Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হিন্দুআইন (দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা) – বিভূতিভূষণ মিত্র

    বিভূতিভূষণ মিত্র এক পাতা গল্প160 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭. উত্তরাধিকার (দায়ভাগ) – সপ্তম অধ্যায়

    উত্তরাধিকার (দায়ভাগ) – সপ্তম অধ্যায়

    হিন্দু আইন অনুসারে পিণ্ডদানের ক্ষমতার উপর উত্তরাধিকারের নিয়ম প্রতিষ্ঠিত। যাহারা সাক্ষাৎ ভাবে বা পরোক্ষভাবে মৃত ব্যক্তির পিণ্ডদান করিতে পারেন, তাহারাই উত্তরাধিকারী হইতে সক্ষম। এইজন্য স্ত্রীলোকগণকে সাধারণতঃ বাদ দেওয়া হইয়াছে, কারণ তাঁহারা পিণ্ডদান করিতে অক্ষম। এমন কি ভগ্নী, পৌত্রী, দৌহিত্রী প্রভৃতি নিকট সম্পৰ্কীয় স্ত্রীলোকগণও উত্তরাধিকারী হইতে অক্ষম; ইহাদের অপেক্ষা দূরসম্পৰ্কীয় পুরুষব্যক্তি উত্তরাধিকারী হইতে পারিবেন, অথচ ইহার হইতে পারিবে না। কতকগুলি স্ত্রীলোককে উত্তরাধিকারের ক্ষমতা দেওয়া হইয়াছে, কারণ তাঁহারা সাক্ষাৎভাবে বা পরোক্ষভাবে পিণ্ডদান করিতে সক্ষম। যথা, স্ত্রী উত্তরাধিকারিণী হইতে পারেন, কারণ পুত্র, পৌত্র ও প্রপৌত্র না থাকিলে স্ত্রী শ্ৰাদ্ধক্রিয়া করিতে পারেন; কন্যা উত্তরাধিকারিণী হইতে পারে, কারণ যদিও সে নিজে পিণ্ডদান করিতে পারে না বটে, কিন্তু তাহার গভে যে পুত্র জন্মিবে সে তাহার মাতামহকে পিণ্ডদান করিতে পারিবে। এইজন্য পুত্ৰহীন বিধবা কন্যা উত্তরাধিকারিণী হইতে পারে না। মাতা উত্তরাধিকারিণী হন, কারণ মাতা যদিও পুত্রের পিণ্ডদান করিতে পারেন না বটে, তথাপি তাহার গর্ভের অন্য পুত্ৰগণ (অর্থাৎ ভ্রাতাগণ) মৃত পুত্রের পিণ্ডদান করিবে। এইরূপে স্ত্রীলোক ও পুরুষ উত্তরাধিকারী সম্বন্ধে পিণ্ডদানের নিয়ম প্রয়োগ করা হইয়াছে।

    উত্তরাধিকার সম্বন্ধে আলোচনা করিতে হইলে”সপিণ্ড” ও”সকুল্য” এই দুইটী কথার অর্থ জানিয়া রাখা আবশ্যক।

    ‘সপিণ্ড’ অর্থে মৃত্যুর পর যাহারা পিণ্ডের সমভাগী হইবেন তাহাদিগকে বুঝায়। অর্থাৎ নিম্নলিখিত চতুর্থ পুরুষ পৰ্য্যন্ত জ্ঞাতি দৌহিত্র ও মাতৃকুলের ব্যক্তিগণ সপিণ্ড বলিয়া গণ্য :–(ক) পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র; পিতা, পিতামহ, প্রপিতামহ; ভ্রাতা, ভ্রাতার পুত্র ও পৌত্র; পিতার ভ্রাতা, পিতার ভ্রাতার পুত্র ও পৌত্র; পিতামহের ভ্রাতা, পিতামহের ভ্রাতার পুত্র ও পৌত্র;

    (খ) দৌহিত্র; পিতার দৌহিত্র, পিতামহের এবং প্রপিতামহের দৌহিত্র; পুত্রের দৌহিত্র, পৌত্রের দৌহিত্র; ভ্রাতার ও ভ্রাতু-পুত্রের দৌহিত্র; পিতার ভ্রাতার দৌহিত্র, পিতার ভ্রাতু-পুত্রের দৌহিত্র, পিতামহের ভ্রাতার দৌহিত্র, পিতামহের ভ্রাতুষ্পত্রের দৌহিত্র।

    (গ) মাতামহ, প্রমাতামহ; বৃদ্ধপ্রমাতামহ; ইহাদের পৌত্র প্রপৌত্র ও দৌহিত্র; মাতামহের পুত্রের ও পৌত্রের দৌহিত্র; প্রমাতামহের পুত্রের ও পৌত্রের দৌহিত্র; বৃদ্ধপ্রমাতামহের পুত্রের ও পৌত্রের দৌহিত্র।

     

    আরও দেখুন
    দায়ভাগ
    মিতাক্ষরা
    ফ্যামিলি গেম
    দায়ভাগ
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা উপন্যাস
    বিনামূল্যে বই
    বই পড়ুন
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বুক শেল্ফ

     

    সকুল্য অর্থে ৫ম, ৬ষ্ঠ ও ৭ম পুরুষ পৰ্য্যন্ত জ্ঞাতিবর্গকে বুঝায়।

    উত্তরাধিকারীগণের মধ্যে অগ্রগণ্যতাসম্বন্ধে কতকগুলি নিয়ম জানিয়া রাখা উচিত; সেইগুলি জানা থাকিলে কে কাহার অপেক্ষা অগ্রগণ্য ওয়ারিস হইবেন তাহা সহজেই নির্ণয় করা যাইবে। সেই নিয়মগুলি এই—

    প্রথমতঃ, সকুল্যগণ অপেক্ষা সপিণ্ডগণ অগ্রগণ্য হইবেন; এবং

    সমানোদকগণ (৮ম হইতে ১৪শ পুরুষ পৰ্য্যন্ত জ্ঞাতি) অপেক্ষা সকুল্যগণ অগ্রগণ্য হইবেন। যৎ ভ্রাতার প্রপৌত্র অপেক্ষা ভ্রাতার পুত্রের দৌহিত্র অগ্রগণ্য হইবে, কারণ ভ্রাতার পুত্রের দৌহিত্র একজন সপিণ্ড (মূল পিতা হইতে গণনা করিলে পিতা ১, ভ্রাতা ২, ভ্রাতার পুত্র ৩, তাহার দৌহিত্র ৪, সুতরাং চারি পুরুষের মধ্যে) এবং ভ্রাতার প্রপৌত্র একজন সকুল্য (মূল পিতা হইতে গণনা করিয়া পিতা ১, ভ্রাতা ২, ভ্রাতার পুত্র ৩, ভ্রাতার পৌত্র ৪, এবং ভ্রাতার প্রপৌত্র ৫ পুরুষ হইল)। দিগম্বর বঃ মতিলাল, ৯ কলিকাতা ৫৬৩ (ফুলবেঞ্চ)।

    দ্বিতীয়তঃ, সপিণ্ডগণের মধ্যে যদি একজনকে স্ত্রীলোকের ভিতর দিয়া গণনা করিতে হয়, এবং অপর ব্যক্তিকে শুধু পুরুষের মধ্য দিয়া গণনা করিতে হয়, তাহা হইলে প্রথমোক্ত ব্যক্তি অপেক্ষা দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তি অগ্রগণ্য উত্তরাধিকারী হইবেন। যথা, ভ্রাতার দৌহিত্র অপেক্ষা পিতামহের প্রপৌত্র অগ্রগণ্য ওয়ারিস হইবেন; কারণ ভ্রাতার দৌহিত্রকে একজন স্ত্রীলোকের (ভ্রাতার কন্যার) ভিতর দিয়া গণনা করিতে হইতেছে; কিন্তু পিতামহের প্রপৌত্রকে গণনা করিতে হইলে মাঝে কোনও স্ত্রীলোক আসে না।

     

    আরও দেখুন
    ফ্যামিলি গেম
    মিতাক্ষরা
    দায়ভাগ
    দায়ভাগ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বইয়ের
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা সাহিত্য

     

    তৃতীয়তঃ, যাহারা মৃত ব্যক্তির মাতৃকুলের পুরুষগণকে পিণ্ডদান করে তাহাদের অপেক্ষা যাহারা মৃতব্যক্তির পিতৃকুলের পুরুষগণকে পিণ্ডদান করে তাহারা অগ্রগণ্য উত্তরাধিকারী হয়; যথা মাতুল অপেক্ষা ভ্রাতার পৌত্র অগ্রগণ্য উত্তরাধিকারী, কারণ মাতুল মৃতব্যক্তির মাতামহকে (মাতৃকুল) পিণ্ডদান করিবে, কিন্তু ভ্রাতার পৌত্র মৃতব্যক্তির পিতা ও পিতামহকে (পিতৃকুল) পিণ্ডদান করিবে। সেইরূপ, মাতুলপুত্র অপেক্ষা পিতৃব্যের দৌহিত্র অগ্রগণ্য হইবে (ব্রজলাল বং জীবনকৃষ্ণ, ২৬ কলিকাতা ২৩৫); মাতুল অপেক্ষা প্রপিতামহের পুত্রের দৌহিত্র অগ্রগণ্য ওয়ারিস হইবে (কৈলাস চন্দ্র বা করুণ, ১৮ কলিকাতা উইক্‌লি নোটল, ৪৭৭)।

    চতুর্থত, যাহারা মৃতব্যক্তির কেবলমাত্র পিতৃকুলের ব্যক্তিগণকে পিণ্ড দান করেন, তাঁহাদের অপেক্ষা যাঁহারা মৃত ব্যক্তির পিতৃ ও মাতৃ এই উভয় কুলের ব্যক্তিগণকে পিণ্ডদান করেন তাঁহারা অগ্রগণ্য হইবেন; যথা, বৈমাত্র ভ্রাতা অপেক্ষা সহোদর ভ্রাতা বা সহোদর ভ্রাতার পুত্র ও পৌত্র অগ্রগণ্য ওয়ারিস হইবে; বৈমাত্র ভ্রাতার পুত্র অপেক্ষা সহোদর ভ্রাতার পুত্র অগ্রগণ্য ওয়ারিস হইবে।

    পঞ্চমতঃ, যাহারা মৃতব্যক্তির দূরবর্তী পূৰ্ব্বপুরুষকে পিণ্ডদান করে তাহাদের অপেক্ষা যাহারা মৃতব্যক্তির নিকটবৰ্ত্তী পূৰ্ব্বপুরুষকে পিণ্ডদান করে তাহারা অগ্রগণ্য ওয়ারিস হইবে; যথা, পিতৃব্যের পুত্র অপেক্ষা ভ্রাতার দৌহিত্র অগ্রগণ্য উত্তরাধিকারী, কারণ পিতৃব্যপুত্র মৃতব্যক্তির পিতামহকে পিণ্ডদান করিবে, কিন্তু ভ্রাতার দৌহিত্র মৃতব্যক্তির পিতাকে পিণ্ডদান করিবে। সেইরূপ, পিতামহের ভাগিনেয় অপেক্ষা পিতার ভাগিনেয় অগ্রগণ্য ওয়ারিস; পিতৃব্যের দৌহিত্র অপেক্ষা ভ্রাতার পুত্রের দৌহিত্র অগ্রগণ্য হইবে। (প্রাণনাথ বঃ শরৎচন্দ্র, ৮ কলিকাতা ৪৬০)।

     

    আরও দেখুন
    ফ্যামিলি গেম
    দায়ভাগ
    মিতাক্ষরা
    দায়ভাগ
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বিনামূল্যে বই
    PDF
    বই পড়ুন
    বইয়ের

     

    ষষ্টতঃ, যে ব্যক্তি মুতব্যক্তির পিণ্ড গ্রহণ করে তাহা অপেক্ষা যে ব্যক্তি মৃতব্যক্তিকে পিণ্ডদান করে সে অগ্রগণ্য; এবং যাহারা মৃত ব্যক্তির পিতা পিতামহ প্রভূতিকে পিণ্ডদান করে তদপেক্ষ যাহারা মৃতব্যক্তিকেই পিণ্ডদান করে তাহারা অগ্রগণ্য উত্তরাধিকারী হইবে। যথা, মৃতব্যক্তির পিতা অপেক্ষা পুত্র বা পৌত্র অগ্রগণ্য, কারণ পুত্র পৌত্র প্রভৃতি মৃতব্যক্তিকে পিও দান করে, কিন্তু পিতা পিণ্ড গ্রহণ করে। শ্রণতা অপেক্ষা দৌহিত্র অগ্রগণ্য, কারণ দৌহিত্র মৃত ব্যক্তিকেই পিণ্ডদান করে, কিন্তু ভ্রাতা মৃতব্যক্তির পিতাকে পিণ্ডদান করিবে, মৃতব্যক্তিকে নহে।

    এই নিয়মগুলি স্বরণ রাখিলেই মৃতব্যক্তির কে ওয়ারিস হইবেন তাহা সহজেই নির্ণয় করিতে পার। যাইবে।

    কোনও ব্যক্তির মৃত্যুর পর নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণ পর পর (অর্থাৎ একের অভাবে পরবর্তী) তাঁহার সম্পত্তি উত্তরাধিকারী হইবে :–

    (১) পুত্র

    (২) পৌত্র

     

    আরও দেখুন
    ফ্যামিলি গেম
    দায়ভাগ
    মিতাক্ষরা
    দায়ভাগ
    বাংলা কবিতা
    অনলাইন বুক
    বাংলা বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা

     

    (৩) প্রপৌত্র

    (৪) বিধবা স্ত্রী

    (৫) কন্যা

    (৬) দৌহিত্র

    (৭) পিতা

    (৮) মাতা

    (৯) ভ্রাতা

    (১০) ভ্রাতার পুত্র

     

    আরও দেখুন
    দায়ভাগ
    ফ্যামিলি গেম
    মিতাক্ষরা
    দায়ভাগ
    বাংলা কমিকস
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বইয়ের

     

    (১১) ভ্রাতার পৌত্র

    (১২) ভাগিনেয়

    ইহাদের অভাবে কে উত্তরাধিকারী হইবেন তাহা পরে লিখিত হইবে। এখন ইহাদের সম্বন্ধে বিস্তৃত আলোচনা করা-যাইতেছে —

    ১-৩।  পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র।

    কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তাহার পুত্র তাহার সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়। পুত্র না থাকিলে পৌত্র, পৌত্র না থাকিলে প্রপৌত্র উত্তরাধিকারী হয়। পুত্ৰগণের মধ্যে যদি কোনও এক পুত্র পূৰ্ব্বেই পরলোক গমন, করিয়া থাকে, তাহা হইলে অপর পুত্ৰগণ এবং ঐ মতপুত্রের পুত্র একসঙ্গে পাইবে; সেইরূপ, পৌত্ৰগণের মধ্যে যদি একজন পূর্বেই পরলোক গমন করিয়া থাকে তাহা হইলে পৌত্র ও মৃত পৌত্রের পুত্র একসঙ্গে পাইবে। অর্থাৎ কোনও ব্যক্তির মৃত্যুর পর তাহার সম্পত্তি তাঁহার পুত্র, মৃত পুত্রের পুত্র, এবং মৃত পুত্রের মৃত পুত্রের পুত্র একসঙ্গে পাইয়া থাকে। যথা :

    • মূলব্যক্তি
      • আনন্দ
        • বলরাম
      • চন্দ্র (মৃত)
        • দয়াল
        • ঈশান
      • ফণী (মৃত)
        • গঙ্গারাম (মৃত)
          • হরি
          • ইন্দ্র
          • যাদব (মৃত)
            • কালীনাথ

    মূলব্যক্তির মৃত্যুকালে তাঁহার পুত্র আনন্দ, ও আনন্দের পুত্র বলরাম, এবং মূলব্যক্তির মৃত পুত্র চন্দ্রের দুই পুত্র দয়াল ও ঈশান, এবং মুলব্যক্তির আর এক মৃত পুত্র ফণীর মৃত পুত্র গঙ্গারামের পুত্র হরি ও ইন্দ্র এবং গঙ্গারামের এক মৃত পুত্র ষাদবের পুত্ৰ কালীনাথ থাকেন। এইরূপ অবস্থায় মূলব্যক্তির বিষয় তিন অংশে বিভক্ত হইয়া এক অংশ আনন্দ পাইবেন; আনন্দ জীবিত আছেন বলিয়া তাহার পুত্র বলরাম কোনও অংশ পাইবেন না। এক অংশ দয়াল ও ঈশান (প্রত্যেকে ১/৬) পাইবেন। আর তৃতীয় অংশ হরি ও ইন্দ্র (প্রত্যেকে ১/৬) পাইবেন। কালীনাথ কিছুই পাইবেন না, কারণ তিনি মূলব্যক্তির প্রপৌত্রের পুত্র। কালীনাথের পিতা যাদব যদি মূলব্যক্তির মৃত্যুকালে জীবিত থাকিতেন তাহা হইলে সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশ, হরি, ইন্দ্র ও যাদব তিনজনে (প্রত্যেকে ১/৯) পাইতেন। পরে যাদবের মৃত্যুর পর যাদবের অংশ তাহার পুত্র কালীনাথ পাইতেন।

     

    আরও দেখুন
    ফ্যামিলি গেম
    দায়ভাগ
    দায়ভাগ
    মিতাক্ষরা
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ই-বই

     

    একাধিক পত্নীর গর্ভে যদি পুত্ৰগণ জন্মিয় থাকে, তাহা হইলে সকল পুত্রই তুল্যাংশে পাইবে। অনেকের এইরূপ ধারণা আছে যে যদি একবাক্তির প্রথম স্ত্রীর গর্ভে এক পুত্র ও দ্বিতীয় স্ত্রীর গর্ভে দুই পুত্র জন্সিয়া থাকে তাহা হইলে ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর সম্পত্তি দুইভাগ হইবে, এবং প্রথম পত্নীর গর্ভজাত পুত্র অর্থাৎশ, এবং দ্বিতীয় পত্নীর গর্ভজাত পুত্রদ্বয় একত্রে অৰ্দ্ধাংশ (প্রত্যেকে ঐ অংশ) পাইবে। কিন্তু তাহা সম্পূর্ণ ভুল সম্পত্তি তিনভাগ হইয়া প্রত্যেকে ১/৩ অংশ পাইবে; সহোদর ও বৈমাত্র ভ্রাতায় কোন প্রভেদ হইবে না।

    ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় ও বৈপ্তের যদি উপপত্নীর গর্ভজাত পুত্র থাকে, তাহা হইলে সে পুত্র উত্তরাধিকারী হইতে পারে না। কিন্তু শূদ্র ব্যক্তির উপপত্নীর গর্ভজাত পুত্র উত্তরাধিকারী হইতে পারে; সুজাত পুত্ৰগণের সহিত সে একসঙ্গে সম্পত্তি ভোগ করিতে পারে এবং সুজাতপুত্রের অৰ্দ্ধাংশ পায়; অর্থাৎ সে স্বজাত পুত্র হইলে যাহা পাইতে পারিত তাহার অৰ্দ্ধাংশ পাইবে। যথা, কোনও শূদ্র ব্যক্তির দুই স্বজাত পুত্র, এবং এক উপপত্নীজাত পুত্র রহিয়াছে; এস্থলে শেষোক্ত পুত্র যদি সুজাত হইত তাহা হইলে সে এক তৃতীয়াংশ পাইত; কিন্তু সে উপপত্নীজাত বলিয়া এক যষ্ঠাংশ পাইবে বাকী ৫/৬ অংশ অন্য পুত্রদ্বয় পাইবে।  যদি উপপত্নীর গর্ভজাত পুত্র ভিন্ন স্বজাত পুত্র না থাকে, তাহা হইলে সে সমস্ত সম্পত্তি পাইতে পারে, যদি মৃত ব্যক্তির পত্নী বা কন্যা বা দৌহিত্র না থাকে। যথা উপপত্নীজাত পুত্র এবং দৌহিত্র থাকিলে ঐ পুত্র অৰ্দ্ধাংশ পাইবে, বাকী অৰ্দ্ধাংশ দৌহিত্র পাঠবে। উপপত্নীজাত পুত্র এবং এক ভ্রাতু-পুত্ৰ থাকিলে, ঐ পুত্রই সমস্ত পাইবে, ভ্রাতু-পুত্র কিছুই পাইবে না।

     

     

    কিন্তু যে কোনও উপপত্নীর গর্ভজাত পুত্র হইলে চলিবে না; যে উপপত্নীর সহিত মৃত ব্যক্তি বহুকাল ধরিয়া সহবাস করিয়াছে, এবং ঐ মৃত ব্যক্তি ভিন্ন যাহার আর কোনও উপপতি ছিল না, এরূপ উপপত্নীর গর্ভজাত পুত্রই উত্তরাধিকারী হইতে পারে।

    ৪। বিধবা স্ত্রী

    পুত্র, পৌত্র এবং প্রপৌত্র না থাকিলে বিধবা স্ত্রী স্বামীত্যক্ত সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারিণী হন। একাধিক পত্নী থাকিলে সকলে এজমালী স্বত্বে তুল্যাংশে পাইয়া থাকেন। পরে একজনের মৃত্যু হইলে অবশিষ্ট সপত্নীগণ এজমালীতে ভোগ করেন। এইরূপে শেষ একজন জীবিত থাকিলে তিনিই সমস্ত সম্পত্তি প্রাপ্ত হন।

    একাধিক পত্নী থাকিলে তাহারা স্থবিধার জন্য নিজেদের মধ্যে সম্পত্তি বিভাগ করিয়া লইয়া পৃথকভাবে ভোগ করিতে পারেন। কিন্তু এই বিভাগ তাহদের জীবিতকাল পৰ্যন্তই চলিবে, তাহদের মৃত্যুর পর পৃথক অংশগুলি সমস্তই এক হইয়া যাইবে।

     

     

    বিধবা স্ত্রী স্বামীর সম্পত্তি জীবনন্বত্বে পাইয়া থাকেন; অর্থাৎ তিনি যতদিন জীবিত থাকিবেন ততদিন ঐ সম্পত্তি ভোগ করিবেন; তাহার মৃত্যুর পর তাহার স্বামীর পরবর্তী উত্তরাধিকারী ঐ সম্পত্তি পাইবেন। বিধবা পত্নী সাধারণতঃ স্বামীর সম্পত্তি হস্তান্তর করিতে পারেন না। তবে অবস্থাবিশেষে হস্তাস্তর করিলেও সিদ্ধ হয়; তাঙ্গ পরবর্তী অধ্যায়ে লিথিত হইবে।

    স্বামী জীবিত থাকিতে যদি স্ত্রী অসতী হন তাহা হইলে তিনি স্বামীর সুম্পত্তিতে উত্তরাধিকারিণী হইতে পরিবেন না— স্বামীর যিনি পরবর্তী উত্তরাধিকারী থাকেন তিনিই সম্পত্তি পাইবেন। কিন্তু স্ট্রী যদি স্বামীর জীবিতকালে সতী থাকিয়া স্বামীর মৃত্যুর পর তাহার সম্পত্তি প্রাপ্ত হইয়া পরে (অর্থাৎ বিধবা হইয়া) অসতী হন, তাহা হইলে সেই সম্পত্তি হইতে তিনি বঞ্চিত হইবেন না (মণিরাম কলিতা বঃ কেরী কলিতানী, ৫ কলিকাতা ৭৭৬ প্রিভিকৌন্সিল)।

    স্ত্রী প্রকৃতপক্ষে অসতী হইলেই তবে উত্তরাধিকার হইতে বঞ্চিত হন; কিন্তু তিনি যদি স্বামীর কথার অবাধ্য হইয়া থাকেন, বা স্বামীকে অবহেলা করিয়া থাকেন, বা স্বামী দ্বিতীয়বার বিবাহ করার জন্য তাঁহার নিকট হইতে পৃথকভাবে বাস করিয়া থাকেন, তজ্জন্য তিনি স্বামীর মৃত্যুর পর তাহার সম্পত্তির উত্তরাধিকার হইতে বঞ্চিত হইবেন না (ক্ষেত্রমণি বা কাদম্বিনী, ১৬ কলিকাতা উইক্‌লি নোটস ৯৬৪)।

     

     

    বিধবা পত্নী পুনরায় বিবাহ করিলে আর তিনি স্বামীত্যক্ত সম্পত্তি ভোগ করিতে পারিবেন না; ঐ সম্পত্তি হইতে তৎক্ষণাৎ তিনি বঞ্চিত হইবেন, এবং তাহার স্বামীর পরবর্তী উত্তরাধিকারী উহা পাইবেন। অর্থাৎ বিধবা পুনরায় বিবাহ করিলে তিনি যেনতাঁহার প্রথম স্বামীর পরিবারে মৃত হইয়াছেন এইরূপ গণ্য হইবে (বিধবার পুনৰ্ব্বিবাহ আইন, ২ ধারা)। কিন্তু বিধবা পত্নী ধৰ্ম্মান্তর গ্রহণ করিলে তিনি স্বামীর সম্পত্তি হইতে বঞ্চিত হইবেন না; কারণ ১৮৫০ সালের ২১ আইন (ধৰ্ম্মসম্বন্ধে স্বাধীনতা আইন) অনুসারে কোনও ব্যক্তি ধৰ্ম্মান্তর গ্রহণ হেতু কোনও সম্পত্তি হইতে বঞ্চিত হন না। কিন্তু হিন্দু বিধবা যদি ধৰ্ম্মাস্তুর গ্রহণ করেন এবং পুনরায় বিবাহ করেন, তাহা হইলে বিধবার পুনৰ্ব্বিবাহ আইনের ২ ধারা অনুসারে তিনি পূৰ্ব্ব স্বামীত্যক্ত সম্পত্তি হইতে বঞ্চিত হইবেন (মাতঙ্গিনী বঃ রামরতন, ১৯ কলিকাতা ২৮৯ ফুলবেঞ্চ)। কিন্তু এলাহাবাদ হাইকোর্ট এইরূপ একটী মোকদ্দমায় বড়ই রহস্ত করিয়াছেন। এই মোকদ্দমায়, এক হিন্দু বিধবা স্বামীর সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারিণী হওয়ার পর মুসলমান ধৰ্ম্ম গ্রহণ করিয়াছিলেন এবং এক মুসলমানকে বিবাহ করিয়াছিলেন। এরূপ অবস্থায় তিনি প্রথম স্বামীর সম্পত্তি হইতে বঞ্চিত হইবেন কিনা এবিষয়ে প্রশ্ন উঠিল। এলাহাবাদ হাইকোর্ট স্থির করিলেন যে তিনি বঞ্চিত হইবেন না! তাহার কারণ, প্রথমতঃ মুসলমান ধৰ্মগ্রহণ হেতু তিনি বঞ্চিত হইতে পারেন না, কারণ এবিষয়ে ১৮৫০ সালের ২১ আইন তাহার স্বপক্ষে রহিয়াছে; তাহার পর, হিন্দুবিধবার পুনৰ্ব্বিবাহ আইন অনুসারে বিধবা পুনৰ্ব্বিবাহ করিলে বঞ্চিত হন বটে; কিন্তু ঐ আইন এস্থলে প্রযোজ্য হইতে পারে না, কারণ ঐ আইন হিন্দু বিধবার পক্ষে খাটিবে, কিন্তু এস্থলে হিন্দু বিধবা যখন মুসলমান ধৰ্ম্ম গ্রহণ করিয়াছেন তখন আর তাহাকে ‘হিন্দু বিধবা বলা যাইতে পারে না (৩৫ এলাহাবাদ ৪৬৬)। এলাহাবাদ হাইকোর্টের এই নিষ্পত্তির ফল এইরূপ দাড়ায় যে কোনও হিন্দু বিধবা যদি হিন্দু থাকিয়া পুনরায় বিবাহ করেন তাহা হইলে তিনি হিন্দুবিধবার পুনৰ্ব্বিবাহ আইন অনুসারে স্বামীর সম্পত্তি হইতে বঞ্চিত হইবেন; কিন্তু তিনি যদি মুসলমান ধৰ্ম্ম গ্রহণ করিয়া পুনরায় বিবাহ করেন তাহা হইলে ঐ সম্পত্তি হইতে বঞ্চিত হইবেন না। আইনের রহস্য বটে; যাহা হউক, এই নজীরটী বঙ্গদেশে প্রযোজ্য হইবে না; কারণ এ বিষয়ে কলিকাতা হাইকোর্ট পূৰ্ব্বোক্ত ১৯ কলিকাতা ২৮৯ নজীরে সঙ্গতমতেই স্থির করিয়াছেন যে এরূপ অবস্থায় বিধবা তাঁহার প্রথম স্বামীর সম্পত্তি হইতে বঞ্চিত হইবেন।

     

     

    ৫। কন্যা

    বিধবা স্ত্রীর অভাবে কিংবা বিধবা স্ত্রীর মৃত্যুর পর কন্যা সম্পত্তি পাইবেন।

    কন্যাগণকে চারিশ্ৰেণীতে বিভক্ত করা যায় :–(ক) অবিবাহিত কন্যা; (খ) বিবাহিত কন্য; (পুত্রবতী হউক বা পুত্রহীন হউক); (গ) পুত্রবর্তী বিধবা কন্যা; (ঘ) পুত্রহীনা বিধবা কন্যা।

    (ক)। অবিবাহিত কস্ত থাকিলে তিনিই পিতার সমস্ত সম্পত্তি পাইবেন, অপর কন্যাগণ পাইবেন না। তাঁহার বিবাহ হইয়া গেলেও তিনি একাকী ঐ সম্পত্তি ভোগ করিতে থাকিবেন। তাহার মৃত্যুর পর (খ) ও (গ) শ্রেণীর কস্তাগণ একত্রে পাইবেন; যদি তাহারা না থাকেন তাহা হইলে দৌহিত্রে সম্পত্তি অর্শিবে। একাধিক কুমারী কন্যা থাকিলে তাহারা সকলে মিলিয়া এজমালীতে ভোগ করিবেন, এবং একের মৃত্যুতে অবশিষ্ট সকলে মিলিয়া ভোগ করিতে থাকিবেন। এইরূপ শেষ কষ্কার মৃত্যুর পর (খ) ও (গ) শ্রেণীর কন্যাগণ একত্রে পাইবেন; তাহার না থাকিলে সম্পভিটী দৌহিত্রগণের হস্তে যাইবে।

     

     

    (খ) ও (গ)। অবিবাহিত কন্যা না থাকিলে বা অবিবাহিত কন্যা জীবনস্বত্বে সম্পত্তি ভোগ করিয়া পরলোকগমন করিলে উপরোক্ত (খ) ও (গ) শ্রেণীর কস্তাগণ পাইবেন। এই দুই শ্রেণীর কন্যাগণ একত্রে ভোগ করিতে পারিবেন; অর্থাৎ যদি দুইটী সধবা কন্যা এবং একটী পুত্রবতী বিধবা কন্যা থাকেন, তাহা হইলে তিনজনেই একত্রে সম্পত্তি পাইবেন।

    পুত্রহীন সধবা কন্যা সম্বন্ধে কয়েকট কথা জানিয়া বাখা আবশ্যক; সধবা কন্যার যদি পুত্র না থাকে শুধু কন্যা জন্মিয়া থাকে, তাহা হইলেও সে উত্তরাধিকারিণী হইয়া থাকে। কারণ যদিও তাহার এখনও পুত্র জন্মায় নাই, তাহা হইলেও ভবিষ্যতে হয়তো জন্মাইতে পারে। কিন্তু যদি সে বন্ধ্যা হয় তাহা হইলে প্রশ্ন একটু কঠিন হইয়া পড়ে; কারণ অনেক স্ত্রীলোক বন্ধ্যা বলিয়া প্রতিপন্ন হওয়ার পরও অধিক বয়সে সন্তান প্রসব করিয়া থাকেন। সুতরাং বন্ধ্যা কস্তাও উত্তরাধিকাৰিণী হইতে পারেন; কিন্তু যদি তাহার সন্তান প্রসব করিবার বয়স উৰ্ত্তীর্ণ হইয়া গিয়া থাকে, তাহা হইলে সে উত্তরাধিকারিণী হইতে পারে না। কিছুকাল পূর্বে কলিকাতা হাইকোর্টে এক মোকদ্দমায় এইরূপ প্রশ্ন উঠিয়াছিল; এক সধবা কন্যার বয়স ৬৩ বৎসর; সে ৪৩ বৎসর ধরিয়া তাহার স্বামীর নিকট রহিয়াছে, কিন্তু কোনও সন্তান জন্মে নাই; হাইকোর্ট স্থির করিলেন যে এরূপ অবস্থায় সে বন্ধ্যা বলিয়াই গণ্য হইবে, এবং পিতৃসম্পত্তিতে উত্তরাধিকারিণী হইতে পরিবে না। (ইচ্ছাময়ী বঃ নীলমণি, ১৫ ইণ্ডিয়ান কেসেস, ১৬৯)। সেইরূপ, যে সধবা কন্যার মোটেই পুত্র হয় নাই, শুধু কন্যা জন্মিয়াছে, এবং প্রসব করিবাব বয়সও উত্তীর্ণ হইয়া গিয়াছে, তিনিও উত্তরাধিকারিণী হইতে পারেন না;

    (ঘ)। পুত্রহীন বিধবা কন্যা উত্তরাধিকারিণী হইতে পারেন না। কিন্তু তিনি যদি স্বামীর অনুমতি অনুসারে দত্তক গ্ৰহণ করেন তা হইলে তিনি পুত্রবতী কন্যা বলিয়া গণ্য হইবেন, এবং উত্তরাধিকারিণী হইতে পারিবেন।

    কন্যাগণ জীবনস্বত্বে সম্পত্তি পাইয়া থাকেন। তাঁহারা ইচ্ছা করিলে নিজেদের সুবিধার জন্য পরস্পরের মধ্যে সম্পত্তি বিভাগ করিয়ু লইতে পারেন, কিন্তু ঐ বিভাগ তাহাদের জীবিতকাল পর্য্যন্ত কার্য্যকর থাকিবে, তাঁহাদের মৃত্যুর পর সমস্ত সম্পত্তি এক হইয়া যাইবে।

    কন্যা যদি সম্পত্তিতে উত্তবাধিকারিণী হইবার সময় অসতী থাকেন তাহা হইলে তিনি ঐ সম্পত্তি পাইবেন না, কিন্তু সম্পত্তি পঠিয় পরে অসতী হইলে তিনি সেই সম্পত্তি হইতে বঞ্চিত হইবেন না। রামানন্দ ব: রাইকিশোরী, ২২ কলিকাতা ৩৪৭)।  কন্যা যদি হিন্দু ধৰ্ম্ম ত্যাগ করিয়া মুসলমান ধৰ্ম্মগ্রহণ করে এবং তাহার হিন্দুস্বামীর জীবিতাবস্থাতেই একজন মুসলমানকে বিবাহ করে, তাহা হইলে সে অসতী কন্যা বলিয়া গণ্য হইবে এবং পিতৃসম্পত্তিতে উত্তরাধিকারিণী হইতে পারিবে না (স্থনরী বঃ পীতাম্বরী, ৩২ কলিকাতা ৮৭১);

    ৬। দৌহিত্র

    কন্যার অভাবে অথবা, সমস্ত কন্যার মৃত্যুর পর দৌহিত্রগণ সম্পত্তি পাইবেন, কিন্তু যতক্ষণ পৰ্য্যন্ত একজন কন্যাও জীবিত থাকিবেন, ততক্ষণ সম্পত্তি দৌহিত্রে অর্শিবে না। দৌহিত্রগণ সকলে তুল্যাংশে পাইবেন। এক কন্যার যদি এক পুত্র থাকে, আর এক কন্যার যদি চারি পুত্র থাকে এবং তৃতীয়া কন্যার যদি পাঁচ পুত্র থাকে, তাহা হইলে সম্পত্তি দশ ভাগে বিভক্ত হুইয়া এক এক ভাগ এক এক দৌহিত্র পাইবে।

    দৌহিত্র নির্বাঢ় স্বত্বে সম্পত্তি পাইয়া থাকেন; এবং তাহার মৃত্যুর পর ঐ সম্পত্তি তাঁহারই পুত্রপৌত্রাদিতে অর্শিবে। কিন্তু দৌহিত্র যদি তাহার মাতার বা কোনও মাসীর জীবিতকালে (অর্থাৎ নিজে সম্পত্তি পাইবার পূৰ্ব্বে) পুত্র রাখিয় পরলোক গমন করেন, তাহা হইলে ঐ মাতা বা মাসীর মৃত্যুর পর ঐ পুত্র কোনও অংশ পাইবে না। (৮ এলাহাবাদ ৬১৪)।

    ৭-৮। পিতা, মাতা

    দৌহিত্র না থাকিলে পিতা ওয়ারিস হইবেন। পিতা না থাকিলে মাতা ওয়ারিস হইবেন।

    অসতী মাতা পুত্রের ওয়ারিস হইতে পারেন না; কিন্তু ওয়ারিস হইয়া পরে অসতী হইলে তিনি সম্পত্তি হইতে বঞ্চিত হইবেন না (ত্ৰৈলোক্য ব: রাধামুন্দরী, ৩ কলিকাতা ল জার্ণল ২৩৫; ৪ কলিকাতা ৫৫০)।

    বিধবা মাতা যদি পুত্রের স্বোপার্জিত সম্পত্তির উত্তরাধিকারিণী হন, তাহা হইলে সম্পত্তি পাইবাব পর পুনরায় বিবাহ করিলে তিনি উহ। হইতে বঞ্চিত হইবেন না (২৯ বোম্বাই ৯১; ২৮ মাদ্রাজ ৪২৫)। কিন্তু যদি এইরূপ হয় যে ঐ সম্পত্তি পূৰ্ব্বে তাহার স্বামীর ছিল পরে পুত্রে অশিয়াছে, এবং পুত্রের ওয়ারিস স্বরূপ তিনি পাইয়াছেন, তাহা হইলে তিনি সম্পত্তি পাইয়া পুনরায় বিবাহ করিলে ঐ সম্পত্তি হইতে বঞ্চিত হইবেন। ২২ বোম্বাই ৩২১); কিন্তু এস্থলে ঐ পুত্রের মৃত্যুর পূৰ্ব্বেষ্ট যদি বিধবা মাতা পুনরায় বিবাহ করিয়া থাকেন তাহা হইলে পুত্রের মৃত্যুর পর তিনি ঐ সম্পত্তিতে ওয়ারিস হইতে পরিবেন (১১ উইক্‌লি রিপোটার ৮২)।

    অন্যান্য স্ত্রীলোকের ন্যায় মাতা জীবনস্বত্বে শাইয়া থাকেন। বিমাতা সপত্নীপুত্রের ওয়ারিস হইতে পারেন না।

    ৯। ভ্রাতা

    মাতার অভাবে কিংবা মাতার মৃত্যুর পর ভ্রাতা ওয়ারিস হইবেন। সহোদর ভ্রাতা থাকিলে তিনিই সম্পত্তি পাইবেন, তদভাবে বৈমাত্র ভ্ৰাতায় সম্পত্তি অর্শিবে।

    কিন্তু যদি বৈমাত্র ভ্রাতা মৃত ব্যক্তির সঠিত একান্নভুক্ত, এবং সহোদর ভ্রাতা পৃথগল্পভুক্ত হন, তাহা হইলে বৈমাত্র ও সহোদর ভ্রাতৃগণ তুল্যাংশে পাইবেন।

    সহোদর ভ্রাতৃগণের মধ্যে যিনি বা যাহার। মুত ব্যক্তির সহিত একান্নভূক্ত ছিলেন তিনি বা তাহারাই ওয়ারিস হইবেন। তদ্রুপ, সহোদর ভ্রাত না থাকিলে বৈমাত্র ভ্রাতৃগণের মধ্যে যিনি বা যাঁহার একান্নভূক্ত ছিলেন তিনি বা তাহারাই সম্পত্তি পাইবেন। (অক্ষয় বঃ হরিদাস, ৩৫ কলিকাতা ৭২১)।

    ১০। ভ্রাতার পুত্র

    সহোদর অথবা বৈমাত্র ভ্রাতা না থাকিলে ভ্রাতুষ্পপুত্র ওয়ারিস হইবেন : যদি মৃত ব্যক্তির দুষ্ট ভ্রাতা ও অপর এক মুত ভ্রাতার পুত্র থাকেন, তাহা হইলে ঐ দুষ্ট ভ্রাতাই সমস্ত, সম্পত্তি পাইবেন, উক্ত ভ্রাতুষ্পপুত্র কিছুই পাইবেন না।

    যত জন ভ্রাতুষ্পুত্র থাক্লিবেন সম্পত্তি তত ভাগ হইয় প্রত্যেকে এক এক অংশ পাইবেন। মৃত ব্যক্তির এক মৃত ভ্রাতার যদি দুই পুত্র এবং অপর মৃত ভ্রাতার চারি পুত্র থাকেন, তাহা হইলে এই ছয়জন ভ্রাতু-পুত্র প্রত্যেকে সম্পত্তির এক ষষ্ঠাংশ করিয়া পাইবেন। ভ্রাতার ঔরসজাত এবং দত্তকপুত্রের মধ্যে কোন প্রভেদ নাই; উভয়েরই একইরূপ স্বত্ব হইবে।

    ভ্রাতুপুত্ৰগণ সম্পত্তি পাইবার পর যদি আর একজন ভ্রাতুষ্পুত্র জন্মগ্রহণ করেন, অর্থাৎ সম্পত্তি পাইবার সময়ে যদি কোন মুক্ত ভ্রাতাব পত্নী গর্ভবতী থাকেন ও তাহার গর্ভে পরে যদি পুত্রের জন্ম হয়, তাহা হইলে সেই পুত্র কিছুই পাইবে না।

    সহোদর এবং বৈমাত্র ভ্রাতা সম্বন্ধে যেরূপ নিয়ম, সহোদর ভ্রাতার এবং বৈমাত্র ভ্রাতার পুত্ৰগণের সম্বন্ধেও অগ্রগণ্যতার সেইরূপই নিয়ম। অর্থাৎ সহোদর ভ্রাতার পুত্র থাকিতে বৈমাত্র ভ্রাতার পুত্র সম্পত্তি পাইবেন না; কিন্তু যদি এরূপ হয় যে সহোদর ভ্রাতা মৃত ব্যক্তির সঠিত পৃথগন্নভূক্ত ছিলেন, এবং বৈমাত্র ভ্রাতা মৃত ব্যক্তির সহিত একান্নভূক্ত ছিলেন, তাহা হইলে সহোদর ভ্রাতার এবং বৈমাত্র ভ্রাতার পুত্ৰগণ সকলে একত্রে উত্তরাধিকারী হইবেন।

    ১১। ভ্রাতার পৌত্র

    ভ্রাতুষ্পুত্র না থাকিলে ভ্রাতার পৌত্র উত্তরাধিকারী হইবেন।

    ১২। ভাগিনেয়

    ভ্রাতার পৌত্র না থাকিলে ভাগিনেয় উত্তরাধিকারী হইবেন। ভাগিনেয়গণ সকলেই তুল্যাংশে পাইয়া থাকেন। যদি এক ভগ্নীর দুই পুত্র এবং আর এক ভগ্নীর তিন পুত্র থাকে, তাহা হইলে সম্পত্তি পাঁচভাগে বিভক্ত হইয়া প্রত্যেকে এক পঞ্চমাংশ পাইবেন। সহোদর ভীর এবং বৈমাত্র ভগ্নীর পুত্ৰগণে কোনও প্রভেদ নাই, তাহারা সকলেই একত্রে পাইবেন।

    পরবর্তী উত্তরাধিকারীগণ

    ভাগিনেয়ের অভাবে নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণ (একের অভাবে পরবর্তী। উত্তরাধিকারী হইবেন :–

    (১৩) পিতামহ; (১৪) পিতামহী; (১৫) পিতামহের পুত্র; (১৬) পিতামহের পৌত্র; (১৭) পিতামহের প্রপৌত্র; (১৮) পিতামহের দৌহিত্র; (১৯) প্রপিতামহ; (২০) প্রপিতামহী; (২১) প্রপিতামহের পুত্র; ২২) প্রপিতামহের পৌত্র; (২৩) প্রপিতামহের প্রপৌত্র; ২৪) প্রপিতামহের দৌহিত্র’ (২৫; পুত্রের দৌহিত্র; (২৬ পৌত্রের দৌহিত্র; (২৭) ভ্রাতার দৌহিত্র; (২৮) ভ্রাতার পুত্রের দৌহিত্র; (২৯) পিতামহের পুত্রের দৌহিত্র; (৩০) পিতামহের পৌত্রের দৌহিত্র; (৩১) প্রপিতামহের পুত্রের দৌহিত্র; (৩২) প্রপিতামহের পৌত্রের দৌহিত্র; (৩৩) মাতামহ, (৩৪) মাতুল; (৩৫) মাতুলের পুত্ৰ; (৩৬) মাতুলের পৌত্র; ৩৭) মাতামহের দৌহিত্র; (৩৮) প্রমাতামত অর্থাৎ মাতামহের পিতা; (৩৯) প্রমাতামহের পুত্র; (৪৭) প্রমাতামহের পৌত্র; (৪১) প্রমাতামহের প্রপৌত্র; (৪২) প্রমাতামহের দৌহিত্র; (৪৩) বৃদ্ধপ্রমাতামহ; (৪৪) বৃদ্ধপ্রমাতামহের পুত্ৰ; (৪৫) বৃদ্ধপ্রমাতামহের পৌত্র; (৪৬) বৃদ্ধপ্রমাতামহের প্রপৌত্র; (৪৭) বুদ্ধপ্রমাতামহের দৌহিত্র; (৪৮) মাতুলের দৌহিত্র; (৪৯) মাতামহের পৌত্রের দৌহিত্র; (৫০) প্রমাতামহের পুত্রের দৌহিত্র; (৫১) প্রমাতামহের পৌত্রের দৌহিত্র; (৫২) বুদ্ধপ্রমাতামহের পুত্রের দৌহিত্র; (৫৩) বৃদ্ধপ্রমাতামহের পৌত্রের দৌহিত্র।

    তদভাবে সকুল্যগণ (অর্থাৎ পঞ্চম হইতে সপ্তম পুরুষ পৰ্য্যন্ত জ্ঞাতিগণ) সম্বন্ধের নৈকট্য অনুসাবুে ওয়ারিস হইবেন।

    তদভাবে সমানোদকগণ (অর্থাৎ অষ্টম হইতে চতুর্দশ পুরুষ পৰ্য্যন্ত জ্ঞাতিগণ) সম্বন্ধের নৈকট্য অনুসারে ওয়ারিস হইবেন।

    তদভাবে গুরু, শিন্য, পুরোহিত, স্বজাতিবর্গ, গ্রামের ব্রাহ্মণগণ; তদভাবে রাজা অর্থাৎ গবর্ণমেণ্ট ওয়ারিস হইবেন।

    কোন কোন ব্যক্তি উত্তরাধিকারী হইতে অক্ষম

    উপরে উত্তরাধিকারীগণের বিষয়ে বিস্তৃত আলোচনা করিবার সময়ে লিখিত হইয়াছে যে কোনও কোনও ব্যক্তি অবস্থাবিশেষে উত্তরাধিকারী হইতে পারে না। যথা, বিধবা পত্নী বা মাতা অসতী হইলে উত্তরধিকারিণী হইতে পারেন না; বিধবা মাতা পুনরায় বিবাহ করিলে উত্তরাধিকারিণী হইতে পারেন না; পুত্রচীনা বিধবা কন্য। উত্তরাধিকারিণী হইতে পারেন না; ইত্যাদি।

    এতদ্ভিন্ন, আরও কতকগুলি ব্যক্তি উত্তরাধিকারী হইতে পারে না, তাহাদের সম্বন্ধে শাস্ত্রে এইরূপ লিখিত আছে, যথা—মনু বলিয়াছেন, “অনংশো ক্লীব পতিতো জাত্যন্ধবধিরস্তথা। উন্মত্তজড়মুকাশ্চ যে চ কেচিৎ নিরিক্রিয়াঃ ॥” অর্থাৎ ক্লীব, জাতিভ্রষ্ট, জন্মান্ধ, জন্মবধির, উন্মাদগ্রস্ত, জড়বুদ্ধি, মূক এবং কোন অঙ্গহীন ব্যক্তি সম্পত্তির কোনও অংশ পাইবে না। যাজ্ঞবল্ক্য বলিয়াছেন—“পতিতস্তৎসুতঃ ক্লীবঃ পঙ্গুরুন্মত্তকো জড়ঃ। অন্ধোইচিকিৎসরোগাৰ্ত্তা ভৰ্ত্তব্যাস্তে নিরংশকাঃ ॥” অর্থাৎ জাতিভ্ৰষ্ট ব্যক্তি ও তাহার পুত্র, এবং ক্লাব, পঙ্গু, উন্মাদগ্ৰস্ত, জড়বুদ্ধি, অন্ধ ও তুরারোগ্য রোগগ্রস্ত ব্যক্তি সম্পত্তির কোনও অংশ পাইবে না, কেবলমাত্র ভরণপোষণ পাইবে।।

    এই শ্লোক দুইটীতে দেখা যাইতেছে যে ‘পতিত’ ব্যক্তি অর্থাৎ জাতিভ্রষ্ট বা ধৰ্ম্মত্যাগী ব্যক্তি হিন্দু-শাস্ত্রানুসারে উত্তরাধিকারী হইতে পারিত না; কিন্তু ইংরাজগণ এ দেশে আসার পর অনেকে খ্ৰীষ্টানধৰ্ম্ম গ্রহণ করিত, তাহাদিগকে রক্ষা করিবার জন্য গবৰ্ণমেণ্ট ১৮৫০ সালের ২১ আইন দ্বারা এই বিধান করিলেন যে ধৰ্ম্মত্যাগ করার জন্য কোনও ব্যক্তি কোনও সম্পত্তির উত্তরাধিকার হইতে বঞ্চিত হইবেন না। সুতরাং এখন কেহ বিধৰ্ম্মী হইলেও উত্তরাধিকারী হইতে পরিবে।

    নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণ, পুরুষই হউন বা স্ত্রীলোকই হউন, কোনও সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারী হইতে পারেন না :–

    (১) জন্মান্ধ; জন্মাবধি অন্ধ হুইলেই সে সম্পত্তি হইতে বঞ্চিত হয়। সম্পত্তি পাওয়ার পর অন্ধ হইলে বঞ্চিত হয় না, গুঞ্জেশ্বর বঃ তুর্গাপ্রস{ঞ্জ, ৪৫ কলিকাতা ১৭ প্রিভিকৌন্সিল;

    (২) জন্মবধির (জন্মাবধি কাল!); (৩) জন্মমৃক (জন্মাবধি বোবা); (৪) উন্মাদগ্ৰস্ত ব্যক্তি; কোনও ব্যক্তি জন্মাবধি উন্মাদগ্ৰস্ত না থাকিলেও যদি উত্তরাধিকারের সময়ে উন্মাদগ্ৰস্ত থাকেন তাহা হইলে তিনি আর উত্তরাধিকারী হইতে পারিবেন না (১০ কলকাত ৬৩৯);

    (৫) অনারোগ্য গলিত কুষ্ঠগ্রস্ত ব্যক্তি, ইহার সম্বন্ধেশু উন্মাদ গ্রস্ত ব্যক্তির ন্যায় নিয়ম; অর্থাৎ জন্মাবধি কুষ্ঠগ্রস্ত না হইয়াও উত্তরাধিকার ক্রমে সম্পত্তি পাইবার সময়ে যদি কেহ ঐরূপ কুষ্ঠ গ্রস্ত থাপে না তহে! হইলে তিনি উত্তরাধিকারী হইবেন না (১ বোম্বাই ৫৫৪),

    (৬) জন্মাবধি খঞ্জ; কোনও ব্যক্তি জন্মকালে যদি খঞ্জ না হয়, তাই হইলে পরে কোনও কারণবশতঃ খঞ্জ হইলে সে উত্তরাধিকারী হইতে অক্ষম হয় না (২৬ মাদ্রাজ ১৩৩);

    (৭) জন্মাবধি জড়বুদ্ধি; অর্থাৎ শুধু যে নিৰ্ব্বোধ তাহী নহে, এরূপ জড়বুদ্ধি যে ভালমন্দ বিচার করিবার ক্ষমতা তাহার নাই (১২ এলাহাবাদ ৫৩০);

    (৮) ক্লীব;

    (৯) সন্ন্যাসী; কাত্যায়ন বলিয়াছেন যে “প্ৰব্ৰজ্যাবসিত” ব্যক্তি উত্তরাধিকারী হইতে পারিবেন না; অর্থাৎ প্রকৃতপক্ষে সংসারত্যাগী সন্ন্যাসী হইলেই তবে তিনি উত্তরাধিকারী হইতে অক্ষম হন, সৌখিন সন্ন্যাসী বা বৈরাগী হইলে অক্ষম হন না (তিলক বঃ হামা, ১ উইক্‌লি রিপোর্টার ২০৯)।

    হিন্দুশাস্ত্রানুসারে কোনও শূদ্র ব্যক্তি সন্ন্যাসধৰ্ম্ম অবলম্বন করিতে পারে না; সুতরাং কোনও শূদ্র ব্যক্তি যদি সংসারত্যাগ করিয়া সন্ন্যাসী হয়, তাহা হইলেও সে উত্তরাধিকারী হইতে পারিবে (হরিশ্চন্দ্র বঃ সেখ আতির, ৪০ কলিকাতা ৫৪৫)।

    (১০) গুরুতর পাপী ব্যক্তি, বিশেষতঃ হত্যাকারী ব্যক্তি; কেহ যদি কাহাকে হত্যা করে তাহা হইলে হত্যাকারী ব্যক্তি হত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী হইতে পারিবে না (৩১ মাদ্রাজ ১০০)। পুত্র যদি পিতাকে হত্যা করে, তবে সে পিতার সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারী হইতে পারিবে না (নীলমাধব ব: যতীন্দ্র, ১৭ কলিকাতা উইক্‌লি নোটস, ৭৪১)। নারদ বলিয়াছেন যে পিতৃদ্বিট্‌ অর্থাৎ যে পুত্র পিতার প্রতি সৰ্ব্বদাই নিষ্ঠুর আচরণ করে বা শক্রতা করে সে উত্তরাধিকারী হইতে অক্ষম হইবে।

    এই সকল ব্যক্তি সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারী হইতে পারে না বটে, কিন্তু আজীবন ভরণপোষণ পাইতে স্বত্ববান হইবে। [ মিতাক্ষরা আইনমতে সম্প্রতি বিধান হইয়াছে যে জন্মান্ধ, জন্মবধির প্রভৃতি ব্যক্তিগণ উত্তরাধিকারী হইতে পারিবে। পরিশিষ্ট দ্রষ্টব্য। ]

    সম্পত্তির উত্তরাধিকার সম্বন্ধে বিচার করিবার সময়ে ঐ সকল ব্যক্তিকে মুত ব্যক্তি বলিয়া গণ্য করা হইবে, এবং তদনুসারে উত্তরাধিকারী স্থির করা হইবে। অর্থাৎ ঐ অক্ষম ব্যক্তি স্লীবিত না থাকিলে যিনি উত্তরাধিকারী হইতেন তিনিই সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হইবেন। যদি কোন ব্যক্তির মৃত্যুকালে তাহার এক উন্মাদগ্ৰস্ত পুত্র থাকেন এবং এক কস্ত থাকেন, তাহা হইলে তাহার সম্পত্তি ঐ কন্যা পাইবেন। যদি কেহ এক উন্মাদগ্ৰস্ত কন্যা ও তাঁহার গর্ভজাত এক পুত্র রাখিয়া পরলোক গমন করেন, তাহা হইলে তাহার সম্পত্তি ঐ দৌহিত্র পাহবেন।

    পূৰ্ব্বোক্ত ব্যক্তিগণের উত্তরাধিকারের অক্ষমতা ব্যক্তিগত মাত্ৰ; অর্থাৎ তাহারাই শুধু ওয়ারিস হইতে অক্ষম হইবেন; কিন্তু যদি তাহাদের পুত্র বা স্ত্রী বা কন্যাদি নিজ স্বত্বে ওয়ারস হন তবে তাহাদের স্বত্ব লোপ হইবে না। এক ব্যক্তির মৃত্যুকালে যদি তিন পুত্র থাকে এবং তাছাদের মধ্যে একজন যদি উন্মাণগ্রস্ত থাকে এবং উন্মাদগ্ৰস্ত ব্যক্তির এক পুত্র থাকে, তাহা হইলে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি তিন ভাগ হইয়া দুই ভাগ দুই পুত্র এবং এক ভাগ ঐ উন্মাদগ্ৰস্ত পুত্রের পুত্র অর্থাৎ মৃত ব্যক্তির পৌত্র পাইবেন। কিন্তু এক ব্যক্তির মৃত্যুকালে যদি ভ্রাত ও অপর এক জন্মাদ্ধ ভ্রাতা ও ঐ জন্মান্ধ ভ্রাতার এক পুত্র থাকেন, তাহা হইলে ঐ প্রথমোক্ত ভ্ৰাতাই সমস্ত সম্পত্তি পাইবেন, জন্মান্ধ ভ্রাতার পুত্র কিছুই পাইবেন না, কারণ জন্মান্ধের পুত্র অর্থাৎ মৃত ধ্যক্তির ভ্রাতু-পুত্র এস্থলে নিজ স্বত্ত্বে উত্তরাধিকারী হইতে পারেন না, যেহেতু ভ্ৰাত৷ বৰ্ত্তমানে ভ্রাতু-পুত্র (এমন কি অন্য এক ভ্রাতার পুত্র) ওয়ারিস নহেন। তদ্রুপ, যদি এক ব্যক্তি তাহার এক জন্মান্ধ ভাগিনেয় ও সেই ভাগিনেয়ের এক পুত্র রাখিয়া পরলোক গমন করেন, তাহা হইলে ঐ জন্মান্ধ ভাগিনেয়ের পুত্র সম্পত্তি পাইবে না, কারণ ভাগিনেয় ওয়ারিস বটেন, কিন্তু ভাগিনেয়ের পুত্র কোনও কালেই ওয়ারিস হয় না।

    কাহারও মৃত্যুকালে যদি দুই পুত্র থাকেন কিন্তু তাহাদের মধ্যে একজন জন্মান্ধ হন ও ঐ জন্মান্ধের স্ত্রী তৎকালে গভবতী থাকেন ও পরে পুত্র প্রসব করেন, তাহ,হইলে জন্মান্ধের পিতার সম্পত্তি দুই অংশ হইয়া একাংশ জন্মান্ধের ভ্রাতা ও অপরাংশ তাহার পুত্ৰ পাইবেন; কিন্তু জন্মান্ধের পিতার মৃত্যুর পর যদি জন্মান্ধের স্ত্রীর গর্ত হইয়া পুত্র সন্তান হয় তাহা হইলে সেই পুত্র কোনও অংশ পাইবে না।

    পরিশেষে, আর একটী প্রয়োজনীয় কথা জানিয়া রাখা উচিত যে, এই সকল অক্ষম ব্যক্তি যদি দত্তকগ্রহণ করেন, তাহা হইলে দত্তকপুত্র কেবলমাত্র ভরণপোষণ পাইবে, কিন্তু কিছুতেই সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হইতে পারিবে না। যদি কোনও ব্যক্তির একটী মাত্র জন্মান্ধ পুত্র থাকে এবং সেই জন্মান্ধ পুত্রট যদি দত্তক গ্রহণ করে, তাহা হইলে প্রথমোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর পর ঐ জন্মান্ধ পুত্র তো উত্তরাধিকারী হইতে পারবেই না, এবং ঐ দত্তক পুত্রও উত্তরাধিকারী হইতে পরিবে না; যদিও ঐ দত্তকপুত্র মৃত ব্যক্তির পৌত্ররূপে গণ্য এবং নিজ স্বত্বে উত্তরাধিকারী, তথাপি সে জন্মান্ধ ব্যক্তির দত্তকপুত্র বলিয়া সম্পত্তি পাইতে অক্ষম; সে শুধু ভরণ পোষণ পাইবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগান্ধীজি : ফিরে দেখা
    Next Article বঙ্গসুন্দরী – বিহারীলাল চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }