Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হিন্দুআইন (দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা) – বিভূতিভূষণ মিত্র

    বিভূতিভূষণ মিত্র এক পাতা গল্প160 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. উইল – ষষ্ঠ অধ্যায়

    উইল – ষষ্ঠ অধ্যায়

    হিন্দু আইনে উইলের ন্যায় কোনও ব্যবস্থা দেখিতে পাওয়া যায় না। সম্ভবতঃ মৃত্যুর পর সম্পত্তির কি হইবে তাহা কেহ ভাবিতেন না, এবং সেজন্য কেহ উইলও করিতেন না। যাহাদের পুত্র থাকিত তাহাদের কিছু ভাবিবার প্রয়োজন হইত না, যাহাঁদের পুত্ৰ না হইত তাহার দত্তকগ্রহণ করিয়া সম্পত্তির ব্যবস্থা করিয়া যাইতেন। যাহার: আত্মীয় স্বজনকে কিছু দিয়া যাইতে ইচ্ছা করিতেন, তাহার। জীবিত থাকিতে দান করিতেন, অথবা মৃত্যুশয্যায় দান করিয়া যাইতেন।

    ইংরাজগণের আগমনের পর এই দেশে উইল প্রচলিত হয়, এবং তাঁহাদের নিকট হইতেই এদেশীয় লোক উইল করিতে শিক্ষা করে। কলিকাতা প্রভৃতি বড় বড় স্থানের ধনী ব্যক্তিগণ সম্পত্তি সম্বন্ধে কোনও ব্যবস্থা করিতে হইলে ইংরাজ আইনজ্ঞগণের পরামর্শ লইতেন এবং তাহাদের নিকট হইতে উইলের কথা শুনিয়া সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করিতেন। এইরূপে সহরের মধ্যে উইল খুব প্রচলিত হইল, এবং পরে মহরের লোকের দেখাদেখি মফঃস্বলের লোকেরাও উইল করিতে শিখিল। ১৭৫৮ সালে উমিচাঁদ এদেশে সৰ্ব্বপ্রথম উইল করেন।

    কে কোন সম্পত্তি উইল করিতে পারেন

    দান সম্বন্ধে আইনের যে বিধানগুলি আছে, উইল সম্বন্ধেও তাহার অনেকগুলি প্রযোজ্য হয়। ষে ব্যক্তি যে সম্পত্তি দান করিতে পারেন, তিনি তাহা উইল করিয়াও দিয়া যাইতে পারেন। পুত্রগণকে বঞ্চিত করিয়া পিতা তাহার সম্পত্তি যে কোনও ব্যক্তিকে দান করিয়া বাইতে পারেন, উইল করিয়াও দিয়া যাইতে পারেন। এজমালী সম্পত্তির কোনও এক মালিক তাহার নিজ অংশ দান করিয়া যাইতে পারেন, উইল করিয়াও দিয়া যাইতে পারেন। স্ত্রীলোক তাহার স্ত্রীধন সম্পত্তি দান করিতে পারেন, উইল করিয়াও দিয়া যাইতে পারেন। স্ত্রীলোক যে সম্পত্তি জীবনস্বত্বে পাইয়া থাকেন, তাহা তিনি দান করিতেও পারেন না, উইল করিতেও পারেন না।

    উইলকর্তার ক্ষমতা

    দান এবং উইলে প্রভেদ এই যে, দানকার্য্য দ্বারা সম্পত্তি তৎক্ষণাৎ হস্তান্তরিত হইয়া যায়, কিন্তু উইলকৰ্ত্তার মৃত্যুর পব তবে উইল কাৰ্য্যকর হয়। আর একটী প্রভেদ এই যে, উইলকৰ্ত্তা উইল প্রত্যাহার করিতে পারেন, কিন্তু দান সহজে প্রত্যাহার করা চলে না।

    দাতা যেমন তাঁহার সম্পত্তি জীবনস্বত্বে বা নির্ব্যুঢ়স্বত্বে দান করিতে পারেন, উইলকর্তাও সেইরূপ উইল করিয়া তাহার সম্পত্তি জীবনস্বত্বে বা নির্ব্যূঢ়স্বত্বে দিয়া যাইতে পারেন। দাতা যেমন এই সৰ্ত্তে দান করিতে পারেন যে গ্রহীতা দাতাকে ভরণপোষণ করিবে বা দাতার গৃহদেবতার পূজা নিৰ্বাহ করবে, উইলকৰ্ত্তাও সেইরূপ আদেশ দিয়া যাইতে পারেন যে, যাহাকে তিনি সম্পত্তি দিতেছেন সে তাঁহার কন্যাকে ভরণপোষণ করিবে, বা তাহার ঋণ পরিশোধ করিবে।

     

    আরও দেখুন
    দায়ভাগ
    দায়ভাগ
    মিতাক্ষরা
    বাংলা গল্প
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা ইসলামিক বই
    বইয়ের
    অনলাইন বই

     

    উইলকর্তা যখনই কোনও সর্তে উইল করিয়া যাইবেন, তখনই তাহার এ বিষয়ে বিশেষ দৃষ্টি রাখা আবশ্যক যে ঐ সর্বগুলি যেন হিন্দু আইনবিরুদ্ধ না হয়। শ্ৰীযুক্ত প্রসন্নকুমার ঠাকুর এই মৰ্ম্মে তাঁহার উইল করিয়া গিয়াছিলেন—“আমার একমাত্র পুত্র জ্ঞানেন্দ্রমোহন খ্ৰীষ্টানধৰ্ম্ম গ্রহণ করিয়াছে, আমি তাহাকে ত্যজ্যপুত্র করিলাম; সে এই উইল অনুসারে কিছুই পাইবে না। আমার সম্পত্তি নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণ পাইবে যথা—যতীন্দ্রমোহন ঠাকুর জীবনস্বত্বে পাইবে, তাহার পর যতীন্দ্রমোহনের জ্যেষ্ঠ পুত্র জীবনস্বত্বে; তাহার পর যতীন্দ্রমোহনের জ্যেষ্ঠ পুত্রের জ্যেষ্ঠ পুত্র জীবনস্বত্বে; তাহার পর যতীন্দ্রমোহনের জ্যেষ্ঠ পুত্রের অন্য পুরুষ ওয়ারিসগণ জীবনস্বত্বে; তাঙ্গর পর যতীন্দ্রমোহনের অন্য পুত্ৰগণ জীবনস্বত্বে; তাহার পর যতীন্দ্রমোহনের অন্য পুত্ৰগণের পুরুষ ওয়ারিসগণ জীবনস্বত্বে; তাহার পর সৌরীন্দ্রমোহন জীবনস্বত্বে; তাহার পর সৌরীন্দ্রমোহনের জ্যেষ্ঠ পুত্র জীবনস্বত্বে; তাহার পর সৌরীন্দ্রমোহনের জ্যেষ্ঠ পুত্রের জ্যেষ্ঠপুত্র জীবনস্বত্বে; তাহার পর সৌরীন্দ্রমোহনের জ্যেষ্ঠ পুত্রের অন্ত পুরুষ ওয়ারিসগণ জীবনস্বত্বে; ত{হার পর সৌরীন্দ্রমোহনের অন্য পুত্ৰগণ জীবনস্বত্বে; তাহার পর সৌরীন্দ্রমোহনের অন্য পুত্ৰগণের পুরুষ ওয়ারিসগণ জীবনস্বত্বে; তাহার পর ললিতমোহন জীবনস্বত্বে” ইত্যাদি। আরও ঐ উইলে স্পষ্ট বিধান ছিল যে কোনও স্ত্রীলোক ঐ সম্পত্তি পাইবে না, এমন কি স্ত্রীলোকের বংশের ওয়ারিস (যথা দৌহিত্র, ভাগিনেয়) পাইবে না। এই উইল লইয়া যতীন্দ্রমোহন ঠাকুরের বিরুদ্ধে জ্ঞানেন্দ্রমোহন নালিস করিলেন; মোকদম প্রিভিকৌ{সল পৰ্য্যন্ত গেল; এবং হিন্দুগণের উইল সম্বন্ধে যতকিছু প্রশ্ন উঠিত পারে তাহা সমস্তই এই মোকদ্দমায় আলোচিত হইঘাছিল। যাহা হউক, প্রিভিকৌন্সিল স্থির করিলেন যে যতীন্দ্রমোহনকে জীবনস্বত্বে দান করার সত্ত্বট সিদ্ধ, এতদ্ভিন্ন এই উইলের বাকী সৰ্বগুলি হিন্দু-আইনবিরুদ্ধ; হিন্দু-আইন অনুসারে পিতার মৃত্যুর পর পিতার সম্পত্তি সকল পুত্ৰই একসঙ্গে পাইল থাকেন। কিন্তু এ স্থলে উইলে ব্যবস্থা করা হইয়াছে যে যতীন্দ্রমোহনের পর শুধু যতীন্দ্রমোহনের জ্যেষ্ঠ, পুত্রই পাইবে; তদভাবে এই জ্যেষ্ঠ পুত্রের শুধু জ্যেষ্ঠ পুত্ৰ পাইবে ইত্যাদি; এ প্রকার ব্যবস্থা হিন্দু-আইনসম্মত নহে। প্রসন্নকুমার ঠাকুর উত্তরাধিকার সম্বন্ধে হিন্দু আইনের বিধান উলটাইয়া দিয়া যেন নিজের ইচ্ছামত নূতন বিধান করিতে গিয়াছেন। সুতরাং তাহা সিদ্ধ হইবে না; অতএব যতীন্দ্রমোহন ঐ সম্পত্তি জীবনস্বত্বে পাইবেন, উইলের এই পৰ্য্যন্ত ব্যবস্থা সিদ্ধ থাকিবে, তাহার পরবর্তী ব্যবস্থাগুলি সমস্তই অসিদ্ধ হইবে। তাহার পর, হিন্দু আইন অমুসারে স্ত্রীলোকগণ (যথা পত্নী, কন্যা) এবং স্ত্রীলোকের বংশীয় ব্যক্তিগণ (যথা দৌহিত্র, ভাগিনেয়) উত্তরাধিকারী হইয়া থাকেন; কিন্তু এই উইলে তাহাও নিষেধ করা হইয়াছে; এরূপ নিষেধও হিন্দু-আইন-বিরুদ্ধ। (যতীন্দ্রমোহন ঠাকুর বঃ জ্ঞানেন্দ্রমোহন ঠাকুর, ১৮ উইক্‌লি রিপোর্টার ৩৫৯)।

     

    আরও দেখুন
    মিতাক্ষরা
    দায়ভাগ
    দায়ভাগ
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    অনলাইন বুক
    নতুন উপন্যাস
    বইয়ের
    বাংলা কুইজ গেম
    গ্রন্থাগার সেবা

     

    আরও একটী মোকদ্দমায় এইরূপ ঘটনা ঘটিয়াছিল। দুই ভ্রাতা এই মর্শ্বে একট দলিল সম্পাদন করিয়াছিলেন যে, তাহাদের মৃত্যুর পর সম্পত্তির একজনের বংশের পুরুষ ওয়ারিসগণ পর পর ভোগ করিবে; সেই বংশে যদি কোনও কালে পুরুষ ওয়ারিস আর না থাকে, তাহা হইলে অপর ব্যক্তির বংশের পুরুষ ওয়ারিসগণ পাইবে; এবং যতক্ষণ এই দুই বংশে পুরুষ ওয়ারিস থাকিবে, ততক্ষণ কোনও স্ত্রীলোক ঐ সম্পত্তিতে অধিকারিণী হইতে পরিবে না। প্রিভিকৌন্সিল স্থির করিলেন যে এই ব্যবস্থা আইন-বিরুদ্ধ। হিন্দু আইনে স্ত্রীলোকগণ ওয়ারিস হইতে পারেন; স্থতরাং তাহারা কোন কালেই ওয়ারিস হইবে না, এইমৰ্ম্মে ব্যবস্থা করিয়া দলিলকর্তাগণ হিন্দু আইনের উত্তরাধিকারের নিয়ম লঙ্ঘন করিয়া নিজেরা একটী নূতন নিয়ম করিতে বসিয়াছেন; এইরূপ বিধান বে-আইনী ও অসিদ্ধ (পূর্ণশশী বঃ কালৗধন, ৩৮ কলিকাতা ৬০৩)।

    সুতরাং উইলের কোনও সর্ভ দ্বারা যদি কোনও আইনের বিধানের উপর হস্তক্ষেপ করা হয়, তাহা হইলে উহা অসিদ্ধ হইবে। ইহার আরও একটী দৃষ্টান্ত দেওয়া যাইতেছে। কোন ব্যক্তি উইল করিয়া তাঁহার সমস্ত সম্পত্তি তাঁহার তিন পুত্রকে দিয়া গিয়াছিলেন; ঐ উইলে এইরূপ সৰ্ব ছিল যে যদি ঐ তিন পুত্রের মধ্যে একজন নিঃসন্তান অবস্থায় পরলোক গমন করেন, তাহা হইলে তাহার অংশ তাহার বিধবা পত্নী পাইবেন না, অপর ভ্রাতাগণ পাইবেন। ফলেও তাহা হইল। উইলকৰ্ত্তার মৃত্যুর পর তিন পুত্র সম্পত্তি ভোগ করিতে করিতে দ্বিতীয় পুত্র নিঃসন্তান অবস্থায় বিধবা পত্নীকে রাখিয়া পরলোক গমন করিলেন। তখন অপর ভ্রাতাগণ উইল অনুসারে মৃত ভ্রাতার অংশ দাবী করিলেন। এদিকে বিধবা পত্নীও স্বামীর অংশ দাবী করিলেন; দুই পক্ষে মোকদম হুইল এবং মোকদম প্রিভিকৌন্সিল পর্য্যন্ত গড়াইল। প্রিভিকৌন্সিল স্থির করিলেন ষে, বিধবা পত্নীই মৃত ব্যক্তির অংশ পাইবেন, তাহার ভ্রাতাগণ পাইবেন না; ঐ উইলের সত্ত্ব অসিদ্ধ, কারণ হিন্দু আইন অনুসারে ভ্রাতা অপেক্ষা পত্নীই অগ্রগণ্য উত্তরাধিকারী, এবং উইলকর্তী পত্নীর পরিবর্তে ভ্রাতাকে সম্পত্তি দিবার আদেশ দিয়৷ উত্তরাধিকার সম্বন্ধে হিন্দু আইনের বিধানের উপর হস্তক্ষেপ করিয়াছেন। নরেন্দ্র ব: কমলবাসিনী, ২৩ কলিকাতা ৫৬৩)।

     

    আরও দেখুন
    দায়ভাগ
    দায়ভাগ
    মিতাক্ষরা
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বইয়ের
    সেবা প্রকাশনী বই
    অনলাইন গ্রন্থাগার

     

    সেইজন্য, কোনও উইল করিবার সময়ে উইলকৰ্ত্তার খুব সাবধান হওয়া উচিত, যাহাতে উইলট বিশেষ জটিল হইয়া না দাড়ায়। উইলের সৰ্বগুলি যত সরল হইবে ততই নিরাপদ। উইলের সর্তগুলি জটিল হইলেই হয়তো আইনের কোনও না কোনও বিধানের উপর হস্তক্ষেপ করা হইবে, আর উইলট অসিদ্ধ হইয়া যাইবে। প্রসন্নকুমার ঠাকুর নিজে একজন আইনজ্ঞ ব্যক্তি ছিলেন; এবং বহু আইনজ্ঞ বিচক্ষণ ব্যক্তির পরামর্শ লইয়া উইল করিয়াছিলেন, কিন্তু উইলট এমন জটিল করিয়া ফেলিলেন যে জটিলতা দোষেই উহা ব্যর্থ হইয়া গেল; এমন কি, যে উদ্দেশ্যে তিনি উইল করিয়াছিলেন, প্রকৃতপক্ষে সেই উদ্দেশ্যই বিফল হইয়া গিয়াছিল।

    দান সম্বন্ধে যেমন নিয়ম আছে যে, যে ব্যক্তি বৰ্ত্তমান আছেন তাহাকেই দান করিতে পারা যায়, য়ে ব্যক্তি জন্মায় নাই তাহাকে দান করা যায় না, উইল সম্বন্ধেও সেই নিয়ম। যে ব্যক্তি উইলকৰ্ত্তার মৃত্যুকালে বর্তমান আছেন তিনিই উইল অনুসারে সম্পত্তি পাইবেন; যে ব্যক্তি সে সময়ে জন্মায় নাই সে পাইবে না।

    প্রসন্নকুমার ঠাকুরের উইলেও এই প্রশ্ন উঠিয়াছিল। প্রসন্নকুমার ঠাকুর যখন পরলোকগমন করিলেন তখন যতীন্দ্রমোহন ঠাকুরের কোনও পুত্র ছিল না। অথচ এদিকে উইলে লেখা রহিয়াছে যে যতীন্দ্রমোহনের জীবনস্বত্ব শেষ হইয়া গেলে তাহার জ্যেষ্ঠপুত্র পাইবে। সুতরাং উইন্সের ঐ সর্ত্ত নিষ্ফল; এবং প্রসন্নকুমারের মৃত্যুর পরে যদি যতীন্দ্রমোহনের কোন পুত্র জন্মিত তাহা হইলেও সে উইল অনুসারে কিছুই পাইত না। (১৮ উইক্‌লি রিপোর্টার ৩৫৯)। সেইরূপ, যদি কোনও ব্যক্তি এই মৰ্ম্মে উইল করেন যে”আমার ভ্রাতু-পুত্রগণকে আমার সম্পত্তি উইল করিয়া দিয়া গেলাম” তাহা হইলে উইলকৰ্ত্তার মৃত্যুকালে যে সকল ভ্রাতু-পুত্র বর্তমান আছে তাহারাই পাইবে, তাহার মৃত্যুর পর যে সকল ভ্রাতু-পুত্র জন্মিবে তাহারা কিছুই পাইবে না (ভগবতী বঃ কালীচরণ, ৩২ কলিকাতা ৯৯২; ৩৮ কলি: ৪৬৮, গ্রি; কৌ:; রামলাল ব: কানাইলাল, ১২ কলিঃ ৬৬৩)।

     

    আরও দেখুন
    দায়ভাগ
    মিতাক্ষরা
    দায়ভাগ
    বই পড়ুন
    বই
    Library
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    পিডিএফ
    বিনামূল্যে বই
    Books

     

    এইস্থলে আরও একটী নিয়ম জানিয়া রাখা কৰ্ত্তব্য যে উইলকৰ্ত্তার মৃত্যুকালের অবস্থা ধরিয়াই উইল কাৰ্য্যকর হয়, উইল যে সময়ে সম্পাদিত হয় সে সময়কার অবস্থা দেখিয় উইলের বিচার হয় না। দান ও উইলে এইটী বিশেষ প্রভেদ। এক ব্যক্তি এই মৰ্ম্মে উইল করেন যে”আমার সম্পত্তি আমার সমস্ত ভ্রাতুষ্পপুত্ৰগণ পাইবে।” উইলকৰ্ত্তা যে সময়ে উইল করিলেন সে সময়ে তাহার দুই ভ্রাতুষ্পুত্র জীবিত, কিন্তু তিনি যে সময়ে পরলোকগমন করিলেন সে সময়ে আরও তিনজন ভ্রাতুষ্পপুত্র জন্মিয়াছে, এস্থলে পাচজন ভ্রাতুষ্পুত্রই পাইবেন, শুধু দুইজন পাইবেন না; অর্থাৎ উইল সম্পাদনের সময়কার ঘটনা ধরিয়া উইলের বিচার হইবেন, উইল কৰ্ত্তার মৃত্যুর সময়কার অবস্থাই ধরা হইবে। কিন্তু যদি উইল না হইয়া দানপত্র সম্পাদিত হইত, তাহা হইলে শুধু দুইজন ভ্রাতুপুত্র পাইতেন, দানপত্র সম্পাদিত হওয়ার পর যাহার জন্মগ্রহণ করিত তাহারী কিছুই পাইত না। অথবা যদি এইরূপ হইত যে, যে সময়ে ঐ ব্যক্তি উইল করিয়াছিলেন সে সময়ে কোনও ভ্রাতুষ্পুত্রই জন্মগ্রহণ করে নাই, কিন্তু তাহার মৃত্যুর সময়ে পাচজন জন্মিয়াছে, তাহা হইলেও উইল অসিদ্ধ হইয়া যাইত না, এবং ঐ পাঁচজন ভ্রাতু-পুত্ৰ পাইতেন; কিন্তু উইল না হইয়া দানপত্র হইলে উহা অসিদ্ধ হইত। যদি এইরূপ হয় যে, ঐ ব্যক্তি যে সময়ে ঐ উইল কবিয়াছিলেন সে সময়ে তাহার দুই ভ্রাতু-পুত্র জীবিত ছিল, কিন্তু উইলকৰ্ত্তার মৃত্যুর পূর্বেই একজন পরলোকগমন করেন, তাহা হইলে উইলকৰ্ত্তার মৃত্যুর সময়ে যে ভ্রাতুম্পুত্র জীবিত আছেন তিনিই সমস্ত সম্পত্তি পাইবেন, মৃত ভ্রাতুপুত্রের ওয়ারিস কিছুই পাইবেন না। কিন্তু এস্থলে যদি উইল না হইয়া দানপত্র হইত, তাহা হইলে দুষ্ট ভ্রাতুষ্পপুত্ৰই পাইতেন; এবং তাহার পর একজনের মুতু্য হইলে তাহার অংশ অবশ্যই তাঁহার ওয়ারিসে বৰ্ত্তিত।

     

    আরও দেখুন
    মিতাক্ষরা
    দায়ভাগ
    দায়ভাগ
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বই পড়ুন
    বাংলা কুইজ গেম
    Library
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন

     

    উইলকৰ্ত্তা যদি উইলে তাহার উত্তরাধিকারীকে বঞ্চিত করিতে চাহেন, তাহা হইলে সেই সঙ্গে স্পষ্ট করিয়া লেখা উচিত যে কে ঐ সম্পত্তি নির্ব্যূঢ় স্বত্বে পাইবে; এমন কি, তিনি উত্তরাধিকারীকে বঞ্চিত করিতেছেন এ কথা তিনি স্পষ্ট লিখুন বা না লিখুন, কে সম্পত্তি নির্ব্যূঢ় স্বত্বে পাইবে তাহা লেখা চাই; তাহা যদি না লেখা থাকে তাহা হইলে ঐ উত্তরাধিকারীই ঐ সম্পত্তি পাইবেন। প্রসন্নকুমার ঠাকুরের উইলেও ঠিক তাহাই ঘটয়াছিল, যতীন্দ্রমোহন ঠাকুরের মৃত্যুর পর কে ঐ সম্পত্তি পাইবে সে সম্বন্ধে উইলে যাহা লিখিত আছে তাহা তো হিন্দু-আইনবিরুদ্ধ; কিন্তু যতীন্দ্রমোহনের জীবনস্বত্ব শেষ হইয়া যাওয়ার পর কে ঐ সম্পত্তি নির্ব্যূঢ় স্বত্বে পাইবে তাহা তো স্থির করা চাই। প্রিভি কৌন্সিল স্থির করিলেন যে কে ঐ সম্পত্তি নির্ব্যূঢ় স্বত্বে পাইবে তাহা যখন উইলে লেখা নাই, তখন যতীন্দ্রমোহনের মৃত্যুর পর উইলকৰ্ত্তার আইনমত উত্তরাধিকারী ঐ সম্পত্তি পাইবেন। এমন কি, জ্ঞানেন্দ্রমোহন যদি সে সময়ে জীবিত থাকেন তো তিনিই পাইবেন। যদিও প্রসন্নকুমার তাহাকে ত্যজ্যপুত্র করিয়াছেন তথাপি তিনি সম্পত্তি পাইতে ক্ষমতাপন্ন হইবেন, কারণ নিজের উত্তরাধিকারীকে বঞ্চিত করিতে হইলে সম্পত্তি অপর কোনও বাক্তিকে নির্ব্যূঢ় স্বত্বে দেওয়া চাই।” অর্থাৎ প্রসন্নকুমার ঠাকুর যাহা নিবারণ করিতে চাহিয়াছিলেন, উইলের দোষে তাহাই ঘটিল, এবং তাহার উইল করিবার উদ্দেশুই ব্যর্থ হইল। ফলে যাহা ঘটিয়াছিল, তাহা সকলেই জানেন। অবশেষে সেই জ্ঞানেশ্রমোহনেরই দৌহিত্র ঐ সম্পত্তি পাইয়াছিলেন।

     

    আরও দেখুন
    মিতাক্ষরা
    দায়ভাগ
    দায়ভাগ
    PDF
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বই পড়ুন
    সেবা প্রকাশনীর বই
    নতুন উপন্যাস

     

    পূৰ্ব্বে লিখিত হইয়াছে যে, ষে ব্যক্তি উইলকৰ্ত্তার মৃত্যুকালে জন্মগ্রহণ করে নাই, তাহাকে কোনও সম্পত্তি উইল করিয়া দেওয়া যায় না। কিন্তু যদি কেহ এই মৰ্ম্মে উইল করেন”আমার মৃত্যুর পর একটী বিগ্ৰহ স্থাপন করা হইবে, এবং ঐ বিগ্রহ সেবার জন্য আমি এই সম্পত্তি দান করিলাম” তাহা হইলে ঐ উইল কি সিদ্ধ হইবে? ১৯০৯ সালের পূৰ্ব্বের সমস্ত মোকদ্দমায় স্থির হইয়াছিল যে ঐ রূপ দান অসিদ্ধ, কারণ ইলকৰ্ত্তার মৃত্যুকালে যে দেবমূৰ্ত্তি বৰ্ত্তমান নাই তাহাকে কোনও সম্পত্তি দেওয়া যায় না (উপেন্দ্রলাল বঃ হেমচন্দ্র, ২৫ কলিকাতা ৪০৪)। কিন্তু ১৯০৯ সালে একটী মোকদ্দমায় ঐ নিষ্পত্তি রহিত হইয়া ইহা স্থির হইয়াছে যে”মানুষের সম্বন্ধে এই নিয়ম আছে বটে যে, ষে মকুন্তু উইলকৰ্ত্তার মৃত্যুকালে জন্মগ্রহণ করে নাই, তাহাতে সম্পত্তি দেওয়া যায় না; কিন্তু কোনও মন্দিরের দেব-দেবী মূৰ্ত্তি তো মানুষ নহৈ যে তাহাদের সম্বন্ধেও এই নিয়মটা প্রয়োগ করিতে হইবে। সুতরাং উইলকর্তা যদি তাহার মৃত্যুর পর এক বিগ্রহ স্থাপনের আদেশ দিয়া উইলদ্বারা ঐ বিগ্রহকে সম্পত্তি দিয়া যান তাহা হইলেও উহা সিদ্ধ হইবে। (ভূপতিনাথ স্মৃতিতীর্থ বঃ রামলাল, ৩৭ কলিকাতা ১২৮ ফুলবেঞ্চ)।

    স্ত্রীলোককে দান

     

    আরও দেখুন
    দায়ভাগ
    দায়ভাগ
    মিতাক্ষরা
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    পিডিএফ
    বইয়ের
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স

     

    স্ত্রীলোককে কোনও সম্পত্তি উইল করিয়া দিয়া গেলে সাধারণতঃ এইরূপ অছুমান হয় যে তিনি উহা জীবনস্বত্বে পাইবেন (প্রবোধ বঃ হরিশ, ৯ কলিকাতা উইক্‌লি নোটস, ৩০৯)। তবে যদি উইলে স্পষ্ট ভাষায় লেখা থাকে ম্বে তিনি সম্পূর্ণরূপে ‘মালিক’ হইলেন এবং দান বিক্রয়াদি করিবার ক্ষমতাও তাঁহার রহিল তাহা হইলে অবশ্য তিনি উহ। নির্ব্যূঢ়স্বত্বে পাইবেন। সেইজন্য, স্ত্রীলোককে কোনও সম্পত্তি নির্ব্যূঢ় স্বত্বে দিতে ইচ্ছা করিলে উইলে সেই কথা স্পষ্ট করিয়া লেখা উচিত, নহিলে ভবিষ্ণুতে অনেক গোলযোগ হইবার সম্ভাবনা। হাইকোর্ট এইরূপ স্থির করিয়াছেন যে, কোন স্ত্রীলোককে যদি এই মৰ্ম্মে উইল করিয়া সম্পত্তি দেওয়া যায় যে তিনি উহার ‘মালিক’ হইবেন (২৪ কলিকাতা ৪০৬; ২৭ কলিঃ ৬৪৯; ২৮ কলি: উইক্‌লি নোটস, ৫৪১ প্রি: কৌ:) অথবা যদি লেখা থাকে যে তিনি পুত্র-পৌত্রাদিক্ৰমে ভোগ করিবেন (৭ মাদ্রাজ ৩৮৭), তাহা হইলে স্ত্রীলোক নির্ব্যূঢ় স্বত্বেই পাইয়া থাকেন।

    অন্যান্য কথা

    কোনও হিন্দু বাচনিকভাবে উইল করিতে পারে না; উইল করিতে হইলেই তাহা লিখিত হওয়া আবশ্যক, এবং তাঁহাতে অন্যূন দুইজন সাক্ষী থাক চাই। ৪/৫ জন ভদ্রলোক সাক্ষী রাখাই কৰ্ত্তব্য। এদেশে প্রায় মৃত্যুর কিছু পূৰ্ব্বে পীড়িত অবস্থায় লোকে উইল করে। এরূপ অবস্থায় উইল হয় বলিয়াই নানারূপ আপত্তি উপস্থিত হয়। পীড়িত অবস্থায় উইল হইলে যাঁহারা উইলকৰ্ত্তার আত্মীয় স্বজন বা বন্ধু এবং তাঁহাকে সৰ্ব্বদা দেখিতে আসেন তাহাদিগকে সাক্ষী রাখা কৰ্ত্তব্য; যে চিকিৎসক সেই সময়ে উইলকৰ্ত্তার পীড়ার চিকিৎসা করেন, তাহাকেও সাক্ষী রাখা উচিত।

     

    আরও দেখুন
    দায়ভাগ
    মিতাক্ষরা
    দায়ভাগ
    অনলাইন বুক
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা কবিতা
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    অনলাইন গ্রন্থাগার

     

    উইল ষ্ট্যাম্প কাগজে লিখিতে হয় না, সাদ। কাগজেই লিখিলে চলে। উহা রেজিষ্টারী না করিলেও সিদ্ধ হয়, কিন্তু তথাপি রেজিষ্টারী করিয়া রাখা খুবই উচিত; কারণ যদি বহুবৎসর পরে প্রোবেট লইতে হয়, এবং ঐ উইল সম্বন্ধে কেহ আপত্তি উত্থাপন করে তখন উহা অনেক সময়ে প্রমাণ করা উঠিন হয়। সেইজন্য রেজিষ্টারী কয়িয়া রাখা অবশ্য কৰ্ত্তব্য। উইল করিয়াও পরে উইলকৰ্ত্তা উইলের লিখিত সম্পত্তি হস্তাস্তর করিতে পারেন। তাঁহার মৃত্যুকালে যে সম্পত্তি থাকিবে তৎসম্বন্ধেই উইল কাৰ্য্যকর হইবে। যদি সে সময়ে কোনও সম্পত্তি না থাকে, তাহা হইলে উইল ব্যর্থ হইবে।

    উইলকর্ত্তা যদি উইলে সম্পত্তিগুলির নাম ও বর্ণনা নির্দিষ্ট করিয়া লিখিয়া থাকেন, তাহা হইলে উইল সম্পাদনের পর তিনি যদি নূতন কিছু সম্পত্তি অর্জন করেন, তৎসম্বন্ধে ঐ উইল প্রযোজ্য হইবে না, কেবলমাত্র ঐ নির্দিষ্ট সম্পত্তিগুলি সম্বন্ধে উইলটা খাটিবে (১৬ ইণ্ডিয়ান কেসেস ৫৪৩)!

    উত্তরাধিকার বিষয়ক ১৯২৫ সালের ৩১ আইনের কতকগুলি ধারায় উইল সম্পাদন সম্বন্ধে অনেকগুলি প্রয়োজনীয় কথা লিখিত হইয়াছে। এই নিয়মগুলি হিন্দুগণের প্রতি প্রয়োজ্য হয়। সেইগুলি নিয়ে উদ্ধৃত হইল :–

     

    আরও দেখুন
    মিতাক্ষরা
    দায়ভাগ
    দায়ভাগ
    PDF
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বইয়ের
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    সাহিত্য পর্যালোচনা

     

    কে উইল করিতে পারেন

    ৫৯ ধারা। সাবালক ও প্রকৃতিস্থ ব্যক্তিমাত্রই উইল করিতে পারেন। স্ত্রীলোক তাহার স্ত্রীধনু সম্পত্তি উইল করিতে পারেন। বধির, মূক ও অন্ধ ব্যক্তিও উইল করিতে পারেন, তবে তাহারা যে উইল করিতেছেন, ইহা তাহাদের বুঝা চাই। যে ব্যক্তি মধ্যে মধ্যে পাগল হন, তিনি যে সময়ে প্রকৃতিস্থ থাকেন সেই সময়ে উইল করিতে পারেন।

    উইল করিবার সময়ে উইলকৰ্ত্তার জ্ঞান থাকা উচিত। অত্যন্ত মাতাল অবস্থায় উইল হইতে পারে না; সেইরূপ, অত্যন্ত পীড়ায় অজ্ঞান হইলে উইল হইতে পারে না। তবে কেহ পীড়িত এবং দুৰ্ব্বল হইলেও তাহার সম্পত্তি সম্বন্ধে কিরূপ বন্দোবস্ত করা কৰ্ত্তব্য তাহা বিবেচনা করিবার ক্ষমতা যদি তাহার থাকে, তাহা হইলে তিনি উইল করিতে পারেন।

    ৬১ ধারা। স্বাধীন ইচ্ছায় উইল না করিলে তাহা সিদ্ধ হইবে না। উইলকৰ্ত্তাকে প্রতারিত করিয়া বা পীড়ন করিয়া বা অন্য কোনও প্রকারে তাহার স্বাধীন ইচ্ছ লোপ করিয়া যে উইল করান হয় তাহা অসিদ্ধ। যথা, কোন ব্যক্তিকে মিথ্যা করিয়া বলা হইল যে তাহার পুত্র মরিয়া গিয়াছে; ঐ ব্যক্তি তাহা শুনিয়া নিজের পুত্র মরিয়া গিয়াছে বিশ্বাস করিয়া উইল দ্বারা অপর ব্যক্তিকে সম্পত্তি দিলেন; ঐ উইল অসিদ্ধ। আনন্দ বলরামকে বলিলেন”তোমার সম্পত্তি যদি আমার নামে উইল করিয়া না দাও, তাহা হইলে আমি তোমাকে হত্যা করিব, কিংবা তোমার ঘর জালাইয়া দিব, কিংবা তোমাকে কোনও ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করাইব।” বলরাম ভয়ে আনন্দের নামে উইল করিলেন। ঐ উইল অসিদ্ধ হইবে।

     

    আরও দেখুন
    দায়ভাগ
    মিতাক্ষরা
    দায়ভাগ
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা অডিওবুক
    ই-বই ডাউনলোড
    বুক শেল্ফ
    বই পড়ুন

     

    উইল পরিবর্তন ও রহিত করণ

    ৬২ ধারা। উইলকৰ্ত্তা যে কোন সময়ে উইল পরিবর্তন বা রহিত করিতে পারেন।

    উইল সম্পাদন

    ৬৩ ধারা। উইলকর্ত্তা স্বয়ং উইলে স্বাক্ষর করিবেন বা (লেখাপড় না জানিলে) বুদ্ধাঙ্গুলির টিপ বা ঢেড়াসহি দিবেন; কিংবা তাঁহার আদেশমত তাঁহার সম্মুখে অন্য কেহ তাহার নাম দস্তখত করিবেন। যথা, কোনও ব্যক্তি হাতে পক্ষাঘাতবশত: লিখিতে অক্ষম; এরূপ অবস্থায় তাহার আদেশমত ও তাঁহার সম্মুখে অপর কেহ তাহার নাম স্বাক্ষর করিলেও চলিবে।

    উইলের মাথায় বা নীচে স্বাক্ষর করাই কৰ্ত্তব্য। একাধিক কাগজে উইল লিখিত হইলে প্রত্যেক কাগজের মাথায় বা নীচে উইলকর্তার ও সাক্ষীগণের স্বাক্ষর থাকা উচিত।

     

    আরও দেখুন
    দায়ভাগ
    মিতাক্ষরা
    দায়ভাগ
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বিনামূল্যে বই
    অনলাইন বই

     

    উইলে অন্ততঃ দুইজন সাক্ষী থাকা আবশ্যক। প্রত্যেক সাক্ষী উইলকৰ্ত্তার সম্মুখে স্বাক্ষর করবেন।

    ৬৮ ধারা। উইলে যাহাকে একজিকিউটার নিযুক্ত করা হয় বা কোন সম্পত্তি দান করা যায়, তিনিও ঐ উইলে সাক্ষী থাকিতে পারেন।

    উইল প্রত্যাহার

    ৭০ ধারা। নিম্নলিখিতরূপে উইল প্রত্যাহার করিতে হয়; যথা— প্রথম উইলখানি রহিত করিবার উদ্দেশ্যে দ্বিতীয় একখানি উইল যথারীতি সম্পাদন, এবং দ্বিতীয় উইলে উক্ত রহিতকরণের কথা লিখন, অথবা প্রথম উইলথানি ছিড়িয়া বা পোড়াইয়ী বা অন্য কোন প্রকারে নষ্ট করণ। শুধু বাচনিক ভাবে “অমুক তারিখের উইলখানি আমি রহিত করিলাম” এইরূপ বলিলে প্রত্যাহার করা হয় না।

    উইল পরিবর্তন

    ৭১ ধারা। উইল সম্পাদনের পর যদি ঐ উইলে কোনও অতিরিক্ত কথা লেখা যায়, বা কোনও কথা পরিবর্ত্তন করা বা কাটিয়া দেওয়া হয় তাহা হইলে সেই স্থলে উইলকর্ত্তা ও সাক্ষীগণের স্বাক্ষর থাকা আবশ্যক, নচেৎ তাহা সিদ্ধ হইবে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগান্ধীজি : ফিরে দেখা
    Next Article বঙ্গসুন্দরী – বিহারীলাল চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }