Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    কালিদাস কাহিনী – পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প157 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বাড়ির খবর – ৪

    ৪

    ইংরিজি ইলেভেন্থ ফ্লোর বাংলা মতে বারোতলা। সেখানে লিফ্ট থেকে নেমে মুমু একটা দরজায় বেল টিপল। দ্বিতীয়বার বাজাবার পর খুলে গেল দরজা। খুলল একটি চব্বিশ-পঁচিশ বছরের অত্যন্ত রূপবান যুবক। ছেলেটিকে এতই সুন্দর দেখতে যে ফিল্মস্টার বলে মনে হয়।

    সামনেই বিশাল একটি হলঘর।

    মেঝেতে পুরু কার্পেট পাতা, অন্য কোনো আসবাব বিশেষ নেই, দেয়ালের ধারে ধারে নিচু বসবার জায়গা। অন্তত গোটা দশেক ফুলদানিতে বিভিন্ন রকমের ফুল সাজানো। একদিকের দেয়ালে বিশাল সমুদ্রের ছবি, খুব সম্ভবত বিলিতি ওয়াল পেপার, এমনই নিখুঁত করে আঁকা যেন ঢেউয়ের ছলাত ছলাত শব্দ শোনা যাবে এক্ষুনি।

    কার্পেটের ওপর বারো চোদ্দটি নানা বয়সের ছেলেমেয়ে বসে আছে ছড়িয়ে ছিটিয়ে। কয়েকজনের হাতে গিটার আর অন্য কিছু অচেনা বাজনা। কেউ ঠিক বাজাচ্ছে না, টুং টাং করছে।

    একেবারে পেছনের দিকের দেয়ালের কাছে একটা সিংহাসনের মতন মস্ত বড় চেয়ার। হাতল দুটি সোনালি রঙের কারুকার্য করা, মাঝখানটায় ভেলভেট মোড়া। আসল রাজাদের তো কখনো দেখিনি, সিনেমার রাজারা এই ধরনের চেয়ারে বসে। সেটা অবশ্য এখন ফাঁকা।

    জুতো খুলে মুমু আমাকে নিয়ে কার্পেটের একপাশে বসল। এটা কী ধরনের ক্লাব বুঝতে পারছি না। মনে হচ্ছে বড়লোকদের ব্যাপার। যেসব ছেলেমেয়েরা বসে আছে, দেখলেই বোঝা যায় উচ্চ-মধ্যবিত্ত পরিবারের। কথা বলছে নিচু গলায়, সবাই ইংরিজিতে। এখানে আমি যে একেবারেই বেমানান।

    মুমুর থেকে বয়েসে তিন-চার বছরের বড় একটি মেয়ে আমাদের কাছে এগিয়ে এসে বলল, হাই রম্যি, হাউ হ্যাভ ইউ বীন?

    মুমুর ভালো নাম রম্যাণি, সেটা আমার মনেই থাকে না।

    ওরা দু’জনে একটুক্ষণ ইংরিজি বাংলা মিলিয়ে কথা বলল। তারপর মেয়েটি আমার দিকে কৌতূহলী হয়ে তাকাতেই মুমু বলল, আলাপ করিয়ে দিই। মিট মাই ফ্রেণ্ড ব্লু। এর নাম ব্লু। আর ব্লু, এর নাম লরা। দারুণ ব্রাইট মেয়ে, খুব ভালো পিয়ানো বাজায়।

    ফ্রেণ্ড? আমি মুমুর ফ্রেণ্ড? এখানে বোধহয় কাকা-টাকা বলা চলে না।

    আমি মেয়েটির দিকে হাত তুলে নমস্কার করতেই মেয়েটি বলল, ওং মণিপদ্মে হুম্।

    এ কী রে বাবা, মেয়েটি বৌদ্ধ নাকি? নাম লরা? একেবারে মেমসাহেবদের মতনই সেজে আছে।

    মেয়েটি ইংরিজিতে আমায় জিজ্ঞেস করল, তুমি আমাদের এখানে মেম্বার হবে?

    আমার বদলে মুমু উত্তর দিল, একদিন ট্রয়াল দিতে এনেছি। সবাই ওকে আগে চিনুক, জানুক!

    আমি মিনমিন করে জানতে চাইলাম, কী হয় এখানে, এই ক্লাবে?

    লরা বলল, আস্তে আস্তে দেখতে পাবে। এখানে আমরা নিজেকে বদলে নিতে আসি।

    -বদলে নিতে মানে?

    –বদলে নিতে মানে, বদলে নিতে! আর কোনো মানে নেই!

    মুমু ওকে জিজ্ঞেস করল, আমাদের বাইরে যাবার প্রোগ্রাম কবে?

    লরা বলল, সেটা শিগগিরই ঠিক হবে। তুই পারমিশান পাবি তো?

    এটা কার বাড়ি তা এখনো বোঝা যাচ্ছে না। যে-সব ছেলেমেয়েরা ঘুরছে, তাদের কারুরই বয়েস চব্বিশ-পঁচিশের বেশি নয়। মুমুর মতন ছোট মাত্র আর দু’জন রয়েছে।

    একটি সাদা উর্দি পরা বেয়ারা ট্রে-তে শরবতের গেলাশ সাজিয়ে দিয়ে গেল সবাইকে। বেশ দামী গেলাসে পিংক রঙের পানীয়। আমাকেও দিল একটা, চুমুক দিয়ে বুঝতে পারলাম না কিসের তৈরি। তবে বেশ চমৎকার স্বাদ!

    যে-ছেলেটি আমাদের দরজা খুলে দিয়েছিল, সে এসে এবার আমাদের পাশে বসল। লরা তাকে জিজ্ঞেস করল, রম্যির নতুন বন্ধুর সঙ্গে তোমার আলাপ হয়েছে?

    অত্যন্ত ফর্সা রঙ ছেলেটির, মোমের মতন আঙুল। ভুরু দুটো মনে হয় যেন কাজলটানা।

    দু’হাত তুলে নমস্কারের ভঙ্গিতে সে পরিষ্কার বাংলায় বলল, আমার নাম শংকর জৈন।

    পদবী না শুনলেও আমি বুঝতে পারতাম, সে বাঙালি নয়। তার মুখে অন্যরকম একটা ছাপ আছে। ভেবেছিলাম, সে ইংরিজিতে কথা বলবে।

    ছেলেটি অত্যন্ত ভদ্র ও বিনীত। গলার স্বর মিষ্টি। মুমু আর লরা নিজেদের নিয়ে খুব ব্যস্ত বলে সে আমার সঙ্গে দু’-একটা কথা চালিয়ে যেতে লাগল। খুব সাধারণ কথা। আজ দুপুরে খুব বৃষ্টি হয়েছে। এ বছর এই প্রথম বৃষ্টি। গরমও খুব। তবে গত সপ্তাহে প্যারিসে কলকাতার চেয়ে গরম বেশি ছিল। চল্লিশ ডিগ্রি! ফ্রান্সে গরমের চোটে পাঁচজন লোক মারা গেছে! খুব আশ্চর্য না? গ্রীণ হাউজ ইফেক্‌ট!

    হঠাৎ শংকর জৈন স্পিং-এর মতন উঠে দাঁড়াল। সঙ্গে সঙ্গে অন্যরাও।

    হলটার ডানদিকে বাঁদিকে ঘর, সেসব দরজা বন্ধ ছিল, এবার একটা দরজা খুলে বেরিয়ে এলেন এক মহিলা।

    ধপধপে সাদা সিল্কের গাউন পরা, গাউনটা এত লম্বা যে তাঁর কাঁধ থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত ঢাকা। গলায় ঝুলছে রুদ্রাক্ষের মালা। মাথার চুল জড়ো করে বাঁধা। হাতে একটা চামর। সব মিলিয়ে অদ্ভুত এক মূর্তি।

    মহিলার বয়স প্রায় পঞ্চাশের কাছাকাছি। প্রথম দেখে মেমসাহেব মনে হলো। কিন্তু হাঁটার ভঙ্গিটা অন্যরকম।

    তিনি মিষ্টি করে হেসে সিংহাসন মার্কা চেয়ারটার পাশে গিয়ে দাঁড়ালেন, কিন্তু বসলেন না। কয়েক মুহূর্ত তাকিয়ে রইলেন সবার দিকে। অন্য কেউ কোনো শব্দ করছে না। মহিলা চোখ বুজলেন। তারপর গুনগুন করে ধরলেন একটা গান।

    সে গানের একটা কথাও বুঝতে পারলাম না আমি। কিছু একটা ইংরিজি গান, মাঝে মাঝে শুধু শোনা যাচ্ছে ও হেলিলুইয়া! ও হেলিলুইয়া!

    সবাই চোখ বুজে সেই গান গাইছে। আমি জানলা দিয়ে তাকিয়ে রইলাম বাইরে। দেখা যাচ্ছে বহুদূর পর্যন্ত, এক জায়গায় শহরের সীমানা আর আকাশ যেন মিশে গেছে। এত উঁচু থেকে কলকাতা শহর কখনো দেখিনি। বেশ ভালোই তো দেখায়। কত বড় বড় বাড়ি হয়ে গেছে। ক্রমশ সারা কলকাতাই মাল্টিস্টোরিড বিল্ডিং-এ ভরে যাবে।

    গানটা শেষ হবার পর সেই মহিলা হিন্দিতে কিছু বলতে লাগলেন।

    আমি মুমুর দিকে তাকিয়ে ভুরু নাচাতেই মুমুও ভুরু দিয়ে সম্মতি জানাল। অর্থাৎ ইনিই প্রিসিলা!

    প্রিসিলা যা বললেন, তার সারমর্ম হলো, এই যে এই পৃথিবীতে আমরা বেঁচে আছি, এ জন্য সর্বমঙ্গলময় ঈশ্বরকে আমাদের প্রতিদিন ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো উচিত। প্রতিদিন পাঁচ মিনিট তাঁকে স্মরণ করলে আমাদের পরমাত্মা পরিশুদ্ধ হয়। সময় হচ্ছে নদী। তাতে পাঁচ মিনিট রাখতে হয় স্নানের জন্য। এবার মেডিটেশন!

    সবাই আবার ধপাধপ করে বসে পড়ে চোখ বুজল। এখন ধ্যান।

    আমি কী করব বুঝতে পারছি না। বেশ বোকা বোকা লাগছে। মুমু এ কোথায় আমাকে নিয়ে এল? এটা একটা কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান? এ রকম তো ইদানীং খুবই দেখা যাচ্ছে। কিন্তু মুমুর মতন একটা ছটফটে মেয়ে এখানে ভিড়ল কী করে? এত কম বয়েসে ধর্মের প্রতি টানও তো স্বাভাবিক নয়।

    প্রিসিলা তা হলে একটি আধুনিক গুরুমা! ইংরিজি নাম, ইংরিজি গান দিয়ে ভজন, তার সঙ্গে চোখ বুজে ঈশ্বরের ধ্যান। শিষ্য-শিষ্যারা তো দেখছি সবাই অবস্থাপন্ন ঘরের ছেলেমেয়ে। এই সমাজটাকে আমি ভালো করে চিনি না। দূর থেকে দেখছি মাত্র। আগে এদের বলা হতো ইঙ্গ-বঙ্গ সমাজ। এখন আর বঙ্গ বিশেষ নেই, মাড়োয়ারি-গুজরাতি-পাঞ্জাবিই বেশি।

    প্রত্যেকেরই সাজপোশাকের বেশ বাহার আছে।

    এর মধ্যে পাজামা আর পাঞ্জাবি পরা আমার চেহারাটা যে বেশ বেমানান, তা আমি নিজেই বুঝতে পারছি।

    প্রিসিলার শিষ্য-শিষ্যারা সবাই অল্পবয়েসী কেন? এরা কোন্ টানে আসে, সেই রহস্যটা এখনো ধরতে পারছি না। প্রিসিলা কি তবে মেয়ে রজনীশ নাকি?

    ধ্যান শেষ হবার পর কেউ কিন্তু প্রণাম করল না। প্রিসিলা হলঘরে ঢোকার পরেও কেউ তাকে প্রণাম বা নমস্কার জানায়নি। এখানে বোধহয় ওসব নিষেধ।

    এরপর আবার একটা গান শুরু হলো, তার সঙ্গে নাচ। এবারের গানটা হিন্দি, কিন্তু অনেকে উচ্চারণ করছে ইংরিজির মতন। আজকাল অনেক সাহেব মাথায় টিকি রাখে, ধুতি পরে। অনেক কৃষ্ণভক্ত মেমসাহেব পরে শাড়ি। এখানে কিন্তু ধুতি বা শাড়ি পরা একজনও নেই।

    মুমুও নাচছে। শংকর জৈন তার একটা হাত ধরে আছে। হিন্দি সিনেমার পার্টির দৃশ্যে এ রকম নাচ দেখা যায় খুব। না ভারতীয়, না পশ্চিমী।

    নাচ শেষ হতেই বেয়ারা এসে দ্বিতীয়বার শরবত দিয়ে গেল সবাইকে। এক চুমুকে সবটা শেষ করে আমার ইচ্ছে হলো আর এক গেলাস নিতে। বড় তোফা খেতে। কিন্তু বেশি হ্যাংলামি করা ভালো নয়।

    এতক্ষণে প্রিসিলা বসলেন, সিংহাসন-চেয়ারটিতে।

    এক হাতের চামরটা ওপরে তুলে, সারা মুখে হাসি ফুটিয়ে গুরুমাটি কয়েক মুহূর্ত তাকিয়ে রইলেন সবার দিকে। চোখ ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখতে দেখতে আমার মুখের ওপর তাঁর দৃষ্টি আটকে গেল কয়েক মুহূর্তের জন্য। একটু কৌতূহল ফুটে উঠল। তারপর তিনি তাকালেন অন্যদিকে

    ইংরিজিতে বললেন, হু ইজ গোয়িং টু ডিথ্রোন মি? হু ইজ গোয়িং টু বি দা কুইন ফর দিস ইভনিং?

    সকলের মধ্যে একটা মৃদু গুঞ্জন উঠল।

    গুরুমা আবার বললেন, সেলিম, প্লিজ বাক্সাঠো লে আও!

    এদের মধ্যে থেকেই একটি যুবক উঠে পাশের একটা ঘর থেকে চৌকো একটা ছোট ভেলভেটের বাক্স নিয়ে এল। গুরুমা সেটা ধরে ঝাঁকাতে লাগলেন। বোঝা গেল তার মধ্যে কিছু চাকতি আছে।

    একটু পরে বাক্সের মুখটা খুলে গুরুমা আবার ইংরিজিতে বললেন, মেয়েরা এক এক করে এসো!

    এর মধ্যে ছেলে মেয়েদের সংখ্যা বেড়ে চব্বিশ-পঁচিশজনে দাঁড়িয়েছে। ছেলে আর মেয়ে প্রায় সমান সমান।

    এক একটি করে মেয়ে উঠে গিয়ে বাক্স থেকে একটা করে চাকতি টেনে তুলতে লাগল। লটারির মতন। গুরুমা সেই চাকতি দেখছেন আর হেসে ফেলছেন।

    লরা নামের মেয়েটি মুমুকে খোঁচা মেরে বলল, তুই যা! তোর পরে আমি যাব।

    মুমু বলল, না, আমি আজ টানব না।

    লরা এগিয়ে গেল।

    তক্ষুনি চটপট করে হাততালির শব্দ শোনা গেল। গুরুমা একটি মেয়ের হাত ধরে পাশে দাঁড় করিয়ে বললেন, কুইন! আওয়ার নিউ কুইন।

    মেয়েটি মুমুরই বয়েসী। সারা মুখ হাসিতে ঝলমল করছে। সে একটা গাঢ় সবুজ রঙের ফ্রক পরে আছে। মাথার চুল শাম্পু করে ফাঁপানো।

    মুমু আমার দিকে ফিরে ফিসফিস করে বলল, এটা একটা খেলা, বুঝতে পারছ তো? এক একদিন এক একজন এখানে রানী হয়। তখন তার নামও বদলে যায়। ঐ মেয়েটাকে তুমি তো চেনো নিশ্চয়ই?

    আমি বললাম, না তো? কখনো দেখিনি

    —মিলিকে চেনো না? সেদিন তোমার বাড়িতে অংশু জ্যাঠামণিকে দেখলাম, তার মেয়ে। মিলিই তো আমাকে প্রথমে এখানে এনেছে।

    –আমাদের বাড়িওয়ালার মেয়ে?

    —ঐ মিলির দাদা মলয়, সে তো আমার ছোটমামার বন্ধু হয়। আমাদের বাড়িতে আসে মাঝে মাঝে!। আমিও মিলিদের বাড়িতে প্রায়ই যাই। অংশু জ্যাঠামণি আমাকে খুব ভালোবাসে।

    সেইজন্যেই অংশুবাবু মুমুকে দেখে হঠাৎ খুব গদগদ হয়ে গিয়েছিলেন। আমাকে ধমক দিতে দিতে থেমে গিয়ে সরে পড়লেন তাড়াতাড়ি।

    একটা সিগারেট খেতে ইচ্ছে করছে খুব। কিন্তু এই সব ধর্ম-টর্মের স্থানে সিগারেট খাওয়া চলে কিনা জানি না। আর কেউ ধরায়নি।

    গুরুমা বললেন, আজকের রানী মিলি। তার নাম দিলাম আমি বাথশিবা। এখন কে ডেভিড হবে? তুমি ডেভিডকে বেছে নাও! দাঁড়াও, দাঁড়াও, সিংহাসনে বসো আগে।

    প্রিসিলা নিজে সেই চেয়ার থেকে নেমে এসে মিলিকে বসালেন। তার গলায় পরিয়ে দিলেন একটা ফুলের মালা, হাতে দিলেন চামরটা।

    নিজে কার্পেটের ওপর বসে বললেন, বাথশিবা, তোমার ডেভিডকে ডাক। মিলি সোজা হাত তুলে শংকর জৈনের দিকে দেখাল। এখানে ছেলেদের মধ্যে সেই-ই যে সবচেয়ে সুপুরুষ, তাতে কোনো সন্দেহ নেই

    শংকর আমাদের কাছাকাছি বসে আছে। সে যেন লজ্জা পেয়ে মুখ নিচু করল।

    সামনের দিক থেকে একটি যুবক খানিকটা ঠাট্টা, খানিকটা প্রতিবাদের সুরে বলল, এ কী এ কী! প্রত্যেকদিন শংকর জৈনকে ডাকা হবে কেন? আমরা বুঝি কেউ নই?

    শংকর বলে উঠল, আমিও আজ ক্ষমা চাইছি। বেশিক্ষণ থাকতে পারব না। আজ অন্য কেউ হোক।

    প্রিসিলা আদেশ দিলেন, রানী, তুমি অন্য একজনকে ডেভিড করো।

    এবার যেন আমি খেলাটা খানিকটা বুঝতে পারছি।

    পুরোটা বোঝা হলো না। আমার আরও দেখার ইচ্ছে ছিল, মুমু দাঁড়িয়ে পড়ে বলল, ব্লু, পাঁচটা চল্লিশ বাজে। আমাকে এখন যেতেই হবে।

    মুমু চলে গেলে আমার তো থাকার প্রশ্নই ওঠে না।

    শংকর জৈন বলল, আমিও যাব। চলো, তোমাদের নামিয়ে দিচ্ছি। মুমু বলল, তুমি নামিয়ে দেবে কি! তোমার তো কাছেই রাড়ি। আমরা নিজেরা চলে যাব।

    শংকর জৈন বলল, তা হলে বুঝি তোমাদের নামিয়ে দিয়ে আসতে পারি না? উঠে এসে জুতো পরার জায়গায় দাঁড়িয়ে আমি শংকর জৈনকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি বুঝি খুব কাছেই থাকেন?

    মুমু বলল, এই তো, বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডে বিরাট বাড়ি। জৈন ম্যানশন, তুমি দেখোনি! সেইখানে ও থাকে।

    শংকর জৈন মুখ নিচু করে বলল, এমন কিছু বিরাট নয়। এমনিই সাধারণ বাড়ি। আমি আপনাদের গড়িয়াহাট পর্যন্ত ছেড়ে দিয়ে আসতে পারি কিন্তু!

    ছেলেটির বাংলা একেবারে নিখুঁত। এখানে একমাত্র সে-ই আমার সঙ্গে পুরোপুরি বাংলায় কথা বলছে।

    জুতো-টুতো পরে সবে মাত্র পেছন ফিরেছি, এমন সময় কেউ একজন বলে উঠল, হ্যালো, হ্যালো, শ্রীমানজী! শ্রীমানজী!

    তিনজনই ফিরে তাকালাম। একটি মেয়ে হাতছানি দিচ্ছে!

    মুমু বলল, ব্লু, তোমাকে ডাকছে। প্রিসিলার সঙ্গে তোমার আলাপ করিয়ে দেওয়া হয়নি।

    আমি একটু কুঁচকে গিয়ে বললাম, আজ থাক না!

    মুমু বলল, বাঃ, ডাকছেন যে তোমাকে! চলো।

    দেয়ালের পাশ দিয়ে দিয়ে আমরা এগিয়ে এলাম সামনের দিকে।

    প্রিসিলা উঠে এসে এক কোণে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর মুখখানা সব সময় হাসি মাখা। মিলির পাশে আর একটি চেয়ার এনে রাখা হয়েছে, সেখানে বসেছে সেলিম নামে যুবকটি। সে আজকের ডেভিড।

    প্রিসিলা ইংরিজিতে খুব মিষ্টি করে আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি যাচ্ছ, তুমি কে গো? আমাকে তোমার নাম বলবে না?

    মুমু বলল, আমার বন্ধু, এর নাম ব্লু।

    প্রিসিলা বললেন, শুধু ব্লু? বাঃ কি সুন্দর নাম! আমার নাম রোজ!

    আমি বলতে যাচ্ছিলাম, এই যে অন্যরা বলল, তোমার নাম প্রিসিলা? কিন্তু বললাম না, চুপ করে রইলাম। এখানে কেউ নমস্কার-টমস্কার করে না, তবু অভ্যেসবশত আমার হাত দুটো ওপরে উঠে এল, আমি বললাম, নমস্কার।

    প্রিসিলা কিংবা গুরুমা কিংবা রোজ আবার বলল, তোমার মনে অনেক প্রশ্ন, তোমার অনেক দুঃখ, তাই না?

    আমি সঙ্গে সঙ্গে বললাম, না তো!

    প্রিসিলা বলল, হ্যাঁ, আমি তোমার প্রশ্নগুলো দেখতে পাচ্ছি। আমি তোমার বুকের ভেতরে দেখছি, অনেকগুলো প্রশ্ন ঢেউয়ের মতন ঝাপটা মারছে। এসো!

    সে আমাকে পাশের ঘরে ঢোকার জন্য ইঙ্গিত করল। হাত তুলল মুমু আর শংকর জৈনের দিকে। অর্থাৎ ওরা বাইরে থাকবে।

    পাশের ঘরটাকে প্রথম মনে হলো অন্ধকার। তারপর বুঝতে পারলাম, খুব কম পাওয়ারের একটা নীল বাল্ব জ্বলছে, নাইট ল্যাম্পের মতন। জানলাগুলো বন্ধ।

    একটা চেয়ারে আমাকে বসতে বললেন প্রিসিলা। নিজে একটু দূরে দাঁড়িয়ে বললেন, প্রশ্ন মানেই তৃষ্ণা। আর কষ্ট। বিশ্বাস মানেই আনন্দ

    আমি মৃদু আপত্তির সুরে বললাম, আমার সেরকম কোনো কষ্ট নেই। প্রিসিলা কোনো জায়গা থেকে আর এক গেলাস শরবত এনে এগিয়ে দিয়ে বললেন, খাও। ওগো তৃষ্ণার্ত, এটা খেয়ে নাও!

    এই শরবতটা আমার বেশ পছন্দ। বিনা পয়সায় যতটা পাওয়া যায়। আমি হাত বাড়িয়ে নিয়ে গেলাসটা ঠোটে ছোঁয়ালাম। আগের চেয়েও স্বাদটা আরও ভালো মনে হলো।

    প্রিসিলা বললেন, তোমার তিনটে প্রশ্নের আমি উত্তর দিয়ে দেব। আমার কাছে সবাই প্রশ্ন নিয়ে আসে, বিশ্বাস নিয়ে ফিরে যায়। যদিও আমি কেউ না, আমি একটা আয়না, আমার মধ্যে সবাই নিজেকেই দেখে।

    আজকালকার গুরু কিংবা গুরুমায়েরা কী ধরনের কথা বলে, তা আমি জানি না। শ্রীরামকৃষ্ণের কথামৃত ছাড়া আর কোনো ধর্মের বই-টই পড়িনি। প্রিসিলার কথাগুলো শুনে মনে হচ্ছে ভোগোলজি। ওসব আয়না-টায়না দিয়ে মিষ্টি মিষ্টি কথা আমিও বলতে পারি।

    প্রিসিলা আমার একেবারে সামনে দাঁড়িয়েছেন। বয়েস যথেষ্ট হলেও তাঁকে বেশ রূপসী রমণীই বলা যায়। নিটোল স্বাস্থ্য। চমৎকার গন্ধ পাচ্ছি, খুব দামি পারফিউম মেখেছেন।

    এত কাছাকাছি কোনো অচেনা মহিলা এসে দাঁড়ালে শরীর শিরশির করে। আমার মাথাটাও একটু যেন ঝিমঝিম করছে। এই শরবতে কিছু মেশানো ছিল নাকি?

    জাদুকরীর মতন একটা হাত আমার মুখের সামনে নাড়তে নাড়তে প্রিসিলা বললেন, প্রথম প্রশ্ন, মনের দরজা খোলা না বন্ধ? বলতে পারো, তোমার নিজের মনের দরজা খোলা না বন্ধ?

    আমি দু’ দিকে মাথা নাড়লাম।

    প্রিসিলা বললেন, তা হলে আগে একটা একটা করে দরজা খোলো। ঠিক এই রকম ভাবে।

    ফট করে শব্দ হয়ে পাশের দিকের একটা দরজা খুলে গেল। আমি চমকে উঠলাম। সেখানে কেউ নেই, তবে কি আপনা আপনি খুলে গেল দরজাটা? তারপরেই মনে পড়ল, রিমোট কন্ট্রোলে টিভি চালাবার মতন, রিমোট কন্ট্রোলে দরজাও খোলা যায়। বিলেতে আমেরিকায় অনেক লোক গাড়ি চালিয়ে বাড়ির সামনে আসে, গ্যারাজের দরজা খোলার জন্য তাদের গাড়ি থেকে নামতে হয় না, বসে বসেই রিমোট কন্ট্রোলে খুলে ফেলে। এখানেও সেই রকমই কিছু ব্যাপার নিশ্চয়ই!

    প্রিসিলা ফিসফিস করে বললেন, ভালো করে দ্যাখো! মনের সহস্র দরজা। এক এক করে খুলতে হয়!

    এবার আমি সত্যি ঘাবড়ে গেলাম। এ কী ব্যাপার? দরজা শুধু একটা তো নয়। সেই দরজার ঠিক ওপাশে আর একটা দরজা। তারপর আর একটা। তারপর আর একটা। কত যে দরজা তার ঠিক নেই! এটা একটা ফ্ল্যাটবাড়ি। এখানে পরপর এতগুলো ঘর থাকবে কী করে? অথচ আমি দেখতে পাচ্ছি ঘরের পর ঘর, সব দরজা খোলা।

    আমার থুতনিতে একটা আঙুল দিয়ে মুখটা ফিরিয়ে প্রিসিলা বললেন, এবার আমার দিকে তাকাও। আমার নাম রোজ। আমি লাল গোলাপ, না সাদা? তোমার নাম ব্লু। তুমি কি সত্যিই ব্লু না ইয়ালো?

    ফস করে কোথা থেকে একটা গোলাপ বার করে আবার জিজ্ঞেস করলেন, এটা কি লাল, না সাদা?

    এত কম আলোতে বোঝা মুস্কিল। তবে কালচে রঙ দেখে মনে হলো, লালই হবে।

    আমি বললাম, লাল, তাই না?

    নাচের ভঙ্গিতে এক পাক ঘুরে গিয়ে প্রিসিলা আবার বললেন, এবার দেখো তো? সত্যি লাল?

    ফুলটা একেবারে সাদা হয়ে গেছে।

    বুঝতে পারছি, উনি আমাকে ম্যাজিক দেখাচ্ছেন। কিছু ম্যাজিক না শিখলে ধর্মের প্র্যাকটিস ভালো জমে না।

    কিন্তু আমি আরও অনেক গোলাপ দেখছি কেন? এই ঘর ছাড়িয়ে আরও শত শত গোলাপ বাগান, সেখানকার ফুলগুলো একবার সাদা, একবার রক্তিম হয়ে যাচ্ছে।

    প্রিসিলা ফিসফিস করে বললেন, জোর দিয়ে কি বলা যায়, কোটা সাদা, কোন্‌টা লাল? মানুষও সেই রকম। কখনো মানুষকে এক রঙ দিয়ে বিচার করতে নেই। মানুষ বহুবর্ণ। ঈশ্বর তাঁর সবগুলো রঙ দিয়ে মানুষকে তৈরি করেছেন।

    আমি প্রিসিলার কথা আর শুনতে পাচ্ছি না। আমার চোখে ভাসছে অসংখ্য গোলাপের উদ্যান, একটা ঝড় বইছে, কী মোহময় সেই দৃশ্য। ফুলের বাগানে ঝড় আমি কখনো সত্যি সত্যি দেখেছি কি? অথচ কল্পনায় তা এল কী করে? ফুলের গন্ধও পাচ্ছি, সারা ঘর ভরে গেছে অপূর্ব কুসুমসৌরভে।

    প্রিসিলা আমার থুতনিতে আবার আঙুল ছুঁইয়ে বললেন, এবার তৃতীয় প্রশ্নের উত্তর…

    কিন্তু আমি আর কিছু শুনতে পেলাম না। আমার চোখ বুজে আসছে, কিছুতেই খোলা রাখতে পারছি না চোখ। আমার মাথাটা ঝুঁকে এল, চিবুক ঠেকে গেল বুকে। তারপর আর কিছু মনে নেই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আকাশ পাতাল – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    Ek Pata Golpo সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Our Picks

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026

    কালিদাস কাহিনী – পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }