Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সোনার হরিণ নেই – আশুতোষ মুখোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প1094 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সোনার হরিণ নেই – ১৩

    তেরো

    আবু রব্বানী আর দুলারি ধরেই নিয়েছে গায়ত্রী রাইয়ের এত বড় ব্যবসার কর্তৃত্ব এখন আস্তে আস্তে বাপী ভায়ের হাতে চলে যাবে। রাতারাতি কিছু হবে না। চালিহাকে কোন রকম সন্দেহ করার সুযোগ মেমসায়েব দেবে না। তাছাড়া চারদিকের কাজকর্মের হদিস পেতেও বাপীভাইয়ের কম সময় লাগবে না। চোখ কান খোলা রেখে সব দেখে শুনে বুঝে নিতে হবে। তারপর বাপীভাইয়ের ওপর মেমসায়েবের বিশ্বাস পাকাপোক্ত হয়ে উঠলে তখন আস্তে আস্তে মেয়েছেলের বুদ্ধির খেলা দেখা যাবে। তাই গোড়া থেকে খুব সাবধান বাপীভাই, খুব সাবধান।

    একই সঙ্গে ওদের আনন্দ উৎসাহ আবার উৎকণ্ঠা দেখে বাপী তরফদারের হাসি পায়। সেই সঙ্গে অস্বস্তিও একটু। মেমসাহেবের মনে কি আছে সেটা বাপীর বোকামির জন্যে এরা টের পেয়ে গেছে। প্রথম সন্ধ্যায় গায়ত্রী রাইয়ের সঙ্গে এই বোঝাপড়ার ঝকাঝকিটা আবুর চোখের ওপর দিয়ে ঘটে না গেলে ওরা এতটা হয়তো বুঝত না। কোন্ ভবিষ্যতের দিকে চোখ রেখে মহিলা নির্ভরযোগ্য বিশ্বস্ত লোক খুঁজছে, আর কেন ছ’মাসের জন্য ওকে ট্রায়েল দেবার আগ্রহ—বাপী সেটা তার মুখের ওপর বলেই দিয়েছিল। আবু রব্বানী সত্রাসে মেমসায়েবের প্রতিক্রিয়া দেখেছে আর বিমূঢ় বিস্ময়ে তার ফলাফলও দেখেছে। তার পরে মেমসায়েবের সঙ্গে বাপীর প্রতিটি সাক্ষাতের বৃত্তান্তও খুঁটিয়ে জেনে নিয়েছে। তাই ভবিষ্যতের সম্ভাবনার ছবিটা ওর স্পষ্ট আঁচ না করতে পারার কথা নয়। আর আবু জানে বলেই দুলারি সব জানে।

    এখন ওরাই তাকে উপদেশ দিচ্ছে, সাবধান করছে। এর পিছনে আন্তরিকতাটুকুই সব। তবু পর পর দু’তিন দিন এ-রকম শোনার পর বাপী সেদিন বলল, তোমাদের মেমসাহেবের মতলব কি সেটা আমি গোড়া থেকেই জানি, কিন্তু তা নিয়ে তোমরা এ-রকম খোলাখুলি আলোচনায় বসলে শুরুতেই সব ভেস্তে যাবে—

    দুলারি আর আবু দুজনেই অবাক।—এখানে তো ঘরে বসে নিজেদের মধ্যে কথা কইছি, কে জানবে?

    —এ-সব কথা ঘরের দেয়ালের জানা বা শোনাটাও ভালো নয়। খুব হাল্কা—ভাবেই জিগ্যেস করল, মেমসায়েবের মতলব আর কে বুঝছে—রেশমা?

    আবু জবাব দিল, রেশমার সঙ্গে তো ক’দিনের মধ্যে দেখাই হয় নি—এক ওর মেমদিদি যদি বলে থাকে, খুব ভালবাসে ওকে…

    একটু ভেবে বাপী বলল, সে রেশমাকে এ-সব কিছু বলবে মনে হয় না, তার মা-ই তাকে বারণ করবে। যা-ই হোক, তোমাদের কাছ থেকে কিছু না শোনাই ভালো।

    সঙ্গে সঙ্গে আবুর মুখ বিরস একটু।—রেশমাকে তুমি অবিশ্বাস করো বাপী ভাই। তুমি জানো না, ওই চালিহার ওপর আমাদের থেকে ওর ঢের বেশি রাগ, ইচ্ছে করে ওর ওপর সব থেকে বেশি অবিচার করছে। মওকা পেলে রেশমা কোন্ দিন সাপের মতোই ওকে ছুবলে দেবে—

    যত সেয়ানা হোক, আবু যে ওর তুলনায় সাদা মনের মানুষ বাপী জানে। যে সংশয়ের ছায়াটা মনের তলায় উকিঝুঁকি দিয়ে যায় সেটা ওকে বলা যাবে না। বিরক্তি চেপে জবাব দিল, বিশ্বাস অবিশ্বাসের কোনো কথা হচ্ছে না—তুমি যা বললে সেটা সত্যি হলেও মেমসাহেবের মতলব ওর না জানা ভালো—ওই রাগের মাথাতেই বেফাঁস কিছু হয়ে বসতে পারে।

    দুলারির গম্ভীর চাউনিটা মুখের ওপর আটকেছিল। বাপীর কেমন মনে হল, শুধু শুনছে না, একই সঙ্গে ভেতর দেখে নেবার চেষ্টা। চোখাচোখি হতে ও আবুর দিকে ফিরল। দাবড়ানির সুরে বলল, বাপীভাইয়ের ছটাক বুদ্ধিও ধরো না সেই জ্ঞান তোমার আছে? যা বলছে মন দিয়ে শুনে রাখো, আখেরে সকলেরই তাতে ভালো মন্দ হবে না—বুদ্ধির ঢেঁকি!

    এই ধমকের মধ্যে আবুকে নিরস্ত করার কোনো ইশারা ছিল কিনা বাপী ঠিক ধরতে পারেনি। বিমূঢ় মুখে আবু তার বিবিকে দেখেছে। তারপর মোলায়েম গলায় প্রসঙ্গ বাতিল করেছে। —ঠিক আছে, ঠিক আছে, একেবারে মাটি চাপা দিলাম।

    কিন্তু আবু চাপা দিলেও সে-মাটি একটু অন্যভাবে খুঁড়ে দিয়ে গেল গায়ত্ৰী রাইয়ের মেয়ে ঊর্মিলা রাই। বন্ধুত্ব হবার ফলে বাপী ওকে ডলি নামে ডাকবে কি ঊর্মিলা, তাই নিয়েও ভেবেছিল। ডলি মিষ্টি নাম, কাছের নাম। সতর্কতার তাগিদে সেই কারণেই ডলি বাতিল। এমন কি মনে মনে বন্ধুত্বও বাতিল। নিজেকে অবিশ্বাস, গায়ত্রী রাইকে আরো বেশি।

    বানারজুলির চা-বাগান এলাকায় গায়ত্রী রাইয়ের ব্যবসায় আপিসও একটা আছে। ছোট বড় তিন ঘরের আপিস। বড় সাজানো গোছানো ঘরটা চিফ একজিকিউটিভ চালিহার। এখানে থাকলে সকালের দিকে এক দেড় ঘণ্টা সে এই ঘরে এসে বসে। অন্য সময় শুধু পার্টির সঙ্গে অ্যাপয়েন্টমেন্ট থাকলে তাকে ও—ঘরে দেখা যায়। এই আপিসে সাড়ে ন’টা পাঁচটা নিয়মিত হাজিরা বরাদ্দ শুধু অ্যাকাউনটেন্ট আর টাইপিস্টের। একজন বেয়ারারও। কর্ত্রী অর্থাৎ গায়ত্রী রাইয়ের আপিসে কখনো পদার্পণ ঘটেছে শোনে নি। কারণ আসল আপিস বাপীর দুঘরের বাড়িতে যে নতুন ঘর উঠেছে, সেটা। আর সামনের ওই বারান্দাটা দরকারী ফাইল-পত্রের বেশির ভাগ সেইখানে। সেখানে ছোট্ট একটা টাইপ রাইটারও দেখেছে বাপী। ওটা মালিকের নিজস্ব। তেমন জরুরী চিঠিপত্র টাইপ করার দরকার হলে গায়ত্রী রাই নিজেই করে নেয়, টাইপিস্টের আশায় বসে থাকে না। প্রয়োজনীয় দুটো একটা নৈমিত্তিক লেনদেন বা হিসেবের ফাইল সাইকেলের ক্যারিয়ারে চাপিয়ে অ্যাকাউনটেন্টকে প্রায় রোজই একবার করে দুপুরের দিকে মালিকের আপিস ঘরে হাজিরা দিতে হয়।

    এ দু’ সপ্তাহের মধ্যে বাড়ির আপিস ঘরে বাপীর একদিনও ডাক পড়ে নি। পড়বে জানে কিন্তু সেটা কোন ভবিষ্যতে, মহিলার মুখ দেখে আঁচ করা শক্ত। এখন পর্যন্ত কাজের কোন রকম হদিসও তার কাছ থেকে মেলে নি। শুধু বলে রেখেছে, ফাঁক পেলে মাঝে মাঝে এসো। কিন্তু কোন্ সময়টা মহিলার কাছে ঠিক ফাঁক বলে গণ্য হতে পারে বাপী এখন পর্যন্ত ঠাওর করে উঠতে পারে নি। সন্ধ্যায় রণজিৎ চালিহার সঙ্গে তার ব্যবসায়িক কথাবার্তার বা গল্প করার সময়। সেই অন্তরঙ্গ পরিবেশে এসে হাজির হবার ফলে মহিলার সাদাটে ভুরুতে বিরক্তির ভাঁজ দেখেছে। বারান্দায় ওঠারও অবকাশ না দিয়ে বলেছে, দরকার নেই—

    অর্থাৎ, যেতে পারো। দু’দিন বাদে এক সকালের দিকে আসার সঙ্গে সঙ্গে কব্জি উল্টে ঘড়ি দেখেছে মহিলা। গলার স্বর নীরস। চান খাওয়া সেরে এসেছ।

    বাপী অপ্রস্তুত।—না।

    —এখন ন’টা বাজে, মিস্টার চালিহা দশটায় আপিসে হাজির থাকেন, তিনি দেরির কৈফিয়ৎ চাইলে আমি সদয় থাকব ভেবো না।

    বাপীর পত্রপাঠ প্রস্থান। মেয়েটার সামনে ওই কথা শুনে অপমানিত বোধ করার কথা। কিন্তু বাপীর ধারণা খুব স্পষ্ট বলেই গায়ে মাখে নি। আরো অপ্রস্তুত পরের রবিবারের ছুটির দিনে বেলা দশটা সাড়ে দশটা নাগাদ এসে। ছুটির দিন, সকাল থেকে আবুর সঙ্গে আড্ডা দিয়ে তারপর দুজনে গল্প করতে করতে চলে এসেছিল। সেদিন অন্তত কোনো বিরূপ আপ্যায়ন আশা করে নি।

    কিন্তু ওদের দেখামাত্র মহিলার ভ্রুকুটি। পাশে মেয়ে বসে। মালিকের মুখের দিকে চেয়েই আবু ঘাবড়েছে একটু। আর বাপী ভেবেছিল, মেয়ের কোনো কারণেই মহিলার মেজাজ ভালো নয়। আবুর বিনীত আদাবের জবাবে মুখের দিকে চেয়ে অপেক্ষা করল একটু। তারপর জিগ্যেস করল, কিছু বলবে?

    এ-রকম অভ্যর্থনার জন্য আবুও প্রস্তুত ছিল না। জবাবদিহির সুরে সে বলল, দোস্ত আসছে দেখে সেও মালকানকে শুধু সেলাম জানাতেই এসেছে, আর কোনো কারণে নয়।

    মেমসায়েবের মেজাজ এখন পর্যন্ত বাপীর থেকে ঢের ভালো বোঝে আবু বলল, চন্দ্রার নতুন চারা বেড়টা খাসা হয়েছে মেমসায়েব, পারেন তো একবার দেখে আসবেন। আচ্ছা, আমি চলি–আদাব।

    আবু চলে যেতে গায়ত্রী রাইয়ের অপ্রসন্ন দু’চোখ বাপীর মুখের ওপর।— তোমার কি?

    —এলাম…যদি কিছু বলেন।

    —যদি কিছু বলি শোনার জন্যে সঙ্গে লোক নিয়ে আসতে হবে? এ বাড়ির রাস্তা তুমি চেনো না?

    দোষের হদিস বাপী পেয়েছে, কিন্তু এ কথার আর জবাব কি দেবে। গায়ত্রী রাই আবার বলেছে, এখানে কাজ করতে হলে দোস্তি ভুলতে হবে।

    নিরীহ মুখে বাপী জিগ্যেস করেছে, কাজের বাইরেও?

    —কাজের বাইরে তোমার সঙ্গে আর কোনো সম্পর্ক আছে আমার?

    বাপী বিনয়-বিনম্র। মাথা নেড়েছে, নেই।

    —এখন আমি তোমাকে কিছুই বলব না। যা বলার মিস্টার চালিহা বলবেন। তোমার কিছু জিজ্ঞাসা থাকলে তাঁকেই বলবে।

    বাপী এরপর অনায়াসে ফিরে প্রশ্ন করতে পারত, ফাঁক পেলে তাকে মাঝে মাঝে আসতে বলা হয়েছিল কেন। জিগ্যেস করল না। আনুষ্ঠানিকভাবে কাজে জয়েন করার পর থেকেই মহিলার এমনি কড়া মেজাজ দেখছে। আবুর ভাষ্য অনুযায়ী এক চালিহা ছাড়া আর সব কর্মচারীর সঙ্গে এই গোছের আচরণ ঠাকরোনের। বাপীর ধারণা অন্য রকম। ওকে নেবার উদ্দেশ্যটা বেশি স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল বলেই শুরুতে লাগামের মুখে রাখছে। দরকার বুঝলেই ছপটি চালাতে পারে বুঝিয়ে দিচ্ছে। আর একই সঙ্গে চালিহার মর্জির ওপর ছেড়ে দিয়ে যোগ্যতা যাচাইয়ের মহড়াও নিচ্ছে বোধ হয়। ক’দিন আগের সম্পূর্ণ অজানা অচেনা একটা লোককে শুধু মুখের কিছু কথা শুনে একটু বেশি প্রশ্রয়ই দিয়ে ফেলা হয়েছে ভাবাও বিচিত্র নয়।

    অতএব বাপী বুদ্ধিমাদের মতোই নরম মুখে বাংলো থেকে নেমে এসেছে। পরের এক সপ্তাহের মধ্যে আর ও-মুখো হয় নি। গায়ত্রী রাইও তার অস্তিত্ব ভুলেছে যেন। একবারও ডাকে নি। এই কারণেই বাপীর আরো বদ্ধ ধারণা, সে তার লক্ষ্যের মধ্যেই আছে, আর তার প্রতিদিনের খুঁটিনাটি হিসেবও মহিলা রাখে। হিসেব কে দেয় বাপী সঠিক না জানলেও আঁচ করতে পারে। রণজিৎ চালিহা খুব সম্ভব। তাই যদি হয় তো এটা মহিলার যে সূক্ষ্ম সপটু চাল একটা, বাপী অস্বীকার করবে না।

    টাইপিস্টকে তার ঘর ছেড়ে মেশিনপত্র নিয়ে অ্যাকাউনটেন্টের ঘরে চলে .. যেতে হয়েছে। তার ছোট ঘরখানা বাপীকে মোটামুটি সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে। রণজিৎ চালিহার তুলনায় সে-সজ্জা কিছুই নয়। তার মতো ওর ঘরের দরজায় নামের ফলকও কিছু বসানো হয় নি। কি পোস্ট বা কি চাকরি, সে সম্পর্কে এক কর্ত্রী ছাড়া আর কারোরই হয়তো ধারণা নেই। পশ্চিম বাংলার জন্য কাজকর্ম শেখানো হবে শুনেছিল, কিন্তু কাজে লাগার পর আর কিছু কানে আসে নি।

    সকাল দশটার পাঁচ-দশ মিনিট আগেই হাজিরা দেয়। অ্যাকাউনটেন্ট আর টাইপিস্ট আসে সাড়ে ন’টায়। চালিহা এলে বাপী তরফদার কর্তব্যবোধে সামনে এসে দাঁড়ায়। তার ফর্সা মুখের মিটিমিটি হাসির অর্থও খুব অস্পষ্ট নয়। গায়ত্ৰী রাই তাকেও নিশ্চয় ভালো করে বুঝিয়ে দিয়েছে সে-ই আসল মুরুব্বি ওর।

    রণজিৎ চালিহা আগে তাকে ফার্মের ফাইল পড়তে হুকুম করেছে। কোথায় কি হচ্ছে না হচ্ছে, ফাইল পড়লে মোটামুটি ধারণা হবে। আর বলেছে, জঙ্গলটা ভালো করে স্টাডি করো, জঙ্গল থেকেই আমাদের যা-কিছু। জঙ্গলের প্রসঙ্গে সাপ ধরা আর কেনা-বেচার ব্যাপারটা আরো ভালো ভাবে অর্গ্যানাইজ করা দরকার সে-কথাও বলেছে।

    উড়ো খই গোবিন্দের পায়ে। ওকে নিয়ে চালিহার হাবভাবও অনেকটা সেই রকমই। সকালে সামনে এসে দাঁড়ালে মুচকি হেসে জিগ্যেস করে, ফাইল দেখছ?

    বাপী সবিনয়ে মাথা নাড়লে বলে, বেশ। তারপরেই নিজের কাজে ব্যস্ত ভাব।

    দ্বিতীয় সপ্তাহের তৃতীয় দিনে আপিসে ঢুকতেই অ্যাকাউনটেন্ট বলল, আপনার সাইকেলটা একবার দেখে নিন—

    ঈষৎ অবাক চোখে ঘরের দেয়ালের গায়ে বাপী একটা ঝকঝকে নতুন সাইকেল ঠেস দেওয়া দেখল। দামী ভালো সাইকেল। অ্যাকাউনটেন্ট জানালো মালিকের হুকুমে এটা তার জন্য কেনা হয়েছে। এগিয়ে এসে বাপী ওটা নাড়াচাড়া করে দেখল একটু। অ্যাকাউনটেন্টকে বলল, ঠিক আছে। সে তার চেয়ারে গিয়ে বসার পরেও বাপী ওটার দিকে চেয়ে নিশ্চল দাঁড়িয়ে। পুরনো স্মৃতি ব্যথার মতো ভেতর থেকে ঠেলে উঠছে।…নতুন নয়, একটা পুরনো সাইকেলের স্বপ্ন দেখেছে কত দিন। সাইকেল-সাইকেল করে পিসীকে জ্বালাতন করে মেরেছে আর গরিব বাপের গালাগাল খেয়েছে। মিষ্টিরা আসার পর সাইকেলের লোভ আরো বেড়েছিল। ও সাইকেল চালাবে…পিছনের ক্যারিয়ারে মিষ্টি থাকবে।

    চালিহা আসতে সচকিত। অ্যাকাউনটেন্ট আর টাইপিস্ট শশব্যস্তে চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়েছে। এই মাঝারি ঘরের ভিতর দিয়ে তার ঘরে ঢোকার পথ। বাপীরও। একটা নতুন সাইকেলের সামনে ওকে দেখে সেও দাঁড়িয়ে গেল। জিজ্ঞেস করল, ওটা কার?

    অ্যাকাউনটেন্ট জানালো, মিস্টার তরফদারের জন্য কেনা হয়েছে।

    কার নির্দেশে কেনা হয়েছে সেটা বুঝে নিতে চালিহার এক মুহূর্ত সময় লাগল না। সপ্রতিভ তৎপরতায় মাথা নাড়ল।—ও, হ্যাঁ…। যেন জানাই ছিল—সাইকেল একটা কেনা হবে। মুরুব্বির সুরে চালিহা বলল, ঘরে বসা কাজ নয় আমাদের, ফিল্ড ওয়ার্কের জন্য তৈরি হও।

    নিজের ঘরে ঢুকে গেল। আর তার ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই নিজের তৎপরতা দেখালো। তার সইয়ে একটা টাইপ করা চিঠি এলো বাপীর টেবিলে। কারো নামে চিঠি নয়। ব্যবসায়ের প্রতিনিধি হিসেবে বাপী তরফদারের নামে পরিচয়পত্র। এটা পাঠিয়ে রণজিৎ চালিহা যেন একপ্রস্থ রসিকতা করল ওর সঙ্গে। অর্থাৎ, সাইকেল পেয়েছ, পরোয়ানাও দিলাম, এবারে চরে খাও দেখি কেমন মুরোদ

    রণজিৎ চালিহা এক পা-ও এগোতে সাহায্য করবে এ-রকম প্রত্যাশা বাপীর কোনো সময় ছিল না। কর্ত্রীরও নেই নিশ্চয়। কিন্তু তার যাচাইয়ের রীতি বিচিত্র। ওপরঅলার মতো চালিহাকে সামনে রেখে পায়ে পায়ে ঠোক্কর খাওয়ার ব্যবস্থা করেছে। কাজকর্ম সম্পর্কেও কোনো আদেশ নেই, কিন্তু সাইকেল দেবার পিছনে কিছু ইঙ্গিত আছে। সেই ইঙ্গিত রণজিৎ চালিহাও বুঝেছে। তাই সাততাড়াতাড়ি পরিচয়-পত্র পাঠিয়ে দায়িত্ব সেরেছে। এখন বাপী শূন্যে ঝোলে কি হাল ছাড়ে, দু’জনার কাছেই সেই পরীক্ষা।

    পায়ের নিচে মাটি চাই বাপীর। এখানে যা ফাইল আছে সব তার খুঁটিয়ে পড়া আছে। এবারে নিজস্ব ফাইলে মাইল দশেকের একটা গণ্ডী টেনে নিয়ে কাজ শুরুর ছক ঠিক করে নিল। এই এলাকার মাল বানারজুলির গোডাউন থেকে চালান যায়। ভুটানের এলাকা পর্যন্ত ধরলে আরো দুটো গোডাউন আছে। এখানকারটাই বড়। এখান থেকে উত্তর বাংলা আর তার বাইরেও অনেক জায়গায় মাল চালান যাচ্ছে। কিন্তু বাহন সাইকেল, দূরের দিকে তাকিয়ে লাভ নেই। খুচরো মালের কারবার নেই যখন, এই দশ মাইল পরিধির পাইকিরি খদ্দেররাই তার লক্ষ্য। তাদের নাম-ধাম বার করে কে কত মাল আর কত রকমের মাল নিয়ে থাকে তার একটা খসড়া করে নিল। যারা আগে মাল নিত, কিন্তু এখন নিচ্ছে না বা কম নিচ্ছে—তারাও এই নিজস্ব ফাইলে এলো।

    সাপ চালানের ব্যবসা দেখার ব্যাপারে জোর দিয়েছিল রণজিৎ চালিহা। এর ফাইল কটাও খুঁটিয়ে দেখে নিল বাপী। কারা যোগান দিচ্ছে, কারা কিনছে, আর কত চাহিদা। চাহিদা বলতে গেলে আরো ঢের বেশি। এদিকেও নজর দেওয়া ঠিকই দরকার। এ-ব্যাপারে আবুর সঙ্গেই পরামর্শ করতে হবে। আবু বাড়িয়ে বলে নি, এখনো যে পর্যায়ের সাপ যে দামে কেনা হচ্ছে আর যে দরে বিক্রি করা হচ্ছে তার মধ্যে অনেক ফারাক। অর্থাৎ লাভ অনেক।

    মদ বিক্রি আর নেশার গাছ-গাছড়া ফলমূল বিক্রি থেকেও বছরে এন্তার টাকা আসে বাপী শুনেছিল। কিন্তু এ-সবের কোনো ফাইলের চিহ্ন নেই এই দপ্তরে। এ—সব সুড়ঙ্গ পথের কারবার, থাকবে না জানা কথাই। এই কারবারে মালিকের একমাত্র দোসর সম্ভবত রণজিৎ চালিহা। আবু রব্বানীও কিছু ভাগ পায় কিনা সঠিক জানে না।

    সেদিন শনিবার। টাইপিস্ট আর অ্যাকাউনটেন্ট দুটোর পরে চলে গেছে। চালিহা আপিসেই আসে নি। বেয়ারাটা এই আপিসেই থাকে বলে সে আছে। আর নিজেরই গরজে বাপী আছে।

    বেলা পাঁচটা নাগাদ হাতব্যাগ দোলাতে দোলাতে যে ঘরে ঢুকল তাকে এখানে দেখে বাপীর অবাক হবারই কথা। ঊর্মিলা রাই। পরনে হাল্কা সবুজ শাড়ি। গায়ে সবুজ ব্লাউজ। কপালে সবুজ টিপ। সুন্দরই লাগছে। কিন্তু বাপীর চোখ সৌন্দর্য বিশ্লেষণ করছে না। এখানে আসার হেতু বুঝতে চেষ্টা করছে।

    ঊর্মিলা এগিয়ে এসে টেবিলে ছড়ানো ফাইল কটা দেখল। তারপর বাপীর দিকে তাকালো। গম্ভীর। বলল, বাপী ইজ এ গুড বয়, শনিবারে বিকেল পাঁচটার পরেও কাজ করছে। মা জানলে খুশি হবে।

    বাপী জিজ্ঞেস করল, কি ব্যাপার?

    —ব্যাপার কিছু না। বেড়াতে বেরিয়েছিলাম। বেয়ারাটা রাস্তায় দাঁড়িয়েছিল। সে বলল, তুমি এখনো আপিসে আছ। তাই ইন্সপেকশনে এলাম। আমিও কাগজে কলমে ব্যবসার পার্টনার একজন জানো তো?

    —জাগা না ঘুমন্ত?

    —তার মানে?

    —স্লিপিং পার্টনার কিনা জিগ্যেস করছিলাম।

    —এখন পর্যন্ত স্লিপিং। মা জাগাতে চেষ্টা করছে।

    বাপী বলল, তাহলে দয়া করে বসা হোক।

    টেবিলের উপরেই ধার ঘেঁষে বসল ঊর্মিলা। বসার এই অন্তরঙ্গ চিত্রটা বরদাস্ত

    করার ইচ্ছে নয় বাপীর। বলল, চেয়ারগুলো কি দোষ করল?

    —কেন, তোমার অসুবিধে হচ্ছে?

    — হচ্ছে।

    —কি অসুবিধে?

    —দেখতে ভালো লাগছে না, এই অসুবিধে…

    টেবিল থেকে নেমে ছদ্ম কোপে মেয়েটা চোখ পাকালো প্রথম। তারপর হেসে ফেলে একটা চেয়ার টেনেই বসল। বলল, এ-রকম অসুবিধে হতে দিতে আমিও রাজি নই।

    বাপী জিজ্ঞেস করল, একলা বেড়াতে বেরিয়েছ?

    সঙ্গে সঙ্গে রাগ।—কেন, আমি বাচ্চা মেয়ে না বাঘ-ভালুকে খাবে?

    —তুমিই সেদিন বলেছিলে, মা একলা বেরুতে দেন না, সঙ্গে কেউ একজন থাকেই।

    মনে পড়ল। তার পরও বিরক্তি চাপা থাকল না।—আজও ড্রাইভার আছে, মায়ের গাড়ি নিয়ে বেরিয়েছি। মা-কে আমি স্পষ্ট বলে দিয়েছি, বেশি আগলাতে চেষ্টা করলে আবার বাড়ি ছেড়ে পালাব।

    বাপীর মুখে নিরীহ বিস্ময়।—আবার বলতে?

    ঊর্মিলা থমকালো। তারপর হেসেই জবাব দিল, একবার রাগ করে শিলিগুড়ি পালিয়ে গিয়ে এক বন্ধুর বাড়িতে দু’দিন ছিলাম। তার পরেই এ-প্রসঙ্গের ওপর যবনিকা। কাজ কি-রকম বুঝছ?

    —চেষ্টা করছি।

    —আঙ্কলের কাছ থেকে ক্ষমতা-টমতা কিছু আদায় করতে পেরেছ?

    —এখন পর্যন্ত কিছু না।

    —সে কি! কাল রাতেই তো আঙ্কল মা-কে বলছিল, তোমাকে একেবারে ফ্রি-হ্যান্ড দিয়েছে।

    এটা কত নম্বরি চাল চালিহার বাপী ঠাওর করে উঠতে পারল না। সাদা মুখ করে বলল, ফাইল পড়তে বলেছেন আর জঙ্গল স্টাডি করতে বলেছেন। আর গত পরশু ফার্মের রিপ্রেজেনটেটিভ হিসেবে একটা অ্যাক্রেডিটেশন দিয়েছেন। তোমার মা না চাইলে ক্ষমতা পাওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না—

    বাধা দিয়ে ঊর্মিলা বলে উঠল, মা কিছুই বলবে না বা কিছুই করবে না। চুপচাপ বসে তোমার মুরোদ দেখবে শুধু। একটু থেমে আবার বলল, তবে তুমি যখন আমার ফ্রেন্ড, তোমাকে চুপি চুপি বলে রাখতে পারি…তোমার ওপর মায়ের অনেক আশা—

    বাপীর নিরীহ মুখ। চুপচাপ চেয়ে আছে —

    —সব জেনে বুঝেও হাঁ করে চেয়ে থেকে বোকা সাজছ কেন? হাসল।— সত্যিকারের বন্ধু হলে আমিও তোমাকে কিছু কিছু সাহায্য করতে পারি।

    মায়ের আশা আর নির্ভরতা আছে বলেই মেয়েও বন্ধুত্ব পাতিয়ে ওকে হাত করতে চায় এটুকু স্পষ্ট। সাহায্যের কথায় বাপী ঔৎসুক্য দেখালো।— কি রকম?

    —মা তো চায়ই আমি একটু-আধটু কাজকর্ম দেখি। দেখব। কিন্তু আসলে আমার দ্বারা এ-সব কিচ্ছু হবে না। আঙ্কল তো মাসের মধ্যে সতের দিন টুরে কাটায়—আজও চার দিনের টুরে বেরুলো। সে না থাকলে এখানকার কাজে কি অসুবিধে হয়, আর কত রকমের গলদ দেখা দেয় সেটা বুঝতে তোমার আর কত সময় লাগবে? তুমি আমাকে বলবে, আর আমি তোমার একান্ত প্রশংসা করে মা-কে বলব। দায়িত্ব তখন তোমার হাতে সেধে আসবে দেখে নিও।

    ওই মায়ের মেয়ের বুদ্ধি নেই কে বলবে।

    হাসি মুখেই ঊর্মিলা আবার বলল, আমার প্রশংসার অনেক দাম আছে বুঝলে ফ্রেন্ড! এক রেশমা ছাড়া মা আমার মুখে আর কারো প্রশংসা শোনে নি কখনো—

    —রেশমার অত ভাগ্য কেন?

    —ও সত্যিকারের ভালো মেয়ে বলে। ভালো কথা, ওর মজুরিটা তুমি চটপট বাড়িয়ে দাও দেখি—

    —কিসের মজুরি?

    —সাপ ধরার। প্রাণের মায়া ছেড়ে জঙ্গলে সাপ ধরে বেড়ায়, অথচ পাওনার বেলায় ওর ওপর অনেকদিন ধরে অবিচার হচ্ছে শুনেছি।

    —আমি মজুরি বাড়িয়ে দেব?

    —নিশ্চয় দেবে, যার যা পাওনা তাকে তা দেবে না কেন?

    —রেশমার ওপর অবিচারের কথা তোমার মা-কে বলো না কেন?

    —বলতে বাকি রেখেছি! মায়ের মতো রেশমাও দু’ চক্ষে মদ খাওয়া দেখতে পারে না বলে মা ওকে পছন্দও করে, বিশ্বাসও করে—আমি বলতে ওকে রূপোর গয়নাও গড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু দেনা-পাওনার ব্যাপারে কখনো আঙ্কলের কাজে মাথা গলাবে না।

    —আঙ্কলকে বলো না কেন?

    হুঁঃ। বলা হয়েছে—তার কি মতলব কে জানে।

    বাপী ভাবল একটু। বলল, সকলকে ছেড়ে প্রথমেই একটা মেয়ের জন্য আমার মাথাব্যথা দেখলে তোমার মা কি ভাববেন।

    যুক্তিটা মেনে নিয়েও ঊর্মিলা হেসে উঠল।—ভাববে তুমি মজে গেছ। মরুকগে, আঙ্কলকে আমার কথা বলেই না হয় ওর মজুরিটা বাড়াতে চেষ্টা করো—অবিচার হচ্ছে বলে গত বছর থেকে মেয়েটা রাগে ফুঁসছে।

    —ঠিক আছে। এবারে আলতো করে বাপী জিজ্ঞেস করল, তোমার সত্যিকারের বন্ধু হতে হলে আমাকে কি করতে হবে সেটা বললে না তো?

    জবাবে ভূকুটি। সেই সঙ্গে ঠোঁটে হাসি।——ধরে বাঁদর নাচ নাচাতে চাইলেও সেটা বরদাস্ত করতে হবে।

    .

    সাপ চালানো আর চাহিদার হিসেব শুনে আবু রব্বানী বিড়ি দাঁতে চেপে এমন ভাবে তাকালো যার অর্থ, বাপীর বুদ্ধির দৌড় দেখে সে অবাকই হয়েছে। বলল, যত সাপ ধরা হয় আর চালান যায় তার সব হিসেব খাতায় ওঠে তুমি ভাবো নাকি! এর মধ্যে কালো ব্যাপার কিছু নেই?

    বাপী এ-দিকটা ভাবে নি বটে। তবু চাহিদার ব্যাপারটা আবু অস্বীকার করল না। সাপ ধরার পার্টি আরো গোছালো ভাবে বড় করা যায় এও ঠিক। কিন্তু লাভের কড়ি আরো কিছু না খসালে তা হবে কেন? লাভের খবর এখন আর কে না রাখে? এ-ব্যবসায় তো মালিকদের শুধু মুনাফা লোটা ছাড়া আর কোনো কষ্ট করতে হয় না, তাহলে লাভের ন্যায্য ভাগ ওদের দেবে না কেন? আর এ-কাজে মেহনত বাড়ালে আবুরই বা বাড়তি লাভটা কি? মাস গেলে দুলারির নামে দিচ্ছে তো মাত্র পঞ্চাশটি টাকা।

    আর কিছু অসুবিধের কথাও শুনল বাপী। গরীব বেদে-বেদেনীরা সাপ ধরলেই নগদ টাকা আশা করে। সেই ব্যবস্থাও দরকার। ম্যানেজার কত সময় থাকে না, তখন এক পাওনা পেতে ওদের কতদিন ঘুরতে হয়। অবশ্য টাকা অনেক সময় মালকান আগাম দেন, কিন্তু ম্যানেজারের সই না হলে হিসেব মেটে না। আবার অনেক সময় মেমসায়েবও পাহাড়ের বাংলোয় বা এ-ধার ও-ধার চলে যান। এই লোকগুলো তখন বিরক্ত হয়ে আবুকেই পাঁচ কথা শোনায়। বড় দল যে করবে, সম্বৎসরে কটা টাকা ওরা পায়—বছরের মধ্যে শীতের পাঁচ মাস মনসা মায়ের সন্তান-সন্ততিরা তো গর্তেই সেঁধিয়ে থাকে, আর বর্ষায় ওঁরা বাড়েন বটে কিন্তু ধরা পড়ে কম। সময়ে ভালো রসদ না পেলে দল বেঁধে ওরা জানের ধকল পোহাতে আসবে কেন?

    বাপী কথা দিল, মালিকের সঙ্গে আলোচনা করে যতটা সম্ভব সুব্যবস্থা করবে। কিন্তু ওর মুখ চেয়েও এ বছর সাপের চালান বাড়ানোর কথা আবুকে ভাবতে হবে। তারপর জিগ্যেস করল, রেশমার মজুরি নিয়ে অবিচার হচ্ছে শুনলাম, সেটা কি ব্যাপার?

    আবুর একটা চোখ ছোট মানেই রসের খোরাক পেয়েছে।—অবিচারের কথা কে বলল?

    —ঊর্মিলা রাই।

    আবু হেসে মাথা নাড়ল।—অবিচার হচ্ছে আর সেটা হচ্ছে ওই ম্যানেজারের বজ্জাতির জন্য।

    কি বজ্জাতি তাও শুনল। সাপ ধরতে সাধারণত দু’জন করে লোক লাগে। বেদেদের সঙ্গে অনেক সময় বেদেনীরাও থাকে, কিন্তু মজুরির হিসেব হয় পুরুষের নামে। রেশমার বেলায় হিসেব হয় ওরই নামে। সঙ্গীকে রেশমা ছ’আনা বখরা দেয়। ও-ই মুরুব্বি। চালিহার বিবেচনায় সব জায়গাতেই পুরুষের তুলনায় মেয়ের মজুরি কম। রেশমার রাগ কম কেন হবে, চালানের সময় কি সাপের গায়ে লেখা থাকে এটা মেয়েছেলে ধরেছে! এদিকে গুনলে রেশমাই সব থেকে বেশি যোগান, দেয়। ও সাপের গর্ত চেনে, শীতের সময় শুধু ও-ই খুঁজেপেতে মাস গেলে দু—পাঁচটা সাপ ধরে আনে।

    —তাহলে ওর ওপর এই জুলুম কেন?

    আবুর এক চোখ ছোট আবার।—একটু বাড়তি তোয়াজ তোষামোদের আশায়। এবার বুঝেছ?

    হাসতে গিয়েও আবুর মনে পড়ল কি। গলা খাটো করে বলল, সেদিন তুমি চলে যেতে দুলারি আমাকে বকাঝকা করছিল। সে-ও বলেছিল তোমাকে নেবার ব্যাপারে মেমসায়েবের মতলব রেশমারও না জানাই ভালো।…মেয়েটাকে দুলারিই সব থেকে বেশি ভালবাসে, কিন্তু ওর মেজাজ-মর্জির ওপর বিশ্বাস নেই। তোমার ওপর কখনো রেগে গিয়ে ওই শালার ম্যানেজারকে তোষামোদ করার জন্য যদি কিছু লাগিয়ে দেয় তাহলে চিত্তির। আবু বড় করে তাকালো বাপীর দিকে, এই জন্যই তুমি রেশমাকেও জানাতে বারণ করেছিলে, তাই না?

    বাপী অস্বীকার করতে পারে নি। কিন্তু দুলারি যে এত চতুর ধারণা ছিল না। রবিবারের এই দুপুরেই রেশমার সাপ ধরা দেখেছে বাপী। ভয়ডর ওর নিজেরও কম, কিন্তু রেশমার আর তার সঙ্গীর দুঃসাহস দেখে বার বার গায়ে কাঁটা দিয়েছে। হাতের মুঠোয় জীবন নিয়েই ওরা বেরোয় বটে।

    শুনল এই মৌসুমে এর মধ্যে আর একদিন মাত্র বেরিয়েছিল ওরা। কিন্তু তখনো শীতের আমেজ ছিল বলে একটাও মেলেনি। আজ এই দ্বিতীয় দফা বেরুলো। আবুর মুখে খবরটা শুনে বাপী আগেই রেশমার ঘরে এসে হাজির হয়েছিল। খুশি মুখে রেশমা টিপ্পনী কেটেছিল, ভয় পেয়ে আবার কেলেঙ্কারি কাণ্ড বাঁধাবে না তো?

    কেলেঙ্কারি শব্দটা খট্ করে কানে লাগল বাপীর। সেটা বুঝেই রেশমা আবার বলল, ওই হারমা’র আগে যাকে কাজ শেখাতে গেছলাম প্রথম দিন একটা কেউটে ফণা তুলে ফোঁস করে উঠতেই ভয়ে আমাকে একেবারে জাপটে-মাপটে ধরেছিল।

    দু’চোখ জোর করেই অন্যদিকে ফিরিয়েছে বাপী। এ কথার পর মেয়েটা আরো বেশি চোখ টানছিল। সাপ ধরতে বেরুনোর পোশাক বলতে পরনে একটা আঁট জাঙ্গিয়া আর গায়ে তেমনি আঁট গেঞ্জির মতো জামা একটা। পায়ে ফিতে বাঁধা জুতো ব্যস। মেয়েটার এই যৌবন শাসনে রাখা ওই বেশের সাধ্যের বাইরে।

    রেশমার এই সঙ্গীর নাম হারমা। এদিকেরই আদিবাসী। সমবয়সীই হবে দু’জনে। স্বাস্থ্য ভালো, হাবাগোবা মুখ। কিন্তু চাউনি সন্দিগ্ধ। প্রথম দেখেই বাপীর মনে হয়েছে রেশমার কাছে বাবুমানুষ আসাটা পছন্দ নয়। জঙ্গলের পথ ভাঙার ফাঁকে হেতুও বুঝেছে। ভক্ত মুগ্ধ হয়ে যা হয়, তাই। মুখে কথা নেই, কিন্তু চোখ দুটো নারী-অঙ্গ ছেড়ে নড়ে না। শিকারের সময়েও কি এই মুগ্ধ ভক্ত ওর দিকেই চেয়ে থাকে নাকি! তাহলে তো ছোবল খেয়ে মরার কথা।

    সাপ ধরার সরঞ্জামও সাদাসিধে। হাতে এক ইঞ্চি মোটা আর দু’ হাত লম্বা একটা করে লাঠি। লাঠির এক মাথায় কম্বলের টুকরোর মতো ছোট জাল আটকানো। আর বিপাকের হাতিয়ার হিসেবে কোমরে ছোরা গোঁজা। হারমার বগলে সরু আর গোল বেতের ঝুড়ি একটা, তার মধ্যে ছোট ছোট কতগুলো দড়ির ফাঁক লাগানো থলে।

    প্রথমেই অনায়াসে বড়সড় একটা নির্বিষ সাপ ধরে থলেতে পুরল ওরা। নির্বিষ সাপে পয়সা অনেক কম, কিন্তু বউনি ছাড়তে নেই। রেশমা ছুটে গিয়ে লাঠির মাথায় আটকানো কম্বলের জাল মাথায় ফেলতেই হারমা শক্ত দুহাতে ওটার গলার কাছটা চেপে ধরে ঝুড়িতে ঢুকিয়ে দিল। তারপর থেকেই গায়ে কাঁটা বাপীর। একটা সাদা-কালো শাঁখামুটের পেছনে তাড়া করেছে ওরা। এরও ফণা নেই, কিন্তু অতি বিষাক্ত। এবারে লাঠির জালের দিকটা ওদের হাতে। তরতর করে একটা গাছের দিকে এগোতে যাচ্ছিল, তার আগেই রেশমা লেজের ওপর লাঠির ছোট ঘা বসালো একটা। সাপটা ওর দিকে তেড়ে আসতেই পিছন থেকে হারমা তেমনি লেজে ঘা মারল। এই চলল মিনিট কতক। রেশমাকে তাড়া করে তো হারমা লেজে ঘা মারে। আর হারমাকে তাড়া করে তো রেশমা। বিষাক্ত সাপের বেলায় দেখা গেল শেষ কাজ রেশমার। ফাঁক বুঝেই খপ করে এক হাতে গলার কাছটা চেপে ধরে মাটি থেকে তুলে ফেলল, আর গায়ে জড়ানোর আগেই অন্য হাতের মুঠো আর আঙুল সাঁড়াশির মতো খানিকটা নিচের দিকে চেপে ধরেছে। চোখের পলকে হারমার লাঠির জালের দিকটা শাঁখামুটের মুখের ওপর। বিষদাঁত এই কম্বলের জালে আটকে গেল। তারপর ঝাঁপি থেকে থলে বার করে জাল সরিয়ে ওটার মুখে ধরলেই হল—তখন লেজ ওপরে মুখ নিচে। থলেতে না ঢুকে যাবে কোথায়?

    এই দেখেই ঘাম ছুটেছিল বাপীর। তারপর দেড় ঘণ্টার মধ্যে পঁচিশ মিনিটের ফারাকে দু’দুটো গোখরো ধরা দেখে শরীরের রক্ত জল। প্রথমটা কম করে ছ’ফুট লম্বা হবে, পরেরটাও পাঁচ ফুটের কম নয়। আর তেমনি চক্কর বসানো বীভৎস ফণা। ধরার কায়দা একই, তবে ফণা আছে বলে আরো হুঁশিয়ার ওরা। ছোবল দেবার জন্য একজনের দিকে ফণা তুললেই অন্যজন লেজে বাড়ি দেয়। সেদিকে ফণা তুললেই অন্যজন তাই করে…রেশমার বুকের পাটা সম্পর্কে আবু বলেছিল, বিষাক্ত সাপগুলোর খপাখপ টুটি টিপে ধরা দেখলে তোমার তাক লেগে যাবে। একটুও বাড়িয়ে বলে নি। দেখেই বাপীর কালঘাম ছুটেছে। টুটি যখন চেপে ধরে তখন রক্তবর্ণ মুখ রেশমার, আর চোখ দুটোও তখন সাপের মতোই ভয়াবহ। এক হাতে এই সাপ মুঠোয় ধরে রাখা যায় না, একটু বাদেই দু’হাতে লাগাতে হয়। ততক্ষণে সাপের তলার দিকটা হারমার এক হাতের মুঠোয়। মুখে জাল লাগিয়েই অন্য হাতে ঝাঁপি থেকে থলে বার করবে।

    রেশমা হাঁপাচ্ছে আর বুকটা ফুলে ফুলে উঠছে। আবার হাসছেও। মুখ এখনো লাল। কাজ সারা হতেই ভক্ত শুরমার মুগ্ধ দু’ চোখ আবার ওর দিকে তন্ময়।

    বাপীর দিকে চেয়ে রেশমা বলল, রোসো, ওটার জোড়টাও এক্ষুনি এ-দিকে এলো বলে। সম্ভব হলে বাপী রেশমাকে টেনে নিয়ে চলে যেত। বেশি খোঁজাখুঁজি করতে হল না, মিনিট পঁচিশের মধ্যে কোথা থেকে বেরিয়ে সাপটা সোজা তেড়ে এলো। কি ঘটেছে আঁচ করতে পেরেই হয়তো এই হিংস্র আক্রোশ। এটাকেও থলেতে পোরার পরে এই দিনের মতো ক্ষান্ত হল রেশমা।

    খুশিতে আটখানা। তুমি আমার খুব পয়মন্ত লোক দেখি যে বাপীভাই! দু’—ঘণ্টার মধ্যে তিন-তিনটে জাতসাপ ধরে ফেললাম। তোমার পয়ে একটা শঙ্খচূড় পেলে হত—একটাতেই ডবল টাকা।

    রেশমার হুকুমে ঝুড়ি মাথায় হারমা আগে আগে চলেছে—আবু সাহেবকে দেখিয়ে ওটা সাপ-ঘরে রেখে আসবে।

    বাপী বলল, ভালো টাকা রোজগার হল আজ তাহলে?

    —হলই তো। সঙ্গে সঙ্গে চোখেমুখে রাগের ঝলক।—অন্য লোকে ধরলে আরো বেশি টাকা পেত, আমি বলে ওই ম্যানেজারের বজ্জাতির জন্য কম পাই। এই তিনটে বিষাক্ত সাপের জন্য অন্য লোকে কম করে তিন-পাঁচে পনের টাকা পাবে।

    —আর তুমি?

    —আমাকে দেবে বারো টাকা। এর থেকে হারমাকে ছ’আনা ভাগ দিলে আমার কি এমন থাকে?

    অর্থাৎ একটা সাপের জন্য চার টাকা। ওর ভাগে থাকে আড়াই টাকা। বুকের তলায় মোচড় পড়ছে বাপীর। মাত্র আড়াইটে টাকার জন্য এক-একবার হাতের মুঠোয় প্রাণ!

    রেশমার আবারও ঝাঁঝালো গলা—ওই ম্যানেজারকে বলে আমার পাওনাটা এবারে তুমি ঠিক করে দাও না, অন্যের থেকে আমি কম পাব কেন?

    —আমি বললে বেশি দেবে?

    —হাড় পাজি ওটা, এমনি বললে দেবে না, একটু তোষামোদ করে বলতে হবে।

    বাপী জবাব দিল, আমার দ্বারা ওটাই তো হয় না…

    —হয় না মানে, নিজের জন্যে তো বেশ তোষামোদ করতে পারো!

    কি মনে পড়তে বাপীর স্নায়ুগুলো সজাগ হয়ে উঠল হঠাৎ। ভালো করে মুখখানা দেখে নিতে ইচ্ছা করল। কিন্তু খানিক আগের ভয়াল উত্তেজনা কমে আসার পর এই মেয়ের পাশাপাশি চলাটাই অস্বস্তিকর। হারমা হয়তো রাগ বা অভিমান করেই অনেকটা এগিয়ে গেছে।

    সাদা মুখেই বাপী জিগ্যেস করল, তুমি পারো না তাকে তোষামোদ করতে?

    —আমি? আমি ওর ঘরে কেউটে বা গোখরো ছেড়ে দিয়ে আসতে পারি।

    —সেই রাতে তাই ছাড়তে গেছলে?

    এক ঝটকায় সামনে এসে মুখোমুখি দাঁড়াল রেশমা।—কোন্ রাতে?

    —পনের-ষোল দিন আগে যে রাতে আবুকে সঙ্গে করে আমি নিজের জন্য তোষামোদ করতে গেছলাম?

    কয়েক মুহূর্তের জন্য হতচকিত মুখ। তারপরেই দু’ চোখ ঝলসে উঠল।— তোমাকে কে বলল?

    —কেউ না। আমার ধারণা তুমি তখন ম্যানেজারের ভিতরের ঘরে ছিলে। বাপী হাসছে অল্প অল্প। অত চোখ লাল কোরো না, সরো!

    ছিটকে সরে গিয়ে রেশমা দ্রুত হেঁটে চলল। একটু বাদেই গাছগাছড়ার আড়ালে।

    বাপী সেখানেই আরো খানিক দাঁড়িয়ে। হঠাৎ মাস্টার মশাই ললিত ভড়ের মেয়ে কুমকুমের মুখখানা মনে পড়ল। পেটের দায়ের সেই মুখের সঙ্গে রেশমার এই মুখের অনেক তফাৎ।

    রেশমা বারবর্ণিনী নয়। রেশমা ফণিনী।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসেই অজানার খোঁজে – আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
    Next Article মেয়েদের ব্রতকথা – আশুতোষ মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Our Picks

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }