Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    কালিদাস কাহিনী – পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প157 Mins Read0
    ⤷

    বাড়ির খবর – ১

    ১

    সকালবেলা বাইরের কোনো লোক এলে দরজা খোলার দায়িত্ব আমার। দাদা এখন অবশ্য অফিসের কাজে দিল্লি গেছে, কিন্তু যখন কলকাতায় থাকেও, তখনও প্রতিদিন সকাল নটা পর্যন্ত নিজের বেডরুমের বাদশা। বিছানা থেকেই নামবে না, শুয়ে শুয়ে তিন-চার কাপ চা খাবে, নানা রকম হুকুম চালাবে আর খবরের কাগজখানা এমনভাবে মুখস্থ করবে যেন অফিসে গেলেই কেউ পড়া ধরবে তার দাদা কোনোদিন বাজারে যায় না, আলুর দাম বছরের কোন্ কোন্ সময় কমে কিংবা বাড়ে, সে খবর রাখে না। দুধ আনা, পাঁউরুটি আনা, এমনকি রান্নাঘরে দেশলাই ফুরিয়ে গেলে দৌড়ে গিয়ে কিনে নিয়ে আসা, এসব কাজ বোধহয় আমি ঠিক জন্মের পর থেকেই করে আসছি, দাদাকে কেউ কখনো অনুরোধ জানাতেও সাহস করে না। বৌদি ভোরবেলা ইস্কুলে চলে যায়। মা বাথরুম, রান্নাঘর আর পুজোর জায়গার মধ্যে কখন যে কোথায় থাকেন তার ঠিক নেই।

    ডিমওয়ালা, জমাদার, চাঁদা চাইবার ছেলেরা, সাবানের সেল্সম্যান, ভোটের লোকজন, ধর্মীয় ভিখিরি, পুরোনো খবরের কাগজওয়ালা এরা যে-যখন এসে দরজায় ঠকঠক করবে, অমনি আমাকেই গিয়ে খুলতে হবে। অনেক সময় আমি জমাদারকে বলে ফেলি, এখন চাঁদা হবে না! ধর্মীয় ভিখিরিকে বলি, ডিম চাই না, ডিম চাই না। আর ভোটের লোকদের বলি, বাথরুম সাফ করোনি কেন?

    দরজা খোলার পর এক সৌম্যদর্শন মাঝবয়েসী ভদ্রলোক একগাল হেসে, হাত জোড় করে বললেন, নমস্কার, নীলুবাবু, নমস্কার। সব খবর ভালো তো!

    ভদ্রলোককে একটু চেনা চেনা মনে হলেও কোথায় দেখেছি মনে করতে পারছি না। নাম সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারণা নেই। তবে ভদ্রলোকের ভাবভঙ্গি দেখে বোঝা গেল, একে দু’চার কথায় উড়িয়ে দেওয়া যাবে না, ভেতরে এনে বসাতে, হবে, উনি সে-রকমই আশা করছেন।

    দরজার আধখানা খুলেছিলাম, এবার দু’পাল্লা খুলে, একটু সরে দাঁড়িয়ে আমি বললাম, আসুন, আসুন!

    ভদ্রলোক ভেতরে পা দিয়ে চারদিকে মাথা ঘুরিয়ে দেখতে লাগলেন। দেওয়াল, প্লাগ পয়েন্ট, জানলা, শিলিং-এর কাছে ঝুল জমা, এই সব। আমি তাঁকে এনে বসালুম আমার ঘরে। আমাদের ফ্ল্যাটে আলাদা কোনো বসবার ঘর নেই। কিংবা বলা যেতে পারে, বসবার ঘরেরই এক পাশে আমি খাট পেতে শুই। দাদার বন্ধুরা এলে আমাকে বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে হয়। আত্মীয়-স্বজনরা এলে আমি বাথরুমে সময় কাটাই।

    চেয়ারে বসবার আগে ভদ্রলোক দেয়ালের একটা প্লাস্টার খসা জায়গায় দুটো টোকা দিলেন। ঝুরঝুর করে আরও একটু বালি খসে পড়ল। তিনি বেশ সন্তুষ্ট ভাবে মাথা নাড়লেন।

    পায়ের ওপর পা তুলে বললেন, তারপর, কী খবর-টবর?

    এখনো চিনতে পারছি না, তাই ভাসা ভাসা ভাবে বললুম, ভালো! বেশ ভালো!

    ভদ্রলোক বললেন, বাঃ! আজকাল ভালো কথাটা প্রায় শোনাই যায় না। সবাই তো ভুরু কুঁচকে আছে। কাউকে যদি জিজ্ঞেস করা যায়, কেমন আছেন? অমনি একগাদা অভাব-অভিযোগ আর দুর্দশার ফিরিস্তি শোনাবে! কী, ঠিক কি না!

    ভদ্রলোক আমার দিকে এমনভাবে তাকালেন, যেন আমাকে তাঁর সব কথা মেনে নিতেই হবে।

    —আপনার দাদা আছেন? তাঁর সঙ্গে একটু দরকার ছিল!

    এইবার সামান্য একটু ক্লু পাওয়া গেল। দাদার চেনা। ভদ্রলোক দাদার চেয়ে অনেক বড়, সুতরাং দাদার বন্ধু হতে পারেন না। অফিসের সহকর্মী? শ্বশুরবাড়ির কেউ?

    –দাদা তো কলকাতার বাইরে। সোমবার ফিরবে!

    —ও!

    এ খবর শুনেও তাঁর বিশেষ ভাবান্তর হলো না। পকেট থেকে বার করলেন সোনালি রঙের সিগারেট কেস। সেটা খোলার পর একবার তাকালেন আমার দিকে। বোধহয় একবার ভাবলেন আমাকেও অফার করবেন কিনা। তারপর বোধহয় বুঝে গেলেন আমার মতন লোকের জন্য একটা দামী সিগারেট নষ্ট করার কোনো মানে হয় না, নিজে একটা তুলে ঠোটে গুঁজলেন। লাইটার দিয়ে জ্বেলে প্রথম এক মুখ ধোঁয়া ছেড়ে ওপরের দিক তাকিয়ে রইলেন কয়েক মুহূর্ত।

    তারপর হঠাৎ জিজ্ঞেস করলেন, জানলার ধারে ওটা কি গাছ?

    -কদম।

    –বাঃ, বেশ বড় হয়েছে তো। এবার বর্ষায় ফুল এসেছিল?

    এরপর আমার বলা উচিত, আপনি কে মশাই?

    কিন্তু বলতে পারছি না। যদি বিশেষ চেনা কেউ হয়? বৌদির কোনো মাসতুতো দাদা-টাদা হলে তাঁকে না চেনাটা আমার অপরাধ বলে গণ্য হবে।

    —আপনাকে কটার সময় অফিসে বেরুতে হয়, নীলুবাবু?

    -আমার নিজের ব্যবসা, যখন খুশি গেলেই হয়!

    –ও, আপনি আজকাল বিজনেস করছেন, বাঃ!

    রবীন্দ্রনাথ নিজেকে ‘সাহিত্য ব্যবসায়ী’ বলেছেন। সেই অনুসারে আমিও আজকাল নিজেকে ‘ভ্রমণ ব্যবসায়ী’ বলতে শুরু করেছি। ভ্রমণটা বুঝি একটা কাজ না?

    ভদ্রলোক আর কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই মা আমাকে ডাকলেন বাইরে থেকে।

    তা হলে নিশ্চয়ই গণ্যমান্য কেউই হবেন। মা চা খাওয়াতে চাইছেন। মা বললেন, অংশুবাবু নিজে থেকে এসেছেন কেন রে?—তা তো আমি জানি না।

    –তোর দাদা তো চেক লিখে রেখে গেছে। তুই দিয়ে আসিসনি?

    ওঃ হো, এই ব্যাপার! ইনি আমাদের বাড়িওয়ালা! প্রত্যেক মাসের পয়লা তারিখে দাদা একটা চেক লিখে দেয়, আমি হরীশ মুখার্জি রোডে ওঁদের বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে আসি। সেখানে আমি অংশুবাবুকে কখনো দেখিনি। ওঁদের বাড়ির একতলায় একটা অফিস মতন আছে, চেকটা দিলেই একজন লোক রশিদ দিয়ে দেয়। বাড়িওয়ালার সঙ্গে দেখা করার কোনো প্রয়োজন হয় না।

    বাড়িওয়ালা সম্পর্কে আমাদের পরিবারে প্রধান অভিযোগ, তিনি কক্ষনো আমাদের খোঁজখবর নিতে আসেন না। ছাদে জলের ট্যাঙ্ক ফুটো হয়ে একবার ছাদটা পুকুর হয়ে গিয়েছিল, তখনও বাড়িওয়ালার পক্ষ থেকে কেউ সাহায্য করতে. আসেনি।

    আজ হঠাৎ সাতসকালে তিনি নিজে এসে উপস্থিত। আমি চেকটার কথা ভুলে গিয়েছিলুম, মোট পাঁচদিন দেরি হয়ে গেছে। লোকটা মহা কঞ্জুষ তো! দাদার ড্রয়ারে চেকটা পড়ে ছিল। সেটা নিয়ে এসে বিনীতভাবে বললাম, আমার খুব কাজ পড়ে গিয়েছিল, দিয়ে আসতে পারিনি, খুবই দুঃখিত, আপনাকে আসতে হলো।

    অংশুবাবু উদারভাবে বললেন, না, না। তাতে কী হয়েছে! এমনিই এলাম খোঁজখবর নিতে। অনেকদিন তো আসা হয় না। আপনার মা কেমন আছেন?

    —ভালোই আছেন। আপনি চা খাবেন?

    —নাঃ। সকালে এক কাপ খাই, তার বেশি আমার সহ্য হয় না। আগে, মানে ভবানীপুরে নতুন বাড়িটা কেনার আগে, এই বাড়িটাতে আমরা নিজেরাই থাকতাম। এই যে এই ঘরটা, যেখানে এখন বসে আছি, এটা ছিল আমার পড়বার ঘর। কতদিন আসিনি এদিকে। এখন কি অবস্থা হয়েছে ঘরটার। ছাদ থেকে জল পড়ে?—তা পড়ে, বেশি বর্ষা হলে ঐ কোণটায় গামলা পেতে রাখতে হয়। আপনার চেকটা…

    –থাক, থাক, ওটা আমার হাতে দেবার দরকার নেই।—আপনার বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে আসতে হবে? ঠিক আছে, আজই দুপুরবেলা…

    –না, না, প্রত্যেক মাসে আপনি কষ্ট করে অতদূরে যাবেন কেন? থাক না ভাবছি ও টাকাটা আর নেব না!

    –আপনি ভাড়া নেবেন না?

    –ঐ সামান্য টাকা, নেওয়াও যা, না নেওয়াও তা! আপনারা সজ্জন, ভদ্রলোক, আপনারা বিনা ভাড়াতেই থাকুন না! কোনো অসুবিধে নেই। থাকুন, থাকুন!

    —কিন্তু মুস্কিল হচ্ছে কি, আমার দাদার মান-অপমান জ্ঞান বড্ড টনটনে।। দাদা তো বিনা ভাড়ায় থাকতে রাজি হবে না।

    –দাদাকে জানাবেন না! টাকাটা আপনিও নিয়ে নিতে পারেন। নীলুবাবু, আপনি নতুন ব্যবসা করছেন, আপনার কাজে লেগে যেতে পারে। আপনার কী ব্যবসা?

    —ভ্রমণ ব্যবসা!

    —ভ্রমণ ব্যবসা? ওঃ হো, তার মানে ট্রাভেল এজেন্সি?

    —এজেন্সিটা এখনো হয়নি। শুধু ট্রাভেল চলছে। কিন্তু অংশুবাবু, দাদা আপনার নামে চেক কাটবে। সে টাকা আমি ভাঙাবো কী করে?

    —আমি ভাঙিয়ে দেব। কোনো চিন্তা নেই। দাদার কাছ থেকে চেকটা নিয়ে আপনি ছিঁড়ে ফেলবেন। আমি মাসে মাসে আপনাকে দুশো টাকা করে দিয়ে যাব!

    —ভাড়ার রশিদ দেবেন?

    –ভাড়া নেব না বলছি, অথচ রশিদ দেব, এ আবার কী অদ্ভুত কথা! ওটা যে বে-আইনি ব্যাপার হয়ে যায়। সত্যি কথা বলছি, আপনাদের কাছ থেকে ভাড়া নিতে আমার লজ্জা করে। কী দশা হয়েছে এ বাড়ির! ছাদ ফুটো, দেয়াল নোনা ধরা, জলের পাইপ নষ্ট হয়ে গেছে। এ রকম অবস্থায় আপনাদের রেখেছি, তার ওপরে আবার টাকা নেব? ছি ছি ছি! ছি ছি ছি, আমার কি বিবেক বলে কিছু নেই। অতটা চশমখোর আমি হতে পারি না। অথচ এখন এ বাড়ি সারানোর সাধ্যও আমার নেই। তাই তো বলছি, আপনারা বিনা ভাড়াতেই থাকুন।

    –দাদা যে আমার কাছ থেকে ভাড়ার রশিদ দেখতে চাইবে? দাদার এসব কথা খুব মনে থাকে।

    —আজ দিচ্ছি কাল দিচ্ছি বলে কাটিয়ে দেবেন। বলবেন, রশিদ হারিয়ে ফেলেছি। মাসে আপনি দুশো টাকা করে পাবেন, একটা কিছু বুদ্ধি বার করতে পারবেন না?

    আমার চেয়ে দাদার বুদ্ধি অনেক বেশি। আচ্ছা অংশুবাবু, আমি আর একটা কথা শুনেছি। মাসের পর মাস ভাড়া না দিলে নাকি ভাড়াটেরা ডিফল্টার হয়ে যায়? তখন বাড়িওয়ালারা তাদের চট করে তুলে দিতে পারে।

    -আরে রাম রাম! আমাকে সে-রকম লোক ভাবলেন? আপনার বাবাকে আমি চিনতাম। কত শ্রদ্ধা করতাম তাঁকে। আপনাদের সঙ্গে আমি সে-রকম ব্যবহার করতে পারি! মাসের পর মাস, তারপরের মাস, তার পরের মাসও আপনারা বিনা ভাড়ায় থাকুন না। আমি কিছু বলব না। আই প্রমিস। এইভাবে মাস ছয়েক কাটিয়ে দিন। তার মধ্যে অন্য জায়গায় একটা সুবিধে মতন বাড়ি খুঁজে বার করতে পারবেন না? ছ’মাসের আগে আমি টু শব্দও করব না, আমি আপনাকে ওয়ার্ড অফ অনার দিচ্ছি।! কী, নীলুবাবু, এটা খারাপ প্রস্তাব!

    –না, না, আমার তো খুবই ভালো মনে হচ্ছে। ছ’মাস কি কম কথা? কিন্তু আমার দাদা গোঁয়ার ধরনের মানুষ। দাদা যদি মানতে না চায়? শুনেছি রেন্ট কন্ট্রোল বলে একটা ব্যাপার আছে। সেখানে নিয়মিত ভাড়ার টাকা জমা দিলে ভাড়াটেদের গায়ে আর কেউ হাত ছোঁয়াতে পারে না।

    —দূর দূর, ওসব কত্ত পুরোনো ব্যাপার। আজকাল কেউ গ্রাহ্য করে না। অনেক বাড়িওয়ালা তখন জল বন্ধ করে দেয়, ইলেকট্রিক লাইন কেটে দেয়। ভাড়াটেদের উত্যক্ত করে মরে। সেসব বড় বিশ্রী ব্যাপার।

    -অনেক ভাড়াটেও নাকি এমন গোঁয়ার হয় যে জল আলো বন্ধ করলে থানায় ডায়েরি করে। মামলা লাগিয়ে দেয়। সেই মামলা আট-দশ বছর চলে!

    –সেসবেরও ওষুধ আছে, বুঝলেন নীলুবাবু। অনেক বাড়িওয়ালা তখন পাড়ার ছেলেদের হাত করে। দু’চারটে গুণ্ডা মতন ছেলেকে বশ করে বলে, লাগ ওদের পেছনে লাগ। পাড়ার ছেলেরা পেছনে লাগলে সে পাড়ায় আর কেউ বাস করতে পারে? তখন বাপ বাপ বলে পালায়।

    —ভাড়াটেদেরও যদি দু’-একটি অল্পবয়েসী ছেলে থাকে, তখন পাড়ার ছেলেদের সঙ্গে তাদের ভাব থাকে। মনে করুন, পাড়ার ক্লাবে ভাড়াটেদের একটা ছেলে মেম্বার। বাড়িওয়ালা থাকে অন্য পাড়ায়। এখন সেই বাড়িওয়ালা ঝঞ্ঝাট করতে এলে ক্লাবের ছেলেরা ভাড়াটেদেরই মরাল সাপোর্ট দেবে না? নিশ্চয়ই দেবে!

    —সে-রকম ক্লাব-ফ্লাব আজকাল নেই, বুঝলেন নীলুবাবু। সব পলিটিক্‌স। সব জায়গায় পলিটিক্‌সের আখড়া। বুদ্ধিমান বাড়িওয়ালা কী করে জানেন? গোটা দু’এক পলিটিক্যাল পার্টিকে মাসে-মাসে চাঁদা দেয়। মনে করুন একজন ল্যাণ্ডলৰ্ড দুটো পলিটিক্যাল পার্টিকে প্রতি মাসে পাঁচশো করে টাকা দিতে লাগল। ভাড়াটেরা অত টাকা দিতে পারবে? টাকার জোর থাকলে মরাল সাপোর্ট-ফাপোর্ট ওসব কিছু না।

    আমি একটু চুপ করে গেলাম। আমাকে একেবারে জব্দ কর দিয়েছেন মনে করে অংশুবাবু বেশ তৃপ্তির সঙ্গে হাসতে লাগলেন।

    আমি খানিকটা দমে গিয়ে মিনমিন করে বললাম, টাকা তো অনেক জায়গায় পাওয়া যায়, ব্যাঙ্কে গেলেই পাওয়া যায়, কিন্তু মরাল সাপোর্ট অত সহজে কেউ পায় না। টাকা দিয়ে মরাল সাপোর্ট কেনা যায় না!

    অংশুবাবু এবার অট্টহাসি করে বললেন, ব্যাঙ্কে গেলেই টাকা পাওয়া যায়, হা-হা-হা-হা, এটা বেশ ভালো বলেছেন, হা-হা-হা, যে-কেউ ব্যাঙ্কে গেলেই টাকা পাবে? হা-হা-হা! আপনি আমার সঙ্গে বাজি ফেলবেন! টাকা দিয়ে পাড়ার ছেলেদের মরাল সাপোর্ট কেনা যায় কিনা দেখবেন?

    আমার উত্তরের অপেক্ষা না করেই তিনি আবার সিগারেট কেসটা খুললেন। এবার আমার দিকে সেটা বাড়িয়ে দিয়ে বললেন, নিন!

    আমিও বিনা দ্বিধায় একটা তুলে নিয়ে বললুম, আপনি তা হলে চা খাবেন না?

    অংশুবাবু বললেন, নাঃ! আচ্ছা নীলুবাবু, আর একটু প্রশ্ন করি। সব ভাড়াটেই মনে করে, বাড়িওয়ালারা তাদের ওপর অত্যাচার করে। বাড়িওয়ালারা স্বার্থপর। তাই না? কিন্তু আপনি নিজে যদি বাড়িওয়ালা হতেন, তখন কী ভাবতেন?

    —হতাম না।

    —কী হতেন না?

    –বাড়িওয়ালা হবার কোনো চান্স নেই আমাদের।

    —মনে করুন না, হঠাৎ একটা বাড়ির মালিক হয়ে গেলেন।

    —কী করে হবো? আমার ব্যবসা থেকে কোনোদিন কোনো লাভ হবার আশা নেই। দাদা আর বৌদি যা মাইনে পায়, তাতে কোনো রকমে সংসার খরচ চলে যায়। কিচ্ছু জমে না। বাড়ি হবে কী করে?

    —হঠাৎ যদি একটা লটারির ফার্স্ট প্রাইজ পেয়ে যান!

    —কিনি না!

    —আহা, কল্পনা করতে দোষ কী? ধরে নিন না, কোনো রকমে একটা বাড়ির মালিক হয়ে গেলেন, তাতে দু’তিন ঘর ভাড়াটে …

    —কল্পনাতেই যদি পোলাউ খেতে হয়, তাতে ঘি কম দেব কেন? সে-রকম যদি একটা বাড়ির মালিক হয়েই যাই, তা হলে ভাড়া দিতে যাব কোন দুঃখে? অনেক ঘর খালি পড়ে থাকবে। কোনোটা হবে লাইব্রেরি, কোনোটা হবে আড্ডার ঘর, কোনোটা হবে ঝগড়ার ঘর…

    —আজকাল আর ওসব সম্ভব নয়, বুঝলেন। ফাঁকা ঘর ফেলে রাখলেই কেউ না কেউ এসে দখল করে নেবে। এবার আসল কথাটা শুনুন। কলকাতা শহরটা দিন দিন কী রকম বিচ্ছিরি হয়ে যাচ্ছে দেখছেন তো! এই রকম একটা তিনতলা বাড়ি, ভাঙাচোরা, রঙ করা হয়নি দশ বছর, এ-রকম বাড়ির জন্যই তো শহরটা আরও খারাপ দেখায়। এ বাড়ি সারাতে গেলে পুরো খোল-নলচে বদলে ফেলতে হবে।

    –কেন, আমাদের তো বেশ চলে যাচ্ছে। বৃষ্টির সময় একটু জল পড়ে বটে, কিন্তু তাতে এমন কিছু অসুবিধে হয় না। এ রকম রঙ-চটা বাড়ি কলকাতায় হাজার হাজার রয়েছে।

    —আহা, আগে শুনুন পুরোটা। হাজারটা বাড়ি থাকুক, কিন্তু আমার নিজের বাড়ি এ-রকমভাবে ফেলে রাখতে আমার লজ্জা করে। আপনাদেরও কষ্ট দিতে চাই না। পুরো বাড়ি সারাবার সামর্থ্য আমার নেই। তাই ঠিক করে ফেলেছি, এটা একেবারেই ভেঙে ফেলব। অনেকটা জমি আছে, এখানে একটা মাল্টিস্টোরিড বিল্ডিং দিব্যি হতে পারে। ভাবুন তো, এখানে একটা দশতলা বাড়ি উঠলে কত সুন্দর দেখাবে। পাড়াটার চেহারাই খুলে যাবে।

    —এ তো খুব চমৎকার কথা! এতক্ষণ বলেননি কেন? আমার মা, দাদা—বউদি সবাই শুনলে খুব খুশি হবে! ভেঙে ফেলুন বাড়ি। দশতলা বিল্ডিং-এ অনেক ফ্ল্যাট হবে, তার মধ্যে একটা আমাদের দিতে চান, এই তো? আমাদের কিন্তু দক্ষিণ খোলা ফ্ল্যাট দিতে হবে, আমি আগে থেকেই বুক করে রাখছি।

    মুখখানা করুণ করে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন অংশুবাবু। সিগারেটটা গুঁজে দিলেন অ্যাশট্রেতে।

    তারপর বললেন, দিতাম, নিশ্চয়ই দিতাম। আপনাদের খুশি করতে কি আমার মন চায় না? আপনার বাবাকে আমি কত শ্রদ্ধা করতাম। আমি নিজে মাল্টিস্টোরিড বানালে আপনাদের একটা ফ্ল্যাট দিতাম। কিন্তু আমার অত টাকা কোথায়? একজন মাড়োয়ারি ভালো দর দিয়েছে। জমিটা সে চায়। আমার নিজের ব্যবসায়ে এখন খুব মন্দা চলছে, ক্যাশ টাকার খুব দরকার। তাই এই বাড়িটা আমাকে বেচতেই হবে।

    –বেশ তো, সেই মাড়োয়ারিকে বলবেন আমাদের একটা ফ্ল্যাট দিতে।

    –ঐ তো আর একটা মুস্কিল। সে কোনো পুরোনো ভাড়াটের ঝামেলা রাখতে চায় না। সে খালি বাড়ির পজেশান চায়। সে এখানে লাক্সারি ফ্ল্যাট বানাবে, অনেক টাকা দাম, আপনাদের মতন লোক সেখানে থাকতে পারবেন না। আপনাদের উঠে যেতেই হচ্ছে, নীলুবাবু!

    -আমরা যাব কোথায়? এখন বাড়ি ভাড়াই পাওয়া যায় না। যা পাওয়া যায়, তার অসম্ভব ভাড়া।

    —ব্যারাকপুরে চলে যান না। কিংবা এদিকের সোনারপুরে। কিংবা হাওড়া লাইনের বেগমপুরে। ওসব জায়গা এখনো বেশ ফাঁকা আছে। অনেক গাছপালা। কলকাতায় কি আর মানুষ থাকতে পারে? ছ্যা ছ্যা ছ্যা! রাস্তাঘাটের কী অবস্থা! নরককুণ্ড একেবারে! ট্রাম-বাসে যেতে গেলে মানুষগুলোকে জন্তু হয়ে যেতে হয়! কেন শুধু শুধু এই ঘিঞ্জির মধ্যে থাকতে যাবেন? মফস্বলে যান, টাটকা বাতাসে নিঃশ্বাস নেবেন, কোনো পলিউশান নেই। ফ্রেশ মাছ, তরি-তরকারি পাবেন।

    —কলকাতা যদি এতই খারাপ জায়গা হয়, আর মফস্বল সব স্বর্গ, তা হলে আপনারা যাচ্ছেন না কেন সেখানে?

    –আমাদের কি যাওয়ার উপায় আছে! বিষয়-সম্পত্তির এত ঝামেলা!

    —তার মানে বাড়িগুলো সব বেচে দিচ্ছেন মাড়োয়ারিদের আর আমাদের মতন মধ্যবিত্তদের তাড়িয়ে দিতে চান মফস্বলে, এই তো?

    —আমি তাড়াবার কে বলুন! সবই নিয়তি, সবই ভাগ্য! এতকাল তো কম ভাড়ায় এই বাড়িতে দিব্যি আরামসে রইলেন, আমি কিছু বলেছি! এখন আমার সাধ্যে কুলোচ্ছে না। বাড়িটা বেচতেই হবে। মাড়োয়ারিরা ভালো দাম দেয়, তাদেরই বেচব, এ তো সোজা কথা! এর মধ্যে অন্যায্য কী আছে, বলুন?

    -কিন্তু আমার দাদা বোধহয় এই সোজা কথাটা বুঝতে চাইবে না। বড্ড গোঁয়ার!

    –এর মধ্যে গোঁয়ার্তুমির চান্স কোথায়? আমি বাড়ি বিক্রি করব ঠিক করে ফেলেছি। মাড়োয়ারি প্রমোটার নতুন মাল্টিস্টোরিড বানাবার আগে এটা ভেঙে ফেলবে। তা হলে আপনারা থাকবেন কী করে?

    —আমরা যদি ছেড়ে না যাই, তা-ও ভাঙবে?

    —একতলার দোকানঘরগুলো ছাড়তে রাজি হয়েছে। তাদের সঙ্গে ব্যবস্থা হয়ে গেছে। দোতলার ভাড়াটেরা সল্টলেকে নিজস্ব বাড়ি করে উঠে গেছে, তা জানেন নিশ্চয়ই? সুতরাং একতলা আর দোতলা ভাঙতে কোনো অসুবিধে নেই। তারপরেও আপনারা তিনতলায় থাকবেন?

    —হ্যাঁ থেকে যাব। কোনো অসুবিধে নেই। তখন আমরা হাসন রাজার গান গাইব!

    –কার গান?

    -হাসন রাজার গান শোনেননি? ‘কী ঘর বানাইনু আমি শূন্যের মাঝার, লোকে বলে, বলে রে, ঘর-বাড়ি ভালা না আমার।’

    কটাস করে সিগারেট কেসটা বন্ধ করলেন অংশুবাবু। শক্ত করলেন চোয়াল। চোখ দুটি ডাক্তারদের সরু টর্চের মতন আমার চোখের দিকে ঘুরিয়ে বললেন, আপনি এখনো ছেলেমানুষ রয়ে গেছেন, নীলুবাবু! এসব ঠাট্টা-ইয়ার্কির ব্যাপার নয়। এ বাড়ি আপনাদের ছাড়তেই হবে। এ নিয়ে কোনো তিক্ততার সৃষ্টি হোক আমি চাই না!

    আমি সঙ্গে সঙ্গে বললাম, আমিও চাই না! তিক্ততা? এঃ! কোনোরকম তেতো জিনিসই আমি একদম পছন্দ করি না।

    এই সময় সিঁড়ি দিয়ে দুপদাপ শব্দ করে উঠে এল একটি কিশোরী মেয়ে। হলুদ স্কার্ট পরা। ভেজানো দরজা ঠেলে সে ঢুকে পড়ল একটা হলুদ ঝড়ের মতন। মুমু!

    আমার সামনে এসে কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে সে বলল, অ্যাই ব্লু। পাজি, মিথ্যেবাদী! আমাকে যে কালকে শরদিন্দু রচনাবলী পৌঁছে দেবার কথা ছিল, তার কী হলো?

    সুনীল গঙ্গে’পাধ্যায়ের লেখা একখানা বই আমার গায়ে ছুঁড়ে মেরে বলল, এই বইখানা আমি পড়ব না।! বাজে, পচা, মাথামুণ্ডু নেই। এই লেখকটা লিখতেই জানে না। শরদিন্দু কোথায়?

    তারপর হঠাৎ অংশুবাবুর দিকে চোখ পড়তেই সে অবাক হয়ে বলল, একী! জ্যাঠামণি, তুমি এখানে?

    অংশুবাবুর মুখখানা এর মধ্যে কোমল হয়ে গেছে। চোখ দিয়ে ঝরে পড়ছে স্নেহ। তিনি বললেন, মামণি, এটা তো আমারই বাড়ি!

    মুমু বলল, যাঃ তোমার বাড়ি কী করে হবে? এখানে তো নীলকাকারা থাকে। আমি বললাম, যে-যেখানে থাকে, সেটাই কি তার নিজের বাড়ি হয়! এই বাড়ির মালিক উনি। বোসো মুমু, দিচ্ছি বই।

    মুমু আমার কাছে এসে চুল টেনে ধরে বলল, একদিন দেরি করেছ, তোমার ফাইন! আমাকে আইসক্রিম খাওয়াতে হবে!

    অংশুবাবু যেন বেশ খানিকটা বিভ্রান্ত হয়ে একবার মুমুর দিকে, একবার আমার দিকে তাকাতে লাগলেন।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আকাশ পাতাল – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    Ek Pata Golpo সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Our Picks

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    কালিদাস কাহিনী – পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }