Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হিন্দুআইন (দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা) – বিভূতিভূষণ মিত্র

    বিভূতিভূষণ মিত্র এক পাতা গল্প160 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪. এজমালী সম্পত্তি ও বিভাগ (দায়ভাগ) – চতুর্থ অধ্যায়

    ১। এজমালী সম্পত্তি

    কোনও এজমালী পরিবারের কর্তাস্বরূপ পিতার যে সম্পত্তি থাকে–তাহা তাহার পৈতৃক সম্পত্তিই হউক বা ম্বোপার্জিত হউক—তাহার উপর তাহার জীবিতকালে তাহার পুত্ৰগণের কোনও দাবী চলিতে পারে না। অনেকের এইরূপ ধারণা আছে যে, কেহ যদি কোনও পৈতৃক সম্পত্তি প্রাপ্ত হন তাহা হইলে তিনি তাহা ইচ্ছামত হস্তান্তর বা উইল করিয়া তাহার পুত্রগণকে বঞ্চিত করিতে পারেন না। কিন্তু ইহা ভূল। দায়ভাগমতে, কোন হিন্দু তাহার পৈতৃক সম্পত্তি হউক, বা মনু কাহারও নিকট হইতে দান, উইল বা উত্তরাধিকারসূত্রে বা অন্য কোনরূপে প্রাপ্ত সম্পত্তি হউক, তিনি নিজ ইচ্ছামত যাহাকে ইচ্ছা দিতে পারেন, বা বিক্রয় করিতে পারেন, বা যেরূপ ভাবে ইচ্ছা (অর্থাৎ পুত্রগণকে না দিয়া বা তুল্য অংশে না দিয়া বা অন্য কাহাকেও দান করিয়া) উইল করিতে পারেন, তাহাতে পুত্রগণ কোনও আপত্তি করিতে পারেন না। পিতার জীবিতকালে ঐ সম্পত্তিতে পুত্ৰগণের কোনই স্বত্ব নাই। পিতার নিকট হইতে পুত্ৰগণ ঐ সম্পত্তির বিভাগের দাবি করিতে কিংবা ঐ সম্পত্তির হিসাব বা জমা খরচ চাহিতে পারেন না।

    পুত্র যদি নিজে সম্পত্তি উপার্জন করিয়া তাহা পিতার হস্তে না দেন–নিজে পৃথক রাখেন—তাহা হইলে সেই সম্পত্তিতে অবশ্য তাহারই স্বত্ব হইবে—তাঁহার পিতার বা ভ্রাতার হইবে না। কিন্তু পিতা বর্তমানে যদি পুত্র পৈতৃক বাটতে কোনও বুদ্ধি বা উন্নতি সাধন করেন, তাহা হইলেও ঐ উন্নতিতে পিতারই স্বত্ব হইবে, পুত্রের কোনও স্বত্ব হইবে না, এবং পিতা ইচ্ছা করিলে পুত্রকে ঐ বাটী হইতে তাড়াইয়া দিতে পারেন, তাহাতেও পুত্র পিতার নিকট হইতে কোন ক্ষতিপূরণ আদায় করিতে পরিবেন না (ধৰ্ম্মদাস বঃ অমূল্যধন, ৩৩ কালকাতা ১১১৯; বিজয় বঃ আশুতোষ, ১৩ কলিকাতা উইক্‌লি নোটস ৩৯৬)।

    পিতার মৃত্যুর পর পুত্ৰগণ পিতৃত্যক্ত সম্পত্তি এজমালীতে প্রাপ্ত হইয়া নিজ নিজ অংশ পৃথক করিয়া লইতে পারেন। তাঁহার নিজ অংশ ইচ্ছামত হস্তান্তরও করিতে পারেন; এবং বিভাগের পূৰ্ব্বে কোনও ভ্রাতার মৃত্যু হইলে তাহার অংশ তাহার ওয়ারিসে বৰ্ত্তিবে।

    যে স্থলে কয়েক ব্যক্তি মিলিয়া সম্পত্তি এজমালীতে ভোগ করেন, সে স্থলে প্রায় একব্যক্তি কর্ত্তা বা ম্যানেজারস্বরূপ সমস্ত সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণ করিয়া থাকেন। সম্পত্তি সম্বন্ধে উক্ত কৰ্ত্তার ক্ষমতা খুব বেশী। তিনি যে কাৰ্য্য করিবেন, তাহা দ্বারা অন্য ব্যক্তিগণ বাধ্য থাকিবেন। তিনি ইচ্ছা করিলে সম্পত্তির সমস্ত আয়ই পারিবারিক প্রয়োজনের জন্য খরচ করিতে পারেন। তিনি সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য কোনও পারিশ্রমিক বা সম্পত্তির কিছু অতিরিক্ত অংশ পাইবেন না। তিনি যদি সম্পত্তি হইতে কিছু আত্মসাৎ করেন, কিংবা পারিবারিক প্রয়োজন ব্যতীত অন্য কোনও কার্য্যে কোন ব্যয় করেন, তাহা হইলে তজ্জন্য তিনি দায়ী হইবেন। এজমালী পরিবারের কন্যাগণের বিবাহ, বালকদের উপনয়নও বিদ্যাশিক্ষা, পরিবারবর্গের ভরণপোষণ, পৈতৃক ঋণ পরিশোধ, পূজা, ধৰ্ম্মকাৰ্য্য, বিগ্রহসেবা, শ্ৰাদ্ধ, প্রয়োজনীয় মামলা মোকদ্দমা চালান, রাজস্বদান—এই সকল কাৰ্য্যকে পারিবারিক প্রয়োজন বলা হয়, এবং এই কাৰ্য্যগুলির জন্য উক্ত কর্ত্তা এজমালী সম্পত্তির আয় হইতে অর্থব্যয় করিতে ক্ষমতাপন্ন, এমন কি সম্পত্তির আয় হইতে সঙ্কুলান না হইলে ঋণ করিতেও পারেন; কিন্তু এই সকল পারিবারিক প্রয়োজন ব্যতীত অন্য কোনও কার্য্যে অর্থব্যয় করিতে পারিবেন না, করিলেও তিনি তজ্জন্য নিজে দায়ী হইবেন।

     

    আরও দেখুন
    দায়ভাগ
    দায়ভাগ
    মিতাক্ষরা
    পিডিএফ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা বই

     

    ২। বিভাগ

    স্থাবর এবং অস্থাবর উভয় প্রকার এজমালী সম্পত্তিরই বিভাগ হইতে পারে। তবে কতকগুলি সম্পত্তি আছে, যাহা বিভাগ করা অসম্ভব, যথা পুষ্করিণী, মন্দির, কোন শিল্পদ্রব্য (বহুমূল্য চিত্র ইত্যাদি) গাড়ি, ঘোড়া, মণিমাণিক্য, পারিবারিক বিগ্রহ, সম্পত্তির দলিল ইত্যাদি; এইগুলির মধ্যে পুষ্করিণী এজমালীতে ভোগ করা ভিন্ন উপায় নাই; বিগ্রহসেবা পালা করিয়া চলিতে পারে; আর অপর দ্রব্যগুলি একজন লইয়া তিনি অপর ব্যক্তিগণকে ক্ষতিপূরণস্বরূপ কিছু অর্থ দিতে পারেন।

    বৰ্দ্ধমান রাজ, দ্বারবঙ্গ রাজ, প্রভৃতি রাজসম্পত্তিগুলিবিভাগ করা চলে না; এই সকল অবিভাজ্য এষ্টেট সম্বন্ধে পরে লিখিত হইয়াছে।

    সম্পত্তি ভাগ করিবার পূৰ্ব্বে, পারিবারিক ঋণ থাকিলে তাহা পরিশোধ করিবার জন্য যথেষ্ট টাকা পৃথক করিয়া রাখা উচিত; পরিবারের মধ্যে অবিবাহিতা কন্যা থাকিলে তাহার বিবাহের ব্যয়ের জন্যও যথেষ্ট অর্থ বা সম্পত্তি পৃথক্ রাখা উচিত; পারিবারিক সম্পত্তির উপর কাহারও ভরণপোষণের দাবী থাকিলে তজ্জন্যও পৃথক সম্পত্তি রাখা উচিত। এরূপ ভাবে সম্পত্তি পৃথক রাখিলে ভবিষ্যতে কোনও গোলমালের সম্ভাবনা থাকে না। অনেক স্থলে সম্পত্তি পৃথক না রাখিয়া মেম্বরগণ এরূপ চুক্তি করিয়া লন যে অমুক অমুক ব্যয়ভারগুলি অমুক অমুক ব্যক্তি বহন করিবেন। ইহা করিলেও চলে।

     

    আরও দেখুন
    দায়ভাগ
    দায়ভাগ
    মিতাক্ষরা
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বুক শেল্ফ
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা সাহিত্য

     

    যাহা হউক, এই সকল ব্যবস্থা করিয়া তাহার পর সম্পত্তি বিভাগ হইবে। বিভাগ হইলে যাঁহারা যাঁহারা যেরূপ অংশ পাইবেন, তাহা নিম্নে বিস্তৃতরূপে লিখিত হইল :–

    পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র

    পিতা বর্তমানে তাঁহার সম্পত্তিতে পুত্ৰগণের কোনও স্বত্ব নাই এবং পুত্ৰগণ ঐ সম্পত্তির বিভাগের দাবি করিতেও পারেন না। কিন্তু পিতার মৃত্যুর পর পুত্ৰগণের মধ্যে এজমালী সম্পত্তির বিভাগ হইতে পারে। তাহদের মধ্যে এক ভ্রাতা যদি পুত্র রাখিয়া পূৰ্ব্বেই পরলোকগমন করিয়া থাকেন, তাহা হইলে ঐ ভ্রাতার অংশ তাঁহার পুত্রে বৰ্ত্তিবে। এইরূপে সপিণ্ডগণ পৰ্য্যন্ত অর্থাৎ মূলব্যক্তি হইতে গণনা করিয়া চারি পুরুষ পৰ্য্যন্ত ওয়ারিসের মধ্যে সম্পত্তির ভাগ হইবে। যথা :–

    • আনন্দ
      • বলরাম
      • চন্দ্র (মৃত)
        • ঈশান
        • ফণী
      • দয়াল (মৃত)
        • গঙ্গাধর (মৃত)
          • হরি
          • ইন্দ
          • যদু
        • কালীনাথ (মৃত)
          • লক্ষ্মীকান্ত (মৃত)
            • মহেন্দ্র (মৃত)
              • নরেন্দ্র

    যদি আনন্দের মৃত্যুকালে তাঁহার প্রথম পুত্র বলরাম থাকেন, এবং চন্দ্র নামক দ্বিতীয় মৃত পুত্রের দুই পুত্র ঈশান ও ফণী থাকেন, এবং দয়াল নামক তৃতীয় মৃত পুত্রের গঙ্গাধর নামক এক মৃত পুত্রের তিন পুত্ৰ হরি, ইন্দ্র এবং যদু থাকেন, এবং কালীনাথ নামক চতুর্থ মৃত পুত্রের লক্ষ্মীকাণ্ড নামক মৃত পুত্রের মহেন্দ্র নামক মৃত পুত্রের নরেন্দ্র নামক এক পুত্র থাকেন, তাহা হইলে এই শেষোক্ত নরেন্স তাহার বৃদ্ধ প্রপিতামহ আনন্দের কোনই সম্পত্তির অংশ পাইবেন না, কারণ তিনি আনন্দ হইতে চারি পুরুষের মধ্যে নহেন। আনন্দের সম্পত্তি উক্ত স্থলে তিন অংশে বিভক্ত হইয়া এক তৃতীয়াংশ তাহার প্রথম পুত্র বলরাম পাইবেন; অপর এক তৃতীয়াংশ মৃত পুত্র চন্দ্রের পুত্রদ্বয় ঈশান ও ফণী তুল্যাংশে (প্রত্যেকে ১/৬) পাইবেন, এবং তৃতীয় অংশ মৃত পৌত্র গঙ্গাধরের তিন পুত্র হরি, ইন্দ্র এবং যদু তুল্যাংশে (প্রত্যেকে ১/৯) পাইবেন।

     

    আরও দেখুন
    দায়ভাগ
    মিতাক্ষরা
    দায়ভাগ
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    ই-বই ডাউনলোড
    বুক শেল্ফ
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন

     

    পিতার মৃত্যুর পর পুত্ৰগণ সম্পত্তি ভাগ করিবার সময়ে যদি তাহাদের মাতা গর্ভবতী থাকেন, তাহা হইলে যতদিন পৰ্যন্ত গর্ভস্থ সন্তান ভূমিষ্ঠ না হয়, ততদিন বিভাগ স্থগিত রাখা কৰ্ত্তব্য। কারণ যদি ঐ গর্ভে পুত্র সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়, তাহা হইলে সে এক অংশ পাইতে স্বত্ববান হইবে, এবং তাহাকে এক অংশ দিতেই হইবে। সুতরাং যদি ঐ পুত্র সন্তান ভূমিষ্ঠ হইবার পূৰ্ব্বেই অন্য পুত্ৰগণ সম্পত্তি ভাগ করিয়া লয়, তাহা হইলে ঐ পুত্র সন্তান জন্মিবার পরে আবার সমস্ত বিভাগটা রহিত করিয়া ফেলিয়া নূতন করিয়া বিভাগ করিতে হইবে। সেই জন্তই, গর্ভস্থ সন্তান ভূমিষ্ঠ না হওয়া পৰ্য্যন্ত ঐ কয়েক মাস অপেক্ষা করা উচিত।

    সহোদর ও বৈমাত্র ভ্রাতায় কোনও প্রভেদ নাই, সকলেই তুল্যাংশে পাইবেন। অনেকের এইরূপ ভুল ধারণা আছে ষে যদি এক পত্নীর গৰ্ত্তজাত এক পুত্র থাকে, এবং আর এক পত্নীর গর্ভজাত দুই পুত্র থাকে, তাহা হইলে সম্পত্তি দুই ভাগে বিভক্ত হইবে এবং অৰ্দ্ধাংশ প্রথম পত্নীর গর্ভজাত পুত্র পাইবে, অপর অৰ্দ্ধাংশ দ্বিতীয় পত্নীর গর্ভজাত পুত্রদ্বয় পাইবে। কিন্তু ইহা সম্পূর্ণ ভুল; সম্পত্তি তিন ভাগে বিভক্ত হইয়া প্রত্যেকে একতৃতীয়াংশ পাইবে।

    মাতা, বিমাতা

     

    আরও দেখুন
    দায়ভাগ
    মিতাক্ষরা
    দায়ভাগ
    অনলাইন বই
    বইয়ের
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ভাষা
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার

     

    মনু প্রভৃতি শাস্ত্রকারগণ মাতার জীবদ্দশায় পুত্রগণকে সম্পত্তি বিভাগ করিতে নিষেধ করিয়াছেন। কিন্তু টীকাকারগণ বলিয়াছেন যে উহ সামান্য নিষেধ মাত্র, শাস্ত্রের আদেশবাক্য নহে। যাহা হউক, মূল শাস্ত্রকারগণ অপেক্ষা টীকাকারগণের মতই অধিক প্রবল, সুতরাং মাতার জীবিতকালে পুত্ৰগণ সম্পত্তি বিভাগ করিলে তাহা অসিদ্ধ হয় না।

    পুত্ৰগণের মধ্যে বিভাগের সময় মাতা প্রত্যেক পুত্রের সমান এক অংশ পাইবেন (অমৃতলাল ব: মাণিকলাল, ২৭ কলিকাতা ৫৫১)। মাতা ও চারি পুত্র থাকিলে সম্পত্তি পাঁচ ভাগে বিভক্ত হইবে, এবং মাতা এক পঞ্চমাংশ পাইবেন। কিন্তু এ স্থলে ইহা বিশেষরূপে স্মরণ রাখা উচিত যে, একাধিক পুত্ৰ থাকিলেই তবে মাতা এক অংশ পাইয়া থাকেন। যদি মাতা ও একটীমাত্র পুত্র থাকে, তাহা হইলে মা ভা ও পুত্রে বিভাগ হইয়া প্রত্যেকে অৰ্দ্ধাংশ পাইবেন না; পুত্রই সমস্ত সম্পত্তি পাইবে, এবং মাতা ঐ সম্পত্তি হইতে কেবলমাত্র ভরণপোষণ পাইবেন। একাধিক পুত্ৰ থাকিলে যতদিন পৰ্য্যন্ত বিভাগ না হয়, ততদিন মাতা কোনও অংশ পান না, কেবলমাত্র ভরণপোষণ পাইয়া থাকেন; পুত্ৰগণের মধ্যে বিভাগ হইলেই মাতা এক অংশ প্রাপ্ত হন। আর পুত্ৰগণ যতদিন এজমালীতে থাকে, ততদিন মাতা সম্পত্তি বিভাগের দাবী করিতেও পারেন না (চৌধুরী গণেশ বঃ জীব(চ ঠাকুরাণী, ৩১ কলিকাতা ২৬২ প্রিভি কৌন্সিল)।

     

    আরও দেখুন
    দায়ভাগ
    মিতাক্ষরা
    দায়ভাগ
    অনলাইন বুক
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্য
    বিনামূল্যে বই
    সেবা প্রকাশনীর বই

     

    মাত-যে সম্পত্তি প্রাপ্ত হন তাহাতে তাঁহার নিবুঢ়ি স্বত্ব জন্মায় না, বা উহ। তাহার স্ত্রীধন সম্পত্তি বলিয়া গণ্য হয় না; তিনি ঐ সম্পত্তি ভরণপোষণবাবদ পাইয়া থাকেন, সুতরাং উহাতে তাঁহার মাত্র জীবনস্বত্ব থাকে; এবং তাহার মৃত্যুর পর ঐ সম্পত্তি তাহার পুত্ৰগণে বর্তিবে।

    বিধবা যদি তাঁহার স্বামীর নিকট হইতে পৃথকরূপে কিছু স্ত্রীধন সম্পত্তি পাইয়া থাকেন এবং ঐ সম্পত্তি তাঁহার ভরণপোষণের ব্যয়নির্বাহপক্ষে যথেষ্ট হয়, তাহা হইলে আর তিনি তাঁহার পুত্ৰগণের মধ্যে বিভাগ হইবার সময়ে কোনও অংশ পাইবেন না। কিন্তু তিনি যদি তাহার নিজের পিতার নিকট হইতে উত্তরাধিকারসূত্রে কোনও সম্পত্তি পাইয়া থাকেন, তাহা হইলেও তিনি পুত্ৰগণের নিকট হইতে অংশ পাইতে বঞ্চিত হইবেন না (জগবন্ধু বঃ রাজেন্দ্র, ৩৪ কলিকাতা ল জার্ণাল ২৯)। সেইরূপ, তিনি যদি তাহার কোন মৃত পুত্রের ওয়ারিশস্বরূপ তাহার অংশ পাইয়া থাকেন, তাহা হইলেও পরে অপর পুত্ৰগণের মধ্যে বিভাগ হইবার সময়ে এক অংশ পাইবেন (স্বরেন্দ্র ব: হেমাঙ্গিনী, ৩৬ কলিকাতা ৭৫)।

    পিতা যদি উইল দ্বারা তাহার সম্পত্তি পুত্রগণকে দিয়া গিয়া থাকেন, এবং পুত্ৰগণ ঐ সম্পত্তি বিভাগ করে, তাহা হইলে মাতা ঐ সম্পত্তি হইতে কোন অংশ পাইবেন না, কেবলমাত্র ভরণপোষণ পাইবেন (দেবেন্দ্র ব: ব্ৰজেন্দ্র, ১৭ কলিকাতা ৮৮৬)।

     

    আরও দেখুন
    মিতাক্ষরা
    দায়ভাগ
    দায়ভাগ
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা কবিতা
    গ্রন্থাগার
    উপন্যাস সংগ্রহ
    ই-বই ডাউনলোড
    Library

     

    মাতার অংশ সম্বন্ধে আর একটী কথা জানিয়া রাখা বিশেষ আবশ্যক। স্বামীর সম্পত্তিবিভাগেই বিধবা অংশ পাইয়া থাকেন; পুত্ৰগণের স্বোপার্জিত সম্পত্তির বিভাগে মাতা কোন অংশ প্রাপ্ত হন না। যদি তিন ভ্রাতা এজমালীতে কোনও সম্পত্তি উপার্জন করে, এবং পরে ঐ সম্পত্তি বিভাগে প্রবৃত্ত হয়, তাহা হইলে তাহদের বিধবা মাতা পুত্ৰগণের ঐ স্কোপার্জিত সম্পত্তিতে কোনও অংশ পাইবেন না। যদি ঐ সম্পত্তি তাহাদের পৈতৃক সম্পত্তি হইত তাহা হইলে সেই সম্পত্তি বিভাগে তাহদের মাতা অংশ পাইতেন, কারণসেম্বলে উহা ঐ বিধবার স্বামীর সম্পত্তি হইত।

    বিমাতা তাহার সপত্নীর গর্ভজাত পুত্ৰগণের নিকট হইতে সম্পত্তির এক অংশও পাইবেন না, কেবলমাত্র ভরণপোষণই পাইবেন। তবে যদি তাহার নিজ গর্ভজাত পুত্র থাকে তাহা হইলে তিনি অবশ্যই মাতাস্বরূপ তাহাদের নিকট হইতে এক অংশ পাইতে পারিবেন। কেহ যদি এক বিধবা পত্নী রাখিয়া যান, এবং অপর মৃত পত্নীর গভর্জাত তিন পুত্র রাখিয়া যান, তাহা হইলে সম্পত্তি মাত্র তিন ভাগে বিভক্ত হইবে এবং পুত্ৰগণ প্রত্যেকে এক তৃতীয়াংশ পাইবেন; কিন্তু তাহাদের বিমাতা এক অংশও পাইবেন না, কেবলমাত্র ভরণপোষণই পাহবেন। যদি কেহ দুইটী বিধবা পত্নী রাখিয়া যান, এবং প্রত্যেক পত্নীর গভজাত একটী করিয়া পুত্র থাকে তাহা হইলে সম্পত্তি দুই ভাগে বিভক্ত হইয়া প্রত্যেক পুত্র অৰ্দ্ধাংশ পাইবে; কিন্তু তাহাদের মাতাদ্বয় কিছুই পাইবেন না, কারণ প্রত্যেকের একটীমাত্র পুত্র রহিয়াছে, একমাত্র পুলের নিকট হইতে মাতা কিছুই অংশ পাইবেন না। যদি কেহ দুইটী বিধবা পত্নী রাখিয়া যান এবং প্রথম পত্নীর গভে এক পুত্র ও দ্বিতীয় পত্নীর গর্তে তিন পুত্র থাকে তাহা হইলে সম্পত্তি প্রথমে চারি ভাগে বিভক্ত হইয়া ঐ প্রথম পত্নীর গভজাত এক পুত্র চতুর্থাংশ অর্থাৎ চারি আন অংশ পাইবে বাকী বার আন অংশ চারি ভাগে বিভক্ত হইয়া ঐ দ্বিতীয় বিধবা এবং তাহার গভজাত তিন পুত্ৰ—এই চারিজন প্রত্যেকে তিন আনা করিয়া পাইবেন (হেমাঙ্গিনী বঃ কেদার, ১৬ কলিকাতা ৭৫৮)। কিন্তু যদি ঐ পত্নীর গভে দুই পুত্র থাকিত তাহা হইলে সম্পত্তি সাত ভাগে বিভক্ত হইয়া ঐ দুই বিধবা এবং পাঁচ পুত্র এই সাতজনের প্রত্যেকে এক এক অংশ (১/৭) পাইতেন।

     

     

    পিতামহী

    পৌত্রগণের মধ্যে সম্পত্তি বিভাগ হইলে পিতামহীও পৌত্ৰগণের সমান এক অংশ পাইয়া থাকেন। চার পৌত্র ও তাহদের পিতামহী থাকিলে সম্পত্তি পাঁচ ভাগে বিভক্ত হইয়া পিতামহী এক পঞ্চমাংশ পাইবেন। একাধিক পৌত্র থাকিলে এবং তাহাদের মধ্যে বিভাগ হইলেই পিতামহী অংশ পান; কিন্তু যদি শুধু একটী মাত্র পৌত্র থাকে, তাহা হইলে সম্পত্তি বিভাগ হইবে না, পৌত্রই সমস্ত সম্পত্তি পাইবে, আর পিতামহী শুধু ভরণপোষণ পাইবেন। একটী পৌত্র, তাহার মাতা ও পিতামহী থাকিলেও ঐরূপ; পৌত্রই সম্পত্তি পাইবে আর মাতা ও পিতামহী শুধু ভরণপোষণ পাইবেন।

    পৌত্ৰগণ যদি পিতামহীর এক পুত্রের পুত্র হয়, তাহা হইলে পিতামহীর অংশ নির্দিষ্ট করা কিছু কঠিন হয় না, যথা :–

    • সিদ্ধ্বেশ্বরী
      • অভয় (মৃত)
        • বলরাম
        • চন্দ্র
        • দয়াল

    এস্থলে সিদ্ধেশ্বরীর অভয় নামে একটীমাত্র পুত্র ছিল, তাহার পরলোক গমনের পর তাহার তিন পুত্র সম্পত্তি বিভাগ করিতেছে। এখানে সম্পত্তি চারিভাগে বিভক্ত হইবে, এবং সিদ্ধেশ্বরী ও তাঁহার তিন পৌত্র প্রত্যেকে চারি আনা অংশ পাইবেন।

     

     

    কিন্তু যদি পৌত্রগণ ভিন্ন ভিন্ন পুত্রের পুত্র হয়, তাহা হইলে পিতামহীর অংশ স্থির করা একটু কঠিন হয়। যথা:–

    • সিদ্ধ্বেশ্বরী
      • অভয় (মৃত)
        • দুই পুত্র
      • বলরাম (মৃত)
        • এক পুত্র
      • আশুতোষ (মৃত)
        • দুই পুত্র
      • চন্দ্রনাথ (মৃত)
        • তিন পুত্র

    এখানে পৌত্ৰগণ সিদ্ধেশ্বরীর এক পুত্রের পুত্র নহে, চারি জন ভিন্ন ভিন্ন পুত্রের পুত্র। আর ঐ পৌত্ৰগণ সকলে সমান অংশ পাইবে না; অভয়ের প্রত্যেক পুত্র যাহা পাইবে, চন্দ্রনাথের প্রত্যেক পুত্র তাহা পাইবে না, আর চন্দ্রনাথের প্রত্যেক পুত্ৰ যাহা পাইবে বলরামের পুত্র তাহা পাইবে না; সকলেরই অংশ অসমান। এদিকে নিয়ম কর। হইয়াছে যে, পিতামহী পৌত্ৰগণের সমান অংশ পাইবে; কিন্তু সিদ্ধেশ্বরী কোন পৌত্রের সমান অংশ পাইবে? সকলের অংশ তো সমান নয়। এস্থলে নিয়ম এই যে, প্রথমতঃ পিতামহীকে একজন পৌত্রস্বরূপ গণন করিতে হইবে; তাহা হইলে সিদ্ধেশ্বরী+২+১+২+৩-৯ জন হইল; সম্পত্তি ৯ ভাগে বিভক্ত করিতে হইবে, এবং সিদ্ধেশ্বরীকে ভাগ দেওয়া হইবে; তাহার পর বাকী ৮/৯ অংশ সিদ্ধেশ্বরীর যতগুলি পুত্র ছিল ততগুলি ভাগ হইবে; অর্থাৎ ৮/৯ অংশ চারিভাগে বিভক্ত হইবে; তাহা হইলে প্রত্যেক ভাগ হইল ২/৯; এখন ঐ ২/৯ অংশ অভয়ের পুত্রদ্বয় (প্রত্যেকে ১/৯ করিয়া) লইবে; ২/৯ অংশ বলরামের পুত্ৰ লইবে; ২/৯ অংশ আশুতোযের পুত্রদ্বয় (প্রত্যেকে ১/৯ হিসাবে) লইবে; এবং ২/৯ অংশ চন্দ্রনাথের তিন পুত্র (প্রত্যেকে ২/২৭ অংশ) লইবে।

     

     

    পুত্র এবং পৌত্ৰগণের মধ্যে বিভাগ হইলে, পিতামহী তাঁহার পুত্রদের সমান অংশ পাইবেন, পৌত্রদের সমান অংশ পাইবেন না। যথা—

    • আনন্দ (মৃত) = সিদ্ধেশ্বরী
      • বলরাম
      • চন্দ্র (মৃত)
      • দয়াল
      • ঈশান
      • ফণী

    আনন্দ নামে এক ব্যক্তি তাঁহার বিধবা পত্নী সিদ্ধেশ্বরীকে রাখিয়া এবং বলরাম, চন্দ্র ও দয়াল নামে তিন পুত্র রাখিয়া পরলোকগমন করেন; পরে চন্দ্র নামক পুত্রটা ঈশান ও ফণী নামক দুই পুত্রকে রাখিয়া পরলোকগমন করিলেন। তখন ঈশান ও ফণী তাঁহাদের কাকা ও জ্যেঠার নিকট হইতে সম্পত্তি পৃথক করিয়া বিভাগ করিয়া লইলেন। এস্থলে সিদ্ধেশ্বরী, বলরাম বা দয়ালের সমান এক অংশ পাইবেন, ঈশান বা ফণীর সমান অংশ পাইবেন না। সিদ্ধেশ্বরীর তিন পুত্রের মধ্যে যেন সম্পত্তি বিভাগ হইতেছে এইরূপ ভাবে তিনি অংশ পাইবেন। অর্থাৎ ঐ সম্পত্তি চারি ভাগে বিভক্ত হইয়া সিদ্ধেশ্বরী, বলরাম ও দয়াল প্রত্যেকে চারি আন অংশ, এবং ঈশান ও ফণী প্রত্যেকে দুই আনা অংশ পাইবেন।

     

    আরও দেখুন
    দায়ভাগ
    মিতাক্ষরা
    দায়ভাগ
    সাহিত্য পত্রিকা
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    গ্রন্থাগার
    উপন্যাস সংগ্রহ

     

    যদি বিভাগের সময়ে পিতামহী, পৌত্রগণ ও পৌত্ৰগণের মাতা থাকে তাহা হইলে সকলের অংশ নিম্নলিখিতরূপে স্থির করিতে হইবে :–

    • আনন্দ (মৃত) = সিদ্ধেশ্বরী
      • বলরাম (মৃত) = রাজলক্ষ্মী
        • চন্দ্রনাথ
        • দয়াল

    এই উদাহরণে আনন্দের জীবিতকালেই বলরামের মৃত্যু হইয়াছিল। এস্থলে চন্দ্রনাথ ও দয়ালের মধ্যে বিভাগের সময়ে সিদ্ধেশ্বরী তাহাদের এক অংশ পাইবেন, অর্থাৎ সম্পত্তি প্রথমে তিন অংশে বিভক্ত হইয়া সিদ্ধেশ্বরী একতৃতীয়াংশ পাইবেন। তাহার পর বাকী ২/৩ অংশ তিন ভাগে বিভক্ত হইয়া রাজলক্ষ্মী, চন্দ্রনাথ ও দয়াল প্রত্যেকে তাহার একতৃতীয়াংশ পাইবেন; অর্থাৎ এই তিন জন প্রত্যেকে সম্পত্তির ২/৯ অংশ পাইবেন। (পূৰ্ণচন্দ্র বঃ সরোজিনী, ৩১ কলিকাতা ১০৬৫)।

     

    আরও দেখুন
    মিতাক্ষরা
    দায়ভাগ
    দায়ভাগ
    বাংলা বই
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    পিডিএফ
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    সেবা প্রকাশনী বই

     

    পৌত্রগণ এজমালীতে থাকিলে পিতামহী সম্পত্তি বিভাগের দাবী করিতে পারেন না।

    পিতার বিমাতা সপত্নীপৌত্রের নিকট হইতে কোনও অংশ প্রাপ্ত হন ন, শুধু ভরণপোষণ পাইয়া থাকেন।

    মাতার অংশ আলোচনা করিবার সময়ে লিখিত হইয়াছে যে, স্বামীর সম্পত্তি বিভাগেই বিধবা অংশ পাইয়া থাকেন, পুত্ৰগণের স্কোপার্জিত সম্পত্তির বিভাগে মাতা তাহাতে অংশ প্রাপ্ত হন না। পিতামহী সম্বন্ধেও ঐ নিয়ম প্রয়োজ্য হয়। পৌত্রগণের স্বোপার্জিত সম্পত্তির বিভাগে পিতামহী অংশ পাইতে পারেন না। যদি আনন্দ নিজে সম্পত্তি অর্জন করিয়া মাতা, পত্নী, এবং চন্দ্র ও বলরাম নামে দুই পুত্র রাখিয়া পরলোক গমন করেন, তাহা হইলে ঐ পুত্রদ্বয়ের মধ্যে সম্পত্তির বিভাগ হইলে তাহদের মাতা অর্থাৎ আনন্দের বিধবা পত্নী অংশ পাইবেন, কিন্তু তাহাদের পিতামহী অর্থাৎ আনন্দের মাতা অংশ পাইবেন না। যদি সম্পত্তি আনন্দের পৈতৃক সম্পত্তি হইত তাহা হইলে আনন্দের মাতা অবশ্যই অংশ পাইতেন। বলরাম ও চন্দ্র যদি নিজেবা সম্পত্তি উপাৰ্জ্জন করিয়া বিভাগ করেন, তবে তাহাতে তাঁহাদের মাতা অথবা পিতামহী কেহই কোন অংশ পাইবে না।

    প্রপিতামহী

    যদি শুধু প্রপিতামহী এবং প্রপৌত্রগণ থাকে, এবং মাঝে পুত্র বা পৌত্র না থাকে, তাহা হইলে প্রপৌত্ৰগণের মধ্যে সম্পত্তি বিভাগ হইলে প্রপিতামহী কোনও অংশ প্রাপ্ত হন না, কেবলমাত্র ভরণপোষণ পাইয়া থাকেন। তবে যদি মাঝে পুত্র বা পৌত্ৰগণ থাকে, তাহা হইলে প্রপিতাকা তাহার পুত্র বা পৌত্ৰগণের নিকট হইতে অংশ পাইবেন।

    অবিবাহিত ভগ্নী

    ভ্রাতাগণের মধ্যে বিভাগের সময়ে অবিবাহিতা ভগ্নী থাকিলে, সে সম্পত্তির কোনও অংশ পাইবে না; সে শুধু বিবাহ পৰ্য্যন্ত হিন্দু আইন ভরণ পোষণ পাইবে, আর তাহার বিবাহের ব্যয় ঐ সম্পত্তি হইতে নির্বাহ হইবে।

    সম্পত্তি বিভাগের দাবী

    যাঁহারা যাঁহার এজমালীতে সম্পত্তি দখল করিতেছেন, তাহাদের মধ্যে যে কোনও ব্যক্তি (স্ত্রীলোকই হউন, বা পুরুষই হউন) সম্পত্তি বিভাগের জন্য দাবী করিতে এবং নালিস করিতে পারেন। যথা :–

    • আনন্দ
      • বলরাম
      • চন্দ্র–স্ত্রী
      • দয়াল
        • কন্যা
      • গঙ্গারাম
        • কন্যা (মৃত)
          • পুত্র

     

    আনন্দের মৃত্যুর পর তাঁহার চারি পুত্র বলরাম, চন্দ্র, দয়াল ও গঙ্গারাম পৈতৃক সম্পত্তি এজমালীতে দখল করিতে লাগিলেন। এখন ঐ চারি ভ্রাতার মধ্যে যে কেহ ঐ সম্পত্তি বিভাগের জন্য দাবী করিতে পারেন। কিন্তু তাহারা যদি বিভাগ না করেন, এবং পরে চন্দ্র অপুত্রক অবস্থায় এক পত্নী রাখিয়া পরলোক গমন করেন, পরে দয়াল এক কন্যা রাখিয়া এবং গঙ্গারাম এক দৌহিত্র রাখিয়া পরলোকগমন করেন, তাহা হইলে বলরাম, চন্দ্রের বিধবা পত্নী, দয়ালের কন্যা এবং গঙ্গারামের দৌহিত্র এই চারিজনে মিলিয়া ঐ সম্পত্তি এজমালীতে দখল করিবেন, এবং এই চারিজনের মধ্যে যে কোনও ব্যক্তি বিভাগের জন্য দাবী করিতেও পরিবেন।

    পূৰ্ব্বেই লিখিত হইয়াছে যে, মাতা ও পিতামহী স্থল বিশেষে সম্পত্তি বিভাগে অংশ পাইয়া থাকেন বটে, কিন্তু তাঁহারা বিভাগের জন্য দাবী করিতে পারেন না।

    নাবালকও সম্পত্তি বিভাগের জন্য দাবী করিতে পারেন। আরও, সম্পত্তি বিভাগের সময় কোনও অংশ যদি নাবালক থাকেন, এবং ঐ নাবালক যদি সাবালক হইয়া দেখাইতে পারেন যে বিভাগের সময়ে প্রতারণা ক্রমে অথবা অমনোযোগিতা বশত: অন্যান্য অংশীগণ তাঁহাকে কম অংশ দিয়াছেন বা তাহার স্বার্থের হানি করিয়াছেন, তাহা হইলে ঐ বিভাগ রহিত হইয়া পুনরায় ভাল করিয়া বিভাগ হইবে (১৯ বোম্বাই ৫৯৩)।

    এজমালী পরিবারের কোনও মেম্বর ঘদি বিভাগের পূৰ্ব্বে তাঁহার অবিভক্ত অংশ কোনও ব্যক্তির নিকট বিক্রয় করিয়া থাকেন, তাহা হইলে ঐ খরিদদারও বিভাগ সম্বন্ধে উক্ত মেম্বরের সমান স্বত্ব পাইবেন, অর্থাৎ তিনি তাঁহার অংশ পৃথক করিয়া লইবার জন্য বিভাগের দাবী করিতে এবং নালিস করিতে পারিবেন।

    কিন্তু মাতা ও পিতামহী সম্পত্তি বিভাগের পূৰ্ব্বে কোনও অংশ পাইতে পারেন না, বিভাগ হইলেই তবে অংশ পাইয়া থাকেন; সুতরাং যদি কোনও পরিবারে মাতা এবং তিন পুত্র থাকে, এবং বিভাগের পূৰ্ব্বে মাতা যদি একচতুর্থাংশ সম্পত্তি কোনও আইনসঙ্গত আবশ্যকতা দেখাইয়া হস্তান্তর করেন, তাহা হহলে ঐ হস্তান্তর অসিদ্ধ হইবে, এবং খারদার কোনও স্বত্ব পাইবেন না, বা বিভাগের জন্যও দাবী কারতে পারিবেন না।

    অন্যান্য কথা

    এজমালী পরিবারের কোনও মেম্বর জন্মান্ধ বা উন্মাদগ্ৰস্ত বা কুষ্ঠগ্রস্ত হইলে তিনি সম্পত্তি বিভাগের সময়ে কোনও অংশ পাইতে পারেন না। এরূপ অবস্থায়, তিনি যেন মৃত এইরূপ গণ্য হইবে, এবং তাহার অংশ তাহার ওয়ারিশকে দেওয়া হইবে। যথা, যদি চারি ভ্রাতা থাকে এবং তন্মধ্যে এক ভ্রাতা জন্মান্ধ হন, তাহা হইলে জন্মান্ধ ভ্রাতা কোনও অংশ পাইবেন না, কিন্তু যদি সে সময়ে তাঁহার পুত্র থাকে, তাহা হইলে ঐ পুত্রই এক চতুর্থাংশ পাইবে। কিন্তু বিভাগের সময়েই ওয়ারিস থাকিলে, তাহাকে দেওয়া হইবে, বিভাগের পরে ওয়ারিস জন্মিলে দেওয়া হইবে না। যদি এইরূপ হয় যে, সম্পত্তিবিভাগের সময়ে জন্মান্ধ ভ্রাতা অবিবাহিত আছেন, তাহা হইলে অপর তিন ভ্রাতাই সম্পত্তি তিনভাগে বিভক্ত করিয়া লইবেন; এবং বিভাগের পর যদি তাহার বিবাহ হইয় পুত্র জন্মায়, তাহা হইলে ঐ পুত্র আর কোনও অংশ পাইবেন, কারণ সে জন্মিবার পূৰ্ব্বেই বিভাগ হইয়া গিয়াছে। বিভাগের সময়ে যদি জন্মান্ধ ভ্রাতার শুধু স্ত্রী থাকিত, পুত্র না থাকিত, তাহা হইলে ঐ স্ত্রীকে এক চতুর্থাংশ দেওয়া হইত।

    স্থল বিশেষে এই বিষয়টা আরও জটিল হইয়া পড়ে। যথা—

    • আনন্দ
      • বলরাম
      • চন্দ্র (মৃত)
        • ঈশান
      • দয়াল (মৃত)
        • ফণী (মৃত)
          • হরি
        • কালীনাথ (মৃত)
          • গঙ্গাধর (মৃত)
            • ইন্দ্র (পাগল)
              • যদু

    আনন্দের মৃত্যুর পর তাঁহার সম্পত্তিতে বলরাম এক অংশ পাইবেন; চন্দ্রের পুত্র ঈশান এক অংশ পাইবেন; দয়ালের পুত্র ফণী অন্ধ বলিয়া অংশ পাইবেন না, সুতরাং তাহার পুত্র হরি এক অংশ পাইবেন; আর ইন্দ্র উন্মাদগ্ৰস্ত বলিয়া অংশ পাইবেন না বটে, কিন্তু তাহা বলিয়া কি তাহার পুত্র ঐ অংশ পাইবেন? ঐদিকে নিয়ম আছে যে চারি পুরুষ পৰ্যন্ত ওয়ারিশের মধ্যে সম্পত্তি ভাগ হইবে; যদু ঐ চারি পুরুষের বাহিরে, সুতরাং তিনি কোনও অংশ পাইতে পারেন না। ইন্দ্রের যদি স্ত্রী থাকে, তাহা হইলে সে স্ত্রীও পাইবেন না, সম্পত্তি পুত্রে নামিতে পারিল না বলিয়া স্ত্রীতে যে অর্শিবে, তাহা কখনও হইতে পারে না, কারণ পুত্র অপেক্ষা স্ত্রী অগ্রগণ্য উত্তরাধিকারিণী নহেন।

    এজমালী সম্পত্তি মাত্রেরই বিভাগ হইতে পারে। পিতা যদি উইলে লিখিয়া যান যে পুত্ৰগণ সম্পত্তি চিরকাল এজমালীতে ভোগ করিবে এবং কখনই বিভাগ করিতে পারিবে না, অথবা যদি এরূপ আদেশ করিয়া যান যে, সম্পত্তি ১০ বৎসর কি ২০ বৎসর মোটেই বিভাগ হইবে না, তাহা হইলে সে আদেশ অসিদ্ধ এবং পুত্ৰগণ পিতার মৃত্যুর পরই ভাগ করিতে ক্ষমতাপন্ন হইবে (২৩ উইক্‌লি রিপোর্টার ২৯৭; রাজেন্দ্র ব: শ্যামচাঁদ, ৬ কলিকাতা ১০৬; মুকুন্দ বঃ গণেশ, ১ কলিকাতা ১০৪)। তবে যাহারা সম্পত্তি এজমালীতে ভোগ করিতেছেন তাহারা পরস্পরের মধ্যে এরূপ চুক্তি করিতে পারেন যে কিছু কালের জন্য সম্পত্তি এজমালীতে থাকিবে (রাধানাথ ব: তারক নাথ, ৩ কলিকাতা উইক্‌লি নোটস ১২৬)। যথা ভ্রাতাগণ পরম্পরের মধ্যে চুক্তি করিতে পারিবেন যে যতদিন তাহাদের ভগ্নীর বিবাহ না হয় ততদিন সম্পত্তি এজমালীতে থাকিবে। কিন্তু তাহা বলিয়া তাহারা চিরকালের জন্য সম্পত্তি এজমালীতে রাখিবার চুক্তি করিতে পারেন না, করিলেও তাহা অসিদ্ধ হইবে, এবং মেম্বরগণ যখন ইচ্ছা তখন বিভাগ করিতে পারিবেন। আরও এক কথা, মেম্বরগণ যদি পরস্পরের মধ্যে চুক্তি করেন যে, কিছুকালের জন্য সম্পত্তি এজমালীতে থাকিবে, তাহা হইলেও ঐ চুক্তি শুধু তাহাদের উপরই বাধ্যকর থাকিবে (৬ কলিকাতা ১০৬); যদি তাঁহাদের মধ্যে কেহ পরলোক গমন করেন, বা নিজে অবিভক্ত অংশ বিক্রয় করেন, তাহা হইলে তাহার ওয়ারিস বা খরিদদার ঐ চুক্তি দ্বারা বাধ্য থাকিবেন না, তৎক্ষণাৎ বিভাগের জন্য দাবী করিতে পারিবেন (৩ বেঙ্গল ল রিপোর্ট ১৪; ৮ বেঙ্গল ল রিপোট ৬০)।

    বিভাগের সময়ে কোনও মেম্বর যদি নাবালক থাকে, তাহা হইলেও বিভাগ হইতে পারিবে, এবং নাবালককে যদি তাহার হিসাবমত অংশ দেওয়া হয় এবং কোনও প্রবঞ্চনা করা না হয়, তাহা হুইলে সে সাবালক হইয়া বিভাগ রহিত করিতে পারিবে না (বালকিষেণ ব: রামনারায়ণ, ৩০ কলিকাতা ৭৩৮ প্রিভি কৌন্সিল)।

    বিভাগের সময়ে যদি একজন মেম্বর দূরদেশে থাকেন, তাহা হইলেও বিভাগ হইতে পরিবে; ঐ মেম্বরের অংশ তাহার জন্য অবশ্য পৃথক করিয়া রাখিতে হইবে। তাহার স্ত্রী বা পুত্র যদি ঐ পরিবারের মধ্যে থাকে তাহা হইলে তাহাদের হস্তে তাঁহার অংশ সমর্পণ করিলেও চলিবে (শ্রীনাথ বঃ প্রবোধ, ১১ কলিকাতা ল জার্ণাল ৫৮০)।

    সম্পত্তি বিভাগ করিবার সময়ে সকলকেই যে পৃথক হইতে হইবে, এমন কোনও কথা নাই। যদি তিন ভ্রাতা থাকেন, আর এক মৃত ভ্রাতার পুত্র থাকে, তাহা হইলে ভ্রাতুষ্পুত্র তাহার অংশ পৃথক করিয়া লইতে পারে, এবং উক্ত তিন ভ্রাতা এজমালিতে থাকিতে পারেন। যদি চারি ভ্রাতা থাকে, তাহা হইলে দুই ভ্রাতা পৃথক হইয়া সম্পত্তি ভাগ করিয়া লইলেও অপর দুই ভ্রাতা এজমালীতে থাকিতে পারেন।

    সেইরূপ, মেম্বরগণ যখন পরস্পরের মধ্যে বিভাগ করিয়া লন, তখন তাহারা কতকগুলি সম্পত্তি বিভাগ করিয়া বাকীগুলি এজমালীতে রাথিতে পারেন (১০ কলিকাতা ল জার্ণাল ৫০৩)। কিন্তু যদি মোকদ্দমা দ্বারা সম্পত্তি বিভাগ হয়, তাহা হইলে সমস্ত সম্পত্তি বিভাগেরই দাবী করিতে হইবে; তখন কতকগুলি সম্পত্তি এজমালীতে রাখিয়া অবশিষ্ট সম্পত্তিগুলি বিভাগের দাবী করা চলে না (যোগেন্দ্র বঃ জগবন্ধু, ১৪ কলিকাতা ১২২; ২৪ বোম্বাই ১২৮; ১৬ মাত্রাজ ৯৮)। তবে বিশেষ স্থলে এরূপ দাবী করা চলিতেও পারে। যথা, কাকা এবং দুই ভ্রাতুষ্পপুত্রের মধ্যে সম্পত্তি বিভাগের সময় ভদ্রাসন বাটীগুলি, বাগানগুলি ও অস্থাবর দ্রব্য সমস্তই ভ্রাতু-পুত্ৰগণ কাকার নিকট হইতে ভাগ করিয়া লইলেন, কিন্তু চাষের জমিগুলি এজমালীতে রঙ্গিল; ইহার পরে, ভ্রাতু-পুত্ৰগণের মধ্যে একজন অপরের বিরুদ্ধে বিভাগের জন্য নালিস করিবার সময়ে বাটী, বাগান ও অস্থাবর দ্রব্য বিভাগ করিয়া লইবার দাবী করিতে পারেন, কিন্তু চাষের জমী (যাহা তাহার কাকার সহিত এজমালীতে ভোগ করিতেছেন) বিভাগের দাবী না করিতেও পারেন (২৩ এলাহাবাদ ২১৬)।

    বিভাগের জন্য নালিস করিতে হইলে এজমালী পরিবারের সকল মেম্বরগণকে পক্ষ করিতে হইবে। যাহারা বাদী হইতে ইচ্ছা না করেন, তাহাদিগকে বিবাদী করিতে হইবে, কিন্তু সকলকেই পক্ষভূক্ত করা আবশ্যক, নচেৎ পক্ষাভাবদোষে দাবী অচল হইবে।

    বিভাগ করিতে হইলে কোনও দলিলের প্রয়োজন হয় না (১০ কলিকাতা। ল জার্ণাল ৫০৩; ২৫ কলিকাতা ২১০)। কিন্তু দলিল সম্পাদন করিলেই ভাল হয়। বিশেষতঃ যেখানে সম্পত্তি অংশমত (যথা। ০ অংশ,। । ০ অংশ) ভাগ না হইয়া এক একজনের ভাগে বিশেষ বিশেষ সম্পত্তি পড়ে, সেস্থলে দলিল সম্পাদন করা অবশ্ব কৰ্ত্তব্য। যদি এক ভ্রাতা পূৰ্ব্বদিকের খালি জমিট লন, অপর ভ্রাত পশ্চিম দিকের মাঠটা লন, এক ভ্রাতা বাড়ীখানি লন, আর এক ভ্রাতা জমী না লইয়া নগদ টীকা লন, তাহা হইলে বিভাগের একটী দলিল না থাকিলে ভবিষ্যতে অনেক গোলযোগ হইবার সম্ভাবনা।

     ৩। অবিভাজ্য সম্পত্তি

    কতকগুলি সম্পত্তি মাছে তাহা মোটেই বিভাগ করা যায় না। পূৰ্ব্বে হয় তো সেগুলি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্বাধীন রাজার রাজ্য ছিল, তাহার পর সেগুলি এখন জমীদারীতে পরিণত হইয়াছে; কতকগুলি বা বহুকাল ধরিয়া বিভাগ করা হয় নাই বলিয়া এখন অবিভাজ্যরূপে পরিগণিত হইয়াছে।

    যে কারণেই হউক, ঐ সম্পত্তিগুলি ভাগ করা যাইতে পারে না, এবং এককালে একজনমাত্র উহা ভোগ করিবেন এবং সেই পরিবারের অন্যান্য মেম্বরগণ কেবলমাত্র ভরণপোষণ পাইবেন।

    অবিভাজ্য সম্পত্তির মালিক উহা হস্তান্তর করিতে বা উইল দ্বারা দান করিয়া যাইতে পারেন। অবশ্য যে স্থলে প্রথানুসারে হস্তান্তর করা বা উইল দ্বারা দিয়া যাওয়া নিষেধ, সে স্থলে মালিক ঐ প্রথা মানিতে বাধ্য।

    জ্যেষ্ঠ পুত্রই অবিভাজ্য সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারী হইয়া থাকেন। জ্যেষ্ঠ পুত্র মৃত হইলে তাহার জ্যেষ্ঠ পুত্র পাইয়া থাকেন। জ্যেষ্ঠ পুত্রের বংশে কেহ না থাকিলে তৎপরবর্তী পুত্র পাইয়া থাকেন। এবিষয়ে আবার দুই প্রকার প্রথা আছে; নিম্নে উদাহরণ দ্বারা দুই প্রকার প্রথাই বুঝান যাইবে :–

    • আনন্দ
      • বলরাম
        • ঈশান
          • ফণী
        • চন্দ্র (মৃত)
          • গঙ্গাধর
        • দয়াল (মৃত)

    আনন্দের মৃত্যুর পর জ্যেষ্ঠ পুত্র বলরাম পাইবেন, বলরামের মৃত্যুর পর তাহার জ্যেষ্ঠপুত্র ঈশান পাইবেন, এবং ঈশানের পর ফণী পাইবেন। এই পৰ্য্যন্ত ছুই প্রথায় কোনও প্রভেদ নাই; কিন্তু ফণীর অপুত্রক অবস্থায় মৃত্যুর পর কে পাইবে? মৃত চন্দ্রের পুত্র গঙ্গাধর পাইবে? না আনন্দের কনিষ্ঠ পুত্র দয়াল পাইবে? এক স্থানের প্রথাস্থসারে, জ্যেষ্ঠ পুত্রের বংশ শেষ হইয়া গেলে তৎপরবর্তী পুত্রের বংশ পাইবে, অর্থাৎ এস্থলে গঙ্গাধর পাইবে; আবার আর এক স্থানের প্রথানুসারে, যাহার সঙ্গে সম্বন্ধ বেশী ঘনিষ্ঠ, সেই পাইবে, অর্থাৎ এস্থলে গঙ্গাধর অপেক্ষা দয়ালষ্ট ফণীর বেশী ঘনিষ্ঠ; সুতরাং দয়ালই পাইবে। যে বংশে যে প্রথা চলিয়া আসিতেছে, সেই বংশে সেই প্রথানুসারে উত্তরাধিকারী নির্ণয় করা হইবে।

    জ্যেষ্ঠ পুত্র বলিতে গেলে সৰ্ব্বাপেক্ষা যে বয়োজ্যেষ্ঠ তাহাকেই বুঝাইবে; যদিও সে তাহার পিতার কনিষ্ঠ পত্নীর গভর্জাত হয়, তথাপি সে বয়োজ্যেষ্ঠ হইলেই উত্তরাধিকারী হইবে। আবার কোনও কোনও স্থানে এরূপ প্রথা আছে যে, জ্যেষ্ঠ পত্নীর গভর্জা পুত্রই উত্তরাধিকারী হইবে, এমন কি বয়ঃকনিষ্ঠ হইলেও হইবে।

    অবিভাজ্য সম্পত্তির মালিক পরিবারের অন্যান্য ব্যক্তিগণকে প্রতিপালন করিতে বাধ্য। কোনও কোনও স্থানে তাহাদিগকে ভরণপোষণের জন্য নগদ টাকা দেওয়া হয়, আবার কোনও রাজএষ্টেটের প্রথানুসারে তাঁহাদিগকে ভরণপোষণ স্বরূপ কিছু ভূসম্পত্তি দেওয়া হয়। কোন কোন স্থানে তাহারা ঐ ভূসম্পত্তি জীবনস্বত্বে পাইয়া থাকেন, আবার কোন কোন রাজএষ্ট্রেটের প্রথানুসারে তাহারা নির্ব্যুঢ়স্বত্বে পাইয়া থাকেন।

    সুতরাং দেখা যাইতেছে যে, অবিভাজ্য সম্পঞ্জির সকল বিষয়ই ভিন্ন ভিন্ন স্থানের ভিন্ন ভিন্ন প্রথার দ্বারা পরিচালিত হুইয়া থাকে; কোনও নির্দিষ্ট আইন সকল স্থানে প্রযোজ্য হয় না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগান্ধীজি : ফিরে দেখা
    Next Article বঙ্গসুন্দরী – বিহারীলাল চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }