Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অনুষ্ঠান প্রচারে বিঘ্ন ঘটায় দুঃখিত – শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য

    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য এক পাতা গল্প67 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হারবার্ট সরকার যেখানে যেতেও পারত

    প্রতিবছর শীতকাল পড়লেই দক্ষিণ কলকাতার টালিগঞ্জ এলাকার নব্বইয়ের সন্তানদের অনেকের চোখেই অবধারিতভাবে সিরিটি শ্মশানের ছবি ভেসে উঠবে। এই শ্মশান ছিল আমাদের অনেকের আড্ডা মারার জায়গা। আমার আরও বেশি করে মনে পড়ে যায় তার কারণ এখানে শেষনব্বইয়ের ডিসেম্বরের সন্ধ্যেবেলায় আমি প্রথম লাশ দেখেছিলাম। পুড়তে নয়, ভেসে যাচ্ছিল আদি গঙ্গার গা বেয়ে। তখন কুয়াশা জড়ানো সন্ধ্যে। দুই পাশের মেয়ে বউরা মুখে আঁচল চাপা দিয়ে বলছিল “আহা গো, কার বডি?” লাশ “আমি স্বেচ্ছাচারী” বলেছিল কি না খবরে প্রকাশ নেই।

    বস্তুত আমাদের পাড়ায় এই জীবিত মৃতের কথোপকথন, কুয়াশার মনোরম মনোটনাস ম্যাজিক মোমেন্ট, রহস্য কথকতা প্রবাদ এসব জিনিস শুরু হয়ে যায় সত্তরের দশকের বহু নকশাল ছেলে খুন হয়ে যাবার পর থেকেই। শোনা যায়, তারা নাকি ভূত হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং এখনও।

    এই মাকোন্দোতে কেমনভাবে আসতে হবে? একটু শিবের গীত গাওয়া যাক। টালিগঞ্জ ফাঁড়ির লাগোয়া মহাবীরতলার অটোস্ট্যান্ডটি পেরনোর পর ডানদিকে দুখানা রুটি তড়কার দোকান (খাবেন না, খেলেই পেট খারাপ অনিবার্য। কলেজে পয়সা কম থাকার কারণে এসব হাবিজাবি খেয়ে আমি অনেক ভুগেছি)। অটোতে আসতে একটু সমস্যা হবে কারণ রাস্তা জুড়ে দাঁড়িয়ে আছে বাতিল অথবা সচল লরি। তারপরেই ভাটিখানার দিশি মদের ঝাঁঝ বাতাসে ভাসে। ভাতের হোটেল, কয়লার গুদাম, কাঠচেরাইয়ের দোকান পেরিয়ে এগিয়ে গেলে বাপুজিনগর টাউন কংগ্রেসের অফিস। উল্টোদিকে ইন্দিরা গান্ধীর স্মরণে শহিদ বেদী যেখানে কয়েকটি শুকনো গাঁদা ফুল এখনও দেখা যায় কিন্তু ঝড় জল রোদে মহিয়সীর মুখটি বড়ই বিবর্ণ। তার পাশেই খালি বস্তার গোডাউন। ময়লা ডাম্প করার সিমেন্টের বড় জায়গা যেখান থেকে দিনেরাত্রে বিকট গন্ধ।

    কলাবাগান আসার আগে বাঁদিকে মোষ রাখার বিশাল খাটাল যা বহুদিন পরিত্যক্ত হয়ে আছে। এই খাটাল থেকেই নকশাল খুনের কিংবদন্তী শুরু। সত্তরের দশকে খাটালে কয়েকটি ছেলে লুকিয়ে ছিল এবং গোয়ালারা পুলিশে খবর দিয়ে দেয়। খাটাল থেকে বার করে এনে সিরিটি শ্মশানের পাশের ঝিলে নিয়ে গিয়ে পুলিশ বলেছিল “যা”। পালাতে শুরু করলেই পেছন থেকে গুলি। ঝিলেই ডুবিয়ে দিয়েছিল বডি। শোনা যায়, সেই ঝিলে নাকি এক লুকনো কালী মূর্তিও আছে যা বিশেষ বিশেষ অমাবস্যার রাতে জলের উপর উঠে আসে। জলের নিচে কে কাকে দেখভাল করছে জানা নেই।

    তো, খাটাল পেরনোর পর ঠাকুর তৈরির শেড, সেখানে এখন কাজের অভাবে বিশ্বকর্মা বানানো হচ্ছে। বাঁদিকে দুখানা মিষ্টির দোকান থেকে আসা টিউবের আলোয় কুয়াশা জড়ানো কালো রাস্তা ডুবে যাচ্ছে। স্থানীয় ক্লাব, ‘বসে আঁকো প্রতিযোগীতা’র বিজ্ঞাপন। তারপর বিজলী গ্রিলের কোল্ড ড্রিংক্সের কারখানা যা বহুদিন ধরেই বন্ধ হওয়া এবং আবার খোলা এই দ্বিমেরুতত্ত্বের মধ্যে পড়ে পিংপং বলের মত ক্লান্ত। তার হলুদ দেওয়ালে অরবিন্দ ও বিবেকানন্দের রঙিন মুখ। নিচে বাণী –’আমি সিংহের হৃদয় ধ্যান করি’।

    শ্মশান আসার আগে বাঁদিকেই সেই লুকনো কালী এবং মার্ডারড নকশালদের দীঘি। অর্ধেক দীঘি বুজিয়ে এখন ফ্ল্যাট উঠেছে। বাকি অর্ধেকটায় এখনও উথালপাথাল মাছ শিকার। জমা জলে মেঘের ছায়া, পাখির ডানার রঙ। কচুরিপানার দংগলের মধ্যে দিয়ে আচমকা উঁকি মারে পানকৌড়ির কেউটে গলা। সিরিটি শ্মশানে ঢোকার রাস্তায় ‘সাক্ষাৎ বামদেবের শিষ্য’, কোনও প্রাচীন জাদুকরের নাম আছে। বড় চৌকো টিনের বোর্ডে তাঁর নাম, এই শ্মশানে গড়ে ওঠা তারা মন্দিরের কথা আর উৎসবের যাবতীয় বিধি লেখা আছে। তার নিচে ফুলের দোকান। বড় রাস্তার গায়ে একটি চায়ের দোকান, আনন্দমার্গীদের বন্ধ স্কুল, স্টেশনারি দোকান, একটি মোবাইল ফোন সারানোর দোকান। উল্টোদিকে মন্দির। এখানেই আছে আনন্দময়ী হিন্দু হোটেল, যেখানে এখনও ১০ টাকায় ডিমের কারি, ভাত ডাল তরকারী। একটা রুটি এক টাকা। এই ঝুপড়িতে এই অঞ্চলের মধ্যে প্রথম ফ্রিজ এসেছিল। সেখানে কোল্ডড্রিংক্স রাখা থাকে। দেওয়ালে ঝোলানো থাকে বামাক্ষ্যাপা ও তারাপীঠের মূর্তির ছবি। উল্টোদিকে বঙ্গলক্ষ্মী মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, যার গা ঘেঁসে একটি একলা ফাঁকা মাঠ। রিয়েল এস্টেট এখনও এই মাঠের হদিশ পায়নি। গত কুড়ি বছর ধরে সেখানে নিঃঝুম হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে ফোর সি রুটের একটি বাসের কংকাল। কেউ তার খোঁজ রাখে না।

    সাইকেল নিয়ে শ্মশানে চলে গেলেই পোড়া অশ্বত্থ। লাগোয়া তান্ত্রিকদের ঝুপড়ির রেডিও থেকে এখনও আকাশবাণী ভেসে আসে। ইলেকট্রিক শ্মশান হবার পর থেকে তান্ত্রিকদের বাজার নেই আর। আমাদের সাথে বসে গাঁজা খেতে খেতে একজন দুঃখ করে বলেছিল “সব পাব্লিক চলে যাচ্ছে করুণাময়ীর জৈনদের বড় মন্দিরের দিকে। শালাদের যদি অভিশাপ দিই গলায় রক্ত উঠে মরবে তো তাতেও গায়ে মাখে না কেউ। ছেলেপুলে নিয়ে ঘর করি, এসব ইলেকট্রিক এসে আমাদের বিজনেস লাটে তুলে দিল দাদা!” ফলতঃ শ্মশানের লাগোয়া মন্দির নিষ্প্রভ, বিবর্ণ। তার নিঃসঙ্গ কালীঠাকুর আছে না পালিয়ে গেছে সেটাও কেউ খেয়াল করে দেখার আগেই অভ্যেসসবশত কপালে হাত ঠেকিয়ে পয়সা ছুঁড়ে বেরিয়ে যায়। জাগ্রত কালীমূর্তি দিবারাত্র ড্যাবড্যাবে চোখ মেলে থাকলে কী হবে, মন্দিরের গা ঠিক প্যাচড়া রুগির গাল। গিরগিটি তক্ষক কেউটের মেহফিল বসে রোজ রাত। দাঁত খিঁচোনো ভাঙা ইঁটের দেওয়াল হুমড়ি খেয়ে যে কোনওদিন পড়বে মায়ের পায়ে জবা হয়ে। শ্মশানে তান্ত্রিক হবার থেকে তাই হোমিওপ্যাথি বা নিদেনপক্ষে স্মাগলিং করা বেটার অপশান৷

    শীতকাল মানে আমার পাড়ায় আদিগঙ্গার কুয়াশা। অন্ধকার নির্জন রাতে পাড়ার মোড়ে ক্যারম। বোর্ডের ওপরের নিশ্চুপ হলদেটে বাল্বের গা ঘিরে পোকাদের ভিড়। শীতকাল মানে নিভে যাওয়া বাজারের শেষ আলোয় যতটুকু পারা যায় জমিয়ে রাখা দোকানির পকেটের এককোণের ম্লান পাঁচটাকার নোট, যা বহু যত্নে পরম সংকোচে রেখে দেওয়া হয়েছে সন্ধ্যের শেষ মুড়ি তেলেভাজাটুকুর জন্য। আর শীতকাল মানে সিরিটি শ্মশানে সুইসাইডের লাশ একটু বেশি আসা। শীতে ডিপ্রেসন বাড়ে।

    ডোমেরা সুইসাইডের লাশের বিছানা বা জামাকাপড় নেয় না। ঠাকুর কুপিত হয়। দেখেওছি সেই বিছানা চাদর সব গঙ্গায় ছুঁড়ে ছুঁড়ে ফেলা হচ্ছে। বঙ্গলক্ষ্মী মিষ্টান্ন ভান্ডারে শ্মশানবন্ধুদের ফ্যালফেলে চোখের দিকে তখন একঠায় তাকিয়ে থাকে মিয়োনো হতে থাকা সিঙারা জিলিপি। এখানেই দাহ হয়েছিল নীলের। নীল, বেহালার নকশাল নেতা। পুলিশ মার্ডার করেছিল। বডি কেওড়াতলায় পাঠানো রিস্কি ছিল কারণ হুজ্জতি হত খুব পাব্লিক রেগে ছিল। চুপিসাড়ে তাই এখানে নিয়ে এসে পোড়ানো। নীলকে নিয়ে নবারুণ ভট্টাচার্যের কবিতা আছে। হিমেল সন্ত্রাসে কলকাতার নাভিমূল তখন বরফ হয়ে ছিল। শ্মশানের পুরনো দেওয়ালের গায়ে এখনও এখানে ওখানে লেখা, ‘বদলা! বদলা!’

    ডোমেদের মুখে শোনা, ইলেকট্রিক চুল্লি আসার আগে বহু শীতের রাতে একলা লাশ পুড়তে পুড়তে উঠে বসেছিল। আর পুড়তে ইচ্ছে করেনি তাদের। ধরে বেঁধে আবার শুইয়ে দেওয়া হয়েছিল। আমি মিনমিন করে বলতে গেছিলাম “ওসব না, আসলে এটা বিজ্ঞান” । মাতাল ডোম দাবড়ে দিয়েছিল“আরে রাখুন আপনার বিজ্ঞান। কত অতৃপ্ত শোক জ্বালা নিয়ে মানুষ সুইসাইড করে জানেন? সেসব শোকতাপ শান্তিতে পুড়তে দেয়না তাদের। তাই উঠে বসে”।

    শীতকালে সিরিটি শ্মশানের উদ্যানে গিয়ে আপনি যদি বসেন তো দেখবেন কিছু কিছু ভাঙাচোরা মানুষ যারা উদ্ভ্রান্ত চোখে বসে আছে। তাদের কোনও উদ্দেশ্য নেই। কেন এসেছে নিজেরাও জানে না। একলা মনে বিড়বিড় করে, কখনও এর ওর কাছে বিড়ি চেয়ে খায়। বারবার চাইলে মানুষ বিরক্ত হয়। আবার কোনও শোকসন্তপ্ত পুত্রহারা দম্পতি অথবা সদ্যবিধবা দয়াপরবশ হয়ে তাদের হাতে দশটা টাকা গুঁজে দিলে তারা ফ্যালফ্যাল চোখে তাকিয়ে থাকে। বোঝে না কী ঘটছে। আমি এদের অনেক দেখেছি। কেউ বন্ধ কারখানার লেবার। কেউ বউকে হারিয়ে এখানে এসেছে। অথবা কেউ হয়ত এসবের কিছুই নয়। ছোটবেলা থেকেই যাকে ইংরিজিতে বলে ডিমউইট। হাবাগোবা ধরণের। কেউ সম্মান দেখায় না। তাচ্ছিল্য করে। হয়ত মাথাতেও সামান্য গণ্ডগোল আছে। কাজকম্ম করে না। সারাদিন এখানে এসে বসে থাকে আর মড়া পোড়ানো দেখে। ডিসেম্বর আসলে এদের আসা বেড়ে যায় আমি খেয়াল করে দেখেছি। সম্ভবত এক স্থায়ী কুয়াশা এদের ভেতরে এমনভাবে গেড়ে বসে গেছে যে সেই ভ্যাবাচ্যাকা অস্তিত্ব অন্যসময়ে পৃথিবীর সঙ্গে নিজেকে আইডেন্টিফাই না করতে পারলেও ডিসেম্বরের নিঃসঙ্গ ঝাপসা চরাচরে এদের বাহির ও ঘর এক হয়ে যায়। এই স্থান সম্ভবত তাদের শেষ মাকোন্দো, যা পুড়ে যাবার পর আর এই পৃথিবীর বুকে তাদের জন্য দ্বিতীয় সুযোগ নেমে আসেনি আর।

    তো, এই আমার নব্বইয়ের শীতকাল। নিঃঝুম ভুতুড়ে বাড়ি, বন্ধ কারখানার গেট, মরে যাওয়া চুল্লির আগুন, অতৃপ্ত মৃতদেহ, ভাঙা বাস। এসবই জীবন্ত হয়ে উঠত ডিসেম্বরের কুয়াশায়। মজলিশ আরা রোডের মসজিদের কবর থেকে জেগে উঠে আসত ভূত। শ্মশান, পদ্মপুকুর, ডাক্তারের বিশাল বাগান জুড়ে তারা ঘুরে বেড়াত। কখনও অন্ধকার রংকলের মাঠে গিয়ে বসে থাকত একলা ছায়ামূর্তি। তার সারা গায়ে ব্যান্ডেজ জড়ানো, কিন্তু ভাল করে কাছে গিয়ে দেখলে খেয়াল পড়বে যে মাথাটা নেই।

    নব্বই বুড়ো হয়ে মরে গেছে। তার সমস্ত রোমান্টিকতাও বিগতদিনের চর্বিতচর্বণে এসে থিতু হয়েছে। কিন্তু তবুও অবশেষ রয়ে যায়। শ্মশান থাকে এবং থাকবে। পাড়ার নিঃঝুম ডাক্তারের বাগানের নিমডাল থেকে ঝুলবে গলায় দড়ি বাঁধা নকশাল ভূত। অন্ধকার কুয়াশামাখা ফাঁকা রাস্তায় সারারাত একলা খোলা থাকবে বঙ্গলক্ষ্মী মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, শ্মশানবন্ধুদের আগমনের প্রত্যাশায়। কেউ ফিরেও তাকাবে না। সুইসাইডের বডি আসতে থাকবে। নিঃশব্দে। একে একে। শ্মশান থাকবে। শ্মশান পুড়বে।

    (স্মৃতি সর্বদাই ব্যক্তিগত। তবে সেইসঙ্গে এটাও ঠিক যে সমষ্টির সম্মিলিত অভিজ্ঞতার ইতিহাস সেই স্মৃতিকে লালন করে সযত্নে। এই লেখাটির ক্ষেত্রেও অনেক ভুলে যাওয়া কথা এবং রাস্তার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ দেবার জন্য কিন্নর রায়ের ‘প্রকৃতিপাঠ’ উপন্যাসটির সাহায্য নেওয়া হয়েছে। উপন্যাসটির বিষয়বস্তু ছিল এই সিরিটি মুচিপাড়া অঞ্চলে নব্বইয়ের দশকে কেমনভাবে প্রকৃতি ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে, গাছ কেটে জলাজমি বুজিয়ে। পরিবেশ বিষয়ে আগ্রহীজনদের বলব, উপন্যাসটি অবশ্যই পড়ুন। আশি নব্বইতে কেমন ছিল দক্ষিণ কলকাতার শহরতলি জলাভূমি শ্মশান, আর কেমনভাবে তা ধ্বংস করা হতে থাকল, তার গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টেশন হয়ে থাকবে এই বইটি।)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ১ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    Next Article বিদ্বান বনাম বিদুষী – প্রীতম বসু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Our Picks

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }