Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শেষ উপহার – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প122 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শেষ উপহার – ৬

    ৬

    শিহাব ও মমতাজের ভালবাসার কথা কেউ জানতে না পারলেও জাকিয়ার মনে সন্দেহ এনে দিয়েছে। জাকিয়া বোবা হলেও খুব বদ্ধিমতী। মাঝে মাঝে মমতাজকে শিহাবের রুমে তার সঙ্গে ঘন্টার পর ঘন্টা আলাপ করতে দেখে এবং তাদের দু’জনকে বেড়াতে যেতে দেখে প্রথম প্রথম কিছু মনে না করলেও ইদানিং মমতাজের পরিবর্তন দেখে তার মনে সন্দেহ হয়েছে। কিন্তু সাহস করে মমতাজ বা শিহাবকে কিছু জিজ্ঞেস করতে পারছে না।

    জাকিয়া শিহাবকে প্রথম দেখার পর থেকে তার প্রতি দুর্বলতা অনুভব করে। বোবা ও কালা মেয়েকে বাবার টাকার লোভে কেউ বিয়ে করলেও সেই স্বামী যে কোনোদিন তাকে ভালবাসবে না, তা জাকিয়া জানে। এর মধ্যে মা-বাবা যে তার বিয়ের সম্বন্ধ দেখছে তাও জানে। কয়েকটা পাত্র ও পাত্র পক্ষের লোকেরা এসে তাকে দেখে গেছে। সবকিছু পছন্দ করলেও যখন জানতে পারে, মেয়ে বোবা তখন তারা মন খারাপ করে ফিয়ে যায়। জাকিয়া আরো জানে, কেউ জেনেশুনে তাকে বিয়ে করবে না। তাই শিহাবকে ভালবাসলেও তাকে জানায় নি। নিজেকে ভাগের হাতে ছেড়ে দিয়ে তার খাওয়া-দাওয়ার দিকে লক্ষ্য রাখে। সে যখন রুমে থাকে না তখন তার বিছানাপত্র, কাপড় চোপড় ও বইপত্র গুছিয়ে দেয়। অবশ্য প্রথম থেকেই সে এইসব করে আসছে।

    অনেক ভেবে চিন্তে একদিন নিজের মনের কথা জানিয়ে একটা চিঠি লিখে শিহাবের বালিশের নিচে রেখে দিল

    শিহাব প্রতিদিন ঘুমাবার সময় নিজের বিছানাপত্র ঝেড়ে ঠিকঠাক করে ঘুমায়। অনেক দিন আগে সে যখন হাদিসে পড়েছিল, “বিছানাপত্র ঝেড়ে ঠিকঠাক করে ঘুমান সুন্নত” তখন থেকে এই সুন্নত মেনে আসছে। আজ বিছানা ঝাড়ার সময় বালিশ সরাতে গিয়ে চিঠির খাম দেখে বেশ অবাক হল। খাম থেকে চিঠি বের করে পড়তে শুরু করল-

    শিহাব ভাই,

    প্রথমে জানাই শতকোটি সালাম। পরে জানাই যে, তুমি এই চিঠি পড়ে আনন্দিত হবে কিনা জানি না, তবে হয়তো খুব অবাক হবে। যাই হও না কেন, আমার একান্ত অনুবোধ চিঠিটা পুরো পড়বে। এবার আসল কথায় আসি। তোমার আমার বয়স মনে হয় প্রায় সমান। তাই তুমি করেই লিখছি। অন্যায় হলে ক্ষমা করে দিও। আর তুমি করে বলার প্রধান কারণ হল, আমি তোমাকে ভীষণ ভালবাসি। আমি বোবা বলে এ পৃথিবীতে মা-বাবা ছাড়া কেউ আমাকে ভালবাসে না। তবে তাদের ভালবাসার মধ্যে করুণা মিশ্রিত আছে তাও আমি জানি। নিখুঁত ভালবাসা আমি কারো কাছ থেকে পাইনি। সেইজন্যে হয়তো আমিও কাউকে ভালবাসতে পারিনি। আত্মিয় অনাত্মিয় যারা আমাদের বাড়িতে আসে, তাদের অনেকে আমার রূপ দেখে পুত্রবধু করেতে চায়। কিন্তু তারা যখন আমার সম্বন্ধে সব কিছু জেনে যায় তখন মুখ ফিরিয়ে নিয়ে শুধু আফশোষ করে আর বলে, আল্লাহ মেয়েটাকে রূপ দিলেও বোবা করেছে। মা-বাবা অনেক টাকা পয়সা দিয়ে আমার বিয়ের চেষ্টা করে বিফল হয়েছে। সে সব তারা আমাকে না জানালেও আমি সবকিছু বুঝতে পারি। আমার জন্য মা-বাবা খুব দুশ্চিন্তায় দিন যাপন করছে। তার উপর মমতাজ বিয়ের উপযুক্ত হয়েছে। আমার জন্য তার বিয়ে দিতে পারছে না। তাই মাঝে মাঝে ভাবতাম সুইসাইড করে সবাইকে দুশ্চিন্তার হাত থেকে রেহাই দেব। এর মধ্যে তুমি বাধা হয়ে দাঁড়ালে। কেন কি জানি তোমার কথা মনে পড়লেই সুইসাইড করার চিন্তাটা দূর হয়ে যায়। মনে হয় জ্ঞান হওয়ার পর থেকে তোমাকেই যেন খুঁজছিলাম। তাই দিনের পর দিন তোমাকে গভীরভাবে ভালবেসে ফেললাম। শয়নে, স্বপনে, জাগরণে চব্বিশ ঘন্টা তুমি আমার মনের মধ্যে বাসা বেঁধে রয়েছ। জানি না. আমি তোমার মনের মধ্যে বাসা বাঁধতে পেরেছি কিনা। আমার কিন্তু ময়ে হয়, তুমিই আমার জীবন মরণ। আগে ধর্ম সম্বন্ধে তেমন একটা জ্ঞান ছিল না। যতটুকু জানতাম মেনে চলার চেষ্টা করতাম। তুমি আসার পর তোমার কাছ থেকে ধর্মের বইপত্র নিয়ে পড়ে অনেক কিছু জেনেছি এবং সে সব মেনে চলার চেষ্ঠাও করছি। এই চিঠি পড়ে তুমি আমাকে কী ভাবছ জানি না, তবে যাই ভাব না কেন, চিঠির উত্তর অতি অবশ্যই দিবে। না দিলে যা পরিণতি হবে, তার জন্য তোমাকে মানুষের কাছে জবাবদিহি করতে হবে না ঠিক; কিন্তু আল্লাহর কাছে করতেই হবে।

    বেশি কিছু লিখে তোমাকে বিরক্ত করব না। তোমার চিঠি পাব এই আশা নিয়ে শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ।

    ইতি –
    জাকিয়া।

    চিঠি পড়ে শিহাব যেন আকাশ থেকে পড়ল। অনেকক্ষণ চিন্তা শক্তি হারিয়ে ফেলল। এক সময় সম্বিত ফিরে এলে ভাবল, না-না এ কখনও সম্ভব নয়। আমি মমতাজকে ভালবাসি। সেও আমাকে পাগলের মতো ভালবাসে। তখন তার বিবেক বলে উঠল, কিন্তু জাকিয়ার ভালবাসাকে তুমি উপেক্ষা করবে কি করে? মমতাজের মতো সেও তোমাকে ভালবাসে। তাকে উপেক্ষা করলে তার পরিনতি কি হবে চিন্তা করে দেখ। তা ছাড়া মমতাজের জন্য পাত্রের অভাব হবে না। সে হয়তো বড় বোনের কথা জানতে পেরে নিজেকে সংযত করতে পারবে। এই সব ভাবতে ভাবতে ঘুমবার কথা ভুলে গেল। রাত তিনটের সময় তাহাজ্জুদের নামায পড়ে আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করল, “হে রাব্বুল আল আমিন, তুমি সবকিছু জান। তোমার কুদরতী ঈশারাতেই সবকিছু ‘চলছে। তুমি আমাকে এ কেমন পরীক্ষায় ফেললে? আমি যে কিছুতেই ভাবতে পারছি না। যদিও জানি তুমি ভাগ্যে যা লিখে রেখেছে, তা হবেই; তবু আমি এখন কি করব বলে দাও। আমি তোমার উপর নিজেকে সোপর্দ করলাম। আমি কি এখান থেকে চলে যাব না থাকব, তোমার কুদরতী ঈশারায় জানিয়ে দাও। আমি তোমার একজন গোনাহগার বান্দা। আমার সমস্ত গোনাহ মাফ করে দাও। মৃত্যু পর্যন্ত গোনাহ থেকে আমাকে হেফাজত করো। তোমার নবীপাক (দঃ) এর উপর শতকোটি দরুদ ও সালাম পেশ করে ফরিয়াদ করছি, তাঁর ওসিলায় আমার দোয়া কবুল কর। আমিন।”

    তারপর ফজর পর্যন্ত কুরআন তেলাওয়াত করে নামায পড়ে একসময় ঘুমিয়ে পড়ল।

    সকালে কাজের মেয়ে নাফিজা নাস্তা নিয়ে এসে শিহাবকে ঘুমিয়ে থাকতে দেখে খুব অবাক হল। তাকে কোনোদিন এত বেলা পর্যন্ত ঘুমাতে দেখেনি। নাস্তার প্লেট টেবিলের উপর চাপা দিয়ে রেখে ফিরে এসে শাফিয়া বেগমকে বলল, শিহাব বাবাজীর শরীর বোধ হয় খারাপ। সে এখনও ঘুম থেকে উঠে নি।

    মমতাজ নাস্তা খেতে এসেছিল। নাফিজার কথা শুনে মাকে উদ্দেশ্য করে বলল, তুমি নাস্তা খাও, আমি দেখছি। কথা শেষ করে শিহাবের রুমে এসে দেখল, সে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। মুখটা মলিন। ঘুমাবার আগে যে কেঁদেছে তার চিহ্ন চোখের গোড়ায় রয়েছে। তাকে দেখে মমতাজ চমকে উঠল। ভাবল, ওর কি এমন হল, যে জন্যে কেঁদেছে। মনে হয় সারারাত জেগে ভোরের দিকে ঘুমিয়েছে। হঠাৎ বালিশের পাশে একটা কাগজ দেখতে পেয়ে এগিয়ে এসে সেটা নিয়ে চমকে উঠল, আরে, এযে আপার হাতের লেখা। তারপর পড়তে শুরু করল।

    চিঠি পড়তে পড়তে মমতাজের খুব রেগে যাওয়ার কথা, কিন্তু তা না হয়ে চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়তে লাগল। আগে হলে হয়তো আপার বারোটা বাজিয়ে ছাড়তো। কিন্তু এখন তার ধর্মীয় জ্ঞান তাকে অনেক সংযত করেছে। আপার জন্য তার বড় মায়া হল। পড়া শেষ করে দাঁড়িয়ে থাকতে পারল না। তার মাথা তখন বোঁ বোঁ করে ঘুরছে। খাটে শিহাবের পাশে বসে নিজেকে সামলাবার চেষ্টা করল। মনকে বোঝাতে লাগল, আপা শিহাব ভাইকে এত ভালবাসে যে, তাকে না পেলে আত্মহত্যা করার ইঙ্গিত দিয়েছে। যখন জানতে পারবে আমি ও শিহাব দু’জন দু’জনকে ভালবাসি তখন নিশ্চয় করেই ফেলবে। ছোট বোন হয় বড় বোনের এতবড় সর্বনাশ করতে পারবে না। তারপর শিহাবের দিকে তাকিয়ে ফুঁপিয়ে উঠে বিড় বিড় করে বলল, শিহাব ভাই, আমাকে ক্ষমা করবেন। আমি আপার জন্য নিজের প্রেমকে কুরবানি করব। শিহাবকে নড়ে উঠতে দেখে চিঠিটা রেখে দিয়ে দ্রুত সেখান থেকে বেরিয়ে বেসিনে চোখ মুখ ধুয়ে মায়ের কাছে এসে বলল, শিহাব ভাইয়ের বোধ হয় রাতে ঘুম হয়নি, তাই ঘুমাচ্ছেন।

    শাফিয়া বেগম মেয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে তার থমথমে মুখ দেখে অবাক হলেন। বললেন, ঘুম হয়নি কেন? কোনো অসুখ বিসুখ করেনি তো? তুই তাকে জাগালি না কেন?

    জাকিয়াও নাস্তা খাচ্ছিল। তার খাওয়া শেষ হয়েছে। দাঁড়িয়ে ঈশারা করে মাকে বলল, আমি তাকে জাগাতে যাচ্ছি। তারপর সে শিহাবের রুমে চলে গেল।

    শাফিয়া বেগম মমতাজকে জিজ্ঞেস করলেন, কি ব্যাপার বলতো, তোর মুখের অবস্থা ও রকম কেন?

    মমতাজ মুখে হাসি ফুটিয়ে বলল, মা, তুমি যেন কী? আমার মুখের অবস্থা আবার কি রকম হবে। তারপর নাস্তা না খেয়ে সেখান থেকে চলে গেল।

    শাফিয়া বেগম বললেন, নাস্তা না খেয়ে চলে যাচ্ছিস যে?

    আমার শরীরটা আজ ভালো না, নাস্তা খাব না।

    শাফিয়া বেগম ব্যাপারটা বুঝতে না পেরে জাকিয়ার জন্য অপেক্ষা করতে লাগলেন।

    জাকিয়া রুমে ঢুকে শিহাবের ঘুমন্ত মুখের দিকে তাকিয়ে চমকে উঠল। ভাবল, আমার চিঠি পড়ে নিশ্চয় সারারাত কেঁদেছে। কিন্তু কেন? তা হলে কি আমার চিঠি পড়ে মনে খুব আঘাত পেয়েছে। ধীরে ধীরে এগিয়ে এসে তার মাথা ধরে আস্তে আস্তে নাড়া দিয়ে জাগাবার চেষ্টা করল।

    শিহাবের ঘুম ভেঙ্গে গেল। তাকিয়ে জাকিয়াকে দেখে চমকে উঠল। তারপর হাতটা সরিয়ে দিয়ে উঠে বসল।

    জাকিয়া তাকে ঈশারা করে নাস্তা খাওয়ার কথা বলে একদৃষ্টে তার মুখের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইল, তারপর চলে এল।

    শাফিয়া বেগম তাকে দেখে ঈশারা করে শিহাবের কথা জিজ্ঞেস করলেন।

    জাকিয়াও ঈশারা করে বলল, সে উঠেছে।

    শিহাব রাথরুমের কাজ সেরে গোসল করে নাস্তা খেয়ে উঠেছে, এমন সময় শাফিয়া বেগম তার কাছে এসে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কি শরীর খারাপ?

    শিহাব বলল, না ফুপু, আমার কিছু হয়নি।

    তা হলে এত বেলা পর্যন্ত ঘুমিয়েছিলে কেন?

    শিহাব একটু চিন্তা করে বলল, রাতে ভালো ঘুম হয়নি। তাই ফযরের নামায পড়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।

    শাফিয়া বেগম তার মুখের দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারলেন, কিছু একটা হয়েছে। কিন্তু কি হয়েছে অনুমান করতে পারলেন না। বললেন, শরীর খারাপ হলে অবহেলা করা উচিত নয়। আজ অফিসে যাওয়ার দরকার নেই। কোনো ডাক্তারের কাছে শরীরটা চেক আপ করাও।

    শিহাব মৃদু হেসে বলল, আমার কিছু হয়নি ফুপু, আপনি শুধু শুধু চিন্তা করছেন।

    শাফিয়া বেগম আর কিছু না বলে সেখান থেকে চলে গেলেন।

    এরপর থেকে মমতাজ শিহাবের কাছে যাতায়াত কমিয়ে দিল। সে যাতে সন্দেহ করতে না পারে সে জন্য মাঝে মধ্যে যায়, ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ের উপর আলোচনাও করে। কিন্তু আগের মতো বেশিক্ষণ তার কাছে থাকে না।

    এ দিকে জাকিয়া শিহাবকে চিঠি দেয়ার পর উত্তরের আশায় দিন গুণতে লাগল। প্রতিদিনকার মতো তাকে খাওয়াচ্ছে, বিছানাপত্র ও বইপত্র গুছিয়ে দিচ্ছে; কিন্তু আগের মতো সেও তার কাছে বেশিক্ষণ থাকে না। বেশ কিছুদিন অপেক্ষা করার পর তার ধারণা হল, শিহাব ভাই তাকে পছন্দ করে না। আরো দু’তিন দিন অপেক্ষা করে এক গভীর রাতে শিহাবের দরজার কাছে এস দরজায় টোকা দিল।

    শিহাব জেগে ছিল। দরজায় কেউ টোকা দিচ্ছে শুনে ঘড়ি দেখল, বারটা। এত রাতে কে হতে পারে চিন্তা করতে লাগল। মনের ভুল হতে পারে ভেবে ঘুমাবার চেষ্টা করল। একটু পরে আবার শব্দ হতে খাট থেকে নেমে দরজা খুলে জাকিয়াকে দেখে চমকে উঠল।

    জাকিয়া তাকে পাশ কাটিয়ে ভিতরে ঢুকে দরজা ভিড়িয়ে দিল।

    শিহাব ঈশারা করে কাকুতি মিনতি করে বোঝাবার চেষ্টা করল, এত রাতে আসা তার ঠিক হয়নি।

    জাকিয়া সেদিকে খেয়াল না করে চোখের পানি ফেলতে ফেলতে ঈশারা করে তার চিঠির উত্তর দেয়নি কেন জিজ্ঞেস করল।

    শিহাব কি করবে না করবে এখনও ভেবে ঠিক করতে পারেনি। একবার ভেবেছিল, মমতাজকে জাকিয়ার চিঠির কথা বলে তার সঙ্গে আলোচনা করবে। কিন্তু বলতে সাহস হয়নি। এখন জাকিয়ার অবস্থা খুব সিরিয়াস বুঝতে পেরে ঈশারায় বোঝাল, তোমাকে ভালবাসি; কিন্তু বিয়ের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হলে ভেবে চিন্তে নিতে হবে। কিছু দিনের মধ্যে সে কথা তোমাকে জানাব। তুমি এখন যাও। কেউ দেখে ফেললে আমি কারো কাছে মুখ দেখাতে পারব না। তারপর অনেক মিনতি করে তাকে চলে যাওয়ার জন্য বোঝাতে লাগল।

    জাকিয়া চোখের পানি ফেলতে ফেলতে করুন দৃষ্টিতে এতক্ষণ তার দিকে তাকিয়েছিল। সেই অবস্থায় নিজের রুমে চলে গেল।

    শিহাবের যেন ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ল। দরজা লাগিয়ে শুয়ে শুয়ে চিন্তা করল, কালকেই ব্যাপারটা মমতাজকে জানিয়ে তার সঙ্গে পরামর্শ করে একটা সিদ্ধান্ত নিতেই হবে। নচেৎ আবার হয়তো কোন দিন জাকিয়া এসে হাজির হবে।

    পরপর দু’তিন দিন মমতাজের দেখা না পেয়ে একদিন বিকেলে কাজের মেয়ে নাফিজাকে দিয়ে তাকে ডেকে পাঠাল

    মমতাজ এসে বলল, কেন ডেকেছেন বলুন?

    বেশ কিছুদিন থেকে লক্ষ্য করেছি, তুমি আমাকে এড়িয়ে চলছ। কারণটা বলবে?

    আমিও বেশ কিছুদিন থেকে লক্ষ্য করেছি, আপনার এমন কিছু একটা হয়েছে যা আমাকে বলতে পারছেন না।

    হ্যাঁ, তোমার অনুমান ঠিক। সেটা বলার জন্যই তোমাকে ডেকেছি। চল না কোনো পার্কে যাই। বেড়ানোও হবে আর কথাটা বলাও হবে।

    মমতাজ এই দিনটার জন্য অপেক্ষা করছিল। বলল, বেশ, আমি তৈরি হয়ে আসছি। কথা শেষ করে চলে গেল।

    গাড়িতে উঠে শিহাব বলল, এ সময়ে পার্কে নিরিবিলি জায়গা পাওয়া মুশকিল। তার চেয়ে বোটানিকাল গার্ডেনে যাওয়া যাক।

    মমতাজ বলল, সেটাই ভালো।

    গার্ডেনে পৌঁছে কিছুক্ষণ হাঁটার পর দু’জন একটা নিরিবিলি জায়গায় বসে বেশ কিছুক্ষণ একে অপরের মুখের দিকে তাকিয়ে রইল।

    এক সময় দু’জনেরই চোখ থেকে পানি গড়িয়ে পড়ল।

    প্রথমে মমতাজ নিজেকে সামলে নিয়ে চোখ মুছে বলল, কি বলবেন বলে নিয়ে এলেন?

    শিহাবও নিজেকে সামলে নিয়ে চোখ মুছে পকেট থেকে জাকিয়ার চিঠিটা বের করে তার হাতে দিয়ে বলল, পড়ে দেখ।

    মমতাজ চিঠিটার দিকে একবার তাকিয়ে ফিরিয়ে দিয়ে বলল, এ চিঠি আমি অনেক আগেই পড়েছি।

    শিহাব চমকে উঠে অবাক হয়ে বলল, পড়েছ?

    হ্যাঁ পড়েছি। যে দিন আপা আপনাকে চিঠিটা দেয় তার পরেরদিন সকালে নাস্তা খাওয়ার জন্য ডাকতে গিয়ে পড়েছি। তখন আপনি ঘুমিয়ে ছিলেন।

    তারপরও তুমি এতদিন চুপচাপ রয়েছ?

    কি করব তা হলে?

    কি করবে মানে? আমাকে কি তুমি অবিশ্বাস কর?

    না।

    তা হলে চিঠির কথা জেনেও এতদিন কিছু বলোনি কেন? সেদিন থেকে আমি কি যন্ত্রনা নিয়ে যে দিন কাটাচ্ছি, তা কি তুমি জান না?

    জানি এবং আমিও সেই যন্ত্রনায় ভুগছি।

    যন্ত্রনা থেকে নিস্কৃতি পাওয়ার কোনো চিন্তা ভাবনা করেছ?

    করেছি, শুধু এই দিনটার জন্য অপেক্ষা করেছিলাম।

    কি চিন্তা ভাবনা করেছ বল।

    আপনি আমাকে ভুলে যান শিহাব ভাই।

    যে শিহাব ধৈর্য্যের প্রতিক, যে কোনো দিন রাগ কি জিনিস জানে না। সেই শিহাব আজ মমতাজের কথা শুনে এত রেগে গেল যে, সামলাতে না পেরে তার গালে সজোরে একটা চড় মেরে গর্জে উঠল, একথা বলতে তোমার মুখে আটকাল না? আল্লাহ না করুক, দুনিয়া এদিক ওদিক হয়ে গেলেও মমতাজ আর শিহাব ছাড়াছাড়ি হতে পারে না। কান্নায় তার গলা বুজে এল।

    মমতাজ চিন্তাই করতে পারেনি শিহাব ভাই তাকে মারবেন। যন্ত্রণায় নীল হয়ে গেল, তবু কিছু বলল না, শুধু তার চোখের দিকে এক দৃষ্টে তাকিয়ে রইল। আর অবিরল ধারায় চোখের পানি ফেলতে লাগল।

    শিহাব সম্বিত ফিরে পেয়ে তার ফর্সা টকটকে গালে পাঁচটা আঙ্গুলের দাগ দেখে ডুকরে কেঁদে উঠে মাঠিতে ঘুসি মারতে মারতে বলল, এ আমি কি করলাম, কি করলাম? ঘুঁসির চোটে তার হাতের আঙ্গুল ফেটে রক্ত বেরোতে লাগল।

    তাই দেখে মমতাজ তার হাতটা দু’হাতে ধরে ভিজে গলায় বলল, একি করছেন শিহাব ভাই? আপনি কি পাগল হয়ে গেলেন নাকি?

    শিহাব হাতটা ছাড়াবার চেষ্টা করতে করতে বলল, ছেড়ে দাও মমতাজ, যে হাতে তোমার গালে চড় মেরেছি, সে হাত আমি গুড়ো করে ফেলব।

    মমতাজ আরো জোরে হাতটা চেপে রেখে কাঁদতে কাঁদতে বলল, না শিহাব ভাই না। আপনার হাতের চড় আমার কাছে কোটি টাকার উপহার। সাময়িক কষ্ট পেলেও আমি খুব খুশি হয়েছি। একটা আব্দার আমার রাখবেন?

    শিহাব মমতাজের কথা শুনে ভীষণ অবাক হল। চড় খেয়েও যে মমতাজ এই কথা বলবে, তা ভাবতেই পারছে না। কি আব্দার করতে পারে চিন্তা করতে লাগল।

    তাকে চুপ করে থাকতে দেখে মমতাজ মিনতি স্বরে বলল, রাখবেন না শিহাব ভাই?

    শিহাব বলল, ইসলামের বাইরে কোনো কিছু না হলে প্রাণের বিনিময়ে হলেও রাখব।

    ওয়াদা?

    ওয়াদা।

    আপনি আপাকে বিয়ে করুন।

    শিহাব আবার রেগে উঠে হাত তুলেছিল মারবে বলে; কিন্তু পারল না। হাতটা নামিয়ে নিয়ে মুখ নিচু করে অনেক্ষণ চুপ করে রইল।

    মমতাজ অধৈর্য্য স্বরে বলল, হাতটা নামিয়ে নিলেন কেন? আমাকে যত ইচ্ছা মারুন, আমি কোনো প্রতিবাদ করব না। তবু আপাকে বিয়ে করবেন? তাকে চুপ করে থাকতে দেখে মমতাজ আবার বলল, জানেন না, ওয়াদা ভঙ্গ করা শক্ত গোনাহ?

    শিহাব এতক্ষণ মুখ নিচু করে চোখের পানি ফেলছিল। এবার চোখ মুছে মুখ তুলে বলল, সে কথা জানি মমতাজ। তবে তুমি বোধ হয় জান না, হায়াৎ মউত, বিয়ে শাদি আল্লাহর হাতে। তিনি যদি জাকিয়াকে আমার স্ত্রী হিসাবে ঠিক করে থাকেন, তা হলে আমি কেন আমার ঘাড় রাজি হবে। তবে তুমি তোমার আপার জন্য যে স্যাকরিফাইস করলে তা বিরল। এখন চল ফেরা যাক।

    ফেরার সময় গাড়িতে মমতাজ বলল, আপার চিঠির উত্তর আপনাকে দিতে হবে না। যা বলার আমিই বলব।

    শিহাব গাড়ি চালাতে চালাতে শুধু বলল, শুকরিয়া।

    পরের দিন এক ফাঁকে মমতাজ জাকিয়াকে ঈশারায় জানাল, শিহাব ভাই তোমাকে খুব ভালবাসেন। মা-বাবাকে বলব তার সঙ্গে তোমার যেন বিয়ে দেয়।

    জাকিয়া মমতাজকে জড়িয়ে ধরে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠল।

    মমতাজের চোখেও পানি এসে গেল। জাকিয়ার পিঠে কিছুক্ষণ হাত বুলাতে বুলাতে নিজেকে সামলাল তারপর আলিঙ্গন মুক্ত হয়ে ঈশারায় বলল, তুমি কাঁদছ কেন? শিহাব ভাই তোমাকে খুব ভালবাসেন। তুমি দেখো আপা, মা-বাবাকে বলে যেমন করে হোক তোমাদের দু’জনের মনের আশা পূরণ করবই ইনশাআল্লাহ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমহাভারত (কালীপ্রসন্ন সিংহ অনূদিত)
    Next Article ভালোবাসি তোমাকেই – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }