Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শেষ উপহার – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প122 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শেষ উপহার – ৫

    ৫

    মমতাজের বি.এ. পরীক্ষা শেষ হয়েছে। এখন সে আর আগের মতো বন্ধু- বান্ধবীদের নিয়ে খেলাধুলা করে না। তাদের সঙ্গে মেলামেশাও কমিয়ে দিয়েছে। তবে মাঝে মাঝে শিহাবের সঙ্গে বেড়াতে যায়। তার কাছ থেকে ধর্মীয় বই নিয়ে পড়ে ক্রমশঃ যেমন ধর্মের দিকে ঝুঁকে পড়ছে, তেমনি শিহাবের দিকেও ঝুঁকে পড়ছে। কারণে অকারণে তার কাছে গিয়ে নানারকম আলোচনা করে। একদিন কথা প্রসঙ্গে বলল, আচ্ছা শিহাব ভাই, আজকাল ছেলে মেয়েরা যে প্রেমে পড়ে এবং প্রেম করে বিয়ে করে, এই সম্বন্ধে আপনার মতামত কি?

    মমতাজ যে ক্রমশঃ ধর্মের দিকে ও তার দিক ঝুঁকে পড়ছে শিহাব তা অনেক আগেই বুঝতে পেরেছে। সে নিজেও তাকে ভীষণ ভালবেসে ফেললেও চিন্তা করে, যে ফুপা-ফুপু তাকে ছেলেরমতো স্নেহ করেন, যারা তাকে উচ্চশিক্ষা দিচ্ছেন এবং মাকে সংসারের খরচ দিয়ে আসছেন, তাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই মমতাজকে ভীষণ ভালবাসলেও কঠোরভাবে নিজেকে সংযত রেখেছে। মমতাজ যতই তার সঙ্গে ঘণিষ্ঠ হতে চায়, সে ততই তাকে এড়িয়ে চলে। আজ তার মুখে প্রেমের কথা শুনে শঙ্কিত হয়ে কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে সামলে নিয়ে বলল, আজকালের ছেলে মেয়েরা প্রেম কি জিনিস জানে না। একসঙ্গে মেলামেশা করে একে অপরের প্রেমে পড়ে। এটাকে ঠিক প্রেম বলে না। দুটো ছেলে মেয়ের মধ্যে অনেক দিনের ভালবাসা থাকা সত্ত্বেও অন্য ভালো ছেলে মেয়ে পেয়ে তারা পূর্বের ভালবাসার কথা ভুলে যায় এবং অন্যকে ভালবাসে। এমন কি তারা বিয়েও করে। দেখা গেছে, যারা ভালবেসে বিয়ে করে, তাদের মধ্যে খুব কম সংখ্যক সুখী হতে পেরেছে। আবার অনেকে সুখী হলেও অশান্তিতে ভুগছে। আসলে মানুষের মন বড় বিচিত্র। সে কিসে সুখ শান্তি পাবে তা নিজেই জানে না। যতটুকু জানে, তা সারাজীবনের জন্য যথেষ্ট নয়। মানুষ আজ যা পেলে সুখী হয়, কিছু দিন পর সেটাই তার কাছে অসুখী হয়ে দাঁড়ায়। তবে যারা ধর্মীয় জ্ঞানে গুণী এবং ধর্মীয় আইনের অনুশীলন করে থাকেন, তারা তকদীরের উপর বিশ্বাস করে সবকিছু মেনে নেয়। তারা অসুখী হলেও হতাশ হয় না অথবা অনুশোচনা করে না। তারা তকদীরকে বিশ্বাস করে সব কিছু মেনে নিয়ে জীবন অতিবাহিত করে। তাদের কাছে ইহজগতের চেয়ে পরকালের সুখ শান্তি পাওয়াটাই বড়। আর একটা কথা, ছেলে- মেয়েরা তাদের অপরিপক্ক জ্ঞানের দ্বারা যা কিছু ভালো মনে করে, পরিপক্ক জ্ঞান হওয়ার পর সেগুলোকে আর ভালো মনে করতে পারে না। ভালবাসার মধ্যে পার্থিব স্বার্থ জড়িত। বিয়ের পর যখন সেই স্বার্থ পূরণ হয় না তখন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দ্বন্দ কলহের সৃষ্টি হয়। ইসলামে ছেলে মেয়ের মধ্যে যেমন মেলামেশা নিষিদ্ধ তেমনি প্রেম ভালবাসা করাও নিষিদ্ধ। কারণ যুবক-যুবতীদের বয়সটা এমন, যা কোনো বিধি নিষেধ মানতে চায় না। যতই তারা শিক্ষিত ও চরিত্রবান হোক না কেন, শয়তান তাদের পিছনে সব সময় লেগে থাকে। যে কোনো অসতর্ক মুহূর্তে অঘটন ঘটিয়ে ফেলে। “শয়তান যে মানুষের প্রকাশ্য শত্রু” একথা আল্লাহ কুরআনের অনেক জায়গায় বলিয়াছেন। যেমন তিনি এক জায়গায় বলিয়াছেন, “হে আদম সন্তানগণ (এবং হে জ্বিনগণ), তোমরা শয়তানের পূজা করিও না, সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু। আর ইহা (-ও) যে, তোমরা কেবল আমারই ইবাদত কর; ইহাই সরল পথ।” [সূরা- ইয়াসীন, পারা- ২৩, আয়াত- ৬১]

    কিন্তু আমি তো শুনেছি প্রেম পবিত্র।

    হ্যাঁ, তোমার কথা ঠিক। কিন্তু সেই প্রেম আজকালের ছেলে মেয়েরা যে প্রেম করে, তা নয়। সেই প্রেমের কথা আজকালের ছেলে মেয়েরা জানে না। সেটা আল্লাহ প্রদত্ত প্রেম। সেখানে না আছে কোনো স্বার্থ, না আছে কোনো পাপ পঙ্কিলতা। সেখানে যেমন দৈহিক মিলনের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই, তেমনি পার্থিব স্বার্থেরও কোনো সম্পর্ক নেই। সেইরকম প্রেমের কথা খুব কম সংখ্যক ছেলে মেয়ে জানে।

    মমতাজ হঠাৎ মনের তাগিদে বলে ফেলল, আপনি যে প্রেমের কথা বললেন, কোনো মেয়ে যদি সেরকম প্রেম আপনাকে নিবেদন করে, তা হলে আপনি কি করবেন?

    শিহাব কথাটার ইঙ্গিত বুঝতে পেরে বলল, এই হতভাগাকে কোনো মেয়ে প্রেম নিবেদন করবে, এটা খুবই হাস্যকর ব্যাপার।

    আপনি নিজেকে এত ছোট ভাবেন কেন?

    আমি যে তাই।

    কিন্তু আপনি একজন স্কলার ছাত্র। ভবিষ্যতে তো আর তাই থাকবেন না।

    সেটা আল্লাহপাক জানেন। যা আছি, তার চেয়ে আরো ছোটও তো হতে পারি?

    বড়ও তো হতে পারেন? আল্লাহ ইচ্ছা করলে গরিবকে ধনী এবং ধনীকে গরিব করতে পারেন। এটা আমি কুরআনের ব্যাখ্যায় পড়েছি।

    হ্যাঁ, তোমার কথা অবশ্য ঠিক। আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন।

    তা হলে আমার প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে এড়িয়ে যাচ্ছেন কেন?

    সেরকম কোনো মেয়ে যদি সত্যি প্রেম নিবেদন করে, তা হলে পরীক্ষা করে দেখব, তারপর ডিসিশান নেব। এবার আমি যদি বলি, হঠাৎ প্রেমের কথা তুললে কেন? তুমি কি কারো প্রেমে পড়েছ?

    সে কথা বলব না, তবে আমাকে একজন প্রেম নিবেদন করে চিঠি দিয়েছে।

    তাই নাকি? তা তার চিঠির উত্তর দিয়েছ?

    না, দিই নি।

    কেন? ছেলেটা কি তোমাদের সমাজের উপযুক্ত নয়?

    আমাদের সমাজের উপযুক্ত হলেও আমার কাছে নয়।

    তা হলে পরিচিত ছেলে?

    হ্যাঁ, পরিচিত।

    তা হলে তাকে প্রত্যাখান করার আগে পরীক্ষা করে দেখ।

    পরীক্ষা করার দরকার নেই। ছেলেটা ভালো। অনেক দিন থেকে তাকে চিনি। কিন্তু আমার মন যে ধরণের ছেলেকে পছন্দ করে, সে সেধরণের নয়। তা ছাড়া আমার মনের মতো ছেলের সন্ধান আমি পেয়েছি।

    দেখ মমতাজ, মনের মতো সব কিছু পাওয়া তকদীরের ব্যাপার। তারাই পায়, যারা খুব সৌভাগ্যবান। সেরকম মানুষ দুনিয়াতে খুব কম। আজ যাকে তোমার মনের মতো মনে হচ্ছে, কিছুদিন পর তার থেকে আরো ভালো ছেলের সংস্পর্শে এলে তাকে আর সে রকম মনে হবে না।

    আপনার কথা হয়তো ঠিক। তবে সবাইকে এক চোখে বিচার করা বোধ হয় ঠিক নয়।

    তাও অবশ্য ঠিক। তোমার পছন্দের ছেলেটা কি জানে, তুমি তাকে ভালবাস?

    বলতে পারব না।

    আমার কথা রাখবে?

    বলুন, নিশ্চয় রাখবো।

    ছেলেটাকে আরো ভালো করে পরীক্ষা কর। যদি পজেটিভ হয় এবং বুঝতে পার সে তোমাকে সত্যিকার ভালবাসে, তা হলে অপেক্ষা করে দেখ, সে অগ্ৰভূমিকা নেয় কি না। খবরদার, তুমি অগ্রভূমিকা নেবে না।

    ছেলেটাকে যতটুকু জানি, মনে হয় না সে অগ্রভূমিকা নেবে।

    তবু তোমাকে অপেক্ষা করতে হবে। এ ব্যাপারে ছেলেরাই অগ্রভূমিকা নেয়। তা ছাড়া তুমি অগ্রভূমিকা নিয়ে তার কাছে ছোট হতে যাবে কেন?

    আমি তাকে অনেকভাবে পরীক্ষা করে দেখেছি, সারাজীবন অপেক্ষা করলেও সে অগ্রভূমিকা নেবে না।

    শিহাব ব্যাপারটা বুঝতে পেরে কি বলবে ভেবে না পেয়ে বেশ কিছুক্ষণ চুপ করে চিন্তা করতে লাগল।

    মমতাজ অধৈর্য্য গলায় বলল, কিছু না বলে চুপ করে আছেন কেন?

    আমার জ্ঞানে যা ছিল, তা সব বলেছি। আর কি বলবো ভেবে পাচ্ছি না।

    আচ্ছা, আপনি কোনো মেয়ের প্রেমে পড়েন নি? অথবা কোনো মেয়ে কি আপনাকে প্রেম নিবেদন করেনি? আপনি বরাবর স্কলার ছাত্র। এ রকম ছেলেদেরকে তো মেয়েরা বেশি পছন্দ করে।

    একটু আগে বললাম না, জেনেশুনে এই চাল-চুলোহীন ছেলেকে কে প্রেম নিবেদন করবে? তবে যারা আমার আর্থিক অবস্থার কথা জানে না, তাদের কেউ কেউ আমার দিকে এগোতে চেয়েছে। আমি বুঝতে পেরে তাদেরকে পাত্তা দিইনি। আমার সামনে বিরাট দায়িত্ব রয়েছে। প্রথমত লেখাপড়া, দ্বিতীয়ত স্বাবলম্বী হওয়া এবং তারপর বোনের বিয়ে দেয়া।

    কেউ যদি ততদিন আপনার অপেক্ষায় থাকে?

    শিহাব হেসে উঠে বলল, সেটা তক্বদীরের ব্যাপার। তকদীরে যা আছে তা তো মেনে নিতেই হবে। এমন সময় আসরের আযান শুনে বলল, এবার এসব কথা থাক। তুমি এখন যাও, আমি নামায পড়তে মসজিদে যাব।

    মমতাজ শত ইচ্ছা থাকলেও বলতে পারল না, শিহাব ভাই, আমি তোমাকে ভালবাসি। তোমার জন্য আমি সারাজীবন অপেক্ষা করবো। চিন্তা করল, আজ তাকে কোনো পার্কে বেড়াতে নিয়ে গিয়ে কথাটা বলবে। উঠে দাঁড়িয়ে বলল, নামায পড়ে আসুন, বেড়াতে যাব।

    শিহাব বলল, আজ নয়, কাল যাব।

    কেন?

    আজ অনেক সময় নষ্ট হয়েছে। নামায পড়ে এসে একটু পড়াশোনা করব। মমতাজ কিছু না বলে চলে গেল।

    .

    মাস দুই হল রোজিনার বাবা আসফাক সাহেব লন্ডনের পাট চুকিয়ে স্বপরিবারে দেশে ফিরে নিজের বাড়িতেই ক্লিনিক খুলেছেন। ওনার বড় ছেলে হান্নান ডাক্তারী পাস করে বাবার ক্লিনীকেই কাজ করছে। হান্নান কয়েক বছর আগে যখন দেশে এসে রোজিনাকে নিয়ে মমতাজদের বাড়িতে এসেছিল তখন তাকে দেখে মুগ্ধ হয়েছিল। সেই সময় ভেবেছিল, মমতাজকে বিয়ে করবে। তারপর এবার যখন তারা একেবারে লন্ডন ছেড়ে চলে এল এবং রোজিনাকে সঙ্গে নিয়ে মমতাজদের বাসায় গিয়েছিল তখন তাকে দেখে সেই আগ্রহ আরো বেড়ে যায়। এই দু’মাসের মধ্যে বেশ কয়েকবার মমতাজের সঙ্গে একান্তে আলাপ করার জন্য এসেছে; কিন্তু সেরকম সুযোগ পাইনি। তাই একদিন নিজের মনের কথা জানিয়ে মমতাজকে একটা চিঠি লিখে রোজিনাকে বলল, তোকে একটা কথা বলব, কাউকে বলবি না  ম বল।

    রোজিনা বলল, বলতে নিষেধ করছ যখন, বলতে যাব কেন?

    তোর বান্ধবী মমতাজ কেমন মেয়ে বলতে পারিস? হঠাৎ তার কথা জিজ্ঞেস করছ কেন?

    মনে হল তাই জিজ্ঞেস করলাম। তা অমন করে চেয়ে আছিস কেন?

    তোমার কথা শুনে আমার যেন কেমন সন্দেহ হচ্ছে।

    কি সন্দেহ হচ্ছে?

    মমতাজকে তোমার পছন্দ হয়েছে।

    তোর সন্দেহটা ঠিক, তবে মমতাজ যদি আমাকে পছন্দ না করে?

    সেটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার, আমি জানব কি করে? তবে তুমি যদি বল, তা হলে জানার চেষ্টা করতে পারি।

    না, তোকে কিছুই করতে হবে না। আমি যা জিজ্ঞেস করলাম তার উত্তর দে।

    ছোটবেলা থেকে সে আমার বান্ধবী। তার সবকিছুই আমি জানি। পাত্রী হিসাবে তার কোনো খুঁৎ নেই। শুধু একটু অহঙ্কারী ও রাগি।

    সেই জন্যেই তো তোকে জিজ্ঞেস করলাম। আচ্ছা, ওদের বাড়িতে যে ছেলেটা থাকে, সে কে বলতে পারিস?

    ওর মামাতো ভাই শিহাব। খুব গরিব। মমতাজের মা-বাবা ওকে লেখাপড়া করাচ্ছেন। খুব স্কলার ছাত্র। পলিটিক্যালসাইন্সে মাষ্টার্স করছে। নিচের ক্লাস থেকে কোনো দিন সেকেণ্ড হয়নি।

    তাই নাকি? তা হলে তো সত্যিই ছেলেটা খুব স্কলার।

    হ্যাঁ তাই; তবে এতদিন শহরে উচ্চ সোসাইটিতে থেকে লেখাপড়া করলেও সেকেলে রয়ে গেছে। কারো সঙ্গে বড় একটা মেলামেশা করে না। আর খুব ধার্মিক। তুমি লক্ষ্য করেছ কি না জানি না, ওর সংস্পর্শে এসে মমতাজদের বাড়ির সবাই বেশ ধার্মিক হয়ে গেছে। সবাই নামায পড়ে। মেয়েরা বাইরে যাওয়ার সময় চাদর বা ওড়না ব্যবহার করে। তবে মমতাজ তাকে একদম পছন্দ করে না। বলে পাড়াগাঁয়ের আনকালচার্ড অহঙ্কারী ছেলে।

    ছেলেটার আবার অহঙ্কারও আছে?

    মমতাজ তো তাই বলে। ওর মুখে শুনে আমি একদিন তার সঙ্গে আলাপ করে ছিলাম। ছেলেটা সত্যিই জিনিয়াস। পাড়াগাঁয়ের আনকালচার্ড ছেলে হলেও তার মধ্যে অহঙ্কারের কিছু দেখলাম না। আসলে ছেলেটা খুব ব্রিলীয়েন্ট। কোনো বিষয়েই মমতাজ তাকে হারাতে পারে না। তাই তাকে হয়তো অহঙ্কারী ভাবে।

    যাকগে, তার কথা বাদ দে। তোকে একটা চিঠি দেব। সেটা তুই মমতাজকে দিতে পারবি?

    কেন পারব না।

    হান্নান পকেট থেকে চিঠিটা বের করে তার হাতে দিয়ে বলল, খুব সাবধান, একথা তুই আর আমি ছাড়া কেউ যেন না জানে। মমতাজকে বলবি, আমার চিঠি পড়ে খুশি অখুশি যাই হোক না কেন, কাউকে যেন না বলে। আর বলবি, তার মতামত জানিয়ে উত্তর দিতে?

    ঠিক আছে, তাই বলব।

    ঐ দিন বিকেলে হান্নান রোজিনাকে নিয়ে মমতাজদের বাড়িতে গেল।

    আজ মমতাজ শিহাবকে নিয়ে মার্কেটিং করতে গিয়েছিল। হান্নান ও রোজিনা ওদের বাড়িতে আসার পরপর মমতাজ ও শিহাব ফিরল। কুশল বিনিময়ের পর মমতাজ রোজিনাকে নিয়ে ভিতরে যাওয়ার সময় বলল, শিহাব ভাই, আপনি হান্নান ভাইয়ের সঙ্গে গল্প করুন, আমি এগুলো ভিতরে রেখে আসছি।

    ওরা চলে যাওয়ার পর হান্নান শিহাবকে বলল, শুনেছি আপনি মমতাজের মামাতো ভাই এবং খুব ভালো ছাত্র। কিন্তু আমার দুর্ভাগ্য, আপনার সঙ্গে আলাপ করার সুযোগ হয়নি।

    শিহাব তার সামনের সোফায় বসে মৃদু হেসে বলল, বেশ তো আজ যখন সুযোগ হল তখন আলাপ করা যেতে পারে।

    আপনার পরিচয়টা বললে খুশি হব।

    নাম শিহাব খন্দকার। বাড়ি বরগুনা জেলার আমতলী গ্রামে। আমরা দু’ভাই বোন। বোনটা ছোট। তার নাম আতিয়া। বাবা কয়েক বছর আগে মারা গেছেন। আমাদের আর্থিক অবস্থা খুব খারাপ। ফুপা-ফুপু সাহায্য না করলে আমার লেখাপড়া অনেক আগেই বন্ধ হয়ে যেত। এবার আপনারটা বলুন।

    আমার নাম হান্নান চৌধুরি। আমি ও আমার বাবা ডাক্তার। বাবা একটা ক্লিনিক খুলেছেন। আমি সেখানেই কাজ করি। রোজিনা আমার একমাত্র বোন। আমাদের আর কোনো ভাই বোন নেই। আপনি তো খুব ভালো ছাত্র। পড়াশোনা শেষ করে কি করবেন ভেবেছেন?

    ভেবে আর কি করব, তকদীরে যা আছে তা তো হবেই।

    তবু প্রত্যেকের নিজের একটা ইচ্ছা থাকে।

    সময় সুযোগ পেলে উচ্চ ডিগ্রী নিতে বিদেশে যাওয়ার ইচ্ছা আছে। তা যদি না হয়, এখানেই সাবলম্বী হওয়ার চেষ্ঠা করব।

    এদিকে এরা যখন আলাপ করছে ওদিকে তখন রোজিনা চিঠিটা মমতাজকে দিয়ে বলল, এটা ভাইয়া তোকে দিয়েছে? পড়ে উত্তর লিখে আমার হাতেও দিতে পারিস, অথবা তুই নিজেও দিতে পারিস। কিন্তু ব্যাপারটা কাউকে বলবি না।

    মমতাজ যেমন খুব অবাক হল, তেমনি রেগেও গেল। বলল, এতে কি লেখা আছে তুই জানিস?

    না।

    কিন্তু হান্নান ভাই নিজে না দিয়ে তোর হাতে দিল কেন?

    তা আমি কি করে বলব? তবে তার কথা শুনে বুঝতে পারলাম, তোকে তার খুব পছন্দ। তুই কিছু মনে করিস না, আমি তো ভাইয়াকে চিনি, মনে হয় না আজে বাজে কিছু লিখেছে।

    মমতাজ কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে চিঠিটা বালিশের তলায় রেখে বলল, ঠিক আছে পরে পড়ব। এখন চল ওরা বসে আছে।

    ফেরার পথে হান্নান রোজিনাকে জিজ্ঞেস করল, কিরে চিঠিটা দিয়েছিস?

    হ্যাঁ দিয়েছি।

    দেয়ার সময় কিছু বলেনি।

    বলল, ‘হান্নান ভাই নিজে না দিয়ে তোর হাতে দিলেন কেন?’ আমার মনে হয় মমতাজ ঠিক কথাই বলেছে। তোমারই দেয়া উচিত ছিল।

    প্রথমে আমিও তাই ভেবেছিলাম, কিন্তু ওকে একাকি পাই না। তা ছাড়া দিতে গেলে যদি ডিনাই করে? তাই তোর হাতে দিলাম। চিঠি পড়েনি?

    না। রেখে দিয়ে বলল, পরে ‘পড়ব’।

    মনের ভাব বুঝতে পারিস নি?

    মনে হল আমার হাতে দিয়েছ বলে একটু রেগে গেছে। তুমি যদি বলো, তা হলে তোমার সঙ্গে একাকি দেখা করার ব্যবস্থা করতে পারি।

    তার আর দরকার নেই। চিঠির উত্তর পেলে আমিই সে ব্যবস্থা করব।

    শিহাব ভাইয়ের সঙ্গে আলাপ করেছ?

    হ্যাঁ করেছি। তোর কথাই ঠিক। ছেলেটা ব্রিলীয়েন্ট।

    রোজিনা আর কিছু বলল না।

    ওরা চলে যাওয়ার পর মমতাজ নিজের রুমে এসে চিঠিটা পড়তে শুরু করল-

    মমতাজ,

    তুমি আমার বোনের বান্ধবী। তোমাকে আমি তার মতই দেখতাম। কিন্তু লন্ডন থেকে গতবারে এসে তোমাকে যখন দেখলাম তখন তুমি আমার মনে দাগ কাটলে। সেই থেকে তোমাকে নিয়ে আমি অনেক স্বপ্ন দেখেছি। যে কয়েক বছর লন্ডনে ছিলাম, তোমার কথা এক সেকেণ্ডের জন্যও ভুলতে পারিনি। এবারে যখন বাবা সেখানকার পাঠ চুকিয়ে দেশে ফিরে এলেন তখন তোমাকে ঘন ঘন দেখতে পাব ভেবে খুব খুশি হলাম। তারপর তোমাকে দেখার জন্য রোজিনাকে নিয়ে কয়েকবার তোমাদের বাড়িতে আসি। এতদিন পর যখন তোমাকে দেখি তখন তোমাকে একান্ত করে পাওয়ার জন্য আমার মন অস্থির হয়ে উঠে এবং মনের কথা জানাবার জন্য অনেক চেষ্টা করি। কিন্তু সে সুযোগ পাইনি। তাই এই চিঠি লিখি। চিঠিটা নিজেই তোমাকে দিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু সুযোগের অভাবে দিতে পারিনি। তা ছাড়া চিন্তা করলাম, যদি তুমি চিঠিটা না নাও, তা হলে সে লজ্জা ঢাকব কি দিয়ে। তাই রোজিনাকে আমার মনের কথা জানিয়ে তার হাতে দিলাম। তুমি আমাকে কতটা পছন্দ কর জানি না, তবে আমি তোমাকে ভীষণ ভালবেসে ফেলেছি। তোমাকে না পেলে আমি হয় তো চিরকুমার থেকে যাব। তবে একটা কথা জেনে রেখ, তুমি যদি আমাকে পছন্দ না কর, তা হলে আমাকে জানিও। কথা দিচ্ছি আমি আর কখনও তোমাকে বিরক্ত করব না। আর এই ব্যাপারটা চিরকাল গোপন রাখব। বেশি কিছু লিখে তোমাকে বিরক্ত করব না। তোমার মতামত যাই হোক না কেন, অবশ্যই জানাবে।

    ইতি-

    .

    চিঠি পড়ে মমতাজ রাগতে গিয়েও পারল না। বরং মেয়েদের স্বভাব সুলভমতো গর্ব অনুভব করল। ভাবল, সুন্দরী মেয়েদের প্রতি ছেলেদের দুর্বলতা তো থাকবেই। তখন তার জন্মদিন পালনের কথা মনে পড়ল। সে যখন শিহাবকে রাগারাগি করবে বলে তার ঘরে বসে ফেরার অপেক্ষায় বসেছিল তখন শিহাব ফিরে এসে যে দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়েছিল, সে কথা মনে পড়লেই তনু মনুতে শিহরন বয়ে যায়। শিহাবের সেই দৃষ্টি তাকে পাগল করে দিয়েছে। তাকে ভালবাসতে শিখিয়েছে। তার জীবনের গতি পাল্টে দিয়েছে। শিহাবকে না পেলে তার জন্মই বৃথা মনে হয়। তাই শিহাবের কাছ থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে কাল তাকে প্রেমের কথা জিজ্ঞেস করেছে। শিহাব নামায পড়তে চলে যাওয়ার পর নিজের রুমে এসে চিন্তা করেছে যেমন করে হোক তাকে মনের কথা জানাতেই হবে। একবার ভাবল, চিঠি লিখে জানালে কেমন হয়? আবার ভাবল, তারচেয়ে সামনা সামনি বলাই ভালো।

    রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময় হঠাৎ হান্নানের চিঠির কথা মনে পড়ল। ভাবল, হান্নান ভাইয়ের চিঠির উত্তর দেয়া উচিত, নচেৎ মনে কষ্ট পাবে। কাগজ কলম নিয়ে চিঠি লিখতে বসল।

    হান্নান ভাই,

    প্রথমে আমার সালাম নেবেন। পরে জানাই যে, রোজিনা আমার অন্তরঙ্গ বান্ধবী। আপনি তার বড় ভাই। আমার কোনো বড় ভাই নেই। তাই আপনাকে আমি বড় ভাই হিসেবে শ্রদ্ধা করি। আপনি চিঠিতে যা লিখেছেন, সেটা অন্যায় বলে আমি মনে করিনি। কারণ কারো মনের সদিচ্ছাকে মর্যাদা দেয়া প্রত্যেকের উচিত। আপনার মনের ইচ্ছা আপনি জানিয়েছেন, এটা খুব ভালো কথা। নিজের সদিচ্ছা জানাবার অধিকার প্রত্যেকের আছে। থাকাও উচিত। মা-বাবা এই প্রস্তাব পেলে লুফে নেবে। কারণ পাত্র হিসাবে আপনি অত্যন্ত যোগ্য। আপনাদের বাড়ির পরিবেশও উপযুক্ত। কিন্তু দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, আপনি সব দিক দিয়ে উপযুক্ত হলেও আমি আমার মন থেকে কোনো সাড়া পাচ্ছি না। কেন পাচ্ছি না এখন বলতে অপারগ। আপনি বোধ হয় জানেন, প্রত্যেক ছেলে মেয়ে নিজের মনের মতো জীবনসঙ্গি বা সঙ্গিনী পেতে চায়। আপনার দৃষ্টিতে হয়তো আমি তাই। কিন্তু আমার দৃষ্টিতে আপনাকে তা ভাবতে পারছি না। কথাটা খুব অপ্রিয় হয়ে গেল। কিন্তু তবু না বলে পারলাম না। এটাও বোধ হয় জানেন, সত্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অপ্রিয় হয়। আর ভালবাসার কথা যে বলেছেন, সেটা মনের ব্যাপার। আপনার ভালবাসার মূল্য দিতে আমি অক্ষম। পরিশেষে জানাই যে, আপনাকে আগে এবং এখন যেমন শ্রদ্ধা করি, ভবিষ্যতেও তেমনি করব। এখন এর বেশি কিছু বলতে পারছি না। আমার মতামত জেনে আপনি হয়তো দুঃখ পাচ্ছেন, তবু আশা করব, ছোট বোনের বান্ধবী হিসাবে আমাকে ক্ষমার চোখে দেখবেন।

    ইতি-

    মমতাজ।

    .

    চিঠি লেখা শেষ করে ড্রয়ারে রেখে দিয়ে ভাবল, ডাকে পাঠাবার দরকার নেই, রোজিনা এলে তার হাতেই দেবে।

    হান্নান চিঠি দেয়ার কয়েকদিন পর একদিন রোজিনাকে বলল, মমতাজ চিঠির উত্তর দিল না কেন বলতে পারিস?

    রোজিনা বলল, তা আমি কি করে বলব। তারপর তো ওদের বাড়িতে যাইনি।

    আজ বিকেলে ড্রাইভারকে নিয়ে তুই যা। যদি তোর হাতে উত্তর দেয়, তা হলে ভালো, নচেৎ তুই তার মতামত জেনে নিকি।

    ঠিক আছে, তাই যাব।

    বিকেলে রোজিনা যখন মমতাজদের বাড়িতে এল তখন সে শিহাবের সঙ্গে বেড়াতে যাওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছিল।

    রোজিনা মমতাজের রুমে গেল।

    মমতাজ তাকে দেখে সালাম বিনিময় করে বলল, আমি ও শিহাব ভাই বেড়াতে যাচ্ছি, তুইও আমাদের সঙ্গে চল।

    রোজিনা বলল, বেশ তো যাব। তোকে একটা কথা জিজ্ঞেস করব?

    কর।

    ভাইয়ার ছিঠির উত্তর দিলি না যে?

    সেজন্যেই কি এসেছিস?

    একরকম তাই।

    উত্তর লিখে রেখেছি। তারপর ড্রয়ার থেকে চিঠিটা বের করে তার হাতে দিয়ে বলল, তোর ভাইয়ার চিঠিটা তুই পড়েছিলি?

    না। সে তোকে দিয়েছে, আমি পড়ব কেন? তবে ভাইয়া যে তোকে পছন্দ করে, সে কথা তো তোকে সেদিনই বলেছি।

    এই চিঠিটা অবশ্য তুই পড়তে পারিস।

    তোর চিঠি আমি পড়তে যাব কেন? তবে কি লিখেছিস শুনতে পারি।

    আচ্ছা, তুইও কি আমাকে তোর ভাবি হিসাবে পছন্দ করিস?

    তা বলব না; তবে ভাবি হলে, আমি খুব খুশি হব।

    তুই ননদ হলে আমিও খুব খুশি হতাম; কিন্তু তোর ভাইয়াকে আমিও ভাইয়ার মতো মনে করে শ্রদ্ধা করি। তাকে স্বামী হিসাবে পেতে মনে সাড়া পাচ্ছি না। তুই আমার সব থেকে অন্তরঙ্গ বান্ধবী। তোকে বলতে বাধা নেই, তোর ভাইয়া সবদিক থেকে সুযোগ্য জেনেও তার ডাকে সাড়া দিতে পারছি না। শুনে তুই হয় তো দুঃখ পাবি, তবু বলছি, জীবনসঙ্গি হিসাবে যে রকম ছেলের কথা চিন্তা করেছি, তোর ভাইয়া সে রকম নয়। তোকে যে কথাগুলো বললাম, তোর ভাইয়াকে চিঠিতে সেইগুলোই জানিয়েছি। চিঠি পড়ে সেও হয়তো দুঃখ পাবে।

    রোজিনা বলল, পছন্দ অপছন্দ ব্যক্তিগত ব্যাপার। দুঃখ পাব কেন? ভাইয়া তোকে ভালবাসে। সে হয় তো দুঃখ পাবে। অবশ্য পাওয়াটাই স্বাভাবিক। তবু বলব, ভালবাসা জোর করে হয় না। তোকে একটা কথা বলি, ভাইয়ার ব্যাপার নিয়ে তুই আমাকে ভুল বুঝবি না।

    মমতাজ বলল, কথাটা আমিও তোকে বলতে চেয়েছিলাম। তোর ভাইয়াকে বলিস, সে আমাকে ক্ষমা করে যেন, তোর মতো আমাকে দেখে।

    ঠিক আছে বলব। তুই বেড়াতে যাওয়ার কথা বলছিলি না? তোরা যা, আমি যাব না।

    মমতাজ তখন ভদ্রতার খাতিরে রোজিনাকে বেড়াতে যাওয়ার কথা বলেছিল। আসলে রোজিনাকে সঙ্গে নিয়ে যেতে চায় না। আজ মনের কথা শিহাবকে বলবে বলে তাকে নিয়ে পার্কে যেতে চায়। রোজিনার কথা শুনে বলল, ঠিক আছে, তোর যখন যেতে মন চাচ্ছে না তখন আর কি করা

    এমন সময় কাজের মেয়ে জয়তুন এসে মমতাজকে বলল, ছোট আপা, ড্রইংরুমে নাস্তা দেয়া হয়েছে। সেখানে শিহাব ভাই অপেক্ষা করছেন।

    মমতাজ রোজিনাকে নিয়ে ড্রইংরুমে এল।

    রোজিনা শিহাবের দিকে তাকিয়ে সালাম দিয়ে বলল, শিহাব ভাই কেমন আছেন?

    শিহাব বলল, ভালো, আপনি কেমন আছেন?

    ভালো বলে রোজিনা বলল, শুনলাম বেড়াতে যাচ্ছেন, পড়ার ক্ষতি হবে না?

    শিহাব মৃদু হেসে বলল, রাত জেগে পুষিয়ে নেব।

    রোজিনাও মৃদু হেসে বলল, ভালো ছাত্ররা অবশ্য তাই করে।

    মমতাজ নাস্তা পরিবেশণ করে রোজিনাকে বলল, এখন কথা বন্ধ করে নাস্তা খেয়ে নিই আয়।

    নাস্তা খেয়ে রোজিনা চলে যাওয়ার পর মমতাজ শিহাবকে নিয়ে গাড়িতে উঠল। আজ মমতাজ ড্রাইভারকে না নিয়ে নিজে গাড়ি চালাচ্ছে। শিহাব তার পাশে বসেছে। গাড়ি চালাতে চালাতে মমতাজ তার দিকে একবার তাকিয়ে নিয়ে বলল, কি ভাবছেন?

    শিহাব বলল, তুমি গাড়ি চালাতে পার, তা জানতাম না।

    আপনি গাড়ি চালাতে পারেন না?

    না।

    ইচ্ছা করে না?

    করে।

    তা হলে শেখেন নি কেন? তারপর মমতাজ হেসে উঠে বলল, আপনি কিন্তু একদিন বলেছিলেন, ইচ্ছা থাকিলেই উপায় হয়।

    কথাটা অবশ্য ঠিক; তবে মানুষের সব ইচ্ছা কি পুরণ হয়?

    তবু চেষ্টা করা উচিত।

    শিহাব কিছু না বলে চুপ করে রইল।

    কিছু বলছেন না যে?

    সময় সুযোগ হলে নিশ্চয় চেষ্টা করব।

    মমতাজ আর কিছু না বলে সাভারে এসে একটা কাঁঠাল বাগানের পাশে গাড়ি থামিয়ে বলল, আজ আমি আপনাকে গাড়ি চালান শেখাব।

    হঠাৎ আমাকে গাড়ি চালানো শেখাতে সখ হল কেন?

    আচ্ছা, আপনি আমাকে কি ভাবেন বলুন তো?

    তুমি যা, তাই ভাবি।

    সেটাই তো জানতে চাই।

    কেন? তুমি কি নিজেকে জান না?

    জানলেও আপনার মুখে শুনতে চাই।

    তুমি আমার ফুপাতো বোন। যে নাকি খুব সুন্দর, স্মার্ট ও বিদূষী।

    তা হলে আমি কিছু বললেই তার কারণ জানতে চান কেন?

    ওটা আমার একটা বদ অভ্যাস মনে করতে পার।

    বদ অভ্যাসটা ছাড়া যায় না?

    চেষ্টা করব।

    কথাটা মনে রাখলে খুশি হব। তারপর মমতাজ গাড়ি থেকে নেমে বলল, আপনি ড্রাইভিং সিটে বসুন।

    শিহাব ড্রাইভিং সিটে বসার পর মমতাজ অন্যপাশের দরজা দিয়ে গাড়িতে উঠে গাড়ি চালাবার কায়দা কানুন বুঝিয়ে দিল। তারপর তার গা ঘেঁষে বসে স্টার্ট দিয়ে সেও স্টীয়ারিং হুইল ধরে কি করতে হবে বলে দিতে লাগল। গাড়ি কিছুটা যাওয়ার পর গিয়ার চেঞ্জ করা শিখিয়ে দিল। তারপর ফার্স্ট, সেকেন্ড ও থার্ড গিয়ার চেঞ্জের কলা কৌশল দেখিয়ে স্পীড বাড়াবার কথা বুঝিয়ে দিল।

    মমতাজ গা ঘেঁষে বসার ফলে এবং গীয়ার চেঞ্জ করে সব কিছু দেখানোর সময় তার শরীরের সঙ্গে শিহাবের শরীরের বারবার ঘনিষ্ঠতা হচ্ছে। তাতে শিহাব খুব সংকোচ বোধ করে ঘেমে উঠল। একটা যুবতী মেয়ের সঙ্গে এভাবে ঘনিষ্ঠ হয়ে বসা ইসলামে কঠোরভাবে নিষেধ। সে কথা চিন্তা করে বলল, তুমি সরে বসে আমাকে বলে দাও, আমি নিজে চালাবার চেষ্ঠা করি

    মমতাজ ব্যাপারটা বুঝতে পেরে অল্প একটু সরে বসলেও স্টীয়ারিং হুইল থেকে হাত সরাল না।

    এভাবে কিছুক্ষণ শেখাবার পর গাড়ি পার্ক করে বলল, আজ এই পর্যন্ত থাক। এখন চলুন কিছুক্ষণ বসে আলাপ করা যাক। তারপর গাড়ি থেকে নেমে দু’জনে একটা গাছের ছায়ায় বসল।

    কিছুক্ষণ কেউ কোনো কথা বলল না। মমতাজ মনের কথা জানাবে বলে আজ তাকে বেড়াতে নিয়ে এসেছে। কথাটা কিভাবে বলবে চিন্তা করতে লাগল।

    গাছে গাছে বিভিন্ন সাইজের কাঁঠাল ঝুলছে। শিহাব সেদিকে তাকিয়ে আল্লাহর কুদরত চিন্তা করছিল।

    মমতাজ তার মুখের দিকে তাকিয়ে বলল, চুপ করে আছেন কেন? কিছু বলুন। শিহাব তার মুখের দিকে তাকাতে চোখে চোখ পড়ে গেল। মমতাজের চোখের দৃষ্টিতে এমন কিছু দেখতে পেল, যা দেখে বাস্তব জ্ঞান হারিয়ে ফেলল।

    বেশ কিছুক্ষণ ঐভাবে তাকিয়ে থেকে মমতাজও তার চোখের দৃষ্টিতে এমন কিছু দেখল, যা দেখে তার সংকোচ কেটে গেল। বলল, শিহাব ভাই, একটা কথা আপনাকে জানাতে চাই।

    মমতাজের কথায় সম্বিত ফিরে পেয়ে শিহাব দৃষ্টি সরিয়ে নিয়ে বলল, বল, কি বলতে চাও।

    আমি আপনাকে ভালোবাসি।

    শিহাব অনেক আগেই বুঝতে পেরেছিল, মমতাজ একদিন এই কথা বলবে। তবু এখন তার কথা শুনে চমকে উঠল। তার মনে আনন্দের শিহরণ বয়ে যেতে লাগল। চিন্তা করল, আমরা দু’জন দু’জনকে ভালবাসলেও এর পরিণতি কোনো দিন ভালো হবে না। ফুপা-ফুপু জানতে পারলে আমাকে বিশ্বাসঘাতক ভাববেন। না-না, এ আমি কখনও হতে দিতে পারি না। আম্মাও মনে ভীষণ ব্যাথা পাবে। আবার চিন্তা করল, এখনই যদি না সূচক কিছু বলি, তা হলে মমতাজ যা রাগি মেয়ে, তুলকালাম কিছু করে বসবে।

    মমতাজ কথাটা বলে এতক্ষণ তার মুখের দিকে তাকিয়েছিল। তাকে মাথা নিচু করে এতক্ষণ চুপ করে থাকতে দেখে বলল, কিছু বলবেন না?

    শিহাব বলল, মনে হয়, তুমি কথাটা চিন্তা-ভাবনা না করেই বলেছ। আমার কিছু ভালো গুণ তোমাকে হয়তো আকৃষ্ট করেছে। তাই আবেগের বশবর্তি হয়ে বলে… থেমে গেল।

    না শিহাব ভাই না, এটা আবেগের কথা নয়, আমি আপনাকে অনেক আগে থেকে ভালবাসি। কিন্তু আমার স্বভাবের কারণে আপনাকে চোটপাট দেখাতাম। আপনি কি আমাকে ভালবাসেন না?

    দেখ মমতাজ, ছেলে মেয়েদের এই বয়সটা খুব ডেঞ্জারাস। ভালো হলে খুব ভালো। আর খারাপ হলে খুব খারাপ। এই বয়সের ছেলে মেয়েরা নিজের মতামতকে সবার থেকে ভালো মনে করে। কিন্তু এটা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অমঙ্গল ডেকে আনে। চার-পাঁচ বছর পর তখন আর এরকম মনোভাব থাকে না। তখন তাদের জ্ঞান আরো পাকা হয় এবং ভালো মন্দ বোঝার ক্ষমতাও বাড়ে। তখন আগের মতামতের জন্য তাদের অনুশোচনা জাগে।

    আপনি খুব বিজ্ঞ লোকের মতো কথা বলেছেন। কিন্তু আমার কথার উত্তর দিচ্ছেন না। আমি আপনার সব কথা স্বীকার করছি। এখন আমি যা জিজ্ঞেস করেছি তার উত্তর দিন।

    দেব, তার আগে বল, ভালবাসারও যে প্রকার ভেদ আছে, তা জান কি না?

    জানব না কেন? মা-বাবা ছেলে মেয়েকে ভালবাসে, ভাইবোনের মধ্যেও ভালবাসা থাকে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেও ভালবাসা থাকে। আবার দু’টো ছেলে মেয়ের মধ্যেও ভালবাসা থাকে। আমি কিন্তু শেষের ভালবাসার কথা জিজ্ঞেস করেছি।

    তুমি খুব কঠিন প্রশ্ন করেছ, উত্তর দিতে সময় লাগবে।

    কেন?

    কোনো কিছু বলার বা করার আগে চিন্তা করা উচিত। এটা হাদিসের কথা।

    তা আমিও জানি এবং ভেবে চিন্তেই কথাটা বলেছি।

    যদি বলি তোমার চিন্তাটা ভুল।

    তা আপনি বলতে পারেন; কিন্তু আমি জানি আমারটা ভুল নয়।

    তুমি বললে তো হবে না, মানুষ নিজের ভুল নিজে ধরতে পারে না। বড়রা সেই ভুল ধরতে পারে। তবে তোমার আমার মধ্যে যে ভালবাসা জন্মেছে, তা যদি মনের মধ্যে চেপে রাখতে পারি, তা হলে কোনো দোষের কথা নয়। কারণ এরকম হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু যদি তার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে কাজে পরিণত করতে চাই, তা হলে দু’জনেরই অন্যায় হবে।

    মমতাজ একটু রেগে গিয়ে বলল, ঐ রকম ভালবাসার মূল্য কি?

    মূল্য নিশ্চয় আছে। একে অপরের মঙ্গল কামনা করা প্রকৃত ভালবাসার মূল। স্বার্থের জন্য যারা ভালবাসে, তারা সত্যিকার ভালবাসতে জানে না। এরকম ভালবাসা পাপ। আর এ রকম ভালবাসা মিলনের পর বেশি দিন স্থায়ী হয় না। তখন অনুশোচনার আগুনে জ্বলতে হয়।

    আমি কিন্তু আপনাকে নিঃস্বার্থভাবে ভালবেসেছি। পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।

    তা হলে আমি যা বলব, তা শুনবে?

    নিশ্চয়, বলে দেখুন। তবে তার আগে আপনাকে বলতে হবে, আমাকে ভালবাসেন কি না? বাসলে কতটা বাসেন?

    যদি বলি তুমি আমাকে যতটা না ভালবাস, তার চেয়ে লক্ষগুণ বেশি ভালবাসি? মমতাজ চমকে উঠে আনন্দে বিভোর হয়ে শিহাবের ডান হাত ধরে চুমো খেয়ে হাতটা ধরে রেখে বলল, এবার আপনি যা বলবেন, ইনশাআল্লাহ আমি অক্ষরে অক্ষরে পালন করব।

    শিহাব হাতটা টেনে নিয়ে বলল, এখন যা করলে তা যে অন্যায়, সেটা নিশ্চয় জান?

    হ্যাঁ জানি।

    তবু কেন করলে?

    ভুল হয়ে গেছে, আর করব না।

    কথাটা মনে রেখে আল্লাহর কাছে মাফ চেয়ে নিও। আর শোন, আমাদের ভালবাসার কথা কারো কাছে প্রকাশ করবে না। নিষ্পাপ ভালবাসার পথ বড় বন্ধুর। সেই পথ অতিক্রম করে গন্তব্যস্থানে পৌঁছান খুব কঠিন। এত কঠিন যে, অনেকে পথের কাঠিন্যতা দেখে ফিরে এসেছে। আজকাল যেসব ছেলেমেয়ে প্রেমে পড়ে অবাধ মেলামেশা করে, আমি তাদের দলে নই। আমাকে সে রকম ভাবলে ভুল করবে। আমি তোমার জন্য সব কিছু করতে পারি; কিন্তু ইসলামের আইন লঙ্ঘন করতে পারি না। প্রত্যেক মুসলমানদের কাছে প্রথমে আল্লাহ ও তাঁর রসুল (দঃ) এর আইন, তারপর সবকিছু। তুমি তো ধর্মীয় বই অনেক পড়েছ, আমার কথাগুলো তাঁদের, না আমার নিজের, তা নিশ্চয় বুঝতে পারছ?

    পারছি।

    আর একটা কথা, আমি স্বাবলম্বী না হওয়া পর্যন্ত তোমাকে অপেক্ষা করতে হবে।

    করব।

    আলহামদুল্লিাহ বলে শিহাব মৃদু হেসে বলল, প্রথম পরীক্ষায় তুমি উৰ্ত্তীৰ্ণ হয়েছ। দোয়া করি, আল্লাহ যেন পরবর্তী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার তওফিক তোমাকে দেন।

    মমতাজ বলল, আমিন।

    শিহাব বলল, চল তা হলে এবার ফেরা যাক।

    আর একটু বসুন। আচ্ছা, আপনি কি ভার্সিটিতে পার্টি করেন?

    না। ছাত্র জীবনে কোনো রাজনৈতিক দলের পার্টি করা আমার প্রিন্সীপলের বাইরে।

    তা হলে পলিটিক্যাল সাইন্সে পড়ছেন কেন?

    পলিটিক্যাল সাইন্সে পড়লেই পার্টি করতে হবে, এই ধারণা ঠিক না।

    তা হলে লেখাপড়া শেষ করে কি রাজনীতিতে নামবেন?

    নামার তেমন ইচ্ছে নেই, তবে প্রয়োজন হলে নিশ্চয় নামবো।

    কিন্তু আমি তো জানি, যারা ধার্মিক তারা রাজনীতি করেন না। তা ছাড়া রাজনৈতিক নেতারা বলেন, ধর্ম আর রাজনীতি আলাদা জিনিস।

    তোমার জানাটা কিছুটা ঠিক হলেও পুরোটা ঠিক নয়। ধার্মীক লোকেরা আল্লাহকে অত্যন্ত ভয় করেন। রাজনীতি করতে গেলে যদি ধর্মীয় আইনমতো তা করতে না পারেন, তা হলে গোনাহগার হয়ে যাবেন ভেবে তারা ঐ পথে পা বাড়ান না। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ধার্মিক লোকদের রাজনীতি করা খুব দরকার হয়ে পড়েছে। কারণ ধার্মিক লোকরা রাজনীতি না করার ফলে অধার্মিক ও অসৎ চরিত্রের লোকেরা রাজনীতিতে ঢুকে দেশের ও দশের ভীষণ ক্ষতি করছে। সমাজের চরিত্র বলতে কিছু নেই। দেশ ও দশের উন্নতির দিকে লক্ষ্য না করে নিজেদের আখের গুছাবার তালে রয়েছে। আর তুমি যে নেতাদের কথা বললে, তা আদৌও ঠিক নয়। কারণ কুরআনের মধ্যে দেশ শাসন করার সমস্ত আইন কানুন রয়েছে। সেই মতো শাসন চালু করলে দেশে কখনও অরাজকতা আসবে না। দেশের মানুষ শান্তিতে বসবাস করবে। যে সব নেতারা এইকথা বলছেন, তারা আল্লাহর শাসন ব্যবস্থা পছন্দ করেন না। আল্লাহর শাসন মেনে চললে তাদের স্বার্থ সিদ্ধি হবে না। নিজেদের খেয়াল খুশিমতো চলতে পারবেন না। পশ্চিমা সভ্যতার অনুকরণ বন্ধ হয়ে যাবে। গরিবদের শোষণ করতে পারবেন না। তাই তারা জেনে অথবা না জেনে এই কথা বলেন। চল এবার ফেরা যাক।

    মমতাজ বলল, হ্যাঁ চলুন।

    ফেরার পথে মমতাজ বলল, আমার কাছে গাড়ি চালান শিখবেন তো?

    শিখবো, এবার থেকে আমাকে তুমি বলবে।

    মমতাজ গাড়ি চালাতে চালাতে একবার তার দিকে তাকিয়ে রাস্তার দিকে দৃষ্টি সরিয়ে নিয়ে চুপ করে রইল।

    কি বলবে না?

    বলব? কিন্তু সবার সামনে বলতে পারব না।

    সেটা তোমার খুশি।

    এরপর তারা মাঝে মাঝে বেড়াতে যায়। শিহাব মমতাজের কাছে ড্রাইভিং শিখেছে। দিনের পর দিন তাদের ভালবাসা গাঢ় থেকে গাঢ় হয়েছে।

    এভাবে আরো চার বছর পার হয়ে গেছে। শিহাব মাস্টার ডিগ্রীতে ফাৰ্ষ্টক্লাস ফার্স্ট হয়ে পাশ করে ফুপা-ফুপুর অনুরোধে তাদের বীজনেস দেখাশোনা করছে। এর মধ্যে আতিয়া এইচ.এস.সি. পাশ করার পর তার বিয়ে নিজেদের গ্রামের একটা ভালো ছেলের সঙ্গে দিয়েছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমহাভারত (কালীপ্রসন্ন সিংহ অনূদিত)
    Next Article ভালোবাসি তোমাকেই – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }