Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সোনার হরিণ নেই – আশুতোষ মুখোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প1094 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সোনার হরিণ নেই – ৩০

    ত্রিশ

    পরের দিনটা আবার হরতাল। ট্রাম ভাড়ার সেই এক পয়সার যুদ্ধ। তার পরের দিন জায়গায় জায়গায় একশ চুয়াল্লিশ ধারা অমান্য করার ধুম, জনতা পুলিশে খণ্ডযুদ্ধ। গুলি টিয়ারগ্যাস লাঠি। সৈন্যদের টহলদারি।

    এরই মধ্যে বাপী হোটেল ছেড়ে নিজের ফ্ল্যাটে গিয়ে উঠেছে। ফ্ল্যাটের মালিক কথার খেলাপ করেনি। অল্প কটা দিনের মধ্যে ছিমছাম সাজিয়ে দিয়েছে। হট্টগোল থেকে সরে এসে বাপী প্রায় চব্বিশটা ঘণ্টা ঠাণ্ডা নিরিবিলির মধ্যে সেঁধিয়ে থাকল।

    আরও একটা দিন গড়িয়ে গেল। দুপুরের দিকে গাড়ি হাঁকিয়ে বাপী উল্টোডাঙার সেই গুদাম ঘর দেখতে গেছল। ইতিমধ্যে সেটারও কিছু সংস্কার হবার কথা। মিস্ত্রীর কাজও অনেক। ভিতরে পার্টিশন দিয়ে গোটাকতক খুপরি করতে হবে। এদিকের কাজ সবই এগোচ্ছে। জিত্ মালহোত্রা নিজে দাঁড়িয়ে থেকে কাজ করাচ্ছে। কিন্তু হাঙ্গামার চেহারা যা দাঁড়াচ্ছে, আসল কাজ কবে থেকে যে শুরু হবে বাপী ভেবে পাচ্ছে না বলে ধৈর্যচ্যুতি ঘটছে।

    সেন্ট্রাল এভিনিউ ধরে ফিরছিল। হাতঘড়িতে বিকেল চারটে। রাস্তাটা কেমন ফাঁকা আর থমথমে মনে হল। দূরে দূরে গলির মুখে ছোট ছোট জটলা। কিছু মিলিটারি ট্রাকেরও আনাগোনা চোখে পড়ল। গলির মুখে যারা দাঁড়িয়ে, মিলিটারি গাড়ি দেখে তারা ছুটছাট সরে যাচ্ছে। একশ চুয়াল্লিশ ধারা চলছে তখনও। হাওয়াটা তেমন সুবিধের ঠেকল না বাপীর।

    সেই এয়ার অফিসের কাছাকাছি এসে গাড়ি আরও জোরে ছোটাল। কোন দুর্বলতার প্রশ্রয় দেবে না। তার অগোচরে আপনা থেকে যে অনুকূল পটভূমি গড়ে উঠেছে, খুব বুঝে-শুনে পা ফেলতে হবে সেখানে। সময় আসবে। আসবেই।

    কিন্তু সময় আসারও রকমফের আছে, দশ মিনিট আগেও তা ভাবে নি। সামনে থেকে একদঙ্গল লোক হুড়মুড় করে ছুটে আসছে। অদূরে টিয়ার গ্যাসের শব্দ। ধোঁয়া। ঘন ঘন গোটাকতক বোমার আওয়াজ। হতচকিত বাপী গাড়িটা ফুটপাথের ধার ঘেঁষে দাঁড় করিয়ে দিল। পুলিশের তাড়া-খাওয়া লোকগুলো অনেক দূরে দূরে গিয়ে থামল।

    বাপী গাড়ি থেকে নেমে খবর সংগ্রহ করল। দক্ষিণ কলকাতায় সেই দুপুর থেকেই আগুন জ্বলছে। গুলি চলেছে। লোক মরেছে। দু-দুটো সরকারী বাস জ্বালানো হয়েছে। সেই উত্তাপ এদিকেও ছড়িয়েছে। খানিক আগেও লাঠিচার্জ হয়ে গেছে, এখন টিয়ারগ্যাস চলছে। অন্যদিক থেকে বোমাবাজী শুরু হয়েছে।

    বাপী গাড়িতে এসে বসল। দু-দুটো বাস পোড়ানো হয়েছে, বাস আর চলবে না। এতটা পথ আসতে একটাও বাস চোখে পড়েছে মনে হল না। রাস্তায় এখন ট্যাক্সিও দেখছে না।

    ইউ-টার্ন করে গাড়িটা ঘুরিয়ে দিল। চার-পাঁচ মিনিটের মধ্যে এয়ার অফিসের ফুটপাথের গা ঘেঁষে গাড়িটা দাঁড় করালো। কাচ তুলে দিয়ে দরজা লক করে লম্বা লম্বা পা ফেলে ভিতরে ঢুকল।

    বোর্ডে নাম দেখল। মালবিকা চ্যাটার্জির ঘর দোতলায়। ওপরে উঠে গেল। একজন বেয়ারাকে জিগ্যেস করতে ঘরের হদিস মিলল। অপেক্ষা করতে হল একটু। ভিতরে দ্বিতীয় কেউ আছে। মিনিট তিন-চারের মধ্যে বছর চল্লিশের একজন ফিটফাট ভদ্রলোক বেরিয়ে এলো।

    সুইং ডোর ঠেলে বাপী ভিতরে ঢুকল।

    মস্ত টেবিলের ওধারে কলম হাতে মিষ্টি টাইপ করা একটা কাগজের দিকে চোখ নামিয়েছিল। মুখ তুলল।

    একটা চকিত অভিব্যক্তির ঢেউ চোখের তারায় এসে স্থির হল। তারপর ঠোঁটের ফাঁকে হাসি দেখা দিল একটু। গেলবারে অসিত চ্যাটার্জিকে সঙ্গে করে হোটেলে আসার পর যে হাসি আর চাউনি দেখেছিল বাপীর মনে আছে। সেই হাসি আর চাউনিতে ওকে কিছু বোঝানোর আকুতি ছিল। এ চাউনি বা হাসি সে—রকম নয়। অনেকখানি আত্মস্থ, ব্যক্তিত্বে বাঁধা।

    —বসো। সমস্ত মানুষটাকেই দেখে নিল একবার

    বাপীর পুরুষের পদক্ষেপ। এগিয়ে এসে একটা চেয়ার টেনে বসল। বলল, এই রাস্তা ধরেই আমার যাতায়াত। আজই চলেই যাচ্ছিলাম, সামনে গণ্ডগোল দেখে ফিরে এলাম। বাস পোড়ানো হয়েছে, গুলিটুলি চলছে, ট্যাক্সিও চলছে না।

    শুধু ঠোঁটে নয়, চোখেও একটু হাসির ছোঁয়া লেগে আছে। মিষ্টি বলল, জানি। খবর শুনেই অনেকে তাড়াতাড়ি চলে গেলেন—

    বাপী জিজ্ঞাসা করল, তোমার তাড়া নেই?

    ঠোটের আর চোখের হাসি আর একটু প্রশস্ত হল। জবাব দিল, লেগেই তো আছে, কত আর আগে আগে পালানো যায়।

    বাপীও চেয়ে আছে। আল্ল্গা সহজতা নেই। বাড়তি গাম্ভীর্যও না। এই মেয়েকে দেখে কেউ বলবে না ঘরের লোকের কারণে বুকের তলায় বড় রকমের যন্ত্রণা পুষছে। বাপির ভিতরেই বরং একটা চিনচিন যন্ত্রণার অনুভূতি।…গেলবারে যা দেখেছিল তার থেকেও তরতাজা লাগছে। বয়েস যেন আরো কমেছে। সহজ ব্যক্তিত্বের ছোঁয়ায় বেশ স্বাতন্ত্র্যের ছাঁদ এসেছে। পরনে ঘন ছাইরঙের সিল্কের ওপর সাদা বুটির শাড়ি, গায়ে ধপধপে সাদা ব্লাউস। ঈষৎ ঝোলানো খোঁপা। … যৌবন আপন মাধুর্যে সুস্থির। যত দিন দেখেনি, বাপী একরকম ছিল। আজ এইটুকু দেখার মধ্যেই ভিতরে একটা তোলপাড় কাণ্ড হতে থাকল। কেউ তার একেবারে নিজস্ব কাউকে ছিনিয়ে নিয়েছে। কেড়ে নিয়েছে যার ওপর আর কারো অধিকার নেই। থাকতে পারে না। কিন্তু আজ বাপী শান্ত সংযত সতর্ক। স্নায়ুগুলো সব নিজের বশে টেনে ধরে আছে। মুখ দেখে ভিতরের চেহারার আভাসও কেউ পাবে না। মাথায় যে সংকল্প এঁটে বসছে এই মুখের দিকে চেয়ে কেউ তা কল্পনা করতে পারবে না।…শেষ দেখবেই। রণে-প্রণয়ে নীতির ধার কে ধারে?

    মিষ্টিই স্বল্প নীরবতার ছেদ টানল।—চা খাবে?

    —খেতে পারি।

    —আর কিছু?

    আর কি?

    মিষ্টি হাসল। হোটেলে লোক ধরে নিয়ে গিয়ে যে-রকম খাওয়াচ্ছ শুনলাম, সে-রকম আর এখানে কোথায় পাব?

    বাপী শুনল। দেখল। খোঁচা বটে, কিন্তু বেঁধার মতো উগ্র নয়।—শুধু চা-ই বলো।

    —ভাল প্যাটিস আর পেস্ট্রি খাওয়াতে পারি।

    —তুমি খাবে?

    —আমার দুটোর মধ্যেই হয়ে গেছে। চা খাব’খন। বেল টিপল। —শুধু চা-ই হোক।

    মিষ্টি তাকালো একবার। জোর করে আগ্রহ দেখাল না। বেয়ারা আসতে দু পেয়ালা চায়ের হুকুম করল।

    বাপী নড়েচড়ে বসল একটু।—দীপুদার সঙ্গে এর মধ্যে তোমার দেখা হয়েছে বা কথা হয়েছে তাহলে?

    প্রশ্নের তাৎপর্য বোঝার চেষ্টা।—তাহলে কি রকম?

    —দীপুদা বলেছিল, তার আগে “যে লোককে হোটেলে ধরে নিয়ে গিয়ে খাইয়েছি তার জন্য তুমি আমার ওপর খুব রেগে আছ আর আমার সম্পর্কে অনেক কথা বলেছ। …কিন্তু এখন এতটা রেগে আছ বলে মনে হচ্ছে না।

    মিষ্টি হাসিমুখেই স্বীকার করল, এখন আর অত রাগ নেই। বলল, রাত এগারোটায় অমন অবস্থায় বাড়ি ফিরে যা-তা বকতে থাকলে কার মেজাজ ঠিক থাকে?

    চোখে চোখ রেখে বাপী ঠাণ্ডা গলায় বলল, মেজাজ ঠিক না থাকলেও মালিকের মেয়েকে বিয়ে করে আমি মস্ত লোক হয়েছি আর তোমার হাজব্যান্ডকে মদ খাইয়ে মজা দেখছি—এমন কথা তুমি বলতে পারো ভাবিনি—এর পর এলে আমার কি করা উচিত?

    একটু থমকে খুব চাপা ঝাঁঝের সুরে মিষ্টি বলল, সে তোমার কাছে অত আসবেই বা কেন?

    —সেটা তাহলে তুমিই তাকে বলে দিও।

    বেয়ারা চায়ের ট্রে রেখে গেল। মিষ্টি দু পেয়ালা চা ঢেলে একটা তার দিকে এগিয়ে দিল। প্রায় তখনই চকচকে কোট প্যান্ট টাই পরা অল্পবয়সী একজন লোক দরজা ঠেলে ঘরে ঢুকল। ঘরে দ্বিতীয় লোক দেখে সপ্রতিভ তৎপরতায় বলল, একসকিউজ মি—ডিস্টারব্যান্স ভাল রকম শুরু হয়ে গেছে, মিসেস চ্যাটার্জি নো কনভেয়ান্স, একটা গাড়ি যোগাড় হয়েছে—অনেক খদ্দের, যেতে চান তো চটপট উঠতে হবে।

    মুখ থেকে চায়ের পেয়ালা নামিয়ে বাপী মিষ্টির দিকে চেয়ে বলল, আমার সঙ্গে গাড়ি আছে।

    ঈষৎ বিব্রত হাসিমুখে মিষ্টি লোকটার দিকে তাকালো।

    —ও. কে। যেমন এসেছিল তেমনি চলে গেল।

    চায়ের পেয়ালা শেষ হতেই বাপী বলল, চলো—

    চোখে আর হাসি-ছোঁয়া-ঠোঁটে সামান্য বিড়ম্বনার অভিব্যক্তি।—গণ্ডগোলের মধ্যে তুমি আবার বাড়ি পৌঁছে দিতে যাবে…এঁদের সঙ্গে আপিসের গাড়িতেই চলে

    যেতে পারতাম।

    তার মুখের ওপর দু চোখ আরো একটু এঁটে বসল।—ভয় পাচ্ছ? সঙ্গে সঙ্গে বেশ স্পষ্ট প্রতিবাদ।—ভয় পেতে যাব কেন!

    —গেলবারে তোমার ভদ্রলোককে নিয়ে যেদিন হোটেলে এসেছিলে, সেদিন একটু ভয়ই পেয়েছিলে মনে হয়েছিল….।

    টেবিলে দু হাত, কৌতুক ছুঁয়ে আছে। চেয়েই রইল একটু। তারপর জবাব দিল, তোমার মধ্যে সারাক্ষণ সেদিন বানারজুলির চোদ্দ বছরের এক ক্ষ্যাপা ছেলেকেও দেখছিলাম…। মুখ লাল হঠাৎ। তাড়াতাড়ি চেয়ার ঠেলে উঠে দাঁড়িয়ে টেবিলের কাগজপত্র একদিকে সরিয়ে রাখল।—চলো।

    একরাশ হিংস্র লোভ গুঁড়িয়ে দিয়ে বাপীও উঠল। ঘর থেকে বেরিয়ে পাশাপাশি সিঁড়ি ধরে নামল। রাস্তায় এসে বড় বড় পা ফেলে এগিয়ে গিয়ে বাপী চাবি লাগিয়ে নিজের দিকে সামনের দরজা খুলে বসল। ও-ধারের দরজার লক খুলে তাকালো।

    মিষ্টি গাড়িটা লক্ষ্য করেছে। উঠে পাশে বসল। নিজেই দরজাটা বন্ধ করল। গাড়িটা স্টার্ট দিয়ে বাপী আবার পাশের দিকে তাকালো। ওদিকের দরজার কাঁচ তোলা। ঝুঁকে হাত বাড়িয়ে হ্যান্ডেল ঘুরিয়ে কাঁচ নামিয়ে দিতে পারে। সম্ভাব্য স্পর্শটুকুর লোভ থেকেও নিজেকে ছিঁড়ে এনে বলল, কাঁচটা নামিয়ে দাও, নইলে গরম হবে।

    মিষ্টি কাঁচ নামালো।

    গাড়ি আবার টার্ন নিয়ে চৌরঙ্গীর দিকে ছুটল। দুজনের মাঝে আধ হাতটাক ফারাক। অনেক দিনের একটা ভুলে-যাওয়া স্পর্শ বাপীকে ছেঁকে ধরছে! ফাঁক পেলেই গায়ে হাত দিত আর হামলা করত বলে ন-দশ বছরের এই মেয়ের মুখঝামটা আর তাই নিয়ে তার অনেক ঝাঁঝের কথাগুলো মগজে আছড়ে পড়ছে। ফাঁকা রাস্তা। স্পিডও বাড়ছেই। পাশে যে বসে আছে তাকে নিয়ে এর সহস্রগুণ বেগে সমস্ত বাধা-বন্ধনের ওধারে উধাও হয়ে যাবার তাড়না। একই সঙ্গে নিজেকে সংযত করার চেষ্টা। সবুর! রণেপ্রণয়ে নীতির ধার কেউ ধারে না। শেষ দেখবেই।

    চৌরঙ্গীর খানিক বাদে গাড়িটা বাঁয়ের রাস্তায় ঢুকে যেতে মিষ্টি সামান্য ঘুরে তাকালো।—এদিকে কোথায়?

    —আমার ফ্ল্যাটে।

    —তুমি হোটেলে নেই?

    —ছিলাম। এখন নেই। একবার দেখে যাও, তোমার খুব তাড়া নেই তো? অস্বস্তি বোধ করছে কিনা বোঝা গেল না। ছোট জবাব কানে এলো, না…। গেট দিয়ে ভিতরে ঢুকে গাড়িবারান্দার নিচে গাড়িটা দাঁড় করালো। সামনেই লিফট। দুজনে উঠল।

    বাপী চাবি লাগিয়ে সামনের মস্ত দরজাটা খুলে ডাকল, এসো—

    গালচে বিছানো মস্ত হল। দামী সোফা-সেটি পাতা। মিষ্টি ভিতরে ঢুকতে বাইরের দরজাটা টেনে দিল। বিকেলের আলোয় সবে টান ধরেছে। বাপী তবু সুইচ টিপে লাইট জ্বালল। এত বড় ফ্ল্যাটে এখন তৃতীয় আর কেউ নেই মিষ্টি সেটা বুঝেছে। তবু তার মুখে অস্বস্তি বা উদ্বেগের ছায়া চোখে পড়ছে না। না, বাপী শয়তানকে মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে দেবে না। ক্রূর লোভে ভিতরে কেউ আছাড়িপাছাড়ি করছে টের পাচ্ছে। তবু সবুর। এটা সময় নয়। সময় আসবে। আসতেই হবে।

    —বোসো।

    মিষ্টি বসল না। হলের চারদিক দেখে নিল। ফ্ল্যাটের মালিক বড় বড় দেয়ালে কিছু শৌখিন ছবি টাঙিয়েছে। শিথিল পায়ে এগিয়ে গিয়ে সেগুলিও দেখল। বাপী এগিয়ে এলো। বেডরুম দুটো, ডাইনিং স্পেস কিচেন বাথও দেখালো। তারপর আবার হলের সোফায় এসে বসল। তিন হাত দূরের সোফায় মিষ্টি।

    —মোটামুটি মন্দ নয়, কি বলো?

    মিষ্টি হাসছে।—তোমার এখন অঢেল টাকা, তাই তোমার কাছে মোটামুটি। সোফায় আরও একটু গা ছেড়ে দিয়ে বাপী জবাব দিল, অঢেল টাকা যে হবে সে তো তোমাকে অনেক বছর আগেই বলেছিলাম…সেই যে-বারে তুমি ভাবী বরকে ডেকে লেকে আমাকে অপমান করে তাড়ালে।

    মিষ্টি সোজাসুজি চেয়ে রইল খানিক। স্পষ্ট করেই বলল, অপমান করতে চাইনি, তোমাকে কিছু বোঝাতে চেয়েছিলাম। তুমি কোনদিন কিছু বোঝবার লোক নও।

    বাপী আবার সোজা হয়ে বসল। দু চোখ তার মুখের ওপর। সামান্য মাথা নাড়ল।—ঠিকই বলেছ—কো-নো দিন নয়।

    মিষ্টি তেমনি চেয়ে রইল। গলার ঠাণ্ডা অথচ বাড়তি জোরটুকু কান এড়াবার নয়। বাপী তক্ষুনি নিজের নাক-মুখ বেড়িয়ে কল্পিত চাবুক বসাল একটা। রণে বা প্রণয়ে কাউকে আগে থাকতে সতর্ক করাও রীতি নয়। চাবুকের ঘায়ে মুখে হাসি ছড়াল।—যাক, আমার বোঝাবুঝি নিয়ে তোমার আর কি মাথাব্যথা।

    মিষ্টিও হাসল।—মাথাব্যথা একটু আছে। সেই যেবারে তোমাকে অপমান করে তাড়ালাম বললে, তখন থেকে।…গেলবারে তোমাকে দেখে সেটা আরও বেড়েছিল। আমি খুব আশা করেছিলাম শেষ পর্যন্ত তোমার সেই মালিকের মেয়েই ঘরে আসবে আর তোমার পাগলামিও ছাড়বে।

    জমা বারুদের গায়ে আঁচ লাগছে। সেই আঁচ তফাতে রাখার চেষ্টায় বাপী নিঃশব্দে যুঝল খানিক। ভিতরের দৈন্যদশা বুঝতে বাকি নেই, মিষ্টি তা বেশ মিষ্টি করেই জানিয়ে দিল। ঠোটের ফাঁকে তির্যক হাসি ছড়িয়ে বাপী মোলায়েম সুরে জিগ্যেস করল, তা হল না বলে হতাশ হয়েছ?

    মাথা নেড়ে হাল্কা জোরের সঙ্গেই জবাব দিল, হবো না! সেই ছেলেবেলা থেকে তুমিই আমার হাড় জ্বালিয়েছ—আমি কবে না তোমার ভাল চেয়েছি?

    সুচারু ব্যক্তিত্বে আত্মস্থ হলেও এখন আপোসের দিক ধরেই সম্পর্কটা সহজ করে তোলার আগ্রহ স্পষ্ট। লুব্ধ দু চোখ পলকা কৌতুকে ঢেকে বাপী জিজ্ঞাসা করল, ভালো দেখছ না?

    —কি ভালো—মস্ত ব্যবসা অনেক টাকা বাড়ি গাড়ি?

    —আর কি চাই। একটা পয়সা ট্রামভাড়া বাড়ানো হয়েছে বলে কলকাতা রক্তে ভাসছে। যাক গে, তোমার মতে তাহলে আমার এখন কি করা উচিত?

    মিষ্টির দু চোখে হাসি ছুঁয়ে আছে, কিন্তু তরল নয় আদৌ। যা বলতে চায় তার সাদা অর্থ, যা হবার হয়েই যখন গেছে তার জের টেনে আর লাভ কি বাপু— সুস্থির হও, ভালো থাকো—আর কি চাই তা নিজেই বেশ জানো। বলল না। হাত উল্টে ঘড়ি দেখল।—এখন ওঠা উচিত।…ফ্ল্যাটে তো এখন পর্যন্ত লোকজন দেখলাম না, তোমার খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা কি?

    —যখন যেখানে যা জোটে।

    মিষ্টি তক্ষুনি হেসেই আমন্ত্রণ জানালো, তাহলে আমার ওখানেই চলো, এ রাতটার মতো কি জোটে দেখা যাক—

    রমণী-মুখের ওই কমনীয় ব্যক্তিত্বের উপর একটা আঁচড় বসানোর সুযোগ পেল বাপী। জবাব না দিয়ে মুখের দিকে চেয়ে মিটি-মিটি হাসতে লাগল।

    —কি হল?

    —লোভ হচ্ছে…সাহসে কুলোবে না!

    —কেন? আর একজনের মুখে তো তোমার প্রশংসা ধরে না এখন। কিছু বলার আগেই দুর্বল দিকটা আগলানোর চেষ্টা দেখে বাপীর মজা লাগছে। তার তাড়া নেই। টোপ আর একটু বসানো হোক। হৃষ্ট মন্তব্য করল, এখন আমার এই ভাগ্যটাও খুব ভালো, শুধু তোমার একজন কেন, দীপুদার সঙ্গে দেখা হলে তার মুখেও আমার খুব প্রশংসা শুনবে…কারণ দুজনের কাছেই আমি এখন একজন নিরীহ অথচ ধৈর্যশীল শ্রোতা।

    মিষ্টির ঠোঁটের হাসি মিলিয়ে যেতে লাগল। নিরীহ যে কত সেটা খুব ভালো জানে।…দাদার ছেলেবেলার আচরণের খোঁচা হলে দুজনকে টানত না। সতর্ক চাউনি তার মুখের ওপর স্থির কয়েক পলক। —দেখা হয়েছে, অনেক প্রশংসাও শুনেছি…কিন্তু হঠাৎ এ-কথা কেন, ড্রিংক করে এই একজন দাদার নামে যা-তা বলেছে বলে?

    বাপী একটু শব্দ করেই হেসে উঠল। —বলাবলির কথা ছাড়ো, এ ব্যাপারে দুজনা দুজনার ওপর সমান টান—একেবারে কর্ণার্জুনের টান যাকে বলে।

    ছাড়তে বললেও বলবলিটা যে একতরফা হয়নি সেইটুকুই বুঝিয়ে দিল। মিষ্টি বুঝল। সুন্দর মুখের এই ব্যক্তিত্ব কমনীয় হলেও একটু আগের মতো সরল নয়।—আমার ওখানে যেতে তোমার সাহসে কুলোচ্ছে না কেন…দাদা কি বলেছে?

    —তোমার ভদ্রলোকের কিছু রোগের কথা।…

    চাপা ঝাঁঝালো গলায় মিষ্টি জানতে চাইল, কি রোগ? জুয়া খেলে, নেশা করে?

    —দিল্লির অমন ভাল চাকরিটা নিতে পারলে না বলেও তোমার দাদা খুব দুঃখ করছিল।

    সব থেকে দুর্বল জায়গাটি ধরে নিঙড়ে দেওয়ার কাজ সারা। ফর্সা মুখে তপ্ত লালের আভাস ছড়িয়ে পড়েছে। অপলক দু চোখ বাপীর চোখে আটকে আছে। ঠোঁটের ফাঁকে ধারালো হাসির রেখা স্পষ্ট হতে থাকল। বলল, সবই বুঝলাম।…আমার মা বা দাদা কখন কোন্ রাস্তায় চলে ছেলেবেলা থেকে জেনেও তাদের কথায় তোমার এখন এত ভক্তিশ্রদ্ধা কেন সেটুকু শুধু বুঝলাম না।… যে সহজ কথাটা তাদের বুঝতে অসুবিধে তা নিয়ে আমি খুব মাথা ঘামাই না বা তাদের কিছু বলিও না। কিন্তু তুমি এমন এক ধৈর্যশীল শ্রোতা বলেই তোমাকে বলতে পারি। তারা শুধু রোগ দেখছে, কিন্তু তার জোরের আসল পুঁজিটুকু তাদের চোখে পড়ছে না। সেটা মিথ্যে হলে আর কাউকে কিছু বলতে হত না, আমি নিজেই ছেঁটে দিতাম। জোরের এই পুঁজিটুকুতে ভেজাল নেই বলেই রোগ বরদাস্ত করতে আমার খুব অসুবিধে হচ্ছে না এটুকু তুমি অন্তত জেনে রাখতে পার।

    ধীরে-সুস্থে কথাগুলো শেষ করে মিষ্টি আবার ঘড়ি দেখল। মুখ তুলে সোজাই তাকালো আবার। কঠিন আঁচড়টুকু ঠোঁটের ফাঁকে লেগে আছে এখনও। —এবারে উঠতে হচ্ছে।

    জবাবটা বাপীর মগজের মধ্যে কেটে কেটে বসতে লাগল। দুর্বলতায় মোচড় পড়া সত্ত্বেও যা বলল বাপীর বুঝতে একটুও সময় লাগল না। জোরের আসল পুঁজি বলতে তার ঘরের ওই একজনের ভালবাসার পুঁজি, ভালবাসার জোর। মিষ্টির ধারণা এতে কোন ভেজাল নেই। আর, এ সম্বল যতক্ষণ আছে, ততক্ষণ পর্যন্ত তার ওই রোগ বরদাস্ত করতেও অসুবিধে হবে না। অর্থাৎ ভালবাসা আছে বলেই অবস্থাগতিকে সেটুকু হারাবার ভয়ে এই আঁকড়ে ধরে থাকার রোগ।…এও বুঝিয়ে দিল, দাদা বা মা যা-ই বলুক, এ-জন্যে আর কারও প্রত্যাশারও কিছু নেই।

    সহজ সংযমের মুখোশ ধরে রাখার চেষ্টায় বাপীকে যুঝতে হচ্ছে এখনো। বুকের পাতালে ফুঁসছে কেউ। গজরাচ্ছে।…সামনের দরজা বন্ধ। ফ্ল্যাটে তৃতীয় কেউ নেই। ওটা শেকল ছেঁড়ার আগে বাপী উঠে পড়ল। লম্বা লম্বা পা ফেলে এগিয়ে গেল। ছিটকিনি টেনে দরজা দুটো খুলে দিয়ে ডাকল, এসো—

    লিফটে নিচে নামল পাশাপাশি গাড়িতে উঠে বসল। চার-পাঁচ মিনিটের মধ্যে গাড়ি আবার বড় রাস্তায় পড়ে বেগে ছুটল। গণ্ডগোলের দরুণ ফুটপাথে লোক চলাচল কম। ফাঁকা রাস্তা।

    মিষ্টি কোন কথা বলছে না। বাপীও চুপ। গাড়ি ছুটেছে। বাইরের ঠাণ্ডা হাওয়ায় তার মগজও থেমে নেই। মিষ্টির কথাগুলো হিসেব করছে। আর ওজন করছে। হিসেব করছে আর ওজন করছে আর নাকচ করছে।

    …ভালবাসার পুঁজি বাপী চেনে। তার জোর কত জানে। এই পুঁজি, এই জোরের ওপর তার চিরকালের দুর্বলতা। বনমায়ার মরদ হাতির কবলে পড়ে করতে বসেছিল, তবু ওই আহত পাগলা হাতিটার প্রতি অগাধ দরদ তার। ভালবাসার বুকে দাগ বসিয়েছিল বলে বনমায়ার এককালের মাহুত ভীম বাহাদুর চা-বাগানের লম্পট সাহেবের বুকে ছোরা বসিয়ে পালিয়েছিল—বাপী তখন মনে প্রাণে প্রার্থনা করেছে, ভীম বাহাদুর ধরা যেন না পড়ে। … ব্রুকলিন পিওন রতন বনিকের মুখে সেই ভালবাসার নির্ভরতা দেখেছিল—বাপী নিজেকে আজও ক্ষমা করতে পারে না।…নিজের বুকের তলায় এই পুঁজি পুষছিল বলেই প্রাণ বাঁচানো সত্ত্বেও রেশমাকে অত বড় আঘাত দিয়ে সেই চরম বিপর্যয়ের মুখ থেকে নিজেকে টেনে তুলতে পেরেছিল!…ভালবাসার নিঃশব্দ অথচ বিপুল স্রোত জঙ্গলের সাপধরা মানুষ হারমার মধ্যে দেখেছে। এই পুঁজি আর এই জোরের ওপর নির্ভর করে ঊর্মিলা বেঁচে গেল।…কোবরেজের ছেলে ছোট কবিরাজ নিশীথ সেনের মুখেও এই ভালবাসার ছোঁয়াটুকু দেখেছিল বলেই অনায়াসে তাকে এখানকার ম্যানেজারের চেয়ারে বসিয়ে দেবার কথা ভাবতে পেরেছিল। সেই ছোঁয়া মুছে গেছে জানা মাত্র তাকে মন থেকেই ছেঁটে দিতে দ্বিধা করেনি।

    …অসিত চ্যাটার্জির হাসিতে খুশিতে রাগে ক্ষোভে বা আচরণে এই পুঁজি। আর এই জোরের ছিটে-ফোঁটাও দেখতে পেলে বাপী সেটুকু অনুভব করত। বুঝতে পারত। নিজের বুকের ভিতরটা দুমড়ে মুচড়ে গেলেও জানতে বা চিনতে ভুল হত না।

    বাইরে ঠাণ্ডা হাওয়া। কিন্তু শিরায় শিরায় রক্তের তাপ বাড়ছে। মিষ্টির কথাগুলো একটা চ্যালেঞ্জের মতো মাথার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে আর যন্ত্রণা ছড়াচ্ছে।

    অপেক্ষাকৃত ঘন বসতির কাছাকাছি এসে পড়তে বাপী গাড়িটা হঠাৎ সামনের রাস্তার ডাইনের বাঁকে ঘুরিয়ে দিল। ওই রাস্তাটা ফাঁকা পাবে।…ঘোরার মুখে স্পিড এমনিতেই কমাতে হয়েছে। হঠাৎ রাস্তার ও-ধারে ল্যাম্প-পোস্টের দিকে চোখ যেতেই ব্রেকে চাপ পড়ল। বাপী বিমূঢ়, নিস্পন্দ হঠাৎ।

    ল্যাম্প-পোস্টের একটু তফাতে একটি মেয়ে দাঁড়িয়ে। গাড়িটা প্রায় থেমে যেতে সপ্রতিভ তৎপরতায় রাস্তায় নেমে দ্রুত কয়েক পা এগিয়ে এলো। তার পরেই আচমকা ইলেকট্রিক শক খাওয়ার মতো বিষম একটা ঝাঁকুনি খেয়ে মেয়েটা ছিটকে ঘুরে আবার ফুটপাথে উঠে সামনের অন্ধকারের দিকে হনহন করে হেঁটে চলল।

    সমস্ত ব্যাপারটা ঘটল পনের সেকেন্ডের মধ্যে। গাড়িটা এভাবে থামতে মিষ্টি প্রথম মুখ ঘুরিয়ে বাপীর দিকে তাকালো। তারপর তার হতচকিত দৃষ্টি অনুসরণ করে রাস্তার দিকে। মুখ দেখা গেল না, মেয়েটির ততক্ষণে ও-দিক ফিরে পালানোর তাড়া। কিন্তু মিষ্টির পাশের লোক গাড়ি চালানো ভুলে সেদিকে চেয়েই আছে।

    —কি ব্যাপার, মহিলাকে চেনো নাকি?

    গাড়ি আবার চলতে শুরু করল। বাপী মাথা নাড়ল। চেনে।

    —ওভাবে পালিয়ে গেল কেন…আমাকে দেখে?

    —হয়ত আমাকে দেখেই। তোমাকে দেখলে এগোতই না।

    যাকে চেনে তাকে দেখেই অমন ত্রস্তে পালিয়ে গেল শুনে মিষ্টি অবাকই একটু। বলল, কিছু না পেয়ে লিফটের আশায় দাঁড়িয়ে ছিল হয়ত, ডেকে তুলে নিলে না কেন?

    বাপীর দু চোখ সামনের দিকে। জবাব দিল, লিফটের জন্য দাঁড়িয়ে ছিল না।

    —তাহলে কি জন্য?

    —আমার জন্য…যে কোন একটি পুরুষের জন্য…।

    জবাবটা দিয়ে বাপী এবারে আড়চোখে তার মুখখানা লক্ষ্য করল। মিষ্টি স্তম্ভিত বিস্ময়ে তাকেই দেখছে। ওদের মনোহরপুকুরের বাড়ী বাপী চেনে না। সেই রাস্তায় এসে মিষ্টি একবার বাঁয়ে যেতে বলল একবার ডাইনে। তারপর আঙুল তুলে ছোট একটা একতলা দালান দেখিয়ে দিল।

    গাড়ি থামতে মিষ্টি একাই নামল। তারপর দ্বিধা কাটিয়ে জিজ্ঞাসা করল, আসবে না?

    —আজ না।

    বেগে গাড়ি চালিয়ে পাঁচ-সাত মিনিটের মধ্যে বাপী আবার সেই রাস্তায় চলে এলো। যেখানে তাকে দেখে এক মেয়ে ত্রস্ত হরিণীর মতো অন্ধকারে সেঁধিয়ে গেছে। বাপী আশপাশের রাস্তাগুলোতে চক্কর খেল খানিক। অন্ধকার ফুঁড়ে দেখতে চেষ্টা করল।

    নেই।

    মাস্টারমশাই ললিত ভড়ের মেয়ে কুমু। কুমকুম। কলকাতায় আসার বড় সাধ ছিল। আসতে পেরেছে।

    কিন্তু কলকাতায় আসার সাধ কেমন মিটেছে নিজের চোখে দেখেও বাপী তাকে খুঁজছে কেন? অস্ফুট একটা ইতর গালাগালে নিজেকে বিদ্ধ করে ফেরার রাস্তায় গাড়ি ছোটাল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসেই অজানার খোঁজে – আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
    Next Article মেয়েদের ব্রতকথা – আশুতোষ মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Our Picks

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }