Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026

    বিদ্বান বনাম বিদুষী – প্রীতম বসু

    April 27, 2026

    অনুষ্ঠান প্রচারে বিঘ্ন ঘটায় দুঃখিত – শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিদ্বান বনাম বিদুষী – প্রীতম বসু

    প্রীতম বসু এক পাতা গল্প393 Mins Read0
    ⤷

    বিদ্বান বনাম বিদুষী – ৫১

    ।। একান্ন ।।

    নমিতাকে দেখে পৃথুযশ চেয়ার ছেড়ে হাসিমুখে উঠে দাঁড়াল। করমর্দনের জন্য এগিয়ে দেওয়া ওর হাতের তালু স্পর্শ করতে গিয়ে ঘেন্নায় নমিতার গা রি-রি করে উঠল। তবু জোর করে ঠোঁট থেকে হাসি অস্ত যেতে দিল না নমিতা। সোহৎসাহে বলে উঠল, ‘আরেব্বাবা, এ যে ভাবাই যায় না! কী সৌভাগ্য আজ আমাদের।’

    নমিতা চেয়ারে বসলে পৃথুযশ বসল। পৃথুযশ বলল, ‘ওয়েস্ট বেঙ্গলের শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে একটা মিটিং ছিল। সেজন্য এদেশে আসা। ভাবলাম পুরোনো ইউনিভার্সিটিতে একবার ঢুঁ মেরে যাই।’

    ‘কিছু পরিবর্তন চোখে আসলো?’ নমিতা ডিপ্লোমেসি করে কথা বলল, মন যদিও এতটুকু চাইছে না।

    ‘অনেক। গেটে সুনীতিকুমারের স্ট্যাচুটার মাথায় শেড দেখলাম। খুব ভালো লাগল। আমাদের সময় ওখানে সুনীতিকুমারের মাথায় পায়রায় পায়খানা করত। আমরা কত চেঁচামেচি করেছিলাম। বাজেট ছিল না। আজ বড় ভালো লাগল।’

    ‘তোমার ইনিশিয়েটিভটা নমিতাকে বল, পৃথুযশ, ওর খুব ভালো লাগবে,’  ভিসি বললেন।

    পৃথুযশ এবার সিরিয়াস মুখে বলল, ‘ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, শুধু আমেরিকায় সীমাবদ্ধ না থেকে তাদের ইউনিভার্সিটিকে কিছু গ্লোবাল লোকেশনে ছড়িয়ে দিচ্ছে। সিঙ্গাপুর, সাংহাই। আমি ম্যানেজমেন্টকে প্রপোজ করেছি কলকাতা। তাই একটা মেমোরান্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং এর ব্যাপারে বেঙ্গলের এডুকেশন মিনিস্টারের সঙ্গে কথা বলার ছিল।’

    ‘এক্সিলেন্ট!’ নমিতা বলল। ‘জাস্ট ভাবাই যায় না।’

    ভিসি উচ্ছ্বসিত হয়ে বললেন, ‘আরো কিছু আছে। আ গ্রেট গিফট ফর ইউ, নমিতা। পৃথুযশ বাকিটা বলো।’

    ‘ক্যালিফোর্নিয়া-ইন-কলকাতা বাস্তবে রূপান্তরিত হতে কিছুটা সময় লাগবে। অনেক কিছু ব্যুরোক্রেসির কাঠখড় পোড়াতে হবে। তাই আমি আপাতত ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া আর বেঙ্গল ইউনিভার্সিটির মধ্যে একটা এক্সচেঞ্জ স্টুডেন্ট প্রোগ্রাম প্রোপোজ করছি। এটা আমার পাওয়ারের মধ্যে আছে। আমার কাছে বাজেটও আছে। এ’বছর আমি পাঁচজন ক্যালিফোর্নিয়ার স্টুডেন্টকে নিয়ে আসব ফর আ মান্থ। আমি বেঙ্গল ইউনিভার্সিটিতে কয়েকটা লেকচার দেব এবং বেঙ্গল ইউনিভার্সিটির ডিন অব আর্টস ফ্যাকাল্টিকে ক্যালিফোর্নিয়া ইনভাইট করবে পাঁচজন স্টুডেন্ট নিয়ে ক্যালিফোর্নিয়াতে থাকতে ফর আ মান্থ।’

    ‘ইটস ইউ, নমিতা,’ ভিসি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন। ‘তুমি আর্টস ফ্যাকাল্টির ডিন।

    পৃথুযশ বলল, ‘সুপার। আপনি ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়াতে কয়েকটা ক্লাস নেবেন আমাদের স্টুডেন্টদের। আপনার পাণ্ডিত্যে আমাদের স্টুডেন্টরা ঋদ্ধ হবে।’

    অন্য সময় হলে নমিতা ভোকাবুলারি হাতড়ে একটা ভালো ধন্যবাদের শব্দ বের করে আনত, কিন্তু এখন যে শব্দটা ওর মাথায় চট করে চলে এল সেটা ভদ্রলোকেরা ব্যবহার করে না। কিন্তু মুখে কোনো প্রতিফলন হল না নমিতার। ও বলল, ‘বাহ্! ইটস অ্যান অনার ফর মি, ড. ভৌমিক। এটা মেটিরিয়ালাইজড হোক বা না হোক, অ্যাকচুয়্যালি, আপনার মতো পণ্ডিতের থেকে এরকম কথা শোনাও সম্মানের ব্যাপার।’

    ‘অনার ইজ মাইন,’ পৃথুযশ দু’হাত বুকের কাছে এনে নমস্কার করল। ‘আমরা তো দেশ থেকে পালিয়ে গেছি, আর আপনারা দেশের ফিউচার জেনারেশনের জন্য কত অসুবিধার সম্মুখীন হয়েও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। আপনার রিজুমে যা স্ট্রং, আপনি হাসতে হাসতে আমেরিকার যে কোনো ইউনিভার্সিটিতে চাকরি পেয়ে যেতে পারতেন।’

    ‘আমি বিএ, এমএতে সেকেন্ড হইনি, ড. ভৌমিক। আপনার মতো মানুষ এত প্রশংসা করছে একটু অস্বস্তিই হচ্ছে।’

    ‘তাহলে আমি আপনার অস্বস্তি আর বাড়াব না,’ পৃথুযশ হেসে বলল। আমার উদ্দেশ্য আমাদের বাংলার অপরিচিত প্রাচীন ট্যালেন্টদের বিশ্বের দরবারে নিয়ে যাব। আমি এই অপারচুনিটিতে সেই কাজটাও করব।’

    ‘একটু বুঝিয়ে বলুন ড. ভৌমিক।’

    ‘হ্যাঁ বলছি। একটা এক্সাম্পল দিই। ষষ্ঠীদাস নামে আমাদের একজন কবি কাম অ্যাস্ট্রোলজার কাম কৃষিবিদ ছিলেন। নাইন্টি পার্সেন্ট বাঙালি তো তার নামই শোনেনি। আমি তাকে জগৎসভায় পরিচয় করাতে চাই। ইন ফ্যাক্ট আমি আমার পিএইচডি থিসিসে প্রথম ষষ্ঠীদাসের পরিচয় করাই। আমি অবশ্য একটু স্ট্রং কনক্লুশন আনি যে ষষ্ঠীদাসই খনা। বাট ওই হাইপথেসিসের ওপর ব্রেনস্টর্মিং করাই যেতে পারে।’

    ‘আপনি ষষ্ঠীদাসকে আবিষ্কার করেছিলেন, ড. ভৌমিক?’ নমিতা ‘আপনি’ কথাটার ওপর জোর দিল। ‘ওঃ, শুধু ওই একটা কাজের জন্যই আপনি ডি- সিট ডিজার্ভ করেন।’

    ‘আমি রেকগনিশন নিয়ে কখনো ভাবি না, ড. স্যান্যাল। আমি দেখি কীভাবে কমিউনিটির কাজে লাগতে পারি। আমি আপাতত ষষ্ঠীদাসকে রিইনভেন্ট করতে চাই। এর জন্য আপনার হেল্প চাই।’

    ‘আমার হেল্প? বলুন আমি আপনাকে কী হেল্প করতে পারি?’

    ‘ষষ্ঠীদাসের ওপর আমার যে পিএইচডি থিসিসটা আছে সেটা আমার দরকার। আই ডোন্ট ওয়ান্ট টু রি-ইনভেন্ট দ্য হুইল। বোঝেনই তো এত ব্যস্ততা।’

    ‘আমাদের গোটা লাইব্রেরি এখন ডিজিটাইজড হয়ে গেছে, ড. ভৌমিক। আপনি অন লাইনে আপনার থিসিসের ফুল টেক্সট দেখতে পাবেন।’

    ‘আমি অন লাইনে তন্নতন্ন করে খুঁজেও আমার থিসিস এর টেক্সট পাইনি, ড. স্যান্যাল। ক্যান ইউ বিলিভ!’

    হোয়াট! এবার নমিতা একটা বড়সড় ধাক্কা খেল। তার মানে ওরা হ্যাক করে পৃথু্যুশের থিসিস ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকে উড়িয়ে দিয়েছে যাতে কেউ প্লেজারিজম প্রমাণ করতে না পারে! কিন্তু মুখে বিস্ময় প্রকাশ করল না নমিতা। ‘হার্ড কপি নিশ্চয়ই থাকবে লাইব্রেরির জার্নাল সেকশনে।’

    ‘আমি লাইব্রেরির জার্নাল সেকশনে গেছিলাম। জানলাম ওই ডকুমেন্ট আপনার কাছে।’

    ‘আমার কাছে? তা হবে, ডিন হয়ে কয়েকশো ফাইল আমাকে ঘাঁটতে হয়। মনে থাকে না সব।’

    ‘ডকুমেন্টটা আপনি সম্ভবত কাল নিয়েছেন লাইব্রেরি থেকে।’

    ‘কাল নিয়েছি? ষষ্ঠীদাস? ইয়েস ইয়েস আমি একটা ওই টপিকের ফাইল বের করেছিলাম বটে।’

    ‘ওটা কি আমি পেতে পারি?’

    ‘ওটা তো গভর্নমেন্ট অব ইন্ডিয়ার অ্যাডভোকেট চেয়ে পাঠিয়েছিল। দেখছেন আমি একদম ভুলে গেছি। হ্যাঁ এবার মনে পড়েছে। আমেরিকার কোন একটা ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি অন্যায়ভাবে আমাদের দেশের কী একটা ওষুধের নলেজ পাইরেসি করে পেটেন্ট নিয়েছে। গভর্নমেন্ট অব ইন্ডিয়া কেসটা ইন্টারন্যাশনাল কোর্টে আনছে। এ ব্যাপারে কিছু এভিডেন্স সংগ্রহ করার জন্য ভারত সরকারের উকিল আমাদের কাছে এসে বেশ কয়েকটা ফাইল নিয়ে যায়। এখন মনে পড়েছে আপনার ফাইলটাও ওদের কাছেই আছে।’

    নমিতা তাকিয়ে দেখল যে পৃথুযশ ভৌমিকের মুখটা ঝুলে গেল। ‘ওটা আমার পিএইচডি থিসিস, অথচ আমি হাতে পাচ্ছি না। এটা কিন্তু ব্যুরোক্রেসি!’

    ‘আমি সরি ড. ভৌমিক। আমি ওদের লিখে পাঠাচ্ছি যাতে ওরা ফাইলটা তাড়াতাড়ি রিটার্ন করে। আনফরচুনেটলি সরকারের খাতায় একবার কিছু ঢুকলে বেরোতে খুব দেরি করে।

    ‘দেখুন যদি পাওয়া যায়। আচ্ছা আমি আজ আসবো, পৃথুযশ উঠে দাঁড়াল। ভিসি হাঁ হাঁ করে উঠলেন। ‘সে কি এই তো এলে। একটু চা তো অন্তত খাবে।’

    ‘আজ না জয়ন্তদা,’ পৃথুযশ বলল। ‘ড. স্যান্যাল যেদিন ফাইলটা দেবেন সেদিন এসে চা খেয়ে যাব। আজ আসি,’ পৃথুযশ কৃত্রিম একটা হাসি ছুঁড়ে দিয়ে লম্বা লম্বা পা ফেলে বেরিয়ে গেল।

    পৃথুযশ বেরিয়ে যেতে ভিসি বললেন, ‘নমিতা, তোমায় আমি কত বছর ধরে চিনি?’

    ‘অন্তত তেত্রিশ বছর স্যার।’

    ‘তুমি বেঙ্গল ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট ইউনিয়নের জেনারেল সেক্রেটারি হয়েও কেন পলিটিক্সে সাকসেসফুল হলে না জানো?’

    ‘হ্যাঁ জানি। মিথ্যা বলতে গেলে আমার চোখ মুখ স্টিফ হয়ে যায়।’

    ‘ঠিক। সহজেই ধরা পড়ে যাও। পৃথু্যুশকে কেন মিথ্যার পুলটিশ পরানোর চেষ্টা করছিলে? আজ কী হয়েছে?’

    ‘খুব সিরিয়াস ব্যাপার, স্যার।’

    ‘আরে কী হয়েছে বলবে তো?’

    ‘ড. পৃথুযশ ভৌমিকের নামে প্লেজারিজমের অভিযোগ এসেছে আমার কাছে, জয়ন্তদা। লিখিত অভিযোগ।’

    ‘ইম্পসিবল! অবিশ্বাস্য। এত ইন্টেলিজেন্ট স্টুডেন্ট! বিএ এমএতে সেকেণ্ড! সে কখনো টুকতে পারে?’

    ‘যিনি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি ছিলেন বিএ এমএ তে ফার্স্ট।’

    ‘হোয়াট! ইউ মিন বিদ্যাধরী দাস?’

    ‘আপনার বিদ্যাদিকে মনে আছে জয়ন্তদা?’

    ‘বিদ্যাধরী দাস! মনে থাকবে না? ওরকম স্টুডেন্ট একটা জেনারেশনে কদাচিৎ আসে।’

    ‘দুর্ভাগ্যের বিষয় রিসেন্টলি ওঁর বাড়ি থেকে বিএ এবং এমএর সার্টিফিকেট ও মার্কশিট চুরি হয়ে গেছে।’

    ‘তাই নাকি?’

    ‘এটা খুব একটা বড় ব্যাপার নিশ্চয়ই না জয়ন্তদা। যে রাজ্যে নোবেল প্রাইজ চুরি হয়ে যায় সেখানে বিএ এবং এমএর ফার্স্ট পোজিশন পাওয়া সার্টিফিকেট সে তুলনায় কিছুই না।’

    ‘বিদ্যাধরী ওয়াজ আ জিনিয়াস, তবে আরেকটা ব্যাপার ছিল,’ জয়ন্তদা চোখ মটকে হাসলেন। ‘ও আমাদের হার্টথ্রুব ছিল। সুচিত্রা সেনের মতো হাঁটা-চলা। কী তেজ! আমাদের পাত্তাই দিত না। মনে মনে ওকে রোজ প্রেমপত্র লিখতাম। কিন্তু শেষমেষ কী যে আনফরচুনেট সিচুয়েশন ক্রিয়েট করল মেয়েটা!’

    ‘বিদ্যাদির অ্যালিগেশন এই যে স্যার,’ নমিতা চিঠিটা বের করে টেবিলে রাখল।

    ভাইস চ্যান্সেলর জয়ন্ত শিকদার চিঠিটা পড়লেন। তারপর নমিতার দিকে এমনভাবে তাকালেন যে নমিতা স্মলপক্সের ভাইরাস ওঁর ডেস্কে এনে রেখেছে। ‘আর ইউ শিওর? এটা কোনো ডিফেমেশনের ষড়যন্ত্র না তো? তুমি নিজে ব্যাপারটা তদন্ত করে দেখেছ?’

    ‘আমি হান্ড্রেড পার্সেন্ট শিওর জয়ন্তদা। সে জন্যই পৃথু্যুশের থিসিসের হার্ড কপিটা আমি লাইব্রেরি থেকে তুলেছিলাম।’

    ‘আমি কিছু ভাবতে পারছি না। আমায় শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে একবার কথা বলতে হবে। তুমি বোধহয় জানো না যে ওকে এবার ডি-লিট দেওয়া হচ্ছে। জল ঘোলা করার আগে দেখতে হবে ওই জল কে কে খায়। তুমি আমাকে একটু সময় দাও। চিঠিটা তোমার কাছেই রাখো আপাতত। কাল আমি তোমায় আপডেট দেব।’

    ‘থ্যাঙ্ক ইউ জয়ন্তদা,’ নমিতা উঠে দাঁড়াল। নমিতার মনে একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—পৃথুযশ এত জিনিয়াস স্টুডেন্ট, ও কেন কুম্ভীলকবৃত্তি করতে গেল?

    নমিতা নিজের অফিসে ফিরে এসে দরজা বন্ধ করে কিছুক্ষণ কপাল টিপে বসে রইল। হিপোক্রেসির একটা লিমিট আছে! এই ইন্ডিয়ান থেকে আমেরিকান বনে যাওয়া কিছু মানুষ আমাদের ভাবে কী? ভিখারি? আমাদের সামনে হাড়ের টোপ দিলেই আমরা কুকুরের মতো গিলতে ছুটে যাব? ক্যালিফোর্নিয়া! এক মাস আমেরিকায় থাকার লোভে নিজের সত্তা বিক্রি করে ক্যালিফোর্নিয়া ছুটব? আর বিদ্যাদিরা প্ল্যাটফর্মে বসে বসে ভিখারিদের পড়াবে? মাই ফুট! বিদ্যাদির ওপর শ্রদ্ধা ক্রমশ বেড়ে যাচ্ছে নমিতার।

    টক-টক। দরজায় নক।

    ‘আসতে পারি?’

    নমিতা দেখল এবার তার দরজায় দাঁড়িয়ে ড. পৃথুযশ ভৌমিক। মুখে হাসি এখনো আছে, তবে মধ্যগগন নয়, সূর্য পশ্চিম দিগন্তে।

    ‘আসুন আসুন,’ নমিতা ভদ্রতা করে উঠে দাঁড়াল।

    ‘কাজে বিরক্ত করলাম না তো?’

    ‘আরে কাজ তো থাকেই। প্লিজ আসুন। বসুন।’

    পৃথুযশ বসল। ‘ড. স্যান্যাল, আপনার সময় নষ্ট করব না। তাই সোজাসুজিই বলি। আমি জানি আপনাকে অ্যাডভোকেট মিস মাধবী বসাক অ্যাপ্রোচ করেছেন। দেখুন, আমাদের দু’জনের একই আলমা মাটার। মানে আমরা সতীর্থ। তাই আপনার সঙ্গে এই কোর্ট-কাছারির বাইরে মন খুলে কয়েকটা সত্যি কথা আলোচনা করতে চাই। আপনার যদি আপত্তি না থাকে ‘

    ‘আমার কোনো আপত্তি নেই। তবে আপনি যেহেতু সোজাসুজি কথা বলতে চান, তাই তার আগে সোজাসুজি একটা প্রশ্ন করব?’ নমিতা বলল। ‘যদি উত্তর দিতে অসুবিধা থাকে তবে দেবেন না।’

    পৃথুযশ হাসল। নমিতা দেখল এখনো সেই হাসিতে টোল খায়। চোখ মটকে বলল, ‘করেই ফেলুন না প্রশ্নটা।’

    ‘আপনার মতো এমন প্রথিতযশা মানুষ এর মধ্যে জড়ালেন কীভাবে?’

    ‘আরে ধুৎ, আমি কে? আমি কেউ না। সব হল বড় ইউনিভার্সিটির স্ট্যাম্প। আমার জায়গায় অন্য কোনো বাঙালি যদি আজ ক্যালিফোর্নিয়ার এরকম নামকরা ইউনিভার্সিটির সাউথ ইস্ট এশিয়ান স্টাডিজের চেয়ার হতো তবে ওরা তাকেই ধরত। এত বড় আমেরিকান ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি, ওদের বছরে কয়েক হাজার কোটি টাকার কারবার। আমাকে তোয়াক্কা করবে ওরা?’

    ‘সেটা তো হল ওই ওষুধের কোম্পানি কেন আপনাকে কন্ট্যাক্ট করল। আমার প্রশ্নটা তা না। পৃথুযশ ভৌমিককে হারাবার মতো পাণ্ডিত্য আছে একথা বলার মতো স্পর্ধা ক’জন বাঙালির আছে তা জানি না। আপনি জানেন এই পেটেন্টের লড়াইয়ে অ্যামফার্মা জিতলে আমাদের দেশের একটা সম্পদ বিদেশিরা অধিকার করে নেবে। আমার প্রশ্ন একজন বাঙালি হয়ে আপনি কেন এই অ্যাসাইনমেন্টটা হাতে নিলেন?’ নমিতা এক মুহূর্ত থামল। ‘শুধু টাকার জন্য?’

    পৃথুযশ চুপ করে রইল।

    নমিতা এবার সত্যি অস্বস্তিতে পড়ল—একটু বেশি রুড ভাবে জিজ্ঞাসা করা হয়ে গেছে। এভাবে বলাটা উচিত হয়নি ‘আমি এজন্য প্রথমেই বলেছি আপনার অসুবিধা থাকলে উত্তর না দিলেও

    ‘আপনি অজান্তে একটা দুর্বল জায়গায় আঘাত করলেন আমার,’ পৃথুযশ বলল। ‘জানেন আমি আমেরিকান সিটিজেন হতে পারি, কিন্তু আমি আদ্যন্ত বাঙালি। মাতৃভাষা বাংলাকে আমার মাথায় রাখি। এটা আমার ভীষণ দুর্বল জায়গা। টাকা, খ্যাতি এসব দুর্বলতা আমি অনেক আগেই পেরিয়ে এসেছি। কিন্তু বাংলার মাটি যেমন আমার এক দুর্বলতা, আমার সেরকম আরেকটা দুর্বলতা আছে। আমার জীবনের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা। আমার একমাত্র মেয়ে অমৃতা।’

    ‘আপনার মেয়ে কি ওই আমেরিকান ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিতে কাজ করেন?’

    ‘না। আমার মেয়ে হুইল-চেয়ারে দিন কাটায়। স্পাইনাল কর্ডে ক্যানসার। স্টেজ ফোর। অঙ্কোলজিস্ট বলে দিয়েছে ছ’মাস ম্যাক্সিমাম। স্পাইনাল কর্ডের কমপ্লিকেটেড নার্ভগুলোর মধ্যে একটা নার্ভ ওর দাঁড়াবার ক্ষমতাকে কেড়ে নিয়েছে।’

    ‘আই য়্যাম সো সরি!’ নমিতার সত্যি মন খারাপ হয়ে গেল। ‘কিন্তু আপনার মেয়ের সঙ্গে এর কী সম্পর্ক? ‘

    ‘ওকে একটা ছেলে ভালোবেসে ফেলল। এন আর আই বাঙালি সায়েন্টিস্ট। আমার মেয়ে ভাবতেই পারেনি যে কোনো ছেলে ওর এই শারীরিক অবস্থার কথা জেনেও ওকে ভালোবাসতে পারে। আর ছেলেটার সঙ্গে মিশে আমার মেয়ে যেন নতুন করে বাঁচার ইচ্ছাটা ফিরে পায়। ও আবার গুনগুন করে গান গাইতে শুরু করল, পিয়ানোতে আঙুল চালানো শুরু করল, প্যাস্টেল-রঙ-তুলি নিয়ে ছবি আঁকায় ফিরে গেল আমার চোখের সামনে যেন একটা শুকিয়ে যাওয়া হাউস-প্ল্যান্ট আবার জল পেয়ে সবুজ হয়ে উঠল। ছেলেটা অমৃতাকে প্রোপোজ করে। ওর বিয়ে ঠিক হয়েছে এবছর থ্যাঙ্কসগিভিং এর পর

    ‘বাহ্, এটা তো খুবই ভালো খবর।’

    ‘কিছুটা কমপ্লিকেশনস আছে এখানে,’ পৃথুযশ বললেন। ‘ওর ফিয়াসে যে আমেরিকান ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিটাতে কাজ করে সেই কোম্পানি হল অ্যামফার্মা। আপনি জানেন অ্যামফার্মা এই পেটেন্টের মামলাটা লড়ছে।’

    নমিতা চুপ করে রইল।

    ‘নাম তথাগত দাস,’ পৃথুযশ বলল। ‘তথাগত একটা ওষুধের ফর্মুলা পেটেন্ট নিয়েছিল জয়েন্টলি ওদের কোম্পানির সঙ্গে। একটা ইন্ডিয়ান কোম্পানি সেই পেটেন্ট ইনফ্রিঞ্জ করে। ইন্ডিয়ান কোম্পানি চিটিং করে রিসেন্টলি বাংলায় একটা বই বের করে দিল ‘বেহুলার খনা’ যাতে কিছু খনার বচন আছে, কিছু গালগল্প আছে এবং যার মধ্যে নাকি ওই পেটেন্টের ফর্মুলা লেখা আছে। অত্যন্ত ক্রুড ফর্মে লেখা কবিতা, আই এগ্রি। কিন্তু লেখা আছে। ইন্ডিয়ান কোম্পানি উল্টো কোর্টে নালিশ জানাল যে আমেরিকান কোম্পানি অ্যামফার্মা পেটেন্ট পেতে পারে না, কেননা খনার বচনে ওই ফর্মুলা লেখা আছে। তথাগত আমার মেয়ের মাধ্যমে আমার সাহায্য চেয়েছে প্রমাণ করতে যে ওই ফর্মুলা খনার লেখা না। পৃথযশ মাথা নীচু করে দীর্ঘশ্বাস ফেলল। তারপর মাথা তুলে বলল, ‘মেয়ের অনুরোধ আমি কিছুতেই ফেলতে পারলাম না। আর ক’দিন আছে ও!’

    ‘আমি অ্যাপ্রিশিয়েট করছি যে আপনি মন খুলে অন্তত একবার কথাটা বললেন। আপনার মেয়ের জন্য আমার সমবেদনা রয়েছে। তবে আমি তথাগতের পরিবারকে চিনি। আমি জানি তথাগত ওদের পরিবারের প্রাচীন কিছু পুঁথি ওর বাবার থেকে চেয়েছিল আমেরিকায় গিয়ে রিসার্চ করবে বলে। ওর বাবার আপত্তি ছিল, তথাগত তখন বাবাকে হুমকি দেয় যে তাহলে ও আর কখনো বাড়ি ফিরে আসবে না। ওর বাবা তবু রাজি হয় না। তখন তথাগত বাবার পুঁথিগুলো চুরি করে আমেরিকায় নিয়ে যায়। এতে ওর বাবা ওকে ত্যাজ্যপুত্র করে। আমার তথাগতের সততা সম্পর্কে যথেষ্ঠ সন্দেহ আছে। আপনার কী মনে হয় না যে তথাগত শুধু গ্রীন কার্ডের জন্য আপনার অসুস্থ মেয়েকে বিয়ে করতে চাইছে? যদি এত সহজে ওর বিপত্নীক বৃদ্ধ বাবাকে ত্যাগ করতে পারে তবে গ্রীন কার্ড পেয়ে গেলে ও আপনার হুইল-চেয়ারে বসা মেয়েকেও ত্যাগ করবে না তার কী গ্যারান্টি আছে? কিছু মনে করবেন না আমার এই রূঢ় ভাষণের জন্য।’

    ‘না না, রূঢ় কেন? আমি জানি প্রচুর ভারতীয় ছেলে আমেরিকায় এসে শুধু গ্রীন কার্ডের জন্য আমেরিকান সিটিজেন অনাবাসী ভারতীয় মেয়েদের ফাঁসায়, আর গ্রীনকার্ড পেয়ে গেলে ডিভোর্স করে নিজের পথ দেখে। কিন্তু আমার সামনে অল্টারনেটিভ কী আছে বলুন? আর তাছাড়া আমার মেয়ের হাতে আর বেশি দিন নেই।’

    ‘আপনার কী মনে হয়নি কক্ষনো যে তথাগত ওই ফর্মুলাটা নিজে আবিষ্কার করে নি, ওটা সত্যিই প্রাচীন ভারতীয় বিদুষী খনার লেখা এবং তথাগত যে সেই ফর্মুলাটা চুরি করেছে সেটা অন্যায়?’

    ‘এখানেই তো ধাঁধাটা ড. স্যান্যাল,’ পৃথুযশ উত্তেজিত হয়ে বলল। ‘ওয়েস্টার্ন ওয়ার্ল্ড যা কিছু করতে যায় তাই নাকি আমাদের ‘ব্যাদে আছে’। কিন্তু এসব যদি মেনেও নিই, তবু আমি দৃঢ় নিশ্চিত যে খনা শুধুমাত্র রূপকথা। খনা কে? খনা বলে কেউ কখনো ছিল না। অনেকেই খনার নামে পদ্য লিখে গেছে।’

    ‘আপনাদের দ্বারভাঙা হলের ডিবেটের আমি সেদিন দর্শক ছিলাম, ড. ভৌমিক, নমিতা বলল।

    পৃথুযশ নমিতার কথা কানেই নিল না। ও উত্তেজিত হয়ে বলে চলল, ‘ফর এক্সাম্পল কলা। শুধু কলার ওপরই খনার কত রকমের বচন।

    ডাক দিয়ে বলে খনা,
    আষাঢ় শাবনে কলা পুঁতনা,
    রূবি বটে খাবিনে, কলাতলায় যাবিনে,
    লেগে যাবে ছুঁয়ে, কলা পড়বে শুয়ে।

    এখানে খনা বলেছে—আষাঢ় শ্রাবণে কলা রোপণ কোরো না, কারণ তাতে ছুঁয়ে ধরার সম্ভাবনা। ছুঁয়ে লাগলে কলাগাছ শুয়ে পড়বে। আবার সেই একই ম্যাডাম খনা অন্যত্র বলছেন

    ডাক দে বলে রাবণ,
    কলা পুঁতগে আষাঢ় শ্রাবণ।

    তাহলে আপনি বলুন আষাঢ় শ্রাবণে কলা পুঁতবে কি পুঁতবে না? খনা কি তবে সেলফ-কনট্রাডিক্ট করছে না? খনা যদি বিদুষী নারী হয় তবে তা কি সম্ভব? তার মানে যে যখন পেরেছে খনার নামে বচন লিখে গেছে।’

    নমিতা ভাবল সেম ওল্ড পৃথুযশ। এক্সিলেন্ট হোমওয়ার্ক। নমিতা কোনো মন্তব্য করল না। পৃথুযশ বলল, ‘একটা কথা আমি আপনার সামনে প্রমিস করে বলছি, পৃথুযশ ভৌমিক কোনোদিন তঞ্চকতা করবে না। মিথ্যা যুক্তি আমি দেব না। এই ‘বেহুলার খনা’তে সব ট্র্যাশ কাহিনির মধ্যে মধ্যে খনার বচন গুঁজে দিয়েছে। সব গাঁজাখুরি কাহিনি!’

    ‘কোনটা গাঁজাখুরি, ড. ভৌমিক?’

    ‘গাঁজাখুরি না? ওই ডিঙির বৃষ্টি। আকাশ থেকে ডিঙির বৃষ্টি—অনেকটা কাউ জাম্পস ওভার দ্য মুনের মতো শোনায় না? আমরা বলি ননসেন্স রাইমস, এটা কি ননসেন্স স্টোরি না? আমি বলেছি যে খনা বলে যে কোনো নারী ছিল তার কোনো এভিডেন্সই নেই। আমি আমার পিএইচডি থিসিসে প্রমাণ করেছি যে খনার বচনগুলো সব ষষ্ঠীদাসের লেখা। মাজিগ্রামের বন্দ্যোঘটি পরিবারের তান্ত্রিক সাধক ষষ্ঠীদাস। পিরিয়ড!’ পৃথুযশ উত্তেজিত।

    ‘আচ্ছা মানলাম এগুলো ষষ্ঠীদাসেরই লেখা। তাহলেও তো প্রমাণিত হয় যে ওগুলো তথাগতের আবিষ্কার না।’

    ‘আমি কোনটা কার আবিষ্কার সেই জটিলতায় ঢুকতে চাই না। আমি শুধু প্রমাণ করতে চাইছি যে খনা বলে কেউ ছিল না।’

    ‘তাহলে এতগুলো খনার বচন যে আমরা ছোটবেলা থেকে পড়ে এসেছি ওগুলোও মিথ্যে হয়ে যাবে?’

    ‘আমি তো বলিনি বচনগুলি মিথ্যে। কিন্তু খনা লিখেছে তার কী প্রমাণ?’

    ‘আমি খনা সম্বন্ধে অথরিটি নই। তাই আপনার এসব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারব না। এই বাংলায় জানি না ক’জনের খনার সম্বন্ধে প্রচুর জ্ঞান আছে। তবে একজনকে আমি চিনি যিনি আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন তিনি হলেন বিদ্যাধরী দাস। আপনার আপত্তি না থাকলে আমি তাঁকে আমার অফিসে নিয়ে আসতে পারি একদিন। আপনারা কথা বলুন।’

    ‘তা সম্ভব নয়,’ পৃথুযশ বলল। ‘আপনি তো জানেন যে উনি আমার থিসিস চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ে গেছিলেন। ওঁকে ইউনিভার্সিটি থেকে রাস্টিকের্ট করে দেওয়া হয়। আমি ওঁর সঙ্গে কোনো আলোচনায় বসতে রাজি নই। যদিও ওঁর ট্যালেন্ট সম্বন্ধে আমার বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই।’

    নমিতার আর এই শঠতা সহ্য হচ্ছিল না। মনে হচ্ছিল এই নাটক এবার বন্ধ হওয়া উচিত। নমিতা পৃথু্যুশের চোখের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘ড. ভৌমিক, আমি আপনাকে একটা মিথ্যা কথা বলেছি।’

    ‘আপনি মিথ্যা কথা বলেছেন! কী মিথ্যা কথা?’

    ‘আপনার পিএইচডি থিসিস আমার কাছে আছে। ওটা কোনো উকিলকে আমি দিই নি?’

    ‘বাঁচালেন,’ পৃথুযশ স্বস্তির শ্বাস ছাড়ল। ‘ওটা কি আমাকে আপনি একদিনের জন্য দিতে পারেন?’

    ‘আপনার পিএইচডি থিসিসের ওপর একটা সিরিয়াস প্লেজারিজমের অ্যালিগেশন এসেছে আমার কাছে। সেটা আমি তদন্ত করে দেখছি।’

    ‘প্লেজারিজম! কী উল্টোপাল্টা বলছেন আপনি? আমি পৃথুযশ ভৌমিক, অন্যের লেখা থেকে টুকব?’ পৃথুযশ এবার বেশ উত্তেজিত। ‘কেন আমি টুকতে যাব? হোয়াই?’

    ‘সে প্রশ্নের উত্তর আপনি দেবেন যখন কমিটি আপনাকে ইন্টারোগেট করবে। তবে আমরা প্রাইমা ফেসি স্টাডি করে দেখেছি যে ষষ্ঠীদাসের লাইনগুলো আপনি বিদ্যাধরী দাসের প্রেমচাঁদ রায়চাঁদ ডিসার্টেশন থেকে নিয়েছেন—’

    ‘ষষ্ঠীদাস কারোর বাপের সম্পত্তি না, ড. স্যান্যাল, পৃথুযশ খুব বিরক্ত। অন্য কেউ যদি ষষ্ঠীদাসের উল্লেখ করেও থাকে তবে এটা কীভাবে প্রমাণিত হয় যে আমি তার থেকে টুকেছি।’

    ‘আপনি টুকেছেন কি টোকেননি এটা আমি আলোচনা করতে চাই না। সেটা কমিটির কাজ। তবে আপনার কোনো ভয় নেই। আপনি নিশ্চিন্ত থাকুন যে আমি কোনো অন্যায় হতে দেব না।’

    ‘আপনি কি অলরেডি একটা অন্যায়কে প্রশ্রয় দিচ্ছেন না?’

    ‘বিদ্যাধরী দাস আমার কাছে ইন রাইটিং অ্যালিগেশন পাঠিয়েছেন যে ওঁর থিসিস থেকে অংশ চুরি করা হয়েছে। আমরা বিদ্যাধরী দাসের প্রেমচাঁদ রায়চাঁদ ডিসারটেশনের সঙ্গে আপনার থিসিস কম্পেয়ার করেছি। আপনার থিসিসের লাইন বাই লাইন বিদ্যাধরী দাসের থিসিসের সঙ্গে মিলে যাচ্ছে।’

    ‘বিদ্যাধরী দাস আমার থিসিস চুরি করেছিল।’

    ‘বিদ্যাধরী দাসের থিসিসের সাবমিশনের তারিখ দেখেছি আপনার থিসিসের প্রিলিমিনারি সাবমিশনের ছয় মাস আগে। আমি দু’জনের তারিখ নোট করে কমিটির কাছে পাঠিয়েছি।’

    ‘আপনি বুঝতে পারছেন এই অ্যালিগেশনের সিরিয়াসনেস?’

    ‘যদি অ্যালিগেশন সত্যি প্রমাণ হয় তবে বেঙ্গল ইউনিভার্সিটি আপনার পিএইচডি ডিগ্রীটা কেড়ে নেবে। আর আমেরিকান ইউনিভার্সিটিগুলো যে এ ব্যাপারে কত স্ট্রিক্ট তা তো আপনার ভালোই জানার কথা।’

    ‘এটা অন্যায়! ভীষণ অন্যায়,’ পৃথুযশ বলল। আমি একদম শেষ হয়ে যাব। আমার মেয়ের জীবনটাও শেষ হয়ে যাবে। এই অন্যায় অ্যালিগেশন আমার মৃত্যুপথযাত্রী মেয়ে এই শরীরে সহ্য করতে পারবে না। আমার একান্ত অনুরোধ যদি তদন্ত করতেই হয় তবে আমার মেয়ের মৃত্যু পর্যন্ত আপনারা অপেক্ষা করুন। প্লিজ, প্লেজারিজমের অ্যালিগেশনটা ছ’মাস পরে আনুন আপনারা। এতবড় ভুল প্লিজ আপনি করবেন না।’

    ‘আর আপনি যে বিদ্যাধরী দাসের জীবনটা শেষ করে দিলেন তার কী হবে?’

    ‘আমি একা?’ এবার পৃথুযশ তেড়েফুঁড়ে উঠল। ‘আমাকে মুখ খোলাতে চান? অলরাইট, দেন লেট মি টক। আপনারা সেদিন কোথায় ছিলেন? ডক্টর বক্সী যখন বিদ্যাধরীকে রাস্টিকেট করতে বদ্ধ পরিকর হয়ে কাগজ তৈরি করছেন, তখন আমি ওঁকে অনেক বোঝাই। আমি একদম চাইনি যে অত ট্যালেন্টেড একজন স্টুডেন্টের ফিউচার একদম শেষ হয়ে যাক। কিন্তু, উনি একদম নাছোড়। চড় খেয়ে জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরির মতো ফুটছেন। আমি তখন ওঁকে সামলাতে বলি যে বিদ্যাধরী দাস ছাত্র মহলে খুব পপুলার। স্যার, স্টুডেন্ট ইউনিয়ন আপনার ওপর কিন্তু ঝাঁপিয়ে পড়বে। তখন উনি যে কথাটা বলেছিলেন সেটা শুনে আমি স্তম্ভিত হয়ে গেছিলাম। ড. বক্সী বলেছিলেন আমি স্টুডেন্ট ইউনিয়নের জেনারেল সেক্রেটারি নমিতা স্যান্যালের সঙ্গে কথা বলে রেখেছি। স্টুডেন্ট ইউনিয়ন কিচ্ছু করবে না। আমি স্তম্ভিত হয়ে জিজ্ঞাসা করলাম নমিতা স্যান্যাল মেনে নিল? ও বিদ্যাধরীকে খুব শ্রদ্ধা করে! উনি বললেন নমিতাকে জেনারেল সেক্রেটারি পদের ক্যান্ডিডেট করাবার জন্য পার্টির হাইকম্যান্ডকে কে রাজি করিয়েছিল জানো? এই পোস্ট এত সহজে পাওয়া যায়? আমার কথা নমিতা বেদবাক্যের মতো মানতে বাধ্য, পৃথুযশ থামল। ‘সেদিন বিদ্যাধরী আপনার দরজাতেও এসেছিল, এই একই অভিযোগ নিয়ে। সেদিন আপনি কেন ওকে ফিরিয়েছিলেন? আপনি ফিরিয়েছেন কারণ আপনি ড. বক্সীর বিরুদ্ধে যেতে চাননি। বিদ্যাধরীর জীবন শেষ হয়ে যাবে জেনেও আপনি কিচ্ছুটি করেননি। কারণ আপনার লোভ ছিল। হাই প্রোফাইল বেঙ্গল ইউনিভার্সিটিতে কমিউনিস্ট পার্টির জেনারেল সেক্রেটারি থেকে রাইটার্স বিল্ডিংয়ে মন্ত্রীত্বের পথ সহজ হয়ে যায় তাই না? তাহলে আজ কেন এই নাটক?’

    নমিতা নিরুত্তর। লজ্জা হচ্ছিল নিজের প্রতি। স্টুডেন্ট পলিটিক্সে পলিটিক্স আগে আসে, স্টুডেন্ট পরে। তাছাড়া ড. বক্সী তখন তাদের রাজনৈতিক দলের খোলাখুলি প্রবল সমর্থক। সবাই জানে দলের উপরমহলে ওঁর ঘনিষ্ঠতা খুব। ইউনিভার্সিটির পরের ভিসির জন্য ড. বক্সী প্রবল দাবিদার। হাইকম্যাণ্ডের নির্দেশে নমিতা পিছিয়ে গেছিল। নমিতা এখন বুঝতে পারছে তার অন্তরাত্মা তাকে ক্ষমা করতে পারেনি। আর সেজন্যই এখন সুযোগ পেতেই সে বারবার ছুটে আসছে বিদ্যাদির কাছে তার পুরোনো পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে। আমি প্রথম জীবনের ভুল শুধরোবার চেষ্টা করছি,’ নমিতা ডিফেন্সিভ।

    ‘ভুল শোধরাচ্ছেন? এবার তাহলে একই প্রশ্ন আমি আপনাকে করব বিদ্যাধরী দাসের জীবনটা যে শেষ হয়ে গেল তার কী হবে? শুধু নিজের পলিটিক্যাল উচ্চাশার রঙিন স্বপ্ন আপনাকে অন্ধ করে দিয়েছিল?’

    ‘আমি চুরিটা করিনি। চুরিটা আপনি করেছিলেন। আপনি একজন বিদ্বান মানুষ, ড. ভৌমিক,’ নমিতার চোখের দৃষ্টিতে তিরস্কার। ‘এত ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট ছিলেন, আপনি তো হাজারটা অন্য টপিক নিয়ে রিসার্চ করে হাসতে হাসতে পিএইচডি কমপ্লিট করে ফেলতে পারতেন। আপনার কী দরকার পড়েছিল বিদ্যাধরী দাসের পেপার নিয়ে কাজ করার?’

    পৃথুযশ হতাশায় মাথা ঝাঁকাল—‘হ্যাঁ মানছি প্রতিশোধ স্পৃহা আমাকে অন্ধ করে দিয়েছিল। বিএতে সকলেই ধরে নিয়েছিল যে আমি ফার্স্ট হব। কোথা থেকে এক আটপৌরে মেয়ে উঠে এসে আমাকে সাত নম্বরের জন্য হারিয়ে গোল্ড মেডেল জিতে নিল। সেই পরাজয়ে আমার অহংকারে প্রচণ্ড আঘাত লেগেছিল। কিন্তু আমি একজন উইনার। এমএ তে প্রতিশোধ নেব বলে উঠে পড়ে লাগলাম। সকলকে বললাম বিএ’র রেজাল্টটা একটা অ্যাকসিডেন্ট। কিন্তু এমএ’তে সতের নম্বরের তফাৎ। বিদ্যাধরী এবার বুঝিয়ে দিল তার সেই জয়টা অ্যাক্সিডেন্ট ছিল না। আমার মনে তখন প্রতিশোধের আগুন জ্বলছে। ওকে হারাতে হবেই। আমি রাগে অন্ধ হয়ে ওর ক্ষতি হোক এটা মনে মনে সব সময় চাইতাম। সে সময় আমার সামনে একটা বড় সুযোগ এল। হার্ভার্ড থেকে ড. গ্যালাগার এদেশে এলেন। ড. গ্যালাগারের একজন অ্যাসিস্ট্যান্টের দরকার ছিল। ড. বক্সী ড, গ্যালাগারকে খুব হেল্প করছিলেন। আমায় বললেন ড. গ্যালাগারের রিসার্চে ফুলটাইম অ্যাসিস্ট করতে। আমি বললাম আমার পিএইচডি থিসিসের কী হবে? ড. বক্সী বললেন চিন্তা কোরো না। আমি তোমার পিএইচডি থিসিস লিখে দেব। ড. গ্যালাগার বলেছেন যে তাঁর অ্যাসিস্ট্যান্টকে তিনি হার্ভার্ডে পোস্টডক করতে নিয়ে যাবেন। আমি রাজি হচ্ছিলাম না। তখন ড. বক্সী বললেন এটা ওয়ান্স ইন আ লাইফ টাইম অপারচুনিটি। আমি এটা না নিলে উনি বিদ্যাধরীকে এই অফারটা দেবেন। বিদ্যাধরীর নাম শুনেই আমি অন্ধ হয়ে গেলাম। আমি রাজি হলাম। আমি দিন রাত ড. গ্যালাগারের অ্যাসিস্ট্যান্ট হয়ে তাঁর রিসার্চ, তাঁর বইয়ের কাজে লেগে রইলাম আর ড. বক্সী আমার পিএইচডি থিসিস লিখে দিলেন। ইউনিভার্সিটি ডিবেটে ড. বক্সী আমাকে জেতালেও আমি জানি আমি সেদিন হেরেছিলাম বিদ্যাধরীর কাছে। আমার বিদ্যা-জ্ঞানের অহংকারকে ও বারবার ধুলোয় মিশিয়ে দিচ্ছিল। আমি ড. বক্সীর লিখে দেওয়া পিএইচডি প্রসপেক্টাস সাবমিট করলাম। পরে জানলাম ড. বক্সীকে ড. গ্যালাগার হার্ভার্ডে নিয়ে যাচ্ছেন ওঁর ডিপার্টমেন্টে অধ্যাপনা করাতে। সেজন্য ড. বক্সী এত তোড়জোড় করে ড. গ্যালাগারকে সাহায্য করলেন আমাকে ব্যবহার করে। কিন্তু ঈশ্বরের দিব্যি আমি জানতাম না ড. বক্সী ওটা বিদ্যাধরীর প্রেমচাঁদ রায়চাঁদ ডিসার্টেশন থেকে হুবহু টুকে দিয়েছিলেন। পৃথুযশ ভৌমিকের একমাত্র অহংকার যে সে বিদ্বান। একজন বিদ্বান কখনো অন্যের লেখা থেকে টুকবে না। যখন জানলাম তখন ইটস টু লেট। বিদ্যাধরীকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এটাই সত্য। আপনি প্লিজ আপনার এই তদন্ত বন্ধ করুন। এখন এই জল ঘোলা করে কারোর কোনো লাভ হবে না।’

    নমিতা পৃথুযশের দিকে তাকাল। পৃথু্যুশের চিবুক নিম্নমুখী, চোখে অপ্রস্তুত দৃষ্টি। ‘ড. ভৌমিক, আমি এখনো অ্যালিগেশন কোনো কমিটিকে দিই নি। আমি আপনার থেকে সত্য শুনতে চেয়েছিলাম। আপনার ক্যারেক্টার অ্যাসাসিনেশন করা মানে বাঙালি জাতের ক্ষতি। বাকিরা সকলে এই কেচ্ছায় আনন্দ পাবে। বেঙ্গল ইউনিভার্সিটির বদনাম আমি কিছুতেই চাইব না। অ্যাট দ্য সেম টাইম, আমি চাইব বিদ্যাধরী দাসের প্রতি সুবিচার হোক। আমি বিদ্যাধরী দাসের জীবনের এতগুলো বছর ফিরিয়ে দিতে পারব না, কিন্তু আমি যেটা পারব সেটা হল ওর রাস্টিকেশন উইথড্র করে আমি ওঁকে আবার পিএইচডিতে এনরোল করাবো। ওঁর ওরিজিন্যাল পেপারে। আর আপনার ব্যাপারে কী হবে? ইটস হার কল। আপনার বিচার আমি বিদ্যাধরী দাসের হাতে ছেড়ে দেব।’

    ‘আমি জানি আপনারা আমায় ডেস্ট্রয় করে দেবেন। আমার মেয়েকে শেষ করে ফেলবেন। রিভেঞ্জ নেবেন। আপনারা হার্টলেস। ঠিক আছে নিন, যা পারেন করুন। আমিও দেখি আপনারা আমার কতটা ক্ষতি করতে পারেন, ‘ পৃথুযশ চেয়ার ঠেলে উঠে দাঁড়াল। তারপর চুপচাপ ঘর ছেড়ে কিছু ভাবতে ভাবতে বেরিয়ে গেল। নমিতা তখন ভাবেনি যে এই লোকটা এখনও তার প্রতিপক্ষকে ধ্বংস করার জন্য এত নীচে নামতে পারে।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅনুষ্ঠান প্রচারে বিঘ্ন ঘটায় দুঃখিত – শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    Next Article সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    Related Articles

    প্রীতম বসু

    বিদ্বান বনাম বিদুষী – প্রীতম বসু

    April 23, 2026
    প্রীতম বসু

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Our Picks

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026

    বিদ্বান বনাম বিদুষী – প্রীতম বসু

    April 27, 2026

    অনুষ্ঠান প্রচারে বিঘ্ন ঘটায় দুঃখিত – শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }