Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    কালিদাস কাহিনী – পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প157 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বাড়ির খবর – ২

    ২

    অনেক লোক থাকে, যারা সবরকম বিপদ-বাধার বিরুদ্ধে লড়ে যেতে পারে। কোনো সমস্যাকেই তারা সমাধানের অতীত বলে মনে করে না। আমার মোটেই তেমন মনের জোর নেই। কোনো রকম গণ্ডগোলের সম্ভাবনা দেখলেই আমার মধ্যে পালাই পালাই ভাব জেগে ওঠে। যারা বিপর্যয়ের মুখোমুখি সাহসের সঙ্গে দাঁড়ায়, তারা লড়াই করে বুদ্ধি কিংবা গায়ের জোরে। আমার বুদ্ধিও তেমন সূক্ষ্ম নয়, আর গায়ের জোরেও অনেকের সঙ্গেই পারব না।

    চেনাশুনো লোকেরা যদি আমাকে পলায়নবাদী বলে, তা অস্বীকার করতে পারি না আমি। এই যে আমি যখন তখন দিকশূন্যপুরে চলে যাই, সেটা পালিয়ে যাওয়াই তো বটে। সাহসী, বীরপুরুষ, আদর্শবাদীদের আমি শ্রদ্ধা করি, তবে সমাজে আমার মতন দু’চারটে পলায়নবাদী থাকলেই বা ক্ষতি কী? কেউ কি মধ্যাহ্নে মাঠে গাছের ছায়ায় শুয়ে একা একা বাঁশি বাজাবে না?

    আমাদের বাড়িওয়ালা অংশুবাবু হঠাৎ একটা ঝামেলা বাধিয়ে বসলেন। মা আড়াল থেকে শুনেছেন অনেকটা, বৌদি স্কুল থেকে ফেরামাত্র তাকে জানানো হয়েছে। তারপর চলতে লাগল বাড়িওয়ালা শ্রেণীর পরিবর্তন সম্পর্কে দীর্ঘ আলোচনা। মা বিয়ের পর কলকাতায় এসে দেখেছিলেন, অনেক বাড়িতে তখন ‘টু-লেট’ বোর্ড টাঙানো থাকত। বাড়িওয়ালারা তখন ডাকাডাকি করতেন ভাড়াটেদের। আমি আর বৌদি অবশ্য সেই স্বর্ণযুগ দেখিনি। আমরা তো ছোটবেলা থেকেই শুনছি ঠিকমতন বাড়ি ভাড়া পাওয়া অতি শক্ত ব্যাপার

    এই অংশুবাবুর বাবার সঙ্গে আমার বাবার পরিচয় ছিল। তিনি নিজে খাতির করে বাবাকে এই ফ্ল্যাট দিয়েছিলেন। তিনি বলতেন, আমার বেশি টাকার দরকার নেই, আমি চাই সজ্জন, ভালোমানুষ থাকবে আমার বাড়িতে। তিনি নিজে অতিশয় ভদ্রলোক ছিলেন, মাঝে মাঝে এ বাড়িতে আসতেন মিষ্টির বাক্স হাতে নিয়ে। দু’ বছর অন্তর চুনকাম ও রঙ করাতেন, ভাড়াটেদের কোনো রকম অসুবিধে হলে সংস্কারের ব্যবস্থা করে দিতেন। বাড়িওয়ালা হিসেবে তিনি ছিলেন আদর্শ পুরুষ! তাঁর ছেলে অংশুবাবু এরকম! গত দশ বছরে এদিকে একবারও আসেননি, বাড়ি রঙ করাননি, শুধু ভাড়ার টাকা গুনে নেওয়া ছাড়া ভাড়াটেদের সঙ্গে আর কোনো মানবিক সম্পর্ক রাখেননি। এখন তিনি এককথায় বাড়িটা বিক্রি করে দিয়ে আমাদের তাড়িয়ে দিতে চান?

    বাবা যখন প্রথম এই ফ্ল্যাটে এসেছিলেন, তখন এর ভাড়া ছিল দু’শো পঁচিশ। এখন বাড়তে বাড়তে সাড়ে ছ’শো হয়েছে। অংশুবাবুর মতে সেটা সামান্য টাকা, আমাদের মতে অনেক। যদিও স্বীকার করতেই হবে, এইরকম অতি সাধারণ ফ্ল্যাটেরও বাজার দর এখন যথেষ্ট বেশি, কিন্তু সে জন্য তো আমরা দায়ী নই!

    অংশুবাবু শেষ পর্যন্ত চোখ রাঙিয়ে গেছেন। টাকাওয়ালা মানুষ, ওদের শক্তি বেশি। বাড়িটা যারা কিনবে, তাদের আরও অনেক গুণ বেশি টাকা। অর্থ মানেই ক্ষমতা। ওদের সঙ্গে আমরা কী করে পারব? পাড়ার ছেলেদের কথা তুলেছি বটে, কিন্তু সত্যি বলতে কী, পাড়ার ছেলেদের সঙ্গে আমার তেমন কিছু ভাব নেই। মুখ চেনা আছে, কখনো মিশিনি ভালো করে। কখনো ওদের সঙ্গে পুজোর চাঁদা তুলতে বেরোইনি, ওরা আমাকে পাত্তা দেবে কেন?

    যদি মামলা মকদ্দমা করতে হয়, ওরে সর্বনাশ, আমি উকিলের বাড়ি ছোটাছুট করব? আমি? ওহে নীললোহিত, কোনো উকিলের বাড়িতে একগাদা মক্কেলের মধ্যে তুমি বসে আছ, সেই সময় তোমার চেহারাখানা কেমন দেখাচ্ছে, কল্পনা করো তো? তার চেয়ে এক দৌড়ে দিকশূন্যপুরে পালিয়ে যাওয়া অনেক ভালো। দিকশূন্যপুরের পাহাড়, গাছপালা, বন্দনাদি আমাকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে।

    কিন্তু দাদা ফেরা পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে।

    এই বিপদের মধ্যে শুধু মা আর বৌদিকে ফেলে পালিয়ে যাওয়াটা বড্ড বাড়াবাড়ি হয়ে যাবে। ফিরে এলে আর আমাকে এ বাড়িতেই ঢুকতে দেবে না। কিংবা ফিরে এসে দেখব, এ বাড়ি ভাঙা হয়ে গেছে, দাদারা উঠে গেছে অন্য জায়গায়, সেই ঠিকানাও আমি জানব না। তখন আমায় ফ্যা ফ্যা করে ঘুরে বেড়াতে হবে রাস্তায় রাস্তায়।

    মা বললেন, তোর এত লোকের সঙ্গে চেনাশুনো, কেউ একটু সাহায্য করতে পারে না?

    আমি বললাম, এতে আবার কে সাহায্য করবে? এটা তো বাড়িওয়ালা—ভাড়াটের নিজস্ব ব্যাপার

    মা আর একটু উষ্মার সঙ্গে বললেন, কেউ তো এতদিনেও তোকে একটা চাকরি জুটিয়ে দিতে পারল না!

    আমি উঠে পড়লাম। এরপর আর এখানে থাকা চলে না। মাকে আমি কিছুতেই বোঝাতে পারি না যে আমি চাকরির কাঙাল নই। অনেকে চাকরির জন্য হন্যে হয়ে ঘুরেও কিছু জোটাতে পারে না। আর আমি চাকরি পেলেও নেব না! আমার যোগ্য চাকরি পৃথিবীতে আজও তৈরি হয়নি। ‘পৃথিবীতে নাহি কোনো বিশুদ্ধ চাকুরি’, এই লাইনটা আমি বারবার বিড়বিড় করি!

    বছর দু’এক আগে সিঙ্গাপুর থেকে মেজোমামা এসে কী ঝামেলাতেই না ফেলেছিল। যারা বিদেশে থাকে, তাদের মাঝে মাঝে দেশের উপকার করার নেশা জেগে ওঠে। মেজোমামা আমাকে চাকরিতে জুতে দেবার জন্য বদ্ধপরিকর হয়েছিলেন। সেবারে খুন হতে হতে কোনোক্রমে বেঁচে গেছি।

    রাস্তায় বেরিয়ে ঠিক করতে পারলাম না, কোথায় যাব।

    আমার আড্ডা মারতে যাওয়ার জায়গার অভাব হয়নি কখনো। কফিহাউস যাওয়া যেতে পারে, নিরুপমদা কিংবা চন্দনদার বাড়িতে যখন তখন যাওয়া যায়, আজ ছুটির দিন। তপনদার বাড়িতে গেলে দুপুরে না খাইয়ে ছাড়বে না।

    তবু এক-একদিন মনে হয়, পৃথিবীতে কোথাও আমার ঠাই নেই, সব জায়গাতেই আমি বেমানান। কেউ অপেক্ষা করে নেই আমার জন্য, কল্পনাতেও কোনো নারী আমার কাছে আসে না। সব কিছুই সুদূর।

    একটা লাল রঙের গাড়ি একটু দূরে হঠাৎ ব্রেক কষে পিছিয়ে এল।

    জানলা দিয়ে মুখ বার করে লালুদা একগাল হেসে জিজ্ঞেস করল, সেনসাস ডিপার্টমেন্টে কাজ পেলে নাকি হে? রাস্তায় দাঁড়িয়ে মানুষ গুনছো। ঠিক এই সময় লালুদার সঙ্গে সময় কাটাবার কোনো আগ্রহ জাগল না আমার। ভদ্রতা করে শুধু একটু হাসলাম।

    লালুদা পাশের দরজাটা খুলে দিয়ে বলল, উঠে পড়ো, উঠে পড়ো!

    —না লালুদা, আমি উল্টোদিকে যাব।

    —তার মানে? হাত গুনতে শিখেছ নাকি? কী করে জানলে আমি কোন্ দিকে যাচ্ছি! তোমার মতে কোটা সোজা দিক?

    –আমি যাব দক্ষিণেশ্বর!

    —ভেরি গুড। আমি যাচ্ছি শেয়ালদায়, ওখান থেকে দক্ষিণেশ্বর কাছেই।

    —শেয়ালদার কাছে দক্ষিণেশ্বর?

    —শেয়ালদা থেকে ট্রেনে চাপবে। দক্ষিণেশ্বর যেতে কতক্ষণ লাগবে? ওঠো, ওঠো, পেছনের গাড়ি হর্ন দিচ্ছে।

    আর আপত্তি করার সুযোগ পাওয়া গেল না। লালুদা স্টার্ট বন্ধ করেনি, আমি উঠে বসতেই হুস করে মোড় পার হয়ে গেল। তারপর ড্যাশবোর্ড খুলে বলল, সিগারেটের প্যাকেট আছে, নাও!

    পরোপকারী লালুদা। নিজে সিগারেট খায় না, তবু প্যাকেট রাখে। বেলা এগারোটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটে পর্যন্ত লালুদার পরোপকারের সময়। যে—সময় স্বামীরা অফিসে যায় সেই সময় লালুদা বিভিন্ন বাড়িতে ঘুরে ঘুরে বউদের অনেক সমস্যার সমাধান করে দেয়। কার বাড়িতে কাজের লোক নেই, কে গ্যাস পাচ্ছে না, কার টেলিফোন খারাপ, কার বাড়ির দেয়ালে উই লেগেছে, এসব শোনামাত্র লালুদা তৎপর হয়ে ওঠে। অধিকাংশ স্ত্রীদের মতে তাদের স্বামীরা অপদার্থ, সংসারের কোনো কাজ করে না। লালুদা তাদের পরিত্রাতা।

    লালুদা আমার মুখের দিকে তাকিয়ে ক’মুহূর্ত কি যেন ভাবল। পরে জিজ্ঞেস করল, মোহিতলাল, তুমি এখন কলকাতায় আছ কিছুদিন, নাকি আবার কোথাও পালাবার মতলব করছ?

    —আছি কিছুদিন। কেন বলুন তো?

    –তোমার ওপর একটা কাজের ভার দিতে পারি? তুমি যখন ফ্রি আছ!

    —কী কাজ বলুন তো?

    —কাজটা তোমার বেশ পছন্দই হবে। ইয়াংম্যান, এটা হবে তোমার সঙ্গে কাজের সঙ্গে প্লেজার মেশানো ব্যাপার। তুমি একটা মেয়ে-ইস্কুলের সামনে ঘণ্টা খানেক দাঁড়িয়ে থাকবে। ছুটির সময় ফুটফুটে সুন্দর সব মেয়েরা বেরুবে। তুমি তাদের দিকে নজর রাখবে আর ফুকফুক করে সিগারেট টানবে। সিগারেটের খরচ আমিই দোবো!

    —এটা কী ধরনের কাজ, লালুদা?

    –কেন, এক ঘণ্টা ধরে মেয়ে দেখার কাজটা তোমার ভালো মনে হচ্ছে না?

    —মেয়ে-দেখা নিশ্চয়ই খুব ভালো ব্যাপার। কিন্তু এটা কাজ হয় কী করে? আমি এই কাজটা করলে আপনার কী লাভ হবে, সেটাও তো জানা দরকার!

    —হ্যাঁ। সেটা তুমি জানতে চাইবে, এটা খুব স্বাভাবিক। মোহিতলাল, তুমি আমাদের নিজেদের লোক, তোমাকে কনফিডেন্সে নিতে অসুবিধে নেই। আবার একটা সমস্যা হয়েছে পুপুকে নিয়ে।

    —পুপু? পুপু কে?

    –তুমি পুপুকে চেনো না? আরে আমাদের চন্দন আর নীপার মেয়ে।

    —সে তো মুমু। আপনি পুপু বলছেন কেন?

    —ঐ একই হলো। মুমু, মুমু, মুমু! হ্যাঁ ঠিক। আর ভুল হবে না।

    —আর একটা কথা লালুদা, আপনি কি ঠিক জানেন, আমি কে? আমাকে অন্য কোনো লোক ভেবে কথা বলছেন না তো?

    —তার মানে? তোমাকে চিনব না?

    —এর আগে আপনি আমাকে ভুল করে নীলকান্ত, নীলমাধব, নীলকমল এরকম অনেক নাম ধরে ডেকেছেন। আজ হঠাৎ মোহিতলাল বলছেন কেন? এর মধ্য নীলটুকু পর্যন্ত নেই!

    —ওঃ হো! তাই তো! তোমাকে আমি এত পছন্দ করি, কিন্তু তোমার নামটা কিছুতেই মনে রাখতে পারি না।। এক-একবার মনে আসে, আবার হারিয়ে যায়। এবার ফাইন্যালি বলে দাও, আর ভুল হবে না। কী নাম তোমার?

    —নীললোহিত।

    –এই জন্যই মনে থাকে না। এমন বিদঘুটে নাম জন্মে শুনিনি। কে রেখেছিল? এই নামের মানে কী?

    —বাড়িতে বাংলা ডিক্সনারি নেই? ডিক্সনারি খুঁজে দেখে নেবেন।

    —আমি বাংলা ভালো জানি, বুঝলে! লোহিত মানে তো লাল? তাহলে খুব ভুল বলিনি। মোহিতলালের মধ্যেও লাল আছে। যাক গে, আসল কথাটা হোক। আমাদের মুমুকে নিয়ে আবার একটা সমস্যা হয়েছে।

    —আবার কী হলো?

    —জানোই তো কেমন জেদি মেয়ে। ইস্কুলে কেউ ওকে পৌঁছে দেবে, নিয়ে আসবে এটা ও পছন্দ করে না। বড় হয়েছে, ক্লাস টেনে পড়ে। একা একা স্কুলে যায়। একা ফেরে।

    —তাতে কী হয়েছে, ওর বয়েসী অধিকাংশ মেয়েই তো নিজে নিজে স্কুলে যায়।

    —তা যায়। আমি অস্বীকার করছি না। ট্রামে-বাসে কত দল বেঁধে যায়। কিন্তু মুমুকে নিয়ে মুস্কিল হয়েছে। স্কুল ছুটি হয় সাড়ে তিনটের সময়। চারটের মধ্যে বাড়ি ফিরে আসার কথা। কিন্তু মুমু প্রায়দিনই পেরে পাঁচটায়, কোনো কোনো দিন সাড়ে পাঁচটা হয়ে যায়।

    —ট্রাম-বাসের যা অবস্থা, তাতে দেরি তো হতেই পারে।

    —এক-আধদিন হতে পারে। কিন্তু রেগুলার? চন্দন আর নীপা দু’জনেই অফিস করে। কেউই ছ’টার আগে বাড়িতে আসতে পারে না। চন্দনের তো আরও অনেক দেরি হয়। মেয়েটা ঠিক নীপা ফেরার একটু আগে ফেরে।

    –আপনি কী করে জানলেন?

    –আমার কাছেই তো ধরা পড়েছে। মেয়েটা কী রকম চোখে-মুখে মিথ্যে কথা বলে তা তো তুমি জানোই! আমি জিজ্ঞেস করলুম, পুপু, তোর এত দেরি হয় কেন রে?

    –ও কোনো উত্তর দিয়েছিল?

    —প্রথমে তো উত্তর দিতেই চায় না।

    —স্বাভাবিক, আপনি ওর নাম ভুল বললে ও উত্তর দেবে কেন? ও তো পুপু নয়। পুপু নামে কোনো মেয়ে দেরি করে ফেরার জন্য ও দায়ী হবে কেন?

    —আহা, তোমার কাছে পুপু বলে ফেলেছি! ওর কাছে বলিনি। অনেক জেরা করার পর একবার বলল, ইস্কুলেই বেশিক্ষণ থাকে। একজন দিদিমণি একসট্রা টিউটোরিয়াল ক্লাশ নেয়। আবার বলল, এক-একদিন ও স্কুলের অন্য একটা মেয়ের বাড়িতে গিয়ে পিংপং খেলে। তাদের বাড়িতে পিংপং বোর্ড আছে।! এর কোনোটাই আমার বিশ্বাস হয় না। কাঁচা বয়েসের মেয়ে, এরকম বাড়ির বাইরে থাকা তো ভালো নয়।

    —আপনি বাজে সন্দেহ করছেন, লালুদা! কোনো বান্ধবীর বাড়িতে যদি পিংপং খেলতে যায়, তাতে দোষের কী আছে? ও যদি ছেলে হতো, তা হলে কি আপত্তি করতেন? আজকাল মেয়েদেরও অত আটকে রাখলে চলে না।

    –তোমার কাছ থেকে আমি মুমুর হয়ে ওকালতি তো শুনতে চাইনি! নীপা এখনো কিছু জানে না। ব্যাঙ্কের কাজে বেচারাকে কত খাটতে হয়, তার ওপর মেয়েকে নিয়ে যদি ওকে দুশ্চিন্তায় পড়তে হয়, সেটা কত খারাপ হবে বলো তো। তোমাকে আমি যে-কাজের ভার দিতে চাই, তুমি তা করতে রাজি আছ কি না, সেটা বলো! ছুটির সময় তুমি ওদের স্কুলের উল্টোদিকে দাঁড়িয়ে থাকবে। মেয়েটা কী করে, কোথায় যায়, তার ওপর নজর রাখবে।

    —মুমু যদি আমায় দেখতে পেয়ে যায়?

    —একেবারে কি ইস্কুলের দারোয়ানের পাশে তোমাকে দাঁড়াতে বলেছি। সেখানে কোনো গাছের আড়ালে লুকিয়ে থাকবে।

    —যদি কোনো গাছ না থাকে?

    —বুদ্ধি খরচ করবে, বুদ্ধি খরচ করবে। কী ভাবে লুকোতে হয়, সেটা তুমি ভেবে বার করতে পারবে না? দিন সাতেক ওয়াচ করার পর আমাকে রিপোর্ট দেবে!

    —আজকাল শুনেছি অনেক প্রাইভেট ডিটেকটিভ এজেন্সি হয়েছে। তাদের কোনো লোক লাগালেই পারেন!

    —এটা যে উজবুগের মতন কথা হয়ে গেল, ভাই! তুমি নিজেদের লোক বলেই তোমাকে বললাম। আগেই ঘরের কেচ্ছা বাইরের লোককে জানায় কেউ? ছিঃ! কারুক্কে তুমি এখন কিছু বলবে না। কেউ যেন কিছু জানতে না পারে। মুমুও না, নীপাও না। ভেরি কনফিডেনশিয়াল। তোমার যা খরচ-খর্চা লাগে, তা আমি দিয়ে দেব!

    -খরচ দিতে হবে না, লালুদা। তার বদলে আপনি একটা বাড়ি দিতে পারবেন?

    লালুদা এমনই চমকে উঠল যে আর একটু হলে পাশের গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা মেরে অ্যাকসিডেন্ট করতে যাচ্ছিল।

    তাড়াতাড়ি রাস্তার ধারে গাড়িটা লাগিয়ে লালুদা চোখ গোল গোল করে প্রায় এক মিনিট তাকিয়ে রইল। তারপর বলল, কী? এই সামান্য কাজের বিনিময়ে তোমাকে একটা আস্ত গোটা বাড়ি দিতে হবে? তুমি আমাকে ব্লাকমেইল করতে চাও?

    আমি থতমত খেয়ে বললাম, না, না, লালুদা। আমি আস্ত কিংবা ভাঙা, কোনো রকম গোটা বাড়ি চাই না। বাড়িটা এমনি কথার কথা। আসলে আমি বলতে চেয়েছিলাম, একটা ভাড়ার ফ্ল্যাট। আপনি একটা ছোটখাটো ফ্ল্যাট জোগাড় করে দিতে পারবেন?

    লালুদা তবু গোমড়া মুখে বলল, কেন, হঠাৎ ফ্ল্যাটের কথা কেন? একটা জরুরি বিষয়ে কথা হচ্ছিল। তার মধ্যে ফ্ল্যাট এল কী করে? তুমি বিয়ে করে আলাদা থাকতে চাও বুঝি?

    —সেসব কিছু না। আমাদের বাড়িওয়ালা নোটিস দিয়েছে। আমাদের ফ্ল্যাটটা ছাড়তে হবে।

    লালুদা আবার চুপ করে রইল একটুক্ষণ। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, স্যরি, লালমোহন, আমি বাড়িওয়ালা-ভাড়াটেদের ব্যাপারে তোমাকে কোনো সাহায্য করতে পারব না। আমি নিজে বাড়িওয়ালাদের সাইডে। আমার দু’খানা বাড়ি আছে। ভাড়াটেগুলো মহা ঢেঁটিয়া। স্পেশালি আমহার্স্ট স্ট্রিটের একটা ভাড়াটে দারুণ ট্রাবল দিচ্ছে। সে ব্যাটা মহা হারামজাদা! তাকে টাইট দিতেই তো এখন যাচ্ছি।

    —কী করছে সেই ভাড়াটে?

    –সেটা তোমাকে বলব কেন? তুমি সেই টেকনিকটা শিখে নিয়ে তোমার বাড়িওয়ালাকে টাইট দিতে চাও বুঝি? আমি নিজে বাড়িওয়ালা হয়ে অন্য বাড়ির মালিকদের বিট্রে করতে পারি না। এ ব্যাপারে আমি তোমাকে কোনো হেল্প করতে পারব না।

    লালুদার প্যাকেট থেকে একটা সিগারেট নিয়ে আমি ধরালাম। ফস করে এইরকম ভাবে কথাটা বলা আমার ঠিক হয়নি। মুখ ফসকে বেরিয়ে এসেছে। লালুদা শুধু মেয়েদের উপকার করে, ছেলেদের পাত্তা দেয় না। যতদূর মনে পড়ছে, একবার সুনন্দা বৌদির জন্য লালুদা সাতদিনের মধ্যে একটা ঝকঝকে নতুন ফ্ল্যাট খুঁজে দিয়েছিল।

    লালুদাকে এই অনুরোধ করার বদলে আমাদের বাড়িতে একদিন নেমন্তন্ন করে আমার বৌদির সঙ্গে আলাপ করিয়ে দেওয়া উচিত ছিল। আমার বৌদিকে দেখতে শুনতে বেশ ভালোই। বৌদির প্রেমে পড়তে লালুদার বেশি দেরি লাগবে না। তখন কি বৌদির অনুরোধ ঠেলতে পারবে!

    দুপুরবেলার প্রেমিক হিসেবে লালুদা বেশ নিরাপদ। বড় জোর হাতটাত ধরে, তার বেশি এগোয় না। আমার চেনাশুনো বেশ কয়েকজন বৌদির সঙ্গেই লালুদার এরকম নিরীহ বন্ধুত্ব আছে আমি জানি। একমাত্র নীপা বৌদির সঙ্গেই একটু মাখোমাখো সম্পর্ক। অথচ লালুদা সব জায়গায় বলে বেড়ায়, নীপা বৌদি ওর ‘বোনের মতন’। কোনো মেয়েকে ‘বোনের মতন’ ভেবেও তার সঙ্গে প্রেম করা কী ভাবে যে সম্ভব, তা আমি কিছুতেই বুঝে উঠতে পারি না।

    পকেট থেকে পার্স বার করে লালুদা জিজ্ঞেস করল, কত অ্যাডভান্স নেবে? একশো? দেড়শো?

    আমি লালুদার মুখের দিকে তাকিয়ে রইলাম। বাড়ুক, আর একটু বাড়ুক! কিন্তু আমার নৈঃশব্দকেই সম্মতি ধরে নিয়ে লালুদা তিনখানা পঞ্চাশ টাকার নোট বাড়িয়ে দিল। যা পাওয়া যায়, তাই লাভ!

    লালুদা বলল, আজ তো ছুটির দিন। কাল থেকেই কাজ শুরু করে দাও। সবচেয়ে ভয়ের ব্যাপার কী জান? ড্রাগ্স্‌! আজকাল নাকি স্কুলের ছেলেমেয়েরাও ড্রাগ্‌স ধরছে! কী সাংঘাতিক ব্যাপার!

    আমি খুব চিন্তিত ভঙ্গিতে মাথা নাড়লাম।

    মৌলালি দিয়ে এসে শিয়ালদার কাছে ওভারব্রীজের মুখে আমাকে নামিয়ে দিল লালুদা। আমার অবশ্য দক্ষিণেশ্বরে যাবার কোনো প্রয়োজনই নেই, সেখানে কারুক্কে চিনি না। লালুদাকে এড়াতে চেয়েছিলাম, তবু লাভ হয়ে গেল দেড়শো টাকা।

    এখন কলেজ স্ট্রিট কফি হাউসে গিয়ে অনায়াসে মাটন ওমলেট খাওয়া যায়। মনখারাপের শ্রেষ্ঠ ওষুধ মাটন ওমলেট। একা খাওয়ার বদলে যদি কয়েকজন বন্ধুবান্ধবকে খাওয়াবার পয়সা পকেটে থাকে তা হলে মেজাজ আরও ফুরফুরে হয়ে যায়।

    কফি হাউসের মুখে কাঁধে দুটো ক্যামেরা ঝোলানো প্রীতমের সঙ্গে দেখা। প্রচুর জায়গায় চাকরির জন্য হন্যে হয়ে ঘোরাঘুরির পর কিছুই না পেয়ে প্রীতম এখন প্রফেশানাল ফটোগ্রাফার হয়েছে। বিভিন্ন কোম্পানির ছবি তোলে। মাঝে মাঝে ট্যাক্সি চাপে দেখে মনে হয়, রোজগার খারাপ নয়।

    আমাকে দেখেই প্রীতম বলল, নীলু, তোর সঙ্গে দেখা হয়ে গেল, খুব ভালো হলো। দেবীগড় যাবি?

    —দেবীগড়? সে আবার কোথায়?

    —দেবীগড় জঙ্গলের নাম শুনিসনি? ওড়িশায়! খুব সুন্দর জঙ্গল, বেশি লোক যায় না। আমাকে একটা অ্যাসাইনমেন্টে যেতে হবে। তুই যদি যেতে চাস, শুধু ট্রেন ভাড়াটা ম্যানেজ করলেই—

    আমার রক্ত ছলকে উঠল। জঙ্গলের আহ্বান। যে জঙ্গল দেখিনি। ওড়িশার যে-কোনো জঙ্গল আমার প্রিয়।

    প্রীতম বলল, থাকা-খাওয়া নিয়ে তোকে ভাবতে হবে না। সব ব্যবস্থা আছে। যাবি তো বল, আগে টিকিট কাটতে হবে।

    —কবে?

    —সামনের সোমবার। সন্ধ্যের ট্রেন। সম্বলপুরে গিয়ে নামব।

    আজ বুধবার, মাঝখানে চারটে দিন রয়েছে। দাদার সোমবারই ফেরার কথা। দাদা না ফিরলেই বা ক্ষতি কী? বাড়িওয়ালা অংশুবাবু তো দু’দশ দিনের মধ্যেই আমাদের ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বার করে দিচ্ছে না! দাদা ফিরে এসে স্ট্র্যাটেজি ঠিক করবে। বৌদি আর মা এমন কিছু অবলা নয়। আমি কয়েকটা দিন না থাকলেও ওঁদের ঠিক চলে যাবে। অরণ্যের আহ্বান তো উপেক্ষা করা যায় না।

    মুমুর ব্যাপারটা নিয়ে আমি মাথাই ঘামাতে চাই না। মুমু যদি স্কুলের পর তার কোনো বন্ধুর বাড়িতে পিংপং খেলতে যায় তো বেশ করে!

    আমি প্রীতমের দিকে চোখ রাঙিয়ে বললাম, ইস্টুপিড, তোর সঙ্গে হঠাৎ দেখা হয়ে গেল বলেই তুই আমাকে জঙ্গলে যাবার খবরটা দিলি? আজ আমি কফি হাউস না এলে আমার কথা মনেও পড়ত না। অকৃতজ্ঞ কোথাকার! এর আগে কতবার আমি তোকে কত জায়গায় নিয়ে গেছি!

    প্রীতম আমার কাঁধ ছুঁয়ে বলল, বিশ্বাস কর, আমি আজই তোর বাড়িতে যেতাম। বাড়িতে একটা টেলিফোন রাখিস না কেন, নীলু? অ্যাপ্লাই কর, যাতে তাড়াতাড়ি পাস আমি ব্যবস্থা করে দেব।

    বাড়িটাই কদিন থাকবে তার ঠিক নেই, তার ওপর আবার টেলিফোন। এই প্রীতম কিছুদিন আগেও আমার পেছনে ফ্যা ফ্যা করে ঘুরে বেড়াত, এখন বেশ ভারিক্কি চালে কথা বলে।

    আমি বললাম, চল, ওপরে গিয়ে মাটন ওমলেট খেতে খেতে প্ল্যানটা করে ফেলা যাক।

    প্রীতম খানিকটা চমকে গিয়ে বলল, মাটন ওমলেট? আমি তো এখন তোকে কিছু খাওয়াতে পারছি না ভাই। আমার কাছে ক্যাশ নেই, একটা চেক রয়েছে।

    —আমি খাওয়াব।

    প্রীতম তবু সন্দিগ্ধ চোখে তাকিয়ে রইল।

    —সিঙ্গল নয়, ডাব্‌ল! সঙ্গে কোল্ড কফি।

    —ধার রাখার কথা বললে এরা বড্ড অপমান করে রে, নীলু।

    আমি উদারভাবে প্রীতমের পিঠ চাপড়ে বললাম, চল, চল, ভয় পাচ্ছিস কেন? জনৈক বেকার কর্তৃক তার এক উচ্চ রোজগারি বন্ধুকে পেট ভরে খাওয়াবার একটা দৃষ্টান্ত আমি স্থাপন করতে চাই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আকাশ পাতাল – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    Ek Pata Golpo সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Our Picks

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    কালিদাস কাহিনী – পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }