Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026

    এক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার

    September 5, 2026

    চাঁদের তাঁবু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    এক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার

    রজতশুভ্র মজুমদার এক পাতা গল্প173 Mins Read0
    ⤶

    নৃসিংহ – রজতশুভ্র মজুমদার

    নৃসিংহ

    ‘কতদিন হল?’

    ‘দেড় বছর।’

    ‘দেড় বছর!’ ছেলেটা অবাক হয়ে তাকাল, ‘আমায় যে বলল, খুব দেরি হলেও, বছরখানেকের মধ্যেই পেয়ে যাবেন!’

    ‘কতদিন হল তোমার?’

    ‘আর দিন দশেক হলে ছ-মাস পূর্ণ হবে!’

    ‘আর পারা যায় না। ঘুরে ঘুরে জুতোর সুকতলা ক্ষয়ে গেল, ভাই।’ লোকটা এইবার সত্যি সত্যিই অধৈর্য হয়ে পড়েছে। সরকারি অফিসের হাজার একটা নিয়মকানুনের গেরোয় মানুষের জীবন ফাঁদে পড়া ইঁদুরের মতোই অসহায় হয়ে পড়ে এ দেশে। সেই কোন সকালে খালি পেটে বেরিয়েছে গ্রাম থেকে। ট্রেন থেকে নেমে বাস, বাস ছেড়ে অটো। তারপর অনেকক্ষণ ধরে এ টেবিল-ও টেবিল ঘুরে শেষমেশ এই লাইনে দাঁড়িয়েছে এসে তা মিনিট পনেরো হবে। এখানে এসেই পরিচয় লাইনের সামনের ছেলেটার সঙ্গে। সে-ও একই গ্রামের, সে-ও একই রকম বিধ্বস্ত। ছ-মাসেই তার তিনবার ঘোরা হয়ে গিয়েছে। অবশ্য প্রথম প্রথম একটু বেশি ডাক পড়ে, শেষদিকে আর আসতে হয় না ঘন ঘন।

    আগের বার যখন এখানে আসে, মেয়েকে নিয়ে এসেছিল লোকটা। মেয়েটার তখন সাড়ে পাঁচ-ছ-বছর হবে। এক অফিসারের সঙ্গে বেশ ভাব জমিয়ে ফেলেছিল সে। অফিসার একমুখ হেসে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘তুই চকোলেট খাস বুঝি খুব?’

    ‘বাবা কিনে দেয় না। বাবার পয়সা নেই।’

    ‘তাহলে দাঁতের অমন অবস্থা কেন?’

    ‘আগে খেতাম। দাদু রোজ আমায় চকোলেট কিনে দিত।’ বাচ্চা মেয়ের চোখ ছলছল করে ওঠে, ‘আজকাল আমার আর কিচ্ছু ভাল্লাগে না গো!’

    ‘দাদুকে খুব মিস করিস?’ অফিসার পিঠ চাপড়ে দেন মেয়ের।

    ‘আমাকে দাদুর কাছে নিয়ে যাবে তুমি?’ দলা-পাকানো কান্নায় গলা বুজে আসে তার।

    ‘সে আর হয় না রে।’

    ‘জানো, দাদু আস্তে আস্তে ভালো হয়ে উঠছিল। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে আমায় বলেছিল, আর কয়েকদিন পর তোকে নিয়ে আবার বেরোব, চকোলেট কিনে দেব।’ ভয়ংকর শেষের সে দিনের স্মৃতিচারণ করছিল ছোট্ট মেয়ে, ‘দাদু ডাক্তারের কাছে যেতে চায়নি গো, কিছুতেই যেতে চায়নি। কিন্তু বাবা জোর করল…’

    ‘বাবা তো ভালোর জন্যই নিয়ে যেতে চেয়েছিল তোর দাদুকে।’ অফিসারের গলার স্বর আন্তরিক।

    ‘মা-ও নিষেধ করেছিল বাবাকে, সন্ধেবেলা ওই রাস্তা দিয়ে যেয়ো না। দরকার নেই ডাক্তার দেখানোর। কিন্তু বাবা কিছুতেই শুনল না।’ দু-চোখ জলে ভরে উঠল নিমেষে।

    ‘তুই যেমন ভালোবাসিস তোর বাবাকে, তেমনি তো তোর বাবাও ভালোবাসত তার বাবাকে, তাই তো জোর করেছিল, বুঝেছিস?’

    ‘ছাই ভালোবাসি বাবাকে আমি।’ ছোট্ট মেয়েটি এইবার বিদ্রোহী, ‘আমি ভালোবাসি না আমার বাবাকে।’

    ‘কেন রে, বাবা চকোলেট কিনে দেয় না বলে?’

    ‘বাবা তো দাদুকে খুব বকত, মারতও…খুব খুব…একটুও ভালোবাসত না দাদুকে!’

    অফিসার জানেন, বুড়ো মানুষটা রোগভোগে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে ছিল বিছানায়। তীব্র অনটনের সংসারে ঠিকঠাক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা খুবই কঠিন, প্রায় অসম্ভব। তাই সব সময়ে মেজাজ ঠিক রাখা যায় না, মাথা গরম করে বকাঝকা করে ফেলা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। তারই মধ্যে যেভাবে হোক চিকিৎসা চলছিল, সেরেও উঠছিল ক্রমশ। কিন্তু শেষরক্ষা হল না।

    বাবার চিকিৎসা করতে গিয়ে বেশ কিছু ধারদেনা হয়ে গিয়েছিল লোকটার। সেসব কাগজপত্রও জমা করেছে সে। এখন টাকাটা পেলে বড়ো উপকার হয়। ধারবাকিগুলোও শোধ করা যায়, সঙ্গে মেয়েটার মুখে একটু ভালো-মন্দ তুলে দেওয়া যায়। অপুষ্টিতে ভুগছে মেয়েটা। দু-বেলা পেট ভরে খেতে দেবার মতো সামর্থ্যও নেই তার। বউ কাজ করে লোকের বাড়ি। তারও শরীর পাটকাঠি, কাগজের ঠোঙার মতো বুক, চোখে-মুখে চিরন্তন অ্যানিমিয়ার দাগ। সকাল থেকে সন্ধে তেল-খাওয়া মেশিনের মতো খাটে। এইরকম একটা সংসারে পাঁচ লাখ টাকা মানে সে তো আর ছোটোখাটো প্রাপ্তি নয়, এক বিরাট অলৌকিক প্রাপ্তি! আশায় বুক বেঁধে তাই দেড় বছর ধরে বাড়ি আর অফিস করে চলেছে সে।

    ‘আপনার আইডি নম্বরটা বলুন।’ কাউন্টারের কর্মীর ডাকে লোকটা সংবিৎ ফিরে পেয়েই বুঝল, লাইনের এক্কেবারে প্রথমে চলে এসেছে সে এখন। স্টেপল করা কাগজগুলো গ্রিলের ফাঁক দিয়ে গলিয়ে দিয়েই, সে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে লাগল। ভিতর থেকে সেই কর্মী বেশ অনেকক্ষণ মাউস ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে স্ক্রিনে চোখ রেখে বলে দিল, ‘আপনার আর একটা স্টেপ বাকি আছে মাত্র। শুধু একটা ফর্মাল পুলিশ ভেরিফিকেশন। তারপরেই হয়ে যাবে।’

    ‘আবার কবে আসতে হবে?’

    ‘আর আসতে হবে না। দরকার হলে আমরা ডেকে নেব। মনে হয়, আর দরকার হবে না। আপনি তো অ্যাকাউন্টও খুলে ফেলেছেন।’

    ‘আজ্ঞে হ্যাঁ।’

    ‘ওখানেই পাঁচবারে সবটা ঢুকে যাবে।’ কর্মীটির মুখে হালকা হাসির রেখা।

    লোকটা ফেরার পথে পা বাড়াল। ফিরতে ফিরতে ভাবছে, টাকাটা পেয়ে গেলে তিন পুরুষের ভিটেমাটি থেকে পাততাড়ি গুটিয়ে পালিয়ে গেলে কেমন হয়? ওখানে জীবন একদম ভালো লাগে না আর। সব সময়ে সন্ত্রস্ত হয়ে থাকা—এই বুঝি জীবন তুলে নিয়ে গেল ছোঁ মেরে! কী বিচিত্র এই দেশ! দেড় হাজার বর্গকিলোমিটারের বেশি এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে-থাকা গভীর ঘন জঙ্গল-ঘেঁষা ওই গ্রামের মানুষের নিরাপত্তার জন্য সরকারের কোনো পরিকল্পনাই নেই! জঙ্গলের তিনশোর বেশি সিংহের রোজকার খাবার ওই মানুষগুলো। খাওয়া প্রমাণ হলে পাঁচ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ! ব্যাস। ওইটুকুই। খেতে যাতে না পারে, তার জন্য কোনো ব্যবস্থা নেই? এমন হতে পারে একটা সভ্য দেশে? এখানে মানুষের চেয়ে পশুর দাম বেশি!

    ওই অরণ্যে দুই সিংহীর পর পর মৃত্যু চিন্তা বাড়িয়ে দেয় প্রশাসনের। সিংহ-সিংহীদের আস্তানার নিরাপত্তা নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে মন্দির তৈরি হয় আশপাশের গ্রামে। বিধানসভায় রিপোর্ট পেশ হয়, গত দু-বছরে ওই অরণ্যে ১৮৪টি সিংহের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ মৃত্যুই অস্বাভাবিক। ওই মৃত্যুর কারণানুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা যায়, জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে পাতা রেললাইন বরাবর হাঁটতে গিয়ে পিষ্ট হচ্ছে তারা। অথবা, বৈদ্যুতিন বেড়ার কাছাকাছি পৌঁছে, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যাচ্ছে কেউ কেউ। তবু সিংহের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    জঙ্গলের মধ্যে ছোট্ট জলাশয়ে দেখা যায়, সিংহশিশুরা ঝগড়া করছে দল বেঁধে। কেউ কেউ আবার জল নিয়ে খেলছে। একটু দূরে রোদ মাখতে মাখতে সেদিকে তীক্ষ্ন নজর রাখছে সিংহের মা। সিংহের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া নাকি খুব ভালো লক্ষণ! মন্ত্রী বলছেন, ‘দেশ যে বন্যপ্রাণ সুরক্ষায় কঠিন পদক্ষেপ করছে, এ তারই প্রমাণ।’ সিংহের সংখ্যা যত বৃদ্ধি পাচ্ছে, বিভিন্ন করিডোর দিয়ে নতুন নতুন এলাকায় সরে যাচ্ছে তারা। ঢুকে পড়ছে গ্রামে, তুলে আনছে মানুষ। মানুষ যত যায় যাক-না, তাতে সরকারের কিছু যায় আসে না!

    লোকটা ট্রেনের জানালা দিয়ে আকাশের দিকে তাকায়। অন্ধকার আকাশে কালপুরুষের মতো ভেসে ওঠে সিংহের ছবি। প্রকাণ্ড শরীর তার, দু-চোখে হিংস্র দৃষ্টি। ভয়াবহ দাঁত-নখ বের করে সে যেন লাফিয়ে পড়তে চাইছে ট্রেনের জানালায়। মুহূর্তে সে দেখতে পায়, সিংহের মুন্ডুটার সঙ্গে তার নিজের শরীরটা জুড়ে গিয়ে নৃসিংহের মতো ভয়ংকর একটা মূর্তি তৈরি হয়ে গেল আকাশে। মুখময় রক্ত তার। ওই মূর্তি আকাশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত যেন আর্তনাদ করতে করতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। লোকটা আর নিজেকে ঠিক রাখতে পারে না। মাথা ঘুরে যায় তার, চোখে অন্ধকার দেখে। ট্রেনের জানালা বন্ধ করে দেয় সে। জিভ শুকিয়ে যায়। কয়েক মুহূর্তের জন্য চিন্তাভাবনার শক্তি লোপ পায়, জড়পদার্থে পরিণত হয় যেন। একটু পর ব্যাগ থেকে জল বের করে গলা ভেজায় সে, চোখে-মুখে জলের ঝাপটা দেয়। তারপর ভাবে, সারাদিনের ধকল আর অনেকক্ষণ ধরে না খেয়ে থাকার ফল এই।

    লোকটা আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করে। মেয়ের মুখ মনে পড়ে তার। মেয়ের জন্যই তো সবকিছু—এত পরিশ্রম, এই বেঁচে থাকা। সেই মেয়েকে ভালো করে খাইয়ে-পরিয়ে রাখতে না পারলে এ জীবনের মানে কী? কিন্তু মেয়ে তো আজকাল একদমই পাত্তা দেয় না বাবাকে। এজন্য ভিতরে ভিতরে গুমরে মরে সে। যখন সে দু-আড়াই বছরের, কত ভালোবাসত বাবাকে! এক মুহূর্ত কাছছাড়া হতে চাইত না। বুকের উপর শুয়েই ঘুমিয়ে পড়ত, ঘুমোলে মা নামিয়ে নিত বুক থেকে। সেই মেয়ে আজ বাবার প্রতি কোনোরকম টানই অনুভব করে না!

    এই পরিবর্তনটা হয়েছে দাদুর মৃত্যুর পর পরই। দাদুর চলে যাওয়াটা সে কিছুতেই মেনে নিতে পারেনি। কিন্তু এখানে বাবার ভূমিকা নিয়ে তার এত অভিযোগ কেন? বাবা তো দাদুকে ডাক্তার দেখাতে নিয়ে যেতে চেয়েছিল দাদুর ভালোর জন্যই। এ কথা সত্যি, দাদু একদমই রাজি ছিল না ভরসন্ধেবেলা অভিশপ্ত জঙ্গলের পাশ দিয়ে ডাক্তারের কাছে যেতে, কিন্তু ডাক্তারের কাছে না গেলে দাদু সুস্থই বা হত কী করে? বাবা জোরজবরদস্তি করায়, সেদিন সিংহের ভয়ে দাদু লুকিয়ে পড়েছিল আশপাশে কোথাও। এরপর বাবা বেরিয়ে গিয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও আর পায়নি তাকে, নিরাশ হয়ে ফিরে এসেছিল। পরদিন জঙ্গলের মধ্যেই দাদুর আধখাওয়া ক্ষতবিক্ষত দেহ মিলেছিল। এই সমস্তটাই জানে মেয়ে, তবু সে বাবাকে ক্ষমা করতে পারে না?

    পৌঁছোতে পৌঁছোতে রাত হয়ে গেল। পেটে খিদে, সারা শরীরে ব্যথা, মনে অদ্ভুতরকমের একটা নাম-না-জানা ভয়! এই ভয়টা শুরু হয়েছে সেই ট্রেন থেকে। এতক্ষণে মনের মধ্যে বেশ জাঁকিয়েও বসেছে সে। মেয়ে তখনও ঘুমোয়নি, ‘চকোলেট এনেছিস আমার জন্যে?’ এ কী, মেয়ে এভাবে তেড়ে আসছে কেন তার দিকে? চোখ দুটো যেন আগুনের মতো জ্বলজ্বল করছে তার। চুলগুলো কেশরের মতো দুলছে। সে এসে ঝাঁপিয়ে পড়ল বাবার উপর। ক্রমাগত কিল-চড়-ঘুষি! এইবার শুরু হল লাথি। লাথির পর লাথি আছড়ে পড়ছে যন্ত্রণায় কুঁকড়ে-যাওয়া শরীরটার উপর। বুকের উপর উঠে দাঁড়িয়ে লাথি মারছে সে এখন। লোকটা ঝাপসা চোখে দেখছে, মেয়ের শরীরে এক ক্ষুধার্ত সিংহীর মুখ। সে দাঁত-নখ দিয়ে চিরে দিতে চাইছে তার বুক, উপড়ে নিতে চাইছে চোখ, ফালা ফালা করে দিতে চাইছে গোটা শরীর! একটা সাড়ে ছ-বছরের মেয়ে বীভৎস নৃসিংহের রূপ ধরে ধ্বংস করে দিতে চাইছে লোকটার অস্তিত্ব, তার বেঁচে থাকা—’আমি তোকে ঘেন্না করি, তুই মরে যা, মরে যা…’

    বন্ধ সদর দরজায় ক্রমাগত টোকা পড়ছে তখন। এত রাতে কে ডাকে? নিজেকে ছাড়িয়ে কোনোরকমে দরজা খুলল লোকটা। এ কী, পুলিশ কেন? এতক্ষণ অঘোরে ঘুমোচ্ছিল লোকটার বউ। সে এইবার ধড়ফড়িয়ে উঠে দেখল, পুলিশ লোকটাকে ধরে ধরে গাড়িতে তুলছে। লোকটার বউ কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়ল, নিজেকে কোনোরকমে সামলে খুব নিচুস্বরে প্রশ্ন করল ‘কী হয়েছে?’

    ‘তদন্তের একদম শেষদিকে জঙ্গলের একটা সিসিটিভি ফুটেজ হঠাৎই আমাদের হাতে এসেছে। সেখানে দেখা গিয়েছে, গভীর জঙ্গলে সিংহের মুখে বাবাকে জোর করে ছেড়ে দিচ্ছে লোকটা।’

    ‘ও মা!’ প্রায় আর্তনাদ করে উঠল লোকটার বউ।

    ‘বুড়ো মানুষটা জাপটে ধরছে ছেলেকে, তার পায়ে ধরে মিনতি করছে, তবু…’

    ‘কিন্তু বাবা তো ওর সঙ্গে ডাক্তারের কাছে যায়নি, সিংহের ভয়ে পাড়াতেই কোথাও লুকিয়ে ছিল…’ খানিক চুপ করে থেকে কাঁপা-কাঁপা গলায় লোকটার বউ আবার বলতে লাগল, ‘অবিশ্যি কিছুক্ষণের মধ্যেই বাবাকে খুঁজতে বেরিয়েছিল ও। তখন কি তবে…’

    ‘আমাদের হাতে ফুটেজটা না এলে আসল সত্যিটা চিরদিন অজানাই থেকে যেত।’ পুলিশ অফিসার ধীরে ধীরে গাড়িতে উঠলেন। মধ্যরাতের সিংহনাদী ভয়াবহতা চিরে পুলিশের গাড়ি গহন জঙ্গলের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে গ্রাম থেকে।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচাঁদের তাঁবু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    Next Article উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রজতশুভ্র মজুমদার
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026
    Our Picks

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026

    এক ডজন রহস্য গল্প – রজতশুভ্র মজুমদার

    September 5, 2026

    চাঁদের তাঁবু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }