাঁ, ছেলেটা খুব মেধাবী। তোমাকে একটা কথা বলব, কিছু মনে করবে না তো?

    জালাল সাহেব হেসে উঠে বললেন, বল কি বলবে মনে করার কি আছে।

    টাকা পয়সার জন্য শিহাবের হয়তো লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাবে। আমি তাকে সাহায্য করতে চাই। অবশ্য তোমাকে না জানিয়ে প্রতি মাসে কিছু কিছু সাহায্য করি।

    এটা তো খুব ভালো কথা। টাকা পয়সার জন্য একটা মেধাবী ছাত্রের ভবিষ্যৎ নষ্ট হয়ে যাক, তাকি কেউ চায়? তুমি যে ভাবে তাকে সাহায্য করতে চাও করো। টাকা পয়সার জন্য চিন্তা করো না?

    শাফিয়া বেগম স্বামীর কথা শুনে খুশি হলেন। চিঠি লিখে লতিফা বনুকে জানালেন, শিহাবকে আমার কাছে পাঠিয়ে দাও। ওকে আমি লেখাপড়া করিয়ে বড় করব।

    লতিফা বানু চিঠি পেয়ে পড়ার পর ছেলের হাতে দিয়ে বললেন, তোর ফুপু যে আমাদেরকে সাহায্য করে, তা তো তুই জানিস। এটা সে দিয়েছে, পড়ে দেখ।

    শিহাব চিঠি পড়ে বলল, ফুপুর ঋণ আমি কোনো দিন শোধ করতে পারব না। তুমি তাকে জানিয় দাও। আমি এখানে থেকেই কলেজে পড়ব।

    লতিফা বানু বললেন, এখানে তুই ভালোভাবে পড়াশোনা করতে পারবি না। রেজাল্টও ভালো করতে পারবি না। আমার মতে তোর ফুপুর কাছে থেকে লেখাপড়া করাই উচিত।

    কিন্তু মা, তুমি শুধু আমার দিকটা দেখবে? তোমার ও আতিয়র কথা ভাববে না? আমি ঢাকায় চলে গেলে সংসার চলবে কি করে? আর রেজাল্টের কথা যে বলছ, ঢাকায় থেকে যা হবে, এখানে থেকেও ইনশাআল্লাহ তাই হবে।

    ছেলের কথা শুনে লতিফা বানুর চোখে পানি এসে গেল। ভিজে গলায় বললেন, সে কথা যে আমি ভাবিনি তা নয়। তবু তোর ভবিষ্যৎ ভেবে বলছি। দো’য়া করি, আল্লাহ তোর মনের কামনা পূরণ করুক।

    লতিফা বানু চিঠি লিখে ছেলের মতামতের কথা শাফিয়া বেগমকে জানিয়ে ছিলেন।

    তারপর এইচ.এস.সি. পরীক্ষার রেজাল্ট আগের মতো হয়েছে দেখে শাফিয়া বেগম স্বামীকে সে কথা জানিয়ে বললেন, শিহাবকে আমাদের কাছে রেখে ভার্সিটিতে পড়াতে চাই। এতে তোমার আপত্তি আছে?

    জালাল সাহেব বললেন, আপত্তি থাকবে কেন? বরং খুশি হব। কি জান, ছেলেটাকে দেখতে বড় ইচ্ছা করছে।

    শাফিয়া বেগম বললেন, আমারও অনেক দিন থেকে ছেলেটাকে দেখতে ইচ্ছা করছে। ভাবিকে চিঠি লিখে ওকে পাঠিয়ে দিতে বলি?

    তাই দাও।

    কিন্তু শিহাব যদি আসতে না চায়? ছেলেটা ওর বাপেরমতো সেন্টিমেন্টাল। বড় ভাই অত দিন অসুখে ভুগল, জমি বিক্রি করে চিকিৎসা করাল, তবু কারো কাছে হাত পাতেনি। ভাবছি চিঠি দেয়ার পর যদি না আসে, তা হলে তোমাতে আমাতে গিয়ে নিয়ে আসব।

    আগে চিঠি দাও, কাজ না হলে তখন দেখা যাবে।

    শাফিয়া বেগম ভাবিকে চিঠি দিয়ে জানাল। শিহাব যদি না আসে, তা হলে আমরা গিয়ে ওকে নিয়ে আসব।

    লতিফা বানু চিঠি পেয়ে এবারও ছেলের হাতে দিলেন।

    শিহাব এইচ.এস.সি. পরীক্ষা দিয়ে চিন্তা করছে, রেজাল্ট বের হওয়ার পর ঢাকায় গিয়ে একটা কিছু করবে। আর সেই সঙ্গে পড়াশোনাও করবে। ফুপুর চিঠি পড়ে মাকে নিজের ইচ্ছার কথা জানিয়ে বলল, ফুপুদের কাছে থাকলে লেখাপড়া হবে ঠিক, কিন্তু তোমাদের চিন্তায় ভালোভাবে পড়াশোনা করতে পারব না।

    লতিফা বানু বললেন, সংসার চালাবার মালিক আল্লাহ। তিনি এতদিন যেভাবে চালিয়েছেন, এখনও সেইভাবেই চালাবেন। আমার মতে তুই তোর ফুপুদের কাছে থেকে লেখাপড়া কর। আমাদের জন্য তোকে চিন্তা করতে হবে না। আল্লাহ যে কোনো ভাবে চালিয়ে দেবেন।

    শিহাব চিন্তা করল, ফুপুদের কাছে যাওয়াই ভালো। তাদের কাছে থাকলে খাওয়া ও লেখাপড়ার জন্য কোনো চিন্তা করতে হবে না। ফুপা-ফুপুকে ধরে কিছু একটা রোজগারের ব্যবস্থা করে মাসে মাসে টাকা পাঠাবার চেষ্টাও করা যাবে।

    ছেলেকে চুপ করে থাকতে দেখে লতিফা বানু বললেন, কিরে, কিছু বলছিস না কেন?

    শিহাব বলল, হ্যাঁ আম্মা, তাই যাব ভাবছি। লেখাপড়া করার সাথে সাথে ফুপাকে ধরে একটা চাকরির ব্যবস্থা করব। দোয়া কর আম্মা, আল্লাহ যেন আমার আশা পূরণ করেন।

    লতিফা বানু বললেন, নিশ্চয়ই করব বাবা, তুই যেন চাকরি করতে গিয়ে আবার পড়ার ক্ষতি না করিস।

    না আম্মা, তা করব না। তুমি আতিয়ার দিকে খুব লক্ষ্য রাখবে। ওর পড়াশোনা বন্ধ করো না। তারপর আতিয়াকে বলল, মন দিয় পড়াশোনা করবি। । মায়ের কাছে কাছে থাকবি।

    কয়েকদিন পর শিহাব মা-বোনের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে ঢাকায় রওয়ানা হল।

    ঢাকা সদরঘাটে লঞ্চ থেকে টার্মিনালে নেমে শিহাব খুব অবাক হল। আগে কোনো দিন ঢাকা আসে নি। একা হলে কি করত ভেবে বেশ ঘাবড়ে গেল। বারেক সোলেমান চাচার সঙ্গে এসেছে। নচেৎ কি যে হত আল্লাই জানেন।

    সোলেমানের বাড়িও আমতলীতে। সে অনেক বছর ধরে ঢাকা নিউ মার্কেটের গাউসিয়ায় দর্জির কাজ করছে। শিহাব তার সঙ্গে এসেছে।

    সোলেমান তাকে কলা বাগানে ঠিকানামতো পৌঁছে দিয়ে চলে গেল।

    শিহাব গেটে বাধা পেল, দারোয়ান একটা অচেনা ছেলে দেখে জিজ্ঞাসা করল, কে আপনি? ভিতরে যেতে চাচ্ছেন কেন?

    শিহাব তাকে ঠিকানা দেখিয়ে বলল, আমি আমতলী থেকে এসেছি। জালাল সাহেব আমার ফুপা।

    দারোয়ান বলল, আপনি একটা কাগজে নাম ঠিকানা লিখে দিন।

    শিহাব লিখে দেয়ার পর বলল, আপনি দাঁড়ান আমি আসছি। তারপর ভিতরে গিয়ে কাজের মেয়ে সমিরণের হাতে দিয়ে বলল, এটা বেগম সাহেবকে দাও।

    আজ শুক্রবার সবাই বাসায়। সমীরণ কাগজটা নিয়ে শাফিয়া বেগমকে দিল।

    নাম ঠিকানা পড়ে শাফিয়া বেগম খুব আনন্দিত হয়ে সমীরণকে বললেন, যা, ওকে সঙ্গে করে নিয়ে আয়। তারপর স্বামীর কাছে গিয়ে বললেন, শিহাব এসেছে। ওর মাকে চিঠিতে লিখেছিলাম শিহাব না এলে আমি ও তুমি ওকে আনতে যাব।

    জালাল সাহেব আত্মভোলা মানুষ। সংসারের দিকে কোনো খেয়াল রাখেন না। সব সময় ব্যবসা নিয়ে মাথা ঘামান। শিহাবের কথা মনেই নেই। বললেন, শিহাব আবার কে? কোথা থেকে এল?

    শাফিয়া বেগম স্বামীর স্বভাব জানেন। বললেন, কি আশ্চর্য? তোমার কি ব্যবসা ছাড়া আর কিছুই মাথায় থাকে না? শিহাবের কথাও ভুলে গেলে? আমার বড় ভাইয়ের ছেলে শিহাব, যে নাকি এস.এস.সি. ও এইচ.এস.সি. তে সম্মিলিত মেধা তালিকায় ফার্স্ট হয়েছে। কাগজে যার রেজাল্ট দেখে তুমিই তো আমাকে বললে, তার কথা ভুলে গেলে কি করে?

    জালাল সাহেব হেসে উঠে বললেন, হ্যাঁ হ্যাঁ মনে পড়েছে। তা কোথায় সে?

    শাফিয়া বেগম বললেন, গেটে আছে, সমীরণকে নিয়ে আসতে পাঠিয়েছি। এস আমরা বারান্দায় যাই।

    শাফিয়া বেগম ও জালাল সাহেব বারান্দায় এসেছেন, এমন সময় শিহাব সমীরণের সঙ্গে এসে সালাম দিয়ে কদমবুসি করল।

    ওনারা সালামের উত্তর দিয়ে বললেন, থাক বাবা থাক। তারপর বসতে বলে নিজেরাও বসলেন।

    শিহাব পকেট থেকে মায়ের চিঠিটা বের করে ফুপুকে দিল।

    শাফিয়া বেগম সমীরণকে বললেন, ড্রইংরুমের পাশের গেস্ট রুমটা ঠিক ঠাক করে দাও। শিহাব ওখানে থাকবে। তারপর চিঠিটা পড়তে লাগলেন।

    শাফিয়া বুবু,

    পত্রে আমার দো’য়া নিও। দুলাভাইকেও দিও আর জাকিয়া ও মমতাজকে স্নেহাশীষ দিও। পরে জানই যে, শিহাবকে পাঠালাম, এখন থেকে তোমরাই ওর মা বাবা। ও বড় একরোখা আর স্বাধীনচেতা ছেলে। তবে বড়দের সম্মান ও ছোটদের স্নেহ করতে জানে। খুব ধর্মঘেষা। ওকে ওর মতো চলতে দিও। তবে অন্যায় কিছু করলে মা-বাবার মতো শাসনও করবে। পড়াশোনার সাথে সাথে কিছু একটা করতে চায়। সে ব্যাপারে দুলাভাইয়ের সঙ্গে আলাপ করে যা করলে ভালো হয় করো। বিশেষ আর কি লিখব। আমি ও আতিয়া ভালো আছি। আল্লাহপাকের দরবারে তোমাদের সার্বিক কুশল কামনা করে শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ।

    ইতি-
    তোমার ভাবি
    লতিফা বানু।

    শাফিয়া বেগম চিঠিটা পড়ে স্বামীর হাতে দিলেন।

    জালাল সাহেব পড়ে বললেন, ঠিক আছে, ও রাত জেগে জার্নি করে এসেছ, গোসল করে নাস্তা খেয়ে রেষ্ট নিক, পরে আলাপ করা যাবে।

    শাফিয়া বেগম জাকিয়া ও মমতাজকে ডেকে শিহাবের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলেন।

    শিহাব তাদের দিকে একবার তাকিয়ে মাথা নিচু করে নিল।

    শাফিয়া বেগম তাকে উদ্দেশ্য করে বললেন, লজ্জা করছ কেন? ওরা তোমার ছোট, ওদেরকে আতিয়ার মতো মনে করবে।

    মমতাজ বলল, আতিয়া কে মা?

    শিহাবের ছোট বোন।

    শিহাবের জামা কাপড় ও উসকো খুসকো চুল এবং রাতজাগা চেহারা দেখে মমতাজের গা ঘিন ঘিন করে উঠল। আর কিছু না বলে সেখান থেকে চলে গেল।

    জাকিয়া কিন্তু এক দৃষ্টে শিহাবের দিকে তাকিয়ে রইল।

    শিহাব এখানে আসার পর থেকে ক্রমশ খুব অবাক হচ্ছে। মায়ের কাছে শুনেছে ফুপারা খুব বড়লোক। তারা যখন গ্রামে গেছে তখন দু’একবার তাদেরকে দেখেছেও। তারা খুব বড়লোক শুনে তাদের ধারে কাছে যাইনি। এখন তাদের বাড়ি ঘর, আসবাবপত্র দেখে বিশ্বাসই করতে পারছে না, এখানে থাকবে। এইসব ভাবতে ভাবতে চারপাশে তাকাতে গিয়ে জাকিয়ার দিকে নজর পড়তে দেখল, সে তার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। একটু আগে দু’বোনকেই দেখেছে। তখন ভালো করে লক্ষ্য করেনি। এখন জাকিয়াকে দেখে মনে হল, এত সুন্দরী মেয়ে আগে কখনও দেখেনি। তার দিক থেকে দৃষ্টি সরাতে পারল না।

    তাই দেখে শাফিয়া বেগম শিহাবকে বললেন, তুমি বোধ হয় জান না, ও কথা বলতে পারে না।

    শিহাব চমকে উঠে বলল, কি বলছেন ফুপু?

    শাফিয়া বেগম দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে বললেন, হ্যাঁ বাবা, ও জন্ম থেকেই বোবা; তবে খুব বুদ্ধিমতী। এবছর এস.এস.সি. পাশ করেছে।

    শুনে শিহাব খুব অবাক হয়ে বলল, পড়াশোনা করল কি ভাবে?

    এখন সাইন্সের যুগ বাবা। মানুষ কত উন্নতি করেছে। বোবা ও অন্ধদের স্কুল আছে।

    আপনারা চিকিৎসা করান নি?

    তা আবার করাই নি, তোমার ফুপা ফরেনেও নিয়ে গিয়েছিলেন, কিছুই হয় নি।

    এমন সময় সমীরণ এসে বলল, বেগম সাহেব রুম, ঠিক করে দিয়েছি।

    শাফিয়া বেগম শিহাবকে বললেন, তুমি এস আমার সাথে। তারপর তাকে নিয়ে তার রুমে এসে বললেন, এটা তোমার রুম। তুমি এখানে থেকে লেখাপড়া করবে। তোমার পড়াশোনার সব ব্যবস্থা আমরা করে দেব। তারপর এটাচ রাথরুম খুলে দেখিয়ে দিয়ে বললেন, এখানে গোসল করার সব ব্যবস্থা আছে, তুমি গোসল করে নাও। আমি তোমার জন্য নাস্তা পাঠিয়ে দিচ্ছি, নাস্তা খেয়ে রেষ্ট নাও।

    জালাল সাহেবের বাড়িটা তিনতলা। দোতলায় ওনারা থাকেন, তিনতলায় কেউ থাকে না। নিচতলার দুটো রুমে চাকর চাকরানীরা থাকে। বাকি সব রুম তালা দেয়া। মেহমান কুটুম এলে ব্যবহার হয়। বাড়ির সামনে অনেকখানি ফাঁকা জায়গা। সেখানে মেয়েদের খেলার ব্যবস্থা। গেটের পাশে দারোয়ান থাকার রুম। অন্য পাশে ফুলের বাগান। একজন মালী সেটা দেখাশোনা করে। ফুলের বাগান ও খেলার মাঠের মাঝখান থেকে কংক্রীটের ঢালাই রাস্তা।

    জালাল সাহেব এক্সপোর্ট ইম্পোটের ব্যবসা করেন। ঢাকায় আরো কয়েকটা বাড়ি আছে। দুটো গাড়ি। একটা নিজে ব্যবহার করেন, অন্যটা মেয়েরা।

    জাকিয়া বোবা বলে তার কোনো বন্ধু বান্ধবী নেই। সে পড়াশোনা ও সংসারের কাজ করে সময় কাটায়। খেলাধুলা পছন্দ করে না।

    শাফিয়া বেগম তাকে মমতাজের বন্ধু বান্ধবীদের সাথে মেলামেশা ও খেলাধুলা করতে বলেন, কিন্তু জাকিয়ার ওসব ভালো লাগে না। তাই সবার কাছ থেকে দূরে দূরে থাকে।

    শিহাব এখানে আসার কয়েকদিন পর থেকে দু’বোনকে পড়াচ্ছে। মমতাজকে পড়া বুঝিয়ে দেয়। আর জাকিয়াকে সব কিছু লিখে দিতে হয়।

    ভার্সিটিতে ভর্তি হওয়ার পর যত দিন যাচ্ছে, মা বোনের কথা চিন্তা করে শিহাবের মন তত খারাপ হচ্ছে। কিভাবে তাদের সংসার চলছে ভেবে খুব অস্থির হয়ে পড়ল। মাসে দুটো করে মাকে চিঠি দেয়। মা উত্তরে লেখেন, আমাদের জন্য তুই কোনো চিন্তা করবি না। মন দিয়ে লেখাপড়া কর। সংসার কি ভাবে চলছে লেখেন না।

    পড়াশোনা করতে পারলেও ভালোভাবে খেতে পারছে না। খেতে গেলেই মা বোনের ক্ষুধার্ত মুখের ছবি মনের পাতায় ভেসে উঠে।

    ব্যাপারটা বুঝতে পেরে একদিন শাফিয়া বেগম তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কি কোনো অসুখ করেছে? মানে পেটের অসুখ টসুখ?

    শিহাব বলল, না ফুপু, ওসব কিছু হয়নি।

    তা হলে তুমি খাওয়া দাওয়া একদম করছ না কেন? বেশ রোগা হয়ে গেছ। সব সময় মনমরা হয়ে থাক।

    আম্মা ও আতিয়ার জন্য মনটা খারাপ।

    তাই যদি হয়, দু’চার দিনের জন্য একবার গিয়ে ওদেরকে দেখে এস।

    একটা কথা বলব ফুপু?

    বল কি বলবে? তোমাকে তো বলেছি, যা দরকার এতটুকু দ্বিধা না করে আমাকে জানাবে।

    আপনি তো আমাদের সংসারের অবস্থা জানেন। ফুপাকে বলে যদি আমার একটা কিছু ব্যবস্থা করে দিতেন, তা হলে প্রতি মাসে আম্মাকে কিছু টাকা পাঠাতে পারতাম। টাকার জন্য আতিয়ার হয়তো লেখাপড়া বন্ধ হয়ে গেছে। আমি আম্মাকে সেই রকম বলে এসেছিলাম। আর আম্মাও বোধ হয় আপনাকে চিঠিতে সেরকম লিখেছিলেন।

    আমার ভুল হয়ে গেছে তোমাকে আগেই জানানো উচিত ছিল। শোন, তাদের চিন্তা তোমাকে করতে হবে না। জাকিয়া ও মমতাজকে দু’জন মাষ্টার পড়াত। তাদেরকে তিন হাজার টাকা বেতন দিতাম। তুমি আসার পর তাদেরকে ছাড়িয়ে দিয়েছি। সেই টাকা থেকে তোমার পড়ার খরচ বাদে প্রতি মাসে দু’হাজার টাকা তোমার মাকে মানি অর্ডার করে পাঠাচ্ছি। তোমার চাকরি করার দরকার নেই। জাকিয়া ও মমতাজকে পড়াবার পর চাকরি করলে নিজের পড়া পড়বে কখন? ওসব চিন্তা বাদ দিয়ে ভালোভাবে পড়াশোনা কর। আর একটা কথা, তুমি জাকিয়া ও মমতাজকে আপনি করে বল কেন? ওরা তোমার ছোট বোন, তুমি করে বলবে।

    ফুপুর কথা শুনে শিহাবের চোখে পানি এসে গেল। সামলে নিয়ে বলল, আপনাদের ঋণ আমি কোনোদিন শোধ করতে পারব না। এতদিন আম্মা ও আতিয়ার চিন্তায় আমি ভালো করে পড়াশোনা করতে পারিনি। আপনি অনেক বড় চিন্তার হাত থেকে রক্ষা করলেন।

    শাফিয়া বেগম ভাইপোর গায়ে মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন, তোমার মা আমার শুধু ভাবি নয়, তার সঙ্গে আমার আলাদা একটা সম্পর্ক আছে। সে জন্য আমি তোমাকে নিজের ছেলেরমতো মনে করি। তুমি খুব ভালো ছাত্র। তোমাকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করে অনেক বড় করব।

    শিহাব ফুপুকে কদমবুসি করে ভিজে গলায় বলল, আপনি দো’য়া করুন, আমি যেন আপনার মনের ইচ্ছা পূরণ করতে পারি।

    শাফিয়া বেগম বললেন, নিশ্চয়ই দো’য়া করব বাবা নিশ্চয়ই দো’য়া করব। তুমি শুধু আমার মেয়ে দুটোকে নিজের বোন করে নিও। আর মমতাজের কথায় মনে কিছু নিও না। ও একটা জিদ্দি মেয়ে।

    শিহাব বলল, না ফুপু, আমি কিছু মনে করব কেন? ও এখন ছোট। জ্ঞান হলে ঠিক হয়ে যাবে। আতিয়াও আমাকে কত জ্বালায়।

    .

    পার্কে বেড়াতে যাওয়ার পর থেকে মমতাজ শিহাবের কাছে পড়তে এলেও পড়াশোনার ব্যাপার ছাড়া অন্য কোনোরকম কথাবার্তা বলে নি।

    শিহাব আসার পর থেকে মমতাজ একদিনও তাকে হাসি খুশি দেখে নি। আজ পড়তে এসে তার প্রফুল্ল মুখ দেখে বেশ অবাক হল। গতকাল হাফইয়ার্লি পরীক্ষার রেজাল্ট বেরিয়েছে। আগের তুলনায় রেজাল্ট খুব ভালো হয়েছে। শিহাবকে সহ্য করতে না পারলেও তার পড়াবার পদ্ধতি খুব পছন্দ করে। তার জন্যেই যে এবারে ভালো রেজাল্ট করতে পেরেছে তা জানে। তবু গতকাল যখন শিহাবকে রেজাল্ট দেখাল তখন মুখ গোমড়া করে ছিল। আজ শিহাবের প্রফুল্ল মুখ দেখে মমতাজের মনটাও তার প্রতি খুশি হল। বলল, শিহাব ভাই, আজ আপনাকে বেশ অন্য রকম দেখাচ্ছে।

    শিহাব বলল, তাই নাকি? তা কি রকম দেখাচ্ছে?

    বেশ আনন্দিত মনে হচ্ছে। তেমন কিছু হয়েছে নাকি?

    তা বলব না; তবে এটা বলতে পারি, মানুষের মন সব সময় একরকম থাকে না। এবার আমি যদি বলি, এই কয়েকদিন তুমি মুখ গোমড়া করে পড়তে এসেছ, আজ কিন্তু বেশ হাসিখুশি।

    শিহাব ভাইকে আজ তুমি করে বলতে শুনে মমতাজ আরো অবাক হয়ে বলল, কি ব্যাপার, আজ হঠাৎ তুমি করে বলছেন যে? অথচ আগে কতবার তুমি করে বলার জন্য বলেছি।

    এর কারণও বলব না। ঠিক করেছি, এবার থেকে তুমি করেই বলব।

    শুনে খুশি হলাম। কারণ বলবেন না কেন?

    বললাম তো বলব না; তবু জিজ্ঞেস করছ কেন?

    মমতাজ রেগে উঠে গম্ভীরস্বরে বলল, সেদিন কিন্তু মা-বাবার সামনে আপনি বলেছেন, আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করবেন না।

    তা বলেছি এবং কথামতো কাজও করছি

    তা হলে আমার প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন না কেন?

    এটা আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার। আর ব্যক্তিগত ব্যাপরটা কারো কাছে প্ৰকাশ করা বা গোপন রাখার অধিকার প্রত্যেকের আছে। কাউকে ব্যক্তিগত ব্যাপারে কিছু জিজ্ঞেস করলে, সে যদি না বলে, তা হলে সেটাতে তার অন্যায় হয় না।

    সেখানে জাকিয়াও ছিল। সে এতক্ষণ তাদের দু’জনের মুখের দিক তাকিয়ে আলাপের উদ্দেশ্য বোঝার চেষ্টা করছিল। এবার মমতাজের গায়ে হাত দিয়ে ঈশারা করে বলল, তুই চুপ কর। শিহাব ভাই ঠিক কথা বলেছে।

    মমতাজ তার হাতটা সরিয়ে দিয়ে অগ্নিদৃষ্টি হেনে বলল, তুই কালা ও বোবা, আমাদের কথার মাঝখানে বাগড়া দিবি না। তারপর বই খাতা নিয়ে চলে গেল।

    জাকিয়া শিহাবকে ঈশারা করে বলল, আপনি ওর উপরে রাগ করবেন না। ও একটু রাগি।

    মৃদু হেসে শিহাবও ঈশারা করে বলল, মমতাজের উপর সে রাগ করে নি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমহাভারত (কালীপ্রসন্ন সিংহ অনূদিত)
    Next Article ভালোবাসি তোমাকেই – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }