Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026

    এক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার

    September 5, 2026

    চাঁদের তাঁবু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    এক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার

    রজতশুভ্র মজুমদার এক পাতা গল্প173 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    গজমোতি – রজতশুভ্র মজুমদার

    গজমোতি

    ‘অফিসার, আমিই কাল সন্ধেয় ফোন করেছিলাম আপনাকে। অধমের নাম শ্রীকুমার রায়।’ বসার বেঞ্চি থেকে উঠে দাঁড়িয়ে দুই করতল যুক্ত করে নমস্কার করল লোকটা। পরনে সাদা ধবধবে পাঞ্জাবি-পাজামা, চোখে মোটা কাচের চশমা, চুল ব্যাকব্রাশ করে আঁচড়ানো। পোশাকে, কথাবার্তায় খাঁটি বাঙালিয়ানার ছাপ থাকলেও, লোকটার ছোটোখাটো শরীরী গঠনে কিংবা মুখের আদলে পাহাড়ি হাবভাব স্পষ্ট। ‘আসুন আমার চেম্বারে।’ নিজের ঘরের দিকে হাঁটতে হাঁটতে অফিসার সঞ্জয় শ্রীবাস্তব দেখলেন, পিছন পিছন আসছে লোকটা।

     ‘আমি অনেকক্ষণ এসেছি, স্যার।’ লোকটার ঠোঁটে মৃদু হাসি।

     ‘এতক্ষণ অপেক্ষা করানোর জন্য দুঃখিত। আসলে একটা কাজে আটকে পড়েছিলাম। তা কোথায় থাকা হয়?’ নিজের চেয়ারে বসতে বসতে চশমার ফাঁক দিয়ে লোকটাকে একঝলক নিরীক্ষণ করে নিলেন অফিসার সঞ্জয় শ্রীবাস্তব, ‘বসুন। কফি চলবে?’

     ‘না না স্যার, কিচ্ছু দরকার নেই।’ লোকটা অফিসারের উলটোদিকের চেয়ারে বসল, ‘শিলিগুড়ি শহরেই বাড়ি। বাপ-ঠাকুরদার বাস এখানেই। এ মাটি আমার রক্ত।’ তারপর গড়গড় করে একটা ঠিকানা আওড়ে গেল।

    অফিসার নিচু গলায় প্রশ্ন করলেন, ‘আপনি চেনেন রুদ্রপ্রসাদকে? কী যেন পদবি…’

     ‘চিনি স্যার, রুদ্রপ্রসাদ গেলাল, ডুয়ার্সের দিকে বাড়ি। কিন্তু লোকটা যে এত বড়ো ঠগ, ঘুণাক্ষরেও জানতাম না।’

     ‘আপনি কাল ফোনে গল্পটা আমায় বলায়, আমিও বেশ এক্সাইটেড। এর একটা বিহিত করতেই হবে।’ অফিসার বিড়বিড় করে বললেন।

     ‘আপনি ইচ্ছে করলে সবকিছুই পারেন স্যার।’

     ‘তা লোকটার সঙ্গে আপনার কতদিনের আলাপ-পরিচয়?’

     ‘আলাপ-পরিচয় তেমন কিছু নয়, স্যার। দুজনে দুজনকে চিনি। ব্যাস, এই পর্যন্তই। আসলে শিলিগুড়ি শহরে আমাদের একটা ট্রাভেল এজেন্সি আছে। চোদ্দোখানা গাড়ি আছে আমাদের, চারটে ভলভো, ছ-টা টাটা সুমো আর চারটে…’

     ‘তার মানে বিজনেস পার্টনার?’ লোকটাকে থামিয়ে দিয়েই প্রশ্ন করলেন অফিসার।

     ‘না না, একেবারেই না, লোকটা কিছুদিন কাজ করেছিল এই এজেন্সিতে। ব্যাস এটুকুই।’

     ‘আর ওই বিপুল দাশ? যার ফোন নাম্বার দেওয়া আছে বিজ্ঞাপনে? তাকে চেনেন?’

     ‘না স্যার, চিনি না।’

     ‘বিজ্ঞাপনটা আমাকে একবার দেখান তো!’

     কুমার রায় মোবাইলে ইন্টারনেট অন করল। তারপর ফেসবুকে ঢুকে রুদ্রপ্রসাদের প্রোফাইলটা খুলে, অফিসারের দিকে ফোনটা এগিয়ে দিল, ‘এটাই হচ্ছে গেলালের প্রোফাইল, স্যার। এই যে এই দেখুন… এই পোস্টটা।’ অফিসার খুব মনোযোগ দিয়ে দেখতে লাগলেন বিজ্ঞাপনটা। আশ্চর্য, গেলাল নিজে অবাঙালি হলেও, বিজ্ঞাপনটা আছে বাংলায়। এবং যে ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ফোন নাম্বার দেওয়া রয়েছে, সেই ব্যক্তিও একজন বাঙালি—বিপুল দাশ। বিজ্ঞাপনে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, গেলালের কাছে আছে সত্যিকারের গজমোতি। একবার যদি কেউ তা কিনতে পারে, কপাল খুলে যাবে তার। হাতির মাথার ভিতরে নাকি থাকে আসল মুক্তো। গেলালের কাছে আছে সেই দুর্মূল্য মণি! রাতারাতি ফকির থেকে রাজা করে দেবে সে। সেই গজমোতি কিনতে হলে, চাই মাত্র এক কোটি টাকা।

    বন দপ্তরের অফিসার সঞ্জয় শ্রীবাস্তব খুব ভালো করেই জানেন, রূপকথার গল্পে যে গজমোতির উল্লেখ থাকে, তা নিতান্তই কাল্পনিক বস্তু। ওইসব গল্পে শোনা যায়, লাখে একটা হাতির মাথায় অমন মুক্তো মেলে। এর ওষধি এবং জাদুক্ষমতা নাকি অবিশ্বাস্য, আর তাই এই মণি দুর্মূল্য! কিন্তু বিজ্ঞান বলছে, হাতির মাথায় কোনো মুক্তো কখনোই তৈরি হতে পারে না। হাতি কেন, কোনো প্রাণীর শরীরেই এমনটা সম্ভব নয়। এমনকী, ঝিনুকের শরীরে কোনো বালিকণা ঢুকলে, তার উপর দেহরসের আবরণ দিয়ে যে মুক্তো বানায় ঝিনুক, তাও কি আসলে মুক্তো? অথচ মানুষ বোঝে না এসব। গজমোতির নেশায় কত টাকাওয়ালা লোক ফোন করবে বিপুল দাশকে, আর লোক ঠকিয়ে রাতারাতি রাজা হয়ে যাবে রুদ্রপ্রসাদ। এ কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না। তা ছাড়া, সব চেয়ে বড়ো কথা, বন্যপ্রাণীর দেহাংশ দাবি করে কিছু বিক্রির চেষ্টা করে লোক ঠকানোর এই পরিকল্পনায় উদাসীন থাকা সঞ্জয় শ্রীবাস্তবের মতো একজন নীতিবান সৎ বন আধিকারিকের পক্ষে একপ্রকার অপরাধেরই নামান্তর। গম্ভীর গলায় অফিসার জিজ্ঞেস করলেন, ‘ফোন করেছিলেন?’

     ‘আজ্ঞে স্যার, ফোন করেছিলাম, কিন্তু কেউ রেসপন্ড করেনি। কাল আপনাকে জানালাম যে!’

     ‘হ্যাঁ, বলেছিলেন তো, ঠিকই।’

     ‘তারপর স্যার বেশি রাতে ওই নাম্বার থেকে রিং ব্যাক করেছিল বিপুল দাশ।’

     ‘এটা তো আমায় বলেননি!’ অফিসার বিস্মিত গলায় প্রশ্ন করলেন, ‘কী বলল?’

     ‘আমি আর অত রাতে আপনাকে ডিস্টার্ব করতে চাইনি, স্যার। ভাবলাম, আজ সকালে তো দেখা হচ্ছেই।’

     ‘ফোন করে কী বলল?’ অফিসার ফের প্রশ্ন করলেন।

     ‘আজ্ঞে স্যার, বিপুল দাশ জানতে চাইল, আমি কী কারণে ফোন করেছিলাম। আমি বললাম আমার নাম সর্বানন্দ চৌধুরী। ভাগ্য ফেরাতে চাই, তাই ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দেখে ফোন করেছিলাম।’

     ‘তারপর?’ অফিসারের গলা অতি উৎসাহী।

     ‘তারপর আর কী, খানিক গম্ভীর গলায় সে বলল, তার কাছে বেশ কয়েকটা গজমোতি আছে, এক-একটার দাম এক কোটি করে। আমি একটা কিনতে ইচ্ছুক বলাতেই, মহানন্দে একটা ঠিকানা বলে দিল। সেখানেই দেখা করতে বলল সামনের রোববার ঠিক বিকেল পাঁচটায়।’

     ‘ঠিকানাটা বলুন।’ অফিসার একটা চিরকুটে ঠিকানাটা লেখার প্রস্তুতি নিলেন। কুমার রায় শান্ত গলায় বলল, ‘ভক্তিনগর চেকপোস্ট এলাকায় যে শপিং মল আছে…’

     ‘ভক্তিনগর চেকপোস্ট এলাকায় তো দুটো মল আছে।’ কুমার রায়কে কথা শেষ করতে না দিয়েই অফিসার বলে উঠলেন।

     ‘আজ্ঞে স্যার, সামনেরটা, মানে যে মলটা অপেক্ষাকৃত বড়ো, তারই পিছনের দিকের গাড়ি বারান্দায় নীল শার্ট-প্যান্ট আর নীল ব্লেজার পরে ঠিক পাঁচটার সময়ে অপেক্ষা করবে বিপুল দাশ।’

     ‘ফাইন!’ অফিসার কাগজের টুকরোটা পকেটে ভরে, কুমার রায়ের চোখে চোখ রেখে বললেন, ‘আর সর্বানন্দ চৌধুরী? তার ড্রেস কোড?’

     ‘আজ্ঞে স্যার, একটা কথা বলছিলাম…’

     ‘কী কথা?’

     ‘সর্বানন্দ চৌধুরীটা কে সাজবে?’

     ‘অবভিয়াসলি আপনি!’

     ‘বলছিলাম কী…’ কুমার রায় আমতা আমতা করে বলল, ‘রুদ্রপ্রসাদ গেলাল তো আমাকে চেনে, তাই আমি যদি স্পটে না গিয়ে… ইয়ে মানে, আপনি যদি সর্বানন্দর রোলটা…’

    ‘কোনো চিন্তা নেই আপনার, আমি থাকব আপনার, মানে সর্বানন্দ চৌধুরীর অ্যাসিস্ট্যান্ট হয়ে, হাতে টাকার সুটকেস। মলের বাইরে আমার সহকর্মীরা লুকিয়ে থাকবেন।’ অফিসার কুমার রায়কে আশ্বস্ত করার ভঙ্গিতে বললেন, ‘গেলাল ওখানে থাকবে না, আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন। আমরা বিপুল দাশকে গ্রেপ্তার করে, তার কাছ থেকে তথ্য নিয়ে, পরবর্তী সময়ে ধরব আসল লোককে। তখন তো আপনি পগারপার!’

     ‘বেশ বেশ, তাহলে কোনো অসুবিধে নেই।’ কুমার রায়ের চোখ চকচক করে উঠল।

     ‘আপনি ওই নাম্বারে ফোন করে জানিয়ে দেবেন আপনার ড্রেস কোড। আর বলবেন, আপনার সঙ্গে থাকবে আপনার সহকারী সুজয় রায়।’

     ‘আজ্ঞে স্যার।’

    দুই

    নেপাল, ভুটান এবং ডুয়ার্সসহ উত্তরবঙ্গের কিছু কিছু জায়গায় চোরাশিকারিদের দাপট এতটাই প্রবল হয়ে উঠেছে সম্প্রতি, যে ভারতের ওয়াইল্ডলাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল বোর্ডের দুঁদে গোয়েন্দারাও হিমশিম খাচ্ছেন অপরাধীদের ধরতে। কিছুদিন আগে জলপাইগুড়ি জেলার মালবাজার মহকুমায় চিতাবাঘের মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে সামনে এসেছে দুই কুখ্যাত চোরাশিকারির পরিচয়। প্রথমে বন দপ্তরও ঘটনার গুরুত্ব উপলব্ধি করতে পারেনি। তাদের ধারণা ছিল, ওদলাবাড়ি চা-বাগানে যে চিতাবাঘের মৃতদেহ উদ্ধার হয়, তার পিছনে কোনো চোরাশিকারের কাহিনি নেই। চা-বাগান-লাগোয়া বাবুজোতের বসতি থেকে একটা ধাড়ি শুয়োর তুলে নিয়ে গিয়ে দুই চিতাবাঘে মাংস ভাগাভাগির লড়াই করে। সেই লড়াইয়ে প্রাণ যায় অপেক্ষাকৃত কম বয়সি চিতাবাঘটার। প্রাপ্তবয়স্ক চিতাবাঘটার সঙ্গে অল্পবয়সিটি পেরে ওঠেনি আর কী! যে এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছিল সেখানে সদ্য চা-বাগানের গাছের কলম কাটার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। শুকনো চা-পাতার ডালের ফাঁকে ফাঁকে চিতাবাঘের লোমও মিলেছিল প্রচুর। স্বাভাবিকভাবেই বনকর্মীদের ধারণা হয়েছিল, দুই চিতাবাঘের লড়াইয়ে ওই লোম ঝরে পড়েছে।

     কিন্তু যখন প্রায় ছ-ফুট দীর্ঘ প্রাপ্তবয়স্ক চিতাবাঘটার সদ্য ছাড়ানো টাটকা চামড়া সমেত ধরা পড়েছিল পাহাড়ের কুখ্যাত চোরাশিকারি পবন ভুটিয়া, তখন সব তালগোল পাকিয়ে গিয়েছিল বনকর্মীদের। পবন ধরা পড়ার পর পাচারচক্রের মূল পান্ডার নাম সামনে আসে—নেপালের সোনম খটকি! সে-ই আসল লোক। তার আন্ডারেই কাজ করত পবন। সোনমের বাড়ি নেপালের ঝাঁপা জেলায়। পবনের উপর দায়িত্ব ছিল চিতার চামড়া নেপালের ঝাঁপা হয়ে চীনে পাচার করে দেওয়ার। কিন্তু যেকোনো কারণেই হোক, বাচ্চা চিতার চামড়া পবন সংগ্রহ করতে পারেনি। কিংবা হয়তো ইচ্ছে করেই রেখে গিয়েছিল বাচ্চা চিতাটাকে, সোনমকে এটা প্রমাণ করতে যে, সে অপারেশনে ব্যর্থ হয়েছে, কারণ যে চামড়া তার দায়িত্ব ছিল নেপালের ঝাঁপা হয়ে চীনে পাঠিয়ে দেওয়ার, সেই চামড়া, সে গদ্দারি করে, নিজেই ঝেঁপে দেওয়ার চেষ্টায় ছিল। ধরা পড়ার পর পবন এ কথা স্বীকারও করেছে গোয়েন্দাদের কাছে। সে বলেছে, দুই চিতাবাঘের লড়াইয়ের পরিবেশ তৈরি করে একদিকে সে যেমন বনকর্মীদের ধোঁকা দিতে চেষ্টা করেছিল, অন্যদিকে তেমনি ছোটো বাঘটাকে ফেলে রেখে গিয়ে সোনমকে এই বার্তা দিতে চেয়েছিল যে, এবারকার মতো সে তার কর্মসম্পাদনে ব্যর্থ হয়েছে, পুলিশের তাড়া খেয়েই হোক, বা যেকোনো কারণেই হোক।

     কিন্তু সোনমকে বোকা বানানো কি অতই সহজ? ঘটনার সত্যতা জানার পর থেকে প্রায় তিন মাস হয়ে গেল, সে গুলি খাওয়া বাঘের মতো ফুঁসছে। পারলে পাতাল থেকে তুলে এনেও সে বিশ্বাসঘাতককে শাস্তি দেয়! কিন্তু পাবে কোথায় পবনকে? সে তো পুলিশের নিরাপদ আশ্রয়ে। তার গ্রেপ্তারির খবরটাও সযত্নে লুকিয়ে রেখেছে পুলিশ। তাই সোনম জানেও না যে, পবন কারাগারে। জানলে হয়তো খানিক শান্তি পেত, অবিশ্যি সেক্ষেত্রে তার নিজের ধরা পড়ার ভয়ও পেয়ে বসত তাকে। তবে পবন বা সোনমের মতো অতি কুখ্যাত চোরাশিকারিদের ধরা খুব সহজ কাজ নয়। পবন কি আর এমনি এমনি ধরা পড়ত? কোনো পুলিশের সাধ্যি ছিল নাকি তাকে ধরার? ধরেছে তো তেজীয়ান বেলজিয়ান ম্যালিনোয়া। বন্যপ্রাণী সংক্রান্ত অপরাধ নিয়ে সক্রিয় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার মাধ্যমে সদ্য যুবক তিনটি কুকুর সম্প্রতি এসেছে গোয়েন্দাদের হাতে। তাদেরই একজন বেলজিয়ান ম্যালিনোয়া—ধনুকের মতো বাঁকানো পিঠ, ছিপছিপে, টানটান, হঠাৎ আছড়ে-পড়া কালচে সোনালি ঝড় যেন—সকালে খায় দুধ-ভাত, লাউ-কুমড়া-পালং শাক-বিট-গাজরের আনাজপাতি; বিকেলে ডালিয়া আর ডিম; রাতে খাসির মাংস। বিভিন্ন সামগ্রীর মধ্যে লেপার্ডের ছাল কোথায় রয়েছে, শুঁকে শুঁকে খুঁজে বের করে ফেলার অবিশ্বাস্য ক্ষমতা তার! এই ম্যালিনোয়াই হাতেনাতে পাকড়াও করেছে পবনকে।

    তিন

    রবিবার বিকেল পাঁচটা। ভক্তিনগর চেকপোস্ট এলাকা জমজমাট। ছুটির দিনে সামনের শপিং মলে বিশাল ভিড়। পিছনের গাড়িবারান্দায় নেভি ব্লু ড্রেসে বিপুল দাশ অপেক্ষা করছে। তার চুল উসকোখুসকো, কপালে অল্প ভাঁজ। কুমার রায়ের অন্বেষী চোখ তাকে খুঁজে নিতে সময় নেয় না। পিছনে সঞ্জয় শ্রীবাস্তব, হাতে টাকার সুটকেস। মলের বাইরে লুকিয়ে আছেন বন দপ্তরের কয়েকজন কর্তাব্যক্তি। বেশ একটা উত্তেজক পরিবেশ! চোখের ইশারায় কুমার রায় ডেকে নিল বিপুল দাশকে। বিপুল হ্যান্ডশেক করতে হাত বাড়াল, ‘চলুন-না, তিনতলায় রেস্টুরেন্ট আছে।’

     ‘হ্যাঁ চলুন, ওখানেই বসা যাক।’ কুমার রায় হাত ধরল।

     ‘নমস্কার, আমি সুজয়, স্যারের অ্যাসিস্ট্যান্ট।’ সুটকেসটা দু-পায়ের ফাঁকে চেপে, সঞ্জয় শ্রীবাস্তব সব দাঁত বের করে দু-হাতের করতল যুক্ত করতে উদ্যত হলেন।

     ‘আচ্ছা আচ্ছা, নমস্কার।’ বিপুল দাশ প্রতিনমস্কার করতে করতে মৃদু হেসে বলল, ‘আর আমি হলাম গে গেলাল স্যারের অ্যাসিস্ট্যান্ট।’

     ‘উনি আসেননি?’

     ‘উনি বাইরে আছেন। ওঁর ইম্পর্টেন্ট কাজগুলো এখন আমিই সামলাই।’ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বিপুল দাশ উত্তর দিল। কুমার রায় বেশ অনেকটা স্বস্তি অনুভব করল মনে মনে—যাক গে, গেলালের মুখোমুখি তো হতে হল না! অফিসার শ্রীবাস্তব যেমনটা বলেছিলেন, তেমনটাই তাহলে হতে চলেছে। আজ বিপুলকে ধরা হলেও, সেই সূত্র ধরে পরে যখন গেলালকে ধরা হবে, তখন তো আর তাকে থাকতে হচ্ছে না সামনে! তার মানে, গেলাল জানতেও পারবে না সর্বানন্দর আসল পরিচয়।

     তিনতলার রেস্তরাঁয় তিনজনে বসেছে আয়েশ করে। অর্ডারের কফিও এসে গিয়েছে। কুমার রায় ওরফে সর্বানন্দ চৌধুরী কফি খায় না, তার জন্য ফ্রুট জুস। এ কথা-সে কথায় বেলা গড়াচ্ছে। আসল কথাটা পাড়লেন সঞ্জয় শ্রীবাস্তব ওরফে সুজয়ই, ‘বলি কী, আপনার সঙ্গে ক-টি গজমোতি আছে?’

     ‘আপনারা তো একটিই চেয়েছেন!’ কফি মগটা তুলতে তুলতে বিপুল দাশ উত্তর দিল।

     ‘হ্যাঁ ঠিকই, কিন্তু…’ সর্বানন্দ চৌধুরী দ্বিধাগ্রস্ত চোখে তাকাল।

     ‘এনি হেজিটেশন?’ বিপুল দাশের গলা আত্মবিশ্বাসী।

     ‘না মানে, একাধিক থাকলে আমরা একটু পছন্দ করতে পারতাম… এই আর কী!’ সঞ্জয় শ্রীবাস্তব দেঁতো হাসি হাসলেন।

     ‘সে ব্যবস্থাও আছে স্যার, রিল্যাক্স। একদম চিন্তা করবেন না। গেলাল স্যার অত কাঁচা কাজ করেন না।’ বিপুল দাশ ঈষৎ ঝুঁকে পড়ে ছোট্ট বাদামি চামড়ার ব্যাগ থেকে তিন-তিনটে গজমোতি বের করল।

     ‘ওয়াও, হাউ বিউটিফুল!’ সর্বানন্দ উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠল।

     ছোটোখাটো পোল্ট্রি ডিমের সাইজের তিনটে পাথর। একটা সাদা। বাকি দুটো হালকা বাদামি রঙের। একটা রুমালের উপর পাথরগুলো রেখে সেগুলো নাড়াতে নাড়াতে মন্ত্রমুগ্ধের মতো বিপুল দাশ বলতে লাগল, ‘এগুলো সব হাতির মাথার ভিতরের পাথর। পুরাণে যাকে বলা হয় গজমোতি। দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদারের ”ঠাকুরমার ঝুলি” পড়েছেন? কিংবা অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ”ক্ষীরের পুতুল”? সেখানেও হুবহু এই জিনিসের উল্লেখ আছে। একেবারে বিশুদ্ধ গজমোতি। নিন, চয়েস করুন।’ পাক্কা বিজনেসম্যানের মতো কথাগুলো বলে, কয়েক সেকেন্ড চুপ করে থাকল বিপুল দাশ। ঠিক ওই মুহূর্তেই সুজয় রায় ওরফে সঞ্জয় শ্রীবাস্তব নিজের পরিচয়পত্র বের করে, বিপুলকে একঝলক দেখিয়ে, তার গ্রেপ্তারির আয়োজন করতে উদ্যত হলেন। তাঁরই নির্দেশে তাঁর সহকর্মীরাও ততক্ষণে ঘিরে ফেলেছেন শপিং মলের ছোট্ট আলো ঝলমলে রেস্তরাঁ। অন্য খরিদ্দাররা বিস্ময়ের চোখে তাকিয়ে আছে এদিকে। বেশ একটা নাটকীয় পরিবেশ। সঞ্জয় শ্রীবাস্তব পাথরগুলো প্রায় ছিনিয়ে নিয়ে এক সহকর্মীকে ধরতে দিলেন, ‘এগুলো পরীক্ষার জন্য ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হবে।’

     ‘কিন্তু ল্যাবে প্রমাণের আগেই আমাকে অ্যারেস্ট করা যায় কি, স্যার?’ বিনীতস্বরে বিপুল দাশ প্রশ্ন করল।

     ‘এগুলো খাঁটি না ভেজাল, সে তো আলাদা প্রসঙ্গ।’ সঞ্জয় শ্রীবাস্তব গম্ভীর গলায় বললেন, ‘কোনো ব্যক্তি যদি বন্যপ্রাণীর দেহাংশ দাবি করে কিছু বিক্রির চেষ্টা করে, তাহলেই বন্যপ্রাণ আইনে তাকে আমরা গ্রেপ্তার করতে পারি।’

     ‘বুঝলাম,’ বিপুল দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল।

     ‘আপনি যদি গজমোতির নাম করে লোক ঠকিয়ে থাকেন, তার তদন্ত পুলিশ করবে, বুঝতে পেরেছেন?’

     ‘কিন্তু স্যার…’ বিপুল তোতলাতে শুরু করল, ‘আমি তো নিমিত্তমাত্র…’

     ‘বলুন রুদ্রপ্রসাদ গেলালের ঠিকানা। কোথায় আছেন তিনি? দেরি করবেন না, এক্ষুনি বলুন।’ রীতিমতো ধমকের সুর সঞ্জয় শ্রীবাস্তবের গলায়।

    চার

    পবন ভুটিয়া ধরা পড়ার পর নানাভাবে গোয়েন্দাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছিল। প্রথমত সে বোঝাতে চেষ্টা করেছিল, ওই ছ-ফুট দীর্ঘ পুরুষ চিতাবাঘটাকে সে হত্যা করেনি। যে এলাকায় বাচ্চা বাঘের মৃতদেহটি উদ্ধার হয়েছিল, তার খুব কাছেই তার ঘেরা রেঞ্জের গজলডোবা বিটের জঙ্গল। সেখান থেকেই চিতা দুটো এলাকায় ঢুকে পড়েছিল বলে সে জানিয়েছিল। ওইদিকের কিছু এলাকায় শীতকালে হামলা থেকে বাঁচতে, চিতাবাঘ পিটিয়ে মারারও নজির আছে। এরকম নজির তুলে ধরে সে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছিল যে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সে কোনোভাবেই জড়িত ছিল না। শীতের সন্ধে একটু ঘনালেই বসতির খোলা জায়গাগুলো ফাঁকা হয়ে যায়। তখন চিতাবাঘ নিশ্চিন্তে ঢুকে শুয়োর, ছাগল, হাঁস তুলে নিয়ে যেতে পারে। এমনকী, তারা ঘরবাড়িরও খুব কাছে চলে আসায়, বিপদ থেকে বাঁচতে অনেক সময়ে চিতাবাঘ পিটিয়ে মারা হয় সত্যি সত্যিই। কিন্তু এক্ষেত্রে হত্যাকারী যে পবন নিজেই, এমন তথ্যপ্রমাণ গোয়েন্দাদের হাতে এসেছিল। এমনকী, সোনম খটকিকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে, সে ওই চামড়ার দামও ঠিক করে ফেলেছিল। যেখানে সোনমের অর্ডার ছিল নেপাল হয়ে চীনে চামড়া পাচার করার, সেখানে অপেক্ষাকৃত অনেক কম দামে সে দেশের ভিতরেই চামড়ার দর কষাকষি শুরু করে দিয়েছিল। ভুটিয়ার মোবাইল বাজেয়াপ্ত করে গোয়েন্দারা এমন তথ্যপ্রমাণও হাতে পেয়েছেন যে, পাঁচ লক্ষ টাকায় ওই চামড়া বিক্রির প্রাথমিক কথাবার্তা হয়ে গিয়েছিল পাচারচক্রে যুক্ত আরও দু-একজনের সঙ্গে। গোয়েন্দারা তাদেরকেও খুঁজছেন হন্যে হয়ে। তবে সবার আগে প্রয়োজন সোনম খটকিকে। পালের গোদা তো সে-ই। তাকে একবার পাকড়াও করতে পারলে, বাকিরা খুব সহজেই ধরা পড়ে যাবে।

     ভুটিয়া নিজের নামবিভ্রাট তৈরি করেও গোয়েন্দাদের বিপথে চালিত করার চেষ্টা করেছিল। সে সচিত্র পরিচয়পত্র বের করে দেখিয়ে দিয়েছিল যে, এই পবন ভুটিয়া সেই পবন ভুটিয়া নয়। পৃথিবীতে কি দুটো পবন ভুটিয়া থাকতে পারে না? তা ছাড়া এই পবন ভুটিয়ার ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট আছে যে নামে, সেই ব্যক্তির ফ্রেন্ড লিস্টে অপরাধজগতের লোকজন তো কেউই নেই। বাঙালি-অবাঙালি নির্বিশেষে শিক্ষিত রুচিশীল মানুষের ভিড় সেখানে। এইসব নানা ছলচাতুরীর আশ্রয় নিয়ে গোয়েন্দাদের ঘোল খাওয়ানোর চেষ্টা করলেও, সম্পূর্ণ ব্যর্থমনোরথ হয়ে সে এখন সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে গোয়েন্দাদের দিকে। আর তাতেই তদন্তের যারপরনাই অগ্রগতি হয়েছে সম্প্রতি। ভারতের ওয়াইল্ডলাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল বোর্ডের গোয়েন্দারা মনে করছেন, খুব তাড়াতাড়ি পুরো চক্রটাই ধরা পড়ে যাবে তাঁদের হাতে।

    পাঁচ

    সঞ্জয় শ্রীবাস্তবের মোবাইল ফোন বেজে উঠল চাপাস্বরে। ফোনে সম্ভবত কেউ ওঁকে বললেন বিপুল দাশকে গ্রেপ্তার না করতে। অফিসার রূঢ় গলায় বললেন, ‘মানে? হোয়াট ডু ইউ মিন? কে বলছেন আপনি?’ ও প্রান্ত থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে সঞ্জয় শ্রীবাস্তব ফের বলে উঠলেন, ‘হাতেনাতে ধরা পড়েছে যে, তাকে গ্রেপ্তার করব না? আপনার নিজের পরিচয় দিন আগে।’ ততক্ষণে বিপুল দাশ বুকপকেট থেকে নিজের পরিচয়পত্র বের করতেই, বিস্ময়-বিস্ফারিত চোখে সঞ্জয় শ্রীবাস্তব কয়েক সেকেন্ডের জন্য যেন পাথর হয়ে গেলেন। মুহূর্তে গোটা রেস্তরাঁর দখল নিয়ে নিয়েছে পুলিশ। ইন্ডিয়ান ওয়াইল্ডলাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল বোর্ডের দুঁদে অফিসার বিপুল দাশ ওরফে তুহিনশুভ্র চ্যাটার্জির আদেশে সর্বানন্দ চৌধুরী ওরফে কুমার রায় ওরফে সোনম খটকি সবেমাত্র গ্রেপ্তার হয়েছে। মুখে কোনো কথা নেই তার। ঘটনার আকস্মিকতা তখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি সে। গোটা রেস্তরাঁ জুড়ে নিশ্ছিদ্র নীরবতা। মুখ খুললেন তুহিনশুভ্রবাবুই, ‘কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার একটা পরিকল্পনা করেছিলাম আমরা। সেই পরিকল্পনা একশো শতাংশ সফল।’ কফিতে শেষ চুমুক দিয়ে তুহিনশুভ্র চ্যাটার্জি সগর্বে বলতে লাগলেন, ‘সোনমকে বিট্রে করার পর থেকেই পবন ওর চক্ষুশূল ছিল। যেকোনো মূল্যে সে পবনকে মারতে বা ধরিয়ে দিতে চাইছিল। সোনমের ওই প্রতিশোধস্পৃহাটাকে টার্গেট করেই আমরা পবনের ফেসবুক প্রোফাইলে গজমোতির বিজ্ঞাপন দিই। পবন রুদ্রপ্রসাদ গেলাল নামে এবং সোনম কুমার রায় নামে ফেসবুকে পরিচিত। সেখানে প্রথম থেকেই তারা পরস্পরের বন্ধু। আমাদের বিশ্বাস ছিল, বিজ্ঞাপনটা দেখামাত্র পবনকে ধরিয়ে দেওয়ার এমন সুবর্ণসুযোগ সে লুফে নেবে। আর আমরাও বিজ্ঞাপনটা ”পাবলিক” না করে ”এডিট প্রাইভেসি”তে ”অনলি কুমার রায়” করে রেখেছিলাম, যাতে এক এবং একমাত্র ফোন এলেই আমরা বুঝতে পারি, পাখি ফাঁদে পা দিয়েছে।’

     অনেকক্ষণ একটানা বলার পর তুহিনশুভ্র চ্যাটার্জি কয়েক মুহূর্ত চুপ করে রইলেন। তারপর আত্মবিশ্বাসী গলায় ফের বলতে শুরু করলেন, ‘একটাই সংশয় ছিল, নিজে ধরা পড়ার ভয়ে সোনম পিছিয়ে যাবে না তো! সেজন্যই আমরা গেলালকে সামনে না এনে, সব দায়িত্ব বিপুল দাশের হাতে ছেড়ে দিয়েছিলাম। গেলাল সামনে না এলে সোনমকে চিনে ফেলার আর কোনো সম্ভাবনাই ছিল না। ফলে সে অনেক নিশ্চিন্তে এখানে আসতে পেরেছে, কারণ সে জানত, আজ বিপুল দাশ গ্রেপ্তার হলেও, কাল যখন তার আসল উদ্দেশ্য সাধিত হবে, অর্থাৎ রুদ্রপ্রসাদ গেলাল ওরফে পবন ভুটিয়া গ্রেপ্তার হবে, তখন তো আর তাকে সামনে থাকতে হচ্ছে না! পবন এটুকুই জানবে, গজমোতিকাণ্ডে যে তাকে ধরিয়ে দিয়েছে, তার নাম সর্বানন্দ চৌধুরী যাকে কস্মিনকালেও সে চেনে না। আর সর্বানন্দ চৌধুরীর আড়ালে কুমার রায় ওরফে সোনম খটকি নিজের উদ্দেশ্য সাধন করে, আবার সূচিভেদ্য অন্ধকারে গা-ঢাকা দেবে, যেখানে পুলিশ-প্রশাসন-বন দপ্তর-গোয়েন্দা বিভাগ কেউ কোনোদিন প্রবেশ করতে পারবে না।’

     পুলিশের নিশ্ছিদ্র প্রহরায় শপিং মলের তিনতলা থেকে কাপড়ে মুখ-ঢাকা সোনমকে যখন নামিয়ে আনা হচ্ছে, শুক্লপক্ষের চাঁদ তখন গোল হয়ে জ্বলে উঠেছে ভক্তিনগর চেকপোস্টের মাথায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচাঁদের তাঁবু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    Next Article উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রজতশুভ্র মজুমদার
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026
    Our Picks

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026

    এক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার

    September 5, 2026

    চাঁদের তাঁবু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }