Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    কালিদাস কাহিনী – পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প157 Mins Read0
    ⤶

    বাড়ির খবর – ১০

    ১০

    ঊষাকোটি জঙ্গলের মধ্য দিয়ে একটা হাইওয়ে গেছে, সেটা আমার মাথায় ছিল। সকলের অলক্ষ্যে বাংলোর সামনের রাস্তাটা ধরে আমি এগিয়ে গেলাম। মনটা খুব খারাপ হয়ে গেছে। এ পৃথিবীর কিছুই আর ভালো লাগছে না।

    মিনিট পনেরো পরে পাওয়া গেল বড় রাস্তা। মাঝে মাঝে দুটো একটা ট্রাক ও প্রাইভেট গাড়ি যাচ্ছে। এই রকম রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে লিফ্ট নেবার অভিজ্ঞতা আমার ভালো আছে। ধৈর্য ধরে থাকতে হয়। অনেকেই থামে না। আমাদের দেশে হিচ হাইকিং চালু নেই। গুণ্ডা-বদমাশরা গাড়ি থামিয়ে লুটপাট করবে, এই ভয় পায় সবাই।

    প্রীতম যদি কোনো কারণে খোঁজ করতে আসে, তাই এখানে দাঁড়ানো ঠিক নয়। আমি বড় রাস্তা ধরেও হনহন করে হেঁটে গেলাম অনেকটা। আজ বেশ গরম, হাওয়া বন্ধ, ঘাম ঝরছে দরদর করে।

    একটা বেশ ফাঁকামতন জায়গা দেখে দাঁড়ালাম। গাড়িওয়ালাদের বোঝানো দরকার আমার কোনো দলবল নেই।

    আট-দশখানা গাড়ি ও ট্রাক আমাকে পাত্তাই দিল না। আমার হাততোলা মূর্তির দিকে একবার তাকিয়েই ড্রাইভার মুখ ঘুরিয়ে নেয়। এদিকে শিগগিরই ডাকাতি—টাকাতি হয়েছে নাকি?

    এবারে দ্বিতীয় টেকনিকটা কাজে লাগাতে হলো। আর প্রাইভেট গাড়ি নয়, ট্রাক দেখলেই রাস্তার ওপর অনেকটা এগিয়ে এসে হাতে একটা পাঁচ টাকার নোট নিয়ে নাড়তে লাগলাম।

    তৃতীয় ট্রাকটা থামল। ড্রাইভার মুখ ঝুঁকিয়ে জিজ্ঞেস করল, কাঁহা?

    আমি বললাম, সম্বলপুর।

    সে বলল, পাঁচ রুপিয়ায় হবে না। দশ রুপিয়া।

    ঠিক আছে, তাই সই। গরমের মধ্যে আর দাঁড়ানো যাচ্ছে না।

    সম্বলপুর পৌঁছে আবার অন্য ট্রাকে হীরাকুদ। বাঁধ ও হ্রদ দেখব ঠিক করেছিলাম। দেখবই। দাদাকে রিপোর্ট দিতে হবে। দাদা খুঁটিনাটি জিজ্ঞেস করবে!

    ফেরার পথে ট্রেনে চেপে আকস্মিকভাবে আর একটা আবিষ্কার করা গেল।

    আমার উল্টোদিকের সহযাত্রী একটি ওড়িয়া সংবাদপত্র পাঠ করছেন। পেছনের পাতায় একটা তিন কলম ছবি। কয়েকজন মানুষ সার বেঁধে দাঁড়িয়ে আছে। তার মধ্যে একজন ম-বাবু!

    ওড়িয়া অক্ষর আমি মোটামুটি পড়তে পারি। তবু নিশ্চিত হবার জন্য সহযাত্রী ভদ্রলোককে জিজ্ঞেস করলাম, দাদা। এই ছবির একজন লোক আমার চেনা। ক্যাপশানে কী লেখা আছে একটু বলবেন?

    ভদ্রলোক বললেন, সম্বলপুরে একটা স্টেডিয়াম তৈরি হবে। তার ভিত্তি-প্রস্তর স্থাপন করতে এসেছিলেন এক মন্ত্রী। আপনি কোন্ লোকটিকে চেনেন? ডান দিক থেকে দ্বিতীয়? এর নাম ত্রিলোচন জৈন। ইনি স্টেডিয়ামটা বানাবার কন্ট্রাক্ট নিয়েছেন!

    ত্রিলোচন জৈন! তপনদার মুখে এঁর নাম শুনেছি। কলকাতার বহু মাল্টিস্টোরিড বিল্ডিং-এর প্রোমোটার। ওড়িশাতেও এঁর যথেষ্ট আধিপত্য আছে দেখা যাচ্ছে। সেই জন্যই ঊষাকোটি জঙ্গলের ওই প্রহসন!

    খানিকক্ষণ ঝিম মেরে বসে রইলাম!

    ত্রিলোচন জৈনের সঙ্গে ওই শরবতের স্বাদের কি কোনো সম্পর্ক আছে? মুমুদের ক্লাবে প্রিসিলার দেওয়া শরবত আর এখানকারটা যে একই, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কিছু একটা ট্রাংকুলাইজার ধরনের জিনিস ওতে মেশানো থাকে, যাতে স্নায়ুর আরাম হয়, যুক্তিবোধ অনেকটা শিথিল হয়ে যায়। আমি নিজেও সেটা অনুভব করেছি।

    ত্রিলোচন জৈন কি শংকর জৈনের কেউ হয়? জৈন খুব কমন পদবী, অনেকেরই হতে পারে। তবে, মুমু বলেছিল, ওদের ক্লাবের ওই ফ্ল্যাটটা শংকরের বাবা এমনিই ব্যবহার করতে দিয়েছে।

    আমার মনে পড়ল, তাজ বেঙ্গলে শংকরের সঙ্গে সেই তর্কের কথা। শংকরের যুক্তি ছিল অনেক, আমাকে সে ধরাশায়ী করে দিয়েছিল প্রায়। কিন্তু ত্রিলোচন জৈন শংকরের বাবা-কাকা-জ্যাঠা কেউ একজন হতে বাধ্য। শংকর কি এসব জানে না?

    আমার উচিত এই পুরো ব্যাপারটাই মাথা থেকে মুছে ফেলা।

    এসব বিশ্রী ব্যাপারের মধ্যে নিজেকে জড়াবার কী দরকার? এরকম তো অনবরতই চলছে। একটা শুধু আমি নিজের চোখে দেখলাম। ত্রিলোচন জৈন যেমন অপরাধী, স্ত্রীর লোভের কাছে পরাজিত ক-বাবুও তার চেয়ে কিছু কম নন। ক—বাবুর পরিচয় জানা এমন কিছু শক্ত হবে না, কিন্তু আমি জানতে চাই না।

    কলকাতায় ফিরে দুটো দিন চুপচাপ কাটালাম।

    ঊষাকোটি জঙ্গলের বদলে আমার চলে যাওয়া উচিত ছিল দিকশূন্যপুরে। সেখানে আমাকে মানায়। আমি যোদ্ধা নই। আমি পলাতক। যারা বড় বড় বীর হিসেবে পরিচিত, যারা জননায়ক, তারাই এ ব্যবস্থা পাল্টাতে পারছে না, আমি তো কোন্ ছার।

    পরের দিন মনে হলো, তপনদা-শিখা বৌদিরা কি সত্যই চলে গেল নাকি? একবার খোঁজ নেওয়া দরকার।

    ও বাড়িতে গিয়ে দেখি, জিনিসপত্র বাঁধা-ছাঁদা হচ্ছে। সেখানে চন্দনদাও উপস্থিত।

    আমি বিষণ্নভাবে জিজ্ঞেস করলাম, তপনদা, সত্যি তুমি কলকাতা ছেড়ে যাচ্ছ?

    চন্দনদা বলল, যাবে না কেন? বম্বেতে ও অনেক ভালো অফার পেয়েছে। বাঙালিদের এই এক দোষ, কলকাতা ছেড়ে যেতে চায় না। আরে কলকাতায় কি ভালো চাকরির আর কোনো স্কোপ আছে? সব এখন বম্বে কিংবা দিল্লিতে! আমি বললাম, কেন, কলকাতায় আর বড় চাকরির স্কোপ নেই কেন? কলকাতা কি ছোট জায়গা!

    তপনদা হেসে বলল, নীলু একটা মিলিয়ান ডলার প্রশ্ন করেছে। এর উত্তর সহজে দেওয়া যাবে না রে!

    চন্দনদা ধমকের সুরে বলল, কলকাতা নষ্ট হয়েছে বাঙালিদের দোষে! বাঙালিরা লেথার্জিক, ঘরকুনো। অন্যের নিন্দে করে, নিজেদের উন্নতির চেষ্টা করে না। তপন, তুই বম্বেতে গিয়ে আস্তে আস্তে একটা ফ্ল্যাট কিনে ফেলিস। আমরাও গিয়ে থাকব মাঝে মাঝে!

    তপনদা বলল, কলকাতায় পারলুম না। কিনতে হবে বম্বেতে! আমাদের এই বাড়িটা ভেঙে যে মাল্টিস্টোরিড হবে, তার এক একটা টু-বেডরুম অ্যাপার্টমেন্টের দামই হবে দশ লাখের ওপর। বম্বেতে এর ডাবল ছাড়া কম নয়। আমি একবার গিয়েছিলুম ত্রিলোচন জৈনের অফিসে, ইনস্টলমেন্টে পাওয়া যাবে কিনা খোঁজ নিতে। ওসব হবে না। ক্যাশ ডাউন। কটা বাঙালি দশ লাখ টাকা একসঙ্গে দিতে পারে বল তো? সব অবাঙালিরাই কিনবে!

    চন্দনদা বলল, তবু বেশি দাম দিয়েও বম্বেতে কেনা অনেক ভালো। ওখানকার বাড়ি অনেক মজবুত হয়। আমি তো ফ্ল্যাটটা কিনে ঠকেছি। এর মধ্যেই সব কিছু নড়বড় করছে। এখানকার কোন বাড়ি কবে ভেঙে পড়বে তার কি কিছু ঠিক আছে? আরে, কলকাতায় একটা ভালো আর্কিটেকট পর্যন্ত নেই! আজকের কাগজেই একটা খবর দেখেছিস? কাঞ্চন সেনগুপ্তকে পুলিশ অ্যারেস্ট করেছে। আজকের ইংরিজি কাগজটা বার কর!

    এসব বাড়ির আলোচনা আমার ভালো লাগছে না। আমি শিখা বৌদির সঙ্গে গল্প করবার জন্য উঠে পড়তে যাচ্ছিলাম, হঠাৎ কাঞ্চন সেনগুপ্ত নামটা আমার কানে খট করে লাগল। ইনিই কি ক-বাবু?

    চন্দনদা কাগজটা টেনে নিয়ে বলল, এই দ্যাখ। টালিগঞ্জে সেই যে একটা বাড়ি মাস দু’-এক আগে ভেঙে পড়েছিল, তার জন্য সে বাড়ির প্রোমোটার আর এক লাখোটিয়াকে পুলিশ ধরেছিল। পরে জামিনে ছাড়া পেয়েছে অবশ্য। এখন জানা যাচ্ছে, প্রোমোটারদের কোনো দোষই নেই। ওরা করপোরেশানে বাড়ির যে প্ল্যান সাবমিট করে, সেটাতে এই কাঞ্চন সেনগুপ্ত খানিকটা মডিফিকেশন করেছিল। কয়েকটা পিলার বদলেছে, ফ্লোর পেশ বাড়িয়েছে। ওই কারণেই বাড়িটা ভেঙেছে, এটা প্রমাণিত হয়ে গেছে। লোকটা কিস্যু জানে না। অথবা ঘুষ খেয়েছে। প্ল্যানটায় ওর এক বছর আগেকার সই আছে।

    তপনদা বলল, ইস্!

    চন্দনদা বলল, এর পরেও তুই বাঙালিদের সাপোর্ট করবি?

    তপনদা বলল, আমি কাঞ্চন সেনগুপ্তকে একটু একটু চিনি। খুব ভালো ইঞ্জিনিয়ার, আর সোজা ধরনের মানুষ বলেই তো জানতুম।

    কাগজের পাঁচের পাতায় ছোট খবর। আগে আমার নজরে পড়েনি। কোনো ছবি নেই। কাঞ্চন সেনগুপ্তই যে ক-বাবু তা জোর দিয়ে বলা যায় না। আবার তপনদার বর্ণনা শুনে মনে হয় হতেও পারে। কিন্তু এই লাখোটিয়া কে? সেই লাখোটিয়া যদি প্রোমোটার হয়, তা হলে ত্রিলোচন জৈন ক-বাবুকে ঘুষ দিতে যাবে কেন? সব ব্যাপারটাই গুলিয়ে যাচ্ছে।

    কিংবা লাখোটিয়া নামে লোকটি ত্রিলোচন জৈনের ডামি? ত্রিলোচন আড়াল থেকে কলকাঠি নাড়ে? সেই জন্যই শংকর জৈন তার বাবা-কাকাদের সব কীর্তি—কাহিনী জানে না?

    বিকেলবেলা তপনদাদের হাওড়া স্টেশনে পৌঁছে দিয়ে এলাম।

    কলকাতা শহরটাই ফাঁকা ফাঁকা লাগছে। বাজারে আর তপনদার সঙ্গে দেখা হবে না। তপনদার সম্পূর্ণ নিজস্ব ধরনের মজার কথা আর শুনতে পাব না। ট্রেন ছাড়ার সময় শিখা বৌদির চোখ ছলছল করছিল, তপনদা উদাসীন ভাব এঁকে রেখেছিল মুখে।

    একবার কফি হাউসের দিকে ঘুরপাক দিতে গেলাম।

    ভেতরে ঢুকেই প্রথম টেবিলটাতে বসে আছে প্রীতম। অন্য দু’জনের সঙ্গে। প্রীতমের সঙ্গে চোখাচোখি হতেই আমি ঘুরিয়ে নিলাম মুখ। ওর সঙ্গে সম্পর্ক শেষ। বসলাম অন্য একটা টেবিলে। আরও কেউ না কেউ এসে যাবেই। প্রথমেই উঠে এল প্রীতম। সে আগেই অর্ডার দিয়েছে, বেয়ারা নিয়ে এল দু’ প্লেট মাটন ওমলেট।

    কথা না-বলাটা ছেলেমানুষের পর্যায়ে চলে যায়। আমি গম্ভীরভাবে বললাম, প্রীতম, এক্ষুনি যদি সরিয়ে না ফেলিস, তা হলে এই খাবারের প্লেটটা আমি ছুঁড়ে ফেলে দেব। তুই যদি টেবিল না ছাড়িস, তা হলে আমি কফি হাউসে আসাই ছেড়ে দেব। উঠে যাব এক্ষুনি।

    প্রীতম বলল, তোর এত পরিবর্তন হলো কী করে রে, নীলু? আগে তো রাগ দু’ দিনের বেশি থাকত না। এবার পাঁচ-ছ’ দিন হয়ে গেল।

    —এটা রাগের প্রশ্ন নয়। নীতির প্রশ্ন। তোর সার্কেল আর আমার সার্কেল আলাদা হয়ে গেছে।

    —আমার কোনো সার্কেল নেই। প্রফেশানাল ফটোগ্রাফার হচ্ছে স্রোতের কচুরিপানা। যখন যেদিকে খুশি যায়। আর খাবারের ওপর কেউ রাগ করে? ঠাণ্ডা হয়ে যাচ্ছে, খেয়ে নে।

    —আমি খাব না, প্রীতম। আমার ঘেন্না করছে।

    —তুই পঞ্চাশ টাকা রেখে এসেছিলি। মনে কর না, এটা তোরই সেই টাকায়। বর্বরস্য ধনক্ষয়ম! না, না, তোর টাকাটা সেই সেন্সে বলছি না, বলছি যে, সম্বলপুরে তুই যা খেয়েছিস, সেটা আমার রোজগার করা টাকায়। আমি তোকে খাওয়াতে পারি না? তুই টাকা ফেরত দিলি কোন্ আক্কেলে? আমি টাকাটা রোজগার করেছি এক বর্বরের কাছ থেকে, সেটা আমার দোষ হতে পারে, কিন্তু খাবারের তো দোষ নেই।

    —প্রীতম, তুই এখান থেকে উঠবি কি না!

    –উঠতে পারি একটা শর্তে। যদি তুই আমার সঙ্গে আমার বাড়িতে যাস আমার মা তোকে ডেকেছে! সামহাউ আমার মা বোধহয় আমার চেয়েও তোকে বেশি পছন্দ করে। আমি ফিরে এসে মাকে বলেছিলাম, নীলুটা একা একা গোঁয়ারের মতন জঙ্গল থেকে চলে গেল। কী ভাবে ফিরল কে জানে! ব্যস, মা অমনি রেগে কাঁই। বলল, আমারই সব দোষ! নীলু অতি ভালো ছেলে, ভাজা মাছটি উল্টে খেতে জানে না! আমার মাকে তুই কী গুণ করেছিস রে, শালা!

    —ঠিক আছে, আমি মাসিমার সঙ্গে দেখা করে আসব। তুই যখন বাড়িতে থাকবি না।

    —তখন আমার নামে প্রাণ খুলে চুকলি কাটবি তো? লেট আস কমপ্রোমাইজ। তুই কি চাস বল তো? তোর ভালো ভালো কয়েকখানা ছবি তুলে দেব?

    আমি কয়েক মুহূর্তে প্রীতমের মুখের দিকে তাকিয়ে রইলাম। প্রীতমটা ছিনে জোঁক, ও আমায় কিছুতেই ছাড়বে না। ওকে মারলেও যাবে না জানি। আমার মাথায় একটা চিন্তা এল!

    আমি বললাম, তোকে ক্ষমা করতে পারি। এক নম্বর, তুই ঐ ধরনের নোংরা কাজ আর নিবি না। আর, তুই যে ওখানে ছবি তুলেছিস, তার দু’-একটা কপি আমাকে দিতে পারবি?

    প্রীতম বলল, এক নম্বরটা ভেবে দেখব। দু’নম্বরটা পারব না।

    –কেন?

    —নেগেটিভ সুদ্ধু দিয়ে দিয়েছি। দু’খানা করে প্রিন্ট আর নেগেটিভ। সেই রকম কন্ট্রাক্ট ছিল।

    —নিজের কাছে স্পেসিমেন রাখিসনি?

    —এসব কেসে রাখতে নেই। কেন? তুই ছবি নিয়ে কী করবি? খবরের কাগজে দেওয়া চলবে না রে, নীলু। কথা দিয়েছি। এটা প্রফেশনাল এথিক্স।

    —আমি খবরের কাগজে পাঠাব না। অন্য একটা পার্সোনাল দরকারে।

    —তা হলে চেষ্টা করতে পারি। আমার নিজেরই তো ডার্করুম। নিজেই ডেভেলপ প্রিন্ট করি। সবকটা প্রিন্ট ভালো হয় না। সেরকম দু’-একটা থাকতে পারে।

    —চল, এক্ষুনি যাব তোর বাড়িতে। দেখব সেগুলো।

    প্রীতমের বাড়ি ঘুরে, মাসিমার আদর-যত্ন ভোগ করে বাড়ি ফিরলাম রাত দশটায়। নিজের ঘরের দরজা বন্ধ করে ছবিগুলো দেখতে লাগলাম।

    তিনখানা প্রিন্ট পাওয়া গেছে। মোটামুটি ভালোই। তিনটেই হীরের সেট সমেত ত্রিলোচন জৈন। ক-বাবু ও তাঁর স্ত্রী। স্পষ্ট চেনা যায়।

    ছবিগুলো নেবার সময় ভেবেছিলাম, এগুলো পাঠিয়ে দেব শংকর জৈনের কাছে। সেদিন হোটেলে সে আমাকে তর্কে হারিয়ে দিয়েছিল, এই ছবিগুলো হবে তার যথার্থ উত্তর।

    আইনসঙ্গত ব্যবসা? বুদ্ধির জোর? আসলে একটা দুষ্ট পাপচক্র!

    শংকরের মতন আধুনিক ছেলেরা হয়তো এসব থেকে মুক্ত। তারা লেখাপড়া শিখছে। অনেকে ব্রিলিয়ান্ট, আধুনিক চেতনাসম্পন্ন। তারা হয়তো তাদের বাবা—কাকাদের রীতিনীতিগুলো পাল্টে দেবে। কিন্তু এতদিন ওদের অনেকে কীভাবে চালাচ্ছে, তা জানবে না?

    সকালবেলা আমার মত আবার বদলে গেল।

    একটা গ্লানিতে ভরে গেল মন। ছবিগুলো ছিঁড়ে ফেলাই ভালো। কোনো সন্তানের কাছে তার বাবার পাপের কথা প্রকাশ করে দেওয়া কি উচিত? ছেলে যদি নিজে জানতে পারে তো আলাদা কথা, কিন্তু আমার পক্ষ থেকে এই ছবি পাঠানোও কি এক ধরনের নোংরামি নয়?

    শংকরের প্রতি কি আমার কোনো ঈর্ষা আছে? সে অত্যন্ত সুদর্শন, সুপুরুষ। সব মেয়েরাই তাকে পছন্দ করে। ইচ্ছেমতন টাকা খরচ করতে পারে সে। আগাগোড়াই সুখী, নিশ্চিন্ত জীবন। সেটাতে একটা আঘাত দিয়ে আমি আনন্দ পেতে চাই?

    ভাবতেই নিজের সম্পর্কে আমার একটা ধিক্কার জন্মাল। অন্যদের ছোট করে যারা নিজেদের অক্ষমতার প্রতিশোধ নিতে চায় তারা তো অতি নীচু ধরনের মানুষ।

    নাঃ, এসব কিছু আমার দরকার নেই।

    ওহে পলাতক নীললোহিত, একবার চলো না দিকশূন্যপুরে। কতদিন যাওনি সেখানে। কত দিন নীলা নাম্নী সেই নারী তোমাকে দেখা দেয়নি। চলো, চলো। আবার বাড়ি থেকে পালাবার একটা সুযোগ খুঁজতে হবে। দু’দিন পরেই সকালে মুমু এসে হাজির। তার গল্পের বই চাই।

    মুমু অনেক খবর শোনাল।

    এর মধ্যে ওদের ক্লাবটি ভেঙে যাবার উপক্রম। প্রিসিলার ওপর মুমু দারুণ চটে গেছে। প্রিসিলা নাকি এ ক্লাবের দুটি মেয়েকে একদিন একটা হোটেলে নিয়ে গিয়েছিল।

    মুমু আমাকে জিজ্ঞেস করল, সেটা খুব খারাপ নয়? শুধু দুটো মেয়েকে ও হোটেলে নিয়ে যাবে কেন?

    আমি বললাম, কী জানি কী ব্যাপার। তোকেও যেতে বলেছিল নাকি?

    —ইস, বললেই আমি যেতাম নাকি? আমি আর মিলি ক্লাব ছেড়ে দিচ্ছি। লরাও আর যায় না। জানো, তো, লরা শংকরের বিয়ে ভেঙে যাচ্ছে?

    –সে কি রে, কেন?

    -লরার বাবাও রাজি নয়। শংকরের বাবাও তো রাজি নয়। দু’জনেই দু’জনের বাবাকে ভয় পায়। অথচ দু’জনেরই ইচ্ছে আছে। সাহস নেই।

    —তুই হলে কী করতিস?

    —আমি হলে বাবা-মায়ের কথা শুনতাম না। আমি অবশ্য বিয়ে-টিয়ে করবই না। বিয়ে মানেই তো ঝগড়া। দেখছি তো কত!

    –তোকে আর পাকামি করতে হবে না। কে বলেছে, বিয়ে মানেই ঝগড়া?

    —প্রথম দু’তিন বছর ভাব থাকে। তারপরেই ঝগড়া শুরু হয়। আমার বাবা—মাকেই দ্যাখো না।

    —ওসব এমনি এমনি ঝগড়া। আজ আছে, কাল নেই। তুই বিয়ে করবি না, কী করবি তা হলে ভবিষ্যতে?

    —বিজনেস করব। মস্ত বড় ফ্যাকট্টি বানাব। বাঙালিরা ব্যবসা করতে পারে না, সবাই বলে। আমি দেখিয়ে দেব! জানো ব্লু, সেদিন শংকরের সঙ্গে তোমার কথা হচ্ছিল আইসক্রিম খাওয়ার সময়। আমার খুব রাগ হচ্ছিল। বাঙালিদের সব দোষ, আর মাড়োয়ারিদের সব ভালো? মোটেই না। আমাদের স্কুলে রূপা নামে একটা মেয়ে আছে, তার বাবাটা খুব পাজি!

    -অনেকে ভালোও আছে।

    –থাকতে পারে। কিন্তু সব বাঙালিকে খারাপ বলবে কেন? ইয়ার্কি পেয়েছে নাকি?

    কথা বলতে বলতে মুমু আমার বই ঘাঁটাঘাঁটি করছে। ওর জন্য শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় গ্রন্থাবলীর পরের পার্ট আনা হয়নি ও তা শুনতে চাইছে না।

    হঠাৎ একটা বইয়ের ফাঁকে সেই ছবি তিনটে বেরিয়ে পড়ল।

    মুমু বলল, একী, তোমার কাছে শংকরের বাবার ছবি কেন?

    ত্রিলোচনই যে শংকরের বাবা তা আমি প্রীতমের কাছে শুনে নিয়েছি। ও ঐ পরিবারের অনেক কিছু জানে। কাঞ্চন সেনগুপ্তও ক-বাবু। উনি ধরা পড়ে যাওয়ায় প্রীতম বেশ ঘাবড়ে গেছে। এতটা হবে সে ভাবেনি। এখন তার মধ্যেও বাঙালি সেন্টিমেন্ট খানিকটা কাজ করছে। কাঞ্চন সেনগুপ্তর মতন একজন মানুষকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসিয়ে দেওয়ার অপরাধে যে সে-ও কিছুটা অপরাধী, তা প্রীতম বুঝেছে।

    মুমু জিজ্ঞেস করল, এই গয়নার বাক্সটা নিয়ে শংকরের বাবা কী করছে? ঘুষ দিচ্ছে বুঝি?

    আজকালকার ছেলেমেয়েদের কিছু বলতে হয় না, ওরা অনেক কিছুই জেনে বসে আছে। আমি পনেরো বছর বয়েসে এরকম একটা ছবি দেখলে কি প্রথমেই এরকম একটা কথা ভাবতাম?

    মুমু আবার জিজ্ঞেস করল, শংকরের বাবা অন্য লোকদের গয়না ঘুষ দেয় কেন?

    আমি দু’দিকে মাথা নেড়ে বললাম, জানি না।

    —হ্যাঁ তুমি জানো! বলো, ছবিগুলো তুমি রেখেছ কেন?

    -এমনিই। একজন দিয়েছে দেখতে।

    —লরার বাবাও লরাকে এই কথা বলেছিল। লরা মানতে চায়নি। এই ছবিগুলো আমি লরাকে দেখাব।

    আমি হা-হা করে উঠে বাধা দিতে গেলেও মুমু আমাকে অবকাশ দিল না। ছবি কটা হাতে চেপে বুকে চেপে প্রথমে ঘরের মধ্যে কয়েক পাক ঘুরল। তারপর ছুটে বেরিয়ে গেল।

    এর পর সাত দিনের মধ্যে ঘটে গেল বেশ কয়েকটা বড় ঘটনা। খবরের কাগজের হেড লাইন।

    হয়তো ঐ ছবি তিনটিই দায়ী নয়। আরও অনেক কিছুর যোগাযোগ হয়েছে এক সঙ্গে। জৈন পরিবারে ভাঙন। বাবার বিরুদ্ধে ছেলের বিদ্রোহ। শংকর জৈন বাবার নামে বিবৃতি দিয়েছে। লাখোটিয়া নামে কেউ নেই, ত্রিলোচনই বেনামে টালিগঞ্জের ভাঙা বাড়ির প্রোমোটার। কাঞ্চন সেনগুপ্তের সই করা যে বাড়ির প্ল্যান পুলিসের হাতে পড়েছে, সেটা ডুপ্লিকেট। এ ছাড়া ত্রিলোচন জৈনের কুকীর্তির আরও বিবরণ।

    ত্রিলোচন জৈন বিদেশে পালাতে গিয়েও ধরা পড়েছে এয়ারপোর্টে। তার সঙ্গে ছিল প্রিসিলা। ম্যাজিশিয়ান প্রিসিলা অতগুলো দরজা দেখিয়েছিল আমাকে, আজ সেও পালাতে পারল না কোনো দরজা দিয়ে।

    শংকর জৈন নিজের বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে লরাকে বিয়ে করেছে। কোনো ধুমধাম হয়নি, সাধারণ রেজিস্ট্রি। শুধু খবরের কাগজের রিপোর্ট নয়, মুমুর কাছে প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনাও শোনা গেল। যে অল্প কয়েকজন সেই বিয়ের সময় উপস্থিত ছিল, মুমু তাদের মধ্যে একজন।

    আমি খালি ভাবছিলাম, এই সব খবর কি তপনদার চোখে পড়ছে না? চিঠি লিখে জানাতে হবে। ত্রিলোচন জৈনের জন্য বহু মধ্যবিত্ত পরিবার তছনছ হয়ে গেছে, তার নিজের পরিবারেও যদি ফাটল ধরে সেটাকে তো নিয়তির সুবিচারই বলা উচিত।

    আমাকে কিছু করতে হয়নি বাবা! আমি দূরে দূরে আছি। পাছে কোনো রকম ঝঞ্ঝাটের মধ্যে জড়িয়ে পড়তে হয়, কোনো সাক্ষী-ফাক্ষি দিতে হয়, তাই কালই আমি দিকশূন্যপুরে চলে যাব।

    শংকর জৈন যথার্থ সাহসের পরিচয় দিয়েছে। কলকাতা ছাড়ার আগে তাকে একবার অভিনন্দন জানিয়ে যেতে হবে।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আকাশ পাতাল – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    Ek Pata Golpo সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Our Picks

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    কালিদাস কাহিনী – পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }