Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প139 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কড়িখেলা – ১০

    ॥ ১০ ॥

    নিক্কো পার্কের পাশ দিয়ে সোজা রাজারহাটের দিকের ফ্লাইওভারে উঠে গেল শাঁটুল। ঝড়ের বেগে বাইক চালাচ্ছে। সোহিনী জাপটে ধরে আছে তাকে। মুখটা গুঁজে দিয়েছে তার ডান কাঁধে। শাঁটুল ঠিক মাপতে পারছে না তার ভিতরে কী চলছে এই মুহূর্তে। সামান্য বেসামাল হলেই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে! সে সাঁ-সাঁ করে উইপ্রোর পাশ দিয়ে ছুটে গেল। সোহিনী হাসছে। সোহিনী সাউথ! কোনও ইনহিবিশন নেই। ছেলেদের কনুইয়ের গুঁতো মারে না। চিমটি কাটে না, ঠোঁট কামড়ায় না দাঁত দিয়ে। লজ্জা কদাচিৎ পায়, নিজের বুকের দিকে তাকায় না বারবার, রেস্তরাঁয় বিল দেওয়ার সময় বলে, ‘আমি দিই? অ্যাট লিস্ট লেট মি শেয়ার?’ সেই সোহিনী সাউথ শাঁটুলকে সম্পূর্ণ জড়িয়ে ধরেছে। স্পিড কমিয়ে এবার শাঁটুল সল্টলেকে ঢুকে গেল। একটার পর একটা আইল্যান্ড পেরিয়ে যাচ্ছে। সোহিনীর শাঁটুলকে অনেক মনের কথা বলার ছিল। কিন্তু সেসব পরে হবে। আজ সোহিনী শ্যাম্পু করে আর সিঁদুর পরেনি। শাঁটুলের একবারও মনে হচ্ছে না এই মেয়েটা অন্য কারও বউ! সোহিনী খুব মজা পাচ্ছে দেখে পুলক জেগেছে তার ডানায়। সে শুধু উড়তে চাইছে। পাক খেতে চাইছে। সোহিনী চিৎকার করে বলল, “শাঁটুল, তোমার ভাল নাম কী?”

    “গৌরচাঁদ দাস।”

    “আর তোমার ডাক নাম?”

    “মিউ।”

    ‘“মিউ? সে আবার কী?”

    “আমার পিসির একটা পোষা বেড়াল ছিল। সে ডাকত মিঁউ মিঁউ, আমিও কথা বলতে শিখে মিউ মিউ করতাম। ওটাই হয়ে গেল নাম!”

    এই সময় শাঁটুলের ফোন এল একটা। পার্টি ফোন করছে নিশ্চয়ই। সে বাইকটা দাঁড় করাল একটা বাড়ির সামনে। বিশাল বাড়ি। সামনে লন, খুব মোটা করে গাছের ফেন্সিং। তারপর কাঁটাতার। বিদেশি ডিজাইনে তৈরি দোতলা বাংলো। শাঁটুল কথা বলছে। সোহিনী বাইক থেকে নেমে বাংলোটা মুগ্ধ হয়ে দেখতে লাগল। আহা, কী বাড়ি! কী দারুণ দারুণ সব বাড়ি আছে সল্টলেকে। এই বাংলোটার পাশের বাংলোটাও দারুণ। তবে রংটা তার অতটা মনঃপূত হল না। সোহিনী খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে বাড়িগুলো দেখতে দেখতে চলে গেল একটু পাড়াটার ভিতরে। ঠিক সেখান থেকে শাঁটুলকে আর দেখা যাচ্ছে না। সোহিনী এতক্ষণ শাঁটুলের শরীরের সান্নিধ্যে রয়েছে, সেই ওম ছড়িয়ে পড়েছে গহনে। তার মনে হচ্ছে, ইস, যদি সুযোগ থাকত, যদি একটু আদর পেত সে এই লম্বা-চওড়া ছেলেটার, তা ছাড়া শাঁটুল যে তাকে ভালবাসে, তা সে চোখ দেখে বুঝতে পারে। সোহিনী যৌনতার স্বাদ পাওয়া মেয়ে। আর অতৃপ্ত, কোনও পুরুষের প্রতি তৎগত ভাব তৈরি হলে ঘুমের মধ্যেও তার সেই পুরুষের জন্য দুটো ঊরু, দুই পা দু’দিকে প্রসারিত হয়ে যায়। এই কামভাব দমন করে সে হাসিমিশ্রিত মুখে চারিদিকে তাকাতে তাকাতে হঠাৎ দেখল ওই সবচেয়ে সুন্দর বাড়ি থেকে সাদা লিনেন প্যান্ট, আকাশি টি-শার্ট পরা, চোখে অ্যাভিয়েটর সানগ্লাস পরা একটা প্রায় তারই বয়সি ছেলে গেট খুলে বেরিয়ে এল। ছেলেটা হাতের চাবি টিপে সামনে দাঁড়ানো দুধসাদা বড় একটা গাড়ির সেন্ট্রাল লক খুলল। পিক পিক আওয়াজ করে আলো জ্বলে উঠল গাড়িটার। ছেলেটার স্টাইল আছে, ভাবল সে। ছেলেটা চোখে কালো চশমা, তবু ছেলেটা যে তাকে দেখছে, তাও বুঝতে পারল সে। ছেলেটা কি এক পা-এক পা করে তার দিকেই এগিয়ে আসছে?

    “সোহিনী না? সোহিনী দত্ত?” ছেলেটা আঙুল তুলল একটা, “সাউথ পয়েন্ট?” চোখ থেকে সানগ্লাস খুলে ফেলল ছেলেটা।

    “মহুল? তুই?”

    “চিনতে পারছিস?”

    “হ্যাঁ, পারব না কেন? তুই তো ফেসবুকে আমার ফ্রেন্ড লিস্টে আছিস।’

    “ফেসবুকে সকলেই আছে। কিন্তু আমার ফেসবুক করার সময় হয় না।”

    “তুই তো প্লাস টু থেকে বিদেশে ছিলি। এখন কী করছিস?”

    “ফ্যামিলি বিজনেস। তুই?”

    “কিচ্ছু না। বিয়ে করে কাইন্ড অফ হাউজ় ওয়াইফ।”

    “তুই হাউজ় ওয়াইফ? মারাত্মক ব্যাপার। বরকে নাচাচ্ছিস, না বর তোকে নাচাচ্ছে?”

    সোহিনী হেসে উঠল হো-হো করে।

    শাঁটুলের কথা শেষ হয়ে যাওয়ার পর সে খুঁজল সোহিনীকে। মনে মনে বলল, হেভি চঞ্চল মেয়ে। এই মেয়েকে সামলানো যার-তার কম্মো নয়। সে এদিক-ওদিক তাকাল, সরে গেল একটু বাইকটা রেখে। এবং তখনই দেখতে পেল, সোহিনী হেভি হ্যান্ডসাম একটা ছেলের সঙ্গে হেসে হেসে কথা বলছে। বাপ রে! ছেলেটা খুব সফি! গা থেকে বড়লোকের তেজ ছড়াচ্ছে যেন। সে সট করে সরে গেল আড়ালে। কে জানে ছেলেটা কে? তার পক্ষে সামনে যাওয়া কখনওই ঠিক হবে না। এমনিতেই এভাবে বাইকে ঘোরা রিস্ক হয়ে যাচ্ছে। হয়তো তাদের অজান্তে অনেকে দেখেও ফেলেছে তাদের! ঈশ্বর জানেন, এর পরিণতি কী! মনের মধ্যে অনেক সংশয় থাকলেও সোহিনীর প্রতি তীব্র আকর্ষণবশত সে নিজেকে আটকাতে ব্যর্থ হচ্ছে। জানাজানি হলে কী হবে, ভাবতেই পারছে না। কী আর হবে! কমল ডিভোর্স দিয়ে দেবে সোহিনীকে। সে বিয়ে করবে তখন মেয়েটাকে। পাড়া ছেড়ে দেবে। সাউথের দিকে বাড়ি ভাড়া নেবে তখন। আরে, পুরুষমানুষের টাকা রোজগার করতে কতক্ষণ লাগে? সোহিনীকে গৌরচাঁদ দাস খুব তোয়াজ করেই রাখবে। আইপিএস অফিসার ভদ্রলোক নিজের যে ফ্ল্যাটটা ভাড়া দিলেন, সেটা পুরো ফার্নিশড্। তাতে মাস্টার বেডরুমে যা একখানা খাট আছে না…মাথার কাছে আয়না লাগানো। ওরকম একটা খাট বানাবে শাঁটুল। সোহিনীকে সুখ দিচ্ছে দেখেও সুখ! একস্ট্রা ইনিংস। শাঁটুল অপেক্ষা করতে লাগল সোহিনী আসার।

    ওদিকে মহুল সোহিনীকে জিজ্ঞেস করল, “তোর বর কী করে?”

    সোহিনী বলল, “ডাক্তার, এম ডি।”

    “ভাল ছেলেই হাতিয়েছ বস!”

    “দূর, সে একটা মায়ের বুড়ো খোকা! যা-তা একদম। কোনও অ্যাম্বিশন নেই, পাড়ায় চেম্বার খুলে বসে আছে। কমফর্ট জ়োন থেকে বেরোতই চায় না। দেড়শো টাকা ভিজ়িট। তাও অনেকে দেয় না বোধহয়। আমি একটা চার হাজার টাকার শাড়ি কিনলে কেঁদে ফেলার অবস্থা ওর! তা ছাড়া আমাদের মধ্যে কোনও অ্যাডজাস্টমেন্ট হয়নি কখনও!”

    “লিভিং আ স্যাড লাইফ?”

    “টু স্যাড। শ্বশুরবাড়িতে আমি কমপ্লিটলি লেফট আউট। একঘরে। আমিও ওদের দেখতে পারি না, ওরাও আমায় দেখতে পারে না। এই হল সিচুয়েশন। বিয়েটা ভাঙবে একটা চাকরি পেলে। তুই বিয়ে করিসনি?”

    “এবার বিয়ে হচ্ছে,” বলে বেশ গম্ভীর হয়ে গেল মহুল, “রাস্তায় দাঁড়িয়ে কথা বলছি কেন আমরা? বাড়িতে চল। কফি খাবি। মা তোকে ঠিক চিনতে পারবে।”

    এবার সোহিনী বিপাকে পড়ল, “বাড়িতে যাব না রে আজ। অনেক দেরি হয়ে গেছে।”

    “কাম অন সোহিনী, চল। ফর হাফ অ্যান আওয়ার। এনি ওয়ে! তুই এখানে কোথায় এসেছিলি? এপাড়ায় কেউ থাকে? তোর গোপন বয়ফ্রেন্ড ট্রেন্ড? চালাচ্ছিস কিছু?”

    হকচকিয়ে গিয়ে সোহিনী বলল, “না, না, এসেছিলাম একটা কিন্ডারগার্টেন স্কুলে ইন্টারভিউ দিতে,” ফট করে বানাল সোহিনী।

    “কোথায় স্কুলটা?”

    তো-তো করে সোহিনী বলল, “এই আইল্যান্ড, তার পরের আইল্যান্ডে। স্কুল খোলেনি এখনও। সব প্রস্তুতি নিচ্ছে। সল্টলেকটা এত সুন্দর, তাই বেরিয়ে হাঁটতে লাগলাম।”

    “সঙ্গে তো বাহন নেই? ওকে, চল আমি তোকে কিছুটা ছেড়ে দেব, ডোন্ট ওয়ারি।”

    শাঁটুল ফোন করছে, একবার-দু’বার। মহুল স্কুলের বন্ধু, গোপনে প্রেম করছে বলতে সোহিনীর কোনও প্রবলেম নেই। কিন্তু প্রেমিক কে? না শাঁটুল দাস! বাড়ি-ফ্ল্যাটের দালাল, এইচ এস। থাকে একটা এঁদো গলিতে! নাঃ, নাঃ, অসম্ভব। এই রুচি-বিকৃতি প্রকাশযোগ্য নয়। প্রেম হতে পারে। শরীর আসতে পারে, মায়া আসতে পারে, করুণা জন্মাতে পারে। কিন্তু সামাজিকতা হতে পারে না। মহুলের ওই সফিস্টিকেশন, ঝকঝকে উপস্থিতি, ওই আভিজাত্য — সব কিছুর সামনে শাঁটুলের পরিচয় দেওয়ারই যোগ্য নয়। কমল একটা শয়তান। কিন্তু কমল ডাক্তার, মার্জিত, বনেদি বংশ। বন্ধ ঘরে কমলকে সে লাথি মারতে চায় রোজ। কিন্তু পরিবার, পরিজন, আত্মীয়, বন্ধু সকলের সামনে কমলের পাশে দাঁড়াতে তার অশ্রদ্ধা হয় না কখনও।

    “শোন না, আমার শ্বশুরের একটা অ্যাম্বাসাডর ছিল। সেটা সেল আউট করে একটা ডিজ়ায়ার কেনা হয়েছে। তাকে রোজ ধোওয়া-মোছা হয়, তোয়াজ করা হয়, তারপর গ্যারেজে চাবি দিয়ে দেওয়া হয়। নর্থের লোকেরা মহা কৃপণ, এক পয়সা খরচ করবে না। পেট্রলের দাম যত বার বাড়ে, আমার শাশুড়ি বলেন, ‘আর কেন? এবার গাড়িটা বিদেয় করো।’ একদম ভোগ করতে জানে না রে ওরা! রাতে কুমড়োর ঘ্যাঁট আর রুটি খাবে। আমি কী করি জানিস না? রান্নাঘরে যাই, দুটো ডিমের পোচ বানাই। ওদের দেখিয়ে দেখিয়ে খাই।”

    মহুল হা-হা করে হাসতে লাগল, “কী ডেসপারেট সিচুয়েশন তোর!”

    সোহিনীর মনে হল, মন খুলে কথা বলতে পেরে তার অনেক হালকা লাগছে। শাঁটুলের সঙ্গে কথা বলে বটে। বাট ইউ হ্যাভ নাথিং টু টক উইথ শাঁটুল।

    “দাঁড়া, তোর শ্বশুরবাড়ি একদিন যেতে হবে, ইন্টারেস্টিং প্লেস।”

    “যাস না খবরদার। হার্ট ফেল করবে আমার শাশুড়ি। কত বয়ফ্রেন্ড আসছে বাড়িতে বলে পা ছড়িয়ে কাঁদতে শুরু করবে!” সোহিনী থামল, “অ্যান্ড লেট মে টেল ইউ দে আর রিয়্যালি ন্যাস্টি পিপল!” বিজ্ঞের মতো ঘাড় নাড়তে নাড়তে বলল সোহিনী, “বিয়ের পর শাশুড়ি আমাকে বারান্দায় নিয়ে বসিয়ে বাড়ি দেখিয়ে দেখিয়ে পাড়ার সবার পরিচয় দিত, ‘এই যে ওই বাড়িটা দেখছ? ওটা শর্বরীদের বাড়ি। শর্বরীর সঙ্গে জানো তো ওর ছোটকাকার ভালবাসা ছিল। পেটে বাচ্চাও চলে এসেছিল। সে কী কেলেঙ্কারি ব্যাপার! মা গো, গা গুলিয়ে উঠবে! তারপর শর্বরী গলায় দড়ি দিয়ে মরল! আর ওই যে সবুজ লোহার গেট একদম একতলা সমান উঁচু বাড়ির ভিতর কী হচ্ছে, কেউ জানতে পারবে না! ওরা সোনার বেনে। ওই বাড়ির বড়বউ বাড়িতে ল্যাংটো হয়ে ঘুরে বেড়ায়…ল্যাংটো— বুঝলি তো? নেকেড…”

    “আরে বুঝব না কেন? আমাকে কি তুই ইংরেজ ভাবছিস? আমি পাতি বাঙালি সন্তান।”

    “হ্যাঁ, তো ‘ল্যাংটো হয়ে ঘুরে বেড়ায়, চুল এলো করে, বিশাল চেহারা, ওইটাই হল বড়বউয়ের বড়লোকি! বাড়িতে চাকরবাকর ঘুরছে। ও বাড়িতে কোনও চাকরবাকর কাজ করতে ঢুকে আর কখনও বেরোতে পারে না। চাকরকে পাশে নিয়ে শোয়, চাকর স্নান করায়, চাকর খাইয়ে দেয়।’ শুনে আমি বললাম, “আচ্ছা মা, বড়বউ কি সাইকোপ্যাথ? মাথাখারাপ? পাগল? উত্তর, ‘ওই আর কী!’ ভাব, চাকরের সঙ্গে মিন করছে নোংরা সম্পর্ক, সত্যিটা বলছে না যে, বড়বউ জাস্ট পাগল, উন্মাদ। এই হল উত্তর কলকাতা!”

    শাঁটুল সমানে ফোন করে যাচ্ছে আর সোহিনী ফেঁসে গেছে বেজায়। এটা তো সম্ভব নয় যে মহুলের সামনে দিয়ে সোহিনী শাঁটুলের বাইকে গিয়ে উঠবে। অগত্যা সোহিনী ফোনটা সুইচ অফ করে দিল। রাজি হল মহুলের বাড়িতে দু’মিনিট বসতে। ভাবল, শাঁটুলের সঙ্গে মিশে মিশে সে একটু হ্যা-হ্যা পার্টি হয়ে গেছে নাকি? নিজেকে একটু গুছিয়ে নিল সোহিনী। তারপর বহু বছর পর মহুলের মাকে দেখে গাল বাড়িয়ে দিয়ে উম্ করে বলে উঠল, “কেমন আছ আন্টি?”

    শাঁটুল দেখল সোহিনী ওই বাড়িটায় ঢুকে গেল। সোহিনীর ফোন অফ হয়ে গেছে। একটু সময় তার মাথার ভিতরটা হালকা হয়ে গেল! ও জাস্ট চলে গেল? সে যে ঠায় দাঁড়িয়ে আছে, তাকে একটা কথা বলা— কিচ্ছু না! বড়লোক, হ্যান্ডসাম ছেলেটাকে পেয়ে ভুলে গেল তার কথা। এক মুহূর্ত শাঁটুলের মনে হল, ওই বাড়িটার সামনে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে ‘সোহিনী, সোহিনী’ বলে ডাকে। ক্রমশ তার শূন্য মাথার মধ্যে লালবর্ণ রাগ দাপাতে লাগল উঠে এসে। সে নিজেকে ধিক্কার দিল, কী গান্ডু সে! এই মুহূর্তে তার কোথাও কোনও আশ্রয় নেই, আর কোনওদিন, আর কোনওদিন সে সোহিনীর মুখ দেখবে না! তার মনে পড়ল, সোহিনী যেদিন তাকে বারান্দা থেকে হাত তুলে চড় দেখিয়েছিল, সেদিন সোহিনীর চোখে ছিল অবজ্ঞা! সেই চড়টা তার গালে বসে গেল এখন! দিগ্বিদিক জ্ঞান হারিয়ে বাইক ছোটাল শাঁটুল। ট্র্যাফিক সিগনাল ভেঙে পাড়ায় ফিরল সে। তখন ছ’টা বাজে। পাড়ায় ঢুকেই দেখল, অনাদি ঘোষাল স্ট্রিট থেকে তিন মাথার মোড় অবধি বেশ লোকজনের ভিড়। কী হয়েছে জানতে চাইল শাঁটুল। জ্যোতিষ্মানদা মুখ থেকে রক্ত তুলতে তুলতে অজ্ঞান হয়ে পড়ে ছিল কতক্ষণ, কেউ জানে না। দরজা ভেঙে বের করে জ্যোতিষ্মানদাকে নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মকাইরা কেউ দায়িত্ব নিতে চায়নি। আয়েষাদিই আগে ট্রিটমেন্ট করানোর চেষ্টা করছিল, আয়েষাই লোকজন জুটিয়ে নার্সিংহোমে নিয়ে গেছে। আজ রাতেই ঠাকুরপুকুরে ট্রান্সফার করা হবে।

    নার্সিংহোমের নাম জেনে নিয়ে তখনই বাইক ঘুরিয়ে সেখানে ছুটল শাঁটুল। লালুকে যেতে যেতে ফোন করল, “তুই আমাকে ফোন করিসনি কেন গাড়ল?”

    সে বলল, “তুমি গেছ প্রেম মারাতে, ডিস্টার্ব করব?”

    “সব সময় ইয়ার্কি ভাল লাগে না লালু।”

    লালু চলে গেছে আয়েষাদির সঙ্গে, আগেই।

    “কী অবস্থা?”

    “এবার কেমো না দিলেই নয়। কিন্তু জ্যোতিষ্মানদা তো কেমো নেবে না বলে দিয়েছে। পুরনো নকশাল, তেজ খুব।”

    “জ্ঞান ফিরেছে?”

    “ফিরেছে।”

    “আমি আসছি।”

    সে গিয়ে পৌঁছোল নার্সিংহোমে। সেই সল্টলেক। আয়েষাদি ডাক্তারদের সঙ্গে কথা বলছে। ধীমানদাও সেখানে। মকাইদাও আছে। মুখ ভেটকে দাঁড়িয়ে ওয়েটিং এরিয়ার সামনে। সে লালুর দিকে এগিয়ে গেল। লালু বলল, “শাঁটুল তোর গা থেকে একটা উগ্র সেন্টের গন্ধ বেরোচ্ছে।”

    “তুই থামবি?”

    “তোর মুখের অবস্থা তো খুব খারাপ রে? সবটাই কি জ্যোতিষ্মানদার জন্য? নাকি অন্য কারণ আছে?” তখনই লিফ্ট থেকে বেরিয়ে এল আয়েষাদি। আয়েষাদি এসেই শাঁটুলের কাঁধ চেপে ধরল, “তুই এসেছিস, শোন শাঁটুল! অভীকদাকে ফোন করে ডাক। জ্যোতিষ্মানদা বোধহয় সুইসাইড করতে গেছিল!”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Our Picks

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }