Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026

    এক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার

    September 5, 2026

    চাঁদের তাঁবু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    এক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার

    রজতশুভ্র মজুমদার এক পাতা গল্প173 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    যোগাযোগ – রজতশুভ্র মজুমদার

    যোগাযোগ

    ‘পঃ বঃ, কায়স্থ, দেবগণ, ২৮/৫’ ১০”, বি পজিটিভ, এম.টেক, পিএইচ.ডি. করছে, কলিতে বাড়ি, দাবিহীন, একমাত্র ছেলে, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ও তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রের অনেক বড়ো কর্পোরেট কাজের অভিজ্ঞতাসমৃদ্ধ, বর্তমানে দিল্লির MNC-তে কর্মরত। ফরসা, সুন্দরী, শিক্ষিতা পাত্রী কাম্য; জাতি বিবেচ্য নয়।’ এরপর একটা মোবাইল নাম্বার ও ইমেল আইডি দেওয়া। এরকম একটা ‘পাত্রী চাই’ বিজ্ঞাপনে মেয়ের বাবারা যে হামলে পড়বেন, আজকাল অবশ্য পাত্রপাত্রী নিজেরাও হামলে পড়ে, এ আর আশ্চর্য কী? ঋত তাই একটুও অবাক হয়নি শ-পাঁচেক ফোন আর প্রায় সমসংখ্যক মেল পেয়ে। মাসখানেকের ছুটি নিয়ে সে এসেছে কলকাতার বাড়িতে। বাড়ি না বলে ফ্ল্যাট বলা উচিত। শতভিষা অ্যাপার্টমেন্ট, বি ব্লক, সাততলা, দুশো বাইশ। ছোট্ট সাজানো-গোছানো ফ্ল্যাট। ঋতব্রত আর মনামি, পিঠোপিঠি ভাইবোন। মনামি ঋতর থেকে এক বছরের বড়ো, দেখলে অবশ্য বছর দুয়েকের ছোটো বলেই মনে হয়। মনামির বরও একটা কর্পোরেট সংস্থায় কর্মরত। হায়দরাবাদে। ছুটি পায়নি। তাই মনামি একাই এসেছে ভাইয়ের একটা গতি করতে। বাবা-মা ছুটি নিয়ে চলে গিয়েছেন কবে! বড়োদিদি হিসেবে তার তো একটা দায়িত্ব আছে! সেই দায়িত্বপালনেই দিদির এই কলকাতা আগমন।

     দিদি-ভাই ঝাড়াইবাছাই করে শেষ অবধি সিলেক্ট করেছে পায়েলকে। পায়েল সেনগুপ্ত। সুন্দরী, স্মার্ট, বয়স চব্বিশ প্লাস। পাঁচ-তিন হাইট। গ্র্যাজুয়েট। গান জানে। নাচ জানে। একমাত্র মেয়ে। বাবা ডাক্তার। ভীষণ ভদ্র মানুষ। খুব সুন্দর কথা বলেন। মনামিরা যেদিন পায়েলদের বাড়ি গিয়ে পাকা কথা বলে এসেছে, সেদিনই ডা. সেনগুপ্তর ফ্যান হয়ে গিয়েছে ওরা দু-ভাইবোনে। এরপর অবশ্য ডাক্তারবাবু স্ত্রী-কে নিয়ে মনামিদের এখানেও এসেছিলেন একদিন। সব দেখেশুনে গিয়েছেন। মনামি বলেছে, ‘মেসোমশাই, আপনারা কিন্তু পায়েলকে কিছু দিতে পারবেন না, আমরাই ওকে সাজাব।’

     ‘না না, তা-ই হয় নাকি? আমরা তো ওর জন্য সবই বানিয়ে রেখেছি। ও আমাদের একমাত্র মেয়ে।’

     ‘কিন্তু আমাদের ফ্যামিলির নিয়ম হল, আমরাই বউকে সাজিয়ে ঘরে নিয়ে আসি। ট্র্যাডিশনালি চলে আসছে এটাই। অন গড।’ ডা. সেনগুপ্ত শেষমেশ এটাই মেনে নিয়েছেন। সেই সঙ্গে অবশ্য জানিয়ে দিয়েছেন, ‘ঠিক আছে, তাহলে অষ্টমঙ্গলায় আমরা কিন্তু মেয়েকে সাজাব।’

    মনামি বলেছে, ‘ট্র্যাডিশন?’ হো হো করে হেসে উঠেছেন ডাক্তারবাবু।

    সত্যি, কাগজে বিজ্ঞাপন দিয়ে কত তাড়াতাড়ি আজকাল সম্পর্কের ভিত তৈরি করে ফেলা যায়! এই ভিতের উপরেই তো দাঁড়িয়ে থাকে বড়ো বড়ো ইমারত, যুগ যুগ ধরে। এই যে পায়েল-ঋতব্রতর চার হাত এক হয়ে যাবে ক-দিন পর, এ কি সম্ভব হত সামান্য চার-পাঁচ লাইনের একটা বিজ্ঞাপন ছাড়া? ওই যে বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডের সাগর ভিলার এফ ব্লকের পাঁচতলার ডা. সেনগুপ্ত—নিপাট ভালোমানুষ, সদালাপী, হাসিখুশি; আর তাঁর অর্ধাঙ্গিনী—মিতভাষী, শান্ত, উদারচেতা; এঁরা কি ঋতব্রতর মতো একটা উচ্চ চাকুরে, সুদর্শন, দাবিদাওয়াহীন পাত্র বিজ্ঞাপন ছাড়া জোগাড় করতে পারতেন? কিংবা বাপ-মা-মরা দিল্লিবাসী ছেলেটার একমাত্র অভিভাবিকা মনামিদেবীই বা কোথায় পেতেন পায়েলের মতো অমন দুষ্টু-মিষ্টি একটা নায়িকা, যদি না বহুলপ্রচারিত দৈনিকের রবিবারের পাতায় হালকা নীল রঙের বক্সে প্রিয় ভাইটির কিঞ্চিৎ গুণকীর্তন করতেন?

     ঋত-পায়েলের বিয়ের ডেট হয়েছে সামনের বছর জানুয়ারিতে। বিয়ের দু-দিন আগে কলকাতা আসবে ঋত। অর্থাৎ এই যে এক মাসের ছুটি নিয়ে এখন এই মিড-সেপ্টেম্বরে এখানে আছে সে, এটাই বিয়ের আগে ঋতব্রতর শেষ কলকাতায় থাকা। ‘ব্যাচেলর ঋতব্রতর শেষ কলকাতাযাপন…’ বেশ মজা করেই বলেছে ঋত। পায়েল ন্যাকা-ন্যাকা চোখে তাকিয়েছে ওর দিকে, গলা মিহি করে বলেছে, ‘এতদিন আমার বুঝি একা থাকতে ভালো লাগবে?’ বালিগঞ্জের একটা অভিজাত রেস্তরাঁয় এখন কোল্ড ড্রিঙ্ক খাচ্ছে ওরা। সঙ্গে চিকেন পকোড়া। চিকেন পকোড়া ঋতর বরাবরের প্রিয়। পায়েলেরও চলে যায়। ওরা আবিষ্কার করছে, অনেক ক্ষেত্রেই ওদের মিল রয়েছে বিস্তর। এই যেমন দুজনেই লং ড্রাইভ ভালোবাসে, বকবক করতে ভালোবাসে, গল্পের বই ভালোবাসে, মিথ্যে কথা টলারেট করতে পারে না। আরও আছে— পায়েল মা-কে খুব ভালোবাসে। জীবনের সমস্ত কথা সে মায়ের সঙ্গে শেয়ার করে, সব বিষয়ে মায়ের পরামর্শ নেয়। বিপদে-আপদে মায়ের সঠিক পরামর্শ ওকে আজও যারপরনাই সাহায্য করে। ঋতও ভীষণ মা-কে মিস করে। দুরারোগ্য ক্যান্সার মা-কে ছিনিয়ে নিলেও, আজও প্রতিমুহূর্তে মা-কে ফিল করে সে। মনে মনে মা-র সঙ্গে কথা বলে, মা-র কাছে পরামর্শ চায় বিভিন্ন বিষয়ে। এই যেমন, ঘুমের মধ্যে মা এসে একদিন ঋতকে বলেছিলেন, ‘তুই পায়েলকেই অ্যাকসেপ্ট কর।’ বিজ্ঞাপনে অজস্র মেয়ের যোগাযোগ পেয়ে সঠিক পাত্রী নির্বাচনে ঋত যখন কিছুটা বা বিভ্রান্তপ্রায়, তখন স্বপ্নে পাওয়া এই মাতৃ আদেশ তাকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করেছিল।

     মায়ের কথা বলতে বলতে চোখে জল এসে যায় ঋতর। সুগন্ধি রুমাল তার চোখে চেপে ধরে পায়েল। বাড়ির বাইরে এটাই ঋত-পায়েলের প্রথম সাক্ষাৎ। এর আগে পায়েলের সাগর ভিলার ফ্ল্যাটে ঋত দেখেছে ওকে। যদিও পায়েল কখনো ঋতর নিউ আলিপুরের ফ্ল্যাটে আসেনি। ওর মা-বাবাই শুধু এসেছিলেন। ‘কবে যাবে আমাদের বাড়ি?’ পায়েলের সি-গ্রিন নেলপলিশ-পরা তীক্ষ্ন নখগুলো আলতো স্পর্শ করল ঋত। কোনো উত্তর না দিয়ে আঙুলে আঙুল জড়িয়ে নিল পায়েল। অনেকক্ষণ কেউ কাউকে কথা বলল না। পায়েলের দিকে হাঁ করে তাকিয়ে আছে ঋত। একটা সি-গ্রিন রঙের চুড়িদার আর হাই হিলে দারুণ দেখাচ্ছে তাকে। হালকা বাদামি চুল কাঁধ অবধি ঝোলা। হাতে ম্যাচিং ঘড়ি, কপালে ম্যাচ করা টিপ। হালকা আইলাইনার লাগিয়েছে চোখে, চোখের পাতাও নরম সি-গ্রিন। ‘আজ কতদিন পর সমুদ্রের ধারে বসেছি…’ ঋত নীরবতা ভাঙল। ‘স্নান করবে না?’ পায়েল মিটিমিটি হাসছে। তার জ্যোৎস্নার মতো হাসি ঋতর চোখে সমুদ্রে চাঁদডুবির মতো দেখাচ্ছে। পায়েলের বাঁ হাতটা কোলের কাছে টেনে নিয়ে তালুতে চুমু খেল ঋত।

     ঋত গান শুনতে ভালোবাসে। দিল্লিতে কাজের ফাঁকে কানে এয়ারফোন লাগিয়ে গান শোনে। পায়েলের গান শোনার জন্য সে উন্মুখ হয়ে আছে। কিন্তু তার জন্য তো পরিবেশ চাই! এই রেস্তরাঁয় বসে গান গাইলে লোকজন ছুটে আসবে তো! রাস্তা থেকে দু-চারটে অন্য প্রাণীও উঠে আসতে পারে, পায়েল মজা করল। ছোটো থেকেই শাস্ত্রীয় সংগীতে তালিম নিয়েছে পায়েল, পরে আধুনিক। ডা. সেনগুপ্তরা তো কলকাতায় সেভাবে থাকতেন না, ওই পুজো কিংবা উৎসবে পনেরো দিন-এক মাসের জন্য আসা। পায়েলের শৈশব পুরোটাই কেটেছে মুম্বইয়ে। ওখানেই গান শিখত ওস্তাদের কাছে। শৈশব কেন, পনেরো-ষোলো বছর বয়স অবধি মুম্বইতেই ছিল সে। তারপর ডাক্তারবাবুরা চলে এলেন বেঙ্গালুরু। সেখানেই এখনও। বেঙ্গালুরু এত সাজানো শহর হলেও পায়েল মুম্বইকে ভুলতে পারে না। আসলে মানুষ যেখানে জন্মায়, বড়ো হয়ে ওঠে, সে জায়গাটাই বোধহয় পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জায়গা বলে মনে হয় তার। না হলে অমন খ্যাতিমান কবি কখনো এই পোড়া বাংলায়, এই চুলোচুলির বাংলায়, ফের জন্মাতে চান! তা আবার মানুষ না হলে, চিল-শালিখ হয়ে জন্মাতেও আপত্তি নেই তাঁর! সে যাক গে, পায়েলের মুম্বইz-ই সব সময়ে ফেভারিট, যেমন ওর মা-বাবার কলকাতা।

     বেঙ্গালুরু আসার পর পায়েলের আধুনিকে হাতেখড়ি। এখন আর শাস্ত্রীয় সংগীত সেভাবে গায় না। কিন্তু আধুনিক নিয়মিতই চর্চা করে। গানের সঙ্গে সঙ্গে নাচেও যথেষ্ট পারদর্শী সে। এ কথাটা পায়েল নিজে বলেনি, মনামি জেনেছে শ্রীমতী সেনগুপ্তর কাছে। অনেকবার প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার পেয়েছে বলেই নয়, ওর নাচের যে ছবিগুলো শ্রীমতী সেনগুপ্ত দিয়েছেন মনামিকে, সেগুলো দেখলে যে-কেউই বুঝবে, মেয়েটার বিভঙ্গগুলো, মুদ্রাগুলো বেশ উৎকর্ষের পরিচয় রাখে। অবশ্য যে মেয়ে গান শোনাতেই রাজি হচ্ছে না বাড়ির বাইরে, তাকে এই রেস্তরাঁয় নাচ দেখাতে বলবার মতো বোকামি আর যে-ই করুক, ঋত অন্তত করল না। করলে, পাগল তকমা পেয়ে তার বিয়ে ক্যানসেলের সম্ভাবনাও যে প্রকট হয়ে উঠতে পারে, ঋত বিলক্ষণ সেটা বোঝে। পায়েলের বাঁ হাতটা এখনও ধরে আছে ঋত। ঘামে ভিজে গিয়েছে দুজনের হাতের চেটো। পায়েলের কানের কাছে মুখ রেখে ঋত ফিসফিস করে বলল, ‘আই লাভ ইউ।’ পায়েল স্মার্টলি উত্তর দিল, ‘আই টু।’ ঋতর গালের দামি আফটারশেভের গন্ধে চোখ বুজে নিশ্বাস নিল পায়েল।

    দুই

    নেহা একটা ট্রান্সপারেন্ট রাতপোশাকে ঢুকেছে বেডরুমে। কিঞ্জল তার শরীরের দিকে তাকিয়ে আছে একদৃষ্টে। অমন চকচকে নরম মাখনের মতো গা, পেটের ভাঁজ, ঊরু… দু-চোখ দিয়ে গিলছে কিঞ্জল। বুকের খয়েরি নিপলগুলো পর্যন্ত স্পষ্ট ফুটে উঠেছে রাতপোশাকের গায়ে। শতভিষা অ্যাপার্টমেন্টের বি ব্লকের সাততলার ২২২ নং ফ্ল্যাটে একটা ক্ষীণ নীল আলো জ্বলছে। কিঞ্জল নেহার হাত দুটো ধরে ঠোঁটে আলতো করে চুমু খেল, তারপর নীচের ঠোঁটটা মুখের মধ্যে পুরে অনেকক্ষণ ধরে চুষতে লাগল। ফোরপ্লের প্রথম ধাপ শেষ হতেই নেহা খলখলিয়ে হেসে উঠল, ‘চল ভাই ঋত, এবার বেডে যাই।’

     ‘প্লিজ নেহা, এখন তো তুমি মনামি নও। এসব বোলো না, ভাল্লাগে না আমার…’

     ‘আর আমার বুঝি ভালো লাগে?’ রাতপোশাকের ফিতেটা নিজেই খুলে ফেলল নেহা। কিঞ্জল ওর নগ্ন শরীরের উপর উবু হয়ে শুয়ে আদর বিলোচ্ছে। নেহা মাঝে মাঝে বলছে, ‘জোরে, আরও জোরে।’ কিঞ্জল ভাবছে, তবে কি আদর পছন্দ হচ্ছে না নেহার? কিঞ্জলেরও তো বেশ একঘেয়ে লাগে নেহাকে আজকাল। সে নেহার বুকের উপর শুয়ে পায়েলকে ভাবছে—কী মিষ্টি মুখ, মায়াবী চোখ, না-জানি কত মধু জমে আছে শরীরে! সে নেহার শরীরের ক্লিশে রাস্তায় পায়েলের অজানা শরীরের অলিগলি আবিষ্কারের নেশায় বুঁদ হয়ে আছে এখন।

     ঠিক এ সময়ে মোবাইলটা বেজে উঠল নেহার। কিঞ্জল মুখ তুলে দেখল, চেন্নাই থেকে প্রকাশজির ফোন। প্রকাশ ঝুনঝুনওয়ালা। সদ্য ফিরেছেন বিদেশ থেকে, তাই ফোন ধরাটা খুব জরুরি। কিঞ্জল নেহাকে ফোনটা এগিয়ে দিল। প্রকাশজি বলছেন, ‘বেটি, সব ঠিক হ্যায় না?’

     ‘ফিকর মত কিজিয়ে প্রকাশজি। এভরিথিং ও.কে.।’

     ‘ডা. মিত্তল কলকাতা পঁহোচ গয়ে হ্যায়। হি ইজ রেডি।’

     ‘জাস্ট ফাস্ট মিটিং আউটসাইড হোম ইজ সাকসেসফুল। কিঞ্জল নে থার্ড মিটিং কো টার্গেট কিয়া হ্যায় স্যার।’

     ‘ও.কে., ও.কে.। প্রসিড অন। গুড নাইট।’

     ‘গুড নাইট, স্যার।’

     নেহা ফোনটা রাখতেই কিঞ্জল জানতে চাইল, সদানন্দ ভট্টাচার্যর লেটেস্ট মোবাইল নম্বরটা তার ফোনে সেভড আছে কি না! কারণ প্রকাশ ঝুনঝুনওয়ালা সর্বাধিনায়ক হলেও, তারা কেউ তো স্যারকে চোখে দেখেনি, তাদের যাবতীয় যোগাযোগ ভট্টাচার্যি মশাইয়ের সঙ্গেই। সদানন্দবাবুই ঝুনঝুনওয়ালার সঙ্গে কিঞ্জল-নেহার যোগাযোগের সেতু। তাই অপারেশনের পরেই হোক বা আগে, প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে, তারা তো সদানন্দবাবুকেই রিং করবে। ঝুনঝুনওয়ালার সঙ্গে তো সব সময়ে যোগাযোগ করা সম্ভব নয়, বা করে লাভও নেই, কারণ তিনি এখন চেন্নাইয়ে তো কাল দিল্লিতে, পরশু আবার বিদেশে। কিঞ্জলের বুকের লোমে বিলি কাটতে কাটতে নেহা বলল, ‘চিন্তা কোরো না একদম। সব ঠিক হয়ে যাবে। মাঝে তো আরও একটা সিটিং আছে।’

     ‘তা তো আছে, কিন্তু…’

     ‘আবার কিন্তু কেন?’

     ‘মাগিটা মহাঢ্যামনা। যদি টার্গেট ফেল করি?’

     ‘তোমার মুখে এমন কথা মানায় না কিঞ্জল। সাকসেসফুল অপারেশন তুমি করেছ এর আগেও…’ নেহা আত্মবিশ্বাস জোগানোর চেষ্টা করে। তারপর তাকে বোঝাতে থাকে, ‘স্কোয়াশ কিংবা জুসটা নিয়েই পায়েলের গ্লাসে, ঠিক যেভাবে সদানন্দবাবু বুঝিয়ে দিয়েছেন, নখের ফাঁকে লুকিয়ে-রাখা রাসায়নিকটা টুপ করে ঝেড়ে দেবে। ব্যাস। সঙ্গে সঙ্গে কাজ। পাক্কা ছ-ঘণ্টা। একটু বেশিও হতে পারে। তারপর আমি তো কাছাকাছিই থাকছি। তুমি জাস্ট আমাকে একটা মিসড কল মারবে। আর কিচ্ছু করতে হবে না তোমায়।’

     ‘কিচ্ছু না?’

     ‘ডা. মিত্তল আর সদানন্দবাবুকে কল করার দায়িত্ব আমার! ওঁরাও রেডি থাকবেন নির্দিষ্ট জায়গায়। ওঁরা যে ট্যাক্সিটা পাঠাবেন আমাদের জন্য, সেটা অন্যান্য ভাড়ার ট্যাক্সির সঙ্গে মিশে থাকবে ভিড়ের মধ্যে। ওটা খুঁজে নেওয়াও আমার দায়িত্ব।’

     ‘তোমার তো অনেক দায়িত্ব দেখছি।’

     ‘সাধে কি আর সিক্সটি পারসেন্ট আমার, ভাই ঋত?’

     নেহা বয়সেই শুধু কিঞ্জলের থেকে কিঞ্চিৎ বড়ো নয়, বুদ্ধিতেও সে অনেক তুখোড় বলেই তার পেমেন্ট কিঞ্জলের থেকে ঢের বেশি। স্বাভাবিকভাবেই দায়িত্বও অনেক বেশি। এই যেমন, পায়েল অসুস্থ হলেই তাকে ভাড়ার ট্যাক্সিতে তুলে ঠিক কোন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হবে, কিঞ্জল এখনও সে খবর জানে না। সে কৌতূহলী হয়ে জানতে চায়, ‘ডেরাটা কোথায়?’ নেহা এড়িয়ে যায় সুকৌশলে। বিগত দু-বছর ধরে সে কিঞ্জলের বিজনেস পার্টনার কাম লিভ-ইন পার্টনার হলেও, প্রফেশনাল বিষয়ের সব কথা সে শেয়ার করে না কিঞ্জলের সঙ্গে। কিঞ্জল বলে, ‘মনামিদিদি, আমাকেও ট্যাক্সি চড়ে যেতে হবে নাকি?’

     ‘বোকার মতো কথা বলিস না তো ভাই! তোর হবু বউ অসুস্থ হয়ে পড়বে আর তুই কি রাস্তায় দাঁড়িয়ে ডুগডুগি বাজাবি?’

     ‘ওরে বাবা! তবে ছুটি কখন পাব?’

     নেহা খুব ভালো করেই জানে, ট্যাক্সিটা ছুটবে সোজা রাজারহাটের দিকে। ওখানে বাঁদিকে একটা নোংরা ফেলার মাঠ পেরিয়ে, একটু ডানদিকে ঘুরেই সোজা ঢুকে যাবে একটা নির্জন প্রায়ান্ধকার পরিত্যক্ত বাড়িতে। সে বাড়ির ভিতর অনেকটা এগোলে সিঁড়ি—নীচে নামার। কয়েক ধাপ নামলেই একটা সুন্দর সাজানো-গোছানো ঘর। ঘরে সবরকমের মেডিকেটেড ব্যবস্থা—স্যালাইন, ওষুধপত্তর, অক্সিজেন, ছুরি-কাঁচি, আরও যা যা প্রয়োজন। ওখানেই অপেক্ষা করে থাকবেন রাজধানী থেকে আসা সার্জন মিত্তল আর ষাট বছরের যুবক সদানন্দ। পায়েলকে ওখানে পৌঁছে দিয়েই নেহা কিঞ্জলকে নিয়ে নেপালের দিকে চলে যাওয়ার আয়োজন করবে। সবকিছু সাজানো থাকবে নিপুণ, শুধু ছক অনুযায়ী ঠিকঠাক চলতে পারলেই হল। ওই সময়ে দুজনের সেলফোনের সিম কার্ড দুটো বের করে নষ্ট করে দিতে ভুললেও চলবে না। নেহা খুব ভালো করে জানে, ছোট্ট একটা ভুল কিংবা অসতর্কতা বড়ো বিপদ ডেকে আনতে পারে। নেহার তীক্ষ্ন উপস্থিতবুদ্ধি আর সময়-সচেতনতার জন্য সদানন্দবাবু এতটা পছন্দ করেন তাকে। প্রকাশজির সঙ্গে ফোনে আলাপ করিয়ে দেওয়ার সময়েও নেহাকে অত্যন্ত চতুর ও সুযোগসন্ধানী বাজপাখির সঙ্গে তুলনা করেছিলেন তিনি। তুলনায় পার্টনার কিঞ্জল অনেক বোকাসোকা, ছেলেমানুষি বেশি তার। তাকে সদানন্দবাবুও চাক্ষুষ চেনেন না, শুধু ফোনেই কথা হয়েছে, নেহার সুপারিশেই তার কাজটা পাওয়া। অবশ্য কিঞ্জল অত্যন্ত হ্যান্ডসাম, স্মার্ট, ইম্প্রেসিভ, কথা বলতে পারে সুন্দর। তাই এ ধরনের কাজে সে যথেষ্টই দক্ষ এবং প্রেমের ফাঁদে ফেলে সুন্দরী যুবতিদের ঘোল খাওয়ানোয় তার জুড়ি মেলা ভার। ইতিপূর্বে সে একাধিকবার সাফল্যের সঙ্গে এ ধরনের ম্যাচ উতরে দিয়েছে। তাই এই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বড়ো কাজটাও নেহা কিঞ্জলকে দিয়েই হাসিল করতে চাইছে।

    তিন

    ঋত আর পায়েলের সেকেন্ড সিটিং। স্থান, গড়িয়াহাটের মোড়ে একটা রেস্টুরেন্টের দোতলা। বেশ কয়েকজোড়া প্রেমিক-প্রেমিকা বসে আছে গায়ে গা ঘেঁষে। পায়েল এসেছে একটা হালকা নীল জিনস আর বাদামি শার্টে। উঁচু বুকে গোলগাল পকেট সেট করা আছে। নেলপলিশ নখ রঙের, চোখে কাজল নেই, চুল পিছনদিকে টাইট করে বাঁধা। খুব ন্যাচারাল দেখাচ্ছে তাকে। প্রায় সাজেনি বললেই চলে। অথচ ন্যাচারাল লুকে কী ভীষণ সেক্সি দেখাচ্ছে! বুকের বোতাম অনেকখানি নীচে, এতটাই যে ঋত আড়চোখে দেখে নিল আঁকাবাঁকা ক্লিভেজ খরস্রোতা ঝোরার মতো নেমে যাচ্ছে সাবলীল ছন্দে। গায়ে মিষ্টি পারফিউমের গন্ধ। ঋত নিশ্চিন্তে গন্ধ নিচ্ছে আর ভাবছে, ইস, এর সঙ্গে যদি একবার শোয়া যেত! মনামিকে ভীষণ একঘেয়ে লাগে তার।

    ঋত পায়েলের হাতটা সন্তর্পণে টেনে নিয়ে ঘষতে লাগল নিজের গালে। কিন্তু সে জানে, বেশি দূর এগোনো কখনোই উচিত হবে না। এতে পায়েলের মনে ঋতর সম্পর্কে বিরূপ ধারণা তৈরি হতে পারে। সেক্ষেত্রে পুরো ব্যাপারটাই বানচাল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা। সে মিষ্টি করে বলল, ‘আমাকে তোমার কেমন লাগে, পায়েল?’ ও মা, পায়েল ওর তাজা ঠোঁট দুটো ঋতর গালে লাগিয়ে চকাস করে চুমু খেয়ে নিল। ঋত অবাক হয়ে গেল মেয়েটার স্মার্টনেস দেখে। সে এর আগেও অনেক সুন্দরীর সঙ্গে প্রেমের অভিনয় করেছে, কিন্তু প্রকাশ্যে এত সাবলীল, এত নিখুঁত চুমু খেতে কাউকে দেখেনি। ততক্ষণে বেয়ারা এসে মিক্সড চাউ আর ফলের রস দিয়ে গিয়েছে। পায়েল ফিসফিস করে বলল, ‘সব কথার কি উত্তর হয়, ঋত?’

    ঋত জানে, আজ রিল্যাক্সড থাকার দিন। কোনোরকম টেনশন নিতে প্রস্তুত নয় সে এখন। তাই থার্ড সিটিংয়ের চিন্তা মাথা থেকে সরিয়ে, চাউমিনে মনোনিবেশ করতে লাগল সে। পায়েলের দিকে তাকাতেই সে দেখল, এক চামচ চাউ পায়েল তাকে খাইয়ে দিতে চাইছে। ঋত হাঁ করে সাদরে গ্রহণ করল সে প্রসাদ। ‘আমায় দেবে না?’ পায়েলের সম্মোহনী চাউনিতে মুগ্ধ ঋত চামচ সরিয়ে রেখে, হাতে করেই একটুখানি চাউ তার মুখে পুরে দিল। পায়েল সংগোপনে ঋতর আঙুল চুষে দেয়। এরপরেই ফলের রসে চুমুক দেয় ঋত। অনেকটা খেয়ে নেয় একবারে। পায়েলও খাচ্ছে। ও মা, হঠাৎই পায়েল দেখল, ঋতর ঝকঝকে তাজা শরীরটা কেমন নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছে, চোখ দুটো বুজে এল আর অমনি টেবিলে মাথা ঠুকে পড়ে গেল সে।

    প্রথমটায় বেশ হকচকিয়ে যায় পায়েল। কী হল? কেন হল? তারপর ঋতর চোখে-মুখে জল দেয়। নাঃ, কোনো সাড়া নেই। এদিক-সেদিক থেকে দু-চারজন লোক ছুটে আসে। পায়েল ততক্ষণে ফোন করে দিয়েছে ওর মা-বাবাকে। মিনিটকয়েকের মধ্যেই সেনগুপ্ত-দম্পতি এসে হাজির। পায়েলের মা রেস্টুরেন্টের বাইরে গিয়েছেন ট্যাক্সি ডাকতে। একজন খুব তর্ক করছে রেস্তরাঁর ম্যানেজারের সঙ্গে, ‘আপনাদের খাবার থেকেই হয়েছে। পুলিশে খবর দেব।’ মোটাসোটা ম্যানেজারবাবু তো থ, ‘তাহলে কি দাদা, একজন অসুস্থ হতেন? আরও তো একশো লোক খাচ্ছেন এখানে!’ কেউ আবার বলছে, ‘সুইসাইড কেস নয় তো?’ কেউ মোবাইলে ডাক্তার ডাকছে, কেউ পুলিশ। সেই বিশৃঙ্খলার ভিতরেই ঋতকে টেনেহিঁচড়ে বের করে ট্যাক্সিতে চাপানোর চেষ্টা চলছে জোরকদমে। চেষ্টার পুরোভাগে পায়েল, ওর মা-বাবা, আরও দুজন অপরিচিত লোক। এরা কোথা থেকে এল? কেউ জানে না। পায়েলও জানে না বোধহয়। তার মুখে-চোখে চিন্তার ছাপ। একটু আগেও যে ছেলেটা এত কথা বলছিল, খাচ্ছিল… হঠাৎ তার কী হতে পারে? বিষক্রিয়া? তাহলে তো পায়েলেরও হত। ‘ঋতর বাড়ির কাউকে খবর দেওয়া হয়েছে?’ ভিড়ের ভিতর এরকম প্রশ্ন উত্তরের প্রত্যাশা করে না। তবু পায়েল যেন কিছুটা বা শান্ত হয়েই উত্তর দিল, ‘ওর দিদিকে ফোনে পাচ্ছি না; আর কেউ নেই ওর।’ পায়েলের প্রতি সহানুভূতি হয় প্রশ্নকর্তার, ‘কিছু চিন্তা করবেন না, সব ঠিক হয়ে যাবে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হসপিটালে নিয়ে যান।’ লোকটা কাছাকাছি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ঠিকানা বোঝাতে লাগল পায়েলকে। কোনোরকমে ভাড়ার ট্যাক্সিতে তোলা হল ঋতকে; সঙ্গে গাদাগাদি করে পায়েল, সেনগুপ্ত-দম্পতি আর সেই অপরিচিত লোক দুটো। হু হু গাড়ি ছুটল সামনের দিকে; পিছনে পড়ে রইল কলরব, কৌতূহল, সন্দেহ…

    চার

    সকাল থেকে একটা মিষ্টি ফুরফুরে হাওয়া বইছে। কাঁপছে গাছের পাতা, দুলছে ডালগুলো। হসপিটাল গেটের বাঁদিকের বড়ো শিউলি গাছটা সারা শরীরে ফুল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। মাটিতেও ছড়িয়ে দিয়েছে অজস্র শিউলি। কী সুন্দর কমলা ডাঁটি আর সাদা ফরসা পাপড়ি! ওখানেই পুলিশের গাড়িটা এসে দাঁড়াল। তারপর জনা তিনেক পুলিশ ঢুকে গেল হসপিটালের ভিতরে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সুপারের ঘর থেকে বেরিয়ে তারা ঢুকল গ্রাউন্ড ফ্লোরের ডানদিকের তিন নম্বর কেবিনে। বিছানায় আধশোয়া হয়ে বসে কিঞ্জল সেন, ওরফে ঋতব্রত দত্ত। কাল রাতে পুলিশ উদ্ধার করে তাকে এখানেই ভরতি করে দিয়ে গিয়েছে। চোখের নীচে কালি, সর্বাঙ্গে ক্লান্তির ছাপ, তবুও মনে যেন যুদ্ধজয়ের স্বস্তি। সারারাত স্যালাইন চলেছে, এই একটু আগে নার্স এসে খুলে দিয়ে গিয়েছেন। এখন সে বিপন্মুক্ত।

     ‘কেমন আছেন ঋতব্রতবাবু?’ দক্ষিণ-পূর্ব ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশের প্রশ্নে কিছুটা ঘাবড়ে যায় কিঞ্জল, ‘আমি তো কিছু জানি না, স্যার।’

     ‘কিছুই জানেন না?’

     ‘না মানে, কোথা থেকে যে কী হয়ে গেল… কিছুই লোকেট করতে পারছি না।’

     ‘মে আই হেল্প ইউ?’

     ‘ইয়েস স্যার। খুব ভালো হয়।’

     ‘গতকাল সন্ধেয় আপনি পায়েলের সঙ্গে গড়িয়াহাটের রেস্তরাঁয়… মনে পড়ছে?’

     ‘হ্যাঁ হ্যাঁ, আমরা খেতে গিয়েছিলাম তো!’

     ‘আপনি ডা. সেনগুপ্ত ও তাঁর স্ত্রী-কে চেনেন?’

     ‘আমার হবু শ্বশুরমশাই ডা. সেনগুপ্ত…’

     ‘উনি ডাক্তার নন। ওঁর আসল নাম শিবপ্রসাদ চৌধুরী।’

     ‘মানে?’

     ‘শিবপ্রসাদ চৌধুরী ও তার স্ত্রী অনীতা চৌধুরী, যাদের আপনি আসলে সেনগুপ্ত-দম্পতি বলে চেনেন, ওরা একটি আন্তর্জাতিক কিডনি পাচারচক্রের সঙ্গে যুক্ত। ওই চক্রের স্থানীয় পান্ডা সদানন্দ ভট্টাচার্যর নির্দেশে চৌধুরী-দম্পতি পিয়ালি দাশ নামের এক অত্যন্ত চৌকস, স্মার্ট মেয়েকে ভাড়া করে আপনাকে কবজা করে। তারপর গড়িয়াহাটের রেস্টুরেন্টে ফ্রুট জুসে ভয়ংকর রাসায়নিক মিশিয়ে আপনাকে বেহুঁশ করে নিয়ে যায় রাজারহাটের দিকে। ওখানে একটা গোপন ডেরায় আপনার কিডনি তুলে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল। ওই গোপন ডেরা থেকেই আপনাকে উদ্ধার করে এই হাসপাতালে এনেছে পুলিশ। আর সদানন্দ ভট্টাচার্য ও ডা. মিত্তল গ্রেপ্তার হয়েছে।’

     ‘মাই গড..’ কিঞ্জল অনেকক্ষণ চুপ করে থেকে প্রশ্ন করল, ‘ওই পিয়ালি দাশই তবে পায়েল? সে কোথায়?’

     ‘সে চৌধুরী-দম্পতির সঙ্গে পালিয়ে যাচ্ছিল বাইরে। দমদম বিমানবন্দর থেকে ওদের অ্যারেস্ট করা হয়েছে।’

     ‘আমি তো বিশ্বাসই করতে পারছি না, স্যার। কী রোমাঞ্চকর, গা-ছমছমে! আমার জীবন বাঁচানোর জন্য কী বলে যে আপনাকে ধন্যবাদ জানাব…’

     ‘দাঁড়ান দাঁড়ান, আর-একটা ছোট্ট কাজ এখনও বাকি আছে যে ঋতব্রতবাবু!’

     ‘বলুন স্যার।’

     ‘ইউ আর আন্ডার অ্যারেস্ট, মি. কিঞ্জল সেন।’

     মুখটা পাংশু হয়ে গেল কিঞ্জলের। ডেপুটি কমিশনার নিজস্ব ভঙ্গিমায় বলে চলেছেন, ‘আসলে কী হয়েছে বলুন তো, সদানন্দ ভট্টাচার্যর দুই এজেন্ট শিবপ্রসাদ চৌধুরী আর নেহা শর্মা কেউ কাউকে চেনে না। আর এখানেই যত বিপত্তি। নেহা শর্মা খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন দিয়ে যে জাল ফেলেছে, সেই জালেই মাছ নয়, অজান্তে এসে পড়েছে চৌধুরী মশাইয়ের কুমির। নেহা শর্মা থার্ড সিটিংয়ের জন্য বসে থাকলে কী হবে, শিবপ্রসাদের লোক সেকেন্ড সিটিংয়েই কাজ হাসিল করে বেরিয়ে যেতে চেয়েছে। আর বেচারা সদানন্দ শেষ হয়ে গিয়েছে এই আত্মঘাতী খেলায়। আপনার লিভ-ইন পার্টনার নেহাদেবীও এখন আমাদের হেপাজতে। তবে প্রকাশ ঝুনঝুনওয়ালাকে পুলিশ খুঁজছে। এখনও তার হদিশ মেলেনি।’

     কান্নায় ভেঙে পড়েছে কিঞ্জল সেন। তাকে হাতকড়া পরিয়ে গাড়িতে তুলছে পুলিশ। হসপিটাল গেটের বাঁদিকের নিঃস্ব শিউলি গাছটা ততক্ষণে সব ফুল বিলিয়ে দিয়েছে নীচে…

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচাঁদের তাঁবু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    Next Article উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রজতশুভ্র মজুমদার
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026
    Our Picks

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026

    এক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার

    September 5, 2026

    চাঁদের তাঁবু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }