Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সোনার হরিণ নেই – আশুতোষ মুখোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প1094 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সোনার হরিণ নেই – ২২

    বাইশ

    বাপীর কথা অক্ষরে অক্ষরে সত্যি প্রমাণ করে তিনরাতের মধ্যে রণজিৎ চালিহা বেত-খাওয়া কুকুরের মতো বানারজুলি থেকে হাওয়ায় মিলিয়ে গেল। বাপী যা বলে এসেছিল তারপর আর তার গায়ত্রী রাইয়ের সঙ্গে দেখা করারও মুখ ছিল না বা সাহস ছিল না। পাততাড়ি গুটিয়ে চলে যাবার খবরটা কানে আসতে গায়ত্রী রাই মুখে একটি কথাও বলেনি বা কোনো মন্তব্য করেনি। রাতে খাবার টেবিলে বসে কেবল টিপে-টিপে হেসেছে আর বাপীকে লক্ষ্য করেছে। দুষ্টু দামাল ছেলের কাণ্ড দেখা প্রসন্ন কমনীয় মিষ্টি-মিষ্টি হাসি।

    তাই দেখে ঊর্মিলার হঠাৎ হি-হি হাসি। হাসির চোটে বিষম খেয়ে নাকের জলে চোখের জলে একাকার। গায়ত্রী রাই ওকে ধমকে থামাতে চেষ্টা করে শেষে নিজেই আবার হেসে ফেলল।—এত হাসির কি হল তোর?

    জবাবে চোখেমুখে জল দেবার জন্য ঊর্মিলা বাথরুমের দিকে ছুটেছে। পরে একলা পেয়ে বাপীকে বলেছে, মা তোমাকে যেভাবে দেখছিল আর হাসছিল, তাইতে আমার সেই কথা মনে আসছিল।

    —কি কথা?

    চপল খুশিতে ঊর্মিলার রক্তবর্ণ মুখ তখনো।—তোমার বয়েস আর দশটা বছর বেশি হলে আর মায়ের দশ বছর কম হলে কি হত!

    বাপী ওকে সতর্ক করার একটা বড় সুযোগ ফসকালো। বলতে পারত, বয়েসের ফারাক যে-দুজনের একটুও আপত্তিকর নয়, মা যদি তাদের মধ্যে কিছু ঘটাতে চায়, তাহলে কি হবে?

    বলা গেল না। ওর মায়ের কোন উদ্দেশ্য পণ্ড করার জন্য এমন একটা ষড়যন্ত্রের জাল বিছিয়ে বসেছিল রণজিৎ চালিহা, এই মেয়ের মাথায় সেটা ঢোকেইনি। জানলে এই হাসিমুখ আমসি হয়ে যেত।

    চালিহা উধাও হবার তিন-চার দিনের মধ্যে তার আসামের ঠিকানায় গায়ত্রী রাইয়ের সই-করা রেজিষ্ট্রি চিঠি গেছে। টাইপ করা সেই চিঠির কপি বাপী দেখেছে। অল্প কথায় ঠাণ্ডা বিদায়। রাই অ্যান্ড রাই-এর সমস্ত দায়িত্বভার থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হল। এই সংস্থার সঙ্গে আর তার কোনরকম সংস্রব থাকল না।

    মহিলার পাকা কাজ। কাগজে কলমে চিফ একজিকিউটিভ এখন বাপী তরফদার—ভুটান সিকিম নেপাল বিহার মধ্যপ্রদেশ আর উত্তর বাংলার ছোট বড় সমস্ত ক্লায়েন্টের কাছে মহিলার স্বাক্ষরে রেজিষ্ট্রি ডাকে সেই ঘোষণাও তড়িঘড়ি পৌঁছে গেছে। আসামের মার্কেট হাতছাড়া হল বলে একটুও খেদ নেই তার। বিহার আর মধ্যপ্রদেশের সঙ্গে এবার ওয়েস্ট বেঙ্গলের মার্কেটও যাচাই করে আসার পরামর্শ দিয়েছে বাপীকে। সব কটা প্রভিন্স-এর জন্য তার অধীনে দেখে শুনে একজন করে রিজিয়ন্যাল ম্যানেজার নেবার কথা বলেছে। ওকে সকলের ওপরে রেখে ব্যবসাটা এবার ঢেলে সাজাবার ইচ্ছে তার।

    কিন্তু গায়ত্রী রাইয়ের মাথায় আরো কি আছে বাপীর কল্পনার মধ্যেও ছিল না। জানা গেল আরো আট-ন মাস বাদে। যে লোভে শুরু থেকে রণজিৎ চালিহার এত দিনের এত ছলা কলা কৌশল, না চাইতে বাপীর বরাতে ভাগ্যের সেই শিকেও ছিঁড়ল।

    রাই অ্যান্ড রাইয়ের সমস্ত ব্যবসার চার আনার অংশীদার বাপী তরফদার।

    ওকে নিয়েই মহিলা শিলিগুড়ির অ্যাটর্নি অফিসে হাজির একদিন। তখন পর্যন্ত বাপীর ধারণা নেই কি হতে যাচ্ছে। তাই বাধা দিয়ে বলেছিল, এই শরীরে এতটা পথ গাড়িতে যাওয়ার দরকার কি আপনার—কি করতে হবে আমাকে বলুন না?

    অবাধ্য হলে এখনো আগের মতই মেজাজ দেখাতে চেষ্টা করে গায়ত্রী রাই। জবাব না দিয়ে গটগট করে গাড়িতে গিয়ে উঠেছে। অ্যাটর্নির সঙ্গে কথাবার্তার সময় ওকে ডাকা হল না দেখে ধরে নিয়েছে ব্যক্তিগত ব্যাপার কিছু। তার দিন—কতক বাদে গায়ত্রী রাই বাংলোর আপিস ঘরে এসে চেয়ার টেনে মুখোমুখি বসল। সহজ সাদামাটা মুখ। হাতে অ্যাটর্নির তৈরি একটা খসড়া। বাপীর দিকে সেটা এগিয়ে দিয়ে বলল, পড়ে দেখো তো—

    সাধারণ কিছু ধরে নিয়েই বাপী চোখ বোলাতে শুরু করেছিল। তারপর চক্ষু স্থির। হকচকিয়ে গিয়ে খসড়াটা ফেলে তার দিকে তাকালো। মহিলার সাদা মুখ কমনীয় কৌতুকে ভরাট।

    এ কি কাণ্ড! এ আপনি কি করছেন!

    —কেন, তোমার আপত্তি আছে? হাসি-ছোঁয়া স্নেহ ঝরছে দু’চোখে। কিন্তু খুশির বদলে শুকনো মুখ দেখে অবাক একটু।

    বাপী বলল, তা না, মানে কত ভাবে কত তো দিচ্ছেন—এক্ষুনি এর দরকার কি!

    মুখের দিকে চুপচাপ খানিক চেয়ে থেকে মহিলা ওর অস্বস্তিটুকু লক্ষ্য করল। ঠাণ্ডা গলায় বলল, তোমার প্রাপ্য থেকে একটুও বেশি দেওয়া হয়নি বা হচ্ছে না। শরীরের যা হাল, আমার দিক থেকে কোনো কাজ ফেলে রাখার ইচ্ছে নেই।

    বাপীর গলা শুকিয়ে কাঠ। চুপচাপ খসড়াটা তার দিকে ঠেলে দিল শুধু।

    —ওটা অ্যাপ্রুভ করে পাঠালে দলিল হবে, আমি দেখেছি—ঠিকই আছে, তবু তুমি একবার দেখে নিতে পারো।

    —আমি আর কি দেখব। একটু ইতস্তত করে জিজ্ঞাসা করল, ডলি দেখেছে?

    —ওর অত সময় আছে না ধৈর্য আছে? আমার মুখে শুনেছে। সব দিক সামলে যে ভাবে এখন তুমি ব্যবসার হাল ধরে আছ, ওর মতে চার-আনার থেকে বেশিই দেওয়া উচিত। ঠোটের ফাঁকে আবার একটু হাসির রেখা স্পষ্ট হতে দেখা গেল।—আমি আরও ঢের বেশি দেবার জন্য তৈরি হয়েই আছি, কিন্তু নেবার জন্য তৈরি হতে পারছ না কেন? চোখ-কান বুজে এভাবেই বা দিন কাটাচ্ছ কেন?

    বাপীর কপাল ঘেমে উঠেছে। খসড়াটা হাতে করে মহিলা উঠে দাঁড়াতে প্রায় অনুনয়ের সুরে বলে উঠল, দলিল করার জন্য এক্ষুনি ওটা না পাঠালে ভালো হয়। এরকম বাধা আদৌ প্রত্যাশিত নয়। গায়ত্রী রাইয়ের দু-চোখ ওর মুখের ওপর স্থির খানিক।—কেন?

    বাপী চুপ। কি বলবে? কি বলতে পারে?

    কমনীয় মুখে কিছু সংশয়ের আঁচড় পড়তে থাকল। গলার স্বরও নীরস একটু।—মনে যা আছে খোলাখুলি বলো। দলিল করার জন্য এক্ষুনি এটা না পাঠালে ভালো হয় কেন?

    দায়ে পড়ে বাপী সত্যি জবাবই দিতে চেষ্টা করল। বলল, আপনি যা ভেবে রেখেছেন শেষ পর্যন্ত তা যদি না হয়, আপনারই খারাপ লাগবে। আপনি আমাকে অনেক দিয়েছেন, দিচ্ছেনও—পার্টনার ইচ্ছে করলে পরেও করে নিতে পারবেন।

    গায়ত্রী রাই ভিতর দেখছে ওর।—আমি যা ভেবে রেখেছি তার সঙ্গে তোমাকে চার-আনার পার্টনার করার কোনো সম্পর্ক নেই। কিন্তু এ-কথা কেন, আমার মেয়েকে তোমার পছন্দ নয়?

    বাপী আরো ফাঁপরে পড়ল। তাড়াতাড়ি জবাব দিল, ডলির মতো মেয়ে আমি কমই দেখেছি। কিন্তু বলার পরই মনে হল, এবারেও ভুল বুঝল মহিলা।

    অনুচ্চ গলার স্বর প্রায় কঠিন।— আমার মেয়ের যদি শেষ পর্যন্ত তোমাকে বাতিল করার মতো দুর্বুদ্ধি হয়, তাহলে তোমাকে আমার চার আনা ছেড়ে আট—আনার পার্টনার করে নেবার কথা ভাবতে হবে। ডলি আপত্তি করেছে বা তোমার সঙ্গে কোনো কথা হয়েছে?

    সত্যি অসহায় মূর্তি বাপীর। মাথা নাড়ল। ডলি আপত্তি করেনি বা কোনো কথা হয়নি।

    এত চৌকস ছেলে এ ব্যাপারে সত্যি এত ভীরু কিনা দেখছে মহিলা। এবারে গলার স্বর সদয় একটু।—আমি যতদূর বুঝেছি ডলি তোমাকে পছন্দ করে। কিন্তু তুমি প্রায় দুটো বছর এভাবে কাটিয়ে দিলে কেন, আমি কি চাই বুঝতে তোমার বাকি ছিল?

    দলিলের খসড়া হাতে চলে গেল। তার পরেও বাপী অনেকক্ষণ স্থাণুর মতো বসে।

    ঊর্মিলার ইদানীংকালের বেপরোয়া মেলামেশা তার মা লক্ষ্য করেনি এমন হতে পারে না। ঝর্ণা পাথরের ওপর আছড়ে পড়ে, কিন্তু নদীর দিকে গতি তার। সেই আছাড়ি-বিছাড়ির মতো বাপীর ওপর মেয়ের অমন সহজ আর নিঃসংকোচ হামলা দেখেই তার পছন্দ সম্পর্কে মায়ের এমন ধারণা। রাগ হলে বা ঝগড়া বাধলে মেয়ে তার সামনেই বাপীর কাঁধ ধরে বা দু-হাতে মাথার চুলের মুঠো ধরে ঝাঁকায়। গায়ত্রী রাই মেয়েকে বকা-ঝকা করে আর মেয়ে পাল্টা মুখঝামটা দেয়, বেশ করব, আমার সঙ্গে লাগতে আসে কেন!

    ঊর্মিলা এখন গাড়ি চালানোটা মোটামুটি রপ্ত করে ফেলেছে। অনায়াসে মায়ের অনুমতি আদায় করার ফলে বাপীই শিক্ষাগুরু। তার ওপর দিয়ে তখন আরো বেশি ধকল গেছে। শেখানোর সময় ঊর্মিলার হাতে স্টিয়ারিং, ব্রেক আর ক্লাচ স্বভাবতই বাপীর দখলে। ফলে স্টিয়ারিং-এর ওপর দখল আনতে হলে মেয়ের বাপীর গায়ের সঙ্গে লেপটে বসা ছাড়া উপায় কি? একটা পা, হাঁটু থেকে কোমরের একদিক, বুকের পাশের খানিকটা আর কাঁধের একদিকে বাপীর সঙ্গে এঁটে থাকবেই—কিন্তু মেয়ের সেদিকে ভ্রূক্ষেপ নেই। শেখার উত্তেজনায় সমস্ত মন স্টিয়ারিংয়ের দিকে। প্রথম দিনের মহড়ার পরেই উল্টে বাপীর মাথা ঝিমঝিম করেছিল। ঠেলে সরিয়ে দিয়ে বলেছে, আমার দ্বারা হবে না—বিয়ের পরে নিজের লোককে ধরে শিখো।

    অসুবিধেটা না বোঝার কথা নয় ঊর্মিলার। ওর শেখার তাড়া, কারণ বিজয় মেহেরা লিখেছে গাড়ি চালানো শিখে সে একটা সেকেন্ড-হ্যান্ড গাড়িও কিনে ফেলেছে। অতএব ঊর্মিলাও তাকে অবাক করে দেবেই—ছেলে ফিরে এসে দেখবে ড্রাইভিং-এ ওরও পাকা হাত। বাপীর আপত্তির হেতু বুঝে হাসি চেপে চোখ পাকিয়েছে।—ধরেছি যখন না শিখে ছাড়ব না—তোমার বদলে তাহলে ওই আধবুড়ো বাদশাই মজা লুটবে।

    পরদিন সকালে মায়ের সামনেই আবার হিড়হিড় করে গাড়িতে টেনে তুলেছে ওকে। তারপর তার চোখের আড়ালে গিয়ে ধমকেছে, মায়ের যখন আপত্তি হয়নি, তোমার অত সতীপনা কিসের মশাই? যার কাছে ড্রাইভিং শিখব, তার সঙ্গে জড়াজড়ি একটু হবেই মা জানে না? সঙ্গে সঙ্গে হাসি।—তুমি আমার ফ্রেন্ড আর আমি তোমার ফ্রেন্ড—ওই তকতকে নীল আকাশখানার মতো পরিষ্কার সম্পর্ক—শেখা হয়ে গেলে গুরুদক্ষিণা হিসেবে অনায়াসে একখানা চুমুও খেয়ে ফেলতে পারি।

    এরপর বাপীর আর অব্যাহতি কোথায়। কিছুদিন বাদে মেয়ের হাত কিছুটা রপ্ত হতে বাপীই একটু সরে বসতে পেরে বেঁচেছে। কিন্তু এক সহজ বিশ্বাসে মেয়েটার এই বেপরোয়া মেলামেশা সত্যি যে আশ্চর্যরকম পরিষ্কার, তা অনুভব না করে পারেনি।

    এভাবে আর খুব বেশি দিন কাটবে না জানত। জেনেও অসহায়। অনেক দিন থেকে মা আর মেয়ের বিপরীত প্রত্যাশা আর তাগিদ স্পষ্ট হয়ে উঠছিল। ভাবসাব মেলামেশা দেখে গায়ত্রী রাই আশা করছে মেয়ের মনের জগৎ থেকে সেই অবাঞ্ছিত পাঞ্জাবী ছেলেটা মুছে গেছে। সে জায়গায় এই ছেলে জুড়ে বসেছে। কিন্তু আশাই করছিল শুধু, নিশ্চিত হতে পারছিল না। শরীর মোটে ভালো যাচ্ছে না। মুখ ফুটে স্বীকার না করলেও দিনকে দিন দুর্বল হয়ে পড়ছে। তাড়াতাড়ি বিয়েটা হয়ে গেলে সব দিক থেকে নিশ্চিন্ত। কিন্তু দিন একে একে কেটেই যাচ্ছে, ওদের দুজনারই হাতে যেন অঢেল সময়। কারো তাড়া নেই দেখেই মহিলা মাঝে মাঝে অসহিষ্ণু হয়ে উঠছিল, বাপী তাও টের পেত। অন্যদিকে মাকে সামলাবার বা বোঝাবার সব দায় ফ্রেন্ড-এর কাঁধে চাপিয়ে দিয়ে ঊর্মিলাও দিন গুনছে। কিন্তু মনের মানুষের ফেরার সময় এগিয়ে আসছে অথচ ফ্রেন্ড-এর তেমন মাথাব্যথা নেই। বিয়ের ব্যাপারে মায়ের দিক থেকেও স্পষ্ট কিছু তাগিদ নেই দেখেও ভিতরে ভিতরে অস্বস্তি। যে ছেলে কাছে নেই, সে একেবারেই দূরে সরে গেছে ধরে নিয়ে নিশ্চিন্ত কিনা কে জানে! তাহলে তো চিত্তির। ঘুরেফিরে তাই বাপীর ওপরেই ক্ষোভ ঊর্মিলার। এতগুলো দিন কেটে গেল, এখনো কেন মাকে বোঝাতে পারল না—মায়ের মন ফেরাতে পারল না। এত পারে আর এটুকু পারে না? এদিকে তো মায়ের চোখের মণিটি হয়ে বসে আছে একেবারে!

    বাইরের দিক থেকে দেখলে প্রতিটি দিন বাপীর অনুকূলে গড়িয়ে চলেছে সেটা মিথ্যে নয়। না চাইতে গায়ত্রী রাই তার দু-হাত ভরে দিচ্ছে। সম্মান আর প্রতিপত্তি বেড়েই চলেছে। চিফ একজিকিউটিভ হিসাবে মাসের মাইনে দ্বিগুণ। তবু ও-টাকা টাকাই নয়। যাতে হাত দেয় তাই সোনা, তাই টাকা। টাকাই এখন বাপীর পিছনে ধাওয়া করে চলেছে। মাইনের টাকা, কমিশনের টাকা, পার্টনারশিপের ভাগের টাকা। গায়ত্রী রাইয়ের চোখের মণি হয়ে ভাগ্যের বিপুল জোয়ারেই ভাসছে বটে বাপী তরফদার।

    এরই মধ্যে যে আশঙ্কা দুঃস্বপ্নের মতো বাপীর বুকে চেপে বসে আছে ঊর্মিলা তার খবর রাখে না। পরের কটা মাসের মধ্যে গায়ত্রী রাই আর একটা কথাও বলেনি। কিন্তু মুখের দিকে তাকালেই বোঝা যায় তার প্রতিটি দিন কিছু প্রতীক্ষার মধ্য দিয়ে কাটছে। ওর ওপর নির্ভর করে কখনো ঠকতে হয়নি বলেই এখনো স্থির বিশ্বাসে মহিলা সেই নির্ভরতার মর্যাদা দিয়ে চলেছে।

    কিন্তু প্রতীক্ষারও শেষ আছেই।

    এক সন্ধ্যায় ঊর্মিলা তার ঘরে হাজির। গনগনে মুখে সিঁদুরে মেঘ। এক ঝাপটায় বাপীর হাতের বই পাঁচহাত দূর মাটিতে ছিটকে পড়ল।

    —সব তোমার জন্য বুঝলে? তুমি যতো নষ্টের গোড়া!

    এরকম হামলা বা এই গোছের সম্ভাষণ নতুন কিছু নয়। শোয়া থেকে উঠে বসল।—কি ব্যাপার?

    রাগের ফাটলে নাচার হাসির জেল্লা।—অমন চালাক মা বোকার মতো কি আশায় এতদিন ধরে এমন ভালোমানুষটি হয়ে ঠাণ্ডা মেরে আছে তুমি জানো?

    বাপীর ভিতর নাড়াচাড়া পড়ল একপ্রস্থ—তুমি কি জেনেছ তাই বলো।

    জবাব না দিয়ে ঊর্মিলা আবার জিগ্যেস করল, চিকিৎসার জন্য মাকে তুমি বিদেশে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছ?

    —হ্যাঁ, একজন স্পেশালিস্টের সঙ্গে পরামর্শ করেছিলাম, তাঁর মতে নিয়ে যেতে পারলে ভালই হয়।…কেন?

    —একটু আগে মা সেই কথা বলতে আমি তক্ষুনি সায় দিলাম। তার উত্তরে মা কি বলল জানো? বলল, আমার বিয়ের পরে যাবে। তারপরেই জিগ্যেস করল, তোদের বিয়েটা হচ্ছে কবে আগে আমাকে সোজাসুজি বল্।

    বাপীর বুক দুরুদুরু। তারপর?

    —আমি হাঁ। কার সঙ্গে বিয়ে? শুনে মা রেগেই গেল। পরে বুঝলাম তার ধারণা আমার প্রেমে তুমি হাবুডুবু খাচ্ছ একেবারে। ধমকে বলল, এমন ভালো একটা ছেলে, সেই কবে থেকে তোর মুখ চেয়ে বসে আছে আর তুই কেবল ধিঙ্গিপনা করে বেড়াচ্ছিস। ছেলেটাকে তোরও এত পছন্দ যখন মিছিমিছি দেরি করিস কেন—আমার শরীরের হাল দেখছিস না? বোঝো কাণ্ড, মা কিনা শেষে এই ভেবে বসে আছে! তোমাকে আমি বিয়ে করতে পারি মায়ের এ ধারণা হল কি করে?

    বাপীরও ওর মতো সহজ হবার চেষ্টা। উনি যাকে এত কাছে টেনে নিয়েছেন, তাকে তুমি এমন অমানুষ ভাবো তিনি জানবেন কি করে?

    —ধ্যেৎ! তুমি একটা যাচ্ছেতাই। তুমি আমার ফ্রেন্ড। সেই হিসেবে তোমাকে আমি দারুণ ভালবাসি। মা সেটাই দেখেছে কিন্তু বোঝেনি।

    —তুমি আজ বুঝিয়ে দিলে না কেন?

    —হুঁঃ, ধড়ফড়ানির চোটে পালিয়ে বাঁচলাম। সঙ্গে সঙ্গে মেজাজ চড়ল।— আমি বোঝাতে যাব কেন—দু’ বছর ধরে তুমি কি করলে? নাকি মায়ের মন বুঝে তলায় তলায় তাতেই সায় দেবার ইচ্ছে?

    এবারে বাপী নির্লিপ্ত। গম্ভীরও।— নিজেকে নিয়ে বিভোর হয়ে না থাকলে মায়ের মন আমার থেকে তুমি ঢের আগেই বুঝতে পারতে।

    ঊর্মিলার চোখে-মুখে সংশয়ের ছায়া।—তার মানে মা কি ভাবছে তুমি আগেই জানতে?

    —তোমার মা ভাবাভাবির মধ্যে নেই। দু’ বছর ধরে তিনি নিজে যা চেয়েছেন তাই তোমাকে বলেছেন।

    সোজা চেয়ে থেকে ঊর্মিলা সেই একই প্রশ্ন করল, তুমি তাহলে জানতে মা এই চায়?

    —শুধু আমি কেন, অনেকে জানত। এত বড় একটা বিভ্রাটের পরেও তুমিই শুধু কিচ্ছু তলিয়ে দেখলে না বা ভাবলে না।

    ঊর্মিলা এবারে বিমূঢ় খানিক। উতলাও।—কোন্ বিভ্রাটের পরেও আমি কিছু তলিয়ে দেখলাম না, ভাবলাম না? মা কি চায় সেটা তুমি ছাড়া আর কে জানত?

    —রণজিৎ চালিহা জানত। রেশমা জানত। আবু রব্বানী জানত। তার বউ দুলারি জানত। তোমার মা এই চান জেনেই রণজিৎ চালিহার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল। তোমার মায়ের কাছে তাই আমার এ-মুখ বরাবরকার মতো পুড়িয়ে দেবার জন্য টাকা ঢেলে রেশমাকে সে অমন কুৎসিত ষড়যন্ত্রের মধ্যে টেনে নামাতে চেয়েছিল। এখন বুঝতে পারছ?

    ঊর্মিলা হতভম্ব। চোখে পলক পড়ছে না।—কিন্তু সকলে তো জানে আংকল ইজ্জত খেয়েছে বলে রেশমা অমন ভয়ংকর প্রায়শ্চিত্ত করে তাকে আক্কেল দিয়ে গেল!

    ঠাণ্ডা মুখে বাপী জবাব দিল, অত সহজে ইজ্জত খোয়াবার মতো ঠুনকো মেয়ে নয় রেশমা। আমার ওপর আক্রোশে তার মাথার ঠিক ছিল না। সেই আক্রোশে চালিহার সঙ্গে হাত মিলিয়ে তোমার মায়ের কাছে সেও আমার মুখ পুড়িয়েই দিতে চেয়েছিল। পরে অনুশোচনায় জ্বলেপুড়ে ঠাণ্ডা মাথায় ওই কাজ করেছে।

    এক বছর পরে হলেও চোখের সামনে থেকে একটা হেঁয়ালির পর্দা সরেছে ঊর্মিলার। অস্ফুট বিস্ময়।—ওঃ! সেই জন্যেই সেই দিন নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে দুলারি তোমাকে ওই সব কথা বলেছিল!

    বাপী নিরুত্তরে অন্যদিকে চেয়ে রইল।

    পরের মুহূর্তে ঊর্মিলা আবার অসহিষ্ণু।—কিন্তু আমাকে তুমি কিচ্ছু বুঝতে দাওনি কেন? মায়ের মতলব জেনেও এতদিন তুমি চুপ করে ছিলে কেন?

    —তাতে অশান্তি বাড়ত, মায়ের শরীর খারাপ হতো।

    পায়ের নিচে থেকে নতুন করে আবার যেন মাটি সরছে ঊর্মিলার। অবুঝ ঝাঁঝালো গলায় বলে উঠল, অশান্তি কমবে? মায়ের শরীর ভালো হবে? সব জেনে-বুঝেও কেন তুমি এতদিন ধরে তাকে এমন একটা অসম্ভব ইচ্ছে আঁকড়ে ধরে থাকতে দিলে?

    নিরুপায় বলেই সঙ্গে সঙ্গে বাপীও তেতেই উঠল।—তোমার কি ধারণা? কেন দিলাম?

    মেয়েটা থতমত খেল একপ্রস্থ। অবিশ্বাসের এক আচমকা যন্ত্রণা ভিতর থেকে ঠেলে উঠেছিল ঠিকই। ধমক খেয়ে ঠাণ্ডা। কিছু হাল্কাও। কিন্তু গোঁ ছাড়ার মেয়ে নয়। সমান মেজাজে জবাব দিল, আমার ধারণা তুমি একটা ভীতুর ডিম—তুমি একটা ওয়ার্থলেস। বিপদ জেনেও উটের মতো বালিতে মুখ গুঁজে পড়ে আছ, এদিকে তোমার ওপর নির্ভর করে আমি নিশ্চিন্ত হয়ে বসে আছি।

    নিস্পৃহ মুখে বাপী বলল, তোমার মা-ও এখন ঠিক এই কারণে আমার ওপর বিরক্ত, দু’বছর ধরে তিনিও আমার ওপর নির্ভর করে নিশ্চিন্ত হয়ে বসে আছেন। এজন্য অনুযোগও করেছেন—

    ফ্রেন্ডকে অবিশ্বাস করে না, করতে চায় না। কিন্তু ফের একথা শোনার পর চোখে সংশয়ের ছায়া দুলছেই একটু। মায়ের জন্যেই এ-ছেলের বেশি দরদ, বেশি দুর্ভাবনা।

    —মা কি বলেছে?

    —বলেছেন ব্যবসার চার-আনার অংশ ছেড়ে তিনি আরো ঢের বেশি দেবার জন্য তৈরি হয়ে বসে আছেন—আমি নেবার জন্য তৈরি হতে পারছি না কেন, সব জেনেও কেন চোখ-কান বুজে এভাবে দিন কাটাচ্ছি।

    ঊর্মিলা চেয়ে আছে। এই লোকেরও ভিতর বোঝার দায় এখন। তাই নিজেকে সংযমে বাঁধাঁর চেষ্টা।—এতটা শোনার পরেও মাকে তুমি কিছু বললে না? কিছু আভাস দিলে না?

    —দিয়েছিলাম। সেই জন্যেই পার্টনার হতে আপত্তি করেছিলাম। তাইতে তিনি রেগে গিয়ে বলেছিলেন, তাঁর মেয়ের যদি শেষ পর্যন্ত আমাকে বাতিল করার মতো দুর্বুদ্ধি হয়, তাহলে চার আনা ছেড়ে আট-আনার পার্টনার করে নেবার কথা ভাবতে হবে।

    চেষ্টা করেও গলার স্বর খুব সংযত রাখা গেল না এবার।—আট-আনা ছেড়ে ষোলো-আনাই দিক না, কে তাকে ধরে রেখেছে?

    বাপীর জবাবও এবারে প্রায় নির্মমগোছের ঠাণ্ডা।—তাও দিতে পারেন। শরীরের হাল তো ভালো নয়, তবে তাঁর ষোলো-আনাটা তোমাকে বাদ দিয়ে নয়। ঊর্মিলার ঝকঝকে দু-চোখ বাপীর মুখের ওপর নড়ে-চড়ে স্থির আবার। গলার স্বরে তপ্ত ব্যঙ্গ।—তাহলে?

    —তাহলে ঘরে গিয়ে এবারে মাথা ঠাণ্ডা করে ভাবোগে যাও। তোমার মা আমার কাছে কতখানি সেটা তোমার বুঝতে অসুবিধে হচ্ছে বলেই আমার সমস্যাটা দেখছ না—লোভের কলে পা দিলাম কিনা ভাবছ। তোমার মা হয়তো বেইমান নেমকহারাম ভাববেন আমাকে, তবু বরাবরকার মতো আমি এখান থেকে চলে গেলে তোমার সুবিধে হবে? নিশ্চিন্ত হতে পারবে?

    ঊর্মিলা হকচকিয়ে গেল। গালে যেন ঠাস্ করে চড় পড়ল একটা। আর একই সঙ্গে ওকে যেন একটা দম-বন্ধ করা শূন্যতার গহ্বরে ঠেলে দেওয়া হল। …ও নেই, বাপী নেই—মা একা। এ-চিত্র আর ভাবাই যায় না। ফলে চিরাচরিত রাগত মুখ।—আমি তোমাকে তাই বলেছি?

    —বলেছ। সব কথা মুখে বলার দরকার হয় না।—সমস্যা দুজনেরই এক এটুকু জেনে মাথা এখনই সব থেকে ঠাণ্ডা রাখা দরকার। বুঝলে?

    পরের দিন-কতকের মধ্যে ঊর্মিলা মুখে আর কিছু বলল না বটে, কিন্তু মাথা যে খুব ঠাণ্ডা নেই, তাও স্পষ্ট। এতটা জানা আর বোঝার পরে ঘাবড়েছে বেশ। নিজের মা-টি কত শক্ত মেয়ে বিলক্ষণ জানে। কিন্তু বাপীকে তার থেকেও জোরালো ছেলে ধরে নিয়ে নিশ্চিন্ত ছিল। এখন ভয় মা-ই না উল্টে এই ছেলেকে ঘায়েল করে। তার মতি-গতি বদলে দেয়। দিলেও ওর নাগাল কেউ পাবে না বটে, কিন্তু এমন সংকটের মধ্যে কে পড়তে চায়। এই ছেলের প্রতি মায়ের এতটুকু টান দেখলে ভিতরে ভিতরে তেতে ওঠে এখন।

    ওর মনের অবস্থাটা বাপী আঁচ করতে পারে।

    কিন্তু বন্ধুকে আগের মতো মনে-প্রাণে বিশ্বাস করতেই চায় ঊর্মিলা। ভিতরে ভিতরে বিশ্বাস যে ভেঙেছে তাও নয়। তবু এরই মধ্যে সব সংশয় আর অস্থিরতা কাটিয়ে ওঠার মতোই কিছু চোখে পড়ল ঊর্মিলার।

    নাকের ডগায় চশমা এঁটে মা কি-সব দরকারী কাগজপত্র দেখছিল। ব্রেকফাস্ট টেবিলে বসে বাপী তখনো খবরের কাগজ পড়ছিল। হঠাৎ এক জায়গায় বাপীর দু’চোখ আটকে গেল। ঊর্মিলা তারপর সেই আর একবারের মতোই স্থান-কাল ভুলে কাগজের খবরের ওপর ঝুঁকে পড়তে দেখল তাকে। চোখ দিয়ে পড়ছে না, মন দিয়ে স্নায়ু দিয়ে সত্তা দিয়ে পড়ার মতো কিছু খবর যেন কাগজে আছে।

    ঊর্মিলা লক্ষ্য করছে। সেই একবার কলকাতায় প্লেগের খবর পড়ে যে-রকম বিবর্ণ মুখ দেখেছিল সে-রকম নয়। কিন্তু আত্মহারা মনোযোগটুকু সেই গোছের। খবরের কাগজ খুলেই এই ছেলে প্রথমে কলকাতার খবর খোঁজে, ঊর্মিলা তাও খেয়াল করেছে। ওর এখনো বদ্ধ ধারণা, ছেলেবেলার সঙ্গিনী এক মেয়ে তার মন জুড়ে আছে যার নাম মিষ্টি। সেবারে তো বলেই বসেছিল, কলকাতার প্লেগের খবর পড়ে মূর্ছা যেতে বসেছিলে কার ভাবনায় মশাই? আজও এই মুখ আর এই একাগ্র উন্মুখ মনোযোগ দেখেই ধরে নিল, সেই এক মেয়েকে মনে পড়ার মতো কাগজে খবর আছে কিছু।

    নিঃশব্দে উঠে পিছনে এসে দাঁড়াল। ঠিক কোন্ খবরটার ওপর চোখ আটকে আছে ঠাওর করা গেল না। কিন্তু কোন্ জায়গাটা পড়ছে মোটামুটি আন্দাজ করা গেল।

    একটু বাদে কাগজ রেখে বাপী আপিস ঘরে চলে এলো। নিজের তখনকার চেহারা আয়নায় দেখেনি। কিন্তু ঊর্মিলা দেখেছে।

    দশ মিনিটের মধ্যে নবাব-নন্দিনীর মতো দু’হাত পিছনে করে ঊর্মিলা হাজির। গম্ভীর বটে, কিন্তু মুখ থেকে মেঘের পরদা সরে গেছে।

    কলকাতার মিষ্টি নামে কোনো মেয়ে দু’বছর আগে বি-এ পাশ করেছিল? হকচকিয়ে গিয়ে বাপী ওর দিকে চেয়ে রইল।

    ঊর্মিলা জবাব যেন পেয়েই গেছে। আবার প্রশ্ন।—এবার তাহলে তার এম—এ পাশ করার কথা?

    বাপী বোকার মতোই জিজ্ঞাসা করল, তুমি জানলে কি করে?

    —তোমার মুখ দেখে। পিছনের হাত সামনে এলো। হাতে ভাঁজ করা খবরের কাগজ। ওটা সামনে ধরল। কলকাতা য়ুনিভার্সিটির এম-এ পরীক্ষার ফল বেরুনোর খবরটার চার পাশে লাল দাগ। বলল, মুখে রক্ত তুলে এমন দিশেহারা

    হয়ে পড়ার মতো আর কোনো খবর এ-জায়গায় দেখলাম না। তাই মনে হল, এটাই তোমার কাছে দুনিয়ার সেরা খবর।

    ঊর্মিলা হাসছে। আগের মতো তাজা হাসি।

    বাপী দেখছে। এই মেয়ে এখন নিজের আর ওর সমস্যাটা এক জেনে নিশ্চিন্ত হতে পেরেছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসেই অজানার খোঁজে – আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
    Next Article মেয়েদের ব্রতকথা – আশুতোষ মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Our Picks

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }