Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হিন্দুআইন (দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা) – বিভূতিভূষণ মিত্র

    বিভূতিভূষণ মিত্র এক পাতা গল্প160 Mins Read0
    ⤶

    ১১. পরিশিষ্ট – মিতাক্ষরা

    পরিশিষ্ট – মিতাক্ষরা

    এই গ্রন্থের উপক্ৰমণিকায় লিখিত হইয়াছে যে বঙ্গদেশে দায়ভাগের নিয়মই প্রচলিত। কিন্তু এই প্রদেশে এমন বহুব্যক্তি বাস করেন যাহার পূৰ্ব্বে বিহার বা পশ্চিমবাসী ছিলেন, এখন বঙ্গদেশে বহুপুরুষাবধি বাস করিয়া বাঙ্গালীভাবাপন্ন, এমন কি বাঙ্গালীরই মধ্যে পরিগণিত হইয়াছেন, কিন্তু তাহারা তাহদের পূর্বতন রীতিনীতি পরিত্যাগ করেন নাই। তাহারা এখনও মিতাক্ষরা কর্তৃক অনুশাসিত। তাঁহাদের অবগতির জন্য মিতাক্ষরার বিধিগুলি এই পরিশিষ্টে লিখিত হইল।

    দত্তক গ্রহণ, বিবাহ, নাবালক ও অভিভাবক, উইল, স্ত্রীলোকের স্বত্ব, ভরণপোষণ ও ধৰ্ম্মার্থে সম্পত্তি দান—এই কয়ট বিষয়ে মিত্তাক্ষরা ও দায় ভাগে কোন প্রভেদ নাই। কেবল এজমালী সম্পত্তি, বিভাগ, ঋণ পরিশোধ, উত্তরাধিকার, সম্পত্তি হস্তাস্তুর, স্ত্রীধনের উত্তরাধিকার, এই বিষয়গুলি সম্বন্ধে মিতাক্ষরার বিধানগুলি দায়ভাগ হইতে সম্পূর্ণ বিভিন্ন। এই গুলি নিম্নে লিপিবদ্ধ হইল।

    এজমালী সম্পত্তি

    কোন ব্যক্তি এবং তাহার নিয়তন তিন পুরুষ একত্রে এজমালী রূপে সম্পত্তির অধিকারী হন। দায়ভাগ অনুসারে যেমন পিতা জীবিত থাকিতে পুত্রের কোন অধিকারই নাই, মিতাক্ষধার নিয়ম সেরূপ নহে; মিতাক্ষরা অনুসারে, কোন ব্যক্তি তাহার পুত্র, পৌত্র এবং প্রপৌত্র সহ একসঙ্গে সম্পত্তি ভোগ দখল করিয়া থাকেন। মিত্তাক্ষরার মূল সূত্র এই –“ভূধা পিতামহোপাত্ত নিবন্ধে দ্রব্যমেব বা। তত্ৰ স্ত্যং সদৃশং স্বাম্যং পিতুঃ পুত্রস্ত চোভয়েঃ” অর্থাৎ যে স্থাবর সম্পত্তি বা অস্থাবর দ্রব্য পিতামহ কর্তৃক অজিত হইয়াছে, তাহাতে পিতা এবং পুত্র উভয়ের তুল্যরূপ অধিকার হইবে।

    এজমালী সম্পত্তিতে কাহারও কোন নির্দিষ্ট অংশ নাই৷ এজমালী পরিবারের মেম্বরগণের জন্ম ও মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে ক্রমাগতই সকলের অংশের পরিমাণের হ্রাসবুদ্ধি হইয়া থাকে। যে সময়ে বিভাগ হয়, সেই সময়কার অবস্থা দেখিয়া অংশ নির্ণয় করিতে হইবে। কেবল এইটুকু বলা যাইতে পারে যে পিতা এবং তাহার পুত্ৰগণ তুল (২শে অধিকারী হইয়া থাকে। নিম্নলিখিত উদাহরণ দ্বারা বিষয়টী বুঝিতে পাড়া যাইবে :–

    • আনন্দ
      • বলরাম
      • চন্দ্র
      • দীনেশ

    আনন্দ এবং তাঁহার তিন পুত্র বলরাম, চন্দ্র ও দীনেশ আছে, আর কেহ নাই; এরূপ ক্ষেত্রে বিভাগ হইবার সময়ে সম্পত্তি চারিভাগে বিভক্ত হইবে, এবং প্রত্যেকে একচতুর্থাংশ পাইবেন। যদি চন্দ্রের মৃত্যু হয়, এবং তাহার পর সম্পত্তির বিভাগ হয়, তাহা হইলে আনন্দ, বলরাম ও দীনেশ প্রত্যেকে এক তৃতীয়াংশ পাইবে। যদি আনন্দের আর একটী পুত্র ঈশান জন্মগ্রহণ করে, এবং পরে সম্পত্তির বিভাগ হয়, তাহা হইলে আনন্দ এক তাহার চারি পুত্র, এই পাঁচজনের প্রত্যেকেই এক পঞ্চমাংশ পাইবেন।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বইয়ের
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    Books
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা কমিকস
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    অনলাইন বুক

     

    পৌত্র প্রপৌত্রাদি থাকিলে বিষয়টা আরও জটিল হয় তাহা নিম্ন উদাহরণ দ্বারা বুঝান যাইতেছে —

    • আনন্দ
      • বলোরাম
        • দীনেশ
        • ঈশান
          • গণেশ
            • হরেন্দ্র
          • ফণী
        • চন্দ্র

    যদি শুধু আনন্দ, বলরাম এবং চন্দ্র থাকে, তাহা হইলে বিভাগের সময়ে তিনজনের প্রত্যেকে এক তৃতীয়াংশ পাইবে। যদি চন্দ্র অপুত্ৰক অবস্থায় পরলোক গমন করে, এবং শুধু আনন্দ ও বলরাম থাকে, আর কেহ না থাকে, তাহা হইলে বিভাগের সময়ে আনন্দ অৰ্দ্ধাংশ এবং বলরাম অৰ্দ্ধাংশ পাইবে। যদি আনন্দ, চন্দ্র, দীনেশ, ঈশান ও ফণী থাকে এবং বলরামের মৃত্যু হইয়া থাকে, তাহা হইলে বিভাগের সময়ে আনন্দ ১/৩ অংশ, চন্দ্র ১/৩ অংশ পাইবে এবং দীনেশ, ঈশান ও ফণী এই তিনজন তাহাদের পিতার ১/৩ অংশ তুল্যরূপে পাইবে, অর্থাৎ প্রত্যেকে ১/৯ অংশ পাইবে। যদি বিভাগের পূৰ্ব্বে ঈশানের মৃত্যু হইয়া থাকে, তাহা হইলে দীনেশ ১/৬, এবং ফণী ১/৬ অংশ পাইবে। যদি আনন্দের জীবিতকালে বলরাম, ঈশান এবং গণেশ মরিয়া গিয়া থাকে, এবং আনন্দ, চন্দ্র, দীনেশ, ফণী এবং হরেন্দ্র থাকে, তাহা হইলে হরেন্দ্র কিছুই পাইবে না, কারণ আনন্দ এবং তাহার নিম্নতম তিনপুরুষ (প্রপৌত্র) পৰ্য্যন্ত এজমালী পরিবারের সম্পত্তির অংশী হইবে, হরেন্দ্র আনন্দের বৃদ্ধ প্রপৌত্র, সুতরাং আনন্দের জীবিতকালে সে এজমালী সম্পত্তিতে অধিকারী হইবে না; আনন্দ এক তৃতীয়াংশ, চন্দ্র এক তৃতীয়াংশ, দীনেশ এক-ষষ্ঠাংশ, এবং ফণী এক ষষ্ঠাংশ পাইবে।

     

    আরও দেখুন
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা সাহিত্য
    বইয়ের
    Library
    বাংলা কবিতা
    বাংলা কমিকস
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা ভাষা
    বইয়ের

     

    উপরিলিখিত উদাহরণগুলি হইতে বুঝা যাইবে যে দায়ভাগ অনুসারে যেমন সম্পত্তির মালিকের মৃত্যুতে তাঁহার পুত্ৰগণ “উত্তরাধিকারী” হইয়া থাকে, মিতাক্ষরা আইনমতে পৈতৃকসম্পত্তি সম্বন্ধে সেরূপ উত্তরাধিকারেব (inheritance) নিয়ম নাই; একজনের মৃত্যুতে তাহার সম্পত্তি কোন উত্তরাধিকারে অশায় না, তাহার অংশটা অপর জীবিত ব্যক্তিগণের অংশের মধ্যে চলিয়া যুায়। যথা, আনন্দ এবং তাহার পুত্র বলরাম ও চন্দ্র থাকিলে, সম্পত্তিতে তিনজনের প্রত্যেকের এক তৃতীয়াংশ থাকে; তাহার পর আনন্দের মৃত্যু হইলে, বলরাম ও চন্দ্র প্রত্যেকে সম্পত্তির অৰ্দ্ধাংশ পাইবে; কিন্তু এস্থলে এইরূপ বলা যাইবে না যে আনন্দের মৃত্যুতে বলরাম এবং চন্দ্র তাহার সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারী হইলেন; এস্থলে বলা হইবে যে আনন্দের মৃত্যুতে তাহার অংশটা তাহার দুই পুত্রের মধ্যে চলিয়া গেল।

    মিতাক্ষরা মতে পৈতৃক ও স্বোপাজ্জিত এই দুই প্রকার সম্পত্তি হয়; এবং এই দুই প্রকার সম্পত্তিতে বিশেষ প্রভেদ আছে। উপরে যে নিয়ম গুলি উদাহরণ দ্বারা বুঝান গেল, তাহা পৈতৃক সম্পত্তি সম্বন্ধে, স্বোপাজিত সম্পত্তি সম্বন্ধে নহে। অর্থাৎ উপরোক্ত উদাহরণ গুলিতে যে সম্পত্তির কথা লেখা হইয়াছে, তাহা যদি আনন্দের পৈতৃক সম্পত্তি হয় তাহা হইলে আনন্দ এবং তাহার পুত্ৰগণ একত্রে ভোগ ও অধিকার করিবে; কিন্তু যদি আনন্দের স্বোপঞ্জিত সম্পত্তি হয়, তাহা লইলে আনন্দই শুধু ঐ সম্পত্তির মালিক হইবে, এরং তাহার জীবিতকালে বলরাম বা চন্দ্র প্রভৃতি পুত্ৰগণ কোন অংশেরই দাবী করিতে পরিবে না।

     

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    Books
    অনলাইন বই
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বই পড়ুন
    পিডিএফ
    বাংলা বই

     

    দুইভ্রাতা যদি একত্রে মতামহের সম্পত্তি পাইয়া থাকে, তাহা হইলে তৎসম্বন্ধে কতকটা পৈতৃক সম্পত্তির এবং কতকটা স্বোপাজ্জিত সম্পত্তির নিয়ম খাটিবে। ঐ সম্পত্তি দুই ভ্ৰাতাই একত্রে ভোগ করিবে, কিন্তু তাহাদের পুত্ৰগণ পিতার জীবিতকালে কোন দাবী করিতে পরিবে না। পক্ষান্তরে, যদি দুই ভ্রাতার মধ্যে একজনের অপুত্রক অবস্থায় স্ত্রী রাখিয়া মৃত্যু হয়, তাহা হইলে ঐ মৃত ভ্রাতার সম্পত্তি তাহার বিধবা স্ত্রী পাইবে না, জীবিত ভ্রাতাই পাইবে (২৩ মাদ্রাজ.৩৭৮ প্রিভি কৌন্সিল)।

    যিনি সম্পত্তি অর্জন করেন, তাহার হস্তে যতদিন সম্পত্তি থাকে, ততদিন উহা তাহার স্বোপাজ্জিত সম্পত্তি বলিয়া গণ্য হয়, এবং তাহার জীবিত কালে পুত্ৰগণ কোন অংশের দাবী করিতে পারে না। কিন্তু তাঁহার মৃত্যুর পর তাহার পুত্রদের হস্তে যখন সম্পত্তি পড়িবে, তখন তাহা তাহাদের পক্ষে পৈতৃক সম্পত্তি বলিয়া গণ্য হইবে, এবং তখন হইতে পৈতৃক সম্পত্তির নিয়মগুলি প্রযোজ্য হইবে (রাজ মোহন বঃ গৌর মোহন ৮ মূরস্ ইণ্ডিয়ান আপীলস ৯১)।

    এজমালি সম্পত্তির অংশীগণ সকলেই সম্পত্তি বিভাগের জন্য দাবী ও নালিস করিতে পারেন। পুত্র তাহার পিতার বিরুদ্ধে বা পিতৃব্যের বিরুদ্ধে নালিস করিতে পারে; কিন্তু তাহার পিতা ও পিতৃব্য যৌথরূপে থাকিতে ইচ্ছা করিলে সে শুধু পিতা হইতে পৃথক হইতে পারে, পিতাকে ও পিতৃব্যকে পৃথক হইতে বাধ্য করিতে পারে না। সে তাহার পিতা জীবিত থাকা কালে পিতামহের বিরুদ্ধে বিভাগের দালী করিতে পারে না।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    গ্রন্থাগার সেবা
    ই-বুক রিডার
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা বই
    PDF
    অনলাইন বই
    বিনামূল্যে বই

     

    এজমালী পরিবারের মধ্যে যিনি সৰ্ব্বাপেক্ষ জ্যেষ্ঠ তিনই (যথা পিতা, বা পিতৃব্য বা জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা) কৰ্ত্তাস্বরূপ এজমালী সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করিয়া থাকেন। সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণ সম্বন্ধে তাহার ক্ষমতা খুব অধিক। এজমালী পরিবারের উপকারার্থে ঠুিনি সম্পত্তির আয় হইতে নিজের বিবেচনামত ব্যয় করিতে পারেন, এমন কি সমুদয় আয়ের টাকা ব্যয় করিতে পারেন, তাহাতে কেহ তাহাকে বাধা দিতে পারে না।

    ঋণপরিশোধ

    কোন ব্যক্তি ঋণ করিয়া মরিয়া গেলে পর তাহার পুত্র বা পৌত্র মুতব্যক্তির সম্পত্তি হইতে ঐ ঋণ পরিশোধ করিতে বাধ্য। তবে যদি মৃত ব্যক্তি মদ্যপান, বারাঙ্গনা-গমন, জুয়াখেল প্রভৃতি অসৎকার্যোর জন্য ব্যয় করিয়া ঋণ করিয়া গিয়া থাকেন, তাহা হইলে তাহা পরিশোধ করিতে পুত্র বা পৌত্র বাধ্য নহে।

    ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির জীবিতকালেই তৎকৃত ঋণের টাকা আদায়ের জন্য পাওনাদার নালিস করিতে পারেন, এবং এই নালিসে ঐ ব্যক্তির পুত্র বা পৌত্রগণকে পক্ষভুক্ত না করিলেও চলে। তাহাদিগকে পক্ষভুক্ত না করিলেও তাহার মোকদ্দমার নিষ্পত্তির দ্বারা বাধ্য থাকিবে। (মদনঠাকুর ব; কাস্তলাল, ২২ উইক্‌লি রিপোর্টার ৫৬ প্রিভিকৌন্সিল)।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা গল্প
    অনলাইন বই
    বাংলা উপন্যাস

     

    পুত্র এবং পৌত্র ভিন্ন আর কোন ব্যক্তি সম্পত্তির ওয়ারিস হইলে সে মৃতব্যক্তির ঋণ পরিশোধ করিতে বাধ্য; এমন কি, ঐ ঋণ যদি অসৎব্যয়ের জন্য কৃত হইয় থাকে, তাহা হইলেও সে তাহা পরিশোধ করিতে বাধ্য হইবে।

    সম্পত্তি হস্তান্তর

    কোন ব্যক্তি তাঁহার স্বোপাজ্জিত সম্পত্তি (স্থাবর হউক বা অস্থাবর হউক) আপন ইচ্ছামত হস্তান্তর করিতে পারেন, তাহাতে তাহার জীবিতকালে তাঁহার পুত্র পৌত্রাদির কোন অধিকার নাই, এবং তাহার। হস্তান্তরে কোন আপত্তি করিতে পারে না (বলবস্ত ব: রাণী কিশোরী, ২০ এলাহাবাদ ৬৭ প্রি; কৌ:)। তিনি ইচ্ছা করিলে ঐ সম্পত্তি তাঁহার পুত্ৰগণের মধ্যে অসমানভাবে বিভাগ করিয়া দিয়া যাইতে পারেন।

    কোন ব্যক্তি তাঁহার পৈতৃক অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করিতে পারেন না, তবে ঐ সম্পত্তি হইতে সামান্য কিছু অংশ তাহার কোন স্নেহের পাত্রকে দান করিতে পারেন; যথা পুত্রবধূকে সামান্য কিছু অলঙ্কার বা অন্ত অস্থাবর দ্রব্য দান (২৪ বোম্বাই ৬৪৭) বা স্থাবর সম্পত্তির আয় হইতে কন্যাকে কিছু অর্থ দান (৩১ বোম্বাই ৩৭৩)।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা কমিকস
    বাংলা ই-বুক রিডার
    অনলাইন বই
    বইয়ের
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    সেবা প্রকাশনীর বই
    ই-বই ডাউনলোড
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন

     

    পৈতৃক স্থাবর সম্পত্তি কেহ হস্তাস্তর করিতে পারেন না, কারণ তাহাতে পুত্ৰগণের অংশ আছে। তবে নিম্নলিখিত স্থলে হস্তান্তর সিদ্ধ হয়, যথা :–

    (১) পুত্ৰগণের সম্মতি লইয়া পিতা পৈতৃক স্থাবর সম্পত্তি দান বিক্রয়াদি করিতে পারেন। পুত্ৰগণ হস্তান্তরের পরে সম্মতি দিলেও চলে। (২) কেহ তাহার কোন পুত্র জন্মিবার পূৰ্ব্বে পৈতৃক স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করিতে পারেন। (৭ কলিঃ ল রিপোর্টস, ২৯৪)

    (৩) আইনসঙ্গত আবশ্যকতা থাকিলে পিতা পুত্ৰগণের সম্মতি না লইয়াও পৈতৃক স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করিতে বা বন্ধক দিতে পারেন। কন্যাগণের বিবাহ, পরিবারের মেম্বরগণের ভরণপোষণ, পুত্ৰগণের বিদ্যাশিক্ষা, গবর্ণমেণ্টের রাজস্ব দান, বাৎসরিক পূজা পাৰ্ব্বণাদির ব্যয়, উপনয়ন শ্রাদ্ধাদির জন্য ব্যয়, মামলা মোকদ্দমা পরিচালন প্রভৃতি কাৰ্য্যকে আইনসঙ্গত আবশ্যকতা বলে।

    (৪) স্বীয় ঋণ পরিশোধের জন্য পিতা সম্পত্তি হস্তান্তর করিলে তাহা সিদ্ধ হইবে, এবং পুত্রগণ তাহাতে আপত্তি করিতে পারে না। তবে ঐ ঋণ যেন অসৎ ব্যয়ের জন্য না হয়। (গিরিধারী” বঃ কান্তলাল, ২২ উইক্‌লি রিপোর্টার ৫৬ প্রি কৌ:)

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    Library
    Books
    বাংলা ই-বই
    অনলাইন বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা সাহিত্য
    অনলাইন বুক
    সেবা প্রকাশনীর বই
    সাহিত্য পত্রিকা

     

    (৪) গৃহদেবতার নিত্যসেবার জন্য স্থাবর সম্পত্তির কিয়দংশ হস্তান্তর করিতে পারা যায় (৮ এলাহাবাদ ৭৬)।

    সম্পত্তিবিভাগ হইবার পূৰ্ব্বে কোন মেম্বর তাহার অবিভক্ত অংশ হস্তান্তর করিতে পারেন না। যদি কেহ করেন, তাহা হইলে অপর কোন মেম্বর নালিস করিলে ঐ হস্তান্তর অসিদ্ধ সাব্যস্ত হইবে। (সদাবৰ্ত্ত বঃ ফুলবাস, ২২ উইক্‌লি রিপোর্টার ১ ফুলবেঞ্চ)। তবে কোন মেম্বরের বিরুদ্ধে টাকার ডিক্রীর বলে তাহার অবিভক্ত অংশ ক্রোক ও নিলাম করাইতে পারা যায় (দীনদয়াল বঃ জগদীপ, ৩ কলিকাতা ১৯৮ প্রি: কৌ:)।

    দান সম্বন্ধে যে নিয়মগুলি পূৰ্ব্বে (৬৮—৭১ পৃষ্ঠায়) লিখিত হইয়াছে, তাহা মিতাক্ষরা সম্বন্ধেও খাটিবে।

    বিভাগ

    বিভাগের সময় নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণ অংশ পাইয়া থাকেন –

    (১) পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র। পূর্বেই লিখিত হইয়াছে যে দায়ভাগে যেমন পিতা বৰ্ত্তমানে পুত্রের কোন অধিকার নাই, মিতাক্ষরার নিয়ম সেরূপ নহে। মিতাক্ষরায় পিতা ও পুত্ৰগণ একত্রে সম্পত্তি ভোগ দখল করিয়া থাকে এবং পুত্ৰগণ পিতার তুল্যাংশ প্রাপ্ত হয়।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা কবিতা
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা ভাষা
    পিডিএফ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

     

    (২) স্ত্রী। পিতা এবং পুত্ৰগণের মধ্যে বিভাগ হইলে, পিতার স্ত্রীগণ তাহাদের স্বামীর তুল্যাংশ পাইবে। যথা, আনন্দ, তাহার দুই স্ত্রী, এবং পাঁচ পুত্র (এক স্ত্রীর গর্ভে এক পুত্র এবং অপর স্ত্রীর গর্ভে ৪ পুত্র) এই কয়জন মধ্যে বিভাগ হইতেছে। এস্থলে প্রত্যেক স্ত্রী এক-অষ্টমাংশ পাইবে (দুলার বঃ দ্বারকানাথ, ৩২ কলিঃ ২৩৪)। তবে ইহা জানা আবশ্যক যে স্ত্রীগণু যে অংশ পাইতেছেন, তাহা শুধু ভরণপোষণ স্বরূপ; ইহাতে০ তাহদের জীবনস্বত্ব মাত্র হইবে (সুন্দর ব: মনোহর, ১. কলি লরিপোর্টস, ৭৯)। স্ত্রী সম্পত্তির বিভাগের জন্য দাবী করিতে পারে না।

    (৩) মাতা, বিমাতা। পুত্ৰগণের মধ্যে বিভাগের সময়ে মাতা তাঁহার পুত্ৰগণের সমান অংশ পাইবেন; বিমাতাও তাহার সপত্নীপুত্রের সমান অংশ পাইবেন। কোন ব্যক্তি দুই স্ত্রী এবং চারি পুত্র রাখিয়া পরলোক গমন করিলেন—এক স্ত্রীর গর্ভে এক পুত্র, এবং অপর স্ত্রীর গর্ভে তিন পুত্র; এস্থলে বিভাগের সময়ে প্রত্যেক পুত্র এবং তাহদের মাতা ও বিমাতা তুল্যাংশে পাইবে; অর্থাৎ প্রত্যেকে এক-ষষ্ঠাং পাইবে (দামোদর ব; সেনাবতী, ৮ কলিঃ ৫৩৭)। এক ব্যক্তি তিন স্ত্রী এবং প্রত্যেক স্ত্রীর গর্তে একটী করিয়া পুত্র রাখিয়া পরলোক গমন করিলেন; এস্থলে বিভাগের সময়ে প্রত্যেক স্ত্রী এবং প্রত্যেক পুত্র এক-ষষ্ঠাংশ পাইবে।

     

    আরও দেখুন
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    পিডিএফ
    গ্রন্থাগার সেবা
    গ্রন্থাগার
    ই-বুক রিডার
    PDF
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    নতুন উপন্যাস

     

    (৪) পিতামহী। যদি পিতামহী এবং পৌত্ৰগণের মধ্যে বিভাগ হয়, এবং মধ্যে পুত্র না থাকে, তাহা হইলে পিতামহী এবং পৌত্রগণ তুল্যাংশে পাইবে।

    (৫) কন্য। পিতার মৃত্যুর পর পুত্ৰগণের মধ্যে সম্পত্তি বিভাগ হইবার সময়ে অবিবাহিত কন্যা পুত্রের অংশের এক-চতুর্থাংশ পাইয়া থাকে। যথা, যদি এক অবিবাহিত কন্যা এবং এক পুত্র থাকে, তাহা হইলে কন্যার অংশ এইরূপ হইবে —কন্যা যদি পুত্র হইত তাহা হইলে সে ১/২ অংশ পাইত; তাহার ১/৪ অংশ, অর্থাৎ সম্পত্তির ১/৮ অংশ সে পাইবে; বাকী ৭/৮ অংশ পুত্ৰ পাইবে।

    উপরোক্ত স্ত্রীলোকগণ কেহই নিজে সম্পত্তি বিভাগের দাবী করিতে পারে না, তবে পুরুষ ব্যক্তিগণের মধ্যে সম্পত্তি বিভাগের সময়ে তাহারা আইনমত অংশ পাইবেন।

    উত্তরাধিকার

    নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণ পর পর (অর্থাৎ একের অভাবে পরবর্তী ব্যক্তি) উত্তরাধিকারী হইবেন —

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বইয়ের
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা গল্প
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার

     

    (১-৩) পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র, একত্রে;

    (৪) বিধবা পত্নী;

    (৫) কন্যা; কন্যাগণের মধ্যে কেহ অবিবাহিভা থাকিলে সে-ই সমস্ত সম্পত্তি পাইয়া থাকে, বিবাহিতাগণ পাইবে না।

    (৬) দৌহিত্র;

    (৭) মাতা;

    (৮) পিতা;

    (৯) ভ্রাতা;

    (১০) ভ্রাতুষ্পুত্র;

     

    আরও দেখুন
    বাংলা কমিকস
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    নতুন উপন্যাস
    বই পড়ুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    সাহিত্য পত্রিকা
    বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ইসলামিক বই

     

    (১১) ভ্রাতার পৌত্র;

    (১২) পিতামহী; (১৩) পিতামহ; (১৪) পিতৃব্য (অর্থাৎ পিতার ভ্রাতা), (১৫) পিতৃব্যপুত্র : (১৬) পিতৃব্যের পৌত্র; (১৭) প্রপিতামহী; (১৮) প্রপিতামহ; (১৯) প্রপিতামহের পুত্র (অর্থাৎ পিতার পিতৃব্য); এইরূপে সপ্তম পুরুষ পৰ্য্যন্ত জ্ঞাতিগণ { সপিণ্ডগণ) পাইবে। তাহার পর সমানোদকগণ (৮ম হইতে ১৪শ পুরুষ পৰ্য্যন্ত জ্ঞাতিগণ) পাইবে।” সম্প্রতি এই মৰ্ম্মে একটী আইন বিধিবদ্ধ হইতেছে যে পিতামহের পর এবং পিতুর ভ্রাতার পূর্বে নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণ পর পর উত্তরাধিকারীsহইতে পারিবে, যথা—পৌত্রী, দৌহিত্রী, ভগ্নী, ভাগিনেয়। স্ত্রীলোকগণ অবশ্য জীবনস্বত্বে পাইবে।

    সমানোদকগণের অভাবে বন্ধুগণ। ‘বন্ধু’ অর্থে ভিন্নগোত্র সপিণ্ডগণকে বুঝায়। যথা—পুত্রের দৌহিত্র, মাতুল, মাতামহ, পিতামহের দৌহিত্র প্রভৃতি।

    বন্ধুগণ তিনপ্রকার-আত্মবন্ধু অর্থাৎ নিজের বংশজ বন্ধু (যথা পুত্রেব দৌহিত্র, পৌত্রের দৌহিত্র), পিতৃবন্ধু, অর্থাৎ পিতার বংশজ বন্ধু (যথা, পিতার দৌহিত্র, পিতার মামাতো ভাই, প্রভৃতি), মাতৃবন্ধু (যথা, মাতার মাসতুতো ভাই, মাতার মামাতে৷ ভাই, প্রভৃতি)৷ বন্ধুগণের মধ্যে আত্মবন্ধুগণ অগ্রগণ্য, তদভাবে পিতৃবন্ধু এবং তদভাবে মাতৃবন্ধুগণ পাইবেন। তদভাবে গুরু, শিস্য, পুরোহিত, স্বজাতিবর্গ, গ্রামের ব্রাহ্মণগণ, তদভাবে গবর্ণমেণ্ট।

    দায়ভাগের স্থায় মিতাক্ষরা আইনেও পূৰ্ব্বে নিয়ম ছিল যে জন্মান্ধ, জন্মবধির, জন্মখঞ্জ, জন্মমূক, কুষ্ঠগ্রস্ত বা ক্লীব ব্যক্তি সম্পত্তিতে অধিকারী হইতে পারে না। কিন্তু সম্প্রতি ১৯২৮ সালের ১২ আইনে (উত্তরাধিকারে অক্ষমতা দূরীকরণ বিষয়ক আইন) এই বিধান করা হইয়াছে যে কোন শারীরিক রোগ বা বিকৃতি বশত: কোন ব্যক্তি সম্পত্তি হইতে বঞ্চিত হইবে না। কিন্তু যে ব্যক্তি উন্মাদগ্রস্ত বা জড়বুদ্ধি সে সম্পত্তিতে অধিকারী হইতে পরিবে না।

    স্ত্রীধন

    অবিবাহিত কন্যার স্ত্রীধনের উত্তরাধিকার সম্বন্ধে দায়ভাগের যে নিয়ম (১২৫ পূঃ দ্রষ্টব্য) মিতাক্ষরারও সেই নিয়ম।

    বিবাহিত কন্যার স্ত্রীধন সম্পত্তিতে মিতাক্ষরা অনুসারে নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণ পর পর ওয়ারিশ হইবেন :–

    (১) অবিবাহিত কন্যা; (২) বিবাহিত দরিদ্র কন্যা; (৩) বিবাহিত অবস্থাপন্ন কন্যা; (৪) দৌহিত্রী; (৫) দৌহিত্র; (৬) পুত্ৰ; (৭) পৌত্র; (৮) স্বামী; (৯) স্বামীর অন্যান্য উত্তরাধিকারীগণ। [ যদি বিবাহ আসুরমতে হইয়া থাকে, তাহা হইলে (৮) মাতা; (৯) পিতা; (১০) পিতার অন্যান্য উত্তরাধিকারীগণ–এইরূপ হইবে। ]

    তদভাবে-মাত, মাসী, মামী, জ্যেঠাই বা খুড়ী, পিসী, শ্বাশুড়ী, জ্যেষ্ঠ ভ্রাতার স্ত্রী। তদভাবে স্বামীর ভাগিনেয়, স্বীয় ভগ্নীর পুত্র, স্বামীর ভ্রাতুষ্পুত্র, স্বীয় ভ্রাতুপুত্র, জামাতা, দেবর।

    সপত্নীপুত্র অপেক্ষা স্বামী অগ্রগণ্য উত্তরাধিকারী (৩৩ বোম্বাই ৪৫২)।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগান্ধীজি : ফিরে দেখা
    Next Article বঙ্গসুন্দরী – বিহারীলাল চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }