Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হিন্দুআইন (দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা) – বিভূতিভূষণ মিত্র

    বিভূতিভূষণ মিত্র এক পাতা গল্প160 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. বিবাহ – দ্বিতীয় অধ্যায়

    বিবাহ – দ্বিতীয় অধ্যায়

    প্রাচীন হিন্দুশাস্ত্রে আট প্রকার বিবাহের কথা লিখিত আছে, যথা ব্রাহ্ম, দৈব, প্রাজাপত্য, আর্য, আসুর, রাক্ষস, গান্ধৰ্ব্ব ও পৈশাচ। তন্মধ্যে এখন কেবলমাত্র ব্রাহ্ম ও আসুর বিবাহ প্রচলিত আছে, অপর গুলি সামাজিক আদর্শের উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে লোপ পাইয়াছে।

    বিদ্বান ও ধার্ম্মিক বরকে গৃহে আনিয়া তাহাকে সালঙ্কারা কন্যা দান করাকে ব্রাহ্ম বিবাহ বলে, এবং বর কর্তৃক মূল্য দিয়া কন্যাকে বিবাহ করাকে আসুর বিবাহ বলে। বঙ্গদেশে সাধারণতঃ ভদ্রসমাজে যে বিবাহ হয় তাহা প্রথমোক্ত প্রকারের; নিম্ন জাতির মধ্যে আসুর বিবাহ খুব বেশী প্রচলিত।

    কোনও বিবাহ ব্রান্ধ কিংবা আম্বর মতে সম্পন্ন হইয়াছে তাহা কেবলমাত্র স্ত্রীধনের উত্তরাধিকার সম্বন্ধে বিবেচনা করিবার প্রয়োজন হয়, অন্যত্র প্রয়োজন হয় না, ব্রাহ্ম বিবাহ হইলে স্ত্রীধন একপ্রকার উত্তরাধিকারীতে অর্শায়, আসুর বিবাহ হইলে অন্য প্রকার উত্তরাধিকারীতে যায়। ব্রাহ্ম বিবাহই শাস্ত্রসম্মত, এবং আসুর বিবাহ শাস্ত্রনিন্দিত; সেজন্য কোন বিবাহ হইলে আদালত প্রথমেই অনুমান করিয়া লন যে, ঐ বিবাহ ব্ৰাহ্ম বিধিতেই সম্পন্ন হইয়াছে; তবে অপর পক্ষ অবস্ত ঐ অনুমান খণ্ডন করিয়া প্রমাণ দ্বারা দেখাইতে পারেন যে বিবাহ আসুরমতে সম্পন্ধু হইয়াছে (জগন্নাথ,ব; রঞ্জিং, ২৫ কলিকাতা ৩৫৪)।

    অন্যান্য আইনে বিবাহ একপ্রকার চুক্তি বলিয়া গণ্য; কিন্তু হিন্দু আইনে তাহা নহে; উহা একটী ধর্ম্মকাৰ্য্য বা সংস্কার। স্বামী-স্ত্রীর সম্বন্ধ ধৰ্ম্মসম্বন্ধ বলিয়া গণ্য, চুক্তি দ্বারা আবদ্ধ সম্বন্ধ নহে; এবং সেজন্য হিন্দু ধৰ্ম্মশাস্ত্র অনুসারে বিবাহবন্ধন কিছুতেই ছিন্ন হয় না।

    কে বিবাহ করিতে পারেন

    হিন্দু আইন অনুসারে কোনও ব্যক্তির বয়স ১৫ বৎসর পূর্ণ হইলেই সে সাবালক হয় এবং বিবাহ করিতে পারে। কিন্তু তাহা বলিয়া নাবালকের বিবাহ অসিদ্ধ নহে। তবে নাবালকের বিবাহে তাহার পিতা বা অন্য অভিভাবকের সম্মতি আবশ্যক, কিন্তু সম্মতি না থাকিলে যে বিবাহ অসিদ্ধ হইয়া যাইবে তাহা নহে। ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় ও বৈশ্যগণের সম্বন্ধে আরও এই নিয়ম আছে যে তাহাদের উপনয়ন সম্পন্ন না হইলে বিবাহ হইতে পরিবে না।

    যদি কেহ এরূপ উন্মাদগ্ৰস্ত বা বুদ্ধিহীন হয় যে, সে কি করিতেছে তাহা বুঝিবার ক্ষমতা তাহার নাই, তাহা হইলে তাহার বিবাহ অসিদ্ধ হইবে (মৌজিলাল বঃ চন্দ্রাবলী, ৩৮ কলিকাতা। ৭০০ প্রিভি কৌন্সিল)। কিন্তু অল্প মস্তিষ্কবিকৃতি থাকিলে (যাহাকে চলিত কথায় ‘পাগলের ছিট’ বলা যায়) বিবাহ অসিদ্ধ হয় না। পুরুষত্বহানি হইলে তাহার বিবাহ সিদ্ধ কি না এ বিষয়ে এখনও আদালতে কোন নিষ্পত্তি হয় নাই। কিন্তু বিষ্ণুপ্রণীত ধৰ্ম্মশাস্ত্রে লিখিত আছে যে, এরূপ ব্যক্তির বিবাহ নিষিদ্ধ।

     

    আরও দেখুন
    দায়ভাগ
    মিতাক্ষরা
    দায়ভাগ
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    Books
    গ্রন্থাগার সেবা
    Library
    বাংলা বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা

     

    জ্যেষ্ঠ ভ্রাতার বিবাহ না হইলে কনিষ্ঠ ভ্রাতা বিবাহ করিতে পারে মা; কিন্তু যেস্থলে জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা বিবাহ করিতে অস্বীকার করেন, কিংবা বিদেশে বাস করেন, কিংবা উন্মাদবশতঃ বা অন্য কোন কারণে বিবাহ করিড়ে অক্ষম হন, য়ে স্থলে কনিষ্ঠ ভ্রাতা বিবাহ করিতে পারে। কিন্তু ঐ সকল অবস্থা ব্যতীতও যদি জ্যেষ্ঠের পূৰ্ব্বে কনিষ্ঠের বিবাহ হইয়া যায় তাহা হইলেও উহা অসিদ্ধ হইবে না। কন্যার পক্ষেও এইরূপ নিয়ম আছে যে, জ্যেষ্ঠ ভগ্নী অবিবাহিত থাকিতে কনিষ্ঠার বিবাহ নিষিদ্ধ; কিন্তু এরূপ বিবাহ হইলেও অসিদ্ধ হইবে না। এক স্ত্রী বর্তমানে পুনরায় বিবাহ করিলেও, তাহা সিদ্ধ।

    কাহাকে বিবাহ করিতে পারা যায়

    স্বধৰ্ম্মী ও স্বজাতির মধ্যে বিবাহ করিতে হইবে। ব্রাহ্মণ কায়স্থকে বিবাহ করিলে তাহা অসিদ্ধ হইবে। কিন্তু কোনও কোনও স্থলে (যথা ত্রিপুর, চট্টগ্রাম) কায়স্থের সহিত বৈদ্যের বিবাহ স্থানীয় প্রথানুসারে সিদ্ধ (৭ কলিকাতা উইক্‌লি নোটস ৬১২)। কিন্তু একই জাতির বিভিন্ন শ্রেণীর মধ্যে বিবাহ অসিদ্ধ নহে (১৫ কলিকাতা ৭০৮)। যথা, রাঢ়ী শ্রেণীয় ব্যক্তি যদি বীরেন্দ্র শ্রেণীয় কন্যাকে বিবাহ করেন তাহা সিদ্ধ হইবে।

     

    আরও দেখুন
    দায়ভাগ
    দায়ভাগ
    মিতাক্ষরা
    ই-বুক রিডার
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বই পড়ুন
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    সেবা প্রকাশনীর বই

     

    সম্প্রতি একটী ফৌজদারী মোকদ্দমায় কলিকাতা হাইকোটের বিচারপতি প্যাণ্টন স্থির করিয়াছেন ষে, কায়স্থের সহিত ডোমের বিবাহ ষদি শাস্ত্রোক্ত বিধান মতে সম্পন্ন হয় তাহা হইলে উহা সিদ্ধ বলিয়া গণ্য হইবে; কারণ উভয়েই যখন শূদ্র, তখন তাহাদের মধ্যে বিবাহ অশাস্ত্রীয় নহে (ভোলানাথ বঃ ভারতেশ্বর, ৫১ কলিকাতা ৪৮৮)। এই নিষ্পত্তি একেবারেই ভ্ৰাস্ত, কারণ কায়স্থ ও ডোমের মধ্যে বিবাহ যে কিরূপে”শাস্ত্রোক্ত বিধানমতে অনুষ্ঠিত” হইতে পারে, ইহাই এক হাস্যকর কথা, কারণ হিন্দুশাস্ত্রই এইরূপ বিবাহের বিরোধী। উপরোক্ত মোকদ্দমার ইউরোপীয় বিচারপতি এদেশীয় শাস্ত্র ও রীতিনীতি সম্বন্ধে সম্পূর্ণ অনভিজ্ঞ, সুতরাং তিনি ঐ অদ্ভুত রায় দিয়াছেন; এদেশীয় বিচারপতি হইলে তাঁহার নিষ্পত্তি অন্যরূপ হইত, সন্দেহ নাই। ইহার পূৰ্ব্বে আরও একটী মোকদ্দমায় স্থির হইয়াছে যে, কায়স্থ ও তাঁতির মধ্যে বিবাহ অসিদ্ধ নহে (বিশ্বনাথ বঃ সরসীবালা, ৪৮ কলিকাতা ৯২৬)। ইহাতেও বিচারপতিগণ উপরোক্তরূপে ভ্ৰম করিয়াছেন এবং ইহাও দুইজন ইউরোপীয় বিচাপতির নিষ্পত্তি। শূদ্রের মধ্যে যে সকল জাতি আছে তাহাদের মধ্যেও বিবাহ হয় না; যথা ধোপার সহিত নাপিতের বিবাহ বা কলুর সহিত গোয়ালার বিবাহ হয় না; এ সকল বিষয় ইউরোপীয় বিচারপতিগণের মস্তিষ্কে প্রবেশ করিতে পারে না; তাহারা শুদ্র বলিতে সকল শূদ্ৰজাতিকেই এক পৰ্য্যায়ভুক্ত মনে করিয়া স্থির করিয়াছেন যে তাহদের পরস্পরের মধ্যে বিবাহ চলিতে পারে।

     

    আরও দেখুন
    দায়ভাগ
    মিতাক্ষরা
    দায়ভাগ
    Library
    PDF
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বুক শেল্ফ
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা ই-বই
    অনলাইন বই

     

    তাহার পর, বঙ্গদেশীয় কায়স্থগণকে শূদ্রমধ্যে পরিগণিত করিয়া ঐ দুইটী মোকদ্দমায় হাইকোর্ট যে গুরুতর ভ্রম কবিয়াছেন, এই ভ্রমটী ৪০ বৎসরের উৰ্দ্ধকাল হইতে বিচারালয়ে চলিয়া আসিতেছে। এদেশের কায়স্থগণ কর্তৃক বহু শতাব্দী হইতে উপনয়ন ত্যাগ ও ক্ষত্রিয়াচিত আচার পরিবর্জনহেতু রঘুনন্দন তাহাদিগকে শূদ্রমধ্যে গণ্য করিয়াছেন। পণ্ডিত শ্যামাচরণ সরকার তাহার”ব্যবস্তাদর্পণ” নামক গ্রন্থে লিপিয়ছেন যে—এ দেশীয় কায়স্থগণ বাস্তবিকই ক্ষত্রিয়, কিন্তু বহুকাল যাবৎ তাহারা উপনয়ন ত্যাগ করিয়াছেন এবং নামান্তে”বৰ্ম্মা’ শব্দ ব্যবহার না করিয়া”দাস’ শব্দ ব্যবহার করেন বলিয়া তাহারা শূদ্রত্বে পতিত হইয়াছেন। এই সকল বিষয় আলোচনা করিয়া কলিকাতা হাইকোর্ট ১৮৮৪ সালে রাজকুমার বঃ বিশ্বেশ্বর (১০ কলিকাতা ৬৮৮) নামক মোকদ্দমায় কায়স্থকে শূদ্র বলিয়া প্রতিপন্ন করিয়াছেন, এবং এই নজীর অনুসরণ করিয়া অসিতমোহন বঃ নীরদমোহন (২০ কলি: উইক্‌লি নোটস ৯০১) নামক মোকদ্দমায় সেই কথারই প্রতিধ্বনি করিয়াছেন। আর স্মাৰ্ত্ত রঘুনন্দন যাহা বাকী রাখিয়ছিলেন সম্প্রতি কলিকাতা হাইকোর্ট তাহা শেষ করিয়া দিয়াছেন; কায়স্থের সহিত ডোমের ও তাঁতির বিবাহ সমর্থন করিয়া এই সম্ভ্রান্ত জাতির ললাটে শূদ্রত্বের চরম কলঙ্ককালিমা লেপন করিলেন। এই অপবাদের জন্য কায়স্থগণ নিজেরাই দায়ী। তাঁহারা উপবীত গ্রহণ অনাবশ্যক বোধ করেন, শূদ্রের ন্যায় ৩০ দিন অশৌচ পালন করেন, এবং দাস শব্দ ব্যবহার করিতে অনেকেই গৌরব অনুভব করেন। শূদ্রত্বের এই সকল চিহ্ন যতদিন তাঁহারা স্বেচ্ছায় ধারণ করিবেন, ততদিন তাঁহাদের এই গ্লানি ঘুচিবে না। বেহার ও পশ্চিম প্রদেশের কায়স্থগণ দাসশব্দ ব্যবহার করেন না, এবং উপবীত ত্যাগ করেন নাই, সেজন্য তথাকার কায়স্থগণ হাইকোর্টের বিচারে ক্ষত্রিয় বলিয়া পরিগণিত হইয়াছেন (ঈশ্বরীপ্রসাদ বঃ হরিপ্রসাদ, ৬ পাটনা ৫-৬; তুলসী বঃ বেহারী, ১২ এলাহাবাদ ৩২৮)।

     

    আরও দেখুন
    দায়ভাগ
    দায়ভাগ
    মিতাক্ষরা
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    নতুন উপন্যাস
    সেবা প্রকাশনী বই
    গ্রন্থাগার
    সাহিত্য পত্রিকা

     

    সগোত্রে বিবাহ করিলে তাহা অসিদ্ধ হইবে। কতকগুলি সম্পর্ক”নিষিদ্ধ সম্পর্ক” বলিয়া কথিত হইয়াছে; ঐ সকল সম্পৰ্কীয়া কন্যাকে বিবাহ করা আইনে নিষিদ্ধ। যথা, পিতৃকুলের সাত পুরুষের, এবং মাতৃকুলের পাঁচ পুরুষের মধ্যে কাহারও বংশীয়া কন্যাকে বিবাহ করা শাস্ত্রে নিষেধ আছে। নারদ বলিয়াছেন—“আসপ্তমাং পঞ্চমাচ্চ বন্ধুভ্যং পিতৃমাতৃতঃ। অবিবাহ্যা সগোত্রা চ সমানপ্রবরা তথা॥” মনু বলিয়াছেন—“অসপিণ্ডী চ যা মাতুরসগোত্রা চ য: পিতুঃ। সা প্রশস্ত। দ্বিজাতীনাং দারকর্ম্মণি মৈথুনে।” কিন্তু এই নিষেধ থাকিলেও সকলে সকল সময়ে মানিয়া চলে না; অতএব যদি উভয় পক্ষের আত্মীয় ও স্বজনগণের সম্মুখে এবং তাহাদের সম্মতিক্রমে পূৰ্ব্বোক্ত নিষিদ্ধ সম্পর্কের মধ্যেও বিবাহ হইয়া থাকে, তাহা হইলে উহা সিদ্ধ বলিয়াই গণ্য হইবে। কিন্তু অতি নিকট সম্পৰ্কীয়গণের মধ্যে বিবাহ হওয়া উচিত নহে, কারণ তাহা অসিদ্ধ সাব্যস্ত হইবার সম্ভাবনা বেশী।

    আরও, বিমাতার ভগিনী, বিমাতার ভ্রাতুকন্যা, খুল্লতাতের স্ত্রীর ভগিনী, শ্যালীকন্যা প্রভৃতিকে বিবাহ করা নিষিদ্ধ আছে। কিন্তু এইরূপ বিবাহ করিলেও তাহা অসিদ্ধ নহে।

    এতদ্ভিন্ন, গুরুকন্যা (অর্থাৎ ষে গুরু বেদপাঠ করান তাহার কন্যা), বরের মাতৃনামধারিণী কন্যা, কিংবা যে কন্যা বর অপেক্ষা অধিকবয়স্কা তাহাকে বিবাহ করাও শাস্ত্রনিষিদ্ধ। কিন্তু পূর্বের ন্যায় এক্ষেত্রেও ক্লিবাহ করিলে তাহা অসিদ্ধ হইবে না।

     

    আরও দেখুন
    দায়ভাগ
    দায়ভাগ
    মিতাক্ষরা
    বাংলা বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    গ্রন্থাগার
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী

     

    কন্যার বিবাহে অভিভাবক

    বঙ্গদেশে রঘুনন্দনের নিয়ম প্রচলিত আছে, এবং তাহার মতে নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণ কন্যার বিবাহে অভিভাবক হইতে পর পর ক্ষমতাপন্ন :—পিতা, পিতামহ, ভ্রাতা, সকুল্য (অর্থাৎ ৪র্থ হইতে ৭ম পুরুষ পৰ্য্যন্ত জ্ঞাতি) মাতামহ, মাতুল, মাতা।”পিতা পিতামহো ভ্ৰাতা সকুল্যে মাতামহো মাতা চেতি। কন্যাপ্রদঃ পূৰ্ব্বাভাবে প্রকৃতিস্থঃ পরঃ পরঃ। ।”—বিষ্ণু, ২৪। ৩৮-৩৯৷

    এই নিয়মটী দেখিলেই মনে হয় যে, মাতার স্থান বড়ই শেষে দেওয়া হইয়াছে। সন্তানের শরীর বা সম্পত্তি রক্ষার জন্য হিন্দু আইনে পিতার পরই অভিভাবক রূপে মাতার স্থান নির্দিষ্ট হইয়াছে, কিন্তু কন্যার বিবাহে অভিভাবক হিসাবে তাহার স্থান অত্যন্ত নিয়ে। সম্ভবতঃ বিবাহের ন্যায় একটী সামাজিক কার্য্যে স্ত্রীলোক অপেক্ষা পুরুষেরই বিচারশক্তি অধিক, পাত্র সম্বন্ধে ভাল-মন্দ বিচার স্ত্রীলোক অপেক্ষা পুরুষই ভালরূপ করিতে পরিবে, এইজন্যই শাস্ত্রকারগণ মাতাকে সর্বশেষে স্থান দিয়াছেন।

     

    আরও দেখুন
    দায়ভাগ
    মিতাক্ষরা
    দায়ভাগ
    বই পড়ুন
    PDF
    অনলাইন বুক
    Library
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বিনামূল্যে বই

     

    কিন্তু তাহা বলিয়া কন্যার বিবাহে মাতা যে কোনও কথাই বলিতে পারিবেন না, এরূপ নহে। কন্যার ভবিষ্যৎ মঙ্গলের জন্য পিতার যেমন ভাবনা, মাতার ভাবনা তাহা অপেক্ষা কম নহে; সুতরাং যদিও তিনি কন্যার পাত্রনিৰ্ব্বাচন সম্বন্ধে অধিকারিণী নহেন বটে, তথাপি, যদি কন্যার পিতা কন্যাকে কোন অপাত্রে সম্প্রদান করিতে উদ্যত হন তাহা হইলে কন্যার মাতা তাহাকে ঐ কাৰ্য্য হইতে নিবৃত্ত করিতে পারেন (হরেন্দ্র বঃ বৃন্দারাণী, ২ কলিকাতা উইক্‌লি নোটস ৫২১)। আবার বিশেষ বিশেষ স্থলেও পিতা অপেক্ষা মাতাই অধিকতর বাঞ্ছনীয় অভিভাবক বলিয়া গণ্য হন। যদি একজন কুলীন ব্রাহ্মণের একশত পত্নী থাকে, তাহা হইলে কবে কোন পত্নীর গর্ভে কোথায় কোন কন্য জন্মিয়াছে তাহা হয়তো ঐ ব্রাহ্মণের স্মরণও না থাকিতে পারে; ঐ কন্যা তাহার মাতার নিকট মাতামহের গৃহে প্রতিপালিত হইতেছে, পিতাকে সে হয়তো কখনও দেখেও নাই। এরূপ অবস্থায় ঐ কন্যার বিবাহ সম্বন্ধে পিতা অপেক্ষা মাতাই স্বাভাবিক অভিভাবক হইবেন (মধুসুদন বঃ যাদবচন্দ্র, ৩ উইক্‌লি রিপোর্টর ১৯৪)।

    অভিভাবক হিসাবে পিতার স্থান খুবই উচ্চ; এমন কি, পিতা যদি কোনও অপরাধে অভিযুক্ত হইয়া দণ্ড প্রাপ্ত হন, তাহা হইলেও সে কারণে তিনি কন্যার বিবাহের অভিভাবক হইবার অযোগ্য হইবেন না (১২ বোম্বাই ১১০)।

     

    আরও দেখুন
    দায়ভাগ
    মিতাক্ষরা
    দায়ভাগ
    বাংলা কুইজ গেম
    PDF
    বাংলা বই
    বিনামূল্যে বই
    গ্রন্থাগার
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স

     

    বিমাতা কখনও অভিভাবক হইতে পারেনা।

    কন্যার যদি কোনও অভিভাবক না থাকে, অথবা যদি কন্যা যৌবনস্থা হওয়ার পরও তাহার অভিভাবকগণ বিবাহ দিতে অবহেলা করেন, তাহা হইলে সে নিজে স্বামী নিৰ্ব্বাচন করিতে পারে।

    কন্যার বিবাহে কে উপযুক্ত অভিভাবক হইবেন, এ সম্বন্ধে বিবাহের পূৰ্ব্বে কোন প্রশ্ন উঠিলে আদালত তাহার মীমাংসা করিতে পারেন, কিন্তু বিবাহের পরে প্রশ্ন উঠিলে আদালত প্রায় হস্তক্ষেপ করেন না। যদি কোন কন্যার পিতা একটি পাত্ৰ নিৰ্ব্বাচন করেন, এবং ভ্রাতাও একটী পাত্র নির্বাচন করেন, এবং পিতার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ভ্ৰাতা বিবাহ দিতে অগ্রসর হন, সে স্থলে আদালত হস্তক্ষেপ করিবেন, এবং ভ্রাতার উপর নিষেধাজ্ঞা প্রচার করিবেন। কিন্তু এ সকল বিষয়েও আদালত প্রধানতঃ কন্যর ভবিষ্যৎ মঙ্গলের প্রতি দৃষ্টি রাখিবেন। যদি আদালত দেখেন যে, পিতা একটী অযোগ্য পাত্র নির্বাচন করিয়াছেন এবং ভ্রাতার নির্বাচিত পাত্র তাহা অপেক্ষা যোগ্যতর, তাহা হইলে আদালত কখনও ভ্রাতার নির্বাচন রহিত করিয়া পিতার নির্বাচন স্থির রাখিবেন না। আর একটী উদাহরণ পূৰ্ব্বেই দেওয়া হইয়াছে যে, পিতা অযোগ্য পাত্র নির্বাচন করিলে মাতা তাঁহাকে আদালতের নিষেধাজ্ঞা দ্বারা নিবৃত্ত করিতে পারেন (২ কলিকাতা উইক্‌লি নোটস ৫২১)।

     

    আরও দেখুন
    মিতাক্ষরা
    দায়ভাগ
    দায়ভাগ
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বই
    ই-বুক রিডার
    Books
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা

     

    কিন্তু বিবাহ সম্পন্ন হইয়া গেলে পর, তখন আর আদালত অভিভাবক সম্বন্ধে কোনও প্রশ্ন লইয়া হস্তক্ষেপ করিবেন না। তাহার কারণ এই যে, হিন্দুশাস্ত্র অনুসারে বিবাহ একটী অবিচ্ছেদ্য ধৰ্ম্মসম্বন্ধ, সুতরাং বিবাহ হইয়া গেলে পর আদালত তাহাতে হস্তক্ষেপ করিলে এবং বিবাহ অসিদ্ধ সাব্যস্ত করিলে কন্যার সামাজিক অবস্থা বড়ই শোচনীয় হইয়া পড়ে, সমাজে তাহার দাড়াইবার স্থান থাকে না (২২ বোম্বাই ৮১২)। সুতরাং যদি কোনও কন্যার পিতা বৰ্ত্তমানে এবং পিতার ইচ্ছার বিরুদ্ধেও মাতা বিবাহ দেন, এবং ঐ বিবাহ-ক্রিয়া যদি শাস্ত্রমতে সম্পন্ন হইয়া গিয়া থাকে, তাহা হইলে আদালত তাহাতে আর হস্তক্ষেপ করিবেন না (১১ বোম্বাই ২৪৭)। এমন কি, যদি পিতার ইচ্ছার বিরুদ্ধে মাতা বিবাহ দিতে উদ্যত হন, এবং মাতাকে নিবৃত্ত করিবার জন্য পিতা আদালত হইতে নিষেধাজ্ঞা প্রচার করান এবং ঐ নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও মাতা বিবাহ দেন, তাহা হইলেও ঐ বিবাহ অসিদ্ধ সাব্যস্ত হইবে না (২২ বোম্বাই ৫০৯)।

    বিবাহে কি কি ক্রিয়া আবশ্যক

    আদান-প্রদান, হোম এবং সপ্তপদীগমন-বিবাহে এই তিনটা ক্রিয়া আবশ্যক। দত্তকগ্রহণের ন্যায় বিবাহেও সম্প্রদান ও গ্রহণ কাৰ্য্যতঃ সম্পন্ন হওয়া চাই। এই ক্রিয়াগুলির মধ্যে কোনটা ইচ্ছাপূৰ্ব্বক পরিহার করিলে বিবাহ অসিদ্ধ হইবে।

     

    আরও দেখুন
    মিতাক্ষরা
    দায়ভাগ
    দায়ভাগ
    বাংলা কমিকস
    Books
    PDF
    অনলাইন বুক
    বুক শেল্ফ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    গ্রন্থাগার সেবা

     

    কোন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিবাহ সম্বন্ধে কোনও বিশেষ প্রথা থাকিলে সেই প্রথানুসারে বিবাহ করিলে তাহা সিদ্ধ হইবে। যথা, বৈষ্ণবদিগের মধ্যে প্রথা আছে যে, কষ্ঠিবদল করিলেই বিবাহ সিদ্ধরূপে সম্পন্ন হইয়া যায়, তাহাদিগের আর কোনও অনুষ্ঠান আবশ্যক হয় না; এবং আইনের চক্ষে এরূপ বিবাহ অসিদ্ধ বলিয়া গণ্য হইবে না। (সৌরভমণির বিষয়, ২৪ কলিকাতা উইক্‌লি নোটস, ৯৫৮)।

    স্বামী-স্ত্রীর কর্তব্য

    বিবাহের পর স্বামীই স্ত্রীর আইনমত অভিভাবক হন, এবং স্ত্রী স্বামীর বাটীতে বাস করিতে বাধ্য। কিন্তু কোন কোন স্থলে এরূপ প্রথা আছে যে, দ্বিতীয় সংস্কার না হওয়া পৰ্য্যন্ত স্ত্রী পিতৃগৃহে বাস করিতে পারেন। বিবাহের পূর্বে যদি এইরূপ চুক্তি হয় যে, স্ত্রী কখনও স্বামীর গৃহে বাস করিবে না, কিংবা স্বামী পুনরায় বিবাহ করিলে স্ত্রী পিতৃগৃহে চলিয়া যাইবে, তাহা হইলে ঐ চুক্তি অসিদ্ধ হইবে (মনোমোহিনী বঃ বসন্তকুমার, ২৮ কলিকাতা ৭৫১)। সেইরূপ, বিবাহের পরও যদি স্বামী স্ত্রীর মধ্যে এইরূপ চুক্তি হয় যে, স্ত্রী স্বামীর নিকট হইতে পৃথকভাবে থাকিবে, এবং ভরণপোষণ পাইবে, তাহা হইলে ঐ চুক্তি অসিদ্ধ হইবে (রাজলক্ষ্মী বঃ ভূতনাথ, ৪ কলিকাতা উইক্‌লি নোটস ৪৮৮)।

     

    আরও দেখুন
    দায়ভাগ
    দায়ভাগ
    মিতাক্ষরা
    বই পড়ুন
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা লাইব্রেরী

     

    ফলকথা এই যে, বিবাহের পর হইতেই স্ত্রী স্বামীর নিকট বাস করিতে বাধ্য। স্বামী যদি পুনরায় বিবাহ করেন (১ মাদ্রাজ ৩৭৫) বা অসচ্চরিত্র হন, তাহা হইলেও স্ত্রী স্বামীগৃহে বাস করিতে বাধ্য। কিন্তু যদি স্বামী স্ত্রীর প্রতি নির্দয় ব্যবহার (প্রহার) করেন (জুলার বঃ দ্বারক, ৩৪ কলিকাতা ৯৭১), কিংবা স্ত্রীকে মর্ম্মান্তিক কষ্ট দেন (যথা গৃহে উপপত্নী রাখা, ৩৪ কলিকা্তা ৯৭১) কিংবা গুরুতর সংক্রামক রোগে (যথা কুষ্ঠরোগ) আক্রান্ত হন, তাহা হইলে স্ত্রী স্বামীর নিকট হইতে পৃথক থাকিতে এবং ভরণপোষণ আদায় করিতে পারেন। স্বামী ধৰ্ম্মান্তর গ্রহণ করিলে, স্ত্রী স্বামী হইতে পৃথক থাকিতে পারেন (মুচু বঃ অর্জুন, ৫ উইক্‌লি রিপোর্টার ২৩৫)।

    স্বামীর অনুমতি ব্যতীত স্ত্রীকে কেহ স্বামীগৃহ হইতে অন্যত্র লইয়া যাইতে পারেন না। এমন কি, স্বামীর বিনা অনুমতিতে স্ত্রীকে যদি তাহার পিতাও লইয়া চলিয়া যান, তাহা হইলে তিনিও অপরাধী হইবেন (ধরণীধর আসামী, ১৭ কলিকাতা ২৯৮)। কোন ব্যক্তি যদি স্বামীর বিনা অনুমতিতে স্ত্রীকে স্বামীগৃহ ত্যাগ করিতে সাহায্য করেন, কিংবা স্বামীর বিনা অনুমতিতে স্ত্রী গৃহত্যাগ করিয়া গেলে যদি কোন ব্যক্তি তাহাকে আশ্রয় দেন, তাহা হইলে ঐ ব্যক্তির নিকট হইতে স্বামী ক্ষতিপূরণ আদায় করিতে পারেন।

     

    আরও দেখুন
    দায়ভাগ
    দায়ভাগ
    মিতাক্ষরা
    বাংলা বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বইয়ের
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা অডিওবুক

     

    স্বামীর মৃত্যুর পরও স্বামীগৃহে বাস করা স্ত্রীর কৰ্ত্তব্য, কিন্তু তথাপি উপযুক্ত কারণ থাকিলে তিনি তথায় বাস না করিতে পারেন।

    স্বামীগৃহে থাকা শুধু যে স্ত্রীর কৰ্ত্তব্য তাহা নহে, স্ত্রীর উহাতে অধিকারও আছে। স্বামী স্ত্রীকে নিজগৃহে উপযুক্ত স্থান দিতে এবং তাহাকে ভরণপোষণ করিতে বাধ্য। তিনি কিছুতেই স্ত্রীকে বিনাকারণে পরিত্যাগ করিতে পারেন না।

     

    বিধবার পুনর্বিবাহ

    প্রাচীন হিন্দু শাস্ত্রে বিধবার পুনৰ্ব্বিবাহ একপ্রকার নিষেধই ছিল, এবং সেজন্য সমাজে উহা মোটেই প্রচলিত নাই। কেবলমাত্র ভারতবর্ষের কয়েকট ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্থানে উহা কতকগুলি নিম্ন শ্রেণীর মধ্যে স্থানীয় প্রথানুসারে সম্পন্ন হইয়া থাকে।

    কিন্তু ১৮৫৬ সালে পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয় পরাশরের একটী গ্রন্থ অবলম্বন করিয়া বিধবাবিবাহ শাস্ত্রসম্মত বলিয়া প্রতিপন্ন করেন, এবং তাহার চেষ্টায় হিন্দু বিধবাগণের পুনৰ্ব্বিবাহ বিষয়ক ১৮৫৬ সালের ১৫ আইন প্রবর্তিত হয়। কিন্তু ঐ আইনসত্বেও হিন্দু সমাজে বিধবাবিবাহ প্রচলিত নাই বলিলেও চলে। তবে পূৰ্ব্বে উহা একেবারে অসিদ্ধ ছিল, এখন উহা আইনানুসারে সিদ্ধ বলিয়া গণ্য হইবে।

    যদি ঐ বিধবার পূর্বস্বামীর সহিত সহবাস না হইয়া থাকে, তাহা হইলে ঐ কন্যার বিবাহে নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণ পর পর অভিভাবক হইবেন –পিতা, পিতামহ, মাতা, ভ্রাতা, অন্যান্য পুরুষ জ্ঞাতি। যদি পূৰ্ব্বস্বামীর সহিত ঐ কন্যার সহবাস হইয়া থাকে, কিংবা যদি ঐ কন্য সাবালিকা হয়, তাহা হইলে সে স্বেচ্ছাক্রমে স্বামী নিৰ্ব্বাচন করিতে পারিবে (উক্ত আইন, ৭ ধারা)।

    হিন্দু-বিধবা বিবাহ করিলে তিনি আর তাহার প্রথম স্বামীর ঔরসজাত সন্তানগণের অভিভাবক হইতে পারিবেন না (৩ ধারা), তাহার সম্পত্তি হইতে ভরণপোষণ পাইতে পারিবেন না, এবং তাহার স্বামীর সম্পত্তি তিনি যদি পাইয়া থাকেন (স্বামীর উত্তরাধিকারিণী স্বরূপে বা পুত্রের উত্তরাধিকারিণী স্বরূপে হউক), তাহা হইলে ঐ সম্পত্তি আর তিনি অধিকার করিতে পারিবেন না (২ ধারা)। কিন্তু এস্থলে ইহা জানিয়া রাখা কৰ্ত্তব্য যে, যে সম্পত্তি তিনি পুনৰ্ব্বিবাহের সময়ে ভোগ করিতেছেন সেই সম্পত্তি হইতেই তিনি বঞ্চিত হইবেন, যদি ভবিষ্যতে তাঁহার প্রথম স্বামীর সম্পৰ্কীয় কোনও ব্যক্তির সম্পত্তি উাহাতে অশায়, সে সম্পত্তি হইতে তিনি বঞ্চিত হইবেন না। যদি তাহার পুনৰ্ব্বিবাহের পর তাহার প্রথম পক্ষের স্বামীর ঔরসে নিজ গর্ভজাত পুত্র অবিবাহিত অবস্থায় পরলোকগমন করে, তাহা হইলে তিনি ঐ সম্পত্তির উত্তরাধিকারিণী হইতে পারিবেন (১১উইক্‌লি রিপোর্টার ৮২)।

    অন্যান্য কথা

    বিবাহে বরকর্ত্তা এবং কন্যাকর্ত্তা এই উভয়পক্ষের স্বাধীন সম্মতি থাকা চাই। সুতরাং যদি কোন বিবাহ বলপূৰ্ব্বক কিংবা প্রতারণাপূৰ্ব্বক সম্পন্ন হয়, এবং তাহাতে যদি ভবিষ্যতে কন্যার অমঙ্গল হইবার আশঙ্কা থাকে, তাহা হইলে আদালত এই বিবাহ রদ করিতে পারেন। কিন্তু যদি ঐ বিবাহে কন্যার কোন অমঙ্গলের আশঙ্কা না থাকে, তাহা হইলে আদালত উহা রদ করিবেন না। কারণ পূৰ্ব্বে লিখিত হইয়াছে যে, বিবাহ অসিদ্ধ সাব্যস্ত হইলে কন্যার সমাজিক অবস্থা বড়ই শোচনীয় হইয়া দাঁড়ায়; এবং সেজন্য বিবাহের পর আদালত প্রায়ই হস্তক্ষেপ

    করেন না।

    পূৰ্ব্বেই লিখিত হইয়াছে যে, হিন্দুবিবাহ কিছুতেই বিচ্ছিন্ন হয় না। স্বামী যদি স্ত্রীকে পরিত্যাগ করেন তাহা হইলেও বিবাহবন্ধন যেমন তেমনিই থাকে এবং স্বামী অপুত্রক অবস্থায় পরলোকগমন করিলে স্ত্রী তাঁহার সম্পত্তিতে উওরাধিকারিণী হইবেন।

    স্বামী বা স্ত্রীর মধ্যে কোন পক্ষ যদি ধৰ্ম্মান্তর গ্রহণ করেন এবং তজন্য অপরপক্ষ তাহাকে পরিত্যাগ করেন, তাহা হইলে আদালত ১৮৬৬ সালের ২১ আইন অনুসারে ঐ বিবাহ বন্ধন ছিন্ন বলিয়া সাব্যস্ত করিতে পারেন। ইহাই হিন্দুবিবাহ বিচ্ছেদের একমাত্র উদাহরণ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগান্ধীজি : ফিরে দেখা
    Next Article বঙ্গসুন্দরী – বিহারীলাল চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }