Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026

    বিদ্বান বনাম বিদুষী – প্রীতম বসু

    April 27, 2026

    অনুষ্ঠান প্রচারে বিঘ্ন ঘটায় দুঃখিত – শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ৫৭ থেকে ৪৭ (স্বাধীনতা সংগ্রামের কল্পিত বিকল্প ইতিহাস)

    অরিন্দম দেবনাথ এক পাতা গল্প290 Mins Read0
    ⤷

    ৪৮ ঘণ্টা – ভাষান্তর ঋজু গাঙ্গুলী

    কাহিনি: আ জার্নাল অফ ফর্টি-এইট আওয়ার্স অফ দ্য ইয়ার ১৯৪৫; লেখক: কৈলাশ চন্দ্র দত্ত (হিন্দু কলেজের ছাত্র)

    প্রথম প্রকাশ: ক্যালকাটা লিটার‍্যারি গেজেট, ৬ই জুন ১৮৩৫

    “আর আমরা? পঁচিশ বছরের এই অসহনীয় দাসত্বের পর আমরা কি স্রেফ মৃত্যুর ভয়ে নিজেদের মুক্তির কথা ঘোষণা করা থেকে পিছিয়ে যাব? না, রোমান নাগরিকবৃন্দ! বরং এই সময়টার জন্যই তো এতদিন অপেক্ষা করেছি আমরা।”

    –জুনিয়াস ব্রুটাস

    .

    পঞ্চাশ বছর!

    এই এতগুলো দিন ধরে এ-দেশের প্রতিটি মানুষ, বিশেষ করে এই মহানগরের বাসিন্দারা সব ধরনের দমনপীড়ন সহ্য করেছে। ধারালো ছুরি আর ঝুলি— দুটোই আমাদের দিকে বাড়িয়ে ধরা হয়েছে একেবারে নির্দয়ভাবে। নারী-পুরুষ, যুবক-বৃদ্ধ, ধনী-দরিদ্র— কেউ নিস্তার পায়নি এই ব্রিটিশ বর্বরদের ক্রোধ থেকে। এই নিপীড়ন, আর তার সঙ্গে পূর্বপুরুষদের স্মৃতি— আপাতভাবে শান্ত ও ভীরু ভারতীয়দের মধ্যে ক্রোধ বিস্ফোরিত হয়েছিল তার প্রভাবেই।

    হাউজ অফ লর্ডস বা হাউজ অফ কমন্স— কেউই ভারতীয়দের দুঃখের কথা শুনতে চায়নি। উৎপীড়নের উপশম হওয়ার বদলে সমস্যা আরও গভীর হয়েছিল সময়ের সঙ্গে। অবশেষে ভারতবাসী এমন এক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যাকে অচিন্ত্যনীয় বললেও অত্যুক্তি হয় না।

    ঠিক হয়েছিল, বড়োলাট লর্ড বুচারকে দূর করে দিয়ে, রাজত্বের মধ্যে সবচেয়ে বড়ো দেশপ্রেমীদের বেছে নিয়ে, তাদের দিয়েই গড়ে তোলা হবে এ-দেশের সরকার!

    ঈশ্বরের বরপুত্র হিসেবে নিজেদের কল্পনা-করা ব্রিটিশদের কাছে ব্যাপারটা শুধু অবিশ্বাস্য নয়, অসম্মানের বলেও মনে হয়েছিল। অথচ ওই অত্যাচারের হাত থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য ভারতীয়দের কাছে আর কোনো উপায় ছিল না। আপনারাই বলুন, হিংস্র আচরণ আর হিংসার শিকার হতে-হতে সুকুমার বৃত্তিগুলো একটু-একটু করে মরে যায়, তাই না? ভারতীয়দের ক্ষেত্রেও সেটাই হয়েছিল। ধিকিধিকি জ্বলা ক্রোধ আর প্রতিহিংসা এই শান্ত আর নির্বিরোধী মানুষগুলোর মধ্যে দাউদাউ করে ছড়িয়ে পড়েছিল— যেন শুকিয়ে যাওয়া বনে বাজ পড়ে দাবানল ঘটিয়ে দিয়েছে!

    কবি আর ঐতিহাসিকেরা এই ঘটনাগুলো অন্য চোখে দেখেন, জানেন! তাই তাঁদের লেখা পড়লে ঘটনাটা রীতিমতো বর্ণাঢ্য ঠেকবে আপনাদের কাছে। কিন্তু যারা স্বজন-পরিচনকে হত্যালীলার শিকার হতে দেখেছে, যারা গ্রামের পর গ্রাম জ্বলে যেতে দেখেছে, যারা দেখেছে মানুষকে ঘরবাড়ি ছেড়ে অরণ্যে-কন্দরে আশ্রয় নিতে— তারা ব্যাপারটাকে ঠিক ওভাবে দেখতে পারেনি।

    সলতে পাকানো শুরু হয়েছিল কলকাতা শহরের একেবারে ওপরমহল থেকেই। উচ্চপদস্থ কেরানি, রাজা, এমনকি নবাবেরাও শামিল হয়েছিলেন সেই ষড়যন্ত্রে। গোপনীয়তার অন্ত ছিল না তাতে। পুরোপুরি নিখুঁত হয়ে ওঠার সুযোগ পেলে যে ওই ষড়যন্ত্র গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়ত— এ-বিষয়ে আমি নিঃসন্দেহ।

    ***

    সেই সন্ধেটা ভারি সুন্দর ছিল। অস্তগামী সূর্যের আভা, মৃদু হাওয়ার ছোঁয়া, ঘরফেরা পাখিদের কিচিরমিচির— সব মিলিয়ে দৃশ্যটাকে মনোরম করে তুলেছিল। কিন্তু রাস্তায়-রাস্তায় ঘুরে বেড়ানোর বদলে শহরের মানুষজন একেবারে দৃঢ়সংকল্প হয়ে একটাই দিকে এগোচ্ছিলেন। সন্ধে ছ’টা নাগাদ দেখা গেল, প্রাসাদনগরীর ঈশান কোণে বহু মানুষ জমায়েত হয়েছেন।

    জায়গাটা এমনিতে ফাঁকাই থাকে। সেদিনও একদিক দিয়ে একটি ছোট্ট জলের ধারা বয়ে যাচ্ছিল কুলকুল শব্দ তুলে। একপাশে একটি বাঁশঝাড় রক্ষীর মতো জায়গাটাকে ঘিরে রেখেছিল।

    খোলা অংশের সামনেই দাঁড়িয়ে ছিল একটি প্যাগোডা। ভুলে যাওয়া কোনো মুসলিম শিল্পীর হাতের ছোঁয়া বুকে ধরে রেখেছিল তার শিখরটি। অস্তায়মান সূর্যের শেষ রশ্মিরা ঝলসে উঠছিল তার গায়ে ধাক্কা খেয়ে। হাওয়ার কানাকানি, বিভ্রান্ত পাখিদের কলকাকলি, আর জলের শব্দের সঙ্গে মিশে যাচ্ছিল জনতার গুঞ্জন।

    উপস্থিত মানুষেরা ঘাসে ছাওয়া সেই সবুজ জমিটুকুতে বসে পড়েছিলেন। এবার বৈঠক শুরু হল। অনূর্ধ্ব ষাট একজন মানুষ উঠে দাঁড়ালেন। বলিরেখা ছাপিয়ে প্রকট হয়ে উঠেছিল তাঁর কুঞ্চিত ভ্রু আর শক্ত চোয়ালের ভাঁজগুলো। বোঝা যাচ্ছিল, মানুষটি রীতিমতো আবেগমথিত হয়ে রয়েছেন।

    “ভদ্রমহোদয়গণ,” আবেগের ।ওপর ।বেশ ।কষ্ট করেই নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখছিলেন মানুষটি, “স্বদেশবাসী আরও একবার নিজেদের অধিকার ছিনিয়ে নিতে আর অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে এখানে জড়ো হয়েছে দেখে ভারি ভালো লাগছে। তবে কথা শুরুর আগে একটা কথা জানতে চাই। গত বৈঠকে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, প্রত্যেকে নিজের সঙ্গে একটি বন্দুক আর একটি তরবারি রাখবে। সেই সিদ্ধান্তটি কি বাস্তবায়িত করা হয়েছে?”

    সমবেত এবং দীর্ঘ করতালির মাধ্যমে সমবেত জনতা সোৎসাহে সম্মতি জানাল।

    ভুবন মোহন নামের এক যুবক এবার উঠে দাঁড়াল। তার বয়স পঁচিশ বছরের বেশি হবে না। কিংখাব আর সোনালি জরির পোশাক পরেছিল ভুবন। জরির কাজ করা একটি উত্তরীয় কাঁধে ফেলে তেজোদৃপ্ত ভঙ্গিতে এগিয়ে গেল সে। উপস্থিত জনতার দিকে ঘুরে, অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান কলেজ থেকে পাওয়া নিজের সবটুকু জ্ঞানবুদ্ধি উজাড় করে বক্তব্য পেশ করল ভুবন। কথার শেষে সে বলল, “আমার বন্ধু ও দেশবাসীগণ, এখানে আমি নিজের বাগ্মীতা— যে ক্ষমতা আমার মধ্যে নেই বললেই চলে— প্রদর্শনের উদ্দেশ্য নিয়ে আসিনি। উদ্দাম কল্পনা বা অন্ধ উচ্ছ্বাসের বশেও আমি আপনাদের কিছু বলছি না। আমার অন্তরের অন্তঃস্থলে যে কথাগুলো গুমরে মরছিল, সেগুলোই আপনাদের সামনে বললাম এতক্ষণ। আমার দৃঢ় ধারণা, এই কথাগুলো আপনাদের বুকের মধ্যেও জমে আছে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে যে অত্যাচার আপনারা সহ্য করেছেন, তার কথা আপনাদের মনে করিয়ে দিতে চেয়েছি আমি। ক্লাইভের সর্বনাশা নীতি, ওয়েলেসলির স্বৈরতন্ত্র, হেস্টিংসের যথেচ্ছ নিষ্ঠুরতা, সর্বোপরি বর্তমান সরকারের লুঠতরাজ— এ-সবের মধ্য দিয়ে কী উন্নতি হয়েছে আমাদের অবস্থার? যখন পৃথিবীর অন্য প্রতিটি দেশ সভ্যতার শিখরে আরোহণে সচেষ্ট তখন আমরা, এই ভারতীয়রা ক্রমেই পশুর স্তরে নেমে যাচ্ছি! মুহূর্তের জন্য ভাবুন, হে আমার স্বদেশবাসী, এই লুঠেরাদের অধীনে আমরা ঠিক কেমন আছি!

    “এত কিছু ভাবার পরেও, এত কিছু জানার পরেও আপনারা কি যেমনটি আছেন, তেমনই থাকতে চাইবেন? এরপরেও কি আপনারা বর্তমান বড়োলাট লর্ড ফেল বুচারের নিপুণ নিষ্ঠুরতার সামনে অসহায়ভাবে আত্মসমর্পণ করবেন? যদি এতকিছুর পরেও নিজেদের অধঃপতিত, শাসনের শৃঙ্খলে নিপীড়িত বলে না ভাবেন, তাহলে বুঝব যে আপনাদের মতো নিকৃষ্ট মানুষ আর এই দুনিয়ায় নেই!

    “কিন্তু ও-কথা থাক। আসুন, আমরা সংঘবদ্ধ হয়ে এই দেশকে শোষণের হাত থেকে মুক্ত করতে উদ্যত হই। আমরা যদি মিলিতভাবে, এক দেহ ও এক মন হয়ে দেশকে এই অত্যাচারীদের শাসন থেকে মুক্ত করতে পারি, তাহলে গোটা দেশ আমাদের জন্য গর্বিত হবে। ভারতের ইতিহাসে সবথেকে গৌরবের ক্ষণ হবে সেটি!

    “বন্ধুরা, নেতারা, দেশবাসীরা! আমরা আর নিজেদের দুর্বল ও অসহায় বলে মানব না। আমরা আর ভীরুর শিরোপা পরব না। আসুন, আমরা স্বাধীনতার পতাকা উন্মুক্ত করি; তারপর তাকে উড়িয়ে দিই ওই ওখানে— যেখানে এখন ব্রিটানিয়ার পতাকা উদ্ধত হয়ে হাওয়ায় উড়ছে।

    “যদি সারা পৃথিবীর কাছে সম্মানার্হ হতে না চান, তাহলেও এগিয়ে আসুন। আসুন নিজের পরিবারের প্রতিটি সদস্যের জন্য। আসুন সঙ্গীদের জন্য। আসুন নিজের দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য। সবচেয়ে বড়ো কথা, এগিয়ে আসুন মায়ের জন্য, সেই জন্মভূমির জন্য— যার দেহের রক্তবিন্দু থেকেই জন্মেছি আমরা!”

    নিজের কথা শেষ করে, পরিচিত ক’জন সঙ্গীর মাঝখানে বসে পড়ল ভুবন। জনতার বিপুল করতালি আর কথার মধ্যে হঠাৎ অন্য একটা কথা শোনা গেল। ক্রমে শব্দের জোর বাড়তে লাগল। উপস্থিত মানুষদের অধিকাংশের মুখেই ক্রোধ আর বিরক্তি-মেশানো সেই কথাটা ধ্বনিত, প্রতিধ্বনিত হল অচিরে।

    “লাল কুর্তা! লাল কুর্তা!!”

    দেখা গেল, জনা ষোলো অশ্বারূঢ় সৈন্য এবং প্রায় দেড়শো পদাতিক ওই জমায়েতের দিকেই এগিয়ে আসছে।

    জনতা দ্রুত উঠে দাঁড়াল। ভুবন মোহন নিজের পকেট থেকে একটি বাঁশি বের করে তাতে সজোরে ফুঁ দিল। তার তীক্ষ্ণ শব্দের প্রতিধ্বনি হিসেবেই ।যেন ।বেশ কিছুটা দূর থেকে।।একটি বন্দুকের গর্জন শোনা গেল।

    একটু পরেই ব্রিটিশ বাহিনী ওই খোলা জায়গার কাছে এসে পৌঁছোল। লাল আর সোনালি পোশাকে সুসজ্জিত দু’জন ব্রিটিশ অফিসার প্রায় টানতে-টানতে এক স্থূলকায় দেশি ভদ্রলোককে নিয়ে এসে ওই জনতার সামনে ঠেলে দিল। দেখা গেল, জনতার সামনে দাঁড়িয়ে ভদ্রলোকের বাকশক্তি লোপ পেয়েছে! পেছন থেকে খোঁচা খেয়ে অবশ্য তিনি গলার জোর কিছুটা হলেও ফিরে পেলেন। হাতে পাকানো কাগজটা খুলে ভদ্রলোক একটি আদেশ পড়ে শোনালেন।

    “মাফ করবেন, ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব।” জোর গলায় বলে উঠল ভুবন, “অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, আপনার আদেশ মেনে জায়গাটা ফাঁকা করে দেওয়ার কোনো ইচ্ছে আমাদের নেই। আপনার পক্ষে যা কিছু করা সম্ভব, আপনি করতে পারেন। আপনার সামনে আজ যারা দাঁড়িয়ে আছে, তারা অশ্বের হ্রেষা, তরবারির নৃত্য, এমনকি বন্দুকের ঝলসানির সামনেও ভীত হবে না। স্বাধীনতা লাভের অন্য সব উপায় ব্যর্থ হওয়ায় আমরা এবার নিজেদের বাহুবলের ওপর নির্ভর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আপনাকে যাঁরা পাঠিয়েছেন, তাঁদের বলে আসুন, আমরা ফেল বুচারকে গদিচ্যুত করার সংকল্প নিয়েছি। সাগরপারের ওই মিথ্যেবাদী আর ধান্দাবাজদের শাসন মানতে আমরা আর রাজি নই। এ-দেশের মানুষ নিজস্ব সংসদ আর নিজেদের নিয়মই মেনে চলবে!”

    এমন কিছু শোনার জন্য ম্যাজিস্ট্রেট আদৌ তৈরি ছিলেন না। কথাটা শুনে তিনি কয়েক পা পিছিয়ে তো গেলেনই, একজন সৈন্য তাঁকে ধরে না ফেললে ভদ্রলোক মাটিতেই পড়ে যেতেন।

    অফিসার দু’জন একে অপরের দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করে কিছু বললেন। পরক্ষণেই বেয়নেট নিয়ে সৈন্যরা জনতার উদ্দেশে এগিয়ে এল।

    ভুবনের বাঁশি আবার আওয়াজ তুলল— পরপর দু’বার। বাঁশবনের আড়াল থেকে এবার প্রায় শ’দুয়েক পাগড়িধারী মানুষ বেরিয়ে এল। তাদের হাতে ছিল বন্দুক। নিরস্ত্র জনতা দ্রুত অন্যদিকে সরে গেল। শুরু হল জনতা ও সৈন্যদের সশস্ত্র সংঘর্ষ। তরবারির ঝনঝনা, বন্দুকের গর্জন, আহতের আর্তনাদ— সব মিশে কিছুক্ষণের মধ্যেই জায়গাটা পুরোদস্তুর যুদ্ধক্ষেত্রের চেহারা নিল।

    এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্যে ভুবন কিন্তু নীরব দর্শকের ভূমিকা নেয়নি। নিজের সহায়ককে সে নির্দেশ দিয়েছিল, যাতে তার প্রিয় ঘোড়াটিকে ওখানে নিয়ে আসা হয়। দু’টি পিস্তল কোমরে গুঁজে, পোশাকটিকে সমরসজ্জার উপযুক্ত করে তুলে ঘোড়ার পিঠে বসল ভুবন। কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে থরথর করে কাঁপছিলেন এক বৃদ্ধ পুরোহিত। তাঁর কাছ থেকে আশীর্বাদ নিল ভুবন। আকাশের দিকে তাকিয়ে সে মৃদুস্বরে প্রার্থনা করল, যেন তার দু’বাহু যথেষ্ট শক্তি ধরে। তারপর তরবারি উঁচিয়ে অশ্বারোহী ভুবন ধেয়ে গেল যুযুধান ভিড়ের উদ্দেশে।

    লেফটেন্যান্ট মার্টিন ততক্ষণে একেবারে ক্রোধোন্মত্ত অবস্থায় পৌঁছে গিয়েছিলেন। একেবারে তাঁর সামনেই পড়ে গেল ভুবন। মার্টিনের সাংঘাতিক আঘাত এড়িয়ে তাঁর মাথাতেই আঘাত করল ভুবন। টলে গিয়েও নিজেকে সামলে নিলেন মার্টিন। দাঁতে দাঁত ঘষে “জংলিটাকে শিক্ষা যদি না দিয়েছি…” বলে নতুন উদ্যমে ভুবনকে আবার আক্রমণ করলেন তিনি।

    লড়াই চলল অনেকক্ষণ ধরে। ব্রিটিশের বল আর ভারতীয়ের ক্ষিপ্রতা একে অপরকে নিষ্ক্রিয় করে দিচ্ছিল। চোখ ধাঁধানো পোশাক আর শিরস্ত্রাণ অস্ত্রের আঘাতে হয়ে পড়েছিল শতচ্ছিন্ন। অবশেষে, রক্তক্ষরণের দুর্বলতা আর ক্লান্তি ব্রিটিশ অফিসারটিকে অসহায় করে ফেলল। নিষ্ফলা ক্রোধে কাঁপতে-কাঁপতে ঘোড়ার পিঠ থেকে ধরাশায়ী হলেন মার্টিন। আর সেই মুহূর্তেই এই সংক্ষিপ্ত যুদ্ধের ফয়সলা হয়ে গেল।

    দেশপ্রেমিকেরাই জিতল এই যুদ্ধে!

    ব্রিটিশ বাহিনীর প্রায় পঁচিশজন মৃত্যুবরণ করেছিল; আহতের সংখ্যাও ছিল ওইরকম। ভারতীয়দের মধ্যে ছ’জন নিহত এবং তেরোজন আহত হয়েছিল। সেনাবাহিনীর বাকি অফিসার ক’জন নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে ট্রাম্পেট বাজিয়ে পশ্চাদপসরণের সংকেত দিলেন। তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে পিছিয়ে যেতে শুরু করল ব্রিটিশ বাহিনী— যাতে তাদের একটি অংশ সবসময়ই ভারতীয়দের দিকেই মুখ করে রাখে। ভারতীয় বাহিনীও গুলিবর্ষণ অব্যাহত রেখেছিল এই সময়টুকু।

    রাতের বয়স অনেকটাই বেড়ে গেছিল ততক্ষণে। এইবার জমায়েত জনতা সহর্ষে ও সোৎসাহে নিজেদের বাসস্থানের দিকে রওনা হল। সেখানে তারা পেল বিশ্রাম, শুশ্রুষা, সর্বোপরি বিজয়ীর সম্মান। তাদের কীর্তিও লোকমুখে ছড়িয়ে গেল দিকে-দিকে।

    ***

    পরদিন ভোরে ভারতীয়রা নিজেদের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে পরিকল্পনায় ব্যস্ত ছিল। রাজভবনে, যেখানে পরম মানবদরদী ভাইসরয় লর্ড বুচার বসবাস করেন, সেখানে তখন অন্য কিছু ঘটছিল। আসুন, আপনাদের সেখানেই নিয়ে যাই।

    বুচারের শোয়ার ঘরের দরজা খুলে গেল। কাজলনয়না, দীর্ঘকেশী এক চতুর্দশী কন্যা দরজায় দাঁড়িয়ে। পরনের হাঁটু অবধি ঝোলা শ্বেতশুভ্র স্কার্টটি সে ঠিকঠাক গুছিয়ে নিচ্ছিল; তবে তার সুঠাম পদযুগল তাতেও আড়াল হচ্ছিল না। তার গলায় নিতান্ত যেমন-তেমন করে জড়ানো রেশমি রুমালেও খেলে যাচ্ছিল রামধনুকে লজ্জা দেওয়া রঙের বাহার। হিরে আর মুক্তো-বসানো একটা ছোট্ট মূর্তি তার গলায় ঝুলছিল— হয়তো অশুভের হাত থেকে তাকে বাঁচানোর জন্যই।

    লর্ড বুচার বিছানা ছেড়ে প্রায় লাফিয়ে উঠলেন। তিনি জানতে চাইলেন, ‘বিবি সাহেবা’ উঠেছেন কি না। স্ত্রী ওঠেননি জানতে পেরে বুচার কন্যাটিকে নিয়ে শ্বেতপাথরে বাঁধানো পথ ধরে এগোলেন। সাড়ম্বরে তাকে একটি পালকিতে তুলে রওনা করিয়ে দিলেন তিনি। তারপর প্রাতঃকৃত্যাদি সেরে রোজকার গেজেটটি হাতে নিয়ে কাউন্সিল হলে ঢুকলেন।

    ঝাড়বাতি, আয়না, ছবি, গালিচা— চোখ-ধাঁধানো এমন নানা বস্তুর বৈভবে উজ্জ্বল হয়ে ছিল ঘরটা। তার ঠিক মাঝখানে রাখা ছিল একটা ছোট্ট টেবিল। স্তূপীকৃত চিঠি, দলিল, আর লেখার সামগ্রী সযত্নে সাজানো ছিল টেবিলের ওপর। তার লাগোয়া চেয়ারে বসে কিছুক্ষণ ধরে গেজেটটি পড়লেন বুচার। তারপর তিনি হাঁক পেড়ে জানতে চাইলেন, কে তাঁর সঙ্গে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করছে।

    বগলের নীচে টুপি চেপে ধরা, কোমরে তরবারি-ঝোলানো এক তরুণ ব্রিটিশ অফিসার ঘরে ঢুকল। সসম্ভ্রমে মাথা ঝুঁকিয়ে দাঁড়িয়ে রইল সে।

    “কী ব্যাপার? বাইরে যেন কাউকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলাম!”

    বুচারের প্রশ্নের সামনে নিচুগলায় অফিসার বললেন, “আজ্ঞে হ্যাঁ, স্যারে। এনসিন ভ্যালেনকোর্ট বাইরে অপেক্ষা করছেন।”

    “ভেতরে আসতে বলো।”

    মিনিটখানেকের মধ্যেই ঘরে ঢুকলেন এনসিন। তাঁর মুখে চার কি পাঁচ জায়গায় গভীর আঘাতের চিহ্ন ছিল। কাপড়ের বাঁধনে তাঁর একটি হাত ঝুলছিল।

    “কালকের ঝামেলাটা নিশ্চয় ভালোভাবেই মিটেছে?”

    বুচারের প্রশ্নের উত্তরে অধোবদন হলেন ভ্যালেনকোর্ট। তাঁর মুখ ক্রমেই লাল হয়ে উঠল।

    “তাহলে এই ব্যাপার! রাজকীয় ফৌজ একদল বাঙালির সামনে পিছু হটে গেছে! এবার তো কড়া ব্যবস্থা নিতেই হচ্ছে। আমাদের তরফে কতজন হতাহত হয়েছে?”

    “ আহত আর নিহত মিলিয়ে… পঞ্চাশজন, স্যার।”

    “সে কী! এতজন… কীভাবে হল?”

    “ওরা সংখ্যায় প্রায় দুশোজন ছিল, স্যার। আমরা বেয়নেট নিয়ে ওদের ওপর হামলা করতেই আড়াল থেকে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়।”

    “আর তার ফলে তোমরা পিটটান দাও?”

    কোনো উত্তর না দিয়ে আবার মাথা নিচু করলেন ভ্যালেনকোর্ট। তাঁর মুখের লালচে ভাবটা আরও গাঢ় হয়ে উঠল যেন।

    “বুঝেছি। এখনকার। মতো ।যেতে ।পারো, তবে ডাকলে যেন পাই।”

    মাথা অনেকখানি ঝুঁকিয়ে অভিবাদন জানালেন ভ্যালেনকোর্ট; তারপর বেরিয়ে গেলেন।

    গভীর চিন্তায় ডুবে গেলেন ভাইসরয়। বেশ খানিকক্ষণ ধরে ঘরের মধ্যেই পায়চারি করলেন তিনি। তারপর চেয়ারে বসে কাগজ-কলম টেনে একটা চিঠি লিখতে শুরু করলেন। সেটা ছিল এ-রকম~

    “প্রাপক:

    কর্নেল জন ব্লাড-থার্স্টি,

    বাংলা-তে ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ এবং শহরের প্রধান।

    প্রিয় কর্নেল,

    বেশ কিছু গোপন সূত্র থেকে জানা গেছে যে এ-দেশের লোকেদের মধ্যে সরকারের কাজকর্ম নিয়ে বিপুল অসন্তোষ জমে উঠেছে। এই অবস্থায় অতর্কিত আক্রমণের হাত থেকে দুর্গ তথা শহরকে সুরক্ষিত রাখার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার আপনাকে দেওয়া হল। সেক্রেটারি এবং বোর্ডের সঙ্গে চিঠি চালাচালির ফলে যে-সব খবর রটেছে, তার পরিপ্রেক্ষিতেই এই আদেশ দিতে বাধ্য হচ্ছি আমি।

    আপনারই একান্ত,

    বুচার,

    রাজভবন, এপ্রিল ১৯৪৫”

    চিঠিটা লেখা শেষ করে ঘরের মধ্যে আবারও গোটাদুই চক্কর দিলেন বুচার। তারপর প্রেসের উদ্দেশে একটা চিঠি লিখতে বসলেন তিনি। তার বয়ান ছিল এ-রকম~

    “ক্যালকাটা কুরিয়ার এক্সট্রাঅর্ডিনারি

    এপ্রিল ১৯৪৫

    সামরিক সূত্রে জানা গেছে, গত সন্ধ্যায় দু’জন অশ্বারোহী এবং ষোলোজন পদাতিক সৈন্যকে শহরের উপকণ্ঠে শান্তিরক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। প্রায় দু’হাজার মানুষের সেই জমায়েতে উপস্থিত মানুষদের বুঝিয়ে-সুঝিয়ে ঘরে ফেরত পাঠাতে চেষ্টা করেছিলেন ম্যাজিস্ট্রেট। কিন্তু তাঁর যাবতীয় চেষ্টা ব্যর্থ হয়। সেই জনতা নিজেদের অবস্থান ছেড়ে নড়েইনি।”

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনিমফুলের মধু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    Next Article পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ১ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Our Picks

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026

    বিদ্বান বনাম বিদুষী – প্রীতম বসু

    April 27, 2026

    অনুষ্ঠান প্রচারে বিঘ্ন ঘটায় দুঃখিত – শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }